বোরখা ইভটিজিং কিংবা নেকাব হিজাব যা-ই বলি না কেন এগুলো সংসদে আইন করে কোনো ভাবেই রাখাও যাবে না আবার ঝেটিয়ে বিদায় করাও যাবে না।তাহলে আমরা মূলত কি করতে পারি?
একটু পেছন থেকে শুরু করতে চাই।
আমি খানিকটা মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই।আমাদের সভ্যতা সংস্কৃতি কিংবা মূল্যবোধগুলো প্রথমে আমরা আমাদের পরিবার থেকেই পাই।সেই মূল্যবোধ আধুনিক হোতে পারে,মধ্যযুগীয় হোতে পারে আবার উত্তর আধুনিকও হোতে পারে। পারিবারিক মূল্যবোধের বাইরে যখন আমরা আসি অর্থাৎপারিবারিক গন্ডির পরে আমার বিশ্বাস প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা কোনো প্রকার মূল্যবোধ শিখি না, আমরা সেখান থেকে কেবলমাত্র মূল্যবোধ সামান্য জানি বটে।জানা শেখা আর প্রয়োগের বাধ্যবাদকতা এই দেশের কোনো কিছুতেই নাই এ আমি হলফ করে বলতে পারি।
তাহলে এই যে আমাদের বুদ্ধিজীবি সমাজ কবি সমাজ বা দার্শনিক সমাজ এদের মূল্যবোধ কিভাবে গড়ে উঠলো?আমি বলবো এটা তারা নিজ গুনে শিখেছেন,সকালের নাস্তা না করে দুপুরের খাবার না খেয়ে রাতের খাবার না খেয়ে সেই টাকা জমিয়ে তারা দেশ বিদেশের বিভিন্ন লেখকের বই পড়ে তাদের সভ্যতা সংস্কৃতির খবর জেনে তারা তাদের মূল্যবোধ গড়ে তুলেছে।অথচ এই অশিক্ষিত মূর্খ সরকার এই সমস্ত মানুষদের থেকে নিজেরা তো কিছুই শিখছে না অন্যদেরকেও শেখাতে বা শিখতে উৎসাহিত করছে না।ফল দাড়াচ্ছে কি আমরা সামনের দিকেও আগাচ্ছি না আবার পেছনের দিকেও যাচ্ছি না।ত্রিশংকুর মতো মধ্যেখানে ঝুলে আছি।
মনে রাখতে হবে অনেক দেশই আছে যে দেশের মানুষ চুরি করলে কি দণ্ড হয় এই চিন্তা থেকেই তারা চুরি করে বা করে না এমন নয়।তারা অজ্ঞতাবসতই ও কাজ করে না কারন তারা করা না করার মূল্যবোধ থেকে অনেক এগিয়ে গেছে।
আর নারীকে পৌরাণিক ভারতে বিভিন্নভাবে দেখিয়েছে যেমন মাতৃরুপে সংস্থিতা আবার পুরুষকেও অনেক ধর্মেই হয়তো তা-ই দেখায়,আমি ঠিক সেই ভাবে দেখতে অভ্যস্থ নই,নারী আমার কাছে যেমন মানুষ,পুরুষও তাই।কিন্তু সম্পর্কচর্চ্চার ক্ষেত্রে বাধ্য হয়েই আমাকে এই মানুষ চিন্তার বাইরে মাঝে মধ্যে আসতে হয়।মধ্যাকথাটা হোলে কে কিভাবে চলছে সেটা আমার দেখার বিষয় নয়,আমার প্রত্যেকটি ইন্দ্রিয়কে আমার নিজেরই নিয়ন্ত্রন করতে হবে।তবে এটা সত্য যেহেতু বোরখা পরা নিয়ে আলাপটা শুরু করছিলাম বোরখা দিয়েই শেষ করি। সাঁইজীর একটা কালামে আছে যে কপনিধ্বজা পরার কথা,সাঁইজী কিন্তু মনের লিঙেই ওটা জড়াতে বলেছেন,দেহের লিঙে নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

