আমার প্রিয় পোস্ট

আদর্শটাকে আপাতত তালাবন্ধ করে রেখেছি

BDeduarticle.com : একটি ক্ষুদ্র সাফল্যের কথা

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

শেয়ারঃ
0 15 0

মানুষের স্বপ্নগুলো নাকি প্রথমে বড় থাকে। আস্তে আস্তে নানা বাস্তবতায় সেগুলো ছোট হয়, হতে থাকে-কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা একসময় মিলিয়েও যায়। আমারও তেমন একটি স্বপ্ন ছিলো- সেই কোনকালে- বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার শেষদিকে। স্বপ্নটাকে স্বপ্ন হিসেবেই রেখেছিলাম- কখনও ভাবি নি বাস্তবায়ন করতে পারবো। হঠাৎ একসময় মনে হলো- দেখি না চেষ্টা করে কিছু করতে পারি কিনা! সেই শুরু- বাস্তবায়নের কাজ চলছে এখন।

এর আগে অন্য এক লেখায় বিস্তারিত বলেছিলাম স্বপ্নটার কথা। আবারও বলি, সংক্ষেপে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার শেষ দিকে থিসিস করার সময় কিছু জার্নালের আর্টিক্যাল ডাউনলোড করতে পারি নি- পারমিশন কিংবা ক্রেডিট কার্ড নেই বলে। তখনই প্রথম প্রশ্নটা মনে জেগেছিলো- জ্ঞানের জগতে এই বাঁধানিষেধ থাকাটা কি ঠিক? হয়তো ঠিক। জ্ঞান তৈরিতেও তো অর্থ লাগে! সেদিক দিয়ে ঠিকই আছে। কিন্তু তাহলে কি আমার মতো অর্থহীনদের জন্য জ্ঞানার্জন বন্ধ থাকবে?

স্বভাবজ্ঞান বলে- না, থাকবে না। থাকা উচিত নয়।

তাহলে?

তাহলে আর কি! অন্য কোনো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে যেখানে পড়ালেখার জন্য সমস্ত জ্ঞান উন্মুক্ত থাকবে। পৃথিবীতে এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম ইতোমধ্যে রয়েছে। যেমন- উইকিপিডিয়া। কিন্তু সেখানে তথ্যের সমাহার; বিশেষায়িত জ্ঞানের জন্য গবেষণাভিত্তিক লেখা সেখানে নেই। তাই এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা দরকার যেখানে ‘শিক্ষা’সম্পর্কিত যাবতীয় লেখা থাকবে। যে কেউ সেখান থেকে লেখা পড়তে পারবে, ডাউনলোড করতে পারবে, জ্ঞানার্জনের কাজে ব্যবহার করতে পারবে। আমার দেশ যেহেতু বাংলাদেশ, তাই বাংলাদেশের শিক্ষাসম্পর্কিত লেখাগুলোই সেখানে প্রাধান্য পাবে



সেই থেকে শুরু http://www.bdeduarticle.com -এর যাত্রা, যার আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয় ২০০৯ সালের মার্চের ১৪ তারিখে। ইতোমধ্যে সাইটটি ১০০ লেখার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এটুকু দাবি করা যায়- খুব খারাপ লেখা সেখানে নেই, কিন্তু বেশ কিছু ভালো লেখা পাওয়া যাবে। ভালো-খারাপ সব মিলিয়েই এই একশটির বেশি লেখা বাংলাদেশের শিক্ষাকে তুলে ধরেছে নানা দিক থেকে। এগুলোর মধ্যে যেমন গবেষণাধর্মী লেখা আছে, তেমনি আছে কেস স্টাডি, অ্যাকাডেমিক লেখা, বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগ, কলাম ইত্যাদি।

যেভাবে চলছে
নাম না দিয়ে নিজের একটি লেখা দিয়েই সাইটটির কাজ শুরু করেছিলাম। সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব, অ্যাকাডেমিশিয়ান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- সবার কাছেই লেখা চেয়েছি। কেউ কেউ লেখা দিয়েছেন, কেউ কেউ দিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। কেউ বা কোনো কথাই দেন নি। কিন্তু সবাই উৎসাহ দিয়েছেন অফুরান। লেখা চেয়েছি বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকেও। পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে অনেক সংস্থা থেকে অনুমতি আসতে দেরি হচ্ছে, কিন্তু মৌখিকভাবে আশ্বাস দিয়েছেন অনেক সংস্থার প্রধানরাই। সবার আগে অনুমতি পেয়েছি আমার কর্মস্থল ব্র্যাক গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের লেখাগুলো প্রকাশের। তৎকালীন পরিচালক ইমরান মতিন সাইটের উদ্দেশ্য জেনে সাথে সাথেই অনুমতি দিয়ে দেন। তাঁকে ধন্যবাদ। পাশাপাশি বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক তাদের সমস্ত লেখা এই সাইটে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন। তাঁদেরকেও ধন্যবাদ। অনুমতি দেওয়ার এই পাইপলাইনে আছে আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান- দেশের ও বিদেশের।

এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে প্রচুর মানুষ সাইট তৈরির পর থেকে উৎসাহ দিয়েই যাচ্ছেন। অনেকে লেখা দিচ্ছেন নিয়মিত, কেউ কেউ লেখা যোগাড়ও করে দিচ্ছেন। কেউ কেউ নিয়মিত সাইট ভিজিট করছেন, কেউ মন্তব্য করছেন। কেউ ইমেইলে নিয়মিত পরামর্শ পাঠাচ্ছেন। পরিচিতদের যে যেভাবে পারেন, সেভাবেই উৎসাহ দিচ্ছেন, সাহায্য করছেন। যদিও উদ্যোগটি আমার, কিন্তু তাঁদের সবার নানামাত্রার সম্পৃক্ততা সাইটটি ভালোভাবে চলার পাথেয়।

যাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা
সাইটটি তৈরির সময় এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র জ্ঞানও আমার ছিলো না। সুতরাং সাহায্য নিতে হয়েছে বিভিন্নজনের কাছ থেকে। নানান ধরনের কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে জুমলাটাকে ভালো লাগলো। গুগলিং করে, ইবুক ডাউনলোড করে কিছুটা জুমলা শিখলাম, অবশ্যই শিখতে গিয়ে অনেককে বিরক্ত করতে হয়েছে। পুরো সাইটটি তৈরি করা জুমলা দিয়ে। সাইটটি ডোমেইন নেম, স্পেস ইত্যাদি বিষয়ে সোলার সফটওয়্যার সিস্টেমের সিইও আননূর রহমান বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ দিয়েছেন, সাহায্য করেছেন। সাইট চালুর পর নানা কারণেই একের পর এক ঝামেলা দেখা দিতে থাকে। পিএইচডি থিসিস নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটানোর পরও সচলায়তনের সহমর্মী আলমগীর ভাইকে বিরক্ত করেছি। তিনি অনেক খুঁটিনাটি টেকনিক্যাল বিষয়ে সহায়তা করেছেন। সহকর্মী রিফাত আফরোজ বিভিন্নজনের কাছ থেকে লেখা আনার ব্যাপারে সহায়তা করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব মালয়-এর সিনিয়র লেকচারার গাজী মাহবুবুল আলম লেখা ও বিভিন্ন উপদেশ দিয়ে সাহায্য করেছেন। এ সম্পর্কিত একটি লেখা লিখেছেন সামহোয়্যারইনের কৌশিক। সময়ে সময়ে বিভিন্ন উপদেশ ও মন্তব্য দিয়ে সহায়তা করেছেন শেভরন বাংলাদেশের পলাশ বসাক ও ইউনিভার্সিটি অব জর্জ ওয়াশিংটনের পিএইচডি গবেষক ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লেকচারার মোহাম্মদ মিজানুর রশিদ শুভ্র। ডি. নেটের আসাদুজ্জামান আসাদ লেখা দিয়ে ও নানাজনকে সাইটের কথা বলেছেন সময়ে সময়ে। নানা ধরনের খুঁটিনাটি সাহায্য করেছেন ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির তামান্না কলিম। প্রজন্ম ফোরামের বন্ধুদের কাছ থেকে নানা ধরনের টেকনিক্যাল সহায়তা। এরকম প্রচুর মানুষ আমাকে সাহায্য করেছেন যাদের অবদানের কারণেই আজকের এই সাইট- সবার নাম উল্লেখ করতে গেলে বিশাল তালিকা হয়ে যাবে। আর যারা লেখা দিয়েছেন, তাদের সহায়তার কথা উল্লেখ নাই করলাম! তাঁদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। আমার একার পক্ষে কিছু করা সম্ভব হতো না, যদি না তারা আমার পাশে থাকতেন। সবচেয়ে বড় কথা, যে স্লোগান দিয়ে সাইটটি শুরু করেছিলাম, Knowledge is power only when it is shared, তাঁরা সেটিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রভুত সহায়তা করেছেন।

অর্থই অনর্থের মূল
থাকলে অফুরান আনন্দের উৎস, না থাকলে টাকা-পয়সা খুব খতরনাক বিষয়। একটি সাইট তৈরি করে দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকজনের কাছে ধর্না দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে যখন হাল ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছিলাম, তখনই জুমলার সাথে পরিচয়। কিছুদিন ঘাটাঘাটি করে নিজের ল্যাপটপে একটা সাইট তৈরিও করে ফেললাম। ব্যস, আর পায় কে! কয়েকদিনের মধ্যে ডোমেইন নেম আর স্পেস কিনে যাত্রা শুরু করলাম।

ডোমেইন নেম আর স্পেস কিনতে গিয়ে আরেক অভিজ্ঞতা। পকেট থেকে বেশকিছু টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে দেখে প্রথমে ফ্রিতে করার চেষ্টা করলাম। লাভ হলো না। নানা জনে ভয় দেখালেন, ফ্রিতে করে অমুক হ্যাপা, তমুক হ্যাপা। তাঁদের পরামর্শ মেনে শেষ পর্যন্ত কারো কাছে হাত না পেতেই কাজ শুরু করে দিলাম।

সাইট চালু হওয়ার পর গুগল অ্যাডসেন্সের দ্বারস্থ হলাম। প্রবল জনপ্রিয় এই মাধ্যমটি নিয়ে প্রথমদিকে বেশ চিন্তাগ্রস্তই ছিলাম- না জানি কী সব অ্যাড দেখায়! কিছুদিন ব্যবহারের পর মোটামুটি নিঃশঙ্ক হলাম যে, তারা উল্টাপাল্টা কোনো বিজ্ঞাপন দেখায় না। সেই থেকে গুগল অ্যাডসেন্স চালু রাখলাম। পকেটের পয়সা খরচ করে সাইট তৈরি ও মেইনটেইনেন্সের মতো সামর্থ্য নেই, ফলে এর দ্বারস্থ হতেই হলো। উদ্দেশ্য- সাইটের খরচটুকু তুলে আনা। পাশাপাশি উদ্বৃত্ত থাকলে বাড়তি টাকা দিয়ে ঠিক একই রকম আরেকটি সাইট বানানোর চিন্তা আছে- আমার প্রিয় বাংলায়। সেখানে শিক্ষাবিষয়ক সব বাংলা লেখা থাকবে, থাকবে বাংলায় ভাবনাচিন্তা বিনিময় করার সহায়ক উপাদানগুলো। যারা বিভিন্ন কারণে ইংরেজিতে লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, তারাও তখন এখানে বাংলায় লিখতে পারবেন সহজেই। না, সাইটের খরচ উঠে আসে নি, কিন্তু ছোট্ট সুখবর এই যে, বাংলা সাইট বানানোর কারিগরি দিকটি তৈরি করে রাখা হচ্ছে। যে কোনোদিন হুট করেই হয়তো শিক্ষাবিষয়ক এরকম একটি বাংলা সাইট চালু হয়ে যাবে।

শেষ কথা
এই লেখাটা কেন লিখলাম? নিজের আনন্দটুকু প্রকাশের জন্য, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য। পাশাপাশি শিক্ষা বিষয়ে যারা ভাবেন, চিন্তা করেন, লিখেন- তাঁদের অনুরোধ করার জন্য যে, আপনার মতামত কিংবা লেখাটা পাঠিয়ে দিন সাইটের ঠিকানায়। শিক্ষা নিয়ে প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু ভাবনা আছে, আছে নিজস্ব মতামত- সেগুলোই পাঠিয়ে দিন। আপনার-আমার ছোটখাট ভাবনাগুলোই হয়তো একদিন অনেক বড় হয়ে উঠবে, দেশের শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): BDeduarticle.comকৃতজ্ঞতা পোস্টধন্যবাদ পোস্টপ্রচারণামূলক পোস্ট ;
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯
নিরব হাসি বলেছেন: খুবই কাজের। অনেক ধন্যবাদ
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ, নিরব হাসি।

৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩
ব্রাইট বলেছেন: যে প‌্যাকেজটি ব্যবহার করে সাইটটি তৈরী করেছেন সেটার নাম সাইটের কোথাও নাই। একে শুদ্ধ ভাষায় কয় নেমকহারামী।

তাই -
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এটা ভুল হয়ে গেছে। জুমলার নামটা দেওয়া উচিত ছিলো- ভুলে বাদ পড়ে গেছে। আপনার মন্তব্য পড়ার পর যোগ করে দিলাম।

তবে ভাই/বোন, পুরো পোস্ট পড়ার পর আপনার কি মনে হয়েছে যে নেমকহারামী করতে বসেছি? আর যদি উল্লেখ করতেই হয়, তাহলে সবার আগে গুগলের কথা উল্লেখ করা দরকার। গুগল না থাকলে আমার জুমলাও শেখা হতো না।

মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ। পাশাপাশি, ভুলটি ধরিয়ে দেবার জন্যও অনেক ধন্যবাদ।

৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০
তাজা কলম বলেছেন: লেখাটি প্রিয়তে রাখলাম। সম্ভবত: আমার কাজে লাগবে http://www.bdeduarticle.com মহৎ কাজের জন্য অভিবাদন।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাজা কলম। সম্ভব হলে শিক্ষা নিয়ে আপনিও কিছু লিখুন। বাংলাদেশের এখন দরকার প্রত্যেকের ভাবনার সমাহার।

৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
মাহমুদ সিএসই বলেছেন: খুবই ভালো উদ্দ্যোগ। আপনার চেষ্টাকে স্বাগত জানাচ্ছি এবং সাইটটিতে নিয়মিত ভিজিট করার আশা রাখি।


আমার একটি ডোমেইন নেম এবং স্পেস কেনা প্রয়োজন। এবং এতে খরচের পরিমানটা জানতে পারলে ভাল হত। তাদের কোন ওয়েব সাইট থাকলে জানাবেন, প্লিজ।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আশা করবো শিক্ষা বিষয়ে আপনিও লিখবেন। অন্তত আপনার ভাবনাটুকু সবার সাথে শেয়ার করতে পারেন।

আপনি ভার্সিটি অ্যাডমিশন ডট কমের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। না হলে আমাকে ইমেইল করলে আমি বিস্তারিত জানাতে পারবো।

৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
মাহমুদ সিএসই বলেছেন: আমার ইমেইল এড্রেস : mahmud.sustএট gmail.com

একটি মেইল আশা করছি। ধন্যবাদ।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: অবশ্যই। তবে আপাতত ঢাকার বাইরে আছি। কখন নেটে বসি ঠিক নেই। সুস্থির হয়ে মেইল দিবো।

আপাতত এটা দেখতে পারেন- http://bn.jinnatulhasan.com/2009/10/2221

আশা করি, উপকারে আসবে।

৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৫
ব্রাইট বলেছেন: ধণ্যবাদ। পরে দুইটা + দিয়া পুষায়া দিমুনে। :)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে প্লাস দেবার প্রয়োজন নাই। :) লেখায় কোনো ভুল থাকলে ধরিয়ে দিলেই আমি খুশি।

৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ভেরি গুড জব। পোষ্ট সরাসরি প্রিয়তে।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শরৎ ভাই। শিক্ষা বিষয়ে একটা লেখা দিবেন্নি? খুশ্শি হমু।

৯. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: আপনার সাধনা একটু একটু করে পূর্ণতা পাচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগলো। নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার জন্য আপনি যত কষ্ট করেছেন, তাতে এই সাফল্যটুকু পাওয়াটাই স্বাভাবিক। হ্যাটস অফ! :)
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য আমাকে সবসময়ই উৎসাহিত করে। এখানেও তার ব্যতিক্রম ঘটে নি। আপনাদের মতো মানুষদের কাছ থেকে প্রবল-পরিমাণে উৎসাহ পাই বলেই এতোদূর আসা! সবাই কাছে থাকলে আশা করছি আরও দূর যেতে পারবো।

উত্তর দিতে দেরি হলো- কারণ আছে। আপনার মন্তব্য আগেই দেখেছি, কিন্তু তখনই ঠিক করে রেখেছিলাম, আপনার শহরে গিয়েই আপনার মন্তব্যের উত্তর দিবো।

আমি আপনার শহরে চাঁদ দেখছি- অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে। ভালো থাকবেন।

১০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৬
লিটল হামা বলেছেন: এই ওয়েবসাইটটা ভালো। অনেকের কাজে লাগবে নিশ্চয়ই। আপনাকে ধন্যবাদ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ উৎসাহমূলক মন্তব্যের জন্য। আশা করি, নিয়মিত দেখবেন আর সম্ভব হলে শিক্ষাবিষয়ে লিখবেন। ভালো থাকবেন।

১১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩
কৌশিক বলেছেন: আমি আপনার কাজের বিষয়ে উচ্ছ্বসিত।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কিন্তু বস লেখাটেখা দিবেন না? নিকটজনদের কাছ থেকেই যদি লেখা না পাই, অন্যদের কাছ থেকে কীভাবে পাবো? লেখা না দিলে কিন্তু মাইন্ড করবো!

১২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
প্রচেত্য বলেছেন: খুবই ভালো উদ্যোগ
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রচেত্য। ভালো থাকবেন। :)

১৩. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: এই ওয়েবসাইটের চেহারা আগে অন্যরকম ছিলো না? আগে দেখেছিলাম সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর লাল ফন্ট, আর এখন দেখা যাচ্ছে নীলে নীলময়। খুব ভালো হয়েছে কিন্তু, নীলের এই শেডগুলো আমার খুব পছন্দ। :)
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আগ অন্য একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ছিলো। একটি জরিপ চালিয়েছিলাম প্রথম দিকে- Click This Link । তখন অনেকে বলেছিলেন- শুধু এই সাইটের জন্য বিশেষ একটা থিম বানাতে যেটা অন্য সাইট থেকে পৃথক হবে। তাছাড়া প্রফেশনাল লুক বলে একটা কথা আছে। সেই হিসেবেই এটি বানানো। আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশ্শি হলাম। :)

১৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬
ইসানুর বলেছেন: গৌতমদা সাহায্য করুন।

Click This Link
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: দেখছি।

১৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
লেনিন বলেছেন: darun kaj. asha korchi amar next assignment/research er kaj gulo te website ti kaje ashbe.
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনার লেখার জন্য অপেক্ষা করছি। :) ধন্যবাদ

১৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
সাইকাস বলেছেন: খুব ভালো লাগল।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইকাস। ভালো থাকবেন।

১৭. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
শুভ রহমান বলেছেন: চমৎকার একটি উদ্যোগ, আপনার ধরে রাখা প্রশংসনীয়। অভিজ্ঞতাগুলো বেশ গুছিয়ে লিখেছেন। আমার কাজে লাগবে।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ উৎসাহমূলক মন্তব্য করার জন্য। আপনি যদি শিক্ষাবিষয়ে লেখালেখি করে থাকেন, তাহলে অনুরোধ থাকবে সাইটে লেখা পাঠানোর জন্য। ভালো থাকবেন।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। :)

১৯. ১৪ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮
অনার্য মনন বলেছেন: অসাধারণ! আিমও িলখেবা।
১৪ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনার্য মনন। আপনার লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৮৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
শিক্ষাবিষয়ক লেখার জন্য পড়ুন- www.bdeduarticle.com

পুঁজিবাদের সবচেয়ে অনিষ্টকর ফল হল মানুষের মনুষ্যত্ব বিকাশের সম্ভাবনাকে পঙ্গু করে দেওয়া। আমাদের সব শিক্ষা পদ্ধতিতে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই