somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... উবুন্টুতে বিজয়ঃ জনাব জব্বার সাহেবের নতুন চুরি??
লেখাটি বিশাল বড় বলে, তাছাড়া বিভিন্ন রংয়ের ব্যবহারও আছে। তাই লেখাটি এখানে কপি পেস্ট করলাম না আর। এর চেয়ে মূল লেখাটিই পড়ে আসুন!

Click This Link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29278880 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29278880 2010-11-27 14:11:07
উবুন্টু ১০.০৪ রিভিউ। লুসিড লিঙ্কস বের হয়েছে প্রায় তিন দিন হয়ে গেল। এটা ব্যবহারের ইচ্ছা ছিল অনেক। তবে ব্যবহারের আগে এটার কিছু রিভিউ খুজছিলাম। খুজতে খুজতে পেয়ে গেলাম একটা রিভিউ । রিভিউটা পড়ে লুসিডকে ভালোই মনে হচ্ছে, আমি অলরেডি ডাউনলোড দিয়ে ফেলেছি।

আপনাদের কারো আর কোন রিভিউ আছে??]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29146975 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29146975 2010-05-02 16:21:46
জব্বার নতুন লেখা ছাড়তেসে!





লেখাগুলো দেখতে এইখানে ক্লিক করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29141921 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29141921 2010-04-25 15:46:06
"I have borne to allow you to write Bangla in a Computer"- মোস্তফা জব্বার
বড় করে দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

এর মানে কি দাঁড়ায়? এই লোক আমাদেরকে কম্পিউটারে বাংলা লেখার অনুমতি দিচ্ছে? সে অনুমতি না দিলে আমরা কম্পিউটারে বাংলা লিখতে পারবোনা? এই লোকের কি বিচার নাই নাকি? বাংলা ভাষা কি ওর বাপের নাকি?

যারা এখনো অভ্রের মেহেদি হাসানের ভাষা উন্মুক্ত হবেই লেখাটা পড়েননি তাদেরকে অনুরোধ রইল পড়ার জন্য। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29138813 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29138813 2010-04-21 00:32:55
উবুন্টু উপাখ্যানঃ মানুষের জন্য লিনাক্স! মূল লেখকঃ অভ্রনীল, আমাদের প্রযুক্তি । এই লেখাটির লাইসেন্স: by-nc-sa(Creative Commons)। মূল লেখা এইখানে ।)



শুরুর গল্পঃ

শুনতে অনেকটা রূপকথার মত শোনাবে। দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলো যখন পৃথিবীর মানুষদের তাদের হাতের মুঠোয় পুরে ফেলার চেষ্টা করা শুরু করল তখন এক আধপাগলা লোক একাই দাঁড়িয়ে গেলেন সেইসব কম্পানির বিপক্ষে। সফটওয়ার কম্পানিগুলো চাচ্ছিল সফটওয়ার লিখতে যেই কোডগুলো দরকার সেগুলোকে নিজের কাছে রাখবে, পৃথিবীর আর কেউ সেগুলো দেখতে পারবেনা। সেই কোড দিয়ে যে সফটওয়ারগুলো তৈরি হবে মানুষ কেবল সেগুলোই ব্যবহার করতে পারবে। কেউ যদি নিজের ইচ্ছেমত সেসব কোড পাল্টাতে চায় তাও সম্ভব না। কিন্তু ঐ আধপাগলা লোক এটা মেনে নিতে পারলেননা। তিনি বললেন সবকিছু হতে হবে ওপেনসোর্স, অর্থাৎ সবাই সব সোর্স কোড দেখতে পাবে, নাড়াচাড়া করতে পারবে, নিজের সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু তৈরি করবে। সোর্স কোড হচ্ছে একটা প্রোগ্রামের সেই কোড যার উপর পুরো সফটওয়ারটা দাড়িয়ে আছে। এই কোড যদি কেউ পায় তাহলে ইচ্ছা করলেই সে সেই প্রোগ্রামে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবে। আধপাগলা সেই লোকটার নাম রিচার্ড স্টলম্যান। দুর্ধর্ষ প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত স্টলম্যান একাই দাঁড়িয়ে গেলেন দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলোর রাজত্বের বিরুদ্ধে। ধীরে ধীরে তার সাথে আরো অনেকই যোগ দিলেন। তারা গড়ে তোলে নিজেদের মুক্ত রাজত্ব গ্নু (GNU)। কিন্তু গড়ে তুললেই তো আর হবেনা। সেই রাজত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য আর দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলোর বিপক্ষে শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য একটা অপারেটিং সিস্টেমের যে দরকার। কারন সেই সময়টায় দুষ্ট কম্পানিগুলোর অপারেটিং সিস্টেমে যে বাজার ভরে গেছে। সেই সময়ে গ্নু রাজ্যের পাশে এসে দাঁড়ায় লিনুস টরভাল্ডস নামে ভীনদেশী এক রাজপুত্র, সংগে নিয়ে আসে তার নতুন অস্ত্র "লিনাক্স"। আস্তে আস্তে ফ্রি ওপেনসোর্স সফটওয়ারের সম্রাজ্য গড়ে উঠতে থাকে লিনাক্সকে কেন্দ্র করে। সেই রাজ্যের শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠে লিনাক্স। কিন্তু সেই শক্তিশালী হাতিয়ারটার সমস্যা ছিল যে এটা একেবার সাধারন ব্যবহারকারিদের জন্য ছিলনা। সার্ভার বা সুপার কম্পিউটারের মত 'অতি' প্রফেশনাল কাজে ব্যবহার করা গেলেও ডেস্কটপ ইউজারদের জন্য এটা সেই অর্থে ব্যবহারবান্ধব ছিলনা। তাই কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় ইউজার এরিয়া যেই ডেস্কটপ তাতে লিনাক্স ছিল প্রায় অপরিচিত একটা শব্দ। এবার সেই সমস্যা মেটাতে আবির্ভাব হয় আরেকজন রাজপুত্রের, নাম তার মার্ক শাটলওর্থ। এই রাজপুত্র বিশ্বের দরবারে হাজির করে তার নতুন অস্ত্র "উবুন্টু"!


লিনাক্স? বাপরে বাপ!

একদশক আগেও লিনাক্সের নাম শুনলে চোখের সামনে ভেসে উঠত কম্পিউটারের সামনে মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি নিয়ে বসে থাকা এক লোকের ছবি যে কিনা মোটা চশমার ফাঁক দিয়ে কম্পিউটারের কালো স্ক্রিনে কঠিন কঠিন কোড খটাখট করে করে লিখে যাচ্ছে পরমানন্দে। জন্মের পর থেকেই লিনাক্স এই জাতীয় গিকদের সাথে এমনভাবে সেঁটে গেছে যে একে আলাদা করার চিন্তা কারো মাথায় আসেনি। তাই সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারি যারা কিনা নন-গিক তাদের কথা তেমনভাবে কখনোই চিন্তা করা হয়নি, ফলে ডেস্কটপের জন্য সাবলীল কোন লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তেমনভাবে আসেনি। পরবর্তী সময়ে ডেবিয়ান, ম্যানড্রিভা, স্ল্যাকওয়ার বা রেডহ্যাটের ফেডোরা ডেস্কটপের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম বানানো শুরু করলেও পুরোপুরি গ্রাফিকাল ইন্টারফেস না হওয়ায় সেগুলো সেভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি। ফলে লোকজনের মধ্যে লিনাক্স-ভীতি সবসময়ই কাজ করত। এই ভীতিটাই সাধারন মানুষকে লিনাক্স থেকে সবসময় একটা দেয়াল করে আড়াল করে রাখতো। সেই ভীতিকেই একেবারে দূর করার আশ্বাস দিয়ে আটঘাট বেধে হাজির হল এক পাগলা রাজপুত্র। আর কী আশ্চর্য! সেই রাজপুত্র সেই ভীতিকে বলতে গেলে দূরই করে ফেলল তার দুর্ধর্ষ অস্ত্র উবুন্টু দিয়ে। লিনাক্স জগতে উবুন্টুই হচ্ছে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শান দেয়া অস্ত্র যেটাকে সাধারন ব্যবহারকারিরা একেবারে আপন করে নিয়েছে। এবার তাহলে বলি সেই রাজপুত্রের কাহিনী।


পাগলা রাজপুত্রঃ

সার্জন বাবা আর স্কুল টিচার মায়ের ঘরে জন্ম নেয়া মার্ক শাটলওর্থ যখন ইউনিভার্সিটি অফ কেপটাউন থেকে ব্যবসায় ডিগ্রি পেলো তখনো সে জানতনা যে তার জন্য কি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে! পড়াশুনা করা অবস্থায় মার্ক কয়েকটি কম্পানিতে লিনাক্স সার্ভার ইনস্টল করে এবং সেই কম্পানিগুলোর ওয়েবসাইট দেখাশুনা করে কিছু রোজগার করত। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট চুকানোর পর ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসা তাকে বেশ নাড়া দেয়। ১৯৯৫ সালে শুরু করে নিজের কম্পানি "থট" (Thawte)। এটা ছিল একটা কন্সাল্টিং ফার্ম যেটা ইন্টারনেটে বিভিন্ন কম্পানির সিকিউরিটির জন্য ডিজিটাল সার্টিফিকেটের সাপোর্ট দিত। মাত্র ২৩ বছর বয়সে সে সেই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেটস্কেপের অফিসে যায় তার এই সার্টিফিকেট সাপোর্টকে ব্রাউজারের আওতায় আনার জন্য। নেটস্কেপ লুফে নেয় তার এই সার্টিফিকেটিং প্রোটকলগুলো। ফলস্বরূপ পরবর্তীতে মাইক্রোসফটও সেই সার্টিফিকেশন গ্রহন করে। বছর খানেকের মধ্যে যখন ইন্টারনেটের জোয়ার শুরু হল তখন বিভিন্ন কম্পানি মার্কের এই কম্পানির প্রতি উৎসাহী হয়ে উঠে। "ভেরিসাইন" নামে এক কম্পানি মার্কের কাছ থেকে কিনে নেয় "থট"কে। কত দামে বলুন দেখি? পাক্কা ৫৭৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার দিয়ে! মাত্র ২৬ বছর বয়সে মার্ক শাটলওয়ার্থ হয়ে গেলেন মিলিওনিয়ার!



ক্যানোনিকাল লিমিটেডঃ

আপনি আমি মিলিওনিয়ার হলে কি করব? নিশ্চয়ই কেমনে টাকা উড়াবো সেটার লিস্ট বানাতে বসবো! মার্ক ও বানাতে বসল। সেই লিস্টে একটা আইটেম যোগ করেই থেমে গেল, কারন আর কিছু যে মাথায় আসছেনা। অবশ্য যেই জিনিসটা লিস্টে যোগ করল মার্ক, সেটা অবশ্য আমি আপনি কখনোই পারবনা। তার লিস্টের একমাত্র আইটেম ছিল মহাকাশ ভ্রমন। সেজন্য রাশিয়ার স্পেস সেন্টারকে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাইভেট নভোচারী হিসেবে মহাকাশ থেকে ঘুরে আসেন। লিস্টের একমাত্র কাজ শেষ, এবার কি করবে মার্ক?

মহাকাশ অভিযানের পর মার্ক যে কাজ করল সেটা সেসময় সবাই বলেছিল স্রেফ পাগলামি। কারন মার্ক তার টাকা দিয়ে লিনাক্সকে ডেস্কটপের দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেবার জন্য ইংল্যান্ডে ক্যানোনিকাল নামে এক কম্পানি খুলে বসে। সেই সময় এটা কেবল হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই না। কারন অনেক কম্পানিই চেষ্টা করেছে ডেস্কটপের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে পারলেও সেটাকে সেই অর্থে জনপ্রিয় করে তুলতে পারেনি। এবার মার্কের পালা। ২০০৪ সালের ঘটনা এটা। মার্ক তার কম্পানিতে লোক নিয়োগের জন্য ডেবিয়ানের (আরেকটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম) ছয় মাসের মেইলিং লিস্টের আর্কাইভ সাথে নিয়ে এন্টার্টিকা বেড়াতে যায়। সেখান এক আইসব্রেকার জাহাজে বসে সেই লিস্ট থেকে বেছে বেছে সে উপযুক্ত লোক নির্বাচন করে। পরে তাদের নিয়ে ক্যানোনিকালের পক্ষ থেকে উবুন্টু নামে এক নতুন অপারেটিং সিস্টেম তৈরির কাজে নেমে যায়।

জন্ম নিলো উবুন্টুঃ

"নতুন ডেস্কটপ পিসির বাজারে সিংহভাগ শেয়ারই মাইক্রোসফটের। এটা একটা বাগ। এটাকে ফিক্স করার জন্যই উবুন্টুকে ডিজাইন করা হয়েছে।" এটাকে বলা হয় "বাগ নম্বর ওয়ান"। বাগ হচ্ছে কম্পিউটার সফটওয়ার বা প্রোগ্রামে যে কোন ত্রুটি। উবুন্টু নামে অপারেটিং সিস্টেমের যত ত্রুটি পাওয়া যাবে ব্যবহারকারীরা যাতে সেগুলো রিপোর্ট করতে পারে সেজন্য ক্যানোনিকাল একটি ওয়েবসাইট বানায় যার নাম "লাঞ্চপ্যাড"। এই সাইটে ব্যবহারকারিরা তাদের ব্যবহারের সময় পাওয়া উবুন্টুর বিভিন্ন ত্রুটিগুলো রিপোর্ট করে। সেখানে মার্ক প্রথম এই বাগটি রিপোর্ট করে যেটি ইতিহাসে বাগ নম্বর ওয়ান নামে খ্যাত।

"উবুন্টু" হল একটি দক্ষিন আফ্রিকান শব্দ, যার অর্থ হল "humanity to others" বা "সবার জন্যই মানবতা"। অপারেটিং সিস্টেম উবুন্টুর লক্ষ্য হচ্ছে মানুষ যাতে কম্পিউটারে বিনামূল্যে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে। শুধু তাইনা, ওপেন সোর্সের মন্ত্রে উজ্জীবিত উবুন্টুও বিশ্বাস করে যে কমপিউটার সফটওয়ার কারো কুক্ষিগত হতে পারেনা, সবাই স্বাধীনভাবে এটা ব্যবহার করার অধিকার রাখে। সেজন্য উবুন্টু ব্যবহার করতে কোন টাকা পয়সা দিতে হয়না এবং এই বিনেপয়সার উবুন্টু ব্যবহার করা পুরোপুরি বৈধ।

মুক্তি পেল উবুন্টু ৪.১০

২০০৪ সালে যখন উবুন্টু নিয়ে প্রথম কাজ শুরু হয়, তখন উবুন্টুর বা ক্যানোনিকালের কোন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ছিলনা। http://no-name-yet.com নামের ওয়েবসাইটেই তাই সব ধরনের কাজকর্ম করা হত। মজার ব্যাপার হল এই সাইট এড্রেসটি এখনো কাজ করে! উবুন্টু প্রজেক্ট শুরু হবার সময়ই স্বিদ্ধান্ত নেযা হয়েছিল যে অপারেটিং সিস্টেমটি প্রতি ছয় মাস পরপর আপডেট করা হবে। সেই হিসেবে প্রথম ভার্সন মুক্তি দেয়ার তারিখ ঠিক করা হয় ২০০৪ সালের অক্টোবরে। আর নাম ঠিক করা হয় উবুন্টু ৪.১০। উবুন্টুর ভার্সনগুলোর নামে মুক্তির সাল আর মুক্তির মাস দেয়া থাকে। যেমন উবুন্টু ৪.১০ ভার্সনে ৪ মানে হল ২০০৪ সাল আর ১০ মানে হল অক্টোবর মাস। কিন্তু যখন উবুন্টু ৪.১০ ডেভেলপমেন্টে ছিল তখন একে একটা কোড নামে ডাকা হত যার নাম ছিল "ওয়ারটি ওয়ারহগ" (Warty Warthog)। ওয়ারহগ হচ্ছে এক ধরনের বুনোশুকর আর ওয়ারটি হচ্ছে তার খসখসে চামড়া। পরে দেখা গেল আসল নামের চেয়ে কোডনেমই বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেল। তাই এরপর থেকে প্রতিবারই কোন না কোন প্রানীর নামের সাথে মিলিয়ে কোডনাম রাখা হত যার শেষের অংশে থাকে প্রানীটির নাম আর প্রথম অংশে থাকে বিশেষন।
শুরু হল ইতিহাসঃ

সবার সাফল্য আসে ধীরে ধীরে কিন্তু উবুন্টুর ক্ষেত্রে সেটা যেন খুব তাড়াতাড়ি ঘটে গেল। ব্যবহার সহজ, সাবলীল ডেস্কটপ, দেখতে সুন্দর ইত্যাদি কারনে মুক্তি পাবার দুই সপ্তাহের মাঝেই উবুন্টু মেইলিং লিস্টে হাজার তিনেকের উপর ম্যাসেজ চলে আসে। গড়ে উঠে উবুন্টু ব্যবহারকারিদের কমিউনিটি। এই কমিউনিটিই উবুন্টুর মূল শক্তি। এরাই উবুন্টুকে চালাচ্ছে, উবুন্টুর জন্য বিভিন্ন ডকুমেন্টেশন করছে, উবুন্টুর প্রচারনা চালাচ্ছে, কেউ উবুন্টু নিয়ে সমস্যায় পড়লে সেটাকে সমাধান করার জন্য সবাই ঝাপিয়ে পড়ছে - সবই করছে নিঃস্বার্থভাবে, সবাই যেন একটা বিশাল পরিবার। এই পরিবারের ব্যাপ্তি সারা পৃথিবী জুড়ে। আর দিনকেদিন এর ব্যাপ্তি বেড়েই চলেছে। লিনাক্স বেজড কোন অপারেটিং সিস্টেমের ইতিহাসের সবচেয়ে বিশাল কমিউনিটি হচ্ছে উবুন্টুর। শুধু তাইনা ডেস্কটপ ব্যবহারেও লিনাক্স বেজড অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় উবুন্টুর ব্যবহারকারিও অনেক বেশি।

উবুন্টুর সাফল্যের ইতিহাস এখানেই শেষ না। ডেল, এইচপি, আইবিএম এর মত বড় বড় কম্পিউটার নির্মাতা কম্পানি উবুন্টুকে বেছে নিয়েছে। গুগলের মত জায়ান্ট কম্পানিও ব্যবহার করে উবুন্টু । তাছাড়া ফ্রেঞ্চ পুলিশ, অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি, জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি বা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির আর্কিওলজি ডিপার্টমেন্টসহ অনেকেরই প্রথম পছন্দ এখন উবুন্টু। উইন্ডোজ আর ম্যাক ওএসের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দী হিসেবে উবুন্টু ইতিমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছে। ইন্টেলও উবুন্টুর সাথে কাজ করছে তাদের নতুন প্রসেসরের চিপ ডিজাইনিং এর জন্য। শুধু তাইনা, বিভিন্ন পত্রিকা বা খবরের চ্যানেলে এখন উবুন্টুর খবর বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করা হয়, উবুন্টুর একেকটা ভার্সন রিলিজ হয় আর মিডিয়াগুলো ঝাপিয়ে পড়ে সেটাকে কভার করতে, উইন্ডোজ আর ম্যাকের সাথে চলে সেই ভার্সনের তুলনা। জন্ম নেবার কয়েক বছরের মধ্যেই উবুন্টুর এই অবস্থা, সামনে তো আরো পথ বাকী!


শেষের কথাঃ

উবুন্টুর স্লোগান হচ্ছে "Linux for Human Beings" অর্থাৎ সহজ কথায় "সর্বসাধারনের জন্য লিনাক্স"। মানে গিকদের খটমটে জগৎ থেকে লিনাক্সকে সরিয়ে এনে সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারিদের জন্য সেটাকে উপযোগী করে তোলা। সুপার কম্পিউটার আর সার্ভারের দুনিয়াকে একচেটিয়া দখলে রাখার পর উবুন্টুর মাধ্যমে লিনাক্স ডেস্কটপের দুনিয়ায়ও প্রবেশ করল। বলা হয়ে থাকে যে যদি লিনাক্সের পতাকা বহন করার কেউ থাকে তবে সেটা উবুন্টুর আছে। ডেস্কটপ ইউজারদের ওপেনসোর্স ফ্রি সফটওয়ারের স্বাদ দেবার জন্য উবুন্টু ডেস্কটপকে এত সহজ করে দিয়েছে যে নিজে চেখে না দেখলে বিশ্বাস না করা কঠিন। কম্পিউটার নিয়ে যার তেমন কোন জ্ঞান নেই সেও বেশ সহজে উবুন্টু ব্যবহার করতে পারবে। আর উবুন্টু ইন্সটল করলেই অফিস থেকে শুরু করে অডিওভিডিও প্লেয়ারসহ প্রয়োজনীয় সব সফটওয়ার ইন্সটল হয়ে যায়। অর্থাৎ একজন ডেস্কটপ ইউজারের জন্য তার পিসি পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় কথা হল উবুন্টু ব্যবহারের জন্য কোন পয়সা খরচও করতে হয়না। সত্যিকারের স্বাধীনতা হয়তো একেই বলে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29071085 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29071085 2010-01-03 17:15:28
লিনাক্সের জন্য অভ্র ফোনেটিক!!
এই মুহুর্তে অভ্র ফোনেটিকের লিনাক্স ভার্সনটি বেটা পর্যায়ে আছে। সমস্যার কথাগুলো জানিয়ে পোস্ট করে ডেভলপারদের সাহায্য করার অনুরোধ রইল।

ইন্সটলেশন পদ্ধতি, মতামত ও বাগ রিপোর্টিংয়ের জন্য নিচের লিঙ্কে যাবার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29004088 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/29004088 2009-09-03 14:38:21
বারাক ওবামাঃ মাছি মারায় ওস্তাদ!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28966372 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28966372 2009-06-18 16:47:26
বিয়ের প্রস্তাবঃ ডিজনী স্টাইল
ইতোমধ্যেই এই ভিডিওটা ইন্টারনেটে বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আপনার যদি এইরকম কোন ইচ্ছা থাকে তাহলে একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন, ক্ষতি কোথায়!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28963405 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28963405 2009-06-11 22:43:09
বাংলাদেশের জুমলা সাইট হ্যাকড!!! http://joomla.org.bd হ্যাকড হয়ে গেছে। একটা ব্লগে এই খবরটা দেখে নিজে ঢুকতে গেলাম সাইটটিতে- আসলেই সাইটটা হ্যাকড হয়ে গেছে!

নিচের স্ক্রিনশটগুলো দেখুন।





ছবি গুলোর সোর্স


সাবধানবাণীঃ যারা কম্পিউটারের টেকনিক্যাল দিকে পারদর্শী নন, তাদের এইমুহুর্তে এইসাইটে না যাওয়াটাই ভালো। হয়তোবা এতে করে কিছু ‘ট্রোজান’ ভাইরাস, ‘ব্যাকডোর এক্সপ্লয়েট’ কিম্বা স্পাইওয়্যার আপনার কম্পিউটারে চলে আসার সম্ভাবনা থাকে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28954195 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28954195 2009-05-22 15:46:45
লিনাক্সগুরুকূলের নিকট খোলা পত্র
লেখাটির প্রাপ্তিস্থান/সুত্র দেখতে এইখানে ক্লিক করুন।

********************************************************************

শ্রদ্ধেয় লিনাক্স বোদ্ধা,

অনুগ্রহপূর্বক বয়ঃশ্রেণী অনুসারে আমার সম্ভাষন গ্রহন করিবেন। আশাকরি পরিবার পরিবর্গের সহিত একপ্রকার কুশলেই রহিয়াছেন।

চরম বিপদে পড়িয়া এই পত্রখানি লিখিতেছি। পুর্বেই বলিয়া রাখিতেছি আমার টেকি জ্ঞান অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ের। আমার গণকযন্ত্র সম্পর্কিত অজ্ঞানতাকে ক্ষমা সুন্দর চক্ষে দেখিবেন বলিয়া আশা করিতেছি। যদি কেহ পত্রখানির জবাব দেবার প্রয়োজন অনুভব করেন তবে তাহা দিতে কোন দ্বিধা করিবেননা।

পরসমাচার এই যে গত এক বৎসর ধরিয়া অভ্র নামক চাবির বাক্স (কীবোর্ডের বাংলা করিলে ইহাই দাঁড়ায়) ব্যবহার করিয়া আমার মত নাদান মানুষ (যাহারা বিজয় বা ঐ ধরনের লে-আউট রপ্ত করিতে অপারগ) বাংলা ভাষায় জালের জগতে মাতিয়া উঠিয়াছে। ইহাতে বাংলা ভাষার কতটুকু ক্ষতি সাধিত হইয়াছে তাহা সঠিকভাবে নিরূপন করা মুশকিল, তবে নাদান প্রজাতি যাহারা রোমান অক্ষরে বাংলা লিখিতে অভ্যস্ত ছিল তাহাদের যে অশেষ উপকার সাধিত হইয়াছে তাহা নিন্দুক জনেও অকপটে স্বীকার করিবে। সত্য বলিলে বলিতে হয়, অভ্র আছে বলিয়াই আমি গণকযন্ত্রে বাংলা লিখিতে পারিতেছি। অন্যথায় সমগ্র জীবন ভরিয়া আংরেজীতে লিখিতে হইত।

বর্তমানকালে এই নাদানের আরো উপরে আরোহন করিবার খায়েশ হইয়াছে। সেই খায়েশের বশবর্তী হইয়া ইদানিং লিনাক্স শিখিতে মনোনিবেশ করিয়াছি। সমস্যা আসিলো যখন বাংলায় লিখিতে গেলাম তখন। সমুদয় জীবন ভরিয়া অভ্রে অভ্যস্ত হইয়া আবিষ্কার করিলাম লিনাক্স বড়ই হৃদয়হীনা, ইনি অভ্র বলিয়া কোন কিছুকে চিনিতে পারেননা। অভ্রের প্রস্তুতকারকদের স্মরণাপন্ন হইলাম, তাহাদের ফোরামখানা চষিয়া ফেলিলাম। আমার মত আরো কিছু মূর্খ নাদান উক্ত ফোরামে অভ্রকে লিনাক্স যাহাতে চিনিতে পারে সেই বন্দোবস্ত করিবার আকূল আহবান জানাইয়াছেন। কিন্তু অভ্র স্রষ্টাগন আমাদের ন্যায় দরিদ্র জনগনের প্রতি মুখ তুলিয়া তাকায়না। ভাবগতিক দেখিয়া মনে হইতেছে তাহাদের লিনাক্সের জন্য অভ্রের কোন সংস্করন বাহির করিবার আদতেই শখ নাই। তবে কি আমাদের ন্যায় দরিদ্র, নিম্ন-টেকি-জ্ঞানসম্পন্ন নাদান প্রজাতিরা লিনাক্সের ভূবনে পা রাখিতে পারিবেনা? কেবল মাত্র বাংলা লিখিতে পারিবনা এই শংকায় লিনাক্স ধরিতে পারিতেছিনা।

বিজ্ঞজনেরা কহিবেন, কোন একটা ফিক্সড লেআউট শিখিয়া ফেলিলে বা প্রভাত ব্যবহার করিলেই তো ল্যাঠা চুকিয়া যায়! কিন্তু আমি এতই অধম যে অভ্রের লেআউট ছাড়া আর কোন কিছুই আত্মস্থ করিতে পারিবনা। ইহা শুধু আমার একার দশা নহে, বোধ করি হাজার হাজার দরিদ্র নাদানেরও একই দশা। অভ্র ব্যতীত লিনাক্সে আমরা সকলেই অচল অসাড়।

এমতাবস্থায় সকল লিনাক্সবোদ্ধাদের (বিশেষ করিয়া অভ্র প্রস্তুতকারকদের) নিকট আমার আকুল আবেদন আপনারা একটু চেষ্টা চরিত করিয়া মহামতী লিনাক্সের জন্য অভ্রের ন্যায় একই লেআউটসম্বলিত কোন সফটওয়্যার তৈয়ার করিতে পারিবেন? তাহলে এই নাদান দরিদ্র জাতি আপদিগকে চিরকাল শ্রদ্ধার সহিত স্মরণ করিবে।

পত্রে কোনও ত্রুটি বিচ্যুতি ঘটিলে তাহা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখিবার আকুল অনুরোধ করিব। জবাবের অপেক্ষায় রহিলাম।


ইতি

হত দরিদ্র, টেকিজ্ঞানহীন,অতিশয় অভাগা একজন নাদান অভ্র প্রেমিক।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28953278 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28953278 2009-05-20 15:26:47
এই লিস্টিটা তাদের জন্য যারা প্রথমবারের মত বিদেশ যাচ্ছেন... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
সেই লিস্টিটা সবার সাথে শেয়ার করলাম এখানে। আশাকরি উপকারে আসবে। কাজে না লাগলেও পড়ে দেখতে পারেন, কারন পুরো লেখাটাই বেশ মজাদার।<img src=" style="border:0;" /> পিডিএফ ফাইল কিভাবে আপ্লোড করে বুঝতে পারছিনা তাই অরিজিনাল লিঙ্কটাই নীচে দিয়ে দিলাম!

লিঙ্কটা এইখানে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28931521 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28931521 2009-03-31 01:31:34
বাংলার নৌকা!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28928556 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28928556 2009-03-24 00:10:04
প্রিয় কবিতাঃ গানের গুঁতো- সুকুমার রায়

গান জুড়েছেন গ্রীষ্মকালে ভীষ্মলোচন শর্মা—
আওয়াজখানা দিচ্ছে হানা দিল্লী থেকে বর্মা!
গাইছে ছেড়ে প্রাণের মায়া, গাইছে তেড়ে প্রাণপণ,
ছুটছে লোকে চারদিকেতে ঘুরছে মাথা ভন্‌‍ভন্।
মরছে কত জখম হয়ে করছে কত ছট্‌‍ফট্—
বলছে হেঁকে “প্রাণটা গেল, গানটা থামাও ঝট্‌‍পট্।”
বাঁধন‐ছেঁড়া মহিষ ঘোড়া পথের ধারে চিৎপাত;
ভীষ্মলোচন গাইছে তেড়ে নাইকো তাহে দৃক্‌‍পাত।
চার পা তুলি জন্তুগুলি পড়ছে বেগে মূর্ছায়,
লাঙ্গুল খাড়া পাগল পারা বলেছে রেগে “দূর ছাই!”

জলের প্রাণী অবাক মানি গভীর জলে চুপচাপ্,
গাছের বংশ হচ্ছে ধ্বংস পড়ছে দেদার ঝুপ্‌‍ঝাপ্।
শূন্য মাঝে ঘূর্ণা লেগে ডিগবাজি খায় পক্ষী,
সবাই হাঁকে, “আর না দাদা, গানটা থামাও লক্ষ্মী।”
গানের দাপে আকাশ কাঁপে দালান ফাটে বিল্‌‍কুল,
ভীষ্মলোচন গাইছে ভীষণ খোশমেজাজে দিল্ খুল্।
এক যে ছিল পাগলা ছাগল, এমনি সেটা ওস্তাদ,
গানের তালে শিং বাগিয়ে মারলে গুঁতো পশ্চাৎ।
আর কোথা যায় একটি কথায় গানের মাথায় ডাণ্ডা,
‘বাপ রে’ বলে ভীষ্মলোচন এক্কেবারে ঠাণ্ডা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28928182 http://www.somewhereinblog.net/blog/goba/28928182 2009-03-23 02:59:14