আমার প্রিয় পোস্ট
- গল্প: নতুন গান - প্রণব আচার্য্য
- ২/২ -২/৩/৪/৫ এবং - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- বিজ্ঞাপন বউঃ ধুলো ধুলো হয়ে গেছে - মরিয়ম
- দাপ্তরিকের প্রত্যাবর্তন - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- চোখের ছুরিতে দৃশ্যগুলি চিরে দেখি - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- বেবীসিটার মহিলার চোখ - আন্দালীব
- ছোটখালার যাওয়া - সুমন রহমান
- ড্রয়ারের কোণে স্মৃতিগন্ধী ন্যাপথালীন - আন্দালীব
- দাপ্তরিক পুজা ও গ্রাস - আমি ও আমরা
- কেউ এসে চলে গেছে - আন্দালীব
- ঘুমরোচক নৈশগীত - সবাক
- সাইবর্গ দিনলিপি - অন্যমনস্ক শরৎ
- তৈজসরেখা বেয়ে পিঁপড়ের ক্যারাভান.. - আন্দালীব
- স্নায়ুযুদ্ধ - আমি ও আমরা
- ইন্টেল্যাকচুয়ালেরা একদিন কবিতা লিখবে - আমি ও আমরা
এন্ডগেম ও অন্যান্য
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
তাজা খবর নয়। বরং যথেষ্ট বাসি খবর। বাজারে "মেগাডেথ" এর নতুন এলবাম বেরিয়েছে। বাজারে না বলে বলা ভালো ইন্টারনেটে কিংবা টরেন্টে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাজারে আসার আগেই নাকি যাবতীয় জিনিসপত্র ঐখানে পাওয়া যায়। এন্ডগেমের বেলায়ও তা'র অন্যথা হলো না। ফলে অফিসিয়ালি রিলিজ হওয়ার সপ্তাহখানেক আগে থেকেই আমি এন্ডগেম শুনছি। মেগাডেথ একসময়ের খুব প্রিয় একটা নাম। বিশেষ করে মার্টি ফ্রিমেন যখন জড়িত ছিলেন ব্যান্ডটার সাথে। ওসময়ের এলবামগুলোতে (ক্রিপটিক রাইটিংস্, রিস্ক) তার একটা প্রভাব ছিলো। ওটা ভালো লাগতো।
পিক্সার এনিমেসনের একটা শর্ট ফিল্ম আছে। নাম "ওয়ান ম্যান ব্যান্ড"। মেগাডেথের ক্ষেত্রে কথাটা শতভাগ প্রযোজ্য। সবেধন নীলমনি হিসেবে ডেভ মাস্টেইন-ই শুধু রয়ে গেলেন। যে কোন জেনারের ব্যান্ডের ইতিহাসে এটা একটা রেকর্ড হতে পারে। মাস্টেইন সহ এ পর্যন্ত ২০ জন মিউজিশিয়ান বাজিয়ে গেছেন মেগাডেথে। সে তুলনায় উল্লেখ করার মত কোন বৈচিত্র্য আসে নি ওদের কম্পোজিশনে। এর প্রধান এবং একমাত্র কারন মাস্টেইন নিজে। লিরিক থেকে শুরু করে কম্পোজিশনের সব জায়গাতেই তিনি তীব্র আপোষহীন থেকেছেন। এবং তা এতোটাই তীব্র যে বিভিন্ন সময়ে তা ব্যান্ডের অন্যান্য সদস্যদের জন্যে অসহনীয় হয়ে ওঠেছিলো। মেটালিকা থেকে বের করে দেওয়ার পেছনেও এরকম কারন ছিলো। সাথে উশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং ড্রাগ বিষয়ক সমস্যা তো ছিলোই। তবে এটা হলফ করে বলা যায় যে, মেটালিকা ছেড়ে আসার সময়ে তার মনে যে ক্ষোভ জন্মেছিলো, মেগাডেথ ফর্ম করার পর তা তিনি পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পেরেছিলেন। কারন অল্প কিছু দিনের মধ্যেই মেগাডেথ হেভি মেটাল কি থ্রাশ মেটাল মহলেও তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দীর্ঘ সময়ের কোন পারমানেন্ট লাইনআপ ছাড়াই মেটালিকা, এনথ্রাক্স, স্লেয়ার এর সাথে এক কাতারে দাঁড়িয়ে যায়। এটা থেকে মাস্টেইনে'র এক রোখা চরিত্র সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা মেলে।
মাস্টেইন নি:সন্দেহে একজন কিংবদন্তী, কিন্তু একই সাথে খুব খারাপ একজন ব্যান্ড মেম্বার, যিনি বিভিন্ন সময়ে নিজ খেয়াল খুশিতে লাইন আপে পরিবর্তন এনেছেন। কোন গ্রহনযোগ্য কারন দর্শানো ছাড়াই অন্যদের ছাঁটাই করেছেন। শুরুর দিকে অনেক খোঁজাখুঁজির করেও যখন ব্যান্ডের জন্যে কোন ভোকাল মিলছিলো না, তখন জেদের বশে নিজেই গাইতে বসলেন। মেটালিকা'র প্রতি আক্রোশটা তখনও মাথায় ছিলো। ভাগ্যিস তখন কেউ গাইতে রাজী হয় নি। নইলে আমি একজন প্রিয় ভোকাল হারাতাম। মাস্টেইনের গিটার প্লেয়িং এর চেয়ে ওর ডিফারেন্ট ভয়েসটা আমাকে বেশি আকর্ষণ করে। মাস্টারমাইন্ড, ড্রেড এন্ড দ্য ফিউজিটিভ মাইন্ড, দ্য হার্ডেস্ট পার্ট অব লেটিং গো...সিল্ড উইথ আ কিস্ সহ আরো অনেক গানই যতখানি না বাজানো তার'চে অন্যরকম ভোকালের জন্য ভালো লাগে।
মাস্টেইনের খামখেয়ালিপনার সাথে মেগাডেথের লাইন আপ চেন্জকে জড়িত করে অনেক কানকথা চালু আছে। একবারে শুরুর দিকে স্লেয়ারের কেরিকিং মেগাডেথের সাথে কয়েকটা লাইভে বাজিয়েছিলেন। কেরি স্টেজে উঠলেই নাকি দর্শক শ্রোতা "স্লেয়ার! স্লেয়ার" বলে উল্লসিত হতো। এতে মাস্টেইন ব্যাপক মন:ক্ষুন্ন হন এবং দেরি না করে তৎক্ষণাৎ কেরিকে বিদায় জানান।
গিটারিস্টদের মধ্যে একমাত্র মার্টি ফ্রিম্যানই দীর্ঘ দিন টিকেছিলেন। তাও মোটে নয় বছরের মত। একসময় মার্টি থ্র্যাশমেটালের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং জাপানে পাড়ি জমান। মাস্টেইন বাধা দেননি। নিন্দুকেরা বলে মার্টি চলে যাওয়ায় তিনি মোটেও অখুশি হননি। বরং এবার মনের সুখে সোলো বাজানো যাবে - এই ভেবে নতুন উদ্যমে রিদমিস্ট খুঁজতে বেরোন। ২০০২ সালের দিকে মাস্টেইন বাম হাতে ইনজুরির কারন দেখিয়ে ব্যান্ড ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং বিশাল ভক্তকুলের চোখ ভিজিয়ে মেগাডেথ সত্যি সত্যি ভেঙেও যায়। এসময় ডেভিডেরও বিদায় ঘন্টা বাজে, যিনি একদম গোড়া থেকেই ব্যান্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন। এই বেসিস্ট/গিটারিস্ট জুটি এর আগ পর্যন্ত খুব জনপ্রিয় ছিলো। বছর খানেক পরে মাস্টেইন সুস্হ হয়ে উঠলে নতুন লাইন আপ দাঁড় করানোর পরিকল্পনা করেন। কিন্তু কিছু ব্যবসায়িক কারনে এবং লেবেলে'র চাপে পড়ে পুরনো নাম ঠিক রেখে অর্থাৎ মেগাডেথ নামেই নতুন এলবাম রিলিজ করেন। তখন আর পুরনো বন্ধু ডেভিডকে সাথে নেয়ার প্রয়োজন বোধ করেন নি। খানিকটা অনাহূতের মত এভাবেই মেগাডেথের দ্বিতীয় জীবন লাভ ঘটে।
নতুন এলবাম ডাউনলোড করা হয়ে গেলে সচরাচর যা হয়, সপ্তাহখানেক শুধু ওটাই শুনতে থাকি। একসময় কিছু ট্র্যাকের প্রতি আলাদা ভালো লাগা জন্মে যায়। এন্ডগেম - এ একটা রোমান্টিক গান আছে "দ্য হার্ডেস্ট পার্ট অব লেটিং গো...সিল্ড উইথ আ কিস" এই শিরোনামে। মেগাডেথ এর আগেও কিছু রোমান্টিক ট্র্যাক করে মেটাল ভক্তকুলের বিরাগ ভাজন হয়েছিলো। মেটাল মূলত: কিছুটা শিশুসুলভ ব্যাপার। এখানে কারুকাজ থাকে, বাজানোয় কিংবা গাওয়ায় ষোলআনা মুন্সিয়ানা থাকে। কিন্তু সামগ্রিক প্রকাশটা হয় উদ্দাম। উদ্দামতা কখনো গভীরতার প্রতিশব্দ হতে পারে না। আমার মতে রোমান্স একটা গভীর বিষয়। একারনে ধাতব ভক্তকুলে রোমান্সের খুব একটা কদর নেই। অথচ এবারের এলবামে এই গানটাই আমার সব'চে ভালো লেগেছে। বিভিন্ন কারসাজি করেও গানটা এখানে শোনানোর ব্যবস্হা করা গেলো না। চাইলে লিরিকটা মিলিয়ে নিতে পারেন।
Such a pretty face
Radiant, I saw you across the room
I knew I had to have you
Thus started the chase
I knew I would do anything to take your hand and make you mine
But I learned long ago
If you love someone you have to let it go
Let it go, Let it go
The hardest part of letting go is saying
Goodbye, Goodbye, Goodbye
Feathered away in a makeshift cell
Beneath the venemos moonlight
I unleash my plan to watch you fail
The one I am so proud
Go to sleep my love
And taste my sweet revenge upon your lips
Sealed with a kiss
(Solo)
I return to the masquerade ball
And hear the news of your weeping
Stone by stone imbued in the wall
Forever left for safekeeping
Go to sleep my love
And taste my sweet revenge upon your lips
Sealed with a kiss
But I learned long ago
If you love someone you have to let it go
Let it go, Let it go
The hardest part of letting go is saying
Goodbye, Goodbye, Goodbye
(Goodbye)
(Let it go)
এলবামের প্রথম ট্র্যাকটা একটা ইনস্ট্রুমেন্টাল - "ডায়ালেক্টিক কেয়স্"। কম্পোজিশনটা অসাধারণ। গিটারিস্ট হিসেবে এন্ডগেমে কাজ করেছেন ক্রিস ব্রডেরিখ। মেগাডেথের সাথে এটাই তার প্রথম কাজ। কিন্তু মাস্টেইনের সাথে ক'দিন টিকতে পারেন এটাই এখন দেখার বিষয়।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ব্লগরব্লগর ;
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: :
১৯৯০ এর কথা!! মেটাল শিশুতোষ ব্যাপার হলেও শিশুকাল থেকে মেগাডেথ শোনা আমার হয়ে ওঠে নি। আপনি অনেক খানদানি শ্রোতা।
মার্টি ফ্রিম্যান অনেক চেন্জড্ হয়ে গেছেন। জাপানিজ মিউজিকে অনেক ইনফ্লুয়েন্সড।
-----------------------------------------------------------------------
আপনার ঠ্যাং আর ধনে পাতা যাদুঘরে রাখা হলো।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
বাসায় গিয়ে ডাউনলোড করবো। এখন লেখাটা পড়লাম। ভালো লেগেছে পড়তে। পুরা হিস্টুরিই হিস্টুরি! লেখক বলেছেন: :
কি কন? একটা সালেরও উল্লেখ নাই। হিস্টুরি কই পাইলেন? কি মিষ্টুরি!!
অন্যআনন বলেছেন:
মেগাডেথ এর জন্য আমরা সবসময়ই একটা ব্যাকুলতা কাজ করেছে। এখনো করে। হলিওয়ার বা টার্নোডো অফ সোলস এর মার্টি ফ্রিডম্যানের সলো আমাকে এখনো ভীষণ মুগ্ধ করে। তারপর টট লে মন্ড, এডিকটেড টু কেয়াস বা দিস ইস মাই লাইফ , কাউন্ট ডাউন টু এক্সটিংশন বা সুইটিং বুলেটস শুনলে মনে হয় বেঁচে আছি। বিলিভ মি।ফ্রিডম্যান চলে যাওয়ার পর ( ক্রিপটিংস রাইটিংস অ্যালবামের পর) গান শোনায় একটা ছেদ পরে। কিন্তু ফ্রিডম্যানের পর আসা লিড গিটারিস্ট ব্রডেরিখ অন্যরকম একটা আশা জাগিয়েছে মনে। আই হোপ, এন্ড গেম একটা দুর্দান্ত ও ঝড়ো এ্যালবাম হবে।
থ্যাংকস ফর দ্য পোস্ট। সা হো তে আমাদের মতো প্রগ্রেসিভ মিউজিক লিসেনারদের একটা জায়গা থাকা দরকার। নিয়মিত সক্রিয় থাকা দরকার।
লেখক বলেছেন: লিসেনার হিসেবে আমি নিজেকে প্রগ্রেসিভ মনে করিনা। অমনিভরাস বলতে পারেন। মার্টি ফ্রিম্যানের পরে অন্য একজন গিটারিস্ট কিছু দিন ছিলো । নামটা মনে মেই। এন্ড গেম কতটা ঝড়ো হলো এটা বলতে পারি না তবে ডেথ ম্যাগনেটিক এর চেয়ে ভালো লাগছে। কেন জানি মেটালিকা - মেগাডেথ কম্পারিজনটা ছোটবেলা থেকে মাথায় ঢুকে আছে।
ফয়সালরকস বলেছেন:
হ্যা মার্টি কতটা চেন্জ হয়েছে তা আমার চাইতে ভাল আর কে জানে! ওর গিটার ট্র্যাক, লাইফ ট্র্যাক সব আমার ট্র্যাকিং এ আছে। ও জাপানে সেটল করার পর আরও চেন্জ হয়ে গিয়েছে।
আগামী জানুয়ারীতে একটি পোষ্ট দেব...খেয়াল রাখবেন আশা করি!
আপনিও অনেক খানদানি শ্রোতা! আপনাকে তাহলে একটা লিংক উপহার দেয়া যাক। দয়া করে এটাকে যাদুঘরে রাখবেন না। আপনার মন্তব্য সাদরে গৃহীত হবে। চকচক করিলেই খানদানী হয় না এটা আমি বিশ্বাস করি। আসল কথা অন্তরে লালন করা!
Click This Link
লেখক বলেছেন: :
আপনি রেফার করার আগেই পড়া হয়ে গেছে।
ফয়সালরকস বলেছেন:
মন খারাপের ইমো!
আমিও প্রমান পেলাম...কমেন্ট করেছি ৬:২০ এ...আপনি করেছেন ৬:১৪ তে!
তবে আপনি আপনার খানদানিত্ব দৃঢভাবে প্রমান করলেন!
লেখক বলেছেন: :
হা হা হা.... ব্যাপারটা আসলে প্রমানে নয়। লালনে।
আমি কি ধরে নেবো মার্টি ফ্রিম্যানের ছবি ধারী লোকটা কি একজন গিটারিস্ট ব্লগার?
অন্যআনন বলেছেন:
কিন্তু মেগাডেথ তো প্রগ্রেসিভ রক। মার্টি ইজ মার্টি। মার্টি দ্য গ্রেট। মার্টির সলো ক্যারিয়ার প্রীতি অনেক শ্রোতার মতো আমাকেও কষ্ট দিয়েছে কিন্তু একটা জিনিস ভালো লেগেছে যে তার নিজস্বতা ও অাত্মানুসন্ধান। সিনস বা ট্রু অবশেসনসটা এখনো কানে বাজে। তাঁর বর্তমান জাপানোফাইল লাইফস্টাইল অন্যরকম একটা আত্মানুসন্ধান, অন্তত আমার কাছে সেটাই মনে হয়েছে। জন লেনন যেমনটি করেছেন , সেইরকম কিছু কিনা সেটা বলতে পারছিনা।তবে, জাপানে থাকা অবস্থায় তার এই বছরে রিলিজকৃত সলো এ্যালবাম "টকিও জুকবক্স" ক্যামন হয়েছে, শোনা হয় নি। শীঘ্রই শুনবো।
লেখক বলেছেন: :
মার্টি নাকি দাবি করে স্কেল বিষয়ে তার কোন গ্রামার নাই। অথচ পেন্টাটোনিকে এরকম হাত পাকা লোক নাই। বিচ্ছিন্ন ভাবে কিছু ট্র্যাক শুনছি। আয়োজন করে বসতে হবে।
ফয়সালরকস বলেছেন:
আমি উত্তেজিত, আবেগিত আর আপ্লুত...
খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসতে বেড়িয়ে মন চাইছে কিন্তু নিজেকে না হয় সংবরন করলাম!
আচ্ছা একটা জিনিস শেয়ার করি...
গান নিয়ে অনেক লেখা হয়...কিন্তু আমরা চাইলে গান নিয়ে কিছু একটা এই ব্লগে করতে পারি তাই না? কিন্তু কিছুই হয় না। এমনকি সংগীত বিষয়ক কোন লেখা ষ্টিকিও হয়না! তাহলেও তো অন্তত কিছু লোককে একটি প্লাটফরমে পাওয়া যেত।
(ছবিটা মার্টির না...এটা একটা ধাঁধাঁ...অনেকেই জিজ্ঞেস করে...বলি না! ছবিটা থাকুক তার মত কেমন?)
লেখক বলেছেন: :
পোস্ট দেওয়ার সময় একটা সমস্যা ফেইস করলাম। এখানে ইস্নিপ্সের উইজেট দেয়া যায় না। সংগীত বিষয়ক পোস্টের জন্য এটা একটা অপরিহার্য ব্যাপার।
আমিও কিন্তু কিছু একটা সংবরণ করলাম। ![]()
তাইলে কি স্যাট্রিয়ানি?
অন্যআনন বলেছেন:
@ যাওয়ার পর।@ ফয়সালরকস, "গান নিয়ে অনেক লেখা হয়...কিন্তু আমরা চাইলে গান নিয়ে কিছু একটা এই ব্লগে করতে পারি তাই না? কিন্তু কিছুই হয় না। এমনকি সংগীত বিষয়ক কোন লেখা ষ্টিকিও হয়না! তাহলেও তো অন্তত কিছু লোককে একটি প্লাটফরমে পাওয়া যেত।"
কিছু করতে চাই, অবশ্যই। কিন্তু প্ল্যান , প্ল্যান।
লেখক বলেছেন: :
দু'জন!!! এটা মেগাডেথে বলেই সম্ভব হইছে।
পোস্ট দেওয়ার সময় একটা সমস্যা ফেইস করলাম। এখানে ইস্নিপ্সের উইজেট দেয়া যায় না।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনি সংগীত সমালোচক হিসেবে অনেক উন্নতি করবেন।
+++
লেখক বলেছেন: প্রতিভা বিকাশে ব্যর্থ হলে মানুষ সমঝদার কিংবা সমালোচক হয়ে যায় - মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
উপভোগ্য পুরোটাই --
শুনতে হবে +++++++
লেখক বলেছেন: :
এলবামটা শুনছি গত মাস থেকে। আমি তো ক্রিটিক নই। এটাকে ঠিক রিভিউ বলা যায় কি? শেয়ারিং বলতে পারেন। পড়ার জন্যে থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: :
সেটাই। নতুন কিছু শুনলে আপনিও শেয়ার দিয়েন।
কাঙাল মামা বলেছেন:
কেনো জানি মেগাডেথ ভালো লাগে না, হয়তো বেছে বেছে খারাপ গানগুলা শুনা হইছিলো, তাই!! কিন্তু প্রথম আলোতে রিভিউ পড়ে ৯ তারিখ নামাইছিলাম....এন্ডগেম এখনও শুনতাছি, এতই ভালো লাগছে!! এখন আগের এলবামগুলা খুজতাছি.....
লেখক বলেছেন: :
সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন আশা করি। প্রথম আলোর রিভিউটা অবশ্য পড়া হয় নাই। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আমি ভাবতেই পারিনি ওরা আবার উঠে দাড়াবে!
১৯৯০ এর কথা....HANGER 18 দিয়ে সেই যে শুরু করেছিলাম...এরপর আর থামাথামি নেই!
মার্টি আমার আইডল! এলবামটির ব্যাপারে শুনেছিলাম...ভুলেও গিয়েছিলাম।
মনে করিয়ে দিলেন।
আপনার জন্য কিছু ঠ্যাং আর ধনে পাতা রাখা আছে...নিয়ে যাবেন মনে করে।