আমার নির্বাচনী ওয়াদাসমূহ:
১.আমি নির্বাচিত হলে বাংলাদেশে কে সকল প্রকার কলায় স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ হিসাবে গড়ে তোলা হবে
২.এ দেশের মানুষ আর কোন প্রকার কলার অভাবে হা-হুতাশ করতে হবে না।
৩. বনায়ন প্রকল্পের অধীনে দেশের প্রতিটি অলি-গলি,রাজপথে কলাগাছ লাগানো হবে
৪. বঙ্গভবনকে কলাবাগানে স্থানান্তর করা হবে
৫. প্রতিটি পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকাদের সুবিধার্থে কলাগাছ লাগানো হবে যাতে তারা কলাগাছের আড়ালে অভিভাবকদের কলা দেখিয়ে নিরাপদে তাদের প্রেমলীলা চালিয়ে যেতে পারে।
৬. শহরের প্রতিটি লেকে ঘুরে বেড়ানোর সুবিধার্থে প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য কলার ভেলার ব্যবস্থা করা হবে।
৭.ভাতের উপর চাপ কমাতে কলা কে প্রধান খাদ্য হিসেবে দেশের মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য করে তোলা হবে।
৮.অবিবাহিত পুরুষদে কে বউয়ের বিকল্প হিসেবে কলাগাছ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।
৯.বেকার সমস্যা সমাধানে প্রতিটি পরিবার কে একটি করে কলাগাছ দেওয়া হবে যাতে কলা বিক্রী করে স্বাবলম্বী হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে
১০.রাজাকারদের মুখে ছোড়ার জন্য পঁচা কলা এবং পশ্চাৎদশে ঢুকানোর জন্য কলাগাছের গোড়া বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।
১১.ভোটারদের বিভিন্ন ওয়াদা পূরনের ছলাকলা দেখিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়ে অন্য সকল নেতাদের মতো আপনাদের কে কলা দেখাবো না।
কলা বিষয়ক নতুন মন্ত্রণালয় খুলব।
১২.রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অতিথিদের কলা ভর্তা,কলার রোস্ট, কলার সরবত, কলার বার-বি-কিউ, কলার রেজালা ও কলার সরবত খাওয়াব।
১৩.দেশে সব কিছুর জুস পাওয়া গেলেও, কলারটা পাওয়া যায় না। নতুন কলা ড্রিংক বাজারে ছাড়া হবে। নাম দেয়া হবে: "গুলাবীর ইস্পিশাল কলা সরবত"
১৪. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কলা ভবনের ছাদে নিয়মিত কলা খাওয়ার আসর বসনো হবে।
১৫.বিদেশ থেকে এমন উন্নত জাতের কলাগাছ আমদানি করব যে একবার গাছ লাগালে তা ৫০ বছর কলা দিবে।
১৬.মোস্ট ইম্পরটেন্ট: কাঁঠালকে সরিয়ে কলাকে জাতীয় ফল বানাবে। কারণ, কাঁঠাল হল দুধের মাছি। সে খালি গরমের সময় থাকে, শীতকলে সে সৌদি চলে যায় মনে হয়। অথচ, কলা নিঃস্বার্থভাবে সার বছর আমাদের পাশে থাকে।
তাই আপনারা সকলে.................
অধ্যাপক গোলাবীর সালাম নিন
কলা মার্কায় ভোট দিন
কৃতজ্ঞতা স্বীকার :
নুশেরা আপু
অরণ্য আনাম
মেঘলা মানুষ
ছবি কৃতজ্ঞতা:
প্রলয় হাসান
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


