সুবিনয় মুস্তফীর কথা মনে পড়ে এই হেমন্তের রাতে

বালকের আকাশদর্শণ-বায়োগ্রাফিমূলক ১

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৯

শেয়ারঃ
0 0 0

মা কে পাশে রেখে হুডতোলা রিকশায় আমি চোখ পাতি বাইরে।শুক্রবারের আসন্ন বিকেল।রাস্তা তো নয় যেন পিচ ঢালা ফুটবল খেলার মাঠ।তাই রিকশা চলছে দ্রুতলয়ে।এবড়ো থেবড়ো রাজপথ অভদ্রের মতো তার অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে প্রায়শ:।ঘুম চোখেও আমি অস্হিমজ্জায় টের পাই তাদের সশব্দ এবং কর্কশ কথোপকথন।দীর্ঘ সাতদিনের এক আপোষহীন রুটিনের পরে এই শুক্রবারের বিকেলগুলো আমার জন্য দেবতার উপঢৌকনের মতো ছিলো।"যা খুশি কর্"ব্যাপারটার মধ্যেও একটা সুক্ষ কারচুপি আছে বলে আমার বিশ্বাস।দেখা গেল প্রায় আমার এই সাধের ইচ্ছেমতন বিকেলে আমি বাবার কাঁধ জড়িয়ে পরম আনন্দে ঘুমিয়ে আছি।সেই সুত্রে ঘুমও একটা ব্যক্তিগত শখের ব্যাপার হতে পারে।যদি এমন একটা বহুজাতিক কোম্পানির চাকরী পেতাম যেখানে স্যুট-টাই পড়ে নটা-পাঁচটা ঘুমিয়ে থাকার জন্য মাস শেষে কড়কড়ে নোটে মাইনে দেবে।সাথে ফেস্টিভল বোনাস,মেডিকেল কেয়ার,ট্রান্সপোর্ট ফি সহ আরো কতও কী!!-আহা!!কী ঘুমবিলাস। তো এই ঘুম তাড়িত বৈকালিক সৌখিনতা সপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোতে আমার মার যথেষ্ট সৌজন্যবোধের অভাবে হরহামেশাই মুখ থুবড়ে পড়ে।পুত্রের ব্যক্তিগত শখের ব্যাপারে মার হয়তো আপত্তি নেই মোটেও কিন্তু এখনো দ্বিতীয় শ্রেণীতে অধ্যয়নরত নাবালকের ব্যক্তি হয়ে ওঠার ঔদ্ধত্যে তিনি মা হিসেবে কপালে শতকোটি বলিরেখা আঁকবেন,অত:পর প্রয়োজনবোধে নানাবিধ উপকরনসমেত (উদাহরনস্বরূপ-আমার রুলটানার স্কেল,ভাতের চামচ)তেড়ে আসবেন অশনী গতিতে-এটাই প্রচলিত সমাজের চিত্র।বলাবাহুল্য আমার মা এই চলচ্চিত্রের একজন সুদক্ষ কৌশলী।এছাড়া অন্যান্য সময়ে তিনি কলেজে রসায়ন পড়ান।এই রসায়ন বিষয়বস্তুটা যে কি পরিমান রস বিবর্জিত তা বোধকরি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ার বহুআগে থেকেই আমি হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছিলাম এবং উচ্চ মাধ্যমিক পড়ার সময় পুরাকালের উপলব্ধির সাথে ভুক্তভোগী বাস্তবতার একটা নান্দনিক মেলবন্ধন তৈরীর অবকাশ পাই।রসায়ন শিক্ষার অবসরে মা র নানাবিধ রাসায়নিক কর্মকান্ডে আমরা পরিবারের সবাই (এমনকী ক্ষেত্রবিশেষে বাবাও)বিক্রিয়ক হবার আশঙ্কায় তটস্হ থাকি সারাক্ষণ।বাবা গনিতের লোক।আটপৌরে,সাধাসিধে,কারো সাতে নাই পাঁচে নাই টাইপের বিশেষনগুলোর এক সাক্ষাত মুখপাত্র।সারাদিন দেখি ইংরেজী এ্যালফেবেট নিয়ে কি সব কাটাকুটি!!a আর b যোগ করলে কিভাবে c হয় এই চিন্তায় আমার প্রায় রাতে ঘুম হয় না অবস্হা।মাঝে মাঝে বড়োদের উপর বেজায় রাগ হয়।ওরা নিজেদের বেশি বেশি চালাক ভাবে।রসায়নবিদ হবার সুবাদে মাকে আমি কখনো দেখি নাই লম্বা চুলের বেনী দুলিয়ে সারা ঘরময় আনমনে গুন গুন করে বেড়াতে কিংবা আমার গনিতবিদ বাবাকে নাকের ডগায় চশমা ঝুলিয়ে কোন স্বাস্হ্যবান কবিতার বই হাতে সুনশান প্রশান্তমুখ।এহেন ডেডিকেটেড গনিত আর রসায়নের মিউচুয়াল আন্ডারস্টেন্ডিংএ আমার মতো নচ্ছার অলস মস্তিষ্ক উৎপাদিত হবার প্রবাবিলিটি এতোই ক্ষীণ যে মটরশুটিবিদ্যা অনুসারে আমার প্রপ্র-পিতামহের কাউকে না কাউকে অবশ্যই বাঈজী দলের সর্দার হতে হবে।

তো শুক্রবারের বিকেলে ঘুমানো ছাড়াও আরো একটি সাংঘাতিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো --বারান্দায় বসে আকাশ দেখা।সবাই যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন আকাশের অনেক নিচে একটা পুকুর।পাড় ঘেঁষা রাস্তা-মানুষ।একটা কাঠমিস্ত্রির দোকান।ওদের অবিরাম ঠুক ঠাক।একটা কাঠের ফ্রেমে খোদাই করা অবিকল মানুষের মুখ।বাবা বলেছে উনি আমাদের দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন একসময়। প্রেসিডেন্ট ছিলো বলে তার মুখ খোদাই করে রাখতে হবে?প্রেসিডেন্টের তো ভারী মজা!!অথচ লোকগুলো সারাদিন কি কষ্টটাই না করছে এই ফ্রেমের পেছনে?ওদের তো আরো অনেক কাজ থাকতে পারে-খাট পালং চেয়ার টেবিল আলনা শো কেস শেলফ আরো কত কি পড়ে আছে!এসব মন-খারাপে আমারও প্রেসিডেন্ট হওয়ার সাধ জাগে।পরে ওদের সবাইকে ডেকে বলবো-তোমরা তোমাদের কাজ করো।আমার মুখের ফ্রেম বানানোর কোন দরকার নেই!

মাঝে মাঝে অবশ্য শুধু আকাশ দেখেই কাটাতে হয়।আমাদের রেলিংটা আমার মাথার চেয়ে বেজায় উঁচু হওয়ায় পায়ের তলায় মোড়া ছাড়া আমি নিচের পৃথিবী দেখতে পাই না।তখন বাসার অনেকে মিলে টেলিভিশন দেখে,শুক্রবার বিকেলে টিভিতে সাদা কালো ছবি।তাই মোড়া খালি পাওয়া যায় না।অবশ্য আমার আকাশ সবসময় রঙীন থাকে।আমি মেঘ গুলোর যাওয়া আসা দেখি।কারো খুব তাড়া!!এই এলো এই চলে গেলো।কেউ কেউ খুব বড়ো।ওদের অতো তাড়া নেই।অনেকক্ষন তাকিয়ে থাকলে আমি ওদের মধ্যে চেনাজানা জিনিস পত্র দেখি।মনে হয় ওরা ইশারায় কিছু বলছে।কখনো ইশারা সহজ থাকে।কখনো কোন মাথা মুন্ডু খুঁজে পাই না।একটা পিঁপড়ের পেটে আস্ত বাঘ ঢুকে যাচ্ছে এটা নিশ্চয় খুব একটা ভালো ইশারা না।তারপরও আমি সায় দেই--"অ বুঝছি! বুঝছি!"
মেঘমানুষ!!পরে কি না কি মনে করে বসে?

কোন মৌসুমে আকাশে ঘুড়ির মেলা বসে।আহা! সে এক দৃশ্য বটে।এতো এতো ঘুড়ি।অথচ ঘুড়ির মানুষ দেখি না একটাও।কোন কোনটা মনে হয় আমাদের ছাদ থেকেই উড়ছে।আমার মনে হয় এই খেলায় মানুষের চেয়ে ঘুড়িই বেশী মজা পায়।আকাশের কাছ থেকে কেমন লাগে দেখতে?কিংবা মেঘগুলো থেকে আমাদের বাসা কেমন দেখা যায়?ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতি আমার খুব একটা আগ্রহ দেখিনা কিন্তু ঘুড়ি হওয়ার খুব শখ আমার।গুনীজনে কি সাধে বলে-অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা?

তো এই অলস মস্তিষ্ককে গতিশীল করতেই মার সহিত আমার দ্রুতগতির এই রিকশাভ্রমণ।আমার ইচ্ছে-বিকেল গুলোকে একটা সামাজিক রূপদানের মা-গত আরেকটি প্রয়াস।আমাদের গন্তব্য আর্টের স্কুল।












 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: নস্টালজিক শুক্রবারের দুপুর! আমি তো ভুলে গেছিলাম, মনে পড়ে গেল সেইসব ঝিম ধরা হর্ষ!

আর্টের স্কুলে ক্লাশ টু থেকেই! তুমি তো দারুণ শিল্পীমনা তাহলে! :)
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: ঐ -মনা পর্যন্তই।

জোনাকরোডে আপনার গ্রন্হালোচনা (আলের পাড়ে বৈঠক)পড়লাম।ভালো লাগছে।
হ্র-স্ব ই তো আপনিই নাকি ভুল করলাম!

২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
লংকার রাজা বলেছেন: রিকশা চলছে দ্রুতলয়ে।
যদি এমন একটা বহুজাতিক কোম্পানির চাকরী পেতুম------------

এসব কি ভাষারে ভাই???আর দীর্ঘ সাতদিনের এক আপোষহীন রুটিনের বদলে ছদিনের হবে কি না সেটাও একটা ব্যাপার।

আত্মজীবনী মূলক লেখায় মনে হয় লেখক সত্ত্বা ব্যাক্তি সত্ত্বার কাছে দূর্বল হয়ে পড়ে, তাই হয়ত কবির লেখায় সুদীপের ছায়া খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে।

যারা লিখতে না পেরে সমালোচক হয়,মনে হয় তাদের মত হতে আর বেশি দেরি নেই আমার।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: "রিকশা চলছে দ্রুতলয়ে"---এখানে কি হইছে?
"যদি এমন একটা বহুজাতিক কোম্পানির চাকরী পেতুম"-এটা আসলেই সমস্যা।তবে কোন কিছু আবদার অর্থে এটা ইউস করে আমি মজা পাই।সচেতন ভাবেই করি।

ভাষা নিয়ে আর কী বলবো?এই আর কি?শুক্রবারটাও আসলে রুটিনের মধ্যে পড়ে।শুধু বিকেলটা ছাড়া।প্রথমে ভাবছিলাম পাঁচ দিন লিখবো।কারন তখন সাপ্তাহিক ছুটি ছিলো দুইদিন।শুক্র শনি।পরে দেখলাম দীর্ঘ পাঁচ দিন ব্যাপারটা ভালো শোনায় না।আর ছুটির দিনগুলোতেও স্কুলের হোমওয়ার্ক টোমওয়ার্ক নিয়ে সর্বদা একটা কমপ্যাক্ট পরিবেশ বিরাজমান থাকতো।তাই গুনে গুনে সাতদিন কোনভাবেই ছয়দিন নয়।

সুদীপের ছায়া বলতে আসলে কি বোঝাচ্ছিস?
আরেকটু ঝেড়ে কাশ্!
নইলে রুমে চলে আস্ !!

তুই আসলে তাই-ই।

৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯
তনুজা বলেছেন: জনাব , এখন ল্যাবে, ফিরে গিয়ে পড়ব লেখা , কিন্তু পরীক্ষা কেমন হল সেটা আগে বলুন।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: --------
জনাবা আপনি ল্যাবে ই থাকুন।আমার চেয়ে দেখি আমার পরীক্ষাই বেশী আপন হয়ে গেলো!শুধু পরীক্ষার কুশলাদি?
--------

৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
তনুজা বলেছেন: শোন তুমি যে এর মধ্যে ব্লগে ঢোকোনি দেখে খুশি হয়েছি। ঝেড়ে কাশ কেমন হল । একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস পড়ে দেখ, অবশ্য যদিও ডিলিট হয়ে গেছে বেশিরভাগই Click This Link

(তোমার লেখাটা মনে হচ্ছে ফাটাফাটি কিছু হতে যাচ্ছে)
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন:
আপনি যে কি বলেন?ফাটা ফাটি কিছু না!!এমনিতেই....
আমার প্রত্যাশা অবশ্য কম ছিলো।তাই পরীক্ষা পরবর্তী প্রাপ্তিতে ভাটা পড়ে নি।
আপনার কি ধারণা ব্লগে না ঢুকে আমি সারাদিন পরীক্ষার পন্না পড়ছি?হাসালেন মাইরি!!

ইন্টারেস্টিং জিনিস এখনি পড়তে যাচ্ছি।

৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: শনিবারের প্রপাতধ্বনি শুক্রবারের বিছানায়।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: তা যা বলেছেন আশরাফ!!

৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫০
তনুজা বলেছেন: সুদীপ! লেখা পড়ে ভাল লাগার জায়গাগুলো আমি লেখককে ফিরিয়া বলি । এ লেখাটা তাই করলে পুরোটাই পেস্ট করে দিতে হয়

আমার গদ্য লেখা তোমার মনে ধরেছে জেনে লেখার একটা তাগিদ পাচ্ছিলাম, কিন্তু এটার পর সেটা কর্পুরের মত উবে যাচ্ছে। তোমার অন্য ক্যারিশমাগুলো যদি বাদ ও দিই কি অসম্ভব ভাবুকের মত বলে গেছো তুমি ....আমার শৈশবটাই। যখন বাড়ির সামনে মাঠ আর নারকেল গাছের সাথে মতবিনিময় করার জন্যই দিন শুরু হতো... মানুষ স্বপ্নে দেখে জোছনা আমি দেখতাম দুপুর, রোদ আর রোদ


ভাবছি কিবোর্ড ধরে আবোলতাবোল করলে তোমার সামনে লেখা দেওয়া যাবে না



আর দুতিনটে মোটে কথা ফিরিয়ে বলি

" তো শুক্রবারের বিকেলে ঘুমানো ছাড়াও আরো একটি সাংঘাতিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো --বারান্দায় বসে আকাশ দেখা।সবাই যখন ঘুমিয়ে থাকে ......এসব মন-খারাপে আমারও প্রেসিডেন্ট হওয়ার সাধ জাগে।পরে ওদের সবাইকে ডেকে বলবো-তোমরা তোমাদের কাজ করো।আমার মুখের ফ্রেম বানানোর কোন দরকার নেই"


".a আর b যোগ করলে কিভাবে c হয় এই চিন্তায় আমার প্রায় রাতে ঘুম হয় না অবস্হা।.....ডেডিকেটেড গনিত আর রসায়নের মিউচুয়াল আন্ডারস্টেন্ডিংএ আমার মতো নচ্ছার অলস মস্তিষ্ক উৎপাদিত হবার প্রবাবিলিটি এতোই ক্ষীণ যে মটরশুটিবিদ্যা অনুসারে আমার প্রপ্র-পিতামহের কাউকে না কাউকে অবশ্যই বাঈজী দলের সর্দার হতে হবে...."


"আমার আকাশ সবসময় রঙীন থাকে।আমি মেঘ গুলোর যাওয়া আসা দেখি।কারো খুব তাড়া!!এই এলো এই চলে গেলো।কেউ কেউ খুব বড়ো।ওদের অতো তাড়া নেই।অনেকক্ষন তাকিয়ে থাকলে আমি ওদের মধ্যে চেনাজানা জিনিস পত্র দেখি।মনে হয় ওরা ইশারায় কিছু বলছে।কখনো ইশারা সহজ থাকে।কখনো কোন মাথা মুন্ডু খুঁজে পাই না।একটা পিঁপড়ের পেটে আস্ত বাঘ ঢুকে যাচ্ছে এটা নিশ্চয় খুব একটা ভালো ইশারা না।তারপরও আমি সায় দেই--"অ বুঝছি! বুঝছি!"
মেঘমানুষ......"

"উড়ছে।আমার মনে হয় এই খেলায় মানুষের চেয়ে ঘুড়িই বেশী মজা পায়।আকাশের কাছ থেকে কেমন লাগে দেখতে?কিংবা মেঘগুলো থেকে আমাদের বাসা কেমন দেখা যায়?ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতি আমার খুব একটা আগ্রহ দেখিনা কিন্তু ঘুড়ি হওয়ার খুব শখ আমার..."


স্যালুট স্যার! আপনি লিখুন শুধু কিছুটা সময় ছেড়ে দেবার পর। ভয় নেই লেখার ভূত তোমাকে ছেড়ে যেবে না , ঘাড়ে চেপে থাকবে সারাজীবন
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন:
"আমার গদ্য লেখা তোমার মনে ধরেছে জেনে লেখার একটা তাগিদ পাচ্ছিলাম, কিন্তু এটার পর সেটা কর্পুরের মত উবে যাচ্ছে।"

এসব পুরনো ফাঁকিবাজি চলবে না লেখিকা।নতুন কিছু চাই।অন্যত্র দেখলাম আপনি আমাকে ডিসেকশন প্লেটে ফেলে আমার গুণাবলি বিশ্লেষণের পর ঘোষণা দিয়েছেন যে আমি রেফারেন্সের ব্যাপারে খুবই বায়াসড!!

তা ই না?
-------

ধন্যবাদ লেখিকা ধৈর্য ধরে আমার লেখা পড়ার জন্য।

৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২০
আন্দালীব বলেছেন: পড়েছি। আরো পড়ি...

অনেক কিছু-ই আছে আপনার আস্তিনে। আরো দেখান, দেখি...
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন:
সম্ভ্রম হারানোর মতো আতঙ্কিত!!!!

৮. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩
আকাশচুরি বলেছেন: আস্তিন ভর্তি জাদুর সরন্জাম!!
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন:
জাদুর সরন্জাম দিয়ে আমি কি করবো?জাদুকর তো গেছেন আকাশচুরি করতে!

৯. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩০
আমি ও আমরা বলেছেন: একেক্টা যেন কবিতার একেকটা প্লট। দারুন লাগলো।

ভালো থাকিস



অফটপিকঃ বাসায় গেলি কিছু না খেয়ে ভাগলি কেন?
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন:
---------
খাই নি কে বললো?তাছাড়া আমার নিজেরও তাড়া ছিলো।

১০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০০
লংকার রাজা বলেছেন: তুই না হয় বসন্তের শুভেচ্ছা জানালি, কিন্তু ১৪ ফেব্রুয়ারীর কি হবে?/:)/:)/:)

***আমি কাউকে বসন্ত/নববর্ষ এসবের শুভেচ্ছা জানাই না, যার শুভেচ্ছা কাজে আসবে সে না চাইলে আমারটাতে কি হবে?
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন:
------------
তোর কি ধারণা সে আগ বাড়িয়ে চাইবে---"ও রায়হান উইস মি!!"
------------

১১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬
হিটার০০৭ বলেছেন: কি করিতেছ বলক ................................
১২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
অমিতাভ অধিকারী বলেছেন: সুদীপ, কবিতায় তোর সিদ্ধিলাভ ঘটেছে আগেই, কিন্তু গদ্যের হাতও যে এত সাবলীল হবে তা ভাবিনি । বড় সুন্দর লিখেছিস রে । তখন (বালক বয়স) স্বপ্ন দেখার এত আকুলতা আমাকে ক্ষণিকের জন্য হলেও উন্মনা করেছে । তোর রঙ্গিন স্বপ্নের স্মৃতিচারণ আরও দীর্ঘায়িত হোক ।

তোর জীবনী আমাদের সামনে উন্মোচিত হোক আরও আকর্ষনীয় রূপে ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন:
---------
তু্ই এতো ফারমালি কথা বললে আমি চিনতে ভুল করি--তুই কে?
---------

১৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: জাবরকাটার দিন মনে হয় চৈত্র-কেন জানি না।

আপনার লিখা ভালো লাগলো ভালো থাকুন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন:
-----------
হা হা ----ভালো বলেছেন
-----------

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৬৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে!
পৃথিবীর রাঙা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই