somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

WHY SO SERIOUS!

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"WHY SO SERIOUS!" ব্যাটম্যান সিনেমার এই ডায়লগটা খুব পছন্দ হইছিলো।চারপাশের বাংলা পাঁচের মতো সিরিয়াস মুখ করে রাখা মানুষগুলিকে দেখলে মাঝে মাঝে এই ডায়লগটা খুব বলতে ইচ্ছা করে।যেদিকেই যাই দেখি সবাই কেমন যেন সিরিয়াস ভাব নিয়ে থাকে।সকালে ঘুম থেকে উঠলে দেখি মা সিরিয়াস মুখব্যাদান করে টেবিলে নাস্তা সাজাইতেছে,বাবাও সিরিয়াস মুখে পেপার পড়তে পড়তে আটার রুটি ভাজি সহকারে মুখে পুরতেছে,ছোটভাই সিরিয়াস মুখে কাধেঁ ব্যাগ ঝুলিয়ে ভার্সিটিতে যাবার প্রস্তুতি নিতেছে আর মোবাইলে বান্ধবীর সাথে সিরিয়াস তর্ক করতেছে।গোল গোল পেট ফোলা রুটিও দেখি ড্যাবড্যাব চোখে তাকায়া বলতেছে, 'গরম থাকতে থাকতে আমাকে মুখে পুরো'। রুটির সিরিয়াস চোখ রাঙ্গানি উপেক্ষা করে পটাপট কয়েকটা পেটের ভিতর চালান করে ব্যাগ হাতে অফিসে রওনা হওয়ার সময় দেখি রাস্তার পাগলটা সিরিয়াস মুখভঙ্গী করে ট্রাফিক কন্ট্রোল করতেছে আর তারপাশে ট্রাফিক পুলিশ পান চাবাঁতে চাবাঁতে সিরিয়াস মুখে বসে আছে।রাস্তা থেকে মুখ ফিরিয়ে গাড়ির ড্রাইভারের দিকে তাকিয়ে দেখি সেও সিরিয়াস ভাব নিয়ে গাড়ি চালায়তেছে একটু পরপর আমার দিকে ফিরে ফিরি তাকায়তেছে।কি সমস্যা জিজ্ঞেস করলে আরও সিরিয়াস মুখভঙ্গী করে কিছুই হয় নাই বলে গাড়ি চালনায় মনোযোগ দেয়।অফিসে নেমে লিফটের সামনে দাড়াতেই দেখি লিফটম্যান সিরিয়াস মুখে সালাম দিয়ে ততোধিক সিরিয়াস ভাবে লিফটের বোতামে চাপ দেয়।অফিসে ঢুকতে না ঢুকতে স্টাফদের সিরিয়াস মুখে ফাইল দেখা তাদের উপর দৃষ্টি পড়া মাত্র আরও সিরিয়াস ভাবে ফাইল দেখা শুরু করা পারলে ফাইলের ভিতর ঢুকে যায়।নিজের রুমে ঢুকামাত্র পি.এর ফাইল নিয়ে সিরিয়াস মুখব্যাদান করে ঢুকা ততোধিক সিরিয়াস মুখে দিনের কার্যবলী জানিয়ে দেওয়া.....সবকিছুতেই কেমন সিরিয়াসভাব...........সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে দেখি বাবা,মা অনাগত ভবিষ্যত নিয়ে সিরিয়াস আলোচনায় মত্ত,ছোট ভাইও ভার্সিটি শেষে বাসায় ফিরে এক্সবক্সে নতুন গেম খেলায় সিরিয়াস ব্যস্ত।রাতে সবাই সিরিয়াস ভাবে খাওয়াদাওয়া শেষে ঐ একইরকম সিরিয়াসমুখভঙ্গী করে ঘুমাতে যাওয়া দেখে আমার দিন শেষ হয়..

যে দিকেই তাকাই সবাই সিরিয়াস।কেউ লেখাপড়া নিয়ে সিরিয়াস,কেউ সংসার নিয়ে সিরিয়াস,কেউ প্রেম করা নিয়ে দারুন সিরিয়াস,কেউবা ছ্যাকা খেয়ে সিরিয়াস,আবার কেউ প্রেম করতে না পারার কারণসমূহ খুজঁতে সিরিয়াস।দুনিয়ায় আমিই শুধু সিরিয়াস হতে পারলাম না।ছোট থেকেই সবকিছু নিয়ে হাসিঠাট্টা করা আমার স্বভাব।সবকিছুতেই হাসিঠাট্টার কিছু না কিছু কারব খুঁজে পাই।একবার রাস্তা দিয়ে হাটতে হাটতে কলার খোসায় পা পিছলে পড়ে গিয়ে হাসতে শুরু করে দিছি।বন্ধুরা রেগে গিয়ে বললো,"গাধা এতে হাসির কি হলো?"আমার জবাব ছিলো,পিছলে পড়ে যাবার সময় চোঁওওওত করে একটা শব্দ হইছে,বাংলা সিনেমায় নায়ক যখন লাফ দেয় তখনও এমন চোঁওওওত শব্দ হয় তাই ঐটা মনে করে হাসছিলাম।আর একবার তিনবন্ধু রিকশা করে ঘুরার সময় এক গাড়ির সাথে ঢাক্কা খেয়ে রিকশা উল্টিয়ে ২ বন্ধু পড়ে গেছিলাম আর একজন রিকশার মধ্যে উল্টা হয়ে ঝুলতে ছিলো ঠিক যেন গাছের মধ্যে লেজের সাহায্যে ঝুলে থাকা লাঙ্গুর,ঐ দৃশ্য দেখেও হাসি এসে গেলো।পড়ে যাবার ফলে হাত মাথা থেকে রক্ত ঝরছিলো,কিন্তু হাসি থামতে পারছিলাম না।

সবকিছু নিয়ে হাসিঠাট্টা করার জন্য বাবা,মা,বউ ,বন্ধুবান্ধব সবার কাছেই কম বেশী ঝাড়ি খাওয়ারঅভিজ্ঞতা হইছে।ছোট থেকে বাবা,মা ঝাড়ি দিয়ে আসছে,এখন থেকে সিরিয়াস না হলে জীবনে কিছু করতে পারবো না।কোনসময় হতাশ হয়ে আত্মীয়স্বজনদের কাছে অনুযোগ আমার বড় ছেলে কোনকিছুতেই সিরিয়াস না,কি যে হবে ওর।প্রেম করার পর বান্ধবীর অভিযোগ ,'আমাদের সর্ম্পক নিয়ে কবে সিরিয়াস হবা তুমি????।এভাবে তো কোনকিছু চলতে পারেনা।বিয়ের পর অনুযোগ,এখন তো একটু সিরিয়াস হও,সবকিছু নিয়ে হাসিঠাট্টা করলে জীবন চলবে।বন্ধুদের অভিযোগ, "শালা জীবনে সিরিয়াস হইলি না, না লেখাপড়া,না অন্যকিছুতে,তারপরও পাড় পেয়ে গেলি"

ছোট থেকেই আমার স্বভাবছিলো নিজে হাসবো,সবাইকে হাসাবো।ছোট্ট এই জীবনটা হেসেখেলে পার করে দিতে চাই।হয়তো এ কারনেই সবকিছুতেই আনন্দ খুজে বেড়াই ।জীবনের সবচেয়ে খারাপ মূহুর্তগুলিতেও আমি আনন্দ খুঁজে নেই।তবে একটা ব্যাপারে কখনোই হাসিঠাট্টা করতে পারিনা, "ঊনিশশ একাত্তর"।মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা,শহীদ, রাজাকার,আলবদর শব্দগুলি কানে আসলেই কেমন যেন হয়ে যাই।সমস্ত দেহ কাঁপতে থাকে রাগে ঘৃণায় ঐ সব ৭১ এর দালাল পাকি শুয়োরেরজাত উপর।কোথাও মুক্তিযুদ্ধ,মুক্তিযোদ্ধা শব্দটার অপমান হতে দেখলেই হাত,পা,মুখ একসাথে চলে আমার।সেটা ব্লগে হোক আর বাস্তবে হোক।এর জন্য অনেকের কাছে গালিবাজ,বেয়াদপ কথাগুলি শুনতে হইছে।অবশ্য তাতে কিছু যায় আসেনা আমার।যখনই কোন বেজন্মা আমার দেশ,দেশের ইতিহাস বিকৃতি করার চেষ্টা চালাবে, তার উদ্দেশ্যে হাত,পা,গালি সবকিছু একসাথে চলবে আমার।মুক্তিযুদ্ধ কে অপমান করার জন্য একদিন বন্ধুর বড় ভাইকে লাথি মেরে বন্ধুর সাথে সারাজীবনের জন্য দেখাসাক্ষাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।বন্ধুর সাথে তাদের গ্রামের বাড়ীতে জামাতের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে বেজন্মাদের হাতে বেধড়ক মার খেয়ে ২ মাস শয্যাশায়ী থাকলেও,মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে উৎসাহ কখনো কমেনি।সুস্থ হওয়ার পর আবারও গিয়েছিলাম একই এলাকায়,একই মানুষগুলির সামনে। রাজাকারের ছবি সহ পোষ্টারিং করেছি আনাচে কানাচে।

কিন্তু ইদানীং হয়তো সবার মতো আমিও সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছি।আগের মতো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে মজা পাইনা।রাস্তায় পুরান কোন বন্ধু দেখলে রিকশা থামিয়ে ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরে বলিনা,'কি'রে দোস্ত কি খবর।কতদিন পর দেখা,বাসায় চলা শালা"।ছুটির দিনে কেউ বেড়াতে আসলে এখন আর ঊৎসব উৎসব মনে হয় না বরং কিছুটা বিরক্তই হই.মনে মনে বলি,' কি জ্বালারে বাবা"।ঘরের মধ্যে আগের মতো মতো কিছু অগোছালো করে রাখি না।অফিস থেকে ফিরে এখন আর জুতা ছুড়ে মারি না,গোছল শেষে ভেজা তোয়ালে বিছানায় ফেলে রাখি না।সবকিছুই এখন তাদের জায়গামতো থাকে.....তোয়ালে,বালিশ,চাদর,জুতা,শার্ট........।সবকিছু............শুধু আমি ছাড়া................

ধুসসসসসসসসসসস শ্লা! !!!!!!! ভাবছিলাম একটা মজার পোষ্ট দিবো।লেখলাম একটা হাবিজাবি..........আমার মাথা মনে হয় দিন দিন খারাপ হয়া যাইতেছে.......একটা বিড়ি ফুঁইকা মাথা ঠান্ডা কর্তে হবে।

যাওয়ার আগে একটা ঘটনা শুনাই:

আমার নানার ২টা ছাগল ছিলো।একটা লাল,আরেকটা কালো।একদিন দুপুরে মার হাতে উত্তমমধ্যম খাওয়ার পর উঠেনে বসে আকাশের দিকে উদাস নয়নে চেয়ে সন্যাসী হয়ে হিমালয় যাওয়ার চিন্তাভাবনা করতেছি এমন সময় দেখি,নানার কালো ছাগলটা, উঠানে শুকাতে দেওয়া মার সাধের সবুজ শাড়ীখানার একপ্রান্ত মুখের ভিতর পুরে আরামসে চাবাইতেছে।ছাগলটা রেকর্ড টাইমে শাড়ীটা গলাধকরন করতে পারে কিনা দেখার জন্য উৎসুক নয়নে তাকায় ছিলাম এমন মাতাশ্রী পিছন থেকে আমার কর্ণযুগল ধরে এমন টান দিলো যে, মনে হইতেছিলো যেন আমার কর্ণদ্বয় টানিয়া লম্বা করে গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ড রের্কডে নাম লিখাবে।আমি মার হাতে এক কামড় দিয়ে নিজেকে ছুটিয়ে বাড়ির পেয়ারা গাছের মগডালে উইঠা বইসা রইলাম।মার ভয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঐ খানেই ছিলাম।অন্ধকার গাঢ় হইলে পা টিপেটিপে ঘরে ঢুকার সময় দেখি ছাগল টা বারান্দায় বসে মনের সুখে জাবর কাটতেছে।আমার সব রাগ গিয়ে পড়লো ছাগলের উপর কারন ছাগলটা যদি সময়মতো মার শাড়ীতে গিলতে পারতো তাহলে আজকে মার হাতে কানমলা খেয়ে সন্ধা পর্যন্ত বাইরে থাক লাগতো না। ছোটমামার ঘরে পর্দা টানানোর একটা লম্বা রুলার ছিলো,রাগের চোটে ঐ রুলার নিয়া এসে ছাগলের পিছন দিকে জোড়ে গুঁতা দিলাম।গুতা দিয়ে দেখি রুলার ইন্চি ছয়েক ছাগলের পাছার ভিতর ঢুকে গেছে।পাছায় ডান্ডা ঢুকার ফলে ছাগল তো আকাশ বাতাশ ফাটায়া ব্যা ব্যা শুরু কর্ছে,আমি এক দৌড়ে আবার ঘরের বাইরে।শব্দ শুইনা সবাই ছুটে এসে দেখে ছাগলটার পাছায় একটা ডান্ডা ঢুকে আছে আর ছাগলটা চেষ্টা করেও দাড়াইতে পারতেছে না।অনেক চেষ্টাচরিত্রের পর ছাগলের পাছা থেইকা ডান্ডা বাইর করতে হইছিলো।এরপরে যতদিন ছাগলটা আমাদের বাসায় ছিলো সবসময় পাছা উঁচায়া উঁচায় হাটতো।মনে হয় পিছনদিকের ব্যাথা তার সারাজীবনও সারে নাই।


পুনঃশ্চ : উপরে বর্ণিত ছাগলের ঘটনার সাথে বাস্তব জীবন অথবা ব্লগের কোন চরিত্রের মিল না খুঁজিবার অনুরোধ করা যাচ্ছে।কেহ যদি মিল খুজিয়া পান তবে তাহা নিতান্তই কাঁকতালীয় ব্যাপার এবং তাহার জন্য লেখক কোনমতেই দায়ী থাকিবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৮
৬৩টি মন্তব্য ৬১টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×