আমার প্রিয় পোস্ট

নারী পুরুষের বাম পার্শ্বের পাজরের হাড় থেকে সৃষ্টি হয়েছে, এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:০০

শেয়ার করুন:                   Facebook

নবী (সা.) তাঁর নবুওয়্যাত প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত নারীদের উপর যুলুম হত, এখনো যে হচ্ছে না তা বলছি না তবে তখন এমই যুলুম হত যে তাদেরকে শিশুকালেই জীবন্ত দাফন করা হত। মহা নবী (সা.) হচ্ছেন সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি এ কুসংস্কারের বিরুদ্ধাচারণ করেন এবং তাতের জীবন্ত কবরস্থ করাকে হারাম ঘোষণা দেন। আর ইসলামই হচ্ছে সর্বপ্রথম ধর্ম, যে ধর্ম নারীকে দিয়েছে উপযুক্ত মর্যাদা, সম্মান ও স্থান। তবে বর্তমানে মুসলিম সমাজে এখনো নারীরা বিভিন্নভাবে পুরুষের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে, আর এই নির্যাতিত হবার পেছনে কিছু ভ্রান্ত ধারণা যাতে দ্বীন-মাযহাবের রং দেয়া হয়েছে বিদ্যমান। যা নারীকে পুরুষের থেকে নিচু শ্রেণীর মানুষ হিসেবে পরিচিত করাচ্ছে। আর এমনই একটি বিষয় নিয়ে এ লেখা, যা নারীর অস্তিত্বের সাথে সম্পৃক্ত তা নিয়ে লেখা হেয়েছে লেখাটি গভীর দৃষ্টি নিয়ে পড়ুন, ভাবুন এবং সিন্ধান্ত নিন।

﴿إِنَّ الْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْقَانِتِينَ وَالْقَانِتَاتِ وَالصَّادِقِينَ وَالصَّادِقَاتِ وَالصَّابِرِينَ وَالصَّابِرَاتِ وَالْخَاشِعِينَ وَالْخَاشِعَاتِ وَالْمُتَصَدِّقِينَ وَالْمُتَصَدِّقَاتِ وَالصَّائِمِينَ وَالصَّائِمَاتِ وَالْحَافِظِينَ فُرُوجَهُمْوَ الْحَافِظَاتِوَ الذَّاكِرِينَ اللَّهَكَثِيراً وَالذَّاكِرَاتِ أَعَدَّاللَّهُ لَهُممَّغْفِرَةً وَأَجْراًعَظِيماً﴾

“নিশ্চয়ই মুসলমান পুরুষ ও মুসলমান নারী, ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ ও নারী, ইবাদতকারী পুরুষ ও নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ ও নারী, খোদাভীরু পুরুষ ও নারী, ছদকা দানকারী পুরুষ ও নারী, রোযাদার পুরুষ ও নারিগণ এবং যে সকল পুরুষ ও নারী তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং যে সকল পুরুষ ও নারী আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের সকলের জন্যেই আল্লাহ্‌ তা’য়ালার কাছে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার” (আহ্‌যাব : ৩৫)।

এই পবিত্র আয়াতে, পুরুষ ও নারীকে পাশা-পাশি উল্ল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ্‌ তা’য়ালা পুরস্কার দান ও ক্ষমা করার ব্যাপারে তাদের মধ্যে কোন পার্থক্য করেন নি।

﴿يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُم مِّن ذَكَرٍ وَأُنثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوباً وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ﴾

“হে মানব সকল! আমরা তোমাদের সকলকে একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি এ কারণে যে, তোমরা যেন একে অপরকে চিনতে পার (এবং বুঝতে পার বংশ ও গোত্র কোন গর্বের বিষয় নয়)। তোমাদের মধ্যে সেই আল্লাহ্‌র কাছে অধিক উত্তম যে অন্যের থেকে বেশী তাকওয়াসম্পন্ন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ জ্ঞানী এবং মানুষের ভাল ও মন্দ কাজের বিষয়ে সম্যক অবগত আছেন” (হুজুরাত : ১৩)।

এই পবিত্র আয়াতেও আল্লাহ্‌ তা’য়ালা পুরুষ ও নারী সৃষ্টির উদ্দেশ্য তাঁর ও একক, পবিত্র সত্তাকে উত্তমরূপে জানা বলে উল্লেখ করেছেন। আর বংশ, ক্ষমতা, ধন-দৌলত, জ্ঞান, রং, ভাষা ও ভৌগলিকতার (আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া ইত্যাদি) ভিত্তিতে আল্ল্লাহ্‌ মানুষের মর্যাদাকে নির্ধারণ করেন নি বরং আল্লাহ্‌র কাছে উত্তম বস্তু হচ্ছে তাকওয়া, আর তাকওয়ার অর্থ হচ্ছে আল্লাহ্‌র আদেশ-নিষেধকে মেনে চলা।

﴿مَنْ عَمِلَ صَالِحاً مِّن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَى وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَنُحْيِيَنَّهُ حَيَاةً طَيِّبَةً وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَجْرَهُم بِأَحْسَنِ مَا كَانُواْ يَعْمَلُونَ﴾

“পুরুষ ও নারীদের মধ্য থেকে যারাই ঈমান আনবে এবং উত্তম কাজ আঞ্জাম দিবে, তাদেরকে আমরা পবিত্র জীবন দান করবো এবং তাদের কাজের তুলনায় উত্তম পুরস্কার দান করব”(নাহ্‌ল : ৯৭)।

এই আয়াতেও আল্লাহ্‌ তা’য়ালা উত্তম কাজের বিনিময় স্বরূপ পুরস্কার ও সওয়াব দানের অঙ্গীকার করেছেন, আর সৎকর্ম সম্পাদনকারী পুরুষই হোক অথবা নারী হোক কোন পার্থক্য করেন নি বরং যে কোন বান্দাই এই ভাল কাজ আঞ্জাম দিবে আল্লাহ্‌ তা’য়ালা তাকেই এই পুরস্কারে পুরস্কৃত করবেন।

﴿وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجاً لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ﴾

“আল্লাহ্‌ তা’য়ালার নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হচ্ছে যে, তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতে সহধর্মিনীদেরকে সৃষ্টি করেছেন যাতে করে তাদের সান্নিধ্যে প্রশান্তি অনুভব করতে পার, আর তোমাদের মধ্যে ভালবাসা ও রহমতকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এ সব কিছুই হচ্ছে নিদর্শন তাদের জন্য যারা চিন্তা করে” (রূম : ২১)।

এই পবিত্র আয়াতেও আল্লাহ্‌ তা’য়ালা নারী সৃষ্টিকে তাঁর অন্যতম নিদর্শন হিসেবে পেশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নারীরা হচ্ছে ভালবাসা, রহমত ও প্রশান্তির কারণ। বিশিষ্ট মুফাসসির আল্লামা তাবাতাবাই (রহ এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, পুরুষ ও নারী এমনই এক সৃষ্টি একে অপরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ফলে যারা উভয়ই পূর্ণতা অর্জন করে এবং এ দু’য়ের মিলনের মাধ্যমে মানব জাতির বংশ বিস্তার ঘটে থাকে, আর তারা একজন অপরজন ছাড়া অসম্পূর্ণ।

আল্লাহ্‌ তা’য়ালা এই আয়াতের শেষে বলছেন: এই বিষয়টি তাদের জন্য নিদর্শন যারা চিন্তা করে বা যারা বিবেক সম্পন্ন। তারা এর মাধ্যমে বুঝতে পারবে যে, পুরুষ ও নারী একে অপরের পরিপূরক। আর নারীই একটি পরিবারকে সতেজ ও উদ্যমী করে রাখে এবং এর সদস্যদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে নিয়ামকের ভূমিকা পালন করে। যে কারণে পুরুষ ও নারী শুভ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তা হচ্ছে আল্ল্লাহ্‌ প্রদত্ত ভালবাসা ও রহমত। শুধুমাত্র দৈহিক চাহিদার কারণেই তারা এ বন্ধনে আবদ্ধ হয় না।

কিন্তু পুরুষ ও নারীর বন্ধনের মধ্যে দু’টি দিক বিদ্যমান। তার একটি হচ্ছে ঐশী ও ভালবাসার দিক অপরটি হচ্ছে পাশবিক দিক। তবে মানুষ তার ঐ ঐশী ও ভালবাসার বোধের মাধ্যমেই পূর্ণতায় পৌঁছে থাকে।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা বিশেষ প্রয়োজন বলে মনে করছি তা হচ্ছে, অনেক মুফাসসির উল্লিখিত আয়াত ও এ ধরনের আরো কিছু আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন যে, নারী পুরুষের শরীরের অংশ। কেননা তাদেরকে পুরুষের শরীরের অংশ থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর এই ধরনের তফসিরের ফলে অনেক সুবিধাবাদী পুরুষ, নারীদেরকে তাদের থেকে নিম্ন পর্যায়ের মনে করে থাকেন যা নারীর জন্যে একটি অপমান জনক বিষয়। এক্ষেত্রে নিম্নলিখিত আয়াতসমূহকে তারা প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন :

- ﴿يَاأَيُّهَاالنَّاسُ اتَّقُواْرَبَّكُمُالَّذِي خَلَقَكُممِّننَّفْسٍ وَاحِدَةٍوَخَلَقَمِنْهَازَوْجَهَاوَبَثَّمِنْهُمَارِجَالاًكَثِيراًوَنِسَاء﴾

- হে মানব সকল! তোমাদের পরওয়ারদিগারকে ভয় কর। যিনি তোমাদেরকে একক সত্তা থেকে সৃষ্টি করেছেন। আর তা থেকে তার সহধর্মিণীকেও এবং ঐ দু’জন থেকে অনেক পুরুষ ও নারী সৃষ্টি করেছেন (নিসা : ১)।

- ﴿هُوَالَّذِيخَلَقَكُم مِّننَّفْسٍوَاحِدَةٍ وَجَعَلَمِنْهَازَوْجَهَا﴾

-তিনিই তোমাদেরকে একক সত্তা থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার স্ত্রীকেও (আ’রাফ : ১৮৯)।

- ﴿خَلَقَكُممِّننَّفْسٍ وَاحِدَةٍثُمَّجَعَلَ مِنْهَازَوْجَهَا﴾

- তোমাদেরকে এক সত্তা থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার স্ত্রীকেও (যুমার : ৬)।

- ﴿وَمِنْآيَاتِهِأَنْخَلَقَلَكُممِّنْأَنفُسِكُمْ#1571;َزْوَاجاً﴾

- আর এটা তাঁর নিদর্শনমূহের নমুনা স্বরূপ যে, তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে সহধর্মিণী সৃষ্টি করেছেন (রূম : ২১)।

- ﴿وَاللّهُجَعَلَلَكُم مِّنْأَنفُسِكُمْأَزْوَاجاً وَجَعَلَلَكُممِّنْأَزْوَاجِكُم بَنِينَوَحَفَدَة﴾

- আর আল্লাহ্‌ তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রী নির্দিষ্ট করেছেন এবং তোমাদের স্ত্রীদের থেকে সন্তান ও পৌত্রদের সৃষ্টি করেছেন (নাহ্‌ল : ৭২)।

- ﴿جَعَلَلَكُممِّنْ أَنفُسِكُمْأَزْوَاجاً﴾

- তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীগণকে সৃষ্টি করেছেন (শুরা: ১১)।

বাহ্যিকভাবে দেখা যায় যে, প্রথম তিনটি আয়াতে বলা হয়েছে সমস্ত মানুষ একটি নফস (সত্তা) থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং তাদের স্ত্রীগণও ঐ নফস থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।

কিন্তু পরের তিনটি আয়াতে উক্ত বিষয়টিকে সমস্ত পুরুষের প্রতি ইশারা করে বলা হচ্ছে যে, তোমাদের স্ত্রীগণকে তোমাদের থেকেই সৃষ্টি করা হয়েছে। যদি আমরা একটুখানি এই বিষয়ের প্রতি গভীর দৃষ্টি দেই তবে এটা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, এ আয়াতসমূহে আল্লাহ্‌ তা’য়ালা এটাই বুঝাতে চেয়েছেন যে, তাদের স্ত্রীগণ উৎসের দৃষ্টিতে তাদেরই প্রকৃতির, অন্য প্রকৃতির নয়। এটা নিশ্চয় বুঝাতে চাননি যে, স্ত্রীগণ তাদের দেহের অংশ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। যদি তাই হয়ে থাকে তবে বলতে হয় যে, প্রতিটি স্ত্রীই তার স্বামীর দেহের অংশ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তী তিনটি আয়াত প্রথম তিনটি আয়াতকে ব্যাখ্যা করেছে, যাতে করে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যায়।

আল্লামা তাবাতাবাই এই আয়াতের তফসিরে বলেছেন : ‘ওয়া খালাকা মিনহা যাওজাহা’ আয়াতের বাহ্যিক অর্থ হচ্ছে যে, স্ত্রীদের পুরুষের প্রকৃতিতে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তাদের উভয়েরই সৃষ্টির উৎস হচ্ছে এক।

এই আয়াতে ‘মিন’ শব্দটি উৎস বর্ণনা অর্থে এসেছে অর্থাৎ এখানে ‘মিন’ কোন কিছু সৃষ্টির উৎসকে বর্ণনা করছে। এই আয়াতটি অন্যান্য আয়াতের মতই পুরুষ ও নারীর সৃষ্টির উৎস বর্ণনা করেছে, যা পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে।

অতএব, এটা আমাদের কাছে পরিস্কার এবং বিভিন্ন তফসির গ্রন্থের ভাষ্য অনুযায়ী যে বলা হয়ে থাকে আল্লাহ্‌ তা’য়ালা নারীকে পুরুষের বাম পাজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করেছেন তা সম্পূর্ণরূপে দলিলহীন উক্তি (আল মিযান ফি তাফসিরুল কুরআন, খণ্ড- ৪, পৃ.-১৩৬)।

উপরোল্লিখিত ভ্রান্ত ধারণাটির পক্ষে রয়েছেন আহলে সুন্নাতের মুফাস্‌সিরগণ যেমন: ওয়াহ্‌বাহ্‌ যুহাইলী এবং ফাখরুদ্দীন রাযি তারা তাদের নিজ নিজ গ্রন্থে তা উল্লেখ করেছেন ও গ্রহণ করেছেন।

সুতরাং কোরআনের আয়াত থেকে আমাদের কাছে যা প্রমাণিত হয়েছে তা হচ্ছে, পবিত্র কোরআন পুরুষ ও নারী সৃষ্টির উৎসগত আলোচনা করেছে এবং তাদের মধ্যকার সাদৃশ্যকে তুলে ধরেছে। এর পক্ষে আমাদের আরো জোরাল যুক্তি রয়েছে যা নিম্নরূপ:

নবী (সা.)-এর ৬ষ্ঠ উত্তরসূরী ইমাম সাদিক (আ.)-এর কাছে প্রশ্ন করা হল যে, ‘একদল লোক বলে হযরত হাওয়াকে হযরত আদমের বাম পাজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে’ এ ব্যাপারে আপনার মত কি?

তিনি বললেন: আল্লাহ্‌ তা’য়ালা এমন ধরনের কাজ করা থেকে পবিত্র। এরপর তিনি তাদেরকে পাল্টা প্রশ্ন করে বললেন: আল্লাহ্‌র কি ক্ষমতা ছিল না যে, হযরত আদমের জন্য স্ত্রী সৃষ্টি করবেন যে তার পাজরের হাড় থেকে হবে না? যাতে করে পরবর্তীতে কেউ বলতে না পারে যে, হযরত আদম নিজেই নিজের সাথে বিয়ে করেছেন। আল্লাহ্‌ তাদের ও আমাদের মধ্যে এ বিষয়ে ফায়সালা করুন (ওয়াসায়েলুশ শিয়া, খণ্ড-২০, পৃ. -৩৫২, বাব- ২৮, হাদীস নং-২৫৮০৪)।

(অর্থাৎ এখানে ইমাম বুঝাতে চেয়েছেন যে, আল্লাহ্‌ যখন হযরত আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করতে পেরেছেন তবে তার স্ত্রী সৃষ্টির জন্য, তার পাজরের হাড় থেকে করতে হবে কেন? যেহেতু আল্লাহ্‌ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তাই এ কথা বললে তাঁর অক্ষমতাকেই তুলে ধরা হয়, নয় কি? -নাউযুবিল্লাহ্‌)।

অন্য আরেকটি হাদীসে এসেছে যে, ‘আল্লাহ্‌ তা’য়ালা হযরত আদম সৃষ্টির পরে অবশিষ্ট কাদা-মাটি থেকে হযরত হাওয়াকে (হযরত আদমের মতই) স্বতন্ত্রভাবে সৃষ্টি করেছেন (বিহারুল আনোয়ার, খণ্ড-১১, পৃ. -১১৫, হাদীস নং-৪২)।

﴿وَأَوْحَيْنَاإِلَى أُمِّمُوسَىأَنْأَرْضِعِيهِ فَإِذَاخِفْتِعَلَيْهِ فَأَلْقِيهِفِيالْيَمِّ وَلَاتَخَافِيوَلَاتَحْزَنِي إِنَّارَادُّوهُإِلَيْكِ وَجَاعِلُوهُمِنَالْمُرْسَلِينَ﴾

“আমরা মুসার মায়ের প্রতি এরূপ ইলহাম করেছিলাম যে, তাকে দুধ দাও এবং যখনই তার ব্যাপারে ভয় পাবে তখনই তাকে (নিল নদের) পানিতে নিক্ষেপ কর, তুমি ভয় করো না ও দুঃখিত হয়োনা আমরা তাকে পুনরায় তোমার কাছে ফিরিয়ে দিব এবং তাকে রাসূলগণের মধ্যে স্থান দিব”(কাসাস : ৭)।

এই আয়াতে এ বিষয়টি পরিস্কার যে, আল্লাহ্‌ তা’য়ালা হযরত মুসা (আ.)-এর মায়ের প্রতি ইলহাম করেছেন, আল্লাহ্‌ একজন নারীকে উদ্দেশ্য করে কথা বলেছেন এটা হচ্ছে নারীদের জন্য একটি মর্যাদার বিষয়।

﴿إِذْقَالَتِالْمَلآئِكَةُ1610;َا مَرْيَمُإِنَّاللّهَيُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍمِّنْهُاسْمُهُ الْمَسِيحُعِيسَىابْنُ مَرْيَمَوَجِيهاًفِيالدُّنْيَا وَالآخِرَةِوَمِنَالْمُقَرَّبِينَ﴾

“(ঐ সময়কার কথাকে স্মরণে আন) যখন ফেরেশতাগণ বলেছিলেন : ‘হে মারিয়াম! আল্লাহ্‌ তা’য়ালা তোমাকে তাঁর পক্ষ থেকে এক বাণীর সুসংবাদ দান করছেন যে, তার নাম হচ্ছে মাসিহ্‌ ঈসা ইবনে মারিয়াম, সে এই দুনিয়া ও আখেরাতেও একজন সম্মানিত ব্যক্তি এবং নৈকট্যপ্রাপ্তদের মধ্যে শামিল হবে” (আলে ইমরান: ৪৫)।

তাহলে আমাদের কাছে এটা পরিস্কার যে, একজন নারীর পক্ষে এটা সম্ভব যে, সে পরিপূর্ণতার এমন পর্যায়ে পৌছাবে, যার কারণে আল্লাহ্‌ তা’য়ালা আসমানী কিতাবে তাকে উদ্দেশ্য করে কথা বলবেন। আর আল্লাহ্‌র ফেরেশ্‌তাগণ ও স্বয়ং জিব্রাঈল (আ.) তাঁর সম্মুখে উপস্থিত হয়ে তাঁর সাথে কথা বলবেন। আর এমন নজির পুরুষদের মধ্যেও কম দেখা যায়।

﴿وَضَرَبَاللَّهُ مَثَلاًلِّلَّذِينَ آمَنُوا اِمْرَأَةَ فِرْعَوْنَ إِذْ قَالَتْ رَبِّ ابْنِ لِي عِندَكَ بَيْتاً فِي الْجَنَّةِ وَنَجِّنِي مِن فِرْعَوْنَ وَعَمَلِهِ وَنَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ﴾

“আল্লাহ্‌ তা’য়ালা মু’মিনদের জন্য ফিরআউনের স্ত্রীকে উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যখন সে বলেছিল যে, হে আল্লাহ্‌! বেহেশ্‌তে তোমার কাছে আমার জন্য একটি গৃহ নির্মাণ কর এবং আমাকে ফিরআউনের কু-কর্ম ও তার অত্যাচারী দলবল থেকে রক্ষা কর”(তাহ্‌রিম : ১১)।

১- আল্লাহ্‌ তা’য়ালা এই আয়াতে সকল পুরুষ ও নারীর সামনে একজন নারীকে আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

২- আছিয়া (ফিরআউনের স্ত্রী) সকল নারীকে এটাই শিক্ষা দিল যে, আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জন করা কোন বাদশাহ্‌র প্রাসাদে জীবন-যাপন করার (সেখানে সব ধরনের সু-ব্যবস্থা থাকা সত্বেও) থেকেও উত্তম। সে আরো প্রমাণ করলো যে, কোন নারীরই উচিৎ নয় এই দুনিয়ার বাহ্যিক রূপের মোহে ভুল করা। কেননা দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তা ধবংস হয়ে যাবে। আর শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ই থাকবেন।

৩- সে আরো শিক্ষা দিল যে, নারীদের স্বাধীনতা থাকবে (যতটুকু আল্লাহ্‌ অনুমতি দিয়েছেন) এবং তারা জুলুম ও জালিমের প্রতি ঘৃণা রাখবে; যদিও ঐ জালিম তার স্বামীও হয়ে থাকে।

﴿إِنَّاأَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَر * فَصَلِّلِرَبِّكَ وَانْحَرْ * إِنَّشَانِئَكَ هُوَالْأَبْتَرُ﴾

“হে রাসূল! আমরা তোমাকে অফুরন্ত নেয়ামত - নবুওয়াত, শাফা’য়াতের ন্যায় উচ্চ মর্যাদাসহ কাউসার (ফাতিমাকে) -দান করেছি। সুতরাং তুমি এই নে’য়ামতসমূহের শুকরিয়া স্বরূপ নামায আদায় এবং কুরবানী কর। আর প্রকৃতপক্ষে তোমার শত্রুরাই হচ্ছে নির্বংশ” (কাউছার : ১, ২, ৩)।”

 

 

  • ৪৪ টি মন্তব্য
  • ৪৮৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:১৩
comment by: েক আিম বলেছেন: চমৎকার। ভাই একটু পরেই দেখবেন নাস্তিক নামের ভন্ড গেলোর লম্ফ যম্ফ। এরা নাস্তিক সাজসে বাট ইসলামে এদের এলার্জি, বাকি ধর্মে বেজায় ভক্তি!!

আর এরা হলো কুয়ার ব্যাঙ্গ: চিনে খালি শিবির আর জামাত, যাই দেখে দেশে বিদেশে সব কিছুতেই শিবির জামাত নিয়া আইসা বেহুদা কথা কইব।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা আজ সকল বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন। তাই তাদের আর উপায় নেই অপযুক্তির আশ্রয় ব্যতীত।

২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:১৮
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: এই জিনিস টা নিয়ে অনেক বিতর্ক। কিন্তু ফলাফল কি? বোধগম্য হল না
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: কোন বিষয়টি বোধগম্য হলো না সাহেব? জানালে ধন্য হতাম।

৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: এটা আসলে খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস। বাইবেলে আছে এটা।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: সত্যকথা বলেছেন । ধন্যবাদ।

৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: জিয়াউল ইসলাম শাহীন বলেছেন: গোস্বামী - আপনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। এই ধরনের লেখা লিখবার উদ্দেশ্যটা কি, পরিস্কারভাবে লিখুন।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: আমার সম্পের্ক বিস্তারিত জানার উেদ্দশ্য কি আমি জািন না । এখানে ইমেই করেত পারেন। সেখানে বিস্তারিত জানাজানি হবে। আর এই ধরনের েলখার উেদ্দশ্য হলো ইদানীং নারী সম্পের্ক প্রচুর লিখা লেখি হচ্ছে তাই আিমও অংশ নিলাম।

৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: মাইনুল বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন, ধন্যবাদ।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: মাইনুলকেও ধয্যধরে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৮
comment by: রেটিং- বলেছেন: সুন্দর
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: সুন্দর আপনার মন। ধন্যবাদ

৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:
ভালো পোষ্ট
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১২
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন:

ভালো লিখেছেন।

০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সোনার বাংলা

৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০২
comment by: কপোতাক্ষ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৩১
comment by: আসাদ রহমান কিশোর বলেছেন: ভাই শাহীন,উনার উদ্দেশ্য খুব খারাপ.. জামাত-শীবির-স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি মনে হচ্ছে...

খুব ভালো পোষ্ট.. +++
০৪ ঠা মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।

১১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:০৫
comment by: নেমেসিস বলেছেন: স্টিল কনফিউজিং :(
০৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: কেন কনফিউজ হবেন?

১২. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:০৯
comment by: সব্যসাচী বলেছেন:
স্টিল কনফিউজিং
০৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: কেন কনফিউজ হবেন?

১৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ইসলাম ধর্মে নাই অথচ আমাদের সমাজে ইসলামের নামে প্রচলিত এরকম আরো বেশকিছু ভুল বিষয় আছে --- সবগুলাই মেয়েদের উপর পুরুষের কর্তৃত্বের প্রচেষ্টায় ...যেমন
"বিবি হাওয়া (আঃ)র প্ররোচনায় আদম (আঃ) নিষিদ্ধ ফল খাইছেন"
"স্বামীর পদতলে স্ত্রীর বেহেশত"
এরকম আরো বেশকিছু

পুরুষের পাঁজর থেকে নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে এমন কথা ইসলামের কোথাও বলা নাই ... কোরাণে শুধু বলা আছে আদম (আঃ) এর আত্মা থেকে হাওয়া (আঃ) সৃষ্ট হয়েছেন, তারপর তাদের থেকে সৃষ্ট হয়েছে অসংখ্য নরনারী ... এখানে নরের আত্মা থেকে নারীর সৃষ্টি হয়েছে এমন ব্যাখ্যাও খাটেনা

যাই হোক, খৃষ্টধর্মের এই পাঁজর থেকে তৈরীর ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ রোমান্টিক একটা ব্যাপার মনে হয়, মনে হয় এটাকে লিটেরালি না নেওয়াই ভালো।




এসব তুলে দঃরা উচিত

ভালো পোস্ট
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন `ইসলাম ধর্মে নাই অথচ আমাদের সমাজে ইসলামের নামে প্রচলিত এরকম আরো বেশকিছু ভুল বিষয় আছে'
সবগুলাই মেয়েদের উপর পুরুষের কর্তৃত্বের প্রচেষ্টায় ...যেমন

"বিবি হাওয়া (আঃ)র প্ররোচনায় আদম (আঃ) নিষিদ্ধ ফল খাইছেন"

এটা আরেকটা অতি ভুল ধারণা এ ব্যাপারেও আগামীতে লেখার ইচ্ছা আছে। তবে এমন অনেক কিছু আছে যার ব্যাখ্যা প্রয়োজন যেমন স্বামীর পায়ের তলে স্ত্রীর বেহেষ্ত। একথাটা আেছ। এটা ভুল নয়।

১৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩৫
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
ভাল্লাগেনাই...
১৩ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: চোখ নাই তো তাই পড়বেন কিভাবেই ভাইজান নামটা পাল্টালে ভালো হতো মনে হয়।

১৫. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭
comment by: মোহাইমেন বলেছেন: +
০৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬. ০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
comment by: কাঙাল বলেছেন: ছাগু
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: কাঙালের মুখে একথা শোভা পায়!

১৭. ০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ভন্ডামী আর কারে বলে!

নারী নাকি হাড্ডি থেকে তৈরি, তাও আবার পুংলিঙ্গের!!!

তাও আবার 'কুরানে' বলছে....

হাহাহাহহা
২৬ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: ঃ

১৮. ০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: এইটা আশরাফ চাচ্চু!
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: না ভাই । কেন কোন আপত্তি আছে না-কি?

১৯. ১৯ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২৯
comment by: হৈচৈ বলেছেন:
২০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২০. ২০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
comment by: সিন-লাম-মীম বলেছেন: সালাম। লেখা ভালো লাগেনি, কষ্ট করে লেখা পোষ্ট, তাই মাইনাস দিলাম না। কিন্তু কোন কিছুই তো প্রমাণ হলো না।

বাইবেল-কোরানের বাণী তো পুরষদেরকে উদ্দেশ্য করেই বলা (তোমাদের স্ত্রী ইত্যাদি)। এতে কি সম্মান অসম্মানের কিছু যায় আসে?

মুসা (স) 'র মাতাকে আদেশ, মরিয়মকে আদেশ এসব করেই কি সম্মান দেওয়া হয়? হাস্যকর নয়কি?

সম্মান অসম্মানের কথা আলোচনা করতে হলে গাল-গল্প কোন কার্যকর বিষয় না, আসল বিষয় হলো বাস্তবে প্র্যাক্টিস কি তা। এক্ষেত্রে কোন (আসমানী) ধর্মই নারীকে অসম্মান করতে বা কম (!) সম্মান দিতে ভুল করেনি। সব রসূনের গোড়াই এক যায়গায়।

২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: ভালো করে পড়ুন ভাই যান।

২১. ২৬ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ইসলামের নামে প্রচলিত কুসংস্কারগুলো দুরকরা খুবই জরুরী।
সেই সাথে প্রয়োজন সত্যিকারের ইসলামী বিধানগুলো অনুসরন করা।
ভাল পোস্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
আর নাস্তিকদের অপমানজনক কথাবার্তায় উত্তেজিত হবেন না - তারা ওরকম বলতেই পারে কারণ তাদের তো পরকালে জবাবদিহীতার ব্যাপারে কোন জ্ঞান নেই। আমরা যারা বিশ্বাস করি পৃথিবীর প্রতিটি কাজের জন্য পরকালে আল্লাহর কাছে জবাবদিহী করতে হবে তাদের অবশ্বই প্রতিটি কথা প্রতিটি কাজ ভেবেচিন্তে করতে হবে - কিছুতেই যাতে খারাপ কোন কথা বা কাজ আমাদের দ্বারা সংগঠিত হয়ে না যায়। আল্লাহ আমাদের সবার সব ভাল কাজ কবুল করুন - আমীন।
২৬ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: আপনার সুন্দর কথার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২২. ২৬ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১২
comment by: ভবঘুরে বলেছেন: ভাল, তবে ছোট ছোট খন্ডে পোষ্ট করলে মনে হয় আরো ভাল হবে। মাঝখানে খুটিয়ে পড়া হলনা। বেশী বড় বলে।
২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সময় করে আবার পড়বেন।

 



 


আমি নব মুসলিম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৪১০৯