আমার প্রিয় পোস্ট

নর্দমার রাত, হিরন্ময় তাঁত

তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

শেয়ারঃ
0 48 0

"I am looking for the face I had
Before the world was made"
--Yeats.


সবাই নয়, কেউ কেউ নিজেকে খুঁজে ফেরে। খুঁজতে গিয়ে কেউ বিশ্বাসের প্রগাঢ় অন্ধকারে ডুবে থাকে, কেউ সংশয়ের আলোছায়ায় সত্যসন্ধান করে। সমৃদ্ধ করে সমূহজ্ঞানের জগতকে। আলোছায়ার পথই প্রকৃত পথ। এ পথেই পরিভ্রমণ করেছেন এমন একজন; তিনি আরজ আলী মাতুব্বর(১৯০০-১৯৮৫); আলো-আঁধারির পরিব্রাজক।


আরজ আলী দর্শনচিন্তা করেছেন। আর এ চর্চা তিনি করেছেন বছরের পর বছর। গভীর অন্তর্দৃষ্টি আর প্রগাঢ় বিশ্লেষণশক্তির সহযোগে জীবন ও জগতকে মূল্যায়নের চেষ্টাকেই এককভাবে দর্শন বলা যেতে পারে। ঐ অর্থে আরজ আলী কোন দার্শনিক নন। তিনি জ্ঞানের জন্যে জ্ঞান চর্চা শুরু করেন নি। তিনি গ্রামের একজন সাধারণ কৃষিজীবী মানুষ ছিলেন। নিজের জীবনের একটি দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় কুসংস্কারকে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নেন। তার লেখাতেই আমরা তা জানতে পারি এভাবে-- আমার প্রণীত বা সম্পাদিত আলোচ্য যাবতীয় পুস্তক-পুস্তিকাই হচ্ছে আমার মায়ের মৃত্যু দিনের বাঞ্ছিত দামামার অংশ বিশেষ। এছাড়া আমার অন্যান্য কৃতকর্মেও রয়েছে ঐ একই প্রেরণা। যার উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ।

প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা আরজ আলীর ছিলো না, কেবল নিজের চেষ্টাতেই তিনি শিক্ষিত হয়েছেন। এককচেষ্টায় যে একজন চিন্তাশীল লেখক এবং যুক্তিবাদী মানুষ হওয়া যায় তার এক অনন্য উদাহরণ তিনি সৃষ্টি করেছেন। তিনি সমস্ত জীবন গভীর মনোযোগের সাথে পড়াশোনা করেছেন। এবং ধর্মীয় গোড়ামিগুলি খুঁজে বের করেছেন। কেবল খুঁজে বের করেই ক্ষান্ত হন নি-- যুক্তি দিয়ে বাতিল করেছেন। তার রচিত গ্রন্থগুলি পাঠ করলে বোঝা যায় তিনি ধর্ম, দর্শন এবং বিজ্ঞান বিষয়ে ভালোই পড়াশোনা করেছেন এবং তার পড়াশোনাকে তিনি কুসংস্কার আর সবিশদ গোঁড়ামির বিপক্ষে কাজে লাগিয়েছেন।


আরজ আলীর সাথে সময়-সমাজ-ধর্ম-রাষ্ট্রের বিরোধ এবং তার নির্যাতন স্বীকার সক্রেটিসসহ নির্যাতিত সকল দার্শনিক ও বিজ্ঞানীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তার লেখাতেই দণ্ডের একাংশ এভাবে বর্ণিত--
‘সত্যের সন্ধান’ এর পাণ্ডুলিপিখানার বদৌলতে সে মামলায় আমি নিষ্কৃতি পেলাম বটে, কিন্তু মানসিক শাস্তি ভোগ করতে হলো বহুবছর। কেননা তৎকালীন পকিস্তান সরকারের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আমাকে নির্দেশ দিলেন যে সত্যের সন্ধান বইখানা আমি প্রকাশ করতে পারবো না এবং পারবো না কোনো সভাসমিতিতে বক্তৃতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্বমত প্রচার করতে। যদি এর একটি কাজও করি, তবে যে কোনো অজুহাতে আমাকে পুনর্বার ফৌজদারিতে সোপর্দ করা হবে। অগত্যা কলম-কালাম বন্ধ করে আমাকে বসে থাকতে হলো ঘরে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। এভাবে নষ্ট হয়ে গেলো আমার কর্মজীবনের অমূল্য ২০ টি বছর।

স্বাধীনতার পর আরজ আলীর লেখা ছাপা হয় এবং তিনি নতুন করে লেখালেখি শুরু করেন, মতবিনিময় করার সুযোগ পান।


আরজ আলী মাতুব্বরের দর্শন চিন্তা বিবৃত হয় মূলত তার সত্যের সন্ধান বইটিতে। এছাড়াও অনুমান, আমার জীবন দর্শন, সৃষ্টিরহস্য ইত্যদি বইতে তার দর্শন চর্চার প্রমাণ মেলে।

আরজ আলী নিজেকে মানবতাবাদী বলে দাবী করেছেন। তিনি বিশেষ কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অন্তর্ভূক্ত হতে অস্বীকার করেছেন। ফৌজদারি মামলার আসামি হিশেবে কাঠগড়ায় তার ধর্ম কী জনতে চাওয়া হলে তিনি অকপটে বলেন যে, তার ধর্ম হচ্ছে মানবধর্ম।
যদিও তিনি বলেছিলেন তার অভিযান শুধু ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে, ধর্মের বিরুদ্ধে নয়; যদিও তিনি চাইতেন প্রতিটি ধর্ম থাকে মিথ্যার আবর্জনা বর্জিত ও সত্যের উপর প্রতিষ্ঠত; যদিও বলেছেন কুসংস্কার ত্যাগ করার অর্থ ধর্মত্যাগ করা নয়। তবু তার যুক্তি তার উপস্থাপিত প্রশ্নগুলি ধর্মকে খারিজ করে বিজ্ঞানকেই প্রতিষ্ঠিত করেছে বারংবার। তিনি বুঝেছিলেন ধর্ম মানুষের হাতে তৈরি, অলৌকিক কোনো বিষয় নয়, ধর্মের দান অনস্বীকার্য কিন্তু ধর্ম শেষপর্যন্ত সবকিছুকে ধারণ করতে পারে না। তিনি বলেন,
সাধারণত আমারা যাহাকে ধর্ম বলি তাহা হইলো মানুষের কল্পিতধর্ম। যুগে যুগে মহাজ্ঞানীগণ এ বিশ্বসংসারের স্রষ্টা ঈশ্বরের প্রতি মানুষের কর্তব্য কী তাহা নির্ধারণ করিবার প্রয়াস পাইয়াছেন, স্রষ্টার প্রতি মানুষের কী কোনো কর্তব্য নাই? নিশ্চয় আছে- এরূপ চিন্তা করিয়া তাহারা ঈশ্বরের প্রতি মানুষের কর্তব্য কী তাহা নির্ধারণ করিয়া দিলেন। অধিকন্তু মানুষের সমাজ ও কর্মজীবনের গতিপথও দেখাইয়া দিলেন সেই মহাজ্ঞানীগণ। এরূপে মনীষী বা ধর্মগুরুদের মতবাদ হইলো ভিন্ন ভিন্ন।
একই সময়ে পাশাপাশি দুইটি সত্য চলতে পারে না। হয় ইমাম সাহেবের দেয়া পানিপড়া সত্য , না হয় ডাক্তারের ঔষধ। তার মানে-- হয় বিজ্ঞান সত্য, না হয় ধর্ম । দুটিসত্য কোনো দিনই একসাথে চলতে পারে না। বৈদ্যুতিক পাখার নিচে বসে ঝাড়ফুঁক করা নিতান্তই হাস্যকর। আরজ আলী প্রশ্ন তুলেছেন এভাবে--
জগতে এমন অনেক বিষয় আছে, যেসব বিষয়ে দর্শন বিজ্ঞান ও ধর্ম এক কথা বলে না । আবার ধর্ম জগতেও মতানৈক্যের অন্ত নাই। যেখানে একইকালে দুইটি মত সত্য হইতে পারে না, সেখানে শতাধিক ধর্মে প্রচলিত শাতাধিক মত সত্য হইবে কী রূপে? যদি বলা হয় যে, সত্য হইবে একটি; তখন প্রশ্ন হইবে কোনটি এবং কেনো? অর্থাৎ সত্য বিচারে মাপকাঠি(criterion of truth) কী? সত্যতা প্রমাণের উপায়(test of truth) কী এবং সত্যের রূপ(nature of truth) কী?

বস্তুজগত যে মায়া নয় তা আমাদের অস্তিত্বই প্রতিনিয়ত জানান দিচ্ছে। আমরা অস্তিত্বশীল। আরজ অলীর দর্শন চিন্তা এ কথাটিই স্মরণ করিয়ে দেয়। এ পর্যন্ত যাকিছু বিজ্ঞান-- তা প্রমাণিত সত্য। বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মকে খণ্ডন করা যায়। কিন্তু ধর্ম দিয়ে বিজ্ঞানকে বাতিল করতে যাওয়াটা হাস্যকর এবং নিতান্ত হঠকারিতা । আরজ আলীর মতে, মানুষের জীবনে এমন কোনো বিষয় নেই যে বিষয়ে বিজ্ঞানের অবদান নেই। বিজ্ঞানের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো সত্য উদঘাটন তথা মানবকল্যাণ। তার মতে, আমরা যে মতকে মানবতাবাদ (humanism) বলি তার মূলেও রয়েছে বস্তুবাদের সাথে ত্যাগ ও প্রেমের সংযোগ।
তার মতে, একদিন মানবজাতির অন্তর্জাতিক ধর্ম হবে মানবতাবাদ (humanism)। কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের বিপক্ষে এবং বিজ্ঞানের পক্ষে তার সকল কথার মূলে রয়েছে জ্ঞানচর্চা ও সত্যসন্ধানের অসীম প্রেরণা । তার এতোসব প্রগতিশীল মতামত দান , লেখালেখি ও কার্যকলাপের জন্য তিনি নাস্তিক বলেও খ্যাতি পেয়েছেন, সমাজিকভাবে নিগৃহীত হয়েছেন, মামলা ও হয়রানির স্বীকার হয়েছেন।

ধর্মীয় অধিবিদ্যা (metaphysics) কে বস্তুবিদ্যা (physics) দিয়ে ভেঙে নিজেকে গড়েছেন আরজ আলী। যতোসব ধর্মীয় কুসংস্কার, ধারনা, সজ্ঞা(Intuition) কে তিনি বাতিল করেছেন। দেখিয়েছেন বৈজ্ঞানিক কার্যকারণ। আকাশে মেঘ কেনো জমে, বৃষ্টি কেনো হয়, রাত-দিন কীভাবে সংঘটিত হয়, চন্দ্রগ্রহণ, সূর্যগ্রহণ কেনো হয়, জোয়ার-ভাঁটা এইসব ইত্যাদি বিষয়ের ধর্মীয় ব্যাখ্যা আর বৈজ্ঞানিককারণকে পাশাপাশি রেখে প্রশ্ন তুলেছেন।
আরজ আলী পুরাণ(myth)গুলিকে ভেঙে এর সমাধান দেয়ার প্রয়াস পেয়েছেন। এ সবের কার্যকারণ ব্যাখ্যা করার জন্যে তিনি অনেক তথ্য ও যুক্তি হিশেবে দেখিয়েছেন যিশুর পিতা কে, নূহের প্লাবন কেনো, নীলনদের জল কেনো শুকালো, মুসা সিনয়পাহাড়ে কী দেখেছিলেন-- গভীর প্রজ্ঞা আর যুক্তির মাধ্যমে এসব প্রশ্নের বস্তুগত ব্যাখ্যা নিয়ে আরজ আলী সমস্ত জীবন দিয়ে বস্তুবাদকেই প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।
আরজ আলী তার সত্যের সন্ধানে গ্রন্থে ঈশ্বর, আত্মা, ধর্ম, প্রকৃতি, পরকাল ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আর তার সেইসব প্রশ্ন পড়লেই বোঝা যায় প্রশ্নের মাধ্যেই উত্তরগুলি লুকিয়ে রেখে দিয়েছেন।

তার ঈশ্বরবিষয়ক প্রশ্নপর্বে ঈশ্বর যে মানুষের চিন্তা জগতেই সৃষ্টি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। কেবল একটা প্রশ্নের বিশ্লেষণ বের করলেই তা বেরিয়ে আসে। তিনি তার প্রশ্নটা উত্থাপন করেছেন এইভাবে-- আল্লাহতালা দেখেন, শোনেন, বলেন ইত্যাদি শুনিয়া সাধারণ মানুষের মনে সত্যিই প্রশ্ন জাগে তবে কি আল্লাহর চোখ, কান ও মুখ আছে। কেহ কেহ বলিয়া থাকেন যে আছে। তবে তাহা মানুষের মতো নাহে, কুদরতি। কিন্তু কুদরতি বলিতে কীরূপ বুঝায় তাহা তাহারা ব্যাখ্যা করেন না। আবার শোনা যায় যে খোদাতালা অন্যায় দেখিলে ক্রুদ্ধ হন, পাপীদের ঘৃণা করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে খুশি হন ও কোনো ক্ষেত্রে বেজার হন, তখন মানুষ ভাবে-- খোদার কী মানুষের মতোই মন আছে? বুঝিবার মতা মানুষের নাই। আবার যখন চিন্তা করা যায় যে, খোদাতালার জগত শাসন প্রণালী বহুলাংশে একজন সম্রাটের মতন কেনো এবং তাহার এতো আমলা কর্মচারীর বাহুল্য কেনো? উহার উত্তর পাওয়া যায় যে, সম্রাট হইলে তিনি অদ্বিতীয় সম্রাট, বাদশাহের বাদশা, ক্ষমতা তাহার অসীম। উত্তর যাহা পাওয়া গেলো তাহাতে অসাধারণ যাহাদের মনীষা তাঁহারা হয়তো বুঝিলেন, কিন্তু সাধারণ মানুষ ইহাতে কিছু বঝিতে পাইলো কী?
এ প্রশ্নমালা আমাদের মধ্যে ভাবনা তৈরি করে, এ প্রশ্নাবলি ব্যাখ্যা(interpretation) করতে গেলে বিস্ময়ে থ হয়ে যেতে হয়। হাজার বছরের ঐশী বিশ্বাসে যেনো মুহূর্তেই ধস নামে।
ঈশ্বর শোনেন, তার মানে ঈশ্বরের কান আছে। ঈশ্বর করেন, তার মানে ঈশ্বরের হাত আছে। ঈশ্বর দেখেন, তার মানে ঈশ্বরের চোখ আছে। ঈশ্বর বলেন, তার মানে ঈশ্বরের মুখ আছে। ঈশ্বর আসেন অথবা নামেন অথবা যান বা গমন করেন, উপস্থিত হন ইত্যাদি, তার মানে ঈশ্বরে পা কিংবা ডানা আছে। ঈশ্বর ভাবেন তার মানে ইশ্বরের মাথা বা মগজ অথাব স্নায়ু কেন্দ্র আছে। ঈশ্বর খুশি হন, সন্তুষ্ট হন, ভালোবাসেন, রাগ করেন, অভিশাপ দেন, ঘৃনা করেন, অহঙ্কার করতে পারেন, অপছন্দ করেন। তার মানে ঈশ্বরের অন্তকরণ বা মনও আছে। তাহলে কি দাঁড়ালো ফলাফন? সুপ্রিয় পাঠক অসুন সহজ একটা অংক কষে দেখা যাক ব্যাপারটা: কান+চোখ+হাত+পা+মুখ+মাথা+মন= মানুষ। এইখানে আরজ আলী আমাদের কাছে অথবা নিজের কাছেই প্রশ্ন তুলেছেন ঈশ্বর কী তবে মানুষ্যভাবাপন্ন? বলা হয়ে থাকে ঈশ্বর এক এবং স্বংয়সম্পূর্ণ। কিন্তু দেখা যায় এ কথাটার নিত্যতা নিশ্চিত নয়। সম্রাটের যেমন অনেক কর্মচারি যথা-- উজির, নাজির, প্রজা, পাইক, পেয়াদা থাকে ঈশ্বরেরও তেমন আছে। আছে দেবদূত, ফেরেস্তা, যমদূত এসব। মানুষের চোখে রাজা বাদশা বা সম্রাট যেমন শক্তির আকর ঈশ্বরকে ও মানুষ এক ও স্বয়ংসম্পূর্ন রূপে ওভাবেই ভেবেছে। মানুষ নিজেরদের নিয়ন্ত্রণের ভার অন্যের হাতে অর্পন করতে অভ্যস্ত। এইভাবে ভাবলে আরজ আলীর প্রশ্নের সমাধান মেলে, তার মানে ঈশ্বর অবশ্যই মনুষ্যভাবাপন্ন। ঈশ্বর নিরাকার বলেছে যারা তারাও মানুষ। আবার ঈশ্বরের আকার যারা দিয়েছে তারাও মানুষ। নিরাকার যারা বলেছে, তারা নাক-মুখ-কান-হাত-মাথা-পা-মন সম্পন্ন ঈশ্বকেই ভাবেন। আকারের পূজা যারা করে তারা ঈশ্বরের মনুষ্যমূর্তিই তৈরি করে।
আসুন, ব্যাপারটাকে আরেকটুখানি কচলিয়ে দেখা যাক। তিনটি প্রধান ধর্মমতে ঈশ্বর নিরাকার। কিন্তু পূর্বোক্ত বিচারে ঈশ্বর এক বিশেষ আকার নিয়ে আমাদের কল্পনায় হাজির হন। আর তা হলো মানুষের আকার। আমাদের মাথার ভিতরে ঈশ্বরকে আমরা নিজেদের মতো মানে স্ব-রূপে সৃষ্টি করেছি। যেহেতু আমরা এসব বস্তু জগতের প্রধানতম অংশ। যেহেতু চিন্তা হচ্ছে বস্তু সাপেক্ষ। তাই আমাদের নিজেদেরকে দেখে আমরা নিজেদের মনের মতো করে ঈশ্বরের রূপ দান করেছি এবং করি। কালের পরিবর্তনের ধারায় এসব ভাবনা পৃথিবীতে জ্ঞানী, মনীষী, দার্শনিক চিন্তাবিদদের মাথায় নানাভাবে এসেছে । এতদ অঞ্চলের চিন্তাজগতে এইসব ভাবনা আরজ আলী পুনর্বার নতুনরূপে প্রোথিত করেছেন তার দর্শন চিন্তার মধ্যদিয়ে। মূলত পিতৃতন্ত্র্রই নিজের সুবিধার্তে নিজের চেতনে অবচেতনে ঈশ্বরকে সৃষ্টি করেছে।
আরজ আলী মাতুব্বর আত্মা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আত্মা যে, অনিত্য, নিত্য কোনো বিষয়ে নয় তা তার প্রশ্নটার মধ্যেই নিহিত। তিনি জানতে চেয়েছেন এভাবে-- মানুষের পঞ্চইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে যে জ্ঞান হইতে পারিত, তাহা আর হয় না। যে অন্ধ, বধির, সে আলো বা শব্দে জ্ঞান পাইতে পারে না। অর্থাৎ ইন্দ্রিয়ের অভাবে জ্ঞানের অভা পরিলতি হয়। মৃত্যুতে মানুষের দেহ নষ্ট হয় এবং তৎসঙ্গে ইন্দ্রিয়গুলিও নষ্ট হয়। এখন প্রশ্ন এই যে, মৃত্যুর পরে শরীর ও ইন্দ্রিহ বিহীন আত্মার জ্ঞান থাকিবে কী? থাকিলে তাহা কী রূপে থাকিবে?
মানুষ মরে গেলে মানুষের দেহ পঁচে গলে মাটির সাথেই মিশে যায়, সাথে আত্মা-স্বপ্ন-আশা সমস্ত। ধর্মমতে আত্মা যে অবিনশ্বর, আরজ আলী তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছেন। আরজ আলী তার রচনায় ধর্মের অসঙ্গতি বিষয়েও প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন এভাবে ... ধর্ম বলিতেছে-- কর্ম করিয়া যাও, ফল অদৃষ্টে (তকদীরে) যাহা লিখিত আছে তাহা পাইবে। এক্ষেত্রে মানুষ কর্ম করিলো বটে, ফল রহিলো ভগবানের কাছে, ভাগ্যে লিপিতে নিবন্ধ। মানুষ জানিলো না যে, সে তাহার কাজের ফল পাইবে কিনা। কর্মফলে নিশ্চয়তা থাকিলে সন্ধিগ্ন মনেও কাজ করা চলে। যেহেতু তাহাতে মানুষ ভাবিতে পারিবে, হয়তো সে কাজের ফল পাইতেও পারে। কিন্তু ধর্ম বলে, কর্ম যা কিছুই করো না কেনো, ফল নির্ধারিত যাহা আছে তাহাই পাইবে। একটুও এদিক ওদিক হইবে না। তাহাই যদি হয়, অর্থাৎ কর্মের দ্বারা ভাগ্যলিপি পরিবর্তিত না হয়, তবে কর্ম করিয়া লাভ কী? বিশেষত মানুষের কৃতকর্মের ফলোৎপন্ন না হইয়া যদি ঈশ্বরের নির্ধারিত ফলের দ্বারা কর্মোৎপত্তি হয় তবে সৎ বা অসৎ কাজের জন্য মানুষ দায়ী হইবে কেনো?

ধর্মগ্রন্থ সমূহে পরস্পর বিরোধী আয়াতের কারণে ধর্মীয় এসব অসঙ্গতি পরিলতি হয়। প্রশ্ন জাগে যে গ্রন্থে পরস্পর বিরোধী কথা থাকে তা ঐশী কিংবা সত্য হয় কেমন করে। পবিত্র কোরানে এরকম পরস্পর বিরোধী কিছু আয়াতের কারণেই ইসলামী দার্শনিক ¯প্রদায়ের আভির্ভাব ঘটে। কাদেরিয়া, জাব্বারিয়া, মুতাযিলা, আশারিয়া প্রভৃতি দার্শনিক স¤প্রদায় ইসলাম ধর্মকে বিভিন্নভাবে সংশ্লেষণের(synthesis) পর উপস্থাপন করেছেন এবং এভাবে তারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করেন।
আরজ আলী তার প্রশ্নের মাধ্যমে মূলত এটাই বুঝাতে চেয়েছেন যে, ধর্ম, ঈশ্বর ইত্যকার বিষয় মানুষের মাথার মধ্যেই সৃষ্টি। তিনি বিবর্তন (evolution) কে দেখেছেন গভীরভাবে। তিনি বস্তুবাদের মাধ্যমেই সৃষ্টির রহস্যকে ভেদ করেছেন। তার প্রতিটি চিন্তাই বিজ্ঞানমনস্ক। তিনি কোনটার পরে কোনটাকে প্রাধান্য দিবেন-- সেটার চিন্তাকল্পে ঔচিত্যবোধ ও বিজ্ঞানকেই মাপকাঠি হিশেবে নিয়েছেন।

আরজ আলী মাতুব্বর সমাজ চিন্তাও করেছেন। আর একজন বস্তুবাদী বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ হিশেবে তার চিন্তা অবশ্যই সমাজতান্ত্রিক। তবে তিনি সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রেণিহীন সমাজকে অসম্ভব বলে মনে করেন। তিনি সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা বলতে কেবলই শোষণহীনসমাজের কথা বলেছেন। তার সমাজ সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারনা নিবন্ধে তিনি বলেছেন এভাবে,
... সমাজতন্ত্র চায় শোষনহীন সমাজ গঠন করতে, শ্রেণিহীন সমাজ নয়। সমাজকে মানবদেহের সাথে তুলনা করা চলে। চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, হস্ত, পদ, মস্তক ইত্যদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমন্বয়ে যেমন মানবদেহ গঠিত এবং তার প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রতঙ্গের সুক্ষ্ম বিকাশ ও কার্যকারিতার উপর যেমন সমাজ গঠিত এবং তাদের সুষ্ঠু বিকাশ ও কার্যকারিতার উপর সমাজ দেহের পুষ্টি ও ক্রমোন্নতি নির্ভরশীল। অঙ্গ প্রত্যঙ্গহীন মানবদেহ থাকা যেমন অসম্ভব, তেমন শ্রেণিহীন সমাজগঠন ও কল্পনার অতীত।
আরজ আলী সুগভীর পাঠ, সমাজ দর্শন ও দার্শনিক চিন্তার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, সমাজতন্ত্রই সমাজ গঠনের মূলমন্ত্র কিন্তু শ্রেণিহীনসমাজ আর শোষনহীন সমাজ এক কথা নয়।

আরজ আলী মাতুব্বর দার্শনিক ছিলেন না সত্যি। কিন্তু তার গভীর দর্শনিক চিন্তার মূল এবং একমাত্র ল্য ছিলো সমস্ত কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধবিশ্বাসের মূলে কুঠারাঘাত করে সত্যপ্রতিষ্ঠা করা। লালন ফকির ব্যক্তিগত জীবনে মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার আঘাতে প্রচলিত ধর্মমত সম্পর্কে নিলির্প্ত ও বিতৃষ্ণ হয়ে বাউলধর্মমতে নিজেকে দীতি করেন, কিন্তু আরজ আলী তা না করে ধর্মকে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সত্যের সন্ধান করেন। তিনি বলেন,
আধুনিককালের অধিকাংশ মানুষ চায় কুসংস্কার হইতে মুক্তি, চায় সত্যের সন্ধান। ধর্মরাজ্যের যত্রতত্র অল্পাধিক কুসংস্কার স্বাচ্ছন্দে বিহার করিতেছে। আবার সভ্য মানবসমাজে এমন কোনো মানুষ নাই, যিনি কোনো না কোনো ধর্মের আওতাভুক্ত নহেন।
এ জায়গায় আরজ আলী খানিকটা ভুল করেছেন; হিতোপদেশ বাদ দিলে ধর্মের মধ্যে আর যা থাকে তা আগাগোড়াই কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, গোঁড়ামি আর জনশ্রুতি (যার পৌররাণিক ও ঐতিহাসিক মূল্যটাই মূখ্য)। কিন্তু তিনি ভুল করেলেও সমস্ত কুসংস্কার আর গোঁড়ামির মূলে ঠিকই আঘাত করেছেন; অলৌকিকতাকে ভেঙে ধর্মকে করতে চেয়েছেন লৌকিক। আরজ আলীর দমর্শনচিন্তা লৌকিক(লোকজ অর্থে) হলেও সাধারণকে তার চিন্তা প্রভাবিত করতে পারে নি- কেবল বুদ্ধিজীবী মহলেই ঘুরে ঘুরে চমক সৃষ্টি করেছে। তার জীবনে কোনো দুঃখজনক ঘটনা না থাকেল তিনি আদৌ দর্শনচর্চা বা চিন্তা করতেন কিনা সন্দেহ; হয়তো মৃত্যু অবধি কৃষি কাজই করতেন। লালন ফকির তার গানে যেমন প্রশ্ন করেছেন আরজ আলীর এসব লৌকিকতার দর্শনও মধ্যবিত্ত ও ছিন্নমূল মানুষের দর্শন। তথাপি তার চেষ্টা ছিলো মধ্যযুগীয় দর্শন ও প্রাচ্যের ভাববাদী ভেজাল দর্শনের মর্মমূলে কঠিন আঘাত হেনে বাস্তববাদী দর্শনকে প্রতিষ্ঠা করা। অন্যভাবে বলতে গেলে বলা যায় তার দর্শন কাণ্ডজ্ঞানের দর্শন । তার গ্রন্থপাঠে মানুষের কাণ্ডজ্ঞানের দরজাগুলি খুলে যায়। মানুষ বুঝতে পারে, জানতে পারে আলো আর অন্ধকারেরর মধ্যকার বিভেদ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দর্শনচিন্তা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার লেখা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১২
অলস ছেলে বলেছেন: এত কষ্ট করে লিখেছেন, ভালোই।
কিন্তু শেষবিচারে তিনি একজন পরিশ্রমী কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিভ্রান্ত থেকে যাওয়া পরিব্রাজকই, নয় কি? তার রচনাসমগ্রগুলে পড়েছি, এবং খারাপ লেগেছে তাঁর জন্য, আল্লাহ যে বলেছেন, যাকে ইচ্ছা পথপ্রদর্শন করে আর যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন, এর প্রত্যক্ষ উদাহরণ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন:
আপনি যে এতো কষ্ট করে তার রচনাবলি এবং তার রচনা নিয়ে আমার এই অতি তুচ্ছ লেখা পড়েছেন সেই জন্যে অনেক শুকরিয়া।

"ইহদিনাস সিরাতুল মুস্তাকিন।" আমিন।

২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৩
অবলোকিতেশ্বর বলেছেন: সময়োচিত ও সিরিয়াস পোস্ট। ভালো লাগলো। এ ধরনের পোস্ট সংখ্যায় আরও বেশি চাই।
এ সময় সমাজের জন্য আরজ আলী মাতুব্বর বড় বেশি প্রয়োজন।
**মাতুব্বরের সত্যের সন্ধান বইটির পিডিএফ বা ই-বুক ফরমেট আমি পেতে চাই। লিংক চাই।

::বলেন বস কী করতে হবে?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: সম্ভবত পিডিএফ নাই। যাহোক খুঁজে পেলে অবশ্যই জানাবো। অনেক ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: প্রিয় লেখার তালিকায় যোগ করলাম!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @অলসছেলে
তাহলে আপনার মতে পৃথিবীর সকল অমুসলিম দার্শনিকই বিভ্রান্ত, তাই না? ;) ;)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: সবই আল্লাহর ইচ্ছা।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, কমরেড

৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২২
সত্যান্বেষী বলেছেন: আমার ভেতরে ধর্ম নামের অন্ধকারে যিনি প্রথম তীব্র আলোর টর্চ জ্বেলেছিলেন যে আলোয় বসে আমি প্রথম প্রশ্ন করতে শিখি প্রশ্নহীন এই আদিম পাথরকে তার নাম আরজ আলী মাতুব্বর।

নমি তব: হে মহামানব।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২২
হাসান মাহবুব বলেছেন: ভাবসিলাম, আরজ আলির জন্ম কোথায় কবে মারা গ্যাসে, কি টাইপের মুক্তমনা ছিলো, এইসবের টুকটাক বিবরণীর টিপিক্যাল পোস্ট হইব। কিন্তু পোস্টটা পৈড়া প্রিয়তে না নিয়া পারলামনা। গ্রেট জব ডান দোস্ত!

হাসনাত আবদুল হাই উনারে নিয়া একটা উপন্যাস লিখসে, পর্স? আমি আগামী বইমেলায় কিনুম।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন:
হ, পড়সি। একজন আরজ আলী।

দোস্ত! তোমারে ডরাইতেছিলাম, আবার আইসা না মাইনাস দিয়া যাও।

ধইন্যা।

৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৩
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আরজ আলী মাতুব্বরের রচনাবলী আছে।
পড়তে বসলে বিস্ময় লাগে।

সুন্দর পোষ্ট ।
শুভকামনা।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, সাজি। ভালো থাকুন অহর্নিশি

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, কমরেড

১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: চমৎকার। আমি ওনাকে একপলক দেখেছিলাম সৌভাগ্যবশত। ১৯৮৭ সালের মাঝামাঝি একদুপুরে। প্রয়াত মার্কসবাদী পন্ডিত আবদুল হালিম -এর বাড়ির বসার ঘরে ওনাকে একপলক দেখেছিলাম । দৃশ্যটি আমার প্রিয় স্মৃতির একটি ।
অনেক ধন্যবাদ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: আপনি আসলেই ভাগ্যবান, ইমন। অনেক শুভেচ্ছা।

১১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩০
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: পরে পড়বো। আরজ আলী নিয়ে দীর্ঘ লেখাটি লেখার জন্য আপনাকে ডাবল প্লাস।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, বস্।

১২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
বিন্দু উদ্ভিদ বলেছেন: সত্যের জয় হউক, কুসংস্কারের কলেরব বন্ধ করে মানুষ একত্রিত হউক শুধু সত্যের সন্ধানে,নিজে আলোকিত হউক, আলোকিত করুক সমাজকে। ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: সত্য সুন্দর

১৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন: এ সময় এবং সমাজের জন্য আরজ আলী মাতুব্বর বড় বেশি প্রয়োজন।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পোষ্টের জন্য।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও

১৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪১
অলস ছেলে বলেছেন: গুলে=গুলো

আপনাকেও ধন্যবাদ। আমীন। প্লাস দিছিলাম, ভুল বুঝেন না যেন আবার।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ,
ঠিক করছি।
ভুল বুঝবো কেনো? আমি মানুষের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করি।
শুভ কামনা।

১৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৫
প্রিয়সখা বলেছেন:
অনেক বড় মাপের মানুষ ছিলেন, শ্রদ্ধা করি।
সুন্দর পোষ্ট । সত্যিই সুন্দর পোষ্ট ।
ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য।

শুভকামনা।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, প্রিয়সখা।

১৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০
সবাক বলেছেন:
গুডজব

পোস্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আজ ঈদের কেনাকাটা কর্লাম (আরজ আলী মাতুব্বরের রচনা সমগ্র ১-৩)

ভালো থাকুন।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন মানে কী রে?

শপিং ভালাইছে।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: অক্ষরবিন্যাসের জন্যে ধইন্যা

১৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৪
ত্রিশোনকু বলেছেন: ইমন জুবায়ের : "১৯৮৭ সালের মাঝামাঝি একদুপুরে। প্রয়াত মার্কসবাদী পন্ডিত আবদুল হালিম -এর বাড়ির বসার ঘরে ওনাকে একপলক দেখেছিলাম । দৃশ্যটি আমার প্রিয় স্মৃতির একটি।"

নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২: "এ পথেই পরিভ্রমণ করেছেন এমন একজন; তিনি আরজ আলী মাতুব্বর(১৯০০-১৯৮৫); আলো-আঁধারির পরিব্রাজক।"


ওপরের কোন উক্তিটি সঠিক?

আরজ আলী নিজে ছিলেন বিভ্রান্ত, এখনও মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন প্রতি নিয়ত।

আপনার ব্লগেও তিনি আমাকে এইমাত্র বিভ্রান্ত করলেন।

কিছু কিছু মানুষের কি আশ্চর্য ক্ষমতা! অনেকটা বিধাতার কাছাকাছি। মরন তাঁদের স্পর্শ করেনা।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও বিভ্রান্ত করতে পেরেছেন তিনি! তাহলে তো বলতে হয় তার ক্ষমতা অসীম।

পাঠ করার জন্যে ধন্যবাদ।

১৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫
এম এস জুলহাস বলেছেন:
তাঁকে অধিকতর সম্মান প্রদর্শনার্থে লেখায় আরজ আলী মাতুব্বর এর পরিবর্তে "তার" এর স্থলে "তাঁর" লেখার অনুরোধ করছি।

তাঁর রচনাসমগ্রের সাথে পরিচিত প্রায় ১৩ বছর নাগাদ, কিন্তু এরকম ব্যখ্যা এই প্রথম। ভালো লাগলো।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: একটা চন্দ্রবিন্দু না থাকলেও জ্ঞানীরা স্বমহিমায় অধিষ্ঠ থাকেন। এইটা প্রকাশ করার জন্যে আমি ইচ্ছে করেই চন্দ্রবিন্দু ফেলে দিয়েছি।

পাঠ করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ জুলহাস।

১৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৮
স্বপ্নকথক বলেছেন: আমার পড়ুয়া জীবনে অন্যতম প্রভাব ফেলেছিলেন আরজ আলী।কষ্ট পেয়েছিলাম তাঁর মায়ের জানাজার কাহিনী পড়ে।তৎকালীন সময়ে তাঁর মতো বৈপ্লবিক ও বিশ্লেষনধর্মী লেখা অতি অবশ্যই আশ্চর্যজনক।]

অনেক কষ্ট করেছেন।ধন্যবাদ।

প্রিয়তে।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৮
সবাক বলেছেন: @ত্রিশোনকু

ইমন জুবায়েরের স্মৃতিচারনে হয়তো ভুল হতে পারে। আরজ আলীর মৃত্যু ১৯৮৫ সনেই। আপনার কমেন্টের শেষ লাইনগুলো দেইখা আমার প্রস্রাবের বেগ বাইড়া গেলো।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: এইখানে না।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: :)

২১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: @ত্রিশোনকু: ...মনে হচ্ছে ভুল আমারই হয়েছে। সময়টা তাহলে ১৯৮৫ সালের আগেই হবে। ধন্যবাদ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন:

২২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
ত্রিশোনকু বলেছেন: সবাক: "আপনার কমেন্টের শেষ লাইনগুলো দেইখা আমার প্রস্রাবের বেগ বাইড়া গেলো।"

বেড়ে বলেছেন। রক্তে শর্করার পরিমান বেশী থাকতে পারে। মধুমেহ হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

ইমন জুবায়ের: ধন্যবাদ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন:

২৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
অরণ্যচারী বলেছেন: আলমগীর কুমকুম বলেছেন: পরে পড়বো। আরজ আলী নিয়ে দীর্ঘ লেখাটি লেখার জন্য আপনাকে ডাবল প্লাস।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২০
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: "I am looking for the face I had
Before the world was made"
--Yeats.
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: I am looking for the face I had

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, গায়ত্রী দেবী।

২৬. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
পল্লী বাউল বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: এত কষ্ট করে লিখেছেন, ভালোই।
কিন্তু শেষবিচারে তিনি একজন পরিশ্রমী কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিভ্রান্ত থেকে যাওয়া পরিব্রাজকই, নয় কি? তার রচনাসমগ্রগুলে পড়েছি, এবং খারাপ লেগেছে তাঁর জন্য, আল্লাহ যে বলেছেন, যাকে ইচ্ছা পথপ্রদর্শন করে আর যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন, এর প্রত্যক্ষ উদাহরণ।

@ অলস ছেলে: ভাই, কে যে বিভ্রান্ত আর কে যে সঠিক
এ বিচার করবে কে?
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া

২৭. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০২
আহমাদ অব্দুল্লাহ বলেছেন:
"তাদের কাছে যখন সত্য এসে উপস্থিত হয়েছে তখন তারা তাকে মিথ্যারোপ করেছে। বস্তুত: অচিরেই তাদের কাছে ঐ বিষয়ের সংবাদ আসবে, যার সাথে তারা উপহাস করত"। (আনআম ৫)


"প্রত্যেকেই পথপানে চেয়ে আছে, সুতরাং তোমরাও পথপানে চেয়ে থাক। অদূর ভবিষ্যতে তোমরা জানতে পারবে কে সরল পথের পথিক এবং কে সঠিক পথ প্রাপ্ত হয়েছে"। (ত্বহা ১৩৫)
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন:

মুহতরাম,
আপনি বিসমিল্লাহ... লিখতে ভুলে গেছেন। পাককালামের যেকোনো আয়াত শুরুর আগে বিসমিল্লাহ করতে হয়। আল্লাহ আপনাকে হেদায়ত দান করুন। আমিন।

পাঠ করার জন্যে শুকরিয়া।

২৮. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৪
হোরাস্‌ বলেছেন: রচনা সমগ্র আমার কাছেও আছে। তবে আপনার লেখাটা পড়ে আবারও মুগ্ধ হলাম। ধন্যবাদ। +
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা।

২৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: আরজ আলী মাতুব্বর এর রচনাসমগ্র কি আপনার কাছে আছে?

কেমন থাকা হয় কবি!!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন:
না, নাই। ধার করে পড়েছি, কবি।

আপনার কেমন থাকা হয়?

৩০. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৪
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: আমার প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে লিখছো, সত্যিই আনন্দে আমার চোখে জল এসে গেল। তোমাকে সামনে পেলে পায়ে ধরে সালাম করবো।

বিষণ অবাক হলাম নির্ঝর-দা; তোমার মত বিড়ালও দেখি মাঝে মাঝে বাঘ হয়ে যেতে পারে!

এমন শক্তিশালী লেখা লিখছো মিঞা, পোস্টে লাল স্যলুট না দিয়া উপায় আছে।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩২

লেখক বলেছেন:

৩১. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৪
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
@চিটি (হামিদা আখতার)
আমার কাছে আছে, চাইলে লিন্ড দিতে পারি। আমার মনে হয় প্রত্যেক প্রগতিশীল পাঠকের আরজ আলী মাতুব্বরের রচনাসমগ্র পড়া উচিত। মাতুব্বরের রচনাসমগ্র একজন মানুষের দৃষ্টিকে তিক্ষ্ম ও তীব্র করার জন্য যথেষ্ট্য। যারা সত্যকে জানতে চান তাদের জন্য মাতুব্বর অবশ্যই পাঠ্য।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: লস এন্জেলেস এ পাঠাইতে অনুমান খরচ হবে পাঁচহাজার টাকা মতো।

৩২. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪১
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: পাঁচ হাজার টাকা... এ আর এমন কি। আমার কাছে আরজ আলী মাতুব্বরের সত্যের প্রদীপ, প্রতিটি অন্ধকার গলিতে পৌছে দেয়ার মূল্য অপরিমেয়।

সুইসাইড করতে ইচ্ছে করছে খুব; কী করি বলো-তো?
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন:
আত্মহত্যার সবচে সহজ উপায় হচ্ছে চল্লিশটা ঘুমের বড়ি খেয়ে দিঘি কিংবা পুকুরের জলে ঝাঁপিয়ে পড়া। ঘুমাতে ঘুমাতে ডুবিডুবি। এইরকম শান্তির মৃত্যু আর হয় না।
সো, গো অ্যাহেড।

৩৩. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৩
মনির হাসান বলেছেন: প্রশংসা ... ধন্যবাদ ... স্যালুটেশন ... কোন কিছুই আর নতুন করে দেয়ার নেই । সবাই আগেই করে বসে আছে ।

০৩. পর্যন্ত পড়ে বাকিটুক রেখে দিলাম .... পরে সময় নিয়ে পড়বো ।

এবং অবশ্যই প্রিয়তে ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, বস্। বাকিটা পড়ে যদি সম্ভব হয় একটু মতামত দিয়ে যাইয়েন।

৩৪. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯
কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার বিশ্লেষনী লিখা

আরো লিখবেন নাকি?
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন:
এটা বেশ কয়েকবছর আগের লেখা; দর্শনের একবন্ধুকে পরীক্ষার জন্যে লিখে দিয়েছিলাম।

দেখি হয়তো কখনো লিখবো।

অনেক শুভেচ্ছা, কাঁকন।

৩৫. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: শত হেত্বাভাসযুক্ত উত্তরের চেয়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন করা উত্তম।

তিনি প্রশ্ন করেছিলেন।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, তার প্রশ্নের মধ্যে উত্তর লুকানো ছিলো, কবি। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিকদের মতোই।

৩৬. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
হাসান মাহবুব বলেছেন: আমারে ডরাইছিলা যে মাইনাচ দিমু নাকি! ওহে দোস্ত, আমি ওদের মত না, আর তুমিও "ওদের" মত না। চ্রম ভুল বুঝছো। মনডা হাল্কা উদাস হৈলো।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬

লেখক বলেছেন:


চরি দোস্তো:( চরি।

তোমারে আমার একটা প্রিয় মুভির নাম কই: luna papa
দেইখা থাকলে আওয়াজ দিও। না দেখলে কাইলকাই দেইখা ফালাও।

৩৭. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
জাতি জানতে চায় বলেছেন: বড় পোস্ট!! বেচারা বুদ্ধিমান আর জেদি ছিলো!! কিন্তু কিছু ঘটনা উনার চিন্তাভাবনাকে একমুখি করে দিছিল, যা অনেক সময় স্ববিরোধীতায় নামাইয়া দিছে!!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫১

লেখক বলেছেন:
আপনি দেখি তার সম্পর্কে অনেক জানেন। আশা রাখি তার যুক্তি খণ্ডন করে একটা পোস্ট দিবেন। এবং তার স্ববিরোধিতা প্রমাণ করবেন।

শুকরিয়া।

৩৮. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩২
অদৃশ্য বলেছেন: ২..............লিখাটা সময়করে পরে পড়ে নেব



শুভকামনা......
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৩৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮
মমমম১২ বলেছেন: আমিও আপাতত গুছায়ে রাখছি
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৪০. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২০
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো পোস্ট।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা

৪১. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪০
সবাক বলেছেন:
দোস্ত... খবর কি?

কাইল প্রথম খন্ডের ৬০ পৃষ্ঠা পইড়া ঘুমাইতে গেছি।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: আল্লাহ তোর হায়াতদারাজ করুন। আমিন।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: কালিদাস কপি আমারে বিলাই কইছে।

৪২. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৬
আকাশ অম্বর বলেছেন: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: শত হেত্বাভাসযুক্ত উত্তরের চেয়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন করা উত্তম।

হ্যাঁ, তিনি প্রশ্ন করেছিলেন।

ধন্যবাদ পোষ্টটার জন্য।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, অম্বর

৪৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৭
৭১ বলেছেন: ।।।।।। শহুরে মধ্যবিত্ত্বের দার্শনিক।।।।।।

নো প্লাস নো মাইনাস।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: নিজের কথা কিছু থাকলে বলেন। পাঠ করার জন্যে শুকরিয়া

৪৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১০
সত্যান্বেষী বলেছেন: @৭১ বলেছেন: ।।।।।। শহুরে মধ্যবিত্ত্বের দার্শনিক।।।।।।

কথাটি সর্বপ্রথম বলেছিলেন আমাদের কালের বিভ্রান্ততম ভন্ড কবি এবং তথাকথিত দার্শনিক ফরহাদ মজহার। এই শিরোনামে তার একটি বইও আছে। সম্ভবত প্রগতিশীল মানুষের কাছে আরজ আলীর ভূমিধ্বস জনপ্রিয়তায় এই ভন্ড লোকটি দারুণভাবে হিংসাবিদ্ধ।

আরজ আলী সৎ মানুষ ছিলেন ফরহাদ মজহারের মতো একই সাথে নাস্তিক আবার জামাতের আশ্রয়পুরুষ নন। আরজ আলীর বিশ্বাস নির্মান হয়েছে খোলা চোখে অবারিত প্রকৃতিকে দেখে, তার ভেতরকার হাজারো মানুষ আর তাদের নানান অন্ধতার পেছনের খুঁটি খুঁজতে খুঁজতে। তিনি মৌলিক। বিভ্রান্ততম 'দার্শনিক' ফরহাদ মজহারের মতো জীর্ণ পুথির ভিতর দর্শনের সংজ্ঞা খুঁজায় তিনি ব্যস্ত ছিলেন না।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: পাঠ করার জন্যে ধন্যবাদ অনেক

৪৫. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
মেঘ_কম বলেছেন: অবলোকিতেশ্বর বলেছেন:
এ সময় সমাজের জন্য আরজ আলী মাতুব্বর বড় বেশি প্রয়োজন।

++
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: পাঠ করার জন্যে ধন্যবাদ অনেক

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: কমরেড

৪৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
'কালিদাস কপি'?
নির্ঝইরা, ঈশ্বরের সাথে বেয়াদবি করেছিস। অচিরেই তুই ধ্বংস হবি, অচিরেই তুই নিপাত যাবি।

ঈদের আগাম শুভেচ্ছা; পারলে আমাদের এদিকটায় একবার এসো। মুঠোফোনের সুইচ অফ থাকতে পারে, দরকার হলে ব্লগেই নক কইরো।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: গরীবের আবার ঈদ

৪৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: সুইসাইড আমার কপালে নাইরে; দশটা সিডাকসিন উদরে চালান দেয়ার পরও কি আশ্চর্যরকম ভাবে বেঁচে আছি...!
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: দশটাতে কাজ হবে না। আমার রেসিপি আশা রাখি কাজ দিবে। ট্রাই কিজিয়ে

৪৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
কার্ল মার্কস বলেছেন: প্রথমত কবি আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

মূর্খদের মূর্খতামির শিকার যারা মাতুব্বর তাদের একজন। প্রিয় মায়ের মৃত্যু নিয়ে ধর্ম'র দোহাই পেড়ে যারা তার ধার্মিক মাকে অপমান করলো তাদের কার্যকর মোকাবিলা করা যে কোন সন্তানের জন্য স্বাভাবিক হয়ে উঠে। মাতুব্বর তা সফল ভাবে করারর জন্য সচেষ্ট থেকেছেন। এটি জরুরী ছিল। অবাক হতে হয় তৎকালীন সময়েও তিনি লেখা পড়ার তথা জ্ঞান আহরনের প্রতি কি রুপ প্রেষিত ছিলেন ভেবে।

"আরজ আলীর সাথে সময়-সমাজ-ধর্ম-রাষ্ট্রের বিরোধ এবং তার নির্যাতন স্বীকার সক্রেটিসসহ নির্যাতিত সকল দার্শনিক ও বিজ্ঞানীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। " > ধর্ম ছাড়া অন্যকোন কারণে তার সাথে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিবাদ হয় নি। ধর্ম ই এখানে মূল "চালক"
তথা পিভোটাল পয়েন্ট।


আসলেই স্রষ্টা কি শুনেন, দেখেন জানেন, রহম দিল ?!
এগুলো হলে তো মানুষের তথা সৃষ্টির মতই তিনি।

ধর্ম বা বিজ্ঞান এদের ভিত্তি কি ? বিশ্বাস নয় ?
জ্ঞানতত্ত্ব কি বলে?

বিজ্ঞান কি ? সব শেষে এদের যে সংজ্ঞা দেন তারই সংজ্ঞা কি?

পরে আরো বলার আশা রাখি।
ভালো থাকুন কবি।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন:
মহাত্মা কার্ল মার্কস, আপনাকে জানি বলেই আপনার সাথে তর্কে যাবো না। আমি আর আপনার মতো দর্শনের ছাত্র নই। যদি মনে করি সব কিছু মায়া কিংবা যদি মনে করি সবি বাস্তব। তাতে কী আসে যায়?

সবি ভিত্তিহীন। সম্ভবত ইমাম ফারাবি, যেখানে কোনো হিশেব মিলে না সেখানে কিছু খুঁজেছিলেন।

ফি আমানিল্লাহ্। জয়তু প্রাচীন

৫০. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
প্রিয় হিসেবে প্রিয়তে (আমার অধিকাংশ প্রিয়পোস্ট প্রিয় নয়!!)
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৫১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৪
কার্ল মার্কস বলেছেন: তর্ক থাক, ডায়ালগ করি সত্য'র জন্য ।

দর্শন'র ছাত্র> এটা কোন বিষয় না।

ভালো থাকবেন।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন।

৫২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
সুবিদ্ বলেছেন: উনাকে খুব শ্রদ্ধা করি.....মাঝে মাঝে খুব খারাপ লাগে কেন এখনো হাসনাত আবদুল হাইয়ের বইটা পড়িনি.....

(আমি কিন্তু ১০০ভাগ আস্তিক)
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক

৫৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৪
আমি এবং আঁধার বলেছেন: অসাধারণ এবং প্রিয়তে।
আরজ আলী নিয়ে এই লেখাটিও খুব ভালো লেগেছিল-
[link|http://www.somewhereinblog.net/blog/ranadipam/28974598|সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু]
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: [link|http://www.somewhereinblog.net/blog/ranadipam/28974598 এই লিঙ্ক

অনেক শুভেচ্ছা।

৫৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২
চতুষ্কোণ বলেছেন: খুব অল্প বয়সেই আরজ আলীর বই হাতে এসেছিল। এরপর একে একে তার সমস্ত লেখাই পড়েছি এবং তার লেখা পড়ে বেশ প্রভাবিতই হয়েছিলাম।
সে সময় এই বিশ্বাস অবিশ্বাস এর ব্যপারে আমার বড় ভাইয়ের একটা কথা বেশ মনে ধরেছিল, তা হলো- দূর দিগন্তে তাকালে (যেখানে আকাশ ও মাটি একসাথে মিশেছে) আমাদের মনে হয় ওটাই বুঝি শেষ,তার পরে কিছু নেই। আসলে তা আমাদের দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা আর কিছুই নয়।

লেখাটা ভালো লাগলো।খুব গুছানো লেখা।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ মতামত দেয়ার জন্যে

১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা

৫৬. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সদ্য কৈশোরোর্ত্তীর্ণ এই আমাকে, আরজ আলী শিখিয়েছিলেন ধর্মব্যবসায়ীদের স্বরূপ। সে সময় হতেই তাঁকে আমি বিভ্রান্তির উপত্যকায় ঘুরে বেড়ানো এক পরিশ্রমী পড়ুয়া হিসেবেই জানি।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি, বস্?

শুভকামনা

৫৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫২
আমি আস্তিক বলেছেন: ভালো লাগলো...আপনার লেখার হাত ভালো..আরজ আলীকে নিয়ে আমার আগ্রহ অনেক...তার জীবনবোধ,তার দর্শন চিন্তা তার জীবনে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিকতার একটি বহি:প্রকাশের মত কখনো মনে হয়...তার আদর্শের সম্পূর্ণ ভিন্ন আদর্শ সম্পন্ন হওয়া সত্বেও তার লেখা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পাঠ করার জন্যে। আরজ আলী অভিমান থেকেই মূলত পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।

৫৮. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৩
কিষান বলেছেন: পড়ে অনেক ভালো লাগলো। প্লাসায়া শোকেসে ভরলাম
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক শুকরিয়া কিষান

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ক্লিক

৬০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯
বৈরী হাওয়া বলেছেন: আরজ আলী। বাংলাদেশের দর্শন চর্চার ক্ষেত্রে অন্যতম একটি নাম। নি:সন্ধেহে। এভাবে আমাদের আরো আরজ আলী প্রয়োজন।
২৯ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৬১. ১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৪
পান্থ বিহোস বলেছেন: আরজ আলী মাতুব্বরের সৃষ্টি রহস্য পড়ে মনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিলো। তারপর তার অন্যান্য লেখা পড়ি। এবং মোহিত হই। এখনও পড়ি এবং নতুন করে মোহিত হই।

বেশ কয়েক বছর আগে ব্লগার রণদীপম বসুকে অনুরোধ করায় আরজ আলী মাতুব্বরকে নিয়ে তিনি একটি লেখা আমাকে উপহার দিয়েছিলেন। লেখাটি পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম অনেক। কিন্তু যে জন্য লেখাটি নিয়েছিলাম সে উদ্দোশ্য আজও সফল হয়নি। আমার সেই লিটলম্যাগটি (মৈথুন) আজও আলোর মুখ দেখেনি।

আপনার লেখাটি পড়ে মৈথুনের কথা আবার নতুন করে মাথায় জেগে উঠলো। দেখি মৈথুনকে আবারও সাজানো যায় কিনা... যদি যায় তাহলে আপনার এই লেখাটি অগ্রিম চেয়ে রাখলাম। আশা করি মৈথুনের পাঠকদের জন্য এই লেখাটি দেবেন...
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই বস্। ধন্যবাদ।

০১ লা জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: শুভরাত্রি

৬৩. ২৭ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩
কাকপাখি ২ বলেছেন: মানুষের পঞ্চইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে যে জ্ঞান হইতে পারিত, তাহা আর হয় না। যে অন্ধ, বধির, সে আলো বা শব্দে জ্ঞান পাইতে পারে না। অর্থাৎ ইন্দ্রিয়ের অভাবে জ্ঞানের অভা পরিলতি হয়। মৃত্যুতে মানুষের দেহ নষ্ট হয় এবং তৎসঙ্গে ইন্দ্রিয়গুলিও নষ্ট হয়। এখন প্রশ্ন এই যে, মৃত্যুর পরে শরীর ও ইন্দ্রিহ বিহীন আত্মার জ্ঞান থাকিবে কী? থাকিলে তাহা কী রূপে থাকিবে?
--------------------------------------------------------------------------------------------
আরজ আলি প্রশ্নটা একটু অন্যভাবে করলেই নাস্তিকতার অসারত্ব বুঝতে পারতেন।

নিচের লিংক দেখুন:

Click This Link
০১ লা জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: আপনি বুদ্ধিমান প্রমাণিত হলো।
শুভরাত্রি

২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল

৬৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫০
প্রভাষক বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম...
২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল

৬৬. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
শিব সত বলেছেন: অ সা ধা র ন
২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল

৬৭. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
জাকির সজিব বলেছেন: খুবই সুনদর প্রকাশনা।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল

২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল

৬৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:১৯
নার্ডী বয় বলেছেন: চমৎকার একটা কাজ করলেন,আরজ আলী মাতুব্বরকে নিয়ে এরকম তথবহুল একটা পোস্টের প্রয়োজন ছিলো।অনেক ধন্যবাদ সেজন্য
আরেকটা কাজ করতে পারলে সবচে ভালো হতো তাঁর তিনটি রচনাসমগ্রকে যদি পিডিএফ আকারে নেটে ছড়িয়ে দেয়া যেতো তাহলে অসংখ্য লোক তাঁর লেখা পড়তে পারতো।আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি আরজআলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১-৩ প্রত্যেক জ্ঞানপিপাসু পাঠকের সংগ্রহে থাকা উচিত।কিন্তু সমস্যা হলো আজিজ মার্কেট ছাড়া আর কোথাও সম্ভবত পাওয়া যায় না,ফলে ঢাকার বাইরে যারা থাকে তাদের জন্য সনহগ্রহ করাটা অনেকটাই কঠিন।আর এগুলোর কথা খুব কম মানুষই জানে।এজন্য আমি অনেক আগেই ভেবেছিলাম অনলাইনে প্রকাশ করবো,কিন্তু সময়ের অভাবে এবং কপিরাইট লংঘন হবে বলে আগাইনি।কিন্তু মাসখানেক আগে ভাবলাম টাইপ করা শুরু করি,সামান্য এগিয়েছি ও।আরজ আলী সাহেবতো আর টাকার জন্য বই লিখেননি আর পাঠক সমাবেশ ও শুধুমাত্র ব্যাবসায়িক স্বার্থের জন্য বইগুলো প্রকাশ করেনি তাইনা?

এব্যাপারে আপনার মতামত কি? সহযোগিতা করতে পারবেন?

আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম


আত্মহত্যার সবচে সহজ উপায় হচ্ছে চল্লিশটা ঘুমের বড়ি খেয়ে দিঘি কিংবা পুকুরের জলে ঝাঁপিয়ে পড়া। ঘুমাতে ঘুমাতে ডুবিডুবি। এইরকম শান্তির মৃত্যু আর হয় না। সো, গো অ্যাহেড।

কখনো ট্রাই করেছেন নাকি,এইপন্থাটা হলো সবচে অকার্যকর পন্থা আর এরচে কষ্টের মৃত্যু মনে হয় আর কিছু নাই।
৭০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৩
রুমানবিডি বলেছেন: "I am looking for the face I had
Before the world was made"
--Yeats.
৭১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:১৯
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: প্রথম মন্তব্যটি থেকে জানলাম যে মানুষকে বিভ্রান্ত করাটাও আল্লাহ কাজ। তার মানে হল পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ যদি বিভ্রান্ত হয়ে থাকে তার দায় আল্লাহর।
৭২. ১৪ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:০৯
মেয়র বলেছেন: লেখক কে অনুরোধ করছি যদি আপনার কাছে পিডিএফ এ আরজ আলী লেখা কোন বই থাকে শেয়ার করবেন প্লীজ ? উনার লেখা বই কোথায় পাওয়া যাবে ? দেশের বাইরে থেকে কি কোন উপায়ে সংগ্রহ করা সম্ভব ?

 

মোট সময় লেগেছে ২.৪৯২৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
i am looking for the face i had
before the world was made.
-yeats.
© নির্ঝর নৈঃশব্দ্য...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ