somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... শুভ জন্মদিন আরিফ থেকে আনা " style="border:0;" />

জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে ভালো থাকুন আনন্দেথাকুন এই কামনা করি।<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29096321 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29096321 2010-02-13 00:12:09
প্রথম হইলাম।<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> সামুঈক " style="border:0;" /> এখন আর আমাদের কোন কষ্ট থাকবে না: <img src=" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29078133 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29078133 2010-01-14 06:23:42
কতৃপক্ষের সিদ্ধান্তের প্রতি পুর্ণ সমর্থন জানাই।
বিডি আইডল কেও ব্যান করার সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানাই।এই ব্লগার গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের সাহায্যমুলক পোষ্ট দিয়ে অন্যান্য ব্লগারদের সাহায্য করছিলো। সামুতে এমন দাতা হাজী মহসিন টাইপ ব্লগাররের কোন দরকার নাই। কারন সাহায্য করার নামে বিডি আইডল অন্য ব্লগারদের স্বভাব খারাপ করে দিচ্ছে।


সবশেষে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই সকল মডারেটর,ছাগু,ভাড়,ষাড়,ঠগদের যারা এই সিদ্ধান্ত কে বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন।


আজকে থেকে আমিও সামুর একজন ভাড় হিসাবে আত্নপ্রকাশ করলাম



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29045278 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29045278 2009-11-18 06:43:47
আমার বান্দরবেলা............৯
বাবার এক চাচাতো ভাই নতুন বিয়া করার পর সারাক্ষন ঘরের দড়জা বন্ধ কইরা রাখতো।আমি একদিন মা কে জিজ্ঞেস করলাম,"মা,চাচা চাচী সারাক্ষন দড়জা বন্ধ কইরা রাখে কেন?' মা বললো,"তোমার চাচা-চাচীর পরীক্ষা তো তাই কেউ যাতে ডির্ষ্টাব না করে এই জন্য দড়জা বন্ধ কইরা পড়শোনা করে।"আমি জিজ্ঞেস করলাম,"দুইজনের একসাথে পরীক্ষা কি কইরা হয়?এইটা কেমন পরীক্ষা?",মা বললো,"এই পরীক্ষা দুইজনের একসাথে দেওয়া লাগে।বড় হইলে তুমি দিবা"।চাচা-চাচী কি পড়াশোনা করে জানার জন্য প্রায়ই আমি আর আমার চাচাতো ভাই চাচার ঘরের আশেপাশে ঘুরঘুর করতাম।কিন্তু দড়জা বন্ধ থাকার জন্য কিছু জানতে পারতাম না।একদিন বিকালে দুই পরিবারের সবাই উঠানে বইসা গল্প করতেছে এমন সময় ছাচাতো কানেকানে বললো,'চল এই ফাঁকে চাচার রুমে ঘুইরা আসি"।দুইজনে মিইলা চাচার রুমে গেলাম,চাচা-চাচী কি পরে দেখার জন্.কিন্তু ঐ রুমে খবরের কাগজ আর কয়েকটা মাসিক পত্ড়িকা ছাড়া আর কিছু খুইজা পাইলাম না।খুজতে খুজতে একসময় চাচার আলমারীর ড্রয়ারে একটা প্যাকের পাইলাম।চাচাতো ভাই বানান কইরা পড়লো,লেখা আছে,'রাজা কনডম"।চাচাতো ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করলো, 'এইটা কি জিনিষ?"।আমি ঐ প্যাকেট হাতে নিয়া সোজা দাদার কাছে গিয়া কোলে বইসা জিজ্ঞেস করলাম,"দাদু কনডম কি জিনিষ" আমার এই প্রশ্ন শুইনা সবাই পুরা চুপ হয়া গেলো।একটু পর বাবা বললো,এইটা কোথায় পাইছো?,আমি উত্তর দিলাম,চাচার ঘরে"।এই কথা শুইনা সবাই কেন জানি আকাশের দিকে তাকায়া দিন-দুপুরে তারা খোজায় ব্যস্ত হয়া গেলো।একটু পর দাদী আইসা প্যাকেট টা আমার আমার হা/ত থেইকা নিয়া বললো, 'এই বড়দের খেলার জিনিষ।'।এই ঘটনার পর থেইকা চাচা-চাচী কেমন যেন ফাঁকিবাজ হয়া গেছিলো।দড়জা বন্ধ কইরা আর পড়াশোনা ঠিকমতো করতো না সারাক্ষনই উদাস হয়া উঠানে ঘুরাফিরা করতো..................

গ্রামেরবাড়ি থেইকা ঢাকায় আসার পর জানতে পারলাম আমার গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পর থেইকা নানার কালো ছাগলটা নাকি সারা উঠান জুইড়া খুশির চোটে ধেঁই ধেঁই কইরা নাইচা বেড়াতেছিলো আর চোখের সামনে যা পড়তো(ছোট মামার লুঙ্গী থেইকা শুরু কইরা রান্না ঘরে ভাতের পাতিল) সবই গলধকরনের চেষ্টা করছিলো।একদিন নাকি মেঝো খালু সকালে উঠানে দাড়ায়া দাড়ায়া দাত মাজতে ছিলো এইসময় কালো ছাগলটা নাকি তার লুঙ্গী ধইরা টান মাইরা সবার সামনে বেইজ্জ্বত করছিলো।এইসব অভিযোগ শুইনা ছাগলটারে জব্দ করার উপায় খুজতে লাগলাম।একদিন দুপুরে বারান্দায় বইসা নানীর পান খাওয়া দেখতে ছিলাম।এমন সময় মাথায় প্রশ্ন জাগলো ছাগল যদি পান খায় তাইলে ওদেরও কি ঠোট লাল হবে?এইসব চিন্তা কইরা নানী ঘরে চইলা গেলে পানের বাটা থেইকা একটা পান নিয়া খিলি বানায়া তার মধ্যে হাকিমপুরী জর্দার ডিব্বা পুরাটা ঢাইলা দিলাম।আমার হাতে পান দেইখা ছাগলটা ড্যাবড্যাব কইরা তাকায়া আছিলো।আমি পানটা সামনে ধরতেই মুখের মধ্যে নিয়া দুই চাবান দিয়ে কোৎ কইরা গিলা ফালাইলো।একটু পর জর্দার প্রভাবে নাকমুখ দিয়া দোয়া বাইর করতে করতে সারা উঠানে ব্যা ব্যা কইরা দাপাদাপি করতে লাগলো।উঠানের এককোনে নানার সাদা ছাগলটা চুপচাপ দাড়ায় ঝিমাইতে ছিলো।কালো ছাগলটা দাতমুখ খিঁচায়া তেইড়া আইসা সাদা ছাগলটার পাছায় রাম কামড় বসায় দিলো।কামড় খায়া সাদা ছাগলটা সামনে ফিরা দুই পা উঁচা কইরা কালোছাগলের মাথার মাঝ বরাবর ক্ষুর দিয়া একটা গাট্টা বসায় দিলো।গাট্টা খায়া কালো ছাগলটা জিব আধহাত বাইর কইরা উঠানে মুখ থুবড়ায়া পড়লো।এর আগে মানুষরে জ্ঞ্যান হারাইতে দেখছি।কিন্তু ছাগলও যে জ্ঞ্যান হারাইতে পারে ঐবারই প্রথম দেখলাম।এই ঘটনার কয়েকদিন পর কালো ছাগলটা লজ্জ্বা লজ্জ্বা মুখ কইরা সাদাটার সাথে ভাব করতে আসলেও।সাদা ছাগলটা কালো ছাগলটারে দেখা মাত্রই দুই পা উঁচা কইরা গাট্টা মারার জন্য রেডী হয়া থাকতো.........................


ক্লাশ নাইনে উঠার পর এক স্যারের কাছে ব্যাচে পড়তাম।ঐ ব্যাচে আমাদের সাথে কয়েকটা মেয়েও পড়তো।এদের মধ্যে একজনের সাথে খুব ভাব হয়া গেছিলো।একদিন স্যারের বাসার সামনে গিয়ে দেখি ঐ মেয়ে একা একা দাড়ায় আছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম," দাড়ায় আছো কেন?" মেয়ে কইলো, "আজকে ক্লাশ করবো না"।আমি বললাম,"তাইলে কি করবা",মেয়ে কইলো,"চলো ঘুরতে যাই"। পকেটের অবস্থা চিন্তা কইরা প্রথমে একটু গাঁইগুই করলেও মেয়ের সমগ্র বাংলাদেশে পাঁচটন ট্রাকের হেডলাইটের মতো বড়বড় ভাসাভাসা অক্ষিযুগলের দিকে তাকায়া সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হইলাম।একটা রিক্সা নিয়া ধানমন্ডির ভিতর ঘন্টাখানেক ঘুরাঘুরির পর ৮নং পার্কে গিয়া বইসা গল্প করতে লাগলাম।একটু পর দেখি মেয়ে কেমন জানি উদাস হয়া আকাশের দিকে তাকায় আছে।আমি জিজ্ঞেস করলাম,"কি হইছে?" প্রশ্ন শুইনা মেয়ে দেখি আরও উদাস হয়া আকাশ দেখা শুরু করলো।আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, 'কি হইছে বলবা তো!!!' মেয়ে উত্তর দিলো,'কিছু হয় নাই'।আমি কইলাম, 'তাইলে চুপ কইরা আছো কেন?মন খারাপ?"মেয়ে কইলো,'না'......"তাইলে কি পেট ব্যাথা করতেছে?"।মেয়ে চোখ পাকায়া উত্তর দিলো,পেট ব্যাথা করবে কেন? আমার কি পেট খারাপ নাকি?।একটু পর উশখুশ করতে করতে মেয়ে কইলো,"ক্ষুদা লাগছে"।আমি কইলাম কি খাবা?।মেয়ে কয়,"জানি না?।আমি বললাম,ফুচকা খাবা?.....না........ঝালমুড়ি খাবা?......ঝালমুড়ি খাবো কেন?জানো না আমার গ্যাস্ট্রিক আছে?.....আইসক্রীম?.......ঠান্ডা লাগবে........তাইলে একটা কোক খাও..........কোক খায়া কি পেট ভরবে নাকি?.......আমি এবার কইলাম,"তাইলে আমারে খাও........।মেয়ে উত্তর দিলো তোমার শরীরে তো হাড্ডি ছাড়া কিছুই নাই।তোমারে খায়া কোন লাভ নাই......এতো হাদুমপাদুম শুইনা আমার গেলো মেজাজ খারাপ হয়া......আমি এবার কইলাম,"তাইলে একটা পাদ দেই,পাদ খাও.......একথা শুইনা মেয়ে বড়বড় চোখ কইরা আমার দিকে তাকায়া থাকতে থাকতে কান্ধে ঝুলানো ব্যাগ দিয়া আমার নাক বরাবর সোজা একটা বাড়ি মারলো..........এরপর একটা রিক্সা ডাইকা চইলা গেলো......এরপর যতদিন স্যারের কাছে পড়ছি ঐ মেয়ে আমার সাথে কথা কয় নাই........

মেয়েটা খুব সুন্দর আছিলো<img src=" style="border:0;" />..............


চলবে...................
আমার বান্দরবেলা......১
আমার বান্দরবেলা.......২
আমার বান্দরবেলা........৩
আমার বান্দরবেলা........৪
আমার বান্দরবেলা........৫
আমার বান্দরবেলা........৬
আমার বান্দরবেলা.............৭
আমার বান্দরবেলা............৮ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29022017 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29022017 2009-10-07 18:24:04
আমার বান্দরবেলা..............৮

৭-৮ বছর বয়সে প্রথমবার গ্রামের বাড়ী বেড়াইতে গেছিলাম।গ্রামে গিয়ে চারদিকে হাঁস,মুরগী,গরূ,ছাগলের মেলা দেইখা আমার মাথা পুরাই আউলায় গেলো।যে কয়দিন গ্রামে ছিলাম প্রত্যেকদিন সকালে দাদার ছড়ি নিয়া বাইর হইতাম হরু,ছাগল খুঁচাইতে।একাজে আমারে সঙ্গ দিতো আমার বছরখানেকের ছোট চাচাতো ভাই।একদিন চাচাতো ভাই কোথেইকা যেনো কাঁটাওয়ালা দুইটা ডাল নিয়া আসলো গরু খুঁচানের জন্য।দুইজন মিলে উঠানে জাবর কাটতে থাকা এক গরুর পাছায় দিলাম খুঁচা।কাটাওয়ালা ডালের খোঁচা খায়া গরু তারস্বরে হাম্বা হাম্বা (পরে মনে হয়ছিলো গরুটা মনে হয় আম্মা আম্মা বইলা তার মা কে ডাকতেছিলো) করতে করতে উঠানে দাড়ানো আমার আম্মার দিকে ছঈটা গেলো।গরুর এহেন মারমুখী মেজাজ দেইখা আম্মা দিকবিদিক শুন্য হইয়া দৌড়াইতে দৌড়াইতে পুকুর ঘাটে গিয়ে বিকট শব্দে,"ইয়া আলী" কইরা চিৎকার কইরা চার হাত-পা শুন্যে তুইলা পুকুরে ঝাঁপ দিলো।আম্মার ইয়াআলী বইলা পুকুরে ঝাঁপায় পড়ার দৃশ্য দেখে ঐদিন মনে হইছিলো- বাংলা সিনেমার ভিলেন টাকলু জাম্বু যেন নায়কের উপর তার, 'সমগ্র বাংলাদেশ পাঁচটন'শরীর নিয়া লাফ দিছে।যাই হোক পুকুরে হাঁটু পানিতে দাড়ায়া আম্মা চীৎকার কইরা বাবারে ডাক দিলো।আম্মার চীৎকার শুইনা দেখি বাবা সিনেমার নায়কের দৌড়াইতে দৌড়াইতে আম্মা কে বাঁচানের জন্য ঐ হাঁটু পানিতেই দর্শনীয় ভঙ্গীমায় লাফ দিলো।বহুৎ হাচঁরায়া-পাঁচরায়া বাবা আম্মাকে পাজাকোলা করে উঠানে নিয়া আসলে আম্মা সাথে সাথে ভাউয়া ব্যাঙ্গের মতো চিৎপাত হয়া শুয়া পড়লো।একটু পর আমি পরিশ্থিতি দেখতে গেলাম।আমাকে দেখার সাথে সাথে শোয়া থেইকা একলাফে উইঠা লাঠি খুঁজতে লাগলো।শেষমেষ কিছু না পেয়ে রান্নাঘরে রাখা একটা কলসী নিয়া মাথার উপর উঁচায়া আমারে দৌড়ানি দিলো।আম্মার এই রণঙ্গিনী মুর্তি দেইখা আমিও ভোঁ ভোঁ কইরা সোজা ক্ষেতের দিকে দৌড় মারলাম...........

দাদার বাসায় এক হুজুর লজিং থাকতো।বড় বড় লম্বা দাড়িওয়ালা ঐ হুজুরের প্রায়ই আমারে দেখলে কোলে নিয়া আদর করতো।হুজুরের কোলে নেওয়া সহ্য হইলেও তার শরীরের বোঁটকা ঘামের গন্ধে চোখমুখ উল্টায়া আসতো তাই হুজুরের কোলে উঠতে চাইতাম না।কিন্তু হুজুর আমাকে দেখলেই কোলে নিয়া অদ্ভুত ভঙ্গীতে শরীর দুলাইতো।একদিন দুপুরে খুঁচানের মতো কিছু না পায়া আমি আর চাচাতো ভাই উদাস বদনে ঘুরাঘুরি করতে ছিলাম এমন সময় চোখে পড়লো হুজুরের ঘরের দড়জা খোলা।আমরা দুইজন দড়জার সামনে গিয়ে উঁকি দিয়া দেখলাম হুজুর খাটের উপর শুয়া ঘুমাইতেছে আর তার পড়নের লুঙ্গী মাথার উপর উইঠা মুখ ঢাকার কাজ করতেছে।লুঙ্গি মাথায় উঠার কারনে হুজুরের বিশেষ অঙ্গ দেখা যাইতেছিলো।আমরা দুইজন ঘরে ঢুইকা খাটের সামনে দাড়ায়া আরও গভীরভাবে জিনিষটা পর্যবেক্ষন করতে লাগলাম।পর্যবেক্ষনের এক পর্যায়ে চাচাতো ভাই বললো,"হুজুরের এইটা এতো বড় কেন? আমাদেরটা তো ছোট!!!"একটু পর চাচাতো ভাই হজুরের বিশেষ অঙ্গ আলতো কইরা টান দিয়া বলে, "দেখ হুজুরের এইটা টানলে লম্বা হয়" এই কথা শুইনা আমি ঐটা ধইরা দিলাম এক হেঁচকা টান।টান খায়া হুজুর নাক মুখ দিয়া ঘুরুৎ কইরা বিচিত্র এক শব্দ কইরা খাট থেইকা তিন হাত উপরে লাফায় উঠলো।হজুরের এলোপাতাড়ি হাতপা ছুড়ার কারনে আমরা দুইজন দুইদিকে ছিটকায়া পড়লাম আর হুজুর এক হাতে তার বিশেষ অঙ্গ ধইরা লাফাইতে লাফাইতে ঘরের বাইরে দৌড়।এরপর যে কয়দিন গ্রামে ছিলাম হুজুরের ঘরের দড়জা সবসময় বন্ধ দেখতাম..................

চলবে..............

আমার বান্দরবেলা......১
আমার বান্দরবেলা.......২
আমার বান্দরবেলা........৩
আমার বান্দরবেলা........৪
আমার বান্দরবেলা........৫
আমার বান্দরবেলা........৬
আমার বান্দরবেলা.............৭



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29011873 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29011873 2009-09-17 04:36:01
প্রশংসা পোষ্ট......(সাময়ীক) " style="border:0;" />



শ্রেষ্ঠ প্রশংসাকারীকে এই মাসের ৩১ তারিখে স্টারের কাচ্চি খাওয়ানো হইবেক<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29011288 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/29011288 2009-09-16 05:32:39
স্মৃতি তুমি বদনা..........
বদনা নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতিতে বিরক্ত হয়ে একদিন মা সবার সামনেই বদনা নিয়ে হালকা দুইটা গাট্টা মেরে মাথায় মাঝারী সাইজের একটা আলু গজিয়ে দিয়েছিলো।সে অপমানের প্রতিশোধ নিতে পরদিন খুব ভোরে বাসার সবগুলি বদনা চুরি করে রাস্তার পাশে ড্রেনে ফেলে দিয়ে আসলাম।সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘুম ঘুম চোখে বাবা,মামারা প্রাত্যকৃত্য সারার জন্য কমোডে বসার পর খেয়াল করলো বদনা নামক শৌচবাটি টা টয়লেটে অনুপস্থিত।ছোটমামার অবস্থা ছিলো সবচেয়ে শোচনীয়।বদনা আছে কি না তা ভালোমতো খেয়াল না করেই অর্ধেক কর্ম সেরে ফেলেছিলো।পানি নেবার সময় বদনার দিকে হাত বাড়িয়ে যখন বদনার জায়গায় এক খাবলা বাতাস হাতের মুঠিতে আবদ্ধ করলো তখন অনুভব করলো জায়গায় বসে চীৎকার দেওয়া ছাড়া তার আর কিছুই করার নাই।ছোটমামার চীৎকার শুনে বাসায় অনিরাপদ বোধ করায় মানে মানে বাসার গেট দিয়ে বাইরে যাবার প্রস্তুতি নিলাম।গেটের সামনে গিয়ে পিছনে একবার চোখ ফেরাতেই দেখি বাবা উদভ্রান্তের মতো উদ্বাহু নৃত্য করতে করতে ছুটে আসছে আমার দিকে।বাবাকে দেখে তখন খালাতো বোনের কাছে শোনা শীর্ষেন্দুর গল্পের একটা ক্যারেক্টার,'জগাই পাগলার' কথাই বারবার মনে পড়ছিলো।নিশিচন্দপুর গ্রামের উসকোখুশকো চুলের,বোশেখ মাসের কাঠফাঁটা রোদ্দুরেও তালিমারা বিদঘুটে রঙের কোট পরা, বড় বড় লাল চোখে তাকিয়ে থাকা জটাধারী জগাই পাগলার সাথে বাবার কোন অমিল খুজে পাইনি সেদিন।

অত্যাধিক বদনা প্রীতি দেখেই অথবা বদনার ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতেই কি না কে জানে, একদিন বাবা দোকান থেকে লাল রঙের ছোট একটা খেলনা বদনা কিনে এনেছিলো আমার জন্য।বদনার শরীরে ছোটছোট অক্ষরে লেখা ছিলো,"রবিউল।ফুলবাড়িয়া ঢাকা।"তখন ভেবেছিলাম রবিউল ফুলবাড়িয়া নামের কেউ হয়তো আমার জন্য এই বদনাটা বানিয়ে দিয়েছিলো।এজন্য প্রায়সই তাকে ধন্যবাদ জানাতাম মনে মনে।নতুন বদনা পাওয়ার পর আমার আনন্দ দেখে কে!। সকাল-বিকাল পুরো দিনরাত জুড়ে বদনাই আমার ধ্যানজ্ঞ্যান হয়ে উঠলো।সকালে ঘুম থেকে উঠেই বদনায় পানি ভর্তি করে দৌড়াদৌড়ি,দুপুরে খাওয়ার সময় লাল রঙের ছোট বদনাটাকে পাশে বসিয়ে ভাত খাওয়া,রাতে ঘুমাবার সময় বদনাকে পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পরা।ধীরে ধীরে আমার পুরো জগৎটাই বদনাময় হতেশুরু করলো....................


আজকে স্টোররুমে পুরানো জিনিষপত্র ঘাটতে গিয়ে হঠাৎ চোখে পড়লো ছোটবেলার সেই বদনাটা।সারাগায়ে ধুলোময়লা আর মাকড়শার জাল মেখে ঘরের এককোনে নিতান্ত অবহেলা অযত্নে পড়ে আছে।বদনা নিয়ে বাথরুমে ভালো মতো ধুয়ে নিজের ঘরে এসে খেয়াল করলাম এতদিনের অবহেলার দরুন অভিমানে শরীরের ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে ফেলেছে অনেকখানি।কিন্তু শরীরে খোদাই করা "রবিউল ফুলবাড়িয়া ঢাকা" নামটা এখনও আগের মতোই স্বমহিমায় জ্বলজ্বল করছে................

বদনাটা হাতে নেওয়ার পর থেকে বারবার মনে হচ্ছে,স্মৃতি তুমি রবিউল কোম্পানীর বদনা..............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28990421 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28990421 2009-08-08 02:00:28
একটি ভাঙ্গা আয়না! একটি বিকৃত মুখ
একটি বন্ধ হয়ে যাওয়া হৃদয়
একঝাঁক ঘৃণা।

একফোঁটা ঝরে পড়া অশ্রু
একজোড়া রক্তচক্ষু
একটি বিষন্ন মুখ
একটি ঝরে যাওয়া বছর।

একটি ভরা পিস্তল
একটি ভাবলেশহীন অবয়ব
একটি রক্তাক্ত দেয়াল
একটি ভাঙ্গা আয়না!



(এই লেখাটা অন্য নিকে একবার পোষ্ট করছিলাম।শুভ, চারহালি"ম"আপু ওরফে ১ ডজন "ম" আপু, কালপুরুষদা এবং মুক্তবয়ান মন্তব্য করেছিলেন, সেজন্য কৃতজ্ঞতা)


১০০ তম পোষ্ট<img src=" style="border:0;" />
ব্লগার পরিসংখ্যান:
পোস্ট করেছেন: ১০০টি
মন্তব্য করেছেন: ২৩৯৫৫টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৯৮৫২টি
ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ১১ মাস
ব্লগটি মোট ৮৭১৪২ বার দেখা হয়েছে

আমিও বুইড়া হয়া গেলাম!!!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28986010 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28986010 2009-07-30 05:42:33
বিরিশিরি ভ্রমণ









সোমেশ্বরী নদী:



সেন্ট যোশেফ চার্চ:





ল্যাম্পপোষ্টের নীচে ঘুমন্ত অবস্থায় হনলুলু<img src=" style="border:0;" />





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28983865 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28983865 2009-07-26 10:19:07
আমি লুল!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> ।পিচ্চির কথা শুইনা ফিট খায়া পইড়া যাইতে যাইতে বউয়ের মুখের দিকে তাকায় দেখি তার মুখ আলকাতরার মতো কালো হয়া গেছে।আর ঐদিকে বান্ধবীর স্বামীও ফিট খাইতে খাইতে কোনরকমে সামলায় নিছে।বান্ধবী কোনরকমে কাষ্ঠ হাসি দিয়া বাচ্চারে কইলো,"এইটা তোমার আব্বু না,আংকেল হয়",বলো আংকেল"।পিচ্চি আবার কিছুক্ষন আমার দিকে বড় বড় চোখে তাকায় থাইকা গলা জড়ায় ধইরা আবার কয়,"আব্বু"<img src=" style="border:0;" />।পিচ্চির মুখে দ্বিতীয়বার আব্বু ডাক শুইনা আমার বউয়ের ধপাস কইরা দোকানের ফ্লোরের উপর প্রায় শয্যা নেওয়ার উপক্রম।কোনরকমে তারে একহাতে টাইনা তুইলা অন্য হাতে পিচ্চিরে সামলাইলাম।বেচারা বান্ধবীর স্বামী পিচ্চিরে আমার হাত থেইকা প্রায় ছিনায় নিয়া তার বউরে কইলো,"চলো বাসায় যাই"।আমার বউও দেখি কিছু না কইয়া দোকান থেইকা বাইর হয়া গাড়ীতে উইঠা বইসা রইলো।আমি কইলাম,শাড়ী কিনবানা?"।বউ কিছু না কইয়া মরা মুরগীর মতো ঝিম মাইরা রইলো।বুঝলাম এইটা আরেকটা ঘুর্ণীঝড়ের পুর্বাভাস <img src=" style="border:0;" /> ।বাসায় পৌছায়া বউ সোজা রুমে ঢুইকা বিছানায় উপুর হয়া শুয়া পড়লো।আমি পাশে বইসা কিছু কওয়ার আগেই ক্ষীপ্রবেগে বিছানা থেইকা উইঠা ঘরের একপাশে সইরা গিয়া বললো,"ইতর,বদমাইশ,ছোটলোক।তোমার যে একটা বাচ্চা আছে এইটা কখনো কও নাই কেন?' আমি কইলাম, 'আমার যে বাচ্চা আছে এইটঐ তো আজকে প্রথম জানলাম"!।বউয়ের উত্তর,তোমার কোন বিশ্বাস নাই,ঐ বাচ্চার সাথে তোমার নাকের মিল আছে,ওটা তোমার বাচ্চা না হয়া যায় না"
তিন ঘন্টা ধইরা বুঝানের পর সে শান্ত হইলো।কিন্তু মুখ আষাঢ়ের আকাশের মতো কালো রইলো যে এক নং পঁচা লন্ড্রী সাবান দিয়া মুখ ধুইলেও ঐ মুখ আর ফর্সা হওয়ার কোন চান্স নাই।

মান-অভিমান পর্ব শেষে রাত্রে ঘুমানের আগে বিছানায় বইসা টিভি দেখতেছি।এমন সময় বউ আয়নার সামনে বইসা চুল আচড়াইতে লাগলো।চুল আচড়ানি দেইখা বউয়ের পিছনে দাড়ায়া গভীর প্রেমময় দৃষ্টিতে তা পর্যবেক্ষন করতেছিলাম।এমন সময় বউ পিছন ফিরা আমার মুখের দিকে তাকায় কইলো,"এমন লুলের মতো তাকায় আছো কেন?,লজ্জ্বাশরম নাই?" <img src=" style="border:0;" />

সাতাশ বছরের জীবনে কেউ লুল ডাকে নাই।অথচ বিয়ার পর বউয়ের কাছে থেইকা লুল উপাধি পায়া গেলাম।বিয়ার পর কোন মেয়ের দিকে একবারের বেশি দুইবার তাকাই নাই।ভূলক্রমে দুইবার তাকায়লেও সাথে সাথে চোখ সরায় নিছি।এই সততার বিনিময়ে আজ কিনা বউ আমারে লুল ডাকলো <img src=|" style="border:0;" />

ভাবতেছি সন্ন্যাস নিয়া হিমালয়ে চইলা যাবো।শরীরে ছাই মাইখা,লাল রঙের নেংটী পইড়া রেডী হয়া আছি।দুইজন সেবাদাসী,ল্যাপটপ,ধ্যানে বসার জন্য বোস এর হোম থিয়েটারের ,সোফিয়ার রিমিক্স এ্যালবাম,ত্রিশূল আর বদনা ও যোগাড় হইছে এখন ভালো একটা দিন দেইখা ইষ্টনাম জপ কইরা হিমালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

বিয়ার আগেও একবার সন্ন্যাসী হইতে চাইছিলাম।বিমা ভাইও আমার সাথে যাইতে চাইছিলো।কিন্তু ঐবার বিমা ভাই আমারে ফাঁকি দিয়া ষোড়শী এক কন্যার সাথে লং ড্রাইভে চইলা যাওয়ার কারণে সন্ন্যাস নিতে পারি নাই।কিন্তু এইবার আর কেউ আমাকে ধইরা রাখতে পারবে না।আমাকে কেউ ফিরানোর চেষ্টা করবেন না দয়া করে।কেউ পিছু ডাকবেন না..................

আমায় ডেকো না, ফিরানো যাবে না।ফেরারী পাখিরা নীড়ে ফিরে না।
বিদায় সবাইকে..........................

ইয়ে দুনিয়া,ইয়ে মেহফিল মেরে কোয়ি কাম কি নেহি.................<img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28968223 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28968223 2009-06-23 03:55:23
আমার বান্দরবেলা.............৭
ছোটবেলায় জামাই সাজার শখ ছিলো দেইখা বাবা একবার মার্কেট থেইকা পাগড়ি,শেরোয়ানী,আর নাগড়া আইনা দিছিলো।বিকাল হইলেই পাগড়ী,শেরোয়ানী লাগায়া মুখে রুমাল দিয়া ছোট মামার সাথে পাড়ায় ঘুরতে বের হইতাম।একবার বিকালে ছোটমামা তার নতুন বিয়া করা বন্ধুর বাসায় বেড়াইতে নিয়া গেলো আমাকে।বন্ধু আমাকে দেইখা হাসি দিয়া বললো,"ছোট জামাই তোমার বউ কই?",মামার বন্ধুর পাশে তার বউ দাড়ায় ছিলো।আমি নুরানী মার্কা হাসি দিয়া মামার বন্ধুর বউকে দেখায় বললাম,"এইটা আমার বউ"।এই কথা শুইনা মামার বন্ধুর পুর্ণিমার মতো ঝলঝলা হাসি মুখ শুকায়া অমাবশ্যার রাতের মতো অন্ধকার হইয়া গেলো।সে কোনরকম মুখ ভেংচায়া বললো,"এইটা তো আমার বউ"।আমি একদৌড়ে বন্ধুর বউয়ের কোলে উইঠা গলা জড়ায়া দেশ দখলের মতো বউ দখল কইরা বললাম, "এইটা আমার বউ"।বউ আমার কথা শুইনা হি হি কইরা হাসতে হাসতে বললো,"আচ্ছা! এখন থেইকা তুমি আমার ছোট জামাই"।নতুন বউয়ের মুখে এই কথা শুইনা মামার বন্ধুর প্রায় হার্টফেল করার দশা।যতক্ষন ঐ বাসায় ছিলাম মামার বন্ধুর বউয়ের কোল থেইকা নামি নাই।আসার সময় মামা তো আর আমাকে কোলের থেইকা নামাইতে পারে না।কোল থেইকা নামানোর জন্য মামা আমার দুই পা ধইরা যত টানাহেচড়া করে আমি তত জোড়ে বউয়ের গলা জড়ায় ধরি।এমন টানাটানিতে বন্ধুর বউয়ের দম আটকায় যাওয়ার দশা।কোল থেইকা না নামাইতে পাইরা অবশেষে মামা বললো,"আজকে চলো আরেক দিন এখানে নিয়ে আসবো",আমি বললাম,"বউরে ছাড়া বাসায় যাবো না"।আমার মুখে একথা শুইনা মামার বন্ধুর মুখ শুকায়া আমসির মতো হইয়া গেলো।শেষপর্যন্ত নতুন বউয়ের কোলে উইঠা বাসায় ফিরছিলাম।

গরমের সময় একবার বাবা সেলুন থেইকা আমাকে মাথা টাক করায়া নিয়া আসলো।এই টাক মাথা নিয়া লোকজনের সামনে যাইতে খুব লজ্জ্বা পাইতাম।এদিকে ছোটমামা আমার টাকটাকে তবলা মনে কইরা প্রায়ই দুই আঙ্গুল দিয়া টাকডুম টাকডুম বাজাইতো আর নাকি স্বরে হুঁ হুঁ কইরা গান গাইতো।ছোটমামার তবলা বাজানির যন্ত্রনা থেইকা বাঁচার জন্য আমি ব্যস্ত হয়া পড়লাম।তখনকার সময়ে মা খালারা খোপা বড় দেখানোর জন্য বড় বড় পরচুলা লাগাইতো।একদিন দুপুরে মা ঘুমায় পড়লে আলমারী খুইলা মার সবগুলি পরচুলা বের কইরা সোজা স্টোররুমে গিয়ে আঠা দিয়া মাথার সামনে,পিছনে,উপরে সবজায়গায় পরচুলা লাগায় নিলাম।একেকটা পরচুলার সাইজ ছিলো ২ হাতের মতো এদিকে আমি ছিলাম দেড়ফুটিয়া একটা বাচ্চা।চুল লাগানোর পর আমার হাটু বাদে শরীরের উপরের সব অংশই চুলে চুলে ঢাইকা গেছিলো।যাই হোক,একটু পর চুপচাপ ছোটখালার রুমে গিয়ে খাটের উপর বইসা রইলাম।বিকালে ছোটখালা ঘুম ভাইঙ্গা দেখে তার বিছানায় বড় বড় চুলওয়ালা একটা জন্তু বইসা রইছে,যার চোখমুখ কিছুই নাই।এইটা দেইখা খালা চিকন স্বরে কাঁউ কাঁউ হুড়মুড় কইরা খাট থেইকা পইড়া দাত কপাটি লাগায় ফেললো।ঘটনা বেগতিক দেইখা আমি এক দৌড়ে আবার স্টোর রুমে গিয়ে লুকায় রইলাম।পরে ছোটমামা আইসা আমাকে বাইর করছিলো।ঐ ঘটনার পর সেলুন থেইকা নাপিত আইনা আবার ক্ষুর দিয়ে চুল ফালাইতে হইছিলো কারন হাজার টানাটানি কইরাও ঐ পরচুলা আমার মাথা থেইকা নামাইতে পারে নাই কেউ।বরন্চ মাথা থেইকা পরচুলা খোলার জন্য মা আর খালার যুগপৎ টানাটানি তে আমার শরীর দুই টুকরা হয়া যাইতে নিছিলো।


ছোটমামা একবার একটা পোষ্টার নিয়া আসছিলো।ঐ পোষ্টারে ছোট্ট একটা মেয়ে একটা সাদা ছাগল নিয়া দাড়ায় ছিলো।ছাগলের দুই শিং এ দুইটা ফুল ঝুলতে ছিলো।ঐটা দেইখা আমারও শখ হইলো আমিও নানার ছাগলটা নিয়া একটা ছবি তুলবো।একদিন বাসার বাগান থেইকা দুইটা সুর্যমুখী ফুল নিয়া নানার কালো ছাগলটার শিং এ বাধতে গেলাম।আমারে ফুল নিয়া আসতে দেইখা ছাগলটা এমন দৌড় দিলো যেন কেউ ওর ল্যাজে আগুন লাগায় দিছে।দুই-তিন ঘুইরাও ছাগলটা কে কায়দা করতে না পাইরা আমার মেজাজ গেলো খারাপ হয়া।একদিন রাতে কালো ছাগলটা তার ঘরে বইসা বইসা জাবর কাটতেছিলো এই ফাকে আমি নানীর কালো বোরখা পইড়ে চুপেচুপে ফুল আর আঠা নিয়া ছাগলের পিছনে আইসা দাড়াইলাম।সুর্যমুখী ফুলের ডগা একটা মোটা কাঠির সাথে বেধে ঐ কাঠিতে আঠা লাগায় সোজা ছাগলের পশ্চাৎদেশে ঢুকায় দিছিলাম।ঐ ঘটনা দেইখা সবাই চিন্তা করতে লাগলো কেমন কইরা ঐ কাঠি বাইর করা যায়।ছোট মামা বললো টানটানি করার দরকার নাই।ছাগলটা লাদি ছাড়ার সময় কোৎ দিলে এমনিতেই কাঠি বাইর হয়া যাবে।কিন্তু ছাগলটা কোন অজানা কারনে দুই দিন লাদি ছাড়ে নাই।ঐ দুই দিন ছাগলা উঠানের যেদিকে যাইতো সুর্যমুখী ফুলটাও তার সাথে সাথে মাথা উঁচু কইরা হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে হেইলা দুইলা ঘুইরা বেড়াইতো।


চলবে........................

আমার বান্দরবেলা......১
আমার বান্দরবেলা.......২
আমার বান্দরবেলা........৩
আমার বান্দরবেলা........৪
আমার বান্দরবেলা........৫
আমার বান্দরবেলা........৬


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28957712 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28957712 2009-05-30 06:32:41
কুত্তার পেটে ঘি সহ্য হয় না ঘটনা সত্য............



এক রেসিডেন্ট আমার পোষ্টে ঢু মাইরা গেছে দেখলাম............সাথে সাথে পোষ্ট গায়েব.............স্ট্যাটাস: জেনারে


আগের পোষ্ট: কুত্তার পেটে ঘি যেমন ঘি সহ্য হয় না,তেমনি সামুর মডুদের একজন খারেজী অথবা মনির হাসানের মতো সাহসী ব্লগারদের পোষ্ট বা কমেন্ট সহ্য হয় না। সামুর মডুদের পছন্দ মগবাজারী টাইপের পোষ্ট কিংবা রেসিডেন্ট ভাড় নামক প্রাণীর পশ্চাৎদেশলেহন করা টাইপের পোষ্ট........ কি আর করা...........রাস্তার নেড়ী কুত্তারে যতই ভালো খাবার দেন সে গিয়া ডাষ্টবিনের পঁচা আবর্জনাতেই মুখ দিবে.........কয়লা ধুইলে তো আর ময়লা যায় না......।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28947044 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28947044 2009-05-06 13:06:09
অণুকাব্য-২ তুমি আমার শাবানা
তুমিই আমার ববিতা
তোমাকে দেখে তাই
লেখি শুধু কবিতা<img src=" style="border:0;" />


ঠোটে লিপষ্টিক
চোখে লাগাও মাশকারা
বাঁকা নয়নে চেয়ে
দিলে আমায় আশকারা<img src=" style="border:0;" />


আমি ছিলাম ফরহাদ
তুমি আমার শিরি
ছ্যাকা খেয়ে এখন তাই
ধরেছি আকিজ বিড়ি<img src=(" style="border:0;" />


আমি ছিলাম জল, তুমি পদ্ম
বিয়ের পর হাতে ধরাও
বাজারের ফর্দ<img src=" style="border:0;" />


তুমি ছিলে সকাল
আমি ছিলেম রাত
তাইতো ও পাড়ার ফর্সা আবুল
মেরেছে আমার ভাত<img src=(" style="border:0;" />


ভালোবেসে বলেছিলাম
তুমি মিষ্টিকুমড়া
স্যান্ডেল দিয়ে পিটিয়ে
তাই তুলে নিলে চামড়া<img src=(" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28940661 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28940661 2009-04-21 04:51:04
ছাগুচীফের আন্ডু খুইলা গেছে। http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28927718 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28927718 2009-03-22 04:45:21 একজন ঠগের জন্ম!
ছাগুরাম কাঁদিতেছে।

গভীর রাত্রি- বাহিরে জ্যোৎন্সায় ফিনিক ফুটিতেছে।এই স্বপ্নময়ী আবেষ্টনীর মধ্যে শুভ্ররঙা খোয়াড়ের এককোনে উপুর হইয়া অঝোরে কাঁদিতেছে ছাগুরাম।একা।খোয়াড়ে আর কেহ নাই।ছাদের ফুটা দিয়া একফালি জ্যোৎন্সা খোয়াড়ে প্রবেশ করিয়াছে।প্রবেশ করিয়া পশ্চাৎদশের ব্যাথা কাতর ভগ্নহৃদয় ছাগুকে দেখিয়া সে যেন থমকিয়া দাঁড়াইয়া আছে।কেন এ ক্রন্দন???

সামুর প্রতি প্রেম! হইতে পারে বৈকি।এই জ্যোৎন্সা পুলকিত যামিনীতে দু'ঠ্যাঙা ছাগুর নয়ন পল্লবে অশ্রু সন্চারের কারণ প্রেম হইতে পারে।ছাগুর জীবনে একবার প্রেম আসিয়াছিল তো।তখনও আলু নামক গ্রামের জন্ম হয় নাই।সামু নামক সদ্য জন্ম নেওয়া গ্রামটিকে সে ভালোবাসিত কারণ ইহাই ছিলো একমাত্র স্থান যেইখানে সে মনের মাধুরী মিশাইয়া লাদি ছাড়িতে পারিতো।কাঠালপাতায় দেশের ইতিহাস নতুন করিয়া লিখিবার প্রয়াসও সে নিয়াছিলো অতীব সঙ্গোপনে।কিন্তু কতিপয় দুষ্টুলোকের কাঠির খোঁচায় সে বাধ্য হইয়া নিজের রক্ষার নিমিত্তে লোমশ গলদেশের অধিকারী কলুর বাহুদেশে নিজেকে সঁপিয়া দিতে বাধ্য হইয়াছিলো।কিন্তু বহুদিন প্রাণান্তকর চেষ্টার পরও তাহারা দুইজনে কোন প্রকার নতুন প্রজাতির জন্ম দিতে ব্যর্থ হইয়াছিলো।

নতুন প্রজাতি জন্ম দেওয়ার ব্যর্থতাও ছাগুর ক্রন্দনের কারণ হইতে পারে।আবার ইহাও হইতে পারে দুষ্টুদের অবিরাম কাঠির খোঁচায় পশ্চাৎদশে অশ্বরোগ হওয়ার দুঃখে ছাগু কাঁদিতেছে।



একদা সন্ধ্যায় সামু নামক গ্রামে অবস্থিত ছোট্ট নদী তীরে বসিয়া সার্কাসদলের ভাড়ের পোষাক পড়িয়া কতিপয় ব্যক্তি ম্লানমুখে জড়াজড়ি গলাগলি করিয়া কাঁদিতেছিলো।সামুগ্রামের কর্তাস্থানীয় ব্যক্তিদের পশ্চাৎদেশ তাহাদের লোলভরা জীহবা দিয়া অনবরত লেহন করিয়া ভিজাইয়া জবজবে করিয়া ফেলিয়াছিলো এইসকল ভাড়রা। সেই দুষ্টুলোকেরা তাহাদের এরূপ কর্মে বিরক্ত হইয়া তাহাদের পশ্চাতেও কাঠির মৃদূ খোঁচা দিয়াছিলো।কাঠির আঘাতে সৃষ্ট ব্যাথাতেই তাহাদের এই ক্রন্দন।খোঁচার হাত হইতে রক্ষা পাইবার জন্য তাহারা খলিফার দোকান হইতে রীতিমতো অর্ডার দিয়া লৌহ নির্মিত অন্তর্বাসও বানাইয়াছিলো কিন্তু তাহাতেও কোন লাভ হয় নাই।দুষ্টুবালকের দল সেই অন্তর্বাস ড্রলমেশিন দিয়া ছিদ্র করিয়া তাহাদের পশ্চাৎদশে কাঠি ভরিয়াছে।শুধু তাহাই নয় দুষ্টবালকেরা তাহাদিগকে উপহাস করিয়া রেসিডেন্ট ভাড় বলিয়াও সম্বোধন করিত।এই নামে ডাকার ফলে রাগে তাহাদের শরীর চিড়বিড় করিলেও খোঁচা খাইবার ভয়ে কিছু বলিতে পারিত না।



একদিন প্রত্যুষে ছাগুরাম নদীতীরে কাঠালপাতা কুড়াইতে গিয়া দেখিল ভাড়ের মতো দেখিতে কতিপয় ব্যক্তি ম্লানমুখে অশ্রু-তর্পণ করিতেছে।ছাগুরাম নিকটে আসিয়া কাঁদিবার হেতু জিজ্ঞেস করিতেই তাহারা গলা ছাড়িয়া আরও জোরে কাঁদিয়া উঠিলো।তাহা দেখিয়া ছাগুরাম ব্যস্তসমস্ত হইয়া তাহাদের মাথায় হাত বুলাইয়া দিতে লাগিলো।কিছুক্ষন পর সামলাইয়া উঠিয়া ছাগুরামকে তাহাদের দুঃখের কাহিনী সবিস্তারে বর্ণনা করিতে লাগিলো।শুনিয়া ছাগুরামরেও তাহার কষ্টের কাহিনী মনে আসিয়া গেলে সেও ডাক ছাড়িয়া ম্যা ম্যা করিয়া কাঁদিতে লাগিলো।জড়াজড়ি গলাগলি করিরা কাঁদিবার পর্ব শেষ হইলে ছাগুরাম সেই সকল ভাড়দের তাহার খোয়াড়ে নিয়া গেলো।ছাগুর খোয়াড়ে থাকিতে থাকিতে ভাড়েরা ছাগুর প্রতি একরূপ আকর্ষন বোধ কৈতে লাগিলো।আহা! কি ছাগুর ল্যাজ নাড়ানোর ভঙ্গী,কি তাহার কোমড় দুলাইয়া লাদি ছাড়িবার ভঙ্গী,কেমন তাহার সলজ চাহনী যেন বুকে এসে বিঁধে।ছাগুও কিছুটা দুর্বল হইতে লাগিলো ভাড়দের প্রতি।

পরস্পরের প্রতি তাহাদের এরুপ দুর্বলতা একদিন প্রেমের রূপ ধারন করিলো।প্রতিরাতে তাহার সকলের অগোচরে মিলিত হতে লাগিলো।তাহাদের এইরূপ মিলনের ফলে জন্ম নিলো এক নতুন প্রাণী।ভাড় আর ছাগুর মিশ্রনে সেই প্রাণীটির গায়ের রঙ ছিলো লালকালোর ডোরাকাটা।

সেই ডোরাকাটা প্রাণীটি যতই বড় হইতে লাগিলো তাহার রুপ ফুটিয়া উঠিতে লাগিলো।স্থানীয় গ্রামবাসী তাহার মিথ্যাচার আর ভাড়ামী তে অতিষ্ঠ হইয়া নাম দিলো,

"ঠগ"...............লোকালঠগ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28920823 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28920823 2009-03-06 23:21:16
কেন এমন হয়??? ঘটনা:১

মে ২০০৮, একদিন ভোরবেলা ঘুমঘুম চোখে সিগারেট কেনার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে সিড়ি ভেঙ্গে নীচে নামছিলাম হঠাৎ আমার পা যুগলের আত্মসন্মানবোধ মাথাচাড়া (নাকি পা চাড়া)দিয়ে উঠলো।তাদের মনে হলো এতদিন তাহারা শরীরের নিম্নাংশে অবস্থান করেছে এইবার সময় হয়েছে উপরে উঠবার অর্থাৎ মস্তকের স্থান দখল করবার।তাদের এহেন সিদ্ধান্তে তৎক্ষনাত বাসার সিড়ি আমার মাথার উপরে আর ছাদ আমার পায়ের নীচে চলে আসলো।এই অবস্থায় সিড়ি দিয়ে এক্সপ্রেস ট্রেনের গতিতে ফুটবলের মতো গড়াতে গড়াতে ৪ তলা থেকে ৩ তলায় এসে থামলাম সাথেসাথে দুই চোখে নিকষ কালো অন্ধকার ঘনায় আসলো।হুশ ফেরার পর দেখি হাসপাতালের বিছানায় মাথায় বিশাল একটা পট্টি বেধে শুয়ে আছি আর আমার ডান পা বিধবার সাজে সজ্জ্বিত হয়ে রশি দিয়ে বেডস্ট্যান্ডে ফাঁসী নিয়েছে মানে ঝুলে আছে। ঐ ঘটনায় আমার ৫ কেজী ওজনের ঠ্যাং এ ৫০ কেজী ওজনের প্লাষ্টার বেঁধে ২ মাস বিছানায় শয্যাশায়ী ছিলাম।এ অবস্থায় সবচেয়ে বড় যন্ত্রনা ছিলো চুলকানী।সারাক্ষন পায়ের পাতা চুলকাতো কিন্তু কিছুই করতে পারতাম না।একদিন চুলকানীর চোটে পায়ের ঘায়ে (নাকি মাথার ঘায়ে!?)হনলুলু পাগল অবস্থা।

ঘটনা:২

সেপ্টেম্বর ২০০৮।বান্ধবীর সাথে ফোনে মানঅভিমান পর্ব শেষে মাথা ঠান্ডা করার উদ্দ্যেশ্য ধানমন্ডির মোটামুটি নির্জন এক গলিতে বৈকালিক ভ্রমন করতেছিলাম।নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে উদাস নয়নে সন্ন্যাসী হবো কিনা এইরূপ উচ্চ মার্গীয় ভাবনায় বুঁদ ছিলাম হঠাৎ দেখি রাস্তা আকাশে উঠে গেছে আর আকাশ পায়ের নীচে নেমে আসছে।এইরুপ ঘটনা কিভাবে ঘটা সম্ভব তা নিয়া গভীর চিন্তায় নিমগ্ন হতে যাবো সেই মুহুর্তে উপলদ্ধি করলাম চারখানা হস্ত আমাকে নিয়া টানাটানি করতেছে।হস্তদ্বয় এমন ভাবে আমার দেহখান টানতে ছিলো যে আমার মনে হতে ছিলো দেহ আট টুকরা না হওয়া পর্যন্ত তাহারা থামবে না।এদিক সেদিক তাকিয়ে বুঝতে পারলাম আমি ঠেলাগাড়ীর নীচে জিলাপীর মতো প্যাচ খেয়ে আছি।এই নির্জন গলিতে ঠেলাগাড়ী কোথ্থেকে আসলো সেটা নিয়া চিন্তাভাবনা করবো কি না তা চিন্তা করার আগেই দেখি সেই চার হস্তদ্বয় আমাকে প্যাচমুক্ত করে ফেলেছে।ঠেলাগাড়ীর হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার পর দাড়াতে গিয়ে দেখি বা পায়ে ভর দিতে পারছি না ব্যাথার চোটে।অতঃপর কয়েকজনের সাহায্যে রিকশায় উঠে ডাক্তার নামক জল্লাদের কাছে গেলাম।সবকিছু দেখে ডাক্তার বললো মচকে গেছে একসপ্তাহ বেড রেস্টে থাকতে হবে।হাটাচলা করা যাবে না।

ঘটনা:৩

নভেম্বর ২০০৮।বন্ধুর বিয়ে কয়দিন পরেই,এই উপলক্ষে বন্ধুর দেওয়া ব্যাচেলর পার্টিতে গিয়েছিলাম।পার্টির একপর্যায়ে সবাই বিয়ের পর আসন্ন বিপর্যয়ের কথা শুনিয়ে বন্ধু কে ভয় দেখানোর সফল চেষ্টা করছে।বন্ধুকে এই অবস্থায় দেখে আমার ৩২ টা দাত খুশিতে যে বের হলো আর ভিতরে যাবার নাম নেয়না।আমাকে দাত কেলাতে দেখে বন্ধুর মুখ কালো হতে থাকলো।আমি যত দাত কেলাই বন্ধুর মুখ তত কালো হয়।বন্ধু আমার টকটকে গৌড়বর্ণ হলেও আমার অনবরত দাত কেলানোর সুবাদে তা কালো হতে হতে আবলুশ কাঠের ন্যায় রং ধারন করলো।আমার খুশি তো আর ধরেনা।বিপদের দিনে পাশে একজন সহযোদ্ধা পেলে কে না খুশি হয়।খুশীর চোটে আমার পদদ্বয়ও দেখি নড়াচড়া শুরু করলো মানে নাচার জন্য অস্থির হয়ে উঠলো যদিও আমি নাচতে পারিনা।নাচের নামে যা করি তা হাত পা ছুড়াছড়ি করার সামিল।আমার এইরুপ হাত পা ছুড়াছুরি অনেক বন্ধুর কাছে ঘন কালো বিভীষিকাময় দূঃস্বপ্নের চেয়ে কোন অংশে বেশী বৈকি কম নয়।এহেন ছুড়াছুড়ি ফলে অনেক বন্ধুকে নাক,চোখ,দাতের ডাক্তারের স্বরণাপন্ন হতে হয়েছে।যাই হোক ঐ দিন পদযুগলের অনুরোধ রাখতে গিয়ে ও প্রাণপ্রিয় বন্ধুর কোরবানী হওয়ার খুশিতে তুড়ুক তুড়ুক করে যে দু'পাক নাচতে যাবো ওমনি দেখি সোফা ও সোফাতে বসা গোটাদুয়েক বন্ধুকে নিয়ে ধরণীপ্রপাত হলাম।বন্ধুদের সাহায্যে কিছুক্ষন পর দাড়াতে পারলাম কিন্তু পায়ে ব্যাথার চোটে আবার বসে পড়তে হলো।ফলাফল ডাক্তারের কাছে যাওয়া এবং পা মচকানোর কারণে আবারও দিন সাতেক বিছানায় শয্যা গ্রহন করা।

ঘটনা:৪

১৯ শে ফেব্রুয়ারী ২০০৯।সারারাত বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে এবং ততোধিক গুরুত্বপূর্ন ব্যাক্তিদের সাথে মতবিনিময় অর্থাৎ ব্লগিং শেষে সকালে নাস্তার টেবিলে হাজির হলাম।ডিম সহকারে পরোটার টুকরো টা গলাধকরণ করতে যাবো এই সময় মনে হলো কে যেনো আমার ডান পায়ের বুড়া আঙ্গুলে তীক্ষ্ম ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।টেবিলের নীচে মাথা ঢুকিয়ে দেখলাম পাশের ফ্ল্যাটে অবস্থানরত খালাতো বোনের আদরের বেড়াল আমার বৃদ্ধাঙ্গুলী কামড়ে ঝুলে আছে।এ অবস্থায় রান্নাঘর থেকে বেলন যোগাড় করে যেই অসভ্য বিড়ালটা কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য তার ঠ্যাং এ বাড়ি দিতে যাবো ওমনি দেখি পত্নী দু'দিকে দুহাত ছড়িয়ে আমার আর বিড়ালের মাঝে বাংলা সিনেমার নায়িকার ন্যায় প্রতিবন্ধক হয়ে দাড়িয়েছেন।এবং আমাকে অশিক্ষিত,পাষন্ড,জানোয়ার ইত্যাদি বিশেষণে ভুষিত করলেন।সেইসাথে যোগ করিলেন এই বিড়ালের গায়ে যদি একটা আঘাতও লাগে তাহলে উনি বাপের বাড়ি চলে যাবেন।বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার কথা শুনে খুশী বোধহয় একটু বেশীই হয়েছিলাম সেটা বোধহয় পত্নীর চোখ এড়ায়নি।তিনি আরও ক্রোধান্বিত হয়ে আমার বেলনখানা নিজের হস্তগত করিয়া উহা পুণরায় আমার দিকে ছুড়িয়া দেবার অভিপ্রায় করিতেই একলাফে বাড়ির বাইরে চলিয়া আসিলাম।

উপসংহার:

বিড়ালের কামড়ে আজকে জুতার বদলে রুপসা হাওয়াই চপ্পল পড়ে অফিসে গেছি কারন ঢাউস সাইজের ব্যান্ডেজ করার ফলে জুতার মধ্যে পা ঢুকাইতে পারছি না।কালকে রাত থেকে না খেয়ে আছি।বাবা,মা ভাই,বউ সবাই খাওয়া শেষ করলেও আমার ভাগের খাবার পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হইছে।আমার মা আমার বউয়ের সাথে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে আমাকে আজকেও ভুখা রেখে শাস্তি দেওয়ার প্ল্যান করেছেন গতরাতে।এই মুহুর্তে ড্রয়িংরুমে বসে ব্লগিং করতেছি।আমার কম্বল,বালিশ সব বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।অনেক খোজাখুজির পর একটা টিনের ব্ক্সের মধ্যে গত শতাব্দীতে তৈরী করা টুস বিস্কুটের সন্ধান পাইছি।পাথরের ন্যায় শক্ত এই বিস্কুট দিয়ে কারও মাথায় বাড়ি মারলে এ্যাটেম্ট টু মার্ডার কাসে ফেঁসে যাওয়ার শতভাগ সম্ভবনা আছে। ২ঘন্টা ধরে সেই টুস বিস্কুট দাত দিয়ে ভাঙ্গার চেষ্টা করতেছি।ইতিমধ্যে আমার সামনের তিনটা দাত শহীদ হওয়ার তালে আছে।পানি আর চা এর মধ্যে বিস্কুট ভিজায়া নরম করার চেষ্টা করতেছি

আমার পদদ্বয়ের সাথেই কেন এমন হয়???।আমি মানুষটা খারাপ হতে পারি কিন্তু আমার পা তো কোনদোষ করে নাই।তাহলে আমার মাথা,হাত,চোখ মুখের করা পাপের শাস্তি আমার পা কেন দেওয়া হচ্ছে?বিধাতার এই বিশাল পৃথিবী তে ইনসাফ বলে কি কিছু নেই????

মেজাজ প্রচন্ড খারাপ হয়া আছে।ছোটবেলায় আমার বাসায় কুত্তা,বিলাই,হাস,মুরগী যা আছিলো সব ২ তলার জানালা দিয়ে ছুড়ে ছুড়ে ফেলতাম।একবার খালার বিড়াল কে ২ তালার জানালা দিয়ে নীচে ছুড়ে ফেলছিলাম একটু পর কাউকাউ শব্দ শুনে জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখি বিড়ালটা খালুর টাকের উপর গিয়ে পড়ছে।আর নখ দিয়ে টাক ধরে ঝুলে আছে।আজকেও সবকিছু ছুড়ে ফেলতে ইচ্ছা করতেছে।বউ,বিলাই,বোন সবকয়টারে জানালা দিয়ে ছুড়ে নীচে ফেলে দিতে মন চাইতেছে।

বিশেষদ্রষ্টব্য:
১।ইহা একটি সিরিয়াস পোষ্ট।কেউ ফান করার চেষ্টা করলে তাকে ব্লক করা হবে।তবে কেউ সমবেদনা জানাতে চাইলে নির্দ্বিধায় জানাতে পারেন।
২।এই পোষ্ট শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়ষ্ক ও বিবাহিতদের জন্য।কোন বাচ্চাপোলা এই পোষ্টে ঢুকলে ও পোষ্ট পড়ে মজা করার চেষ্টা করলে থাবড়া খাবা।


পূনশ্চ: আমার সাময়ীক পোষ্টে যারা যারা মন্তব্য করেছেন সবাই কে ধন্যবাদ।ব্লগার তনুজা কে বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই বারবার আমার বেলনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়ায়

টীকা:ইহা একটি সামুয়ীক পোষ্ট।তবে মন্তব্য সংখ্যা বেশী হয়ে গেলে বেসামুয়ীক করা হইতে পারে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28913702 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28913702 2009-02-20 07:10:37
জানতে চাই??????





আপডেট: ব্লগারদের প্রতিবাদের মুখে রাত ১২ ঘটিকায় বাবুয়ার ব্লগ বাতিল করা হয়েছে........প্রতিবাদ করতে গিয়ে অর্ধডজনেরও বেশী ব্লগার তাদের ব্লগ স্ট্যাটাস হারিয়েছেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28912544 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28912544 2009-02-17 19:21:54
আমার বান্দরবেলা..............৬
ছুডুবেলায় একবার সিনেমায় অভিনয় করছিলাম।মার এক বান্ধবীর হাজবেন্ড ছিলো প্রডিউসার,ডিরেক্টর।উনি একদিন মা কে বললো,আপনার ছেলেকে দেন সিনেমায় অভিনয় করাই।সিনেমায় অভিনয়ের কথা শুইনা আমি খুশিতে গড়াগড়ি খাইতে লাগলাম।কয়েকদিন পর এফডিসিতে গেলাম মার সাথে।আমার প্রথম সীন ছিলো শাবানা আন্টির সাথে।উনি আমারে জড়াইয়া ধইরা গান গাবে আর কানতে থাকবে।সিনেমার লোকজন আমারে আধময়লা একটা কাপড় পরাইয়া শাবান আন্টির কোলে উঠায় দিলো।ডিরেক্টর অ্যাকশন বলতেই শাবানা আন্টি আমারে জড়াইয়া ধইরা অভিনয় শুরু কইরা দিলো।অভিনয়ের সময় ইমোশনের চোটে উনি এমনভাবে আমারে জড়ায় ধরছিলো যে চাপের চোটে চোখমুখ উল্টায়া আমার দম যায় যায় অবস্থা।শাবান আন্টি আমারে কোলে নিয়া গান গায়াই চলতেছে আর এদিকে আধময়লা পোষাকের ভিতরে ছারপোকা না উকুন জাতীয় পোকার কামড়ে আর উনার শরীর থেইকা আসা ঘামের গন্ধে আমার মইরা যাওয়ার অবস্থা।কিছুক্ষন পর ডিরেক্টর কাট বলতেই আমি একলাফে ঊনার কোলের থেইকা নাইমা দৌড়ায়া মার কোলে উঠলাম।একটু পর গানের আরেকটা সীবের জন্য আমারে ডাক দিলে আমি আর মার কোলের থেইকা নামি না।সবাই আইসা আমারে নেওয়ার জন্য টানাটানি শুরু কইরা দিলো।শেষে শাবান আন্টি আইসা কইলো কি হইছে বাবু?আমি উত্তর দিলাম আপনের বগল থেইকা ঘামের গন্ধ বাইর হইতেছে আপনে নোংরা গোসল করেন না,আমি আপনের সাথে অভিনয় করবো না।আমার একথা শুইনা ইউনিটের সবাই তব্দা খায় দাড়ায় থাকলো।ডিরেক্টররে দেইখা মনে হইতেছিলো উনি যে কোনসময় উনি হার্টফেল করতে পারেন।এই ঘটনার পর আমারে আর অভিনয়ের জন্য ডাকে নাই।পরে শুনছিলাম শাবানা আন্টি নাকি এই ঘটনার পর দুইদিন শুটিং এ আসেন নাই।

একবার আমার এক খালাতো ভাইয়ের জন্ডিস হইছিলো।জন্ডিসের জন্য সারাক্ষন বাসায় শুয়ে থাকতো।স্কুল,পড়াশোনা সব বাদ ছিলো।এইটা দেইখা আমি ভাবলাম আমারও যদি জন্ডিস হইতো তাহলে আমারও পড়াশোনা করা লাগতো না।আমি জন্ডিস হওয়ার উপায় খুজতে লাগলাম।এদিকে খালাতো ভাইয়ের জন্ডিস বেড়ে যাওয়াতে শরীর পুরা হলুদ হয়ে গেছিলো।আমি ভাবলাম আমার শরীর যদি হলুদ হয়ে যায় সবাই মনে করবে আমারও জন্ডিস হইছে।এসব ভাবনা চিন্তা করে স্টোররুমে রঙ্গের ডিব্বা থেইকা হলুদ রং নিয়া শরীরে ঢাইলা দিলাম।তারপর ব্রাশ দিয়া ঘইষা ঘইষা পুরা শরীর হলুদ কইরা ফেললাম।রঙ্গের সাথে প্লাস্টার না কি যেন মেশানো ছিলো জানতাম না।রং করা শেষ হইলে রুম থেইকা বাইর হইয়া উঠানে আইসা ভাউয়া ব্যাঙ্গের মতো উপুর হয়া শুয়ে থাকলাম একটু পর রোদে রং শুকাইতে শুরু করলো।রং পুরাপুরি শুকানের পর দেখি আমি আর নড়তেচড়তে পারি না।আমার হাত পা সব শক্ত হইয়া আছে।আমার অবস্থা পুরা খারাপ।এদিকে কাউকে ডাকতে পরতেছি না কারন ঠোট একটার সাথে আরেকটা লাইগা আছে।একটু পর কাজের বুয়া উঠানে আইসা দেখে হলুদ রং এর কি যেন উঠানে চিৎপাত হয়ে শুয়ে আছে।এইটা দেইখা বুয়া বিকট একটা চিৎকার কইরা মাথা ঘুরাইয়া লাট্টুর মতো পইড়া গেলো।বুয়ার চিৎকারে সবাই উঠানে আইসা দেখে সে জ্ঞান হারায়া পড়ে আছে আর হলুদ মতো একটা বস্তু উঠানে ভাউয়া ব্যাং এর মতো চিৎপাত হয়া আছে।ছোটমামা কোথেইকা একটা লম্বা লাঠি নিয়া আইসা আমার ভুড়ির মধ্যে গুতাইতে লাগলো।ঠোট বন্ধ থাকায় আমি কিছু বলতে পারতেছিলাম না,নড়তেও পারতেছিলাম না আর এদিকে লাঠির গুতা খায়া আমার সুন্দর ভুড়িটা ফাইটা যাবার দশা।একসময় নানীও একটা লাঠি নিয়া আইসা আমারে গুতাগাতি দিয়া বলে এইটা তো তামিমের মতো লাগতেছে।পরে সবাই মিলে আমারে ঘরে নিয়া গেছিলো।পরে তারপুলিন না কি যেন আমার শরীরে ঘইসা ঘইষা শরীর থেইকা রং উঠাইছিলো।এই ঘটনার পর বুয়ার অনেক জ্বর হইছিলো।সে মনে করছিলো তারে জ্বীন ধইরা নিতে আসছিলো।

একবার আমার খালাতো ভাই কোথেইকা যেনো জোলাপের গুলি যোগাড় কইরা নিয়া আসছিলো।একদিন ভাইয়ার ঘর থেইকা ঐ গুলি চুরি করে ছাগলের খাবারের সাথে মিশায় দিছিলাম।দুপুরে যথারিতী নানার পেয়ারের ছাগল দুইটা রাজার মতো খাবার খায় উঠানে বইসা জাবর কাটতেছে।একটু পর বসা অবস্থাতেই ছাগল দুইটার পিছনদিক থেইকা পাতলা পায়খান বাইর হওয়া শুরু করলো।সবসময় ছাগলরে গুটি গুটি খেজুরের বিচীর মতো লাদি ছাড়তে দেখছি।ঐবার প্রথম কোন ছাগল কে পাতলা হাগু করতে দেখছিলাম।সারাদিন হাগু করতে করতে দুর্বল হয়া এমন অবস্থা হইলো যে ছাগল দুইটা আর উঠতে পারে না।বইসা বইসাই হাগু করতে লাগলো আর করুণ স্বরে ম্যা ম্যা করতে লাগলো।পরে রাতে ডাক্তার ডাইকা হাগু বন্ধ করতে হইছিলো।

চলবে......................

আমার বান্দরবেলা......১
আমার বান্দরবেলা.......২
আমার বান্দরবেলা........৩
আমার বান্দরবেলা........৪
আমার বান্দরবেলা........৫

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28910903 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28910903 2009-02-14 04:21:23
স্বপ্ন স্বপ্নটা যখন ভাঙ্গবে- তখনই "মৃত্যু" দুয়ারে।

ব্যক্তিগতভাবে........

আমি বহুদিন ধরে স্বপ্নটাকে ভাঙ্গানোর চেষ্টা করছি,
পারছি না।
এমনকি তোমার স্বপ্নটাকেও ভাঙ্গানোর চেষ্টা করছি,
সেটিও পারছি না।

কারন ভেবেছিলাম.........

মৃত্যুতে মৃত্যুতে আমরা দুজনেই একটি নতুন পৃথিবীর
জন্ম দিতে পারতাম।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28909478 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28909478 2009-02-11 03:21:17
আমার বান্দরবেলা............৫
প্লে গ্রুপে থাকতে বার্ষিক অনুষ্ঠানে একবার রাজপুত্রের অভিনয় করছিলাম।নাটকের শেষ সিনে রাজপুত্র ডাইনিবুড়ী কে মেরে রাজকন্যারে নিয়া রাজ্যে ফিরা যায়।তো শেষ সীনের আগে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে গেছিলাম।বাথরুম থেইকা বাইর হইতে না হইতে শুনি শেষ দৃশ্যের ঘোষনা হয়া গেছে।আমি প্যান্ট না পইড়াই রাজকন্যারে বাচাঁইতে আমার কাঠের তালোয়ার নিয়া স্টেজে দৌড় মারলাম।অবস্থা বেগতিক দেইখা ডাইনীবুড়ীর পোষা বাঘ আমারে পাঁজাকোলা কইরা স্টেজের বাইরে নিয়া যাইতে চাইলো( বাঘ সাজছিলো স্কুলের এক স্যার)।কিন্তু তখন আমি রাজকন্যারে পাষাণ ডাইনীবুড়ীর হাত থেইকা উদ্ধার করার জন্য মরিয়া।বাঘের চোখে কাঠের তালোয়ার দিয়া দিলাম এক রামগুতা,গুতা খায়া বাঘ 'বাপরে' বইলা মাটিতে গড়াগড়ি খাইতে লাগলো এদিকে আমি ডাইনীর সামনে গিয়া তালোয়ার দিয়া মাথায় এক চাটি মাইরা বললাম "এবার তোর শয়তানী শেষ রাক্ষসী"।ডাইনী নেংটা রাজপু্ত্ররে দেইখা ডায়লগ ভুইলা হা কইরা আমার দিকে তাকায় রইলো।আমি ভাবলাম এখন যদি ডাইনী ডায়লগ না দিতে পারে তাহলে তো নাটক ভন্ডুল হয়া যাবে।তাই আমিই বানায় বানায় কয়েকটা ডায়লগ মাইরা লাথিগুতা দিয়া ডাইনিরে মাটিতে শুয়াইয়া রাজকন্যার দিকে বললাম 'চলো এবার রাজ্যে ফিরে যাই"।বইলাই একখানা নুরানী হাসি উপহার দিলাম। রাজকন্যা আমার দিকে এতোক্ষন হা করে তাকায় ছিলো।আমি রাজ্যে ফিরা যাবার কথা বলতে ফিক কইরা হাইসা দিয়া বলে "ছিহ! তুমি তো নেংটু।তোমার সাথে যাব না" বইলা মুখ ঢাইকা উল্টা দিকে দৌড় দিছে।এদিকে রাজকন্যারে ছাড়া ফিরা গেলে রাজ্যে আমার মান-সুলেমান কিছুই থাকবে না তাই রাজকন্যারে ধরার জন্য আমিও পিছে পিছে তালোয়ার উঁচায়া দৌড়াইতে লাগলাম।এদিকে দর্শকরা আমার কান্ড দেইখা হাসাহাসি শুরু কইরা দিছে।আমি ভাবলাম রাজকন্যারে ধরতে পারতেছি না দেইখা সবাই হাসতেছে।অপমান থেইকা বাঁচার জন্য আরও জোরে রাজকন্যার পিছনে দৌড়াইতে লাগলাম।বহুৎ দৌড়ানির পর রাজকন্যার চুলের নাগাল পাইলাম।চুল ধইরা হিড়হিড় কইরা টানতে টানতে আমার রাজকন্যারে স্টেজের ভিতর নিয়া গেলাম।নাটক শেষে অনেক হাততালি পাইছিলাম।ফার্স্ট প্রাইজও পাইছিলাম।তবে রাজকন্যারে বাঁচানের জন্য নাকি প্যান্ট না পইড়া স্টেজে ঢুকার সাহস দেখানের জন্য পুরস্কারটা পাইছিলাম সেটা আজও বুঝি নাই।নাটক শেষে সবাই বাসায় চইলা যাবে এমন সময় আমি শুরু করলাম কান্নাকাটি।রাজকন্যারে ছাড়া বাসায় কিছুতেই ফিরবো না।হাউমাউ কইরা কানতে শুরু করলাম।আমার কান্দা দেইখা রাজকন্যাও কাঁনতে শুরু কইরা দিলো।সে ও আমার সাথে আমার বাসায় যাবে।আমাদের সম্মেলিত আহাজারিতে আমাদের বাপ মার মন গললো।শেষ পর্যন্ত রাজকন্যারে বগলদাবা কইরা আমার রাজ্যে মানে বাসায় নিয়া আসছিলাম।সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলাধুলা কইরা,পরে আবার আসবার কথা দিয়া রাজকন্যা তার রাজ্যে ফিরা গেছিলো।বাসায় যাওয়ার আগে আমার একটা হাতি নিয়া গেছিলো আর ফেরত দেয় নাই।

ছুডুবেলায় হাগু করাটা আমার সবচেয়ে অপছন্দের কাজ আছিলো।সবসময় ভাবতাম হাগু করার ব্যাপারটা না থাকলে মানুষের কত সময় বাঁচতো।আমার এমন দার্শনিক চিন্তাভাবনা থেইকা বাইর করলাম যে বাথরুম করার রাস্তা বন্ধ কইরা দিলে আর কোন চিন্তা থাকবে না।যতই খাও হাগু বের হবে না।বাসায় ফেভিকল জাতীয় একধরনের আঠা ছিলো।ঐটা হাগু করার রাস্তায় পুরাটা ঢাইলা দিয়া চুপচাপ বিছানায় শুয়ে থাকলাম।ঘন্টাখানেক পর দেখি আঠা শুখায় গেছে।কিন্তু সমস্যা হইলো হাটার সময় পাছা উঁচায়া হাটতে হয়।যাই হোক ঐ ভাবেই হাটাহাটি করতে লাগলাম।সারাদিন ভালোই কাটছিলো।কিন্তু বিকালের দিকে অবস্থা খারাপ হইতে লাগলো।কড়া হাগু চাপছিলো আবার হাবিজাবি খাওয়ার ফল হিসেবে বিষাক্ত বায়ু বাইর হবার জন্য আকুলিবিকুলি করতেছিলো।সন্ধ্যার দিকে অবস্থা আরও খারাপ হইলো।ব্যাথার চোটে আমি বিছানায় শুইয়া গড়াগড়ি করতে লাগলাম।মা জিজ্ঞেস করে,' কি হইছে?' আমি বললাম,হাগু চাপছে কিন্তু করতে পারতেছি না।আঠা দিয়া হাগুর রাস্তা বন্ধ করে দিছি।মা শুইনা প্রায় ভীড়মি খায়া পড়ে।বাবা তাড়াতাড়ি ডাক্তারের কাছে নিয়া গেলো।ডাক্তার অনেক কিছু করার পর রাস্তা পরিস্কার হইলো আর আমি হাগু করতে পারলাম।এই ঘটনার পর একটা চরম সত্য ছুডুবেলাতেই বুইঝা গেছিলাম তা হইলো, "ভোগে নয়,ত্যাগেই শান্তি"

নানার ২ টা ছাগলই আমারে অনেক যন্ত্রনা করছে,তবে চার বার ডলা খাওয়ার পর আমারে দেখলেই উল্টাদিকে দৌড় দিতো।ফলে আমিও কিছু করার সুযোগ পাইতাম না।এসব কারনে মনটা প্রায়ই উদাস থাকতো।অবশেষে একদিন সুযোগ আসলো।দুপুরবেলায় দেখি ছগল দুইটা রোদে বইসা ঝিমাইতেছে।আমি রান্নাঘর থেইকা মরিচের গুড়া আইনা ছাগল দুইটার পশ্চাৎদেশে পুরা বয়াম ঢাইলা দিলাম।একটু পর পাছা জ্বলা শুরু করলে ছাগল দুইটাই কিয়ামত আইসা গেছে এমন ভাব কইরা চিৎকার শুরু করলো সেইসাথে একেকটা লাফে দশ হাত উপরে উইঠা যাইতে লাগলো।মা ছাগলের চিৎকার শুইনা লাঠি হাতে বাইর হইলো আমারে মারার জন্য,ততোক্ষনে আমি এক লাফে বাসার বাইরে।পরে বাসায় আইসা শুনি কালো ছাগল টা নাকি লাফালাফি করতে করতে বাসার দেয়ালে উইঠা গেছিলো।এই ঘটনার পর বেশ কিছুদিন ছাগল দুইটা পাছা চিপায় চিপায় হাটতো আর করুন সুরে ম্যাৎকার করতো।


চলবে.............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28906450 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28906450 2009-02-04 06:01:21
না পাঠানো চিঠি তুমি হয়তো ভুলেই গিয়েছো কতদিন তোমাকে সুন্দর সকাল দিয়েছি-
যার অপেক্ষা তুমি করেছিলে অনেকদিন ধরে,
তারপর আমি তোমাকে ভরা রোদ্দুরের মতো দুপুর দিয়েছি-
যার প্রতীক্ষায় তুমি ছিলে বছরের পর বছর,
তোমাকে আমি বিকেল দিয়েছিলাম বৃষ্টির মতো উজ্ঝল-
যা তুমি বহু শতাব্দী ধরে খুজেও পাওনি,
সন্ধ্যার পর রাত্রি দিয়েছিলাম জোৎন্স্যার অবসরে-
যেখানে রাতের কষ্ট জুড়ে গিয়েছিলো সত্যিকারের জোৎন্স্যায়।

যেভাবে বেঁচে আছি সেটাই বলি শোনো-

একটা সুন্দর সকালের প্রত্যাশায় যখন মেতে উঠি,
দেখি, সকালের নাস্তা শুকিয়ে গেছে।
অচেনা পথে হাটতে শুরু করি,
প্রচন্ড রোদ্দুরে, যখন সূর্য্য মাথার উপরে,বিদ্রোহী হয়ে উঠি ঈশ্বরের প্রতি।
যখন খুব বৃষ্টি হয়,ভাবি একটু ভিজে আসি,ভাবনায় চলে,আসে না শরীর খারাপ করতে পারে,
বিকেলের শেষ আলো টা যখন নিভু নিভু, তখন-
কখনো পুরোন প্রেমিকার কথা অগোচরে মনে আসে,
বাতাসে হাতরিয়ে মরি।
সন্ধ্যার অবসরে আড্ডার মাঝে অতীতের কফি হাউসের মৃত্যু আর্তনাদ কানে বাজে।
অবহেলায় রাতের খাবারে জিহবায় পানি জমে না,ক্ষুধা থেকে যায়।
তারপর ঘুমুতে যাবার ভান করি নিজের সাথে,আমাকে না জানিয়ে কখন যে ঘুম চলে আসে-সে নিজেও বলতে পারে না।

যখন ঘুম ভাংগে,দেখি পিসি টা বন্ধ্ করা হয়নি,
গান বেজে যাচ্ছে...."ভোর হয়নি,আজ হলোনা,কাল হবে কিনা তাও জানিনে,পরশু ভোর ঠিক আসবে- এই আশাবাদ তুমি ভুলোনা"

তারপর আবার একটা সকাল চলে আসে।
প্রত্যাশা শুরু হয়-নতুন করে,নতুন ভাবে,নতুন কোথাও।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28906225 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28906225 2009-02-03 17:24:15
A Girl Like You...........Edwyn Collins Now just like in a song from days of yore
Here you come a knockin', knockin' at my door
And I've never met a girl like you before
You give me just a taste so I want more and more
Now my hands are bleeding and my knees are raw
Now you've got me crawlin', crawlin' on the floor
And I've never met a girl like you before
You've made me acknowledge the devil in me
I hope to God I'm talkin' metaphorically
Hope that I'm talkin' allegorically
Know that I'm talkin' about the way I feel
And I've never known a girl like you before
Never, never, never, never
Never known a girl like you before
This old town's changed so much
Don't feel like I belong
Too many protest singers
Not enough protest songs
And now you've come along
Yes you've come along
And I've never met a girl like you before



A Girl Like You Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28903797 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28903797 2009-01-29 05:13:56
..........

আপনার একাউন্টটি স্থগিত করা হয়েছে
উপর্যুপরি নিয়ম ভঙ্গ করায় আপনার একাউন্টটি স্থগিত করা হয়েছে। আপনার একাঊন্টটি ২ দিন পর আবার খুলে দেওয়া হবে তবে, আপনাকে নজরে রাখা হবে। দয়া করে ব্লগ সাইটের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলুন যাতে করে আপনি নজরদারি থেকে মুক্ত হতে পারবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28899235 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28899235 2009-01-18 22:19:07
WHY SO SERIOUS! WHY SO SERIOUS!" ব্যাটম্যান সিনেমার এই ডায়লগটা খুব পছন্দ হইছিলো।চারপাশের বাংলা পাঁচের মতো সিরিয়াস মুখ করে রাখা মানুষগুলিকে দেখলে মাঝে মাঝে এই ডায়লগটা খুব বলতে ইচ্ছা করে।যেদিকেই যাই দেখি সবাই কেমন যেন সিরিয়াস ভাব নিয়ে থাকে।সকালে ঘুম থেকে উঠলে দেখি মা সিরিয়াস মুখব্যাদান করে টেবিলে নাস্তা সাজাইতেছে,বাবাও সিরিয়াস মুখে পেপার পড়তে পড়তে আটার রুটি ভাজি সহকারে মুখে পুরতেছে,ছোটভাই সিরিয়াস মুখে কাধেঁ ব্যাগ ঝুলিয়ে ভার্সিটিতে যাবার প্রস্তুতি নিতেছে আর মোবাইলে বান্ধবীর সাথে সিরিয়াস তর্ক করতেছে।গোল গোল পেট ফোলা রুটিও দেখি ড্যাবড্যাব চোখে তাকায়া বলতেছে, 'গরম থাকতে থাকতে আমাকে মুখে পুরো'। রুটির সিরিয়াস চোখ রাঙ্গানি উপেক্ষা করে পটাপট কয়েকটা পেটের ভিতর চালান করে ব্যাগ হাতে অফিসে রওনা হওয়ার সময় দেখি রাস্তার পাগলটা সিরিয়াস মুখভঙ্গী করে ট্রাফিক কন্ট্রোল করতেছে আর তারপাশে ট্রাফিক পুলিশ পান চাবাঁতে চাবাঁতে সিরিয়াস মুখে বসে আছে।রাস্তা থেকে মুখ ফিরিয়ে গাড়ির ড্রাইভারের দিকে তাকিয়ে দেখি সেও সিরিয়াস ভাব নিয়ে গাড়ি চালায়তেছে একটু পরপর আমার দিকে ফিরে ফিরি তাকায়তেছে।কি সমস্যা জিজ্ঞেস করলে আরও সিরিয়াস মুখভঙ্গী করে কিছুই হয় নাই বলে গাড়ি চালনায় মনোযোগ দেয়।অফিসে নেমে লিফটের সামনে দাড়াতেই দেখি লিফটম্যান সিরিয়াস মুখে সালাম দিয়ে ততোধিক সিরিয়াস ভাবে লিফটের বোতামে চাপ দেয়।অফিসে ঢুকতে না ঢুকতে স্টাফদের সিরিয়াস মুখে ফাইল দেখা তাদের উপর দৃষ্টি পড়া মাত্র আরও সিরিয়াস ভাবে ফাইল দেখা শুরু করা পারলে ফাইলের ভিতর ঢুকে যায়।নিজের রুমে ঢুকামাত্র পি.এর ফাইল নিয়ে সিরিয়াস মুখব্যাদান করে ঢুকা ততোধিক সিরিয়াস মুখে দিনের কার্যবলী জানিয়ে দেওয়া.....সবকিছুতেই কেমন সিরিয়াসভাব...........সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে দেখি বাবা,মা অনাগত ভবিষ্যত নিয়ে সিরিয়াস আলোচনায় মত্ত,ছোট ভাইও ভার্সিটি শেষে বাসায় ফিরে এক্সবক্সে নতুন গেম খেলায় সিরিয়াস ব্যস্ত।রাতে সবাই সিরিয়াস ভাবে খাওয়াদাওয়া শেষে ঐ একইরকম সিরিয়াসমুখভঙ্গী করে ঘুমাতে যাওয়া দেখে আমার দিন শেষ হয়..

যে দিকেই তাকাই সবাই সিরিয়াস।কেউ লেখাপড়া নিয়ে সিরিয়াস,কেউ সংসার নিয়ে সিরিয়াস,কেউ প্রেম করা নিয়ে দারুন সিরিয়াস,কেউবা ছ্যাকা খেয়ে সিরিয়াস,আবার কেউ প্রেম করতে না পারার কারণসমূহ খুজঁতে সিরিয়াস।দুনিয়ায় আমিই শুধু সিরিয়াস হতে পারলাম না।ছোট থেকেই সবকিছু নিয়ে হাসিঠাট্টা করা আমার স্বভাব।সবকিছুতেই হাসিঠাট্টার কিছু না কিছু কারব খুঁজে পাই।একবার রাস্তা দিয়ে হাটতে হাটতে কলার খোসায় পা পিছলে পড়ে গিয়ে হাসতে শুরু করে দিছি।বন্ধুরা রেগে গিয়ে বললো,"গাধা এতে হাসির কি হলো?"আমার জবাব ছিলো,পিছলে পড়ে যাবার সময় চোঁওওওত করে একটা শব্দ হইছে,বাংলা সিনেমায় নায়ক যখন লাফ দেয় তখনও এমন চোঁওওওত শব্দ হয় তাই ঐটা মনে করে হাসছিলাম।আর একবার তিনবন্ধু রিকশা করে ঘুরার সময় এক গাড়ির সাথে ঢাক্কা খেয়ে রিকশা উল্টিয়ে ২ বন্ধু পড়ে গেছিলাম আর একজন রিকশার মধ্যে উল্টা হয়ে ঝুলতে ছিলো ঠিক যেন গাছের মধ্যে লেজের সাহায্যে ঝুলে থাকা লাঙ্গুর,ঐ দৃশ্য দেখেও হাসি এসে গেলো।পড়ে যাবার ফলে হাত মাথা থেকে রক্ত ঝরছিলো,কিন্তু হাসি থামতে পারছিলাম না।

সবকিছু নিয়ে হাসিঠাট্টা করার জন্য বাবা,মা,বউ ,বন্ধুবান্ধব সবার কাছেই কম বেশী ঝাড়ি খাওয়ারঅভিজ্ঞতা হইছে।ছোট থেকে বাবা,মা ঝাড়ি দিয়ে আসছে,এখন থেকে সিরিয়াস না হলে জীবনে কিছু করতে পারবো না।কোনসময় হতাশ হয়ে আত্মীয়স্বজনদের কাছে অনুযোগ আমার বড় ছেলে কোনকিছুতেই সিরিয়াস না,কি যে হবে ওর।প্রেম করার পর বান্ধবীর অভিযোগ ,'আমাদের সর্ম্পক নিয়ে কবে সিরিয়াস হবা তুমি????।এভাবে তো কোনকিছু চলতে পারেনা।বিয়ের পর অনুযোগ,এখন তো একটু সিরিয়াস হও,সবকিছু নিয়ে হাসিঠাট্টা করলে জীবন চলবে।বন্ধুদের অভিযোগ, "শালা জীবনে সিরিয়াস হইলি না, না লেখাপড়া,না অন্যকিছুতে,তারপরও পাড় পেয়ে গেলি"

ছোট থেকেই আমার স্বভাবছিলো নিজে হাসবো,সবাইকে হাসাবো।ছোট্ট এই জীবনটা হেসেখেলে পার করে দিতে চাই।হয়তো এ কারনেই সবকিছুতেই আনন্দ খুজে বেড়াই ।জীবনের সবচেয়ে খারাপ মূহুর্তগুলিতেও আমি আনন্দ খুঁজে নেই।তবে একটা ব্যাপারে কখনোই হাসিঠাট্টা করতে পারিনা, "ঊনিশশ একাত্তর"।মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা,শহীদ, রাজাকার,আলবদর শব্দগুলি কানে আসলেই কেমন যেন হয়ে যাই।সমস্ত দেহ কাঁপতে থাকে রাগে ঘৃণায় ঐ সব ৭১ এর দালাল পাকি শুয়োরেরজাত উপর।কোথাও মুক্তিযুদ্ধ,মুক্তিযোদ্ধা শব্দটার অপমান হতে দেখলেই হাত,পা,মুখ একসাথে চলে আমার।সেটা ব্লগে হোক আর বাস্তবে হোক।এর জন্য অনেকের কাছে গালিবাজ,বেয়াদপ কথাগুলি শুনতে হইছে।অবশ্য তাতে কিছু যায় আসেনা আমার।যখনই কোন বেজন্মা আমার দেশ,দেশের ইতিহাস বিকৃতি করার চেষ্টা চালাবে, তার উদ্দেশ্যে হাত,পা,গালি সবকিছু একসাথে চলবে আমার।মুক্তিযুদ্ধ কে অপমান করার জন্য একদিন বন্ধুর বড় ভাইকে লাথি মেরে বন্ধুর সাথে সারাজীবনের জন্য দেখাসাক্ষাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।বন্ধুর সাথে তাদের গ্রামের বাড়ীতে জামাতের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে বেজন্মাদের হাতে বেধড়ক মার খেয়ে ২ মাস শয্যাশায়ী থাকলেও,মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে উৎসাহ কখনো কমেনি।সুস্থ হওয়ার পর আবারও গিয়েছিলাম একই এলাকায়,একই মানুষগুলির সামনে। রাজাকারের ছবি সহ পোষ্টারিং করেছি আনাচে কানাচে।

কিন্তু ইদানীং হয়তো সবার মতো আমিও সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছি।আগের মতো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে মজা পাইনা।রাস্তায় পুরান কোন বন্ধু দেখলে রিকশা থামিয়ে ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরে বলিনা,'কি'রে দোস্ত কি খবর।কতদিন পর দেখা,বাসায় চলা শালা"।ছুটির দিনে কেউ বেড়াতে আসলে এখন আর ঊৎসব উৎসব মনে হয় না বরং কিছুটা বিরক্তই হই.মনে মনে বলি,' কি জ্বালারে বাবা"।ঘরের মধ্যে আগের মতো মতো কিছু অগোছালো করে রাখি না।অফিস থেকে ফিরে এখন আর জুতা ছুড়ে মারি না,গোছল শেষে ভেজা তোয়ালে বিছানায় ফেলে রাখি না।সবকিছুই এখন তাদের জায়গামতো থাকে.....তোয়ালে,বালিশ,চাদর,জুতা,শার্ট........।সবকিছু............শুধু আমি ছাড়া................

ধুসসসসসসসসসসস শ্লা! !!!!!!! ভাবছিলাম একটা মজার পোষ্ট দিবো।লেখলাম একটা হাবিজাবি..........আমার মাথা মনে হয় দিন দিন খারাপ হয়া যাইতেছে.......একটা বিড়ি ফুঁইকা মাথা ঠান্ডা কর্তে হবে।

যাওয়ার আগে একটা ঘটনা শুনাই:

আমার নানার ২টা ছাগল ছিলো।একটা লাল,আরেকটা কালো।একদিন দুপুরে মার হাতে উত্তমমধ্যম খাওয়ার পর উঠেনে বসে আকাশের দিকে উদাস নয়নে চেয়ে সন্যাসী হয়ে হিমালয় যাওয়ার চিন্তাভাবনা করতেছি এমন সময় দেখি,নানার কালো ছাগলটা, উঠানে শুকাতে দেওয়া মার সাধের সবুজ শাড়ীখানার একপ্রান্ত মুখের ভিতর পুরে আরামসে চাবাইতেছে।ছাগলটা রেকর্ড টাইমে শাড়ীটা গলাধকরন করতে পারে কিনা দেখার জন্য উৎসুক নয়নে তাকায় ছিলাম এমন মাতাশ্রী পিছন থেকে আমার কর্ণযুগল ধরে এমন টান দিলো যে, মনে হইতেছিলো যেন আমার কর্ণদ্বয় টানিয়া লম্বা করে গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ড রের্কডে নাম লিখাবে।আমি মার হাতে এক কামড় দিয়ে নিজেকে ছুটিয়ে বাড়ির পেয়ারা গাছের মগডালে উইঠা বইসা রইলাম।মার ভয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঐ খানেই ছিলাম।অন্ধকার গাঢ় হইলে পা টিপেটিপে ঘরে ঢুকার সময় দেখি ছাগল টা বারান্দায় বসে মনের সুখে জাবর কাটতেছে।আমার সব রাগ গিয়ে পড়লো ছাগলের উপর কারন ছাগলটা যদি সময়মতো মার শাড়ীতে গিলতে পারতো তাহলে আজকে মার হাতে কানমলা খেয়ে সন্ধা পর্যন্ত বাইরে থাক লাগতো না। ছোটমামার ঘরে পর্দা টানানোর একটা লম্বা রুলার ছিলো,রাগের চোটে ঐ রুলার নিয়া এসে ছাগলের পিছন দিকে জোড়ে গুঁতা দিলাম।গুতা দিয়ে দেখি রুলার ইন্চি ছয়েক ছাগলের পাছার ভিতর ঢুকে গেছে।পাছায় ডান্ডা ঢুকার ফলে ছাগল তো আকাশ বাতাশ ফাটায়া ব্যা ব্যা শুরু কর্ছে,আমি এক দৌড়ে আবার ঘরের বাইরে।শব্দ শুইনা সবাই ছুটে এসে দেখে ছাগলটার পাছায় একটা ডান্ডা ঢুকে আছে আর ছাগলটা চেষ্টা করেও দাড়াইতে পারতেছে না।অনেক চেষ্টাচরিত্রের পর ছাগলের পাছা থেইকা ডান্ডা বাইর করতে হইছিলো।এরপরে যতদিন ছাগলটা আমাদের বাসায় ছিলো সবসময় পাছা উঁচায়া উঁচায় হাটতো।মনে হয় পিছনদিকের ব্যাথা তার সারাজীবনও সারে নাই।


পুনঃশ্চ : উপরে বর্ণিত ছাগলের ঘটনার সাথে বাস্তব জীবন অথবা ব্লগের কোন চরিত্রের মিল না খুঁজিবার অনুরোধ করা যাচ্ছে।কেহ যদি মিল খুজিয়া পান তবে তাহা নিতান্তই কাঁকতালীয় ব্যাপার এবং তাহার জন্য লেখক কোনমতেই দায়ী থাকিবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28898139 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28898139 2009-01-16 05:31:20
আমার বান্দরবেলা.............৪
কয়েকদিন পরও ডিমে তাঁ দেওয়ার কথাটা মাথা থেইকা সরাইতে পারলাম না।একদিন মারে জিজ্ঞেস করলাম,আম্মু আমি কেমনে হইছি?" মা কইলো, "তুমি পেটের ভিতর থেইকা আসছো"।আমি কইলাম তাইলে পেট রে কে তাঁ দিছিলো?তুমি বাবার পেটে বইসা তাঁ দিছো নাকি বাবা তোমার পেটে বইসা তাঁ দিছে"।একথা শুইনা মা গালে একটা থাবড়া বসাইয়া বললো,'বেশী পাকনা হইছো"।
সেদিন মায়েরকাছে থাবড়া খাওয়ার কারন ক্লাশ ৯ এ উইঠা বুঝছি।

ছুডুবেলায় জ্বর হইলে মা মাথায় পানি ঢালতো।একদিন টেলিভিসন দেখতেছি হঠাৎ টিভির উপরে হাত দিয়া দেখি গরম হয়া গেছে।টিভির জ্বর হইছে মনে কইরা সাথে সাথে মগে কইরা পানি আইনা টিভির উপরের ফুটাগুলি দিয়া ঢাইলা দিলাম।একটু পর দেখি ফটাশ কইরা শব্দ কইরা টিভি বন্ধ হয়া গেছে।আমি মারে ডাইকা আইনা বললাম আম্মা টিভি মইরা গেছে।আম্মা টিভির অবস্থা দেইখা কইলো," টিভির উপর পানি ঢালছো কেন?"আমি কইলাম টিভির জ্বর হইছিলো তাই মাথায় পানি দিছি,কিন্তু জ্বর মনে হয় বেশী ছিলো তাই টিভি মইরা গেছে।

বড় খালুর মাথায় চুল আঁকার কারনে মাইর খাওয়ার ফলে কয়েকদিন ছবি আঁকা বন্ধ ছিলো।কিন্তু বড় বড় শিল্পীদের কেউ দমায় রাখতে পারেনা।আমি ছবি আকাঁর জন্য জায়গা খুজতে লাগলাম।একদিন দেখি বড়মামা তার ঘরে উবু হইয়া শুইয়া আছে।আর তার লুঙ্গী পা ঢাকা বাদ দিয়া মাথা ঢাকার তালে আছে।মামার ফর্সা পাছা দেইখা ভাবলাম শিল্প চর্চার জন্য এর চেয়ে সুন্দর ক্যানভাস হইতে পারে না।ব্রাশ আর রং নিয়া আইসা মামার দুই পাছায় সুন্দর কইরা দুইটা চোখ আইঁকা দিলাম আর কোমড়ে একগাছি চুল।পাছার মাঝখানে চেড়া ছিলো দেইখা নাক,ঠোট আঁকতে পারি নাই।

বাবারে শেভ করতে দেইখা আমারও খুব শেভ করতে ইচ্ছা করতো।একদিন বাবার রেজর নিয়া মাথার দুই পাশে দুইটা টান মারলাম একটু পর দেখি ধানক্ষেতের আঁইলের মতো আমার মাথার দুইপাশে দুইটা আঁইল তৈরী হইছে।শেভ কইরা বাইর হওয়ার পর আমার নতুন স্টাইল দেইখা সবাই পারলে ভিড়মী খায়।পরে সেলুনে গিয়া পুরা মাথা ন্যাড়া করতে হইছিলো।ঐদিন রাতে একটা বিয়ার দাওয়াত ছিলো ন্যাড়া মাথার কারনে যাইতে না চাইলে সবাই আমারে রাইখাই বিয়া খাইতে চইলা গেছিলো........................

চলবে...............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28896762 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28896762 2009-01-13 06:46:59
আমার বান্দরবেলা...............৩
একবার বাবা বিদেশ থেইকা আসার সময় আমার জন্য একটা ঘড়ি আনছিলো।প্রতিদিন শার্ট,হাফপ্যান্ট আর টাই আর ঐ ঘড়ি
পইরা ছোট মামার সাথে সান্ধ্যভ্রমনে বাইর হইতাম।ঘুরাঘুরির সময় একটু পরপর ঘড়িতে সময় দেখতাম আর নিজের মনেই জোরে জোরে কয়টা বাজছে বলতাম, বলার পর চারপাশে এমনভাবে তাকাইতাম যেন সময় জানাইয়া এতো বড় ঢাকা শহরের অবার্চীন মুর্খ মানুষগুলিরে দয়া করতেছি।একদিন ঘড়িতে সময় দেখতে দেখতে রাস্তা দিয়া হাটার সময় ধপাস করে ম্যানহোলের মধ্যে পড়ে গেছিলাম,ছোটমামার চিল্লাচিল্লিতে আশেপাশে লোকজন জড়ো হইয়া আহা উহু শুরু কইরা দিলো,কিন্তু কেউ আমারে উঠাইবার নাম নেয় না,এদিকে আমার, ম্যানহোলের ভিতর দিয়া ভাসতে ভাসতে বুড়িগঙ্গায় গিয়ে রুট চেন্জ কইরা চীনে যাবার ব্যবস্থ্যা প্রায় হয় হয়। শেষ পর্যন্ত এক লোক মামার কাছ থেইকা টাকা নিয়া আমারে উঠাইছিলো।আমার উঠানোর সাথে সাথে গন্ধের চোটে লোকজনের ভীড় চোখের পলকে ফঁকাফঁকা।এদিকে মামা আমারে ধরতেও পারেনা আবার ছাড়তেও পাড়েনা শেষে দোকান থেইকা প্লাষ্টিকের ব্যাগ কিইনা ঐটা হাতে প্যাচায়া আমারে ধইরা বাসায় আনছিলো।বাসায় আসার পর দেখি পাশের বাসার ফিচঁকা টাইপের একমেয়ে আর ওর মা উঠানে দাড়ায় আমার মার সাথে গল্প করতেছে।আমারে দেখা মাত্র ঐ মেয়ে ওর মারে খুঁচা মাইরা কয় "আম্মু দেখ দেখ ঐখানে একটা গন্ধওয়ালা মামদো ভূত দাড়ায় আছে"।এদিকে আমার শরীরের ফরাসী সৌরভের সুগন্ধে বাসার চারদিক মৌঁ মৌঁ করতেছিলো,মামা খালা,নানা,নানী সবাই ছুইটা আসলো এমন পাগল করা সুগন্ধের উৎস খুজতে।অনেক কান্ডকারখানার পরে সবাই মিইলা মীটিং এ বসলো যে কে আমার এহেন সুগন্ধ সহ্য কইরা গোছল দেওয়াবে.....অনেক কাহিনীর পর ঠিক হইলো মা আর ছোট খালা মিলে জয়েন্ট ভেন্চারে আমারে পাকপবিত্র করবে। গোছল করানের সময় গন্ধের চোটে মা আর খালা দুইজনেই কাছে ঘেষতে পারেনা।শেষ পর্যন্ত ছোট খালা কোথ্থেইকা যেন একটা দশ হাত লম্বা ব্রাশ নিয়া আইসা ঐটা দিয়া ঘইষা ঘইষা ময়লা দুর করছে।কিন্তু ময়লা পরিস্কার হইলেও শরীরের গন্ধ দূর হয় না,২টা কসকো সাবান পুরাটা ঘষার পরেও শরীর থেইকা ভূরভূর কইরা ময়লার গন্ধ বাইর হইতেছে।ঐ সময় আমি বাবা,মার সাথে এক বিছানায় ঘুমাইতাম,ঐ ঘটনার রাতে দুইজনেই নাকে মুখে মুখে কাপড়া বাইন্ধা ঘুমাইছিলো।তবে ঐ ঘটনার পর ছোটমামার উপর অনেক রাগ করছিলাম কারন ছোট মামার বোকামীর জন্যই আমার চীন দেশ দেখা হইলো না অথচ আর কিছুক্ষন ম্যানহোলে থাকতে পারলেই ভাসতে ভাসতে সোজা চীনে পৌছায় যাইতাম।

একবার নানা ঠিক করলো বড় মামারে বিয়া দিতে হবে।সবাই মিলে পাত্রী খোজা শুরু কইরা দিলো।এক ঘটক নানারে বললো আমার কাছে একটা মেয়ে আছে দেখতে পুরা নাগিন সিনেমার শ্রিদেবীর মতো।বড় মামা মেয়ের বর্ণনা শুইনা বললো এত টাকাপয়সা খরচ কইরা সাপ বিয়া করমু নাকি?,বাসর রাতে একবার একটা ঠোকর দিয়া বসলে আমার স্বর্গবাস ঠেকায় কে?।আবার সাপ নাকি পুর্নিমার রাতে নাচানাচিও করে,বিয়ার পর মেয়ে কোন না কোন খালবিলে গিয়ে সঙ্গীসাথী নিয়া নাচানাচি করবো রাইত বিরাইতে তারে খুজতে আবার কে যাবে।বহুৎ কিচ্ছাকাহিনীর পর একজন মেয়ে ঠিক হইলো।সবাই মিইলা পাত্রীর বাসায় গেলাম তারে দেখতে।পাত্রী সবার জন্য চা নাস্তা নিয়া আইসা লাজুক লাজুক মুখে চুপ কইরা বইসা রইলো। কথাবার্তা চলতেছে এমন সময় দেখি সবাই নাঁক কুচকানো শুরু করছে,একটু পর টের পাইলাম কে যেন বিষাক্ত বায়ু নির্গমন করছে।মা আমার দিকে এমন ভাবে তাকায়লো যেন আমিই ঐটার জন্য দায়ী,অবশ্য কারনও ছিলো,ছুডুবেলায় হাবিজাবি খাওয়ার ফলে প্রায়ই আমি পিছনদিক দিয়া ফরাসী সৌরভ ছাড়তাম।আমার একেকটা বায়ু একেকটা পরমাণু বোমের ন্যায় শক্তশালী আছিলো।বায়ু থেইকা পরমানু বোম বানানের কোন উপায় থাকলে এতো দিনে বড়লোক হইয়া যাইতাম।আম্রিকা,রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা আমারে মাথায় যে তুলতো আর নীচে নামাইতো না। অবশ্য মাথার উপরে তোলা অবস্থায় বায়ু ছাড়লে তাদের মারা যাবার আশঙ্কাও উড়ায় দেওয়া যাইতো না।

যাই হোক, বায়ু ছাড়ার মিথ্যা অপবাদ থেইকা বাচাঁর আশায় চরিদিকে অনুসন্ধান চালাইতে লাগলাম।সবার পিছনদিকে ঘুইরা ঘুইরা শুঁকতে লাগলাম কে সেই কালপ্রিট।অবশেষে আবিস্কার করলাম বায়ু ছাড়ার জন্য আর কেউ না, স্বয়ং লাজুক মুখের পাত্রীই দায়ী।আবিস্কারের অতিশায্যে চিৎকার কইরা সবাইরে জানায় দিলাম,"মামার জন্য যে মেয়ে তোমরা ঠিক করছো সেই বায়ু ছাড়ছে"।এ কথা শুইনা পাত্রী পারলে কাইন্দা দেয় ।আরও ছুডুবেলায় শুনছিলাম,"অধিক শোকে মানুষ পাথর হয়' আমার কথা শুইনা পাত্রীর বাবা অধিক শোকে গ্রানাইট হয়া গেলো।বাসায় আসার পর মামা বললো, "আমি এই মেয়েরে বিয়া করুম না।এই মেয়ে যদি বাসর রাতে এমন ভাবে ঠাশ ঠাশ কইরা পাঁদ মারতে থাকে,তাইলে পরেরদিন পুলিশ আইসা ঘরের মধ্যে বোমা ফাটাইয়া সন্ত্রাসী কার্যকালাপের জন্য আমারে থানায় নিয়া যাবে। তাছাড়া মেয়ে যদি সারারাত এমনে পাদ মারতে থাকে তাহলে সকালে উইঠা তোমরা, আমার, গন্ধের চোটে মমি হয়ে যাওয়া লাশ পাইবা,পত্রিকায় খবর আসবে বিষাক্ত গ্যাসের কারণে বাসর রাতে মেধাবী স্বামীর মৃত্যু, নববধূ গ্রেপ্তার"......


চলবে..............
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28895801 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28895801 2009-01-11 07:00:57
আমার বান্দরবেলা............২
বহুৎ ঝামেলার পর ছোট খালার বিয়া ঠিক হইলো খালুর সাথে।বিয়ার দিন আমারে আর খালুর এক ভাগ্নীরে ছোট জামাই বউ সাজায়া বসায় দিলো খালা,খালুর পাশে।বিয়ে শেষে খালু,খালারে নিয়া গাড়ীতে উঠবে এমন সময় আমি দিলাম মড়া কান্না জুইড়া,কারন আর কিছুই না আমার খালুর ভাগ্নীও বরযাত্রীর সাথে চইলা যাবে।আমি আমার বউরে (খালুর ভাগ্নী) কিছুতেই যাইতে দিমু না,মেঝেতে গড়াগড়ি কইরা কান্না শুরু কইরা দিলাম।সবাই যতই আমারে বুঝায় আমি বুঝি না, বলতে লাগলাম খালু খালারে বিয়ার পর নিজের বাসায় নিয়া যাইতেছে আমিও আমার বউরে আমার বাসায় নিয়া যামু।আমার কান্না দেইখা খালুর ভাগ্নীও কান্দাকাটি লাগায় দিছিলো, সে মনে করছিলো তারে সত্যি সত্যিই রাইখা সবাই চইলা যাবে।আমারে সবাই বুঝ দিলো যে তোমার বউ আজকে কাপড়চোপড় সাথে নিয়া আসে নাই তাই থাকতে পারবে না কালকে সবকিছু নিয়া তোমার কাছে চইলা আসবে।পরেরদিন ভোরে উইঠা গেলাম বউরে শুভেচ্ছা জানাইতে,হাজার হোক আজকে আমার কাছে চইলা আসবে বাপমারে রাইখা।কিন্তু সারাদিন,দুপুর,বিকাল অপেক্ষা কইরাও দেখি বউয়ের দেখা নাই,দিলাম আবার মড়া কান্না জুইড়া,কান্দার চোটে আমার চোখমুখ প্রায় উল্টায় যায়।পরে বড় মামা খালার শশুর বাড়ীতে আমার বউয়ের কাছে রাইখা আসছিলো।২ দিন ছিলাম ঐ বাসায় ঘরজামাই হইয়া।

আমার সেঝো খালা খুব সুন্দর ছবি আঁকতো।একদিন খালা একটা মেয়ের পোট্রেট আঁকা শেষ করে অন্যরুমে গেছে আমি এই ফাঁকে ঐ ছবির মেয়েটার মুখের দুইপাশে দিছি দুইটা মোছ আঁইকা।মোছ আকার পর মেয়েটার সৌন্দর্য্য আরও বেড়ে গেছিলো কিন্তু আমার বেরসিক খালা সেটা বুঝতে না পাইরা মার কাছে ধইরা নিয়া বিচার দিলো।মা সাথে সাথে নগদে আড়াইমনি ২টা থাবড়া আমার মাসুম গালে বসায় দিলো।কয়দিন পর আবার আমার ভিতরের শিল্পী সত্ত্বা জাইগা উঠলো,দুপুরে খাবার পর মার ঘুমের অভ্যাস ছিলো,এক দুপুরে মা ঘুমাইতেছে,আমি খালার ছবি আঁকার ব্রাশ আর রং চুরি কইরা মার মুখে সুন্দর ২টা চাইনিজ মোছ আঁইকা দিলাম।ঘুম থেইকা জাগার পর মা ঘর থেইকা বাইর হওয়ার পর সবাই মারে দেইখা খিকখিক হাসা শুরু করলো।মা হাসার কারন না বুইঝা সবাইরে বলতে লাগলো, ''কি হইছে? তোমরা আমারে দেইখা হাসতেছো কেন?'' একটু পর আয়নায় চেহারা দেইখা মা তাইম্মার বাচ্চা বইলা এক বিকট চিৎকার দিয়া আমারে ধরতে আসলো।আসার সময় হাতের কাছে এক লাউ পাইয়া ঐটা এক হাতে উঁচায়া ধইরা আমারে দৌড়ানি দিলো।ঐদিন মারে দেইখা মনে হইতেছিলো গদা হাতে শাড়ি পড়া ভীম (পন্চপান্ডবের এক পান্ডবের নাম হইছে ভীম) দৌড়াইতেছে।এরূপ নানা গৃহস্থালী অত্যাচার সত্ত্বেও আমার শিল্প সত্ত্বারে কেউ দমায় রাখতে পারে নাই।আমার পরবর্তী শিল্পকর্মের জন্য বড় খালুর টাকরে বাইছা নিলাম।খালুর টাক ছিলো তেল মাখানো তরমুজের মতো চকচকা।চুল নাই দেইখা খালু সবসময় খুব দূঃখ করতো।খালুর দুঃখ দুর করার গুরু দায়িত্ব আমি নিজের কাঁধে তুইলা নিলাম।একদিন রাতে খালু ঘুমের ঔষুধ খায়া ঘুম দিছে এই ফাঁকে আমি খালুর চকচকা টাকে কালো কালি দিয়া নতুন চুল গজায় দিলাম,কানের দুইপাশে দুইটা জুলপিও আইকা দিছিলাম।পরের দিন ঘুম থেইকা জাগার পর খালু নিজের মাথায় ভ্রমর কালো কেশ দেইখা পুরা ভীড়মি খায় অবস্থা।এরপর যথারীতি মার কাছে বিচার আর আমার কিন্চিৎ ধোলাই খাওয়া.................

চলবে................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28894519 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28894519 2009-01-08 02:55:57
আমার বান্দরবেলা...........১
ছোট থেইকাই নাকি বান্দরের মতো স্বভাব ছিলো।হাসপাতালে জন্মের পর আকাশ বাতাস কাঁপায়া এমনভাবে কানছিলাম যে নার্স আমারে কোলে নিয়া ছিলো সে নাকি আমার আওয়াজ শুইনা ডরের চোটে ভিড়মী খায়া পড়ছিলো।নানা আমার কান্না শুইনা নাকি বলছিলো ভোটের সময় সবাই মাইক ভাড়া দেয়,আমিআমার নাতিরে ভাড়া দিমু,তার গলার আওয়াজ একাই একশ মাইকের কাজ করবে।হাসপাতাল থেইকা বাসায় আনার পর কাউরে শান্তিতে থাকতে দিতাম না এক সেকেন্ডও।সবাই নাওয়া খাওয়া ছাইড়া আমার পিছনে পইরা থাকতো।সবচেয়ে জ্বলাইতাম
রাতেরবেলা।রাত যত গভীর হইতো আমার বান্দরামী তত বাড়তো।আমারে শান্ত কইরা সবাই যখন ঘুমাইতে যাইতো আবার কান্দাকাটি শুরু কইরা দিতাম,এভাবে ভোররাত পর্যন্ত চলতো।সবাইরে জ্বালাইয়া সকালের দিকে ঘুমাইতে যাইতাম আর বাকি সবাই তখন না ঘুমানো লাল লাল চোখ নিয়া দিনের কাজ শুরু করতো

সবচেয়ে বেশি জ্বালাতন করতাম খাবার নিয়া ( এখনও করি)।কোনকিছুই সহজে খাওয়াইতে পারতো না মা আমারে, মুখে কিছু দিলেই ফালায় দিতাম আর নাইলে চোখমুখ উল্টাইয়া এমনভাব করতাম যে ভয়ের চোটে মা আর কিছু দিতে সাহস করতো না।সব পোলাপাইন ফিডার খাইতো দুই হাতে ধইরা আর আমি ফিডার খাইতাম দুই পায়ের মাঝখানে ধইরা।একটু বড় হওয়ার পর ফিডার খাওয়া শেষ হইলে জানালা দিয়া ফিডার ফালায় দিতাম।

মোটামুটি হাটতে শিখার পর আমার প্রিয় খেলা ছিলো বিছানার পাশে জানালার শিক ধইরা ঝুলা ঝুলা খেলা।আরেকটা প্রিয় খেলা ছিলো খাওয়া খাওয়া খেলা,এই খেলায় সমানে যা পাইতাম মুখের ভিতর দিয়া ফেলতাম।এই খেলা খেলতে গিয়ে যে কত পোকামাকড় পেটের ভিতর চালান করছি হিসাব নাই।একবার একটা তেলাপোকা খেয়ে ফেলছিলাম।খাওয়ার পর মুখে ঘা হয়ে গেছিলো সাতদিন লিকুইড খাবার ছাড়া আর কিছু খাইতে পারি নাই।

আমার নানার ২টা ছাগল ছিলো।একটা সাদা আরেকটা কালো।ঢাকা শহরে বাসার ভিতর যে কেউ ছাগল পালতে পারে এইটা আমার নানারে দেইখা বুঝছি।ঐ ছাগলগুলার জন্য আলাদা বিছানা,খাওয়ার প্লেট ,শীতের দিনে ঠান্ডা নিবারনের জন্য কম্বল সব ছিলো।এই ছাগল ২টা আহ্লাদ পাইয়া এমন ভাব নিতো যেন তারা ২টা নবাবজাদা নাসিরুল্লার পায়জামা।ছোটবেলায় বেলায় এই ছাগলা ২টা অনেক জ্বালাইছে আমারে।আমারে দেখলেই তেইড়া আসতো।একবার কালো ছাগলটা মাথা দিয়া আমার পেট ঢুঁশা দিছিলো।এরপর থেইকাই ছাগল দেখতে পারিনা আমি।ছাগল সামনে পড়লেই গদাম লাথ্থি মারি সেটা বাস্তবের ছাগল হোক আর ব্লগের ছাগল হোক।একদিন সাদা ছাগলটার ল্যাজে দড়ি বেঁধে আগুন ধরায় দিছিলাম, আগুনের ছ্যাকায় ছাগল হনুমানের লঙ্কাকান্ডের মতো আমার নানাবাড়িতেও একটা লঙ্কাকান্ড ঘটাবার প্ল্যান করছিলো কিন্টু আমার বড় খালা ছাগলের ল্যাজে জল ঢাইলা দেওয়ায় আমার ছাগলের লঙ্কাকান্ড দেখবার আশা জলে গেলো।

চলবে..........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28892767 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28892767 2009-01-04 10:54:02
শুভ জন্মদিন সাঁঝবাতির রুপকথা
আজ ব্লগীয় বান্দর সাঁঝবাতির রুপকথা এর শুভজন্মদিন। জন্মদিনের অনেক অনেক অনেক শুভেচ্ছা সাঁঝু ভাই।আপনার জীবন আরো সুন্দর হোক। দিনে দিনে আরও বেশী বান্দরামী করে আমাদের বান্দরকূলের মুখ উজ্জ্বল করেন এই কামনা করি।


শুভ জন্মদিন সাঁঝু ভাই......
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28891581 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28891581 2009-01-01 13:15:02
পিচ ঢালা পথ..........আব্দুল জব্বার তার সাথে মনটারে বেঁধে নিয়েছি
রঙ ভরা এই শহরে যতই দেখেছি
গোলক ধাঁধার চক্করে ততই পড়েছি

সারি সারি জনতার এই যে ভীড়ে
কেউ তো কারো পানে দেখ চায় না ফিরে
তাই তো আমি ভাই, এই হাতটাকে চালাই
এপার ওপার করে শুধু পালিয়ে বেড়াই

দিন যায় রাত যায় এমনি করে অলিগলি রাজপথ ঘুরে ঘুরে

ছোট ছোট মানুষের অন্ন কেড়ে
বড় বড় বাড়িগুলো উঠছে বেড়ে
তবু যেথা যাই নাই যে কোন ঠাঁই
বেচে থাকার তরে শুধু নগদ কিছু চাই

দিন যায় রাত যায় এমনি করে অলিগলি রাজপথ ঘুরে ঘুরে

পিচ ঢালা পথ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28891474 http://www.somewhereinblog.net/blog/golaapaliblog/28891474 2009-01-01 08:49:12