আমার প্রিয় পোস্ট
- প্রায় দু'শটি বাংলা ছবি ডাউনলোড করুন মিডিয়া ফায়ার থেকে... - জবরুল আলম সুমন
- ই প্রথম আলো বিজ্ঞাপন সহ কিভাবে দেখা যাবে??? - প্লাব২০১০
- কোনভাবেই মিস না করার মতো ১০টি কোরিয়ান ও জাপানী মুভি - নাফিজ মুনতাসির
- গেন্টিং হাইল্যান্ডস –সিটি অফ এন্টারটেইনমেন্ট !
- মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
- মালয়শিয়ার কয়েকদিন..............১. - রুমমা
- ইন্টারনেটে লাইভ বাংলা টিভি দেখুন (এনটিভি, একুশে টিভি লাইভ, আর সব চ্যানেলের নিউজ) - মনে নাই
- লাইভ বাংলা টিভি চ্যানেল দেখব কিভাবে - কাকভেজা
- ৭টি কোরিয়ান মুভি:বিফলে মূল্য ফেরত - আসিফ মুভি পাগলা
- Call Block না করেও শিক্ষাদিন বিরক্তিকর কলারকে (বিনা খরচে বিনা সফটওয়্যার এ) - দৈনিক কপি-পেষ্ট
- আঙুলের ভুল টোকা আর অকারন নিহত খালেদ মোশাররফ : ঘটনার হেক্সাগন বন্দী ১ টি রটনা........ - দাসত্ব
- থাইল্যান্ডের গল্প - মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
- জিপি'র গ্রাহকরা মাসে সবোর্চ্চ ১০০০ টাকায় ৩০ জিবি ডাউনলোড করুন - জোবায়েন সন্ধি
- পুরনো দিনে বাংলা সিনেমার যে গানগুলো এতদিন খুঁজছিলাম (প্রায় ২০০ টি গানের লিংক) - shapnobilash_cu
- যেভাবে হাজারো মূল্যবান বই একদম ফ্রীতে ডাউনলোড করবেন (আপডেটেড) - স্স্পরসের বাহিরে
- শেয়ার বাজারে আবারো লুটপাট: যা ঘটেছে, যা করবেন, আর যা করবেন না। - ও.জামান
- হ্যাকিং করুন ফেসবুক,ইয়াহু সহ যেকোন ওয়েব একাউন্টের পাসওয়ার্ড,সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে। - সজীব রহমান
- শেয়ার ব্যবসা - ২: কোন শেয়ার কিনবেন? কিভাবে? কতটা? - ওরাকল
- ইন্টারনেট ব্রাউজিং স্পীড নিয়ে টুকিটাকি কিছু টিপস (COPY) - মুস্তাফিজুর রহমান (মুন্না)
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- বিনা ভিসাতে বিদেশ ভ্রমন - মঈনউদ্দিন
- আপনার BTCL ফোনের বিল অনলাইন দেখুন - ইনজাম
- কে কে মনিটর কিনতে চান? - জর্জিস
- অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ , টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য - দাসত্ব
- আপনার কম্পিউটারের সামনে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রি ফ্যাক্স করুন বিশ্বের অনেক অনেক দেশে!! - মঈনউদ্দিন
- মজার চিকেন ফ্রাই খাইতাম চাই, কোথায় খাব বলেন - আন্ধার রাত
- AML থেকে AL , অসাম্প্রদায়িকতার কার্টেইন এবং পেছনের কাহিনী - দাসত্ব
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- জহির রায়হান অন্তর্ধান নাকি হত্যাকান্ড? -১ - ইবনে সালাম
- স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের লেখা ও স্মৃতিচারণ - চিন্তিত দার্শনিক
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- কিছু কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের ফ্রি আল্টারনেটিভ - অজানা এক পথিক
- অল্প খরচে কক্সবাজার, বান্দরবান ভ্রমণ - এরশাদুর রহমানা
- ফটোগ্রাফীর টুকিটাকি (রাতের ছবি) -১ - কালপুরুষ
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- রেকর্ড করুন স্পিকারের সাউন্ড - মহসিন০৮
- মুভি বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- ফটোগ্রাফির অষ্টম পাঠ - ফয়সাল আকরাম
- ১৯৭১ এ মেজর জিয়াউর রহমান - ক্যামেরাম্যান
- পুরাতন কাজ নতুন করে রিভাইজ দিই। ফটোশপে কালার চন্জে করা। - আতাতুর্ক
- বাংলাদেশের ইতিহাসের না বলা সত্যকে জানুন....মেজর ডালিম - একান্ত কথা
- বঙ্গবন্ধুর খুনিরা যেভাবে রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য পান (’৭৫ থেকে ’৯৬) - নিউজকাস্টার
- ফটোশপ গোল্ডেন গ্লাস ইফেক্ট - তানভীর চৌধুরী পিয়েল
- ফটোশপ দিয়ে চমৎকার টেক্সট ইফেক্ট তৈরী করুন - মাহমুদ সিএসই
- "ম্যাজিক সফটওয়্যার"-২#ছবির Dimension Resize করুন/DiGitaL Camera ব্যবহারকারীরা আরামসে হাজারো ছবি Save করুন... - অতিথি_পথিক_মানুষ
- নতুন ডিজিটাল ক্যামেরা মালিকের প্রথম ছয়টি ভুল - হাসান বিপুল
- ডিজিটাল ক্যামেরা বিষয়ক.. সাহায্য প্রয়োজন। - ত্রিভুজ
- শেখ হাসিনার ডিগবাজি... - রাহি
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- আজ ৭ই নভেম্বর--মাথা নত করি মহান নেতা শহীদ জিয়ার প্রতি - আল্লাহ রাখা
- আজ ৭ই নভেম্বর........ জিয়া তোমায় মনে পড়ে....... - স্বপ্নরাজ
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- নভেম্বর ৩ , ১৯৭৫ - নুরুজ্জামান মানিক
- জেলহত্যাকাণ্ডঃ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কাণ্ডারী তাজউদ্দিন আহমেদ - শেখ রফিক
- জেলহত্যাকাণ্ডঃ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কাণ্ডারী - শেখ রফিক
- জিয়াউর রহমান - সবথেকে জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট - ব্রাইট
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার: জাতেমাতাল - একলা একজন
- একজন পর্ণব্যবসায়ীর "মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মে যোগদানের ডাক" বর্তমান প্রজন্ম শুনতে চায় না। - জেনারেশন৭৫
- নির্মম কিছু ছবি ( দুর্বল চিত্তের মানুষদের প্রবেশ নিষেধ) - স্বপ্ন নীল
- গোলাম আযমের বিরূদ্ধে ডঃ আনিসুজ্জামান উত্থাপিত অভিযোগপত্র - স্বপ্ন নীল
- ব্যাগ ভর্তি স্ট্যানলি কুবরিকঃ মুভি কালেকশন - বিডি আইডল
- বঙ্গবন্ধুর কিংবদন্তী ভুল! - সাইফ সামির
- বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই দালালদের ক্ষমা করেছিলেন? আসুন নতুন করে ট্রুথ কমিশন গঠনের দাবি জানাই - শওকত হোসেন মাসুম
- আওয়ামীলীগ সরকার ৭১’র ঘাতকদের ক্ষমা করে দিলো - আহমদ আবদুল হালিম
- বঙ্গবন্ধু বড় বুযুর্গ লোক ছিলেন - আবদুল হক
- কালজয়ী শহীদ জিয়া ও প্রগতি [রিপোষ্ট] - একলা একজন
- জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন... - অমি রহমান পিয়াল
- সংবিধানে বিসমিল্লাহ : হাফ প্যান্টের বুক পকেট - লেখাজোকা শামীম
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল হলে বাংলাদেশ মুসলিম রাষ্ট্রের পরিচিতি হারাবে : আল্লামা শাহ আহমদ শফী - শিরোনামহীন..........
- সাংবিধানিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রামাণ্য দলিল - মামুনুর রহমান খাঁন
- একটি ব্লগে বেয়াই মোশাররফ হোসেনকে যেভাবে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর চক্রান্ত হয়েছিল - আয়াজ মাহমুদ
- নেটের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্রি মুভি ডাউনলোড সাইট
- বিডি আইডল
- ড. কামাল বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটির ১১ নং সদস্য ছিলেন। পীর হাবিব ছিলেন ৭৬ নম্বর - সাদাত হাসান
- মেগাআপলোড থেকে আজীবন মুভি ডাউনলোড/স্ট্রিমিং করবেন যেভাবে--(like premium user) - বিডি আইডল
- বিডিআরে বিদ্রোহে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আ'লীগ নেতা তোরাব আলীর জবানবন্দি - সুধাসদন
- ২রা অক্টোবর ১৯৭৭: স্বাধীনতার আদর্শ রক্ষায় বাংলাদেশের শেষ সামরিক অভ্যুত্থান - মেহবুব রেহমান খান
- প্রধানমন্ত্রী!!এইসব চাটুকারদের হতে সাবধান!!
- নাহিদ মাহমুদ
- জাতীয় রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার সীমাহীন হয়ে পড়ে - অন্তু
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীঃ বাংলার অবিসংবাদিত জননেতা[_ শেখ রাফিক/sb] - কল্লোল কর্মকার
- শেখ হাসিনা : এক মহান বিদ্বেষী নেত্রী - নো ব ডি
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম কাণ্ডারী - শেখ রফিক
- ছাগু ও পৈতা................!!! - বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
- একটি বিতর্কিত বিষয়ঃ বঙ্গবন্ধু কি গ্রেফতার হয়েছিলেন? নাকি আত্মসমর্পণ করেছিলেন? - রফিকুল ইসলাম ফারুকী১১
- বাংলাদেশের ইতিহাসের না বলা সত্যকে জানুন - ২ - রাকিব খান
- সরকার কেন ক্রমশই মরিয়া হয়ে উঠছে? - ত্রিশোনকু
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( শেষ পর্ব ) - একরামুল হক শামীম
- মূলধারা '৭১ : ইতিহাসের অজানা অধ্যায় - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ৭৫ এর ১৫ এবং ১৬ই আগষ্ট। - ওবায়েদ
- আওয়ামী-বাকশালী গংদের নির্লজ্জ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও শঠতার জবাব! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ২] - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- শেখ মুজিব ----- আহমেদ শরীফের ডায়েরী থেকে - রাসেল ( ........)
- তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক ভূমিকা - একরামুল হক শামীম
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৯৭২-৭৫ মুজিব সরকারের আমলেই যুদ্ধাপরাধীদের অনেককেই ছেড়ে দিয়ে দেশ গড়ার আহবান জানানো হয়েছিল! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- নিঃসঙ্গ যোদ্ধা : তাজউদ্দীন - মেঘ
- প্রধানমন্ত্রীর সংবিধান লংঘন: আমরা এই সব মিথ্যুকদেরই ভোট দিয়েছিলাম - আবু সাঈদ আহমেদ
- শেখ মুজিবকে বঙ্গশত্রু উপাধি দিয়েছিলেন মতিয়া চৌধুরী - সুধাসদন
- ১৫ অগাস্ট EXCLUSIVE:হাতে লেখা লাশের অফিসিয়াল লিস্ট ও গেজট - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ - বিবর্তনবাদী
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ধন্যবাদ শেখ মুজিব - Enam
- বঙ্গবন্ধু : তার নামে গর্জেছিলো বন্দুক, এখন গর্জায় তার কাঁধে - অমি রহমান পিয়াল
এ্যানথ্রাক্সঃ সতর্ক হওয়ার এখনি সময়
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭
![]()
বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লুর রেশ মিলিয়ে যেতে না যেতেই নতুন আতংক হিসেবে হাজির হয়েছে এ্যানথ্রাক্স। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় আজ রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০১০) থেকে এ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে তাদের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি রেড এলার্ট জারি করেছে। মন্ত্রণালয় থেকে সিভিল সার্জন সহ সকল জেলার সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
গত ২ দিনে নতুন ৪৪টি নতুন কেস সহ ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি, ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) এ পর্যন্ত (রবিবার সকাল পর্যন্ত) সারাদেশে ২৯৮ জন এ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগীর কথা নিশ্চিত করেছে।
এ্যানথ্রাক্স প্রথম সনাক্ত করা হয় সিরাজগঞ্জ জেলায়, আগস্ট মাসের শেষের দিকে। পরবর্তীতে এ রোগ দ্রুত পার্শ্ববর্তী জেলা পাবনা, টাঙ্গাইল এবং কুষ্টিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
আসুন এ রোগ সম্পর্কে জানি এবং সচেতন হইঃ
এ্যানথ্রাক্স কি?
এ্যানথ্রাক্স হল Bacillus anthracis নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি যা সাধারণত রুমিন্যান্ট (ruminant) বা জাবর-কাটা প্রাণীদের হয়ে থাকে (যেমনঃ গরু, ছাগল, ভেড়া, মেষ প্রভৃতি)।
আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে আসলে কিংবা আক্রান্ত পশুর মাংস খেলে এ্যানথ্রাক্স রোগ মানবদেহে আসতে পারে। মনে রাখতে হবে যে, এ্যানথ্রাক্স মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না।
এ্যানথ্রাক্স কয় প্রকার?
এ্যানথ্রাক্স মুলতঃ ৩ প্রকার--
১। কিউটেনাস এ্যানথ্রাক্স (cutaneous anthrax)-- তিন ধরনের মধ্যে এই এ্যানথ্রাক্স এর প্রকোপ বেশি এবং আমাদের দেশে এটা নিয়েই এখন সবাই আতংকিত। এ্যানথ্রাক্স স্পোর ত্বকের সংস্পর্শে এলে কিউটেনাস এ্যানথ্রাক্স দেখা দেয়। প্রথমে চামড়ায় ছোট ছোট লালচে-বাদামী রঙের ফুসকুরি দিয়ে শুরু হয়। এ ফুসকুরির চারপাশে লালচে রঙ থাকে। সময়ের সাথে সাথে লালচে-বাদামী ফুসকুরির কেন্দ্রে আলসারের মত মুখ দেখা যায় যেখান দিয়ে রক্ত মিশ্রিত রস বের হতে থাকে যা পরে শুকিয়ে গিয়ে কালো শক্ত আবরণ বা ক্রাস্ট (crust) তৈরি করে। এর সাথে মাংসপেশীতে ব্যথা, জ্বর, মাথাব্যাথা এবং বমি বমি ভাব থাকতে পারে।
২। গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল এ্যানথ্রাক্স (gastrointestinal anthrax)-- আক্রান্ত গবাদিপশুর কাঁচা এবং অসিদ্ধ মাংস খেলে গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল এ্যানথ্রাক্স হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের প্রাচীর ভেঙ্গে রক্তে প্রবেশ করে এবং সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, রক্ত-আমাশয় এবং পেটব্যাথা হতে পারে এমনকি দ্রুত মৃত্যুও হতে পারে।
![]()
৩। ইনহেলেশনাল এ্যানথ্রাক্স (Inhalation anthrax)--শুরুতে হালকা জ্বর থাকে পরে নিউমোনিয়া, শক, কোমা এবং মৃত্যু হতে পারে। এটা যদিও বিরল তবে এটাই সবচে মারাত্মক।
![]()
চিকিৎসা?
![]()
কিউটেনাস এ্যানথ্রাক্স হলে আক্রান্ত/ক্ষত স্থান থেকে সোয়াব (swabs) নিয়ে পরীক্ষা (কালচার) করে এ্যানথ্রাক্স ডায়াগনোসিস করা যায়। তাড়াতাড়ি অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা শুরু করলে কিউটেনাস এ্যানথ্রাক্স সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা যায়। পেনিসিলিন রেজিস্ট্যান্স কিনা তা পরীক্ষার আগেই ট্যাব সিপ্রোফ্লক্সাসিন ৫০০ মিগ্রা দিনে একবার করে দেয়া যেতে পারে। পরীক্ষার পর বেনজাইল পেনিসিলন ৬ লাখ ইউনিট ৬ ঘন্টা পর পর মাংসে অথবা ফেনক্সিমিথাইল পেনিসিলিন ৫০০ মিগ্রা ৬ ঘন্টা পর পর দেয়া যেতে পারে। এর সাথে এমাইনোগ্লাইকোসাইড যোগ করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে। রোগীকে তরল জাতীয় খাবার বেশি খাওয়াতে হবে। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
যারা এ্যানথ্রাক্স প্রবণ এলাকায় আছেন তারা Prophylaxis হিসেবে ট্যাব সিপ্রোফ্লক্সাসিন ৫০০ মিগ্রা ১২ ঘন্টা পর পর খেতে পারেন।
একটু সচেতন হলেই এ রোগের আক্রমণ হতে বাঁচা যায়। আর রোগ দেখা দিলেও ভয়ের বা আতংকিত হওয়ার কিছু নাই। কারন সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে এ রোগের হাত থেকে সম্পূর্ণ নিরাময় লাভ করা যায়।
একনজরে এ্যানথ্রাক্সঃ
১। এ্যানথ্রাক্স ব্যাকটেরিয়া জনিত এক ধরনের সংক্রামক রোগ যা পশু থেকে মানবদেহে ছড়ায়।
২। এ্যানথ্রাক্স মুলতঃ শরীরের ৩টি অংশে হয় (ত্বক, ফুসফুস এবং অন্ত্রে)
৩। আক্রান্ত ত্বক থেকে সোয়াব নিয়ে পরীক্ষা করে সহজেই এ রোগ নিশ্চিত (ডায়াগনোসিস) করা যায়।
৪। অ্যান্টিবায়েটিক খেলে এ রোগ সেরে যায়।
৫। এ্যানথ্রাক্স সম্পূর্নরূপে প্রতিরোধ করা যায়।
সংযোজনঃ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ্যানথ্রাক্স (তড়কা রোগ) নিরাময় ও প্রতিরোধে করণীয় কি এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা দিয়েছে। নিচের লিংক থেকে ১৮২ কিলোবাইটের পিডিএফ ডকুমেন্টটি ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।
ডাউনলোড করুন
বিঃদ্রঃ কয়েকজনের সুপারিশমত ক্ষতের ছবি গুলো মুছে দিলাম।
আপডেটঃ অনেক ব্লগার পোস্টে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন। প্রশ্নগুলোর উত্তর একত্রে পোস্টে সংযুক্ত করলাম।
গরু কিংবা ছাগলের সংস্পর্শে গেলে কি এই রোগ হতে পারে?
--হ্যাঁ সংস্পর্শে গেলে হতে পারে। আপনার যদি ক্ষত শরীর নিয়ে আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে যান তাহলে আপনার মাঝেও সংক্রামিত হতে পারে। আবার, কসাই যারা মাংস কাটে তাদেরও হতে পারে।
মুরগী কিংবা হাস এর মাংস খেলে কি এই রোগ হতে পারে?
--না, এ রোগ সাধারনত রুমিন্যান্ট (ruminant) বা জাবর-কাটা প্রাণীদের হয়ে থাকে (যেমনঃ গরু, ছাগল, ভেড়া, মেষ প্রভৃতি)
কি কি ভাবে এই রোগ ছড়ায়
--মূলত ৩ উপায়েঃ
১) আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে (বিশেষ করে কসাই সম্প্রদায়, পশু চিকিৎসক, ল্যাব টেকনিশিয়ান)
২) আক্রান্ত পশুর মাংস খেলে
৩) এনথ্রাক্স এর স্পোর যদি নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয় (খুব বিরল)
আক্রান্ত হওয়ার কত সময় পরে রোগের লক্ষনগুলো দেখা দেয়?
এ্যানথ্রাক্সের ইনকিউবেশন পিরিয়ড (জীবাণু শরীরে প্রবেশ করার পর থেকে প্রথম লক্ষণ প্রকাশ পাবার সময় পর্যন্ত) ১ থেকে ৫ দিন। তবে ক্ষেত্রে বিশেষে ৬০ দিন পর্যন্ত হতে পারে।
আতংকিত হওয়ার মত কিছু আছে কি?
যেমন, আজকে ইফতারে পরিবর্তন আনার জন্য গরুর চাপ কাবাব কিনে আনলাম। খাওয়ার পর মনে হল, কাজটা কি ঠিক হল?
তো, এখন গরুর মাংস খাওয়া উচিত হবে কিনা, মাংস খেতে হলে কতক্ষণ বা কিভাবে সেদ্ধ/রান্না করার পর খাওয়া উচিত, কাবাব বা ঝলসানো মাংস খাওয়া উচিত কিনা এসব বিষয় জানাও জরুরী।
আতংকিত কথাটা বলার কারন হল--বার্ড ফ্লু আমাদের পোল্ট্রি শিল্পের জন্য একটা চরম আঘাত ছিল। সেসময় অসংখ্য মুরগী আমরা সন্দেহের কারনে মেরে ফেলেছি। আমাদের দেশের মত গরীব দেশের জন্য তা অবশ্যই আঘাত। অনেকে পোল্ট্রি ব্যবসাই ছেড়ে দিয়েছে।
এখন এ্যানথ্রাক্সের কারনে যদি আমরা গরু-ছাগল মেরে ফেলি তা হবে আমাদের অর্থনীতির জন্য আরেকটা আঘাত। এজন্যই আতংকের কথা এনেছি।
....শুধু গরুর চাপ না, এরচাইতে আমার কাছে বিপদজনক মনে হয়েছে গরুর হালিম কে। কারন হালিমে কোন ধরনের মাংস ব্যবহার করা হয় আমরা কেউ জানিনা।
তবে এখনি গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করতে হবে কিনা সরকার এ ব্যাপারে কোন নির্দেশ দেয়নি; কারন দেশের অধিকাংশ এলাকায় এখনো এই রোগ দেখা যায়নি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে আক্রান্ত এলাকার গরু-ছাগলের মাংস একেবারেই পরিহার করা উচিত (তা রান্না মাংসই হোক আর ঝলসানো কাবাবই হোক)
আচ্ছা টিকা দেয়ার কোন সিস্টেম আছে নাকি
মানুষের জন্য এ্যানথ্রাক্স এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা হয়েছে তবে এখনও তা বাজারে আসেনি।
আক্রান্ত হলে ঠিক কোথায় যেতে হবে? কোন বিশেষায়িত হাসপাতালে?
আক্রান্ত হলে সর্বপ্রথম নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে (সেটা সদর হাসপাতাল হোক আর বেসরকারী ক্লিনিকই হোক)। এ্যানথ্রাক্স এর চিকিৎসা মোটামুটি সব হাসপাতালেই দেয়া সম্ভব; বিশেষায়িত হাসপাতালে যেতেই হবে--এমন নয়। মোটকথা হল রোগটা ডায়াগনোসিস হওয়া জরুরী। চিকিৎসা কঠিন নয়।
ইনহেলেশনাল এ্যানথ্রাক্স এবং কিউটেনাস এ্যানথ্রাক্স কি বাজার থেকে আনা মাংসেও/বাসায় মাংস কাটার সময় থাকতে পারে? (যেহেতু মাংসের সংস্পর্শে এলে ছড়ায়) এতক্ষন কি মাংসে জীবানু বেচে থাকতে পারে ?
এ্যনথ্রাক্স জীবানু পশুর দেহে/পশু জবাইয়ের পর মাংসে কতক্ষনে বেচে থাকে?
ইনহেলেশনাল টা একেবারেই বিরল; যদি না আপনাকে কেউ পয়জনিং করে। আর বেঁচে থাকার ব্যাপারে বইয়ে বলা আছে যে এ জীবানু স্পোর হিসেবে (স্পোর হল এ জীবানুর নিষ্ক্রিয় অবস্থা) ৪৮ বছর প্রতিকুল/অনুকুল পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে। কাজেই আক্রান্ত মাংস বাসায় আনার পরও এ জীবানু রোগ সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে।
মাংস ভালভাবে সিদ্ধ করলে কি এনথ্রাক্স প্রতিরোধ করা সম্ভব?
বইয়ে বলা আছে, এ্যানথ্রাক্স এর জীবানু (স্পোর) কে যদি ১২ মিনিট ধরে ১০০ ডিগ্রি সেঃ এ সিদ্ধ করা হয় তাহলে স্পোর ধ্বংস হয়। কিন্তু সমস্যাটা অন্যখানে--
আমাদের মা-বোন বা গৃহিনীদেরকে এই তথ্যটা ভালভাবে জানাতে হবে। কারন অনেকের কাছে "ভালভাবে সিদ্ধ" মানে হল চুলায় কষানো কিংবা প্রেশার কুকারে সিদ্ধ করা। আবার অনেকের কাছে "আধা সিদ্ধ" মাংসই হল "ভালভাবে সিদ্ধ" মাংস। কাজেই এই সিদ্ধ করা নিয়ে সবসময় সন্দেহ থেকেই যায়।
মানুষ থেকে না ছড়ালেও মানুষের ব্যবহার করা পোষাক/জুতা থেকে ছড়াতে পারে।
হ্যাঁ যদি কিউটেনিয়াস এ্যানথ্রাক্স হয় তবে রোগীর ব্যবহৃত জুতা বা পোষাকে স্পোর থাকতে পারে এবং আক্রমণ করতে পারে।
এজন্য আপনার শরীরে কোন ক্ষত থাকলে কিউটেনিয়াস এ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত মৃত কোন ব্যক্তি বা কোন পশুর সংস্পর্শে যাওয়া উচিত হবেনা।
গরু বা গরুর মাংস দেখে সাধারণ মানুষ কিভাবে বুঝবে যে ঐ গরুটি অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত?
অসুস্থ/ঝিমানো গরু দেখে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা যেতে পারে। তবে মাংস ল্যাবে পরীক্ষা না করে শুধু চোখে দেখে বোঝা যাবেনা। উপায় একটা হতে পারে--পরিচিত বা বিশ্বস্ত দোকানীর কাছ থেকে মাংস কেনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
টিনটিন` বলেছেন:
সময় উপযোগী পোষ্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: না, এর চিকিৎসা খরচ খুবই কম। এ্যানথ্রাক্স রোগের ওষুধ প্রায় সব সরকারী হাসপাতালে আছে। ভ্যাকসিনও সরকারের কাছে আছে। ইতিমধ্যে ৯০০ ভায়াল ভ্যাকসিন আক্রান্ত এলাকায় পাঠানো হয়েছে।
একজন আমি বলেছেন:
সময় উপযোগী পোষ্ট। ষ্টিকি করা হোক
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ফান করলেন কিনা বুঝতে পারলাম না
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ক্ষতের ছবিগুলো একটু অসুবিধাজনক লাগছে। পোস্ট তো খুবই চমৎকার।
লেখক বলেছেন: এর চাইতেও অনেকবেশি বিভৎস হতে পারে এই রোগ.....পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ
আধাঁর রাত বলেছেন:
আজ বুঝলাম এ্যানথ্রাক্স কি,পোস্টে প্লাস।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন:
স্টিকি করা হোক, ফাইজলামি না, সিরিয়াসলি বলতেছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নীল চাঁদ বলেছেন:
গরু কিংবা ছাগলের সংস্পর্শে গেলে কি এই রোগ হতে পারে?
ভালমত সিদ্ধ করা গরুর কিংবা ছাগলের মাংস খেলে কি এই রুগ হতে পারে?
মুরগী কিংবা হাস এর মাংস খেলে কি এই রোগ হতে পারে?
কি কি ভাবে এই রোগ ছড়ায়----একটু বিস্তারিতভাবে বলবেন কি?
আপনার সময়উপযোগী পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!!!
লেখক বলেছেন: গরু কিংবা ছাগলের সংস্পর্শে গেলে কি এই রোগ হতে পারে?
--হ্যাঁ সংস্পর্শে গেলে হতে পারে। আপনার যদি ক্ষত শরীর নিয়ে আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে যান তাহলে আপনার মাঝেও সংক্রামিত হতে পারে। আবার, কসাই যারা মাংস কাটে তাদেরও হতে পারে।
ভালমত সিদ্ধ করা গরুর কিংবা ছাগলের মাংস খেলে কি এই রুগ হতে পারে?
--মাংসে যদি এ্যানথ্রাক্সের স্পোর (spore) থাকে ভালমত সিদ্ধ করলেও (১০০ ডিগ্রিতে) আক্রান্ত হবার সম্ভবনা ৯৯%। এজন্য সন্দেহযুক্ত মাংস (যেমন অসুস্থ গরু-ছাগলের মাংস) একেবারেই পরিহার করা উচিত।
মুরগী কিংবা হাস এর মাংস খেলে কি এই রোগ হতে পারে?
--না, পোস্টেই বলেছি এ রোগ সাধারনত রুমিন্যান্ট (ruminant) বা জাবর-কাটা প্রাণীদের হয়ে থাকে (যেমনঃ গরু, ছাগল, ভেড়া, মেষ প্রভৃতি)
কি কি ভাবে এই রোগ ছড়ায়
--মূলত ৩ উপায়েঃ
১) আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে (বিশেষ করে কসাই সম্প্রদায়)
২) আক্রান্ত পশুর মাংস খেলে
৩) এনথ্রাক্স এর স্পোর যদি নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয় (খুব বিরল)
শরীফ উদ্দিন সবুজ বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
পোষ্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইডি।
লেখক বলেছেন: সবার কিছুটা কাজে লাগলেই আমার পোস্ট সার্থক...পড়ার জন্য ধন্যবাদ
মিনু বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ। সময় উপযোগী পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
লাভলুদা বলেছেন:
পোষ্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ লাভলুদা....ষ্টিকি করার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনার কথা উনি রেখেছেন ![]()
লেখক বলেছেন: আমার পক্ষ থেকেও ধন্যবাদ
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন:
থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমার পোস্ট সার্থক..
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন:
স্টিকি করার জন্য কর্তপক্ষকে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ষ্টিকি করার অনুরোধ করায় আপনাকে ধন্যবাদ
অিনেকত বলেছেন:
আক্রান্ত হওয়ার কত সময় পরে রোগের লক্ষনগুলো দেখা দেয়, জানাবেন কি ?
লেখক বলেছেন: এ্যানথ্রাক্সের ইনকিউবেশন পিরিয়ড (জীবাণু শরীরে প্রবেশ করার পর থেকে প্রথম লক্ষণ প্রকাশ পাবার সময় পর্যন্ত) ১ থেকে ৫ দিন। তবে ক্ষেত্রে বিশেষে ৬০ দিন পর্যন্ত হতে পারে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানা আপু....ষ্টিকি করার জন্য ধন্যবাদ
ভোরের তারা বলেছেন:
অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
কালীদাস বলেছেন:
আরে ইন্টারনেট/উড়াধুরা ডাউনলোড ম্যান দেখি জটিল টপিকস নিয়ে পোস্ট দিয়েছেনসময়োপযোগী পোস্ট দিয়েছেন, জর্জিস! অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্টের জন্য!
আছেন কেমন?
লেখক বলেছেন: হা হা ...ধন্যবাদ
আমি ভাল আছি, আপনি আছেন কেমন?
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
নক্ষত্রের কান্না বলেছেন:
খুবই দরকারী সময়োপযোগি তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আমি জলকন্যা বলেছেন:
+++++++++++............... ধন্যবাদ.......।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও +++
সায়েম মুন বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্টের জন্য প্লাস।
লেখক বলেছেন: সময়োপযোগী পোষ্ট পড়ার জন্য আপনাকে প্লাস। ![]()
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
প্রয়োজনীয় পোস্ট।কিন্তু আতংকিত হওয়ার মত কিছু আছে কিনা বুঝতে পারলাম না।
যেমন, আজকে ইফতারে পরিবর্তন আনার জন্য গরুর চাপ কাবাব কিনে আনলাম। খাওয়ার পর মনে হল, কাজটা কি ঠিক হল?
তো, এখন গরুর মাংস খাওয়া উচিত হবে কিনা, মাংস খেতে হলে কতক্ষণ বা কিভাবে সেদ্ধ/রান্না করার পর খাওয়া উচিত, কাবাব বা ঝলসানো মাংস খাওয়া উচিত কিনা এসব বিষয় জানাও জরুরী।
নয়ত ঈদের ভোজনটা অনেকাংশে মাটি হয়ে যাবে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আতংকিত কথাটা বলার কারন হল--বার্ড ফ্লু আমাদের পোল্ট্রি শিল্পের জন্য একটা চরম আঘাত ছিল। সেসময় অসংখ্য মুরগী আমরা সন্দেহের কারনে মেরে ফেলেছি। আমাদের দেশের মত গরীব দেশের জন্য তা অবশ্যই আঘাত। অনেকে পোল্ট্রি ব্যবসাই ছেড়ে দিয়েছে।
এখন এ্যানথ্রাক্সের কারনে যদি আমরা গরু-ছাগল মেরে ফেলি তা হবে আমাদের অর্থনীতির জন্য আরেকটা আঘাত। এজন্যই আতংকের কথা এনেছি।
....শুধু গরুর চাপ না, এরচাইতে আমার কাছে বিপদজনক মনে হয়েছে গরুর হালিম কে। কারন হালিমে কোন ধরনের মাংস ব্যবহার করা হয় আমরা কেউ জানিনা।
তবে এখনি গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করতে হবে কিনা সরকার এ ব্যাপারে কোন নির্দেশ দেয়নি; কারন দেশের অধিকাংশ এলাকায় এখনো এই রোগ দেখা যায়নি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে আক্রান্ত এলাকার গরু-ছাগলের মাংস একেবারেই পরিহার করা উচিত (তা রান্না মাংসই হোক আর ঝলসানো কাবাবই হোক)
বিদ্যাসাগর বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ...................
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
মো : সোহেল রানা বলেছেন:
এ্যানথ্রাক্স, নামটা ইদানিংই শুনছি। আগে কখনো শুনিনি। তাইলে তো গরু খাশি খাওয়া ছেড়ে দেওয়াই ভাল। কারণ বাজার থেকে মাংস কিনলে তো বুঝার উপায় নাই যে এটা সুস্থ গরু বা খাশির মাংস নাকি অসুস্থ পশুর মাংশ। এত ঝামেলা করে কি লাভ। না খেলেই হয়। আপনারা কি বলেন?
লেখক বলেছেন: আপাতত কম বা না খাওয়াই ভাল। তবে খেতে যদি হয়ই তবে যত্র-তত্র থেকে না কিনে পরিচিত দোকান/পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে কেনা উচিত হবে
নাজমুল_০৯ বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
ল্যাটিচুড বলেছেন:
সময়উপযোগী পোষ্ট । পোষ্টটি স্চিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ
বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন:
পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। লেখক আপনাকেও ধন্যবাদ সময় উপযোগী পোস্টের জন্য।
লেখক বলেছেন: কর্তৃপক্ষের সাধে আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য ![]()
মুন্ডুহীন বলেছেন:
পোস্ট এডিট অপশনে গিয়ে ক্ষতের ছবিগুলোর লিঙ্ক মুছে দিন। এতে ছবি পুরোপুরি চলে যাবে না(নিচের থাম্বনেইলে সেগুলো থাকবে) আবার ছবিগুলো সরাসরি চোখে পড়বেনা, যেহেতু পোস্ট স্টিকি করা হয়েছে...ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ....মুছে দিয়েছি
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
স্টিকির জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
ইকারাস ইমন বলেছেন:
সময়উপযোগী পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনার তো সবার আগে সচেতন হওয়া উচিত।
প্রভাষক বলেছেন:
সময় উপযোগী পোস্ট... অনেক ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
সাধারণমানুষ বলেছেন:
সময়উপযোগী পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!!!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
মুভি পাগল বলেছেন:
এরকম পোস্ট বেশি বেশি পেলে ভাল লাগবে।সময়োপযোগী নি:সন্দেহে
অনেক ধইন্যা
কর্তৃপক্ষের নিকট অনেক অনুরোধ যাতে পোষ্টটা অনেক সময় যাবৎ ষ্টিকি থাকে
লেখক বলেছেন: আপনার অনুরোধ কর্তপক্ষ রেখেছেন..
লেখক বলেছেন: ![]()
রুহু্ননবী বলেছেন:
থাঙ্কু
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু ![]()
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
কাঊসার রুশো বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ। সময় উপযোগী পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
নিশম বলেছেন:
facebook e share dilam !!!!! onnek dhonnobad !
লেখক বলেছেন: খুশি হলাম... ধন্যবাদ
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
সময় উপযোগী পোষ্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
নীরব দর্শক বলেছেন:
+++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও +++++
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
কাজের পোস্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
লেখক বলেছেন: ভাই ঈদের আগে পরে খেলেও হতে পারে, রেহাই নাই
অজন্তা তাজরীন বলেছেন:
খুবই উপকৃত হলাম। ধন্যবাদ ।++
অজন্তা তাজরীন বলেছেন:
খুবই উপকৃত হলাম। ধন্যবাদ ।++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: একটু সচেতন হলেই পোস্ট সার্থক
মুম রহমান বলেছেন:
ধন্যবাদ। গুরুত্ব পূর্ণ পোস্টটি সবার কাজে দেবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ![]()
আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন:
স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমার পক্ষ থেকেও ধন্যবাদ
কালপুরুষ বলেছেন:
সচেতনতামূলক পোস্ট। সবারই সতর্কতা প্রয়োজন। ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা, ঈদ কোথায় করছেন?
গুরুজী বলেছেন:
++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ++++++
লেখক বলেছেন: খুশি হইলাম ![]()
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
গুড জব।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
প্রয়োজনীয় পোষ্ট..ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
পাহাড়ের কান্না বলেছেন:
সচেতনতামূলক পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
ইসতিয়াক-চৌধুরী বলেছেন:
চমৎকার হয়েছে......A+ grade
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
হিবিজিবি বলেছেন:
ধন্যবাদ। এরকম একটি পোষ্ট সবার সচেতনতা বাড়াবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
বাহারুল ইসলাম বাহার বলেছেন:
সচেতনতামূলক পোস্ট
লেখক বলেছেন: সবার কাজে লাগলেই পোস্ট সার্থক
আব্দুল গণি বলেছেন:
একেবারে সময় উপযোগী। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, আর সাম্যুকেও ধন্যবাদ স্টিকি করার জন্য। নইলে জানতেই পারতাম না। পোস্টে প্লাস +
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ
সোলায়মান বলেছেন:
সময় পার্শ্বিক পোস্টের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করি উক্ত পোস্টটি সকলেই মনযোগ দিয়ে পড়বেন, সাথে সাথে অন্যকেও এ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে সাহায্য করবেন। ধন্যবাদ +++++
লেখক বলেছেন: সুন্দর কমেন্ট। ধন্যবাদ
নিঃসঙ্গ নোটন বলেছেন:
ভালো পোস্ট
লেখক বলেছেন: ![]()
বিজ্ঞান বলেছেন:
সময়োপযোগি পোষ্ট । +++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও +++++
(অ)ভদ্র ছেলে বলেছেন:
জানলাম... সতর্ক থাকব।গুরুত্বপুর্ণ পোষ্ট... ++++
স্টিকি করার জন্য কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: আমার পক্ষ থেকেও ধন্যবাদ
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট। এই সময়ে এই ধরনের পোষ্ট খুবই জরুরী ছিলো। এ্যানথ্রাক্স বিষয়ে আমাদের আরো জানতে হবে, বাচতেঁ হবে।www.thebengalitimes.com
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত
ধীবর বলেছেন:
এই চান্সে যদি গরুর মাংসের দাম কমে।
লেখক বলেছেন: সুস্থ গরুর মাংস পাওয়া যাচ্ছে না---এই অজুহাতে বাড়তেও পারে
ফেরদৌসী বলেছেন:
এই পোষ্টে কে,কেন এবং কি কারণে মাইনাস দিল আমার খুবই জানতে ইচ্ছে করছে। গুরুত্বপূর্ণ পোষ্টর জন্য ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন: এ্যানথ্রাক্সকে মাইনাস দিল না আমাকে দিল বুঝলাম না ![]()
নুর মোহাম বলেছেন:
লেখক কে ধন্যবাদ এরকম জনসচেতনতা মুলক পোস্টের জন্য।ফেরদৌসী বলেছেন: এই পোষ্টে কে,কেন এবং কি কারণে মাইনাস দিল আমার খুবই জানতে ইচ্ছে করছে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
অনেকদিন পর একটা পোস্ট স্টিকি হতে দেখছি, যা প্রচণ্ডরকমভাবে একটা প্রয়োজনীয় পোস্ট। সামহোয়্যারইনকে ধন্যবাদ, লেখককে তো বলার অপেক্ষাই রাখে না।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন:
পোষ্টটি সবুজের কলতান ব্লগ এবং ফেইসবুক এ শেয়ার করলাম। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা
বিবর্ণ সময় বলেছেন:
সচেতন কিভাবে হব সেটা তো বললেন না।
লেখক বলেছেন: দেখুন ইচ্ছা করেই পোস্টটা বড় করিনি। কারন এমন কাটখোট্টা রোগ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ পড়তে অনেকেরই ভাল লাগার কথা না।
পোস্টে সরাসরি না বললেও আপনার জন্য বলছি-- এ রোগ মুলতঃ ৩ ভাবে ছড়ায়--
১) আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে (বিশেষ করে কসাই সম্প্রদায়)
২) আক্রান্ত পশুর মাংস খেলে
৩) এনথ্রাক্স এর স্পোর যদি নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয় (খুব বিরল)
কাজেই এই ৩টা ব্যাপারে একটু সতর্ক হলেই অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণ রোধ করা যাবে, যেমন--
১) হঠাৎ অসুস্থ কোন গবাদিপশুকে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে দেখানো। অসুস্থ পশু জবাই না করা এবং এর মাংস বিক্রি না করা। আক্রান্ত এলাকার মানুষদের/কসাইদের Prophylaxis হিসেবে ট্যাব সিপ্রোফ্লক্সাসিন ৫০০ মিগ্রা ১২ ঘন্টা পর পর খাওয়ানো ইত্যাদি
২) আক্রান্ত এলাকার গরু-ছাগলের মাংস একেবারেই না খাওয়া
৩) আক্রান্ত পশুকে ভ্যাকসিন দেয়া ইত্যাদি (সরকার ইতিমধ্যেই ওইসব এলাকায় ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে)
...পড়ার এবং প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন:
সময় উপযোগী পোষ্ট। সচেতনতার বৃদ্ধির পাশাপাশী আমাদের সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রর্থনা করা প্রয়োজন।
লেখক বলেছেন: সুন্দর কথা বলেছেন...ধন্যবাদ
হাসান খা বলেছেন:
দেরীতে পড়লাম। দরকারী পোষ্ট। +++
লেখক বলেছেন: দেরিতে হলেও পড়েছেন এজন্য ধন্যবাদ
কামাল পারভেজ বলেছেন:
ইসস, ভয় লাগতেছে, আমার যে কি হইব, আমি তো আবার ননভেজ।(পোষ্টের জন্য মেলা মেলা ধন্যবাদ, আচ্ছা টিকা দেয়ার কোন সিস্টেম আছে নাকি, তাইলে ঈদটা আর মাটি হইত না আর কি)
লেখক বলেছেন: মানুষের জন্য এ্যানথ্রাক্স এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা হয়েছে তবে এখনও তা বাজারে আসেনি।
এ,রহিম বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ...................++++
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
রাজিয়েল বলেছেন:
জটিলরকম দরকারী পোস্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মোঃ শাহাদত হোসেন বলেছেন:
অতি গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট। কয়েকদিন ধরেই এ রোগটি নিয়ে জানার চেষ্টা করছি। আজকে আরও ভালোভাবে জানলাম। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
সাদা মনের মানুষ বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্ট, ধন্যবাদ +++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ++++
শিব সত বলেছেন:
মুল্যবান পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: ![]()
জর্জিস বলেছেন:
সংশোধনীঃ শুধু মাত্র মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত সকল কর্মচারী ও সদস্যদের প্রতি রেড এ্যালার্ট জারি করা (সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা) হয়েছে, সর্বস্তরের মানুষের প্রতি নয়।
কৃতজ্ঞতাঃ ব্লগার ঋষিক
লেখক বলেছেন: ভাই এর মানে কি??
ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট।+++
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
বাঁশপাতা বলেছেন:
good post
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
মুর্তজা হাসান খালিদ বলেছেন:
ধন্যবাদ, তবে সিপ্রোফ্লক্সাসিন তো একটা ড্যাঞ্জারাস মেডিসিন এটা অনেক রোগীর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।আমি এর ভুক্তভোগী
লেখক বলেছেন: জ্বি, এটাকে ড্রাগ রিঅ্যাকশন বলে। প্রত্যেক মানুষের শরীরের সংবেদনের মাত্রা আলাদা। এজন্য অনেকের শরীর অনেক ওষুধ সহ্য করতে পারেনা। শুধু সিপ্রোফ্লক্সাসিন নয় সাধারন হিস্টাসিন খেয়েও অনেকের ড্রাগ রিঅ্যাকশান আমি নিজে চোখে দেখেছি।
তবে এক্ষেত্রে সিপ্রোঃ এডভাইস করার পেছনে হল Bacillus anthracis কে মেরে ফেলার জন্য সিপ্রোফ্লক্সাসিনই যথেষ্ট;অযথা দামী ওষুধের প্রয়োজন নেই। তাছাড়া এ ওষুধ সহজলভ্য (গ্রাম-গঞ্জে প্রায় সব জায়গায় পাওয়া যায়) এবং মূল্যও মোটামুটি কম।
রিডার ওয়ান বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট।ভাই এনথ্রাক্স সংক্রমনের হাত থেকে বাচার জন্য আমাদের ঠিক কি কি করনীয় তা যদি বলেন খুব ভাল হয়। এছাড়া আক্রান্ত হলে ঠিক কোথায় যেতে হবে? কোন বিশেষায়িত হাসপাতালে? ইনহেলেশনাল এ্যানথ্রাক্স এবং কিউটেনাস এ্যানথ্রাক্স কি বাজার থেকে আনা মাংসেও/বাসায় মাংস কাটার সময় থাকতে পারে? (যেহেতু মাংসের সংস্পর্শে এলে ছড়ায়) এতক্ষন কি মাংসে জীবানু বেচে থাকতে পারে ? এ্যনথ্রাক্স জীবানু পশুর দেহে/পশু জবাইয়ের পর মাংসে কতক্ষনে বেচে থাকে? মাংস ভালভাবে সিদ্ধ করলে কি এনথ্রাক্স প্রতিরোধ করা সম্ভব?
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। প্লিজ উত্তর গুলো দিন।
লেখক বলেছেন: একে একে উত্তর দিচ্ছি--
এনথ্রাক্স সংক্রমনের হাত থেকে বাচার জন্য আমাদের ঠিক কি কি করনীয় তা যদি বলেন খুব ভাল হয়।
--এ উত্তর ৭ আর ৮ নং কমেন্টের জবাবে বলেছি।
এছাড়া আক্রান্ত হলে ঠিক কোথায় যেতে হবে? কোন বিশেষায়িত হাসপাতালে?
--আক্রান্ত হলে সর্বপ্রথম নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে (সেটা সদর হাসপাতাল হোক আর বেসরকারী ক্লিনিকই হোক)। এ্যানথ্রাক্স এর চিকিৎসা মোটামুটি সব হাসপাতালেই দেয়া সম্ভব; বিশেষায়িত হাসপাতালে যেতেই হবে--এমন নয়। মোটকথা হল রোগটা ডায়াগনোসিস হওয়া জরুরী। চিকিৎসা কঠিন নয়।
ইনহেলেশনাল এ্যানথ্রাক্স এবং কিউটেনাস এ্যানথ্রাক্স কি বাজার থেকে আনা মাংসেও/বাসায় মাংস কাটার সময় থাকতে পারে? (যেহেতু মাংসের সংস্পর্শে এলে ছড়ায়) এতক্ষন কি মাংসে জীবানু বেচে থাকতে পারে ?
এ্যনথ্রাক্স জীবানু পশুর দেহে/পশু জবাইয়ের পর মাংসে কতক্ষনে বেচে থাকে?
--ইনহেলেশনাল টা একেবারেই বিরল; যদি না আপনাকে কেউ পয়জনিং করে (যেটা আপনি পরের কমেন্টে বলেছেন)। আর বেঁচে থাকার ব্যাপারে বলি--বইয়ে বলা আছে যে এ জীবানু স্পোর হিসেবে (স্পোর হল এ জীবানুর নিষ্ক্রিয় অবস্থা) ৪৮ বছর প্রতিকুল/অনুকুল পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে। কাজেই আক্রান্ত মাংস বাসায় আনার পরও এ জীবানু রোগ সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে।
মাংস ভালভাবে সিদ্ধ করলে কি এনথ্রাক্স প্রতিরোধ করা সম্ভব?
--বইয়ে বলা আছে, এ্যানথ্রাক্স এর জীবানু (স্পোর) কে যদি ১২ মিনিট ধরে ১০০ ডিগ্রি সেঃ এ সিদ্ধ করা হয় তাহলে স্পোর ধ্বংস হয়। কিন্তু সমস্যাটা অন্যখানে--
আমাদের মা-বোন বা গৃহিনীদেরকে এই তথ্যটা ভালভাবে জানাতে হবে। কারন অনেকের কাছে "ভালভাবে সিদ্ধ" মানে হল চুলায় কষানো কিংবা প্রেশার কুকারে সিদ্ধ করা। আবার অনেকের কাছে "আধা সিদ্ধ" মাংসই হল "ভালভাবে সিদ্ধ" মাংস। কাজেই এই সিদ্ধ করা নিয়ে সবসময় সন্দেহ থেকেই যায়।
এম. হাবীব বলেছেন:
সময়োপযোগী জনগুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট ++++
লেখক বলেছেন: ![]()
এস কে রায় বলেছেন:
প্রথমে অনেক অনেক ধন্যবাদ। বি টি ভিতে এ্যানথ্রাক্স সম্পকে শুনছি।সকালেই ভাবলাম নেটে সার্চ দিয়ে বিস্তারিত জানবো। কমপিউটার খুলেই আপনার পোষ্ট। অনেক কিছু জানলাম ভালই লাগলো।ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার কমেন্টে মজা পেলাম
রিডার ওয়ান বলেছেন:
Anthrax spores can be produced in vitro and used as a biological weapon.
এই কথাটাই মাথায় খচ খচ করছিল। শিওর হতে পারছিলাম না। ৯/১১ এর পর ইউএসে এ্যনথ্রাক্স আতংক শুরু হয়েছিল । এখন মনে পরল । (অবশ্য আমাদের এমন কিছু হয়নি আশা করি! কিন্তু জেনে রাখা ভাল !!
আরও দুটি ব্যপার...
যা বুঝলাম মানুষ থেকে না ছড়ালেও মানুষের ব্যবহার করা পোষাক/জুতা থেকে ছড়াতে পারে।
সবচেয়ে দু:খজনক...
If a person is suspected as having died from anthrax, every precaution should be taken to avoid skin contact with the potentially contaminated body and fluids exuded through natural body openings.
খুজে দেখি আর কিছু পাই কিনা...
লেখক বলেছেন: biological weapon এর ব্যাপারটা ইচ্ছা করেই আনিনি। কারন এটা আমাদের জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমেরিকান সেনাবাহিনীতে যারা শত্রু এলাকায় কাজ করেন তাদের Prophylaxis হিসেবে ভ্যাকসিন দেয়া হয়।
যা বুঝলাম মানুষ থেকে না ছড়ালেও মানুষের ব্যবহার করা পোষাক/জুতা থেকে ছড়াতে পারে।
--হ্যাঁ যদি কিউটেনিয়াস এ্যানথ্রাক্স হয় তবে রোগীর ব্যবহৃত জুতা বা পোষাকে স্পোর থাকতে পারে এবং আক্রমণ করতে পারে।
এজন্য আপনার শরীরে কোন ক্ষত থাকলে কিউটেনিয়াস এ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত মৃত কোন ব্যক্তি বা কোন পশুর সংস্পর্শে যাওয়া উচিত হবেনা।
ধূসর সপ্ন বলেছেন:
যথেস্ট উপকার পেলাম, কারণ এই রোগ টা আমাদের জেলায় এমনকি আমাদের থাণায় শুরু হয়েছে.। লেখকে অনেক ধন্যবাদ যে আমরা যারা এখনও আক্রান্ত হইনি তারা সতর্কঅবস্থায় থাকতে পারব ।ধন্যবাদ দাদা এবং পোস্টে অংখ্য প্লাস ।
লেখক বলেছেন: সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন
সপ্নবাজ_আমি বলেছেন:
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেকদিন পর একটা পোস্ট স্টিকি হতে দেখছি, যা প্রচণ্ডরকমভাবে একটা প্রয়োজনীয় পোস্ট। সামহোয়্যারইনকে ধন্যবাদ, লেখককে তো বলার অপেক্ষাই রাখে না।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
তছনছ বলেছেন:
জব্বর একখান কাম করছেন।।ভাল লাগল পড়ে।সময়োপযোগী একটা পোস্ট এর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
আসকওয়ানমি বলেছেন:
ধন্যবাদ লেখককে.......
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
কখঅআ বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।তথ্যগুলো জানালে খুশি হব
লেখক বলেছেন: খুশির খবর এ পর্যন্ত আমাদের দেশে কেউ এ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়নি।
নতুন-পুরনো কিছু ডাটা পাবেনঃ
View this link
View this link
আর উইকি অ্যানসার বলছে এ পর্যন্ত ৫ জন মানুষ এ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে
View this link
আপনার কাছে নতুন তথ্য থাকলে শেয়ার করবেন প্লিজ
রিডার ওয়ান বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
হাসানুর বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ![]()
ম.শরীফ বলেছেন:
জন সচেতনতা মুলক পোষ্ট। খুবই ভাল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। তবে এটা শুধু আমেরিকানদের জন্য (সিলেকটিভ)। অবশ্য আমেরিকান সেনাবাহিনী তে অনেক আগে থেকেই এ্যানথ্রাক্স এর ভ্যাকসিন ব্যবহার হয়ে আসছে। সাধারন জনগনের জন্য ব্যবহার হয়নি। কারন এ রোগ আগে কখনই এনডেমিক/এপিডেমিক হিসেবে দেখা দেয়নি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এরকম তথ্য শেয়ার করলে সবার উপকার হবে
প্রসাদ বলেছেন:
ধন্যবাদ। খুব তথ্যবহুল পোষ্ট
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
মোঃ আব্দুল মোমিন বলেছেন:
ভাই আমার সালাম নিবেন। আশাকরি ভালই আছেন। আপনার এ পোষ্টটা বর্তমান সময়ের জন্যে অত্যান্ত গুরুর্ত্ব র্পূণ। ভাই এই রোগটা তো কিছু জেলায় দেখাদিয়েছে কিন্ত বর্ত্মানে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলায় এরোগ প্রতোরোধের কি কোন ব্যাবস্থা মানে যাতে করে আর অন্যান্য জেলায় এ রোগ না হয় তার জন্যে কী ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার (আসলে আমাদের গ্রামে যে সকল গরু/মহিশ/ছাগল জবাই করা হয় তা কেমন তা তো আমরা জানিনা তাহলে আমরা কি করব) আর এ অসুখ সারতে কত দিন লাগবে .সময় উপোযোগী পোষ্ট লিখার জন্যে আমার পক্ষ ও আমার হাউজিং কম্পানীর পক্ষ থেকে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকেন সৎ থাকেন মানুষের সেবাই নিজেকে করুণ এবং অন্যকে উৎসাহিত করুন তবে আমাদের দেশ স্বাধীনতার স্বার্থকতা সত্যি হবে।
লেখক বলেছেন: ভাই, সরকার ঠিক কি কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা বলতে পারব না। তবে পত্রিকা পড়ে যতটুকু জেনেছি তা হল--
১। ইতিমধ্যে ৯০০ ভায়াল ভ্যাকসিন আক্রান্ত এলাকায় পাঠিয়েছে, আক্রান্ত পশুদের জন্য
২। পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় সারা দেশের সিভিল সার্জন সহ সকল পশু চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ঈদের ছুটি বাতিল করে এ রোগের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। যাতে কোথাও আক্রান্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে সাথে সাথে তাকে পশু হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
৩। সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে যারা মাংস কাটা বা কেনা বেচার সাথে জড়িত (কসাই সম্প্রদায়) তাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা এবং অসুস্থ পশু জবাই না করা
ইত্যাদি....
যদি সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করা হয় এবং অ্যান্টিবায়েটিক শুরু করা হয় তাহলে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিরাময় সম্ভব। তবে অবশ্যই তা নির্ভর করবে--কতটুকু ত্বক আক্রান্ত হয়েছে, কোন কমপ্লিকেশন আছে কিনা ইত্যাদির উপর
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
কাঙাল মামা বলেছেন:
গরুর দুধ খাইলেও কি এইটা হতে পারে?
লেখক বলেছেন: ভাল প্রশ্ন করেছেন
..... ৯৯.৯৯% ক্ষেত্রে গরুর দুধের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায় না
কাজেই ধুমায়া গরুর দুধ খাইতে পারেন ![]()
মিরাশদার১০ বলেছেন:
inhalation anthrax কীভাবে হয়?
লেখক বলেছেন: যদি এ্যানথ্রাক্সের স্পোর আপনি নিজের অজান্তেই শ্বাসের সাথে গ্রহণ করেন তাহলে inhalation anthrax হবে। এটা খুবই বিরল, যদি না কেউ আপনাকে পয়জনিং করতে চায়; যেমন শত্রু পক্ষকে ধ্বংস করার জন্য কেউ ব্যবহার করলে (বা বায়োলজিক্যাল ওয়্যারফেয়ার এ ব্যবহার করলে)। তবে ৩ ধরনের এ্যানথ্রাক্সের মধ্যে এটা সবচে মারাত্মক এবং ভয়াবহ, কারন মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত।
একলোটন বলেছেন:
ঠিক সময়ে ঠিক কাজ।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মঈনউদ্দিন বলেছেন:
প্রথমে +++++++++++ তার পর অসখ্য ধন্যবাদ আপনাকে দারুন একটা পোষ্ট দেওয়ার জন্য প্রিয়তে রেখে দিলাম কাজে আসলেও আসতে পারে...ভাল থাকুন সবসময়
লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন সবসময়
মিয়া মুস্তাফিজ বলেছেন:
CNN - Click This LinkOfficials work to control anthrax outbreak in Bangladesh By the CNN Wire Staff
September 6, 2010 -- Updated 0251 GMT (1051 HKT)
(CNN) -- Officials in Bangladesh are working to control an anthrax outbreak that has infected nearly 300 people since its first detection two weeks ago.
The country was put on high alert Sunday as the bacterial disease continued to spread between animals and people, Bangladesh's official news agency reported.
Committees across the country -- made up of livestock officials and medical personnel -- have been formed to spread an awareness campaign to prevent, detect and treat anthrax infections, according to the Sangbad Sangstha national news agency.
The disease was first detected last month in northwestern Sirajganj district, where 38 villagers reportedly became infected after consuming beef from sickened cows, the news agency reported. It then spread to neighboring districts.
Fisheries and Livestock Minister Abdul Latif Biswas said Sunday that a half million livestock vaccines will be sent to affected areas. Biswas told a news conference that there is an adequate number of doses to treat infected animals and people.
So far, none of the 298 people infected with disease has been sickened critically, Mahmudur Rahman, the director of the Institute of Epidemiology, Disease Control and Research, told the news agency.
As of Sunday, 33 cows and 17 goats have died of the disease, and another 217 animals have been infected since the outbreak began August 18, the livestock ministry told the news agency. All livestock entering the capital, Dhaka, are being tested at four entry points, and residents are being urged not to sell or eat meat from diseased cows.
According to the Mayo Clinic, anthrax spores are formed by naturally occurring bacteria in soil in most parts of the world. The spores can remain dormant for years until they find their way into a host -- usually wild or domestic livestock. Most human cases of anthrax occur as a result of exposure to infected animals or their meat or hides.
লেখক বলেছেন: সোমবার পর্যন্ত ৩২৭ টি পশু আক্রান্ত হয়েছে
মিয়া মুস্তাফিজ বলেছেন:
প্রথম আলো Click This Link
এবার অ্যানথ্রাক্স চুয়াডাঙ্গায়
প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ০৬-০৯-২০১০
সিরাজগঞ্জ, পাবনা, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পঞ্চগড় ও কুষ্টিয়ার পর এবার চুয়াডাঙ্গায়ও অ্যানথ্রাক্স (তড়কা)-এর সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার চরযাদবপুর গ্রামে গত শনিবার একজন অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় তিনজন ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় আরও একজন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে।
আমাদের অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
চুয়াডাঙ্গা: চরযাদবপুর গ্রামের আবদুর রহিমকে (৪৫) আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও গতকাল রোববার থেকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আবদুর রহিম জানান, এক সপ্তাহ আগে বড় ভাই রহুমুল হকের একটি অসুস্থ ছাগল জবাই করে মাংস কাটাকাটি করেন। এরপর তাঁর ডান হাতের আঙুলে ঘা হয় এবং জ্বর আসে। শনিবার আঙুল আরও ফুলে যায় ও জ্বরের তীব্রতা বাড়ে। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকেরা জানান এটা অ্যানথ্রাক্স।
উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ): জেলার শাহজাদপুর, বেলকুচি ও কামারখন্দের পর এবার উল্লাপাড়া উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল সেখানে তিনজন অ্যানথ্রাক্স রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এরা হলেন, উপজেলার পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মনছুর আলী, আবদুল মমিন ও আবদুল জব্বার। এদের বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কুষ্টিয়া: জেলার দৌলতপুর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী ধর্মদহ গ্রামে তালননেছা (৪৫) নামের আরও একজনের অ্যানথ্রাক্সের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তাঁকে গতকাল সকালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মিয়া মুস্তাফিজ বলেছেন:
প্রথম আলো Click This Link
এবার অ্যানথ্রাক্স চুয়াডাঙ্গায়
প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ০৬-০৯-২০১০
সিরাজগঞ্জ, পাবনা, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পঞ্চগড় ও কুষ্টিয়ার পর এবার চুয়াডাঙ্গায়ও অ্যানথ্রাক্স (তড়কা)-এর সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার চরযাদবপুর গ্রামে গত শনিবার একজন অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় তিনজন ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় আরও একজন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে।
আমাদের অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
চুয়াডাঙ্গা: চরযাদবপুর গ্রামের আবদুর রহিমকে (৪৫) আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও গতকাল রোববার থেকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আবদুর রহিম জানান, এক সপ্তাহ আগে বড় ভাই রহুমুল হকের একটি অসুস্থ ছাগল জবাই করে মাংস কাটাকাটি করেন। এরপর তাঁর ডান হাতের আঙুলে ঘা হয় এবং জ্বর আসে। শনিবার আঙুল আরও ফুলে যায় ও জ্বরের তীব্রতা বাড়ে। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকেরা জানান এটা অ্যানথ্রাক্স।
উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ): জেলার শাহজাদপুর, বেলকুচি ও কামারখন্দের পর এবার উল্লাপাড়া উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল সেখানে তিনজন অ্যানথ্রাক্স রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এরা হলেন, উপজেলার পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মনছুর আলী, আবদুল মমিন ও আবদুল জব্বার। এদের বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কুষ্টিয়া: জেলার দৌলতপুর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী ধর্মদহ গ্রামে তালননেছা (৪৫) নামের আরও একজনের অ্যানথ্রাক্সের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তাঁকে গতকাল সকালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
লেখক বলেছেন: তাহলে এখন পর্যন্ত ৮টি জেলায় (সিরাজগঞ্জ, পাবনা, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেল। সতর্ক সংকেত সবার জন্য
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। সকলের উপকার হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মিয়া মুস্তাফিজ বলেছেন:
The Daily Star Click This LinkAnthrax spreads to 6 districts
Livestock staff to work during Eid holidays, help tackle situation
Monday, September 6, 2010
Anthrax spreads in six districts prompting the government to issue red alert for the livestock department and cancel holidays of the officials concerned to tackle the situation.
Nineteen new cases were reported in Meherpur and Chuadanga yesterday taking the number of anthrax infected people to 327 in last 15 days.
Fisheries and Livestock Minister Abdul Latif Biswas told reporters about the red alert at his ministry yesterday.
Everyone concerned including officials of the livestock department and civil surgeons are asked to remain highly alert so that they can immediately handle anthrax-affected people, if any infection is reported.
"The police and border guards are asked to keep vigil so that no sick cattle can enter the country," said the minister, adding that 5 lakh vaccines for cattle have been sent to the affected areas to prevent new infection.
The red alert was actually issued for the employees of the livestock department, not for the country, elaborated Secretary to the Ministry of Fisheries and Livestock Mohammad Shariful Alam.
"The Eid holidays of the employees of the department have been cancelled and the offices would be open round the clock. A control room has also been opened at the Department of Agricultural Extension," he said.
He added doctors of city corporations would go to the slaughterhouses to examine the cattle that would be slaughtered. Besides, awareness campaigns regarding anthrax have been going on across the country.
The secretary also said no new cattle have been infected by anthrax in the last few days. But the people who slaughtered already infected cattle or came into direct contact are getting infected.
The Institute of Epidemiology Disease Control and Research (IEDCR) says anthrax infection among people is nothing new in the country. In the last one year 99 anthrax cases in human were confirmed and treated.
The outbreak was first reported in Sirajganj on August 20, in Pabna on August 22, Tangail on August 31, Kushtia on September 1 and Meherpur and Chuadanga on September 4.
Anthrax is an acute disease caused by the bacteria Bacillus Anthracis and the cattle, if infected, suffer from severe fever and die within two to three hours. However, there are effective vaccines against the disease.
If anyone comes into direct contact with the affected cattle they also get affected. It is commonly seen on hands, forearms, head and neck. The lesion is usually single and after one to seven days a raised, itchy, inflamed pimple appears followed by a papule that turns vesicular. But proper treatment with antibiotics can cure it completely in ten days, say experts.
Gangni Upazila Health Officer Dr Zohurul Islam yesterday said 14 people were suspected to have contracted with anthrax in Debipur, Karamdi and Jhorpota villages, reports our Kushtia Correspondent.
Villagers say a sick animal of Saad Ali at Debipur village was slaughtered a few days ago. Some people of the village consumed the meat and were infected, they add.
Alamdanga Upazila Health Officer Dr Liakat Ali said it is suspected that anthrax broke out in Charjadabpur village as a sick goat of villager Abdur Rahim was slaughtered nearly a week ago.
মিয়া মুস্তাফিজ বলেছেন:
Ukbdnews Click This Link
অ্যানথ্রাক্স নিরাময়যোগ্য রোগ
আহমেদ মুনির :: অ্যানথ্রাক্স রোগের জীবাণু ‘ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস’ ব্যাকটেরিয়া বহু বছর মাটিতে সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। কয়েক দশক পরও এই ব্যাকটেরিয়া সুপ্তাবস্থা থেকে বেরিয়ে সংক্রমণ ঘটানোর ক্ষমতা রাখে। জীবাণুটি অ্যান্টার্কটিকার কঠিন পরিবেশেও বেঁচে থাকতে সক্ষম। বাইবেলে ফিফথ প্লেগ নামে যে রোগের বিবরণ দেয়া হয়েছিল তা অ্যানথ্রাক্স বলে মনে করেন গবেষকরা। এই রোগটি তাই সুপ্রাচীনকাল থেকেই মানুষ ও গবাদি পশুর প্রাণ সংহার করে এসেছে। তবে বর্তমানে অ্যানথ্রাক্স চিকিৎসায় ভালো হয়। এই রোগের কার্যকর টীকাও আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কোচ ১৮৭৫ সালে অ্যানথ্রাক্স রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন।
অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু মানুষের অন্ত্র, শ্বাসনালী এবং ত্বকের মধ্যদিয়ে সংক্রমণ ঘটায়। আক্রান্ত পশুর মাংস খেলে বা মাংসের সংস্পর্শে থাকলে অ্যানথ্রাক্স হতে পারে। আক্রান্ত মানুষ সুস্থ ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে পারে না। তবে যদি কেউ অতিমাত্রায় সংক্রমিত হয় তাহলে অন্যান্য মানুষের মধ্যেও অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়তে পারে। শ্বাসনালীতে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণ সর্দিজ্বরের মত। তবে দ্রুত তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। দ্রুতই ফুসফুস অকেজো হয়ে পড়তে পারে। অতীতে এই রোগে মৃত্যুর হার ছিল ৯২ ভাগ কিন্তু বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে মৃত্যুর হার ৪৫ ভাগে নেমে এসেছে। অন্ত্রে অ্যানথ্রাক্স জীবাণু সংক্রমিত হলে রক্ত বমি, ডায়রিয়া, অন্ত্রে প্রদাহ ও ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। এই জীবাণু অন্ত্র থেকে দ্রুত রক্তে পরিবাহিত হয় এবং আরো তীব্র আকার ধারণ করে। অন্ত্রের মধ্যদিয়ে আক্রান্তদের ২৫ থেকে ৬০ ভাগ মানুষের মৃত্যু হয়। ত্বকের মধ্যদিয়ে সংক্রমিত হলে, ত্বকে গোটা, ফুসকুড়ি ও ক্ষতস্থান তৈরি হয়। মাংসপেশীতে পচন ধরতে থাকে ধীরে ধীরে। এই রোগে আক্রান্তদের ২০ ভাগ মৃত্যুবরণ করে।
অ্যানথ্রাক্স ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়ায় না। কিন্তু আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক বা পরিধেয় বস্ত্রে জীবাণুর স্পোর থাকলে তা অন্য ব্যক্তির মধ্যে ছড়াতে পারে। এ কারণে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পৃথক রাখতে হবে এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী জীবাণুনাশক এবং সাবান দিয়ে হাতমুখ পরিষ্কার করতে হবে। মাটিতে ব্লিচিং পাউডার বা ক্লোরিনযুক্ত জীবাণুনাশক ছিটিয়েও এই জীবাণু দমন করা যায়। প্রাথমিক অবস্থায় দ্রুত অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা চিকিৎসা করলে অ্যানথ্রাক্স সেরে যায়। সিপ্রোফ্লক্যাসিন, ইরাইথরোমাইসিন, ডক্সিসাইক্লিন, ভ্যাঙ্কোমাইসিন বা পেনিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে অ্যানথ্রাক্স নিরাময় হয়।
সূত্র : উইকিপিডিয়া হেলথ ডে ও লাইভ সায়েন্স ডটকম
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন:
গরু বা গরুর মাংস দেখে সাধারণ মানুষ কিভাবে বুঝবে যে ঐ গরুটি অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত?কোন উপায় আছে কি?
লেখক বলেছেন: অসুস্থ/ঝিমানো গরু দেখে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা যেতে পারে। তবে মাংস ল্যাবে পরীক্ষা না করে শুধু চোখে দেখে বোঝা যাবেনা। উপায় একটা হতে পারে--পরিচিত বা বিশ্বস্ত দোকানীর কাছ থেকে মাংস কেনা।
তন্দ্রাহারা বলেছেন:
ভালো লাগলো। ++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: রেড এলার্ট এজন্য যে রোগটা খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ছে। এভাবে একসময় মহামারীতে রূপ নিতে পারে।
জাভেদ জামাল বলেছেন:
কোরবানির আগে এই সংক্রামক ভালো হবে তো?
লেখক বলেছেন: হবে যদি আমরা সতর্ক/সচেতন হই
লেখক বলেছেন: সহমত
কালীদাস বলেছেন:
এইতো ভাই, ভালই আছি! এখন আর ডাউনলোড করিনা, সময় পাইনাআপনার পোস্ট-টা খুবই ভাল হয়েছে। সচেতনতা নিয়ে আরো কিছু কথা যোগ করুন না, সবাই উপকৃত হবে।
লেখক বলেছেন: আমি তো অনেক করলাম, এবার আপনারা কিছু যোগ করেন না..
আমরা তোমাদের ভুলব না বলেছেন:
১৩২
লেখক বলেছেন: ![]()
রিডার ওয়ান বলেছেন:
এই রিপোর্টটা কেউ খেয়াল করেছেন কি?
প্রথম আলোতে...
বিজ্ঞানীরা আগেই বলেছিলেন, শকুন কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতে গবাদিপশুর অ্যানথ্রাক্স, যক্ষা ও খুরা রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়বে। পশুর মৃতদেহ শকুন খাচ্ছে না বলে এসব রোগ-বালাই ছড়িয়ে পড়ছে। গরুকে ব্যথানাশক ডাইক্লোফেনাক খাওয়ানোর কারণে বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ শকুন মারা গেছে। ডাইক্লোফেনাক ওষুধ খাওয়া কোনো মৃত গরুর মাংস খেলে শকুন কিডনি বিকল হয়ে ভুগে অল্প সময়ের মধ্যে মারা যায়। এ ধরনের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মাত্র গত এক যুগে শকুন বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হওয়ার মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে ডাইক্লোফেনাক ওষুধ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও তা নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ে আবেদন করা হবে। বিশেষজ্ঞরা ডাইক্লোফেনাকের বিকল্প হিসেবে এখন মেলোক্সিক্যাম ব্যবহারের নির্দেশ দিচ্ছেন, যা পাখিটির জন্য ক্ষতিকর নয়।
ভেবে দেখুন...প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে আমরা কিভাবে ধ্বংস করছি আর সেটা কিভাবে আমাদের উপরই ফিরে আসছে !
লেখক বলেছেন: হুম, ভাল পয়েন্ট বলেছেন। কোন চ্যানেলে যেন এইটা নিয়ে প্রতিবেদন দেখছিলাম
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
হাবিবকুল বলেছেন:
সুন্দর পিলাচ
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
মিয়াবেপারী বলেছেন:
সবাই তো জানলাম গরু, ছাগল, মোষ, ভেড়া আক্রান্ত হলে তাদের মাংশ খেলে এই রোগ এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যে প্রানী জাবর কাটে তার এই রোগ হয় কিন্তু উট এর কথা কেউ তো কইলেন না, এই ঈদে আমরা উট এর মাংস খাওয়া হবে।
সচেতন মুলক পোষ্ট ......
লেখক বলেছেন: উটের কথা মনে করায় থ্যাংকস।
দেশের বাইরে থেকে যদি উট আনা হয় (যেখানে এ্যানথ্রাক্স এর জীবাণু পাওয়া যায়নি) তবে তা নিরাপদ। আর দেশের উট (যদি এ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত এলাকার হয়) তবে অবশ্যই ঝুকিপূর্ণ
...ধন্যবাদ
েসােহল ভূইয়া বলেছেন:
গুরুর মাংস দাম কমবে মনে হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করা আপনার উচিত হয় নাই। সামনে ঈদ।
লেখক বলেছেন: সুস্থ গরু পাওয়া যাইতেছে না---এই অজুহাতে দাম বাড়তেও পারে ![]()
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন:
সময় উপযোগী পোষ্ট, এ সম্র্পকে আরো তথ্য পেতে পারেন নিচের লিংকটি থেকে....Click This Link
লেখক বলেছেন: লিংকটি শেয়ার করায় আপনাকে ধন্যবাদ...সবার উপকার হবে।
বাঙ্গাল বলেছেন:
৯৮% শকুন মাইরা ফেইলা আমরা এখন এনথ্রাক্সএ মরতেছি #Lessonlearned সব সৃষ্টির পিছেই কোন না কোন কারণ আছে ...Click This Link
লেখক বলেছেন: ব্লগার রিডার ওয়ান এই বিষয়টি শেয়ার করেছেন। তারপরও আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং সহমত।
সাগর ঢাকা বলেছেন:
সত্যি ভালো লাগছে , প্রথমে আমার বন্ধুর পোস্ট স্টিকি হইছে ..মনে হচ্ছে নিজের পোস্টই স্টিকি হইছে ..হেহে ..পোস্ট এর জন্য ধন্যপাতা , অনেক কিছু জানলাম , সাবধান থাকব , আরো পোস্ট দিও সময় করে ..এখন তো তুমি ছেলেব্রেটি ব্লগার ..আমাদের ভুলে যেওনা লেখক বলেছেন: তেল দিলা না বাঁশ দিলা বুঝলাম না। ...কিন্তু ১-১০ এর মধ্যে তোমার কমেন্ট না থাকায় তোমারে মাইনাস ![]()
লেখক বলেছেন: পরিবর্তন করে দিয়েছি
....অনেক ধন্যবাদ
দুরণ্ত সাহস বলেছেন:
গরুর মাংশ আমার খুব প্রীয় খাবারের একটি। তাহলে কি গরুর মাংশ খাওয়া ছেড়ে দিব? কি ভাবে বুঝব বিশুদ্ধ মাংশ কোনটা? ফালতু প্রশ্নের জন্য দু:খিত আর পোস্ট এর জন্য +
লেখক বলেছেন: অসুস্থ/ঝিমানো গরু দেখে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা যেতে পারে। তবে মাংস ল্যাবে পরীক্ষা না করে শুধু চোখে দেখে বোঝা যাবেনা।
উপায় একটা হতে পারে--পরিচিত বা বিশ্বস্ত দোকানীর কাছ থেকে মাংস কেনা।
ফালতু নয়, এটা এখন জাতীয় প্রশ্নে রূপ নিচ্ছে।...ধন্যবাদ
টোটাল ভালবাসা বলেছেন:
আজকের এই পবিত্র রজনীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা এই সমস্যা থেকে তিনি যেন আমাদের মুক্তি দেন।
লেখক বলেছেন: এর উপরে কোন কমেন্ট নাই..
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন:
শকুন মারা যাওয়ার সাথে এনথ্রাক্স এর কি সম্পর্ক? যখন গরু মরবে তখন নিয়া, মাটিতে পুতে ফেলবা। ব্যাস কাম খতম, শকুনে খাইয়্যা শেষ করবে তার জন্য ওয়েট করার কি আছে? যাউজ্ঞা… কইতে আইছিলাম, খুবি সময় উপযোগী পোষ্ট। ধন্যবাদ।(মাইনাস দিসে কোন হালায়? নির্ঘাত, হালায় কসাই…মাংস বেচতেফারতাছেনা হো হো হো)
লেখক বলেছেন: শকুনের সাথে এর সম্পর্কের কারন হল--অসুস্থ গরু ছাগল মারা গেলে আমরা অনেক সময় পুতে ফেলার মত সহজ কাজটি না করে মৃত পশুকে বনে-জঙ্গলে কিংবা নদীতে ফেলে দিয়ে আসি। তখন বাকী কাজটি করে শকুন।
(মাইনাস দিসে কোন হালায়? নির্ঘাত, হালায় কসাই…মাংস বেচতেফারতাছেনা হো হো হো)
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
শামছুর রহমান বলেছেন:
একটি সময় উপযোগী পোষ্ট দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
ভালমত সিদ্ধ করা গরুর কিংবা ছাগলের মাংস খেলে কি এই রুগ হতে পারে?--মাংসে যদি এ্যানথ্রাক্সের স্পোর (spore) থাকে ভালমত সিদ্ধ করলেও (১০০ ডিগ্রিতে) আক্রান্ত হবার সম্ভবনা ৯৯%। এজন্য সন্দেহযুক্ত মাংস (যেমন অসুস্থ গরু-ছাগলের মাংস) একেবারেই পরিহার করা উচিত
মহিষ কি বাদ?
লেখক বলেছেন: না, মহিষ বাদ না। গরু-ছাগল বলতে গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ, উটকেই বোঝানো হয়েছে
একজন আমি বলেছেন:
কয়েক হালার পুতের মনে হয় ষ্টিকি পুস্টে এলার্জি আছে। মাইনাস না দিলে চুলকানি কমে না।
লেখক বলেছেন: বাদ দেন
নীল ভোমরা বলেছেন:
এবারের ঈদে কি বিফ খাওয়া যাবেনা?! তাহলে ঈদ হবে ক্যামনে?!
লেখক বলেছেন: খাওয়া যাবেনা তা-ও বলা যাবেনা। যদি নিজেদের সুস্থ গরু অথবা বিশ্বস্ত বা পরিচিত কসাই এর কাছ থেকে মাংস কেনা যেতে পারে।
সুবিদ্ বলেছেন:
ধন্যবাদ সময়োপযোগী পোষ্টটির জন্য
লেখক বলেছেন: ![]()
জিয়া চৌধুরী বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ন পোষ্ট। ফেসবুকে শেয়ার করলাম।
লেখক বলেছেন: খুশি হলাম
রিডার ওয়ান বলেছেন:
আরেকটি গুরুত্বপূর্ন তথ্য...
এ্যনথাক্স আক্রান্ত গরু-ছাগল ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই মারা যায়।
সুতরাং যারা ঢাকায় আছেন কিছুটা নিশ্চিত থাকতে পারেন। কেননা গরু খামারীর কাছ থেকে ঢাকার বাজারে আসতে আসতে ৪৮ ঘন্টা পার হয়ে যায়। যদিও বাজারে আনার পরেও অক্রান্ত হইতে পারে!
আর যেখানে স্থানীয় বাজারে গরু বিক্রি হয় বিশেষ করে গ্রামে স্থানীয় ভাবে যে গরু জবাই হয় সে সম্পর্কে বেশি সচেতন থাকা উচিৎ। ঈদের আগেই এটা বেশি হবে! সাবধান সাবধান!!
গরু জবাইয়ের আগে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে পারলেই সবচেয়ে ভাল হয়।
ডিসকো বান্দর বলেছেন:
ভাইরে আপনি ধন্যবাদের চাপে তো মইরা যাবেন ? আমি ধন্যবাদ দিয়ে আর আপনারে খাটো করতে চাইনা , তাই দুইডা ইট দিলাম উঁচা হয়া খাড়ান ?
লেখক বলেছেন: এই প্রথম কেউ আমার কষ্টটা বুঝল....উঁচা হয়ে দাঁড়ালাম ![]()
অন্য ভাবনা বলেছেন:
বিস্তারিত জানলাম। লেখককে ধন্যবাদ।বিভিন্ন মন্তব্যে যে প্রশ্নোত্তরগুলো আছে সেগুলো মূল পোস্টের সাথে জুড়ে দিলে আরো ভালো হবে।
লেখক বলেছেন: আজ রাতে জুড়ে দেব ইনশাআল্লাহ
চুপিচুপি বলেছেন:
সুন্দর হয়ছে।
লেখক বলেছেন: ![]()
এস এইচ খান বলেছেন:
সময়োপযোগী পোস্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া...
মোঃ খালিদ উমর বলেছেন:
ভাই, সশ্রদ্ধ সালাম। আপনি যদি ডাক্তার হন অবশ্য লেখার ভাব দেখে মনে হচ্ছে আপনি এক জন ডাক্তার, তা হলে এই ধরনের সময় উপযোগী পোস্ট দিয়ে উপকৃত করবেন। ফরমালিন মেশান খাদ্য খেলে, কার্বাইড দেয়া খাদ্য খেলে মানুষ বা প্রানীর কি লাভ বা ক্ষতি হয় এই সব উল্লেখ করতে পারেন। এবং এগুলি যারা করে তাদের জন্য সরকারি কি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন তাও লিখে গন সচেতনতা তৈরীতে সাহায্য করুন।
লেখক বলেছেন: জি, এ অধম ব্লগার একজন চিকিৎসক....আপনার অনুরোধ রাখার চেষ্টা করব (তবে কেন জানি আমার নিজের প্রফেশন রিলেটেড কিছু নিয়ে ব্লগে পোস্ট দিতে ইচ্ছে করে না)
লেখক বলেছেন: আপনি যা বলেছেন তাতেই আপনার ধন্যবাদ প্রাপ্য ![]()
স্তব্ধতা' বলেছেন:
আপনি যেভাবে সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাচ্ছেন, অসাধারন।পোষ্ট এ প্লাসতো অবশ্যই, আপনাকেও প্লাস।একটি কনফিউশন:- আপনি বারবার সংস্পর্শে আসার ক্ষেত্রে শরীরে ক্ষত থাকার কথা বলছেন, তার মানে কি যে ব্যাকটেরিয়াটাকে ব্লাড কন্টাক্টে আসতে হবে? হেপ-বি/এইডসের মতো?
রিডার ওয়ানকে ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবারহ করে পোষ্টটিকে সমৃদ্ধ করার জন্য।
@সকল জাবর কাটা প্রাণীর মাংস ভক্ষণকারী-অন্তত: কিছু দিন চোখের সামনে গরু/ছাগল দেখে, সামনে জবেহ দেখে মাংস কিনুন, ঝিমুচ্ছে এরকম বা আপনার নূন্যতম সন্দেহ হলেও সেই প্রাণীর মাংস কিনবেননা।ঝুঁকি নেয়ার কোনই কারন নাই।মাংস না খেলে জীবন যাবেনা।মুরগী খান, সেপ্টেম্বর মাস-হাঁসের শরীরে তেল চলে আসার কথা-সেটা খেয়েও মজা পাবেন, মাছ খান।
লেখক বলেছেন: আপনি বারবার সংস্পর্শে আসার ক্ষেত্রে শরীরে ক্ষত থাকার কথা বলছেন, তার মানে কি যে ব্যাকটেরিয়াটাকে ব্লাড কন্টাক্টে আসতে হবে? হেপ-বি/এইডসের মতো?
না ব্লাড কন্টাক্টে আসতেই হবে এমন না। ত্বক বা চামড়া আমাদের শরীরের প্রথম লাইনের রক্ষক। যেকোন জীবাণুকে সে শরীরের মধ্যে ঢুকতে বাধা দেয়। কিন্তু ক্ষত থাকলে জীবাণুর জন্য আক্রমণ করা সহজ হয়।
বালক বন্ধু বলেছেন:
ভাই ভয় লাগিয়ে দিয়েছেনতো!তবে পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
এমন একটি পোস্ট কেন আমি লিখলাম না?
লেখক বলেছেন: ভয় না পেয়ে সতর্ক হলেই হয়। এটা ভয়াবহ কোন অসুখ নয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সোহরাব সুমন বলেছেন:
এই রোগের জিবানু পাউডারই কি ইরাক যুদ্ধর সময় সন্ত্রাসি হামলায় ব্যবহার করা হয়েছিলো কিনা সেব্যপারেও জানতে ইচ্ছে করছে। লেখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ !
লেখক বলেছেন: এই প্রশ্ন শুধু ইরাক যুদ্ধ না আরো অনেক যুদ্ধের সময় তোলা হয়েছে।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
মন্দিরা বলেছেন:
অ্যানথ্রাক্স
যে শহর চোরাবালি বলেছেন:
যারা মাইনাস দিসেন তেনারা কি ডাক্তর?
লেখক বলেছেন: তারা মনে হয় মাংস কেনা বেচার সাথে জড়িত। ![]()
মন্দিরা বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে অ্যানথ্রাক্স সর্ম্পকে অনেক কিছু জানলাম।আসলে এই সময় এমন একটি লেখার খুব প্রয়োজন ছিল।আমি এমন একটি লেখার অভাব করছিলাম, বিশেষ করে আমাদের জেলার চারপাসে যখন অ্যানথ্রাক্স আতংক বিরাজ করছে।অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ
সা-কি-ব বলেছেন:
দরকারী জিনিস।খুবই ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও +++++++
চেম্বার জজ বলেছেন:
সময়উপযোগী পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!!!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
লেখক বলেছেন: সুন্দর কার্ডের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ
মৃধা জুয়েল বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
চিরসুখী বলেছেন:
ধন্যবাদ,গুরুত্বপূর্ন ও সময়োপযোগী পোষ্টের জন্য । +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অন্তু বলেছেন:
কোরবানির ঈদে যে কি হবে!
লেখক বলেছেন: যে হারে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে সত্যিই চিন্তার বিষয়!
আইয়ু্ব হোেসন বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটা অতি বাস্তব সমস্যাটাকে সবার সামনে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য । আশা করি আর ও লিকবেনআইয়ুব
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: কষ্ট না করলে গোশত মিলবে কেমনে??
লেখক বলেছেন: না, গরুর দুধের মাধ্যমে এ্যানথ্রাক্স ছড়ায় না
ফটিকছড়ি বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অরন্যক বলেছেন:
ধন্যবাদ ,
লেখক বলেছেন: ![]()
কালীদাস বলেছেন:
ঈদ মুবারক, জর্জিস!
লেখক বলেছেন: ঈদ মুবারক, কালীদাস! ঈদে দাওয়াত রইল
মুভি পাগল বলেছেন:
অ্যানথ্রাক্স রোগকে বাঁশ দিবার মূঞ্চায়
লেখক বলেছেন: ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...































