গত বেশ ক মাস ধরে বিএনপির নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন এবং আওয়ামীলীগের মারমূখী প্রতিরোধ বেশ আলোচিত। তবে এ মারমূখি প্রতিরোধ আওয়ামীলীগের কর্মীরা করছেন না করছে পুলিশ। আওয়ামী কর্মীরা নিয়জিত কত দ্রুত তাদের আখের ঘুছানো যায়। ইতোমধ্যে কয়েকটি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরাডুবি এর মাঝারি সারির নেতাদের মন ভেঙ্গে দিয়েছে। ইউনিট ও ওয়ার্ড পর্যায়ের অনেক নেতাই তাদের পাসপোর্ট নিয়ে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সিতে যোগাযোগ করছেন।
তাছাড়া বিএনপি জামাতের যৌথ আন্দোলন প্রতিরোধের কোন ক্ষমতা বর্তমান আওয়ামীলীগের নেই। ওদিকে জামাত তাদের তলোয়ারে ধার দিচ্ছে এতদিন ধরে তাদের উপর অত্যাচারের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য। হয়তবা আর ৬ মাস পর জামাত শিবির তাদের স্বরুপে আবিভূত হবে এবং তা সামলানোর ক্ষমতা কারো থাকবে বলে মনে হয়না।
এছাড়াও যুদ্ধাপরাধীর বিচার জামাতের জন্য শপে বর হিসাবে দেখা যাচ্ছে। গোলাম আযম বেশ ভালোই ফায়দা লুটছেন এই বিচারের। তার ভিতর জমে থাকা পুরানো রোগ গুলো সরকারী খরচেই চিকিৎসা করাচ্ছেন। সাইদীর বিচার প্রথমে শুরু করে পুরো বিচার প্রকৃয়াকেই হালকা করে ফেলেছে সরকার। যারাই সাক্ষী দিয়েছেন তার সবই ছিল শিখানো এটাই প্রমানিত হয়েছে। অথচ নিজামী বা গো- আযমের বিচার যদি প্রথমে শুরু করতো তাহলে হয়তবা বিচার প্রশ্নবিদ্ধ হতোনা। তাই বিচারে সাইদী হয়তোবা নির্দোষ প্রমানিত হবে।
তারপরে রয়েছে বাহিরের চাপ। ইতোমধ্যে জর্দানের ইসলামপন্থী দল যারা পরবর্তী ক্ষমতায় অসীন হবে তারা সরকারকে চিঠি দিয়েছে জামাত নেতাদের ছেড়ে দেয়ার জন্য। তুরস্ক, তিউনেশিয়া এবং মিশরের সরকারী দল জামাতেরই অঙ্গ সংগঠন। লিবিয়া এবং সিরিয়াতে যদি নির্বাচন হয় সেখানেও ইসলামপন্থীরা জিতবে। বাংলা দেশকে সাহায্যকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান আইডিবি ইসলামী ব্যাংকের ডিরেক্টর। সবকিছু মিলিয়ে জামাতকে সামলানো এবং আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলা করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হবেনা।
সবকিছু মিলিয়ে আওয়ামীলীগের দিন খুব দ্রুতই ফুরিয়ে আসছে। যার কিছুটা প্রমান গত দু দিনে দেখা গেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


