আমার প্রিয় পোস্ট

হয়তো আমি কোন কিছু সম্পর্কে নিশ্চিত নই

গ্রামীণফোনের 'কাছের মানুষ': 'আপনার সিগনেচারটা ঠিক পুরোপরি মিলছে না...'

১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৫

শেয়ারঃ
0 1 0

আমার দুই সহকর্মী পড়লেন কঠিন বিপদে। বিপদটা নারী হওয়ার জন্য।

তারা দুজনেই গ্রামীণফোন ব্যবহার করেন। একদিন হঠাৎ করেই একজনের মোবাইলে বিশ্রি এসএমএস আসা শুরু করলো। পড়ে তো তিনি হতভম্ব। এমন এসএমএস কেউ কাউকে লিখতে পারে- এটা তাঁর কল্পনায়ও ছিলো না। মুখ ভার করে তিনি আমাদের ঘটনাটা জানালেন, সেই সাথে জানালেন এসএমএসগুলো এমন যে, তিনি কাউকে সেগুলো দেখাতেও পারছেন না। আমি খুব একটা পাত্তা দিলাম না। নারী হয়ে জন্মেছেন, আবার এমন দেশে বাস করেন যেখানে যারা নারীনীতি বুঝে না তারা সেটার পর্যালোচক হয়ে যায়- সেখানে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। বরং আমি উল্টো অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম- এই প্রথম এ ধরনের এসএমএস পেলেন?

যা হোক, পরদিন থেকে পাশের সহকর্মীর মোবাইলেও এসএমএস আসা শুরু করলো। একই নম্বর থেকে একই এসএমএস। তাঁরা বললেন, এসএমএসের লেখা থেকে বুঝা যায় পরিচিত কেউ করছে। এমন কেউ যে তাদের দুজনেকই চিনে। দিন-রাত এসএমএস আসতেই লাগলো। এবার আর বিষয়টা উপেক্ষা করা গেলো না। আমরা দোকানের মোবাইল থেকে ওই নম্বরে ফোন করে জানার চেষ্টা করলাম কে এমন করছে। কিছুই জানা গেলো না- নম্বরটি সারাদিন বন্ধ থাকে। আরেক বন্ধুর মোবাইল থেকে একবার ফোন করা হলো, কিন্তু ওপ্রান্ত থেকে কেউ রিসিভ করে নি। উল্টো সেই নম্বরেও একই এসএমএস আসা শুরু হলো। বাধ্য হয়ে তাঁরা গেলেন গ্রামীণফোনের গুলশান অফিসের কাস্টমার কেয়ারে।

আমাদের ‘কাছের মানুষ’রা এখন কাস্টমার কেয়ারে বসেন! কিন্তু যিনি তাঁদের রিসিভ করলেন, তিনি প্রথমেই খুব ভাব দেখিয়ে বললেন- আমার সাথে আসেন। সহকর্মী দুজন গেলেন তার পেছন পেছন। মিনিটখানেকের মধ্যেই তিনি তাঁদের কথা ভুলে কোনো এক টেবিলে আলাপ জুড়ে দিলেন। কিছুক্ষণ পর পেছনে ফিরে আমার সহকর্মীদের দেখে খুব বিরক্ত হয়ে বললেন- আপনারা এখানে কেন? আপনাদের এখানে কে আসতে বলেছে?

আমার সহকর্মীরা নির্বাক, স্তম্ভিত। মনে হলো, অভিযোগ জমা দিতে গিয়ে তাঁরা অনেক বড় অপরাধ করে ফেলেছেন। তাঁরা বললেন- আপনিই তো আসতে বললেন! ভদ্রলোক বেমালুম অস্বীকার করলেন। যাই হোক, কিছুক্ষণ পর অভিযোগ জমা দিয়ে তাঁরা চলে আসলেন। জানানো হলো- ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদেরকে অভিযোগের রেজাল্ট জানানো হবে। সেই সাথে এটাও বলে দেওয়া হলো- যে এসএমএস পাঠাচ্ছে, তাকে গ্রামীণফোন থেকে ফোন করে শুধু অনুরোধ করা হবে আর এসএমএস না করার জন্য। কিন্তু তারা ফোন বন্ধ করতে পারবে না। সহকর্মীরা অনুরোধ করলেন- ফোন বন্ধ না করলেও তাদের নম্বরে যেনো এসএমএস না আসে, সেই ব্যবস্থা করার জন্য। অদ্ভুত উত্তর পাওয়া গেলো- ‘আপনারা যেমন আমাদের কাস্টমার, তিনিও আমাদের কাস্টমার। আমরা কোনো কাস্টমারের নম্বর থেকে কল বা এসএমএস বন্ধ করতে পারবো না।‘
- ‘এভাবে দিনের পর দিন বিরক্ত করলেও না?’
- ‘না’।
তাঁরা চলে এলেন।

একদিন যায়-দুদিন যায়-তিনদিন যায়, গ্রামীণফোন থেকে আর কোনো ‘রেজাল্ট’ আসে না। কিন্তু এসএমএস ঠিকই আসে। এর মাঝে গ্রাহককথাঅনলাইনে চ্যাট করে একজনকে পুনরায় অভিযোগ জানানো হলো। তিনি জানালেন- এমন কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পান নি। তারপরও তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে জানালেন।

আরো কয়েকটি দিন গেলো। অশ্লীল থেকে অশ্লীলতর এসএমএসের বন্যা শুরু হলো দুজনের মোবাইলে। বাধ্য হয়ে একজন গেলেন উত্তরা কাস্টমার কেয়ারে। সেখান থেকেও জানানো হলো- ফোন করে এসএমএস না পাঠানোর অনুরোধ করা ছাড়া তারা আর কিছু করতে পারবেন না। এবার গ্রামীণফোনে চাকরিরত আমাদের এক পরিচিতকে জানালাম। তিনিও কিছু চেষ্টা করলেন। কিন্তু লাভ হলো না। তিনি জানালেন- এরকম কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পান নি।

তাহলে অভিযোগটি কোথায় গেল?

যা হোক, শেষ পর্যন্ত অন্য উপায়ে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে- পরিচিত-স্বল্পপরিচিত কয়েকজনের আন্তরিক সাহায্যে। কিন্তু তার জন্য যে শ্রম- যে সময় ব্যয় হয়েছে, কিংবা যেভাবে বিভিন্ন উর্ধ্বতন মানুষদের কাছে যেতে হয়েছে, তাতে একটাই বোধ জন্মে- বিজ্ঞাপনের ‌’কাছের মানুষ’রা কর্পোরেট লাভের কাছের মানুষ, আমাদের মতো গ্রাহকদের নয়।

এই উৎপাত বন্ধ হওয়ার আরো দশ-বারোদিন পর অর্থাৎ প্রায় ২৫ দিন পর গ্রামীণফোন থেকে ফোন এলো আমার এক সহকর্মীর কাছে- ‘আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু আপনার সিগনেচারটা ঠিক পুরোপরি মিলছে না...’

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গ্রামীষফোসগ্রাহক হয়রানিঅভিযোগঅশ্লীল এসএমএস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: এমনিতেই  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১০
আসিফ আহমেদ বলেছেন: যন্ত্রণা থেকে বাঁচার অন্য উপায়টা জানতে চাই।

১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: বললামই তো, স্বল্পপরিচিত ও পরিচিত কয়েকজনের আন্তরিক সাহায্যে.... ভালো আছো কি?

২. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১১
কৌশিক বলেছেন: গ্রামীণ হচ্ছে নতুন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী। আসুন আমরা টেলিটকের পৃষ্ঠপোষকতা করি।
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: সবাই কৌশিকের পেছন পেছন যান...

১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: নো বলাটা কঠিন, তবে বলতেই হবে মনে হচ্ছে...

৪. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৮
আসিফ আহমেদ বলেছেন: ভালো আছি, সময় পেলে মেসেন্জারে নক করো, আমি থাকি বেশিরভাগ সময়।
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আমিও তো মেসেঞ্জারে থাকি সারাদিন, যদিও ব্যস্ততার কারণে খুব কম চ্যাট করি।

৫. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: হারামজাদা গ্রামীনের কাস্টোমার কেয়ারে কালকেও আমার অফিসের একজন ফোন দিসিল,মানা করসিলাম যে দিয়া কাজ নাই,পয়সা নষ্ট,তাও দিল,৩-৪ মিনিট ঘুরায়া পয়সা কাইটা কয় আমাদের সেন্টারে আসেন। হারামী গুলা কাস্টোমার কেয়ারে খুঁইজা খুঁইজা আরো বড় হারামীগুলারে নিয়োগ দেয় মনে হয়।
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: কি জানি! হয়তো আপনিই ঠিক...

৬. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:২২
উরনচণ্ডী বলেছেন: গ্রামীণের টাকা- নরওয়ে,
বাংলালিংকের টাকা- মিশর
একটেলের টাকা- মালয়েশিয়া
ওয়ারিদের টাকা- দুবাই

দেশের টাকা সব শেষ হইতাছে কতা কইয়া

সবাইরে না করতে হইব।
১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: একটেলের টাকা এখন মালয়েশিয়ার সাথে জাপানেও যাবে।

কিন্তু উরনচণ্ডী, সবাইরে না করা কি এতো সোজা? কিংবা না করা কি উচিত?

৭. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:২২
দুঃখবিলাস বলেছেন: শুধু কি জিপি, এর থেকেও খারাপ বাকিগুলা। তবে, দেশে জিপির কাস্টোমার বেশি বলেই বোধ হয় এক্সপেকটেশানও বেশি
১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: এটাকে এক্সপেকটেশন বলে না। বলে সেবা প্রদানের দক্ষতা ও ক্ষমতা।

এক্সপেকটশন তখনই বলা দরকার যখন স্বাভাবিক সার্ভিসের বাইরে আলাদা কিছু চাওয়া হতো। গ্রাহক হিসেবে এটুকু সার্ভিস পাওয়াটা অধিকার, আর দেওয়াটা ছিলো তাদের অঙ্গীকার। এর চেয়ে বাকিরা খারাপ কিনা জানেন? আর বাকিরা খারাপ- এটা কোনো যুক্তি হতে পারে না।

৮. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
স্পাইডারওয়েব বলেছেন: গ্রামীনফোনের কাস্টমার কেয়ার সবচেয়ে ভু্য়া! ওদের ১-২-১ কল সবচেয়ে বেশী! এরা নব্য ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী! জনগনের সাথে জোচ্চরী করছে!
১৮ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: কি জানি! হয়তো আপনিই ঠিক...

৯. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
যীশূ বলেছেন: অনিশ্চিত, তুমি তোমার বন্ধুর কাছের মানুষ হিসাবে যতটুকু করছো, জিপির কাস্টমার সার্ভিসের কাছের মানুষরাও তাই করেছে। :)
১৮ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: মন্তব্যটা ঠিক বুঝলাম না। জিপির কাস্টমার সার্ভিসের কাছের মানুষরা গ্রাহকদের হয়রানি করে? গ্রাহকদের অভিযোগকে উপেক্ষা করে? নাকি যে মোবাইলে বেশি টাকা খরচ করে, তারাই জিপির কাছের মানুষ। তারা অন্যকে বিরক্ত করলেও কোনো সমস্যা নেই জিপির কাছে?

১০. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: যদি ব্লগে মোবাইল কোম্পানির এড দেওয়া শুরু হয়, তখন এই পোস্টটা আবার দিয়েন ভাই।
১৮ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: একই পোস্ট আবার দেওয়া কি ঠিক হবে? তবে বিজ্ঞাপন যেই দিক, তাদের বিরুদ্ধে গেলেও মতামত ঠিকই প্রকাশ করা হবে। কিন্তু চিন্তায় আছি কর্তৃপক্ষকে নিয়ে, বিজ্ঞাপনের স্বার্থে না আবার কোনো পোস্ট মুছেটুছে দেয়!!!

১১. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এই জন্য কর্পোরেট লেভেলে যে কোন ধরনের ডকুমেন্ট/আবেদন পত্র জমা দিলে তার আরেকটা কপিতে গ্রহণকারীর সাক্ষর নেয়া উচিত (স্থান, কাল, পাত্র ইত্যাদি) , যা পরবর্তীতে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব সহজেই ।
১৮ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: অভিযোগের এক কপি আছে আমাদের কাছে। কিন্তু লাভ কী?

১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: আসলেই দুঃখজনক।

১৩. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭
ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
বিটিআরসি'তে নাকি এরকম একটা অভিযোগ কেন্দ্র আছে। যে কোন ধরনের টেলিকম প্রোভাইডারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায়।
১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: বাপরে!

১৪. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮
মামু বলেছেন:
জিপির কাষ্টমার কেয়ারে মাগী গুলারে কয় "কাষ্টমার ম্যানেজার"
চিন্তা কইরা দেকলাম টিকই কইচে, হেরা তো কাষ্টমারের কেয়ার নেয় না, ম্যানেজ করে।
হেই ম্যানেজটা কাষ্টমারের হাত পায় ধইরা বা শরীর দিয়া আর মন দিয়া যেমনেই হোক।
সেই দিক তেকে তারা ছফল 'কাষ্টমার ম্যানেজার'।

পুন রিসিপসনিষ্ট গুলা ক্যামনে ম্যানেজার হইল এই টা চিন্তায় ধরে না। পৃথীবির কুনু কানেই এই দরনের চাকুরীর পোষ্টকে "কাষ্টমার ম্যানেজার" কয় না।

সবচে ভাল হইত তারা যদি এই গুলারে কইল "খদ্দর ব্যবস্থাপক/ সন্তুষ্টিকারক"। আর যাই হোক তাতে নিজের মাতৃভাষার একটা প্রতিফলন পাইতাম।
১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: মন্তব্যে মাইনাস দেওয়ার সিস্টেম থাকলে আপনারে মাইনাস দিতাম কয়েকটা। মন্তব্যটা মুছতে চাইছিলাম, কিন্তু ভাবলাম থাক। সবাই দেখুক আপনি কীভাবে নিজের ভাব প্রকাশ করেন।

১৫. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪
ফিউজিটিভ বলেছেন: ভবঘুরে বলেছেন: Say no to GP
১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: বলবেন নাকি?

১৬. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫
জরিণা বলেছেন: গ্রামীণফোনের 'দুরের মানুষ'

দুইদিন আগে আমার হারানো সিমটি তুলি শ্যামলী কাস্টমার কেয়ার থেকে ওনাকে বলি সিমটি একটিভ করে দেওয়ার জন্য উনি বলে আপনার সিম একটিভ হয়ে গেছে। সাথে মোবাইল ছিলনা তাই ট্রাই করে দেখতে পারিনি। বাসায় এসে দেখি সিম একটিভ হয়নি। কোথাও ফোন যাচ্ছে না বা আসছে না। এমন কি ১২১ও ফোন যায় না। সবাই বলে অনেকদিন বন্ধ ছিল তাই হয়ত কিছুক্ষন চালু করে রাখ বা রির্চাজ করে দেখ আমি আবার ২০ টাকা রিচার্জ করলাম তবুও কোন রেজাল্ট নেই। পরেরদিন গেলাম কমলাপুর রেল স্টেশন কাস্টমার কেয়ারে যেয়ে দেখি এক আপু বসা ওনাকে সমস্যার কথা বলে গত কালের রিসিভটা দিলাম কি যেন চিন্তা ভাবনা করে ফোন বলে এক জায়গা থেকে সিম তুলে অন্য জায়গায় একটিভ করার কোন সিস্টেম আছে কিনা। পরে আমাকে বলে রিসিভটার একটা ফটোকপি নিয়ে আসুন আমি বলি আশে পাশে কোথাও ফটোকপির দোকান নেই ফটোকপি করার জন্য কমলাপুর বাজার অথবা মতিঝিল যেতে হবে উনি বলেন না রাস্তার ওপারে ফটোকপির দোকান আছে ওনার সাথে সিকিউরিটি গার্ডও সুর মিলিয়ে বলে হ্যাঁ আছে কিন্ত ওই জায়গাটা আমার পুরোদম চেনা। আমি বলি আপনি ওরজিনালটা রেখে দিন। অথবা আমি সন্ধার সময় আপনাকে ফটোকপি দিবো। ওনি কিছুতেই রাজী নয়। পরে ফটোকপি খুজতে খুজতে মতিঝিল এসে আর ফিরে গেলাম না। অন্য মোবাইল থেকে ফোন করলাম কাস্টমার কেয়ারে বার বার ফোন করছি রিসিভ করে বলে গ্রাহক সেবার জন্য ১ চাপুন আর সাহায্যের জন্য ০ চাপুন কিন্ত ১ চাপলে বলে আপনি এখন কল ওয়েটিং এ আছেন এভাবে ৪-৫ মিনিট চলে গেলে কোন সাড়া পাচ্ছি না। পরে আবার ফোন করলাম এবার ও আগের কথা গুলো বার বার বলছে তবে এবার ১ চেপে পেলাম সমস্যা বললাম তার পর অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে লাইনটি একটিভ করলাম অথচ সিম তোলার জন্য ১০০ টাকা আর একটিভ করার জন্য প্রায় ২৫-৩০ টাকা গচ্ছা গেলো এর দায়ভার কার।
একেই বলে কাছে থাকুন" ফোনে টাকা গচ্ছা গেলেও কোন সমস্যা নেই তবুও তো কাছে আছেন।

সাপোর্ট করি কৌশিক এর লেখাকে দেশের টাকা দেশে রাখার প্রচেষ্টা করার জন্য।


** একটি কথা বাংলালিংক সিম তুলতে নেয় ৫০ টাকা।
১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: হুম, কিন্তু টেলিটকের নেটওয়ার্ক তো ভালো না। খুব একটা বিস্তৃত না। থাকলে দেশের টাকা দেশেই রাখতাম।

১৭. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
মদন বলেছেন: এরা হাজার হাজার টাকা বেতন দিয়া কতগুলান ছাগল বসায়া রাখে। আমার নাম এবং ঠিকানা শুরু থেকেই ভুল করেছে এবং ২ বার সংশোধনীর জন্য আবেদন করার পরে তা আরো বিকৃত অবস্থা ধারন করছে।
১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: .. তাই বলে এভাবে বলবেন?

১৮. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
বোধিস্বত্ত বলেছেন: এই উৎপাত বন্ধ হওয়ার আরো দশ-বারোদিন পর অর্থাৎ প্রায় ২৫ দিন পর গ্রামীণফোন থেকে ফোন এলো আমার এক সহকর্মীর কাছে- ‘আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু আপনার সিগনেচারটা ঠিক পুরোপরি মিলছে না...’

>>> এরপরে দরকার ছিলো একটেলের গালি। গালির উপ্রে ওষুদ নাই
২২ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: হুম। মধ্যবিত্তদের এই একটা অসুবিধা- গালাগালি করলে নাকি জাত যায়! ইজ্জত যায়! নাইলে ঠিকই গালি দিতাম।

১৯. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এইগুলানরে ধইরা চাবকানো উচিত ! কোন কথা ছাড়া :(
২২ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: কিন্তু চাবকাবে কারা?? যারা মনিটরিং-এর দায়িত্বে আছেন, তারা যদি তাদের কাজটা ঠিকমতো করতেন, তাহলে আজতে এই সমস্যাগুলো হতো না।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২২ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: শেষ লাইনটা বুঝলাম না।

২১. ১৮ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৫৮
বিগব্যাং বলেছেন: কদিন আগে এক বন্ধু এই বিগ্যাপণটা মেইল করছিলো...ছি ছি কি অশ্লীল...
২২ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: .ছি ছি কি অশ্লীল...

২২. ১৮ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮
অলস ছেলে বলেছেন: টেলিকমিউনিকেশন আইনের ৭০ এবং ৭১ ধারা অনুযায়ী বিটিআরসির অফিসে বিস্তারিত লিখে অভিযোগ দায়ের করা ছাড়া কিছুই করার নেই।
এতে সমাধান হয়তো হবে, হয়তো হবেনা।
কিন্তু কাষ্টমার কেয়ার, থানায় জিডি কিছুতেই কোন লাভ নেই, নাম্বার বদলে ফেলা ছাড়া।
সহিংস উপায় হলো ক্ষমতা থাকলে কোনভাবে কলারের নাম ঠিকানা বের করে ড্রাই ওয়াশ করে দিয়ে আসা।
কাছের মানুষ, কথা দিলাম, রাজা আর তার মত সস্তা কলরেট, সবই অনর্থক। আমিও টেলিটকের সাপোর্টার।
আর মোবাইলেরই বা এত কি দরকার?
২২ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: শেষ লাইনটার সাথে একমত হতে পারলাম না। কারো কাছে হয়তো মোবাইলটা অনেক কিছু, কারো কাছে একদমই দরকার না। সমস্যাটা হচ্ছে- যার কাছে দরকার না সে যদি জোর করে সেটাকে দরকার বানাতে চায়।

আর অভিযোগ দায়ের করে যে কী হয়, সেটা বোধহয় আমরা সবাই জানি।

লেখাটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

২৩. ১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
নাঈম বলেছেন: গ্রামীন হল রক্তচোষা বাদুড়ের মত, মানুষের রক্ত(=টাকা)চুষে খাচ্ছে, তাদের কাস্টমার সার্ভিসের কথা আর না-ই বা বললাম।
২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: আমরাও অনেক সময় এগিয়ে যাচ্ছি নিজেদের রক্ত যাতে চুষতে পারে সেই ব্যবস্থার দিকে। টিএসসিতে দেখছেন না এখন কী করতে যাচ্ছে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো 'শিক্ষিতদের' জায়গায় যদি গ্রামীণফোন এভাবে প্রবেশ করতে পারে, তাহলে অন্যদের দোষ দিয়ে লাভ কী?

২৪. ১৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
মখআলমগীর বলেছেন: টেলিটককে হ্যা বলুন
দেশের টাকা দেশেই রাখুন!!
২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: কিন্তু দেশের টাকা দেশে রাখতে হলে সার্ভিসটা হতে হয় সফিসটিকেটেড। টেলিটকের ওইটার অভাব আছে, আর এই ফাকেই গ্রামীণ-একটেল-বাংলালিংক-ওয়ারিদগুলা ব্যবসা করছে।

২৫. ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:০৯
মোঃ শিহাবুর রহমান বলেছেন: আমিও লেখকের সহমর্মী। আমার কাছের এক মানুষের ঠিক এই সমস্যা তে পড়তে
হয়েছিল। বাংলালিংক এ।

অভিযোগ করার পর ,বাংলালিংক এর কাস্টমার কেয়ারে বলে দিল কিছু করার নেই ওদের। কিছু করতে চাইলে পুলিশে জিডি করতে হবে।ওরা শুধু ওদের ব্যবসার
দিকটাই দেখবে, মানবিকতা নয়। কোনো দায়বদ্ধতা নেই কারো যেন।
সবচেয়ে খারাপ দিকটা হলো যে এ ব্যাপারে কেউ সাহায্য করার নেই ।
না মোবাইল কোম্পানী গুলো ,না সরকার না মিডিয়া ।ঁ
২৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিহাব। কর্পোরেট সংস্কৃতিটাই এমন। লাভ ছাড়া তারা একপাও নড়তে চায় না। আমরাও হযে যাচ্ছি তাদের মতো। তাদের নাচানো বিজ্ঞাপনে মজে আমরা নিজেদের তৈরি করছি তাদের আদলে। দুঃখজনক।

২৬. ০৩ রা জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৪
আরজু বলেছেন: কর্পোরেট সংস্কৃতিটাই আমাদের ভবিষ্যত ধবংস করে দিচ্ছে...আজব আজব সব সংস্কৃতি র ধারনা শুরু করছে...মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে এই কোম্পানী গুলাকে কানে ধরে দেশ থেকে বাইর করে দিতে...ভাব ধরে বহুজাতিক কোম্পানী এর কিন্তু কাজ কাম আমাদের মুদি দোকান গুলা থেকে অ খারাপ।
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: কিন্তু কী আর করবেন বলেন! ওদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। ওরা ব্যবসা করতে এসেছে, ব্যবসা করবে। কিন্তু আমরা যে ওদের কাছে নিজেদের বেঁচে দিচ্ছি, সেটাই বড় দুঃখ।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২৭. ০৩ রা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
গ্রুপেন ফুয়েরার বলেছেন: আসুন টেলিটক ব্যবহার শুরু করি
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: টেলিটকের যে নেটওয়ার্ক দুর্বল! আগে তো সেটা ঠিক করবেন, নাকি?

২৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪
হুমায়ূন সাধু বলেছেন: খুব আপত্তিকর...খুবই খারাপ! জানতামনা, জানলাম। দেখি আরো কিসু জানা যায় কিনা
২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: দেখেন। তবে এর চাইতেও ভয়াবহ ঘটনা আছে বলে জানা যায়। কতো মানুষ যে এরকম উটকো যন্ত্রণার শিকার হচ্ছেন- তাদের নিয়ে গ্রামীণের মাথাব্যাথা নেই। তাদের তো ব্যবসা হলেই হলো!

২৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৫
ফ্লাইওভার বলেছেন: গ্রামীনরে মাইনাস
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: হ। বেশি বেশি মাইনাস দেন!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২০৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে
অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের ক্ষেতে;
মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার,-চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,
তাহার আস্বাদ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ