তোমার দেহও কতদূর বলো বৈরী?
চলো,উড়ে যাই সপ্তম কোন গিয়ারে
মাথার উপর হলদেটে চাঁদ তৈরী।
ষ্টীট ল্যাম্পের ফ্যাকাশে আলোয় ঝলমলে কালো-ক্রীস্টাল রাস্তা
অতিজাগতিক নখ্রায় অফুরন্ত,
স্পিডমিটারের কাঁটা ছোঁয় আশি.....নব্বই.....
যেন মৃগয়ায় ধাবমান দুষ্মন্ত।
আরো জোড়ে চলো;আজ রাত্রির ঠিকানা
হাওয়ার টানে টলোমলো গণ্ডোলা,
পূর্ণিমার রাতে হারেমের কোন দ্বারে
খোজার কন্ঠে নিষিদ্ধ হরবোলা।
ডেকে ওঠে,যদি সাড়া দেয় তাতে আর কেউ
এমন কেউ যে বয়স ছোঁয়নি কুড়ি,
তবে সার্টিনের পর্দার গায়ে ওড়না
মিলন পোহালে পিঠে বসে যায় ছুরি।
চলো,আরো জোরে,দেখো যদি ড্যাশবোর্ডে
ফাঁকা গবলেট কাঁপে তির্ তির্,তবে
ফুয়েল ট্যাঙ্কে অফুরান ক্যানিয়াক,
সাইফন স্ট্র-এ-ঠোট ছোঁয়ালেই হবে।
মিং-ক্রোকারিতে তুমি তুলে দিও লবস্টার
সন্তপর্ণে আমি ঐ দুটো কালো আঙ্গুর তোমার দু-বৃন্ত থেকে নিয়ে
জিভে রাখি- শোনো,এখানেই রাখা ভালো।
আর কিছু নেই,আমি-তুমি-গাড়ি মিলিয়ে তেরজা-রিমা....
দাঁড়াও পাঠক,এই তোমার অনুসরনের সীমা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


