somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রাইভেট টিউশনি কি আদৌ বন্ধ হবে?

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কথাটায় একটু ঝুঁকি আছে; তারপরও সেই ঝুঁকিটুকু নিয়ে বলা যায়- ব্রিটিশদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা শুরুর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে যে ধরনের শিক্ষাপদ্ধতি চালু ছিলো, তা ছিলো পুরোপুরি ব্যক্তিকেন্দ্রিক-- যার সাথে আজকের প্রাইভেট টিউশনির এক ধরনের সাযুজ্যতা রয়েছে।

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করা যায়-- একভাগে পিতা বা পিতামহের কাছ থেকে বংশানুক্রমিকভাবে শিখে আসা পেশাগত জ্ঞান এবং আরেকভাগে গুরুর কাছ থেকে গ্রহণ করা নৈতিক শিক্ষা। প্রথম ধরনের শিক্ষা ছিলো অনানুষ্ঠানিক-- কাজ করতে করতে পূর্বপুরুষদের পেশায় প্রবেশ ও সেটাকে কেন্দ্র করে জীবিকানির্বাহ। দ্বিতীয় ধরনের শিক্ষা তখনকার পরিপ্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক- গুরুগৃহে নৈতিক শিক্ষা অধ্যয়ন করা, যেখানে দর্শন, ধর্ম, জীবনচর্চা ইত্যাদি ছিলো মুখ্য এবং এই শিক্ষা পেশাগত জীবনে বা বৈষয়িক সমৃদ্ধিতে খুব একটা কাজে আসতো না।

দ্বিতীয় ধরনের শিক্ষাপদ্ধতি থেকে আমরা মূলত যে বিষয়টা জানতে পারি সেটি হচ্ছে, এই শিক্ষাব্যবস্থায় গুরু সর্বেসর্বা। তিনি শিক্ষার্থীদের যা অধ্যয়ন করাতেন, শিক্ষার্থীরা মূলত সে বিষয়েই পারদর্শী হতো। অবশ্য অনেকক্ষেত্রে গুরু শিক্ষার্থীর আগ্রহ ও সক্ষমতা বিচার করেও শিক্ষাপ্রদান করতেন। এ ধরনের শিক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিকতার বালাই ছিলো না, কিন্তু শিক্ষাকার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ার পর অনেকক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকতা করা হতো- যার একটি পর্যায়ে সমাবর্তন পদ্ধতির সূচনা ঘটে।

ভারতীয় উপমহাদেশে আলাদাভাবে বিদ্যালয়ের মতো করে কিংবা আলাদা একটি কক্ষে বা গৃহে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিদ্যাশিক্ষার কার্যক্রমের ধারণা শুরু হয় মূলত ব্রিটিশদের হাতে। এর আগে বিভিন্ন জায়গায় নানা ধরনের বিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন- নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়) গড়ে ওঠেছে, কিন্তু সেগুলো আসলে মূল স্রোতের বাইরে। সাধারণভাবে উপমহাদেশের প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতি ছিলো ব্যক্তিনির্ভর, যাকে গৃহশিক্ষকতা পদ্ধতির সবচেয়ে মার্জিত ও কার্যকর পদ্ধতি বলে অভিহিত করা যেতে পারে।

২.
বর্তমান সময়ের প্রাইভেট টিউশনির সাথে শত শত বছর আগের ভারতীয় উপমহাদেশের শিক্ষাপদ্ধতির মিল খোঁজা কেন? কারণ হলো, দুটো পদ্ধতিরই মূল এক-- একজন শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার্থীকে কোনো কিছুর বিনিময়ে শিক্ষাদান করছেন। তবে সবসময়ই যে এই ‘বিনিময়’-এর একটি দৃশ্যমান রূপ থাকতেই হবে তা কিন্তু নয়; এমনকি এই বিনিময় আর্থিক নাও হতে পারে। পুরনো শিক্ষাপদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকার্যক্রম সম্পন্ন করার পর গুরুদক্ষিণা দিতে হতো- এই গুরুদক্ষিণা অনেক ক্ষেত্রে ছিলো জাগতিক, অনেকক্ষেত্রে অজাগতিক। তাছাড়া জাগতিকতার বাইরে নানা ধরনের অঙ্গীকারও এই গুরুদক্ষিণার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলো। ফলে শিক্ষা সবসময়ই বিনিময়জাত হলেও এই বিনিময় কখনোই ব্যবসা হয়ে উঠে নি। পুরাকালের ব্যক্তিপর্যায়ের শিক্ষাপ্রদান পদ্ধতির সাথে বতর্মান সময়ের প্রাইভেট টিউশনির মূল পার্থক্যটা গড়ে উঠেছে এখানেই। শিক্ষাপ্রদান বা শিক্ষা ছড়িয়ে দেয়া এখন আর ব্রত নয়, নিজের বিশ্বাস বা দর্শন অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া নয়- এটা এখন ব্যবসা। কিংবা জীবিকার মূল উপকরণ। কিংবা আর দশটি বস্তুগত সামগ্রীর মতোই- কিছুটা হয়তো অবস্তুগত পণ্য, যেখানে মূল্যমান নির্ধারণের চেয়েও দাম-ই প্রাধান্য পায় বেশি।

৩.
প্রাইভেট টিউশনির ব্যাপারে আজকাল নানা মহল থেকে বেশ ওজর-আপত্তি আসছে। কিন্তু একটু তলিয়ে দেখা গেলে বুঝা যাবে- প্রাইভেট টিউশনি আদতে খারাপ কিছু নয়। প্রাইভেট টিউশনির নামে যে ব্যবসা-প্রক্রিয়া চলছে সেটা খারাপ। যে কোনো কাজেরই একটি পর্যায় থাকে- সেই পর্যায়টি অতিক্রম করে গেলে সেটি যতো ভালো কাজই হোক না কেন, তা খারাপে রূপ নিতে পারে কিংবা মানুষের কাছে খারাপ হিসেবে প্রতিভাত হতে পারে। প্রাইভেট টিউশনির ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। আমরা যদি বাংলাদেশে আশির দশকের শিক্ষার কথা চিন্তা করি, তাহলে দেখা যাবে তখনও প্রাইভেট টিউশনি বেশ জোরালোভাবেই সমাজে বিদ্যমান ছিলো। সে সময়কালে লজিং মাস্টার নামে একটি প্রথা চালু ছিলো, চালু ছিলো প্রতিবেশি কিংবা পাড়ার শিক্ষক কর্তৃক ‘পড়া দেখিয়ে দেয়ার’ একটি স্বল্প-আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। এ সমস্ত কার্যক্রমে বিনিময়ের একটা পদ্ধতি ছিলো ঠিকই, কিন্তু সেটি মুখ্য হয়ে উঠে নি। আজকে প্রাইভেট টিউশনি বন্ধ করা বা এর সমালোচনামূলক যে সমস্ত কথাবার্তা হচ্ছে, তার প্রধান কারণ হচ্ছে দিনে দিনে পড়ালেখার বদলে এই বিনিময়টিই মুখ্য হয়ে উঠছে।

৪.
যারা প্রাইভেট টিউশনি বন্ধের পক্ষে অবস্থান নেন, তাদের একটি সাধারণ যুক্তি হচ্ছে- প্রাইভেট টিউশনি ক্ষতিকর। কোন অর্থে ক্ষতিকর? ক্ষতিকর এই অর্থে প্রাইভেট টিউশনিতে প্রচুর অর্থ খরচ হয়, অতিরিক্ত সময় নষ্ট হয়, প্রাইভেট পড়ার ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহী হয় না ইত্যাদি ইত্যাদি। যারা প্রাইভেট টিউশনি বন্ধের বিপক্ষে অবস্থান নেন, তাদের যুক্তি হচ্ছে, বিদ্যালয়ে যথাযথভাবে পড়ালেখা হয় না বলেই শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে হয়। তাদের মতে, কোনো অভিভাবক যদি শিক্ষার্থীকে আলাদাভাবে পড়াতে চান, তাহলে অন্যেরা এ ব্যাপারে নাক গলানোর কে? যার সামর্থ্য আছে, তিনি তো চেষ্টা করবেনই অন্যদের চেয়ে বেশি ভোগ করার। শিক্ষা যেহেতু মোটামুটি পণ্যের কাতারে দাঁড়িয়ে গেছে এবং শিক্ষার পেছনের খরচকে এ সময়ে বিনিয়োগ, অনেকক্ষেত্রে সমাজের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ, হিসেবে ধরা হয়-- সেখানে যার টাকা আছে তিনি যদি সেই টাকা শিক্ষার পেছনে খরচ করতে চান, তাহলে সমস্যা কোথায়? আপনি যদি ‘ফ্রিডম অব চয়েজ’-এ বিশ্বাস করেন, তাহলে একজন অভিভাবকের অধিকার আছে বিদ্যালয়ের পড়ালেখার বাইরেও শিক্ষার্থীকে আরেকটু ‘বেটার ট্রিটমেন্ট’ দেয়ার। প্রশ্ন ওঠে- তাহলে যাদের টাকা নেই তাদের কী হবে?

সমস্যাটা সেখানেই এবং উত্তরটাও সেখানেই নিহিত। মূল সমস্যা চিহ্নিত না করে প্রাইভেট টিউশনি বন্ধ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, বরং তা আরো নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করবে।

৫.
শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট পড়ে কেন? মোটাদাগে দুটো কারণ এখানে চিহ্নিত করা যায়। প্রথম কারণ হলো- বিদ্যালয়ে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যতোটুকু পড়ালেখা যেভাবে হওয়ার কথা সেভাবে হয় না, কিন্তু পরীক্ষা পাসের সিস্টেমটা অত্যধিক গুরুত্ব পাওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা বা তাদের অভিভাবকেরা প্রাইভেট পড়ার ওপর জোর দিয়ে থাকে। দ্বিতীয় কারণ হলো- যে সমস্ত অভিভাবক স্বচ্ছল, তারা চান তাদের ছেলেমেয়েরা অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকুক। ফলে এর জন্য প্রয়োজনীয় টাকা খরচ করতে তারা দ্বিধা করেন না। আমার মতে, প্রথম কারণটিই মুখ্য, দ্বিতীয় কারণটি গৌণ। দ্বিতীয় কারণটিকে গৌণ বলার পেছনে যুক্তি হলো, বর্তমান সমাজ বা রাষ্ট্রব্যবস্থাকে পুঁজিবাদী, মুক্তবাজার অর্থনীতি ইত্যাদি যে নামেই চিহ্নিত করা হোক না কেন; এ ধরনের রাষ্ট্র বা সমাজের বিরাজমান বৈষম্য মূল সিস্টেমের পাশাপাশি নানা উপজাতের জন্ম দেয়। প্রাইভেট পড়াটাই যেমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লেখাপড়ার পাশাপাশি একটি উপজাত-পদ্ধতি হিসেবেই বেড়ে উঠেছে! এটা বন্ধ করতে হলে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকেই বদলে ফেলতে হবে, যা আসলে অন্যদের বা অন্যত্র আলোচনার বিষয়।

সেক্ষেত্রে প্রথম কারণটি নিয়েই আলোচনা করা যাক। আমাদের দেশের যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলোর জন্য নানা ধরনের কাজ নির্ধারণ করা রয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে রচিত কারিকুলাম বা শিক্ষাক্রম দ্বারা। এই শিক্ষাক্রম অনুসারে, বিদ্যালয়ের একটি বড় কাজ হচ্ছে নির্ধারিত কারিকুলাম বা শিক্ষাক্রমের অন্তর্ভুক্ত পাঠ্যক্রমের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা। এর জন্য নানা ধরনের শিক্ষোপকরণ রয়েছে, রয়েছে অবকাঠামোগত ব্যবস্থা, শিক্ষক, নানা ধরনের শিক্ষাপদ্ধতি ইত্যাদি। এসব কিছু আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে এই নির্দিষ্টকৃত শিক্ষাক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেন সব শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রবাহিত করা যায়। যে বিদ্যালয় অন্যান্য অনেক কাজ বাদ দিয়ে শুধু এটুকু করতে সক্ষম, বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সেটিকেই ভালো বিদ্যালয় হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে এবং সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থী বা অভিভাবককে এই শিক্ষাক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে অন্য কোনো উপায় নিয়ে ভাবতে হয় না। গোল বাধে তখনই যখন শিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবক লক্ষ্য করেন যে, বিদ্যালয় তার দায়িত্ব সুসম্পন্ন করছে না কিন্তু শিক্ষার্থীকে ঠিকই প্রচলিত পদ্ধতিতে কঠোরভাবে মূল্যায়ন করে যাচ্ছে, যে মূল্যায়নের সাথে আবার শিক্ষার্থীর ‘ক্যারিয়ার’ও সম্পৃক্ত। সেক্ষেত্রে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবেই ভীত হন এবং বিদ্যালয়ের বাইরের সাহায্য পাওয়ার আশায় ব্যাকুল হয়ে যান। ফলে প্রাইভেটের প্রতি তাদের দ্রুত নির্ভরশীলতা গড়ে ওঠে। যদি কোনো বিদ্যালয় তার শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে শিক্ষাক্রমের আওতাভুক্ত সমস্ত কাজকর্ম বিদ্যালয়েই সম্পন্ন করে দেয়, তাহলে সেই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক কি প্রাইভেটের প্রতি আগ্রহী হবেন? উত্তর হলো, না। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেটের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত নেশার মূল কারণ খুঁজতে গেলে প্রথমেই বিদ্যালয়ের দিকে তাকাতে হবে। যদি বিদ্যালয়কে তার দায়িত্ব ঠিকভাবে পালনে বাধ্য করা হয়, তাহলে বাড়তি কোনোরূপ প্রচেষ্টা ছাড়াই প্রাইভেট টিউশনি পদ্ধতি বন্ধ হয়ে যাবে- এতে কোনো সন্দেহ নেই।

৬.
পড়ালেখার মতো কোনো বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত উপাদান বা কার্যপ্রক্রিয়াকে জোর করে বা আইন করে বন্ধ করা যায় না, করা উচিত নয়। সম্প্রতি নানা মহল থেকে প্রাইভেট টিউশনি বন্ধ করার একটি প্রচেষ্টা চালানোর কথা শোনা যায়। হয়তো এ সম্পর্কিত আইনও তৈরি হবে যাতে শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশনি না করতে পারেন। এভাবে কি আদৌ প্রাইভেট টিউশনি বন্ধ করা যাবে? প্রাইভেট টিউশনির মূল কারণগুলো খুঁজে বের না করে এর উপরিকাঠামোর কারণগুলোকে নিয়ে যতোই কার্যক্রম গ্রহণ করা হোক না কেন, নানা ফর্মে প্রাইভেট টিউশনি ঠিকই বহাল থাকবে। শিক্ষকদের যদি প্রাইভেট টিউশনি করতে না দেয়া হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবে একজন ডাক্তার বা আইনজীবি কিসের ভিত্তিতে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করবেন? যে আইন শিক্ষকদের জন্য তৈরি করা হলো, সেই আইন তো একইভাবে কার্যকর হতে পারে অন্যদের জন্যও। সেটি না করে শুধু শিক্ষকদের একতরফাভাবে তাদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস থেকে সরিয়ে রাখলে তা থেকে আদৌ কি কোনো ভালো ফল পাওয়া যাবে? বোধহয় এ বিষয়ে ভাবার দরকার আছে। পেশাজীবিদের একটি ভাগের জন্য এক নিয়ম, আরেকটি ভাগের জন্য আরেক নিয়ম চালু হলে তা নতুন কিছু অসন্তোষের জন্ম দিতে পারে।

৭.
উপরের অংশগুলো পড়ে মনে হতে পারে, আমি বোধহয় প্রাইভেট টিউশনির পক্ষে। মোটেও না। কিন্তু আইন করে বা জোরজবরদস্তি করে প্রাইভেট টিউশনি পদ্ধতি বন্ধ করারও পক্ষে না। প্রাইভেট টিউশনি পদ্ধতি কেন সমাজে এখনো বিদ্যমান, সেই কারণটুকু বের না করে এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ না করে অন্য যতো ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হোক না কেন, তা থেকে বিশৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছু পাওয়া যাবে না। লেখাপড়ার আনুষ্ঠানিক মাধ্যম হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেই বাদ দিয়ে পুরো সিস্টেম ব্যস্ত টাকা কামানো ও ব্যবসার ধান্ধায়। যতোদিন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি দূর না করা হবে, ততোদিন হাজার চেষ্টায়ও প্রাইভেট টিউশনি বন্ধ করা যাবে না।
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×