আমার প্রিয় পোস্ট
- গল্প: নতুন গান - প্রণব আচার্য্য
- ২/২ -২/৩/৪/৫ এবং - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- বিজ্ঞাপন বউঃ ধুলো ধুলো হয়ে গেছে - মরিয়ম
- দাপ্তরিকের প্রত্যাবর্তন - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- চোখের ছুরিতে দৃশ্যগুলি চিরে দেখি - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- বেবীসিটার মহিলার চোখ - আন্দালীব
- ছোটখালার যাওয়া - সুমন রহমান
- ড্রয়ারের কোণে স্মৃতিগন্ধী ন্যাপথালীন - আন্দালীব
- দাপ্তরিক পুজা ও গ্রাস - আমি ও আমরা
- কেউ এসে চলে গেছে - আন্দালীব
- ঘুমরোচক নৈশগীত - সবাক
- সাইবর্গ দিনলিপি - অন্যমনস্ক শরৎ
- তৈজসরেখা বেয়ে পিঁপড়ের ক্যারাভান.. - আন্দালীব
- স্নায়ুযুদ্ধ - আমি ও আমরা
- ইন্টেল্যাকচুয়ালেরা একদিন কবিতা লিখবে - আমি ও আমরা
আর্টের স্কুল-বায়োগ্রাফিমূলক ২
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
বালকের আকাশদর্শণ-বায়োগ্রাফিমূলক ১
মাঠের এক কোনায় দেখি একটা প্রকান্ড আম গাছ কয়েকটা বিল্ডিং এর দোতলা,তিনতলা আর খানিকটা আকাশ আড়াল করে দাঁড়িয়ে আছে।পাশ ঘেঁষে যে আস্তরহীন দেয়ালটা চলে গেছে তার কিয়দংশ এই মহীরুহের প্রতাপে যেন আরো জরাজীর্ণ হয়ে উঠেছে।এমনিতেই সারা গায়ে তার কানা ঘুপচির ঘাটতি নেই,তার উপর প্রতিবেশীর শিকড়ের ক্যাপিটালিস্ট মনোভাবের কারনে বেচারা বড় ভগ্ন হৃদয়।এই দেয়ালের সমান্তরালে অনেক গুলো মাঝারী থেকে ছোট হাইটের ফুল গাছ,তার মধ্যে একটা বোধ হয় রক্তজবা,সনাক্তকারী চিহ্ন হিসেবে কয়েকটা ঢাউস সাইজের লাল রঙা ফুল দেখে বিজ্ঞের মত সিদ্ধান্ত নিলাম।এতো বড় জবা ফুল আমি দেখিনি আগে।বাকি গুলোর ব্যাপারে খুব একটা নিশ্চিত হওয়া গেলো না।তাছাড়া বেশ কিছু পাতাবাহারী মনে হলো।খুব সুন্দর পাতা ওয়ালা গাছে নাকি কখনো ফুল হয় না।অথচ এই পড়ন্ত বিকেলের আবছায়ায় ঐ গাছগুলোকে কি ফুলেল দেখাচ্ছে!প্রতিটা পাতাই যেন একেকটা ফুল।ফুলবাহারী সব গাছের আলাদা ডাক নাম থাকে কিন্তু এই সুন্দর পাতার গাছগুলোর নিজেদের কোন নাম নেই।সবারই একই পদবী "পাতাবাহারী"।ফুলঘটিত এই বায়াসড নামকরন প্রথা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে বেশ।অন্তত: কিছু গাছের পাতার নামে নাম দেয়া উচিত ছিলো।তো এই ফুল আর পাতা নিয়েই একটা ছোটখাটো লম্বা বাগানের মতো।চারপাশে ইট জড়ো করে তার সীমানা নির্ধারন করে দেয়া হয়েছে।ধারনা করা যায় খানিকটা-আকাশ-আড়াল- করা প্রকান্ড আম গাছটাও কোন এক কালে এই বাগানেরই বাসিন্দা ছিলো।যদিও সীমানালঙ্ঘী স্পর্ধায় এখন সে নিজেই একটা গ্লোবালাইজেশনের মডেল হয়ে উঠেছে।
সীমানার এপারে এক চিলতে মাঠ।কোথাও ঘাসের চিহ্ন মাত্র নেই,শুধু ধূলো আর বালি।বালিতে অনেক আসা যাওয়ার ছাপ।একটু আগেও যেন ধূলো উড়ানো খুব ব্যস্ত সময় গেছে তার।তবুও ঐ বেড়ার ঘরগুলো আর খানিকটা-আকাশ-আড়াল-করা আম গাছটার শেষ বিকেলের ছায়ায় মাঠটাকে কেমন যেন বিষন্ন মনে হচ্ছিল।ফ্রকে মুখ গোঁজা "মন ভালো নেই" কিশোরীর মতো একরাশ ধূলো-মলিন বিষন্নতা!
দূরে তাকিয়ে দেখি বিপুল সংখ্যক কাক বাসা বেঁধেছে গাছটাতে।ওদের বিস্তর ডাকাডাকিতে আর সশব্দ পয়: নিষ্কাশনে মাঠের বিষন্ন নীরবতা ভেঙ্গে খান খান হচ্ছে।বেড়া দেওয়া ঘরগুলোর টিনের চালে থেমে থেমে শুকনো ডাল পালা আর কচি আম পড়ার শব্দ শুনছি।টিনের চালের নিচে যারা বসে ছবি আঁকছে ওরাও নিশ্চয়ই খুব বিরক্ত হচ্ছে।নামেই শুধু আম গাছ,কাজেকর্মে তো দেখি আস্ত একটা কাকগাছ!
আজ বহুদিনপর আমার আর্টের স্কুলের একটা বিকেলকে ধরতে গিয়ে এমনি কিছু বিচ্ছিন্ন পুলক জাগছে মনে।সেদিন অবশ্য এই অলস বালকের কোন ভাবেই পুলকিত হবার অবকাশ ছিলো না।বরং সেচ্ছাচারী শুক্রবারের বিকেলগুলোকে এভাবে অফিসিয়ালি মৃত ঘোষনা করার মৌন প্রতিবাদ হিসেবে হাঁড়ি মুখ করে বসেছিলাম দারোয়ানের বেঞ্চিতে।এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের মূল পুরোহিত যিনি,আমার মা এই হাঁড়ি ভর্তি তীব্র প্রতিবাদকে দিব্যি রসমলাই বানিয়ে দিয়ে হাসিমুখে এক আন্টির সাথে খোশ গল্পে মেতে উঠেছিলেন।খানিক বাদে ঐ আন্টিও দেখি আমার দিকে তাকিয়ে রহস্যময় হাসি দিলেন।বলাবাহুল্য সেই হাসিতে আমি কোন স্বপক্ষ সমর্থন খুঁজে পাইনি,পেয়েছি "কাঁদে না খোকা সব ঠিক হয়ে যাবে" টাইপের সমবেদনা।
আমি যেখানটাই বসে ছিলাম তার বাঁ পাশেই খুব নিচু একটা গেইট।বড়রা সবাই অসহায়ের মত মাথা নিচু করে ঢুকছে কিংবা বেরুচ্ছে।হয়তো ছোটদের স্কুল বলে এই বিশেষ ব্যবস্হা।বড়দের স্কুলে যেমন বড় বড় গেইট, ছোটদের স্কুলে তেমন ছোট ছোট গেইট।পাশে বসা দাড়িঅলা বৃদ্ধ লোকটা কয়েকবার আমার সাথে খাতির জমানোর চেষ্টা করে এখন চুপ মেরে গেছে।কী বাবু?তোমার নাম কি?কোন কেলাসে পড়ো?
এই সব হাবিজাবি সবাই যা বলে আর কি!এমনতেই একটা প্রতিকী অনশনের মত চলছে।এর মধ্যে উটকো ঝামেলা!তাই আমি না শোনার ভান করে খানিকটা-আকাশ- আড়াল-করা আম গাছটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম।বেশির ভাগ লোকজনই দেখি আমার নাম আগে থেকে বলে দেয়।যেমন এই দাড়িঅলা কি সুন্দর আমার নাম ধরে ডাকছে "বাবু"।জানোই যদি আমার নাম "বাবু",তাহলে আবার জিজ্ঞেস করার মানে কি?লোকটা একটা পাতা কুড়িয়ে আমার সামনে ধরে বলল,
--"কন তো দেহি এইডার রঙ এমন হলুদ হইছে ক্যা?আগে তো সবুজ আছিলো? নাকি?"
--"বুড়ো হয়ে গেছে তো ,তাই হলুদ হয়ে মরে গেছে"
দাড়ির ফাঁকে মৃদু হেসে,
--"আমি তো বুড়া।আমার রঙ হলুদ হয় না ক্যা?"
--"আপনি তো পাতা না।তাছাড়া মরে গেলে আপনিও হয়তো হলুদ হয়ে যাবেন"
লোকটা দেখি এবার শব্দ করে হেসে উঠলো।দাড়ির ফাঁকে পান খাওয়া দাঁত দেখা যাচ্ছে।আমার দিদার দাঁতগুলোও এরকম দেখতে।লোকটার তারপরও শব্দ করে হাসতে থাকে।তার চোখের কোনে বিন্দু বিন্দু পানি জমছে।এ হাসি কান্নার মানে কি?
সশব্দ হাসির লোকগুলোকে আমার বিশেষ পচ্ছন্দ না।এ ব্যাপারে আমার কিছু ভয়ংকর অভিজ্ঞতাও আছে।আমি তাই একটা উঠি উঠি ভাব নিতে যাচ্ছি,এমন সময় দেখি মা বেরিয়ে আসলেন ভিতর থেকে,হাতে একটা খাতা আর রঙের বাক্স।পরে জেনেছি এ লাইনে এটাকে পেস্টেল কালার বলা হয়।তো বিবিধ উপায়ে এই রঙের বক্সের প্রতি আমার আগ্রহ তৈরী করার একটা সাময়িক এবং স্হানীয় প্রচেষ্টা চলল কিছুক্ষণ,এই প্রচেষ্টায় কিছু আগে চোখে পানি জমা হওয়া বৃদ্ধ এবং রহস্যময়ী হাসি-আন্টিও হেসে যোগ দিলেন।তাদের তীব্র চাপের মুখে আমি হাঁড়ি মুখ নিয়েই একটা ক্লাসরুমে প্রবেশ করলাম।এই ক্লাসের নাম নাকি "হাসিখুশি"।
==============================================
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লংকার রাজা বলেছেন:
তুই ঘুম থেকে ওঠলি?নাকি ঘুমাবি এখন?
লেখক বলেছেন:
আমি এখনো ঘুমাচ্ছি
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ধূসর রঙের প্লাস।
লেখক বলেছেন:
কি খবর হাসান সাহেব?
লেখক বলেছেন:
এতো রঙের ব্যাপার কেন আসছে?
তর্পন বলেছেন:
ভাল লেগেছে । ++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ তর্পন
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
প্লাস +
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ প্রণব
হাসান মাহবুব বলেছেন:
বুঝলাম্না চৌধুরী সাহেব,আমি সহ চারজন প্লাসের কথা বলল,কিন্তু প্লাস পড়ল মাত্র দুইটা।তবে কি সব মিথ্যে? আমি কিন্তু সত্যি দিসি,ট্রাস্ট মি র্যাভেনহার্ট!
লেখক বলেছেন:
ঠিক আছে,
ঠিক আছে ট্রাস্ট করলাম।এখনতো মনে হয় ঠিক দেখাচ্ছে।এসবে র্যাভেনহার্টের কিছু যায় আসে না।
তনুজা বলেছেন:
ভাবছিলাম তোমাকে জিজ্ঞাসা করব লেখাটা দিচ্ছ না কেন ? যা হোক ফিরে এসে পড়ব
লেখক বলেছেন:
এতো ঘটা করে বলার কি আছে?আমি তো বখাটে ব্লগবাজ।
তাছাড়া এই লেখাটা ভালো হয় নাই।
নাহ, তোর কবিতা লেখার হাত ভাল। চারটি প্লাসের মধ্যে আমার একটা।চিন্তা করিস না, লিখে যা। প্লাসের দরকার হলে আমি তো আছিই, শুধু আওয়াজ দিবি
লেখক বলেছেন:
সায়েমের বাচ্চা সায়েম,
এক্ষেত্রে মোক্তার খুব অপ্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে।এখানে কবিতা পেলেন কই?নাকি না পড়েই......
আমার প্লাসের দরকার নাই।আপনি আমার চেম্বারে দেখা করেন।
সারাদিন নারুটো দেখেন বলে কি নিকটাও ঐ খান থেকে মেরে দিতে হবে?
ভালো থাকবেন সায়েমের বাচ্চা সায়েম।
লেখক বলেছেন:
==============
ক্লাসের নাম আসলেই হাসিখুশি ছিলো।তারপর যথাক্রমে পিরামিড,আলতামিরা,গান্ধারা...ইত্যাদি
বিষাক্ত আলো বলেছেন:
সুদীপ, তুমি আর ছবি আঁক না? [ অটঃ একই ব্যাচ বলে তুমি করে বললাম, আপত্তি আছে? থাকলে বলা যেতে পারে...]
লেখক বলেছেন:
নাহ। আপত্তি থাকবে কেন?একই ব্যাচ?
----
এখন আর নিজের জন্য আঁকার সময় পাই না।চাপের মুখে কিছু ডিজাইন ফিজাইন করতে হয়....এই যা।
শত রুপা বলেছেন:
কবিতা কই?
লেখক বলেছেন:
হুমকি দিচ্ছেন শতরূপা?
লেখক বলেছেন:
ইউ আর অলওয়েজ ওয়েলকাম,সায়েমের বাচ্চা সায়েম।
লগে বিড়ি না আনলে কিন্তু রুমে ঢুকতে দিব না।
লেখক বলেছেন:
এরকম আর কি।তা ভাইএর কোথায় নিবাস কই?
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
ইশকুলের ডাকের মতো ক্ষীণ মৃদু সুর কেন ভেসে আসে? সেই সুরের পোচে ফালা ফালা হলে হৃদয়ের কী দোষ?খুব আশাবাদী আমি, তোমার গদ্য নিয়ে।
যেমন প্রথমের বর্ণনা, পাতাবাহারী গাছের এত সুন্দর বর্ণনা আগে পড়েছি বলে হয় না!
তারপরের বিষণ্ণতা, একাকী অভিমানের পলেক, মায়ের সাথে এমন কত নিবিড় গোপন অভিমান ছিল আমারও, এক ঝটকায় মনে পড়ে গেল সেসব!
তবে বুড়োটার আসা-যাওয়া একটু অন্যরকম। পুরো আবহে খাপ খেল না, নাকি আমার অমনটা লাগলো।
পরের পর্বের অপেক্ষায়।
লেখক বলেছেন:
=============================================
আপনার ভালো লাগছে জেনে খুব খুশি হলাম।বুড়োর ব্যাপারটা আসলে সত্যি।পরবর্তী কালে উনার সাথে আমার একটা নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো।ঐ ডায়ালগ গুলোই মনে হয় সমস্যা করছে?
-----
এইটা কনটিনিউ করার খুব একটা ইচ্ছা নাই।আপনি হয়তো দেখে থাকবেন শুরুর দিকের বর্ননা থেকে ডাইভার্ট হয়ে সহজ ভাষায় আসতে আমাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।প্রথম পুরুষে শৈশব চয়ন খুব একটা সহজ মনে হচ্ছে না।বড়বেলার ছাপ পড়ে যাচ্ছে বার বার।গদ্যের টপিক হিসেবে এটা সুবিধের মনে হচ্ছে না।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
সুবিধের না, এমন জিনিশগুলোর নাড়াচাড়াতেই সাধারণত দারুণ কিছু আউটপুট পাওয়া যায়। শৈশবের সরল দর্শনের চেয়ে বড়ো'র চোখে শৈশব তুলে ধরার কাজটা অনেক কঠিন। সেখানে সময়, মনোযোগ নিবিড় দিতে হয়। আমি খুব হালকাচ্ছলে আমার কৈশোরের একটা ঘটনা ব্লগে লিখেছিলাম শুরুর দিকে। যদিও ওটা সম্পূর্ণ অন্য মুডে লেখা, তবুও পড়ে দেখতে পারো।http://www.somewhereinblog.net/blog/4thinthelineblog/28806846
লেখক বলেছেন:
একমত পোষন করছি।পড়ছি....
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
প্রথম কথাfor ( i=0 ; i>-1 ; i++ )
{
System.out.println("আমি ক্ষমাপ্রার্থী");
}
আমি লেডির পোস্টে না বুইঝা আপনেরে খোঁচা মাইরা কমেন্ট দিছিলাম , কি পরিমান লজ্জা যে লাগতেসিলো। আপনে আমার পোস্টে আইসা বিরাট লজ্জার হাত থেইকা বাঁচাইলেন।
আপনাকে আর ধন্যবাদ দিলাম না
লেখক বলেছেন:
আরে! আমি তো চাইছিলাম ঐ সময়ে খোঁচাটা কনটিনিউ করতে,তাইলে এতো সহজে ধরা পরতাম না।তনুজাদি এসে মুরুব্বীয়ানা করাতেই সব ভন্ডুল হয়ে গেলো।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
বাহ!! আপনি কোথায় শিখেছেন??
লেখক বলেছেন:
না-ই বা শুনলেন।তবে এটা চট্টগ্রামে।এখন অবশ্য আম গাছের জায়গায় পাকা দালান
উঠছে।পাতা বাহারী গাছও আর নাই।
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
হ হ , আপনে যে লেডির লেইগ্গা জান-প্রাণ , তা কি আর আমরা বুঝি না। খালি জুনিয়র হইসি দেইক্কা চুখ বন্দ কইরা রাখি লেখক বলেছেন:
ক্লাস শুরু হইলে তুমার লগে র্যাগ কর্নারে দেখা হইবো....
কবিতা চাই নতুন কবিতা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টিউবের রং এর রহস্য পরিষ্কার হলো ..
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রাস্তা ঘাটে সাবধান .. বেশী নষ্টালজিক হলে গাড়ি চাপা পড়ার চান্স আছে ;
আমরা তাহলে আমদের কবিকর্পকে হারাব
"না .. এ হতে পারে না"
লেখক বলেছেন:
এ হতে পারে না.....এ হতে পারে না
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
ফুলকি??
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ।আপনি কে ভাই?জানতে মন চায়।
তনুজা বলেছেন:
একজনের ছোটবেলার ঘরদুয়োর উঠোন ব্যালকনি তে যেতে ইচ্ছে করছে .....মনে মনে গেলাম লেখাটা তেমন ই ভাল হয়েছে যেমন হবার কথা ছিল
(১।দারোয়ান
২। টেন্স এর সমস্যা হচ্ছে একবার পুরো পড়ে নিজের কানে শুনে নাও )
লেখক বলেছেন:
আই এম ইমপ্রেসড!!!
টেন্সের সমস্যাটার কথাই আমি ছন্নরে বলতে চাচ্ছিলাম।আমি জানতাম সমস্যাটা আছে,কিন্তু এতক্ষণ কেউ বললো না দেখে আমি একটু অবাক হইছি।
এতো ভালো করে পড়েন কেন?হ্যাঁ?দেখি এটা নিয়ে কি করা যায়।
লেখক বলেছেন:
এই লেখাটা আসলে বেশ কিছুদিন অযত্ন অবহেলায় ড্রাফটে পড়েছিলো।কি ভেবে দু লাইন যোগ করে মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি।
আর পারলাম কই?ধরা পড়ে গেলাম রেফারির হাতে।
লেখক বলেছেন:
আমি কি কোনভাবে আপনাকে চিনি?কিংবা আপনি আমাকে?
লেখক বলেছেন:
তা কি নাম তোমার?কোন ডিপার্টমেন্টে?
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
ভাল্লেগেছে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আশরাফ মাহমুদ
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আপনি কই পড়েন?? পড়তেন?? আপনি কি চট্টগ্রামে থাকেন/ থাকতেন?
লেখক বলেছেন:
বুয়েটে।নটরডেমে,চিটাগাং গভ: হাই।থাকতাম।
লেখক বলেছেন:
ক্যান্টিনে আয়।দোকান খুলছে।
ক্ষিধাও লাগসে অবশ্য, তবে শিবিরের একটার লগে আমার সেরকম লাগসে। দেখি আর কিসু কয় টয় কিনা........
তনুজা বলেছেন:
তনুজাদি এসে মুরুব্বীয়ানা করাতেই সব ভন্ডুল হয়ে গেলো।নতুবা কুঞ্জে অলি গু্ঞ্জে তবু ফুটেছে মঞ্জুরী.......................
আজাইর্যা
লেখক বলেছেন:
========
বাহ !"ঞ্জ" র মেলা বসাইছেন
তনুজা বলেছেন:
আমি ঞ্জ এর মেলা বসাইনি 'বেণীমাধব' এর লাইন আপনারা না সংগীত বিশেষজ্ঞ
লিরিক না হোক কবিতাটাও তো কম নাম করা না
লেখক বলেছেন:
=========
হু।
মহিলা আঁতেল।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
হই সুদীপ্যা বাবু, এইগুলান লেহা কেমনে আয়ে তর? হই বেডা, ভালা কইরা লেখস কেমনে? ----------------------------------
কেমন চলছে ভাইডি? ক্লাস শুরু হইয়া গেছে?
তোমার বাড়ির শহর চট্টগ্রামেও ছিলাম ৫ ঘন্টা।
লেখক বলেছেন:
=============================================
দীপঙ্কর দা,
আপনার সাথে সাক্ষাৎপর্ব এতোটা ক্ষণস্হায়ী হবে ভাবতেই পারি নি।দুটো বেনসন সিগারেট টানতে যে সময়ের প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই।আপনারে দেখবার খুব মন চায়।আমার পাসপোর্টের মেয়াদ আছে এখনো।দেখি যদি কিছু মালকড়ি জমাতে পারি তাহলে ঐ দিকে সীমানা পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছে আছে।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
মালকড়ির কোনও দরকারই নাই সেরেফ ১৫০ টাকা লাগবে আখাউরা দিয়া সীমান্ত পর্যন্ত আসতে, তারপর আমার বাড়ি আছে না। আরে আমার মেয়েটা হঠাৎ ডাইরিয়ার কবলে পড়ে যায়, তাই হিসাব উল্টা-পাল্টা হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন:
==========================
আরেকবার আপনি একাই চলে আসেন না?তাইলে থাকা-খাওয়া নিয়ে আপনাকে আর ভাবতে দিতাম না মোটেই।
সজীব মাহমুদ বলেছেন:
একটাও মাইনাস পড়েনি দেখে কেমন যেন লাগছিল,তাই দিলাম ব্লগে আমার ২য় মাইনাস।.....কেমন আছিস??নোটন নোটন পায়রাগুলি কি ঝোটন বাঁধে এখনও??
লেখক বলেছেন:
=============================================
হ্যাঁলো সঁজীব তুই মাইনাস দিয়েছিস।আমি খুঁব খুশী হয়েছি।
----হ্যাঁ এখনও বাঁধে
মাঝে মাঝে নায়ে ভরা টিয়েও আসে।
লেখক বলেছেন:
আমারও না।কিন্তু আর কিছু আসলো না ঐ সময়।কি আর করা?
নম্রতা বলেছেন:
~ফ্রকে মুখ গোঁজা "মন ভালো নেই" কিশোরীর মতো একরাশ ধূলো-মলিন বিষন্নতা!~ভাল লেগেছে লেখাটি সুদীপ ( আর সুদীপ বাবু বলে ডাকবোনা)।
লেখক বলেছেন:
কেমন আছেন নম্রতা?নাইট্রোগ্লিসারিনের কবি...আরেকটা কবিতা শোনান..প্লিজ।
--------
( আর সুদীপ বাবু বলে ডাকবোনা) হা হা হা
আমি কি নিষেধ করেছি?
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
"কীট" শেষ করসি।
লেখক বলেছেন:
আমিও শেষ করি তাহলে
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
সুদিপ্যা, হই হই, ঘুম থেইক্যা উইঠাই ব্লগানি!!!!!????!!!!--------------------------------
দাঁড়াও, আবার আসিব ফিরে, হয়ত তখন মতিভ্রম ছেয়ে যাবে সকলেরে
লেখক বলেছেন:
হা হা হা...আপনি কি করেন?
আমি তো দাঁড়িয়েই আছি।আপনি খালি আসেন
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
হই হই বেশি বেশি আপনে শুনন আমার সহ্য হয় না। ---------------------------------
আরও শোনা লাগলে কমু অতি ভক্তি.........থাক কইলাম না, আরেকবার শুনি খালি!!!
লেখক বলেছেন:
হুশ হুশ। আরে...হুই.ঈঈ।হুশ হুশ।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আমি আমারে হুশ করছি, কারন ডালগুলি ভালা না, আইলসামি কইরা লড়রচরই না, তাই বইল্যা সবে মিল্যা ........হুশ। না উড়তাম না, পারলে কিছু.. কাওয়াও আছে, চিলও আছে, কান কিন্তু থাকত না, ভেন্টিলেটরও বুকড
লেখক বলেছেন:
হা হা হা.....
অগ্রীম বুকিং দিলেন নাকি?
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
বুকিং কীরে ভাই, চাইয়া দেখ অকোপাইড
লেখক বলেছেন:
অকোপাইড না হলেও সমস্যা নাই।সময়মত এক্সট্রা সিটের ব্যবস্হা করা যাবে।
লংকার রাজা বলেছেন:
বহুসিজিক এই দুনিয়ায় আপনি আমি কেমন যেন কাছাকাছি বাস করি।আমার অবস্থান জানার জন্য ডায়াল করুন ০১৯১৪****** এই নাম্বারে।আপনার অবস্থান জানানোর জন্য একই কাজ করতে পারেন।লেখক বলেছেন:
বহু সিজিক দুনিয়ার প্রতি আমার আক্রোশ তো আপনার জানা থাকার কথা।কি করে ভাবলেন আমি এতো তাড়াতাড়ি ডিফল্টারনেস কাটিয়ে উঠবো
লেখক বলেছেন:
ভালো নেই
ভালো নেই মি: জিরো
অপ্সরা বলেছেন:
বাহ !!! +++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ
লংকার রাজা বলেছেন:
আমিও ডিফল্টার,এবং কাটানোর কোন উদ্যোগ নিতে ইচ্ছে করছে না।
লেখক বলেছেন:
উদ্যোগ নেয়া হোক
লেখক বলেছেন:
নাই বা জানা হলো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















