somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অদ্য হইতে সকলি লিখিব সাধু ভাষায়
কোনোই সন্দেহ নাই যে, সাধু ভাষা মানুষের মুখের ভাষা নহে। কিংবা কাব্য-কবিতায় সাধু ভাষা মাঝেমধ্যেই বেমানান লাগে। আবার ইহাও সন্দেহ নাই যে, সাধু ভাষা অনেক ক্ষেত্রেই নিজ গুণে উদ্ভাসিত। আমরা কি বঙ্কিমচন্দ্রের লেখায় এক শক্তিশালী সাধু ভাষার সন্ধান পাই নাই? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হস্তের লেখনীতে কি সাধু ভাষার রূপ আমরা দেখিতে পাই নাই? বক্তব্য প্রকাশে দৃঢ়তায় সাধু ভাষাকে অনেক পণ্ডিত বেশ শক্তিশালী বলিয়া মনে করিতেন। কিন্তু যেই ভাষারীতির সহিত দৈনন্দিন জীবনের সম্পর্ক ক্ষীণ, সেই ভাষারীতি আস্তে আস্তে দুর্বল হইয়া পড়ে। আমাদের সাধু ভাষারীতির ক্ষেত্রেও তাহাই ঘটিয়াছে বলিয়া মনে হয়।

কিন্তু ভাষার বৈচিত্র্যে বিশ্বাসী বলিয়া এবং ব্যক্তিগতভাবে সাধু ভাষার একজন অনুরাগী হওয়াতে এই রীতিটিকে কিছুতেই ভুলিতে পারি না। কিয়ৎকাল পূর্বে যখন মাঝেমধ্যে ‘আমার ব্লগ’ নামক ব্লগ সাইটখানাটিতে লিখিতাম, তখন সেইখানে ঘোষণা দিয়াছিলাম যে, সেইখানে শুধু সাধু ভাষারীতিতেই লিখিব। কিন্তু নানান কাজের চাপে, মূল নিকে সক্রিয়া হওয়াতে এবং ব্লগটি পছন্দ না হওয়াতে সেইখানে লেখালেখি আর চালাইয়া যাইতে পারি নাই। সামহোয়্যারে আমি লিখিতেছি অনেক দিন ধরিয়া এবং আমার ব্লগ লেখালেখির শুরুও এইখান হইতেই। সেই হেতু সিদ্ধান্ত লইয়াছি যে, এখন থেকে সামহোয়্যার ব্লগে যাহা লিখিব, তাহার সবই হবে সাধু ভাষারীতিতে লেখা। এমনকি এখন হইতে মন্তব্যও করিব সাধু ভাষায়।

এই ব্লগে আমার কিছু সুহৃদ রয়েছেন, রয়েছেন বিদগ্ধ পাঠক-পাঠিকাও; যাহাদের নিকট হইতে আমার একটি প্রত্যাশা রহিয়াছে। প্রত্যাশাটা এই- সাধু ভাষায় লিখিতে গিয়া ভাষারীতিতে কোথাও যদি ভুল করিয়া থাকি, তাহলে তাঁহারা যেন ভুলগুলো ধরাইয়া দেন। আমরা দৈনন্দিন জীবনে লেখালেখিতে নানান ভুল করিয়া থাকি, সাধু ভাষায় চর্চা না থাকায় এইখানে ভুলের মাত্রা আরেকটু বেশি হইবে- তাহাই স্বাভাবিক। আপনাদের সহযোগিতা এই ভুল শুধরাইতে সহায়তা করিবে। আরেকটি বিষয় এইখানে বলিয়া রাখা ভালো- আমি কেবল ক্রিয়াপদে সাধু রীতি প্রয়োগ করিতে ইচ্ছুক নহি, বরং ভাষার সবক্ষেত্রেই সাধুরীতি প্রয়োগ করিতে চাহি। ‘ঝড় উঠিয়াছে’ না বলিয়া ‘ঝটিকা উঠিয়াছে’ বলিতেই এখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিব। সেইহেতু ক্রিয়াপদ ছাড়াও অন্য কোথাও যদি সাধুরীতির অন্যথা ঘটিতেছে বলিয়া আপনাদের কাছে মনে হয়, তাহা হইলে তাহা জানাইলে সেইরূপে শুধরাইয়া লইব। এই লেখাখানি পড়িবার জন্য এবং ভবিষ্যতে সহায়তা করিবার আপনাদের সকলকে আগাম ধন্যবাদ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29275257 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29275257 2010-11-21 11:10:17
ফিউশন ফাইভের সাথে কথা বললাম মোবাইলে, প্রায় ৪০ মিনিট " style="border:0;" />

ফিউশন ফাইভ হিসেবে একসময় বেশ কয়েকজনকে সন্দেহ করতাম। তাদের মধ্যে আছেন পল্লব মোহাইমেন, সিমু নাসের, কৌশিক, আশীফ এন্তাজ রবি, আরো কয়েকজনকে (সন্দেহজনক কারণে তাদের নাম বলছি না...)। আস্তে আস্তে সন্দেহের জাল গুটাতে গুটাতে মোটামুটি তিনটি নামের ব্যাপারে নিঃসন্দেহ হয়েছিলাম কয়েক দিন আগে। এই নিঃসন্দেহ হওয়ার পেছনে ফিউশন ফাইভ কখন ইন্টারনেটে বসেন, আইপি অ্যাড্রেস, পরিচিত কারো সাথে হিউমারের ধরন মিলে কিনা ইত্যাদি নানা ইকুয়েশন কাজ করেছে। সব মিলিয়ে একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হলাম।

খুঁজেপেতে দেখি তাঁর মোবাইল নম্বরটা আছে আমার কাছেই। ফোন লাগালাম। ব্যাটা আমার আগের পরিচিত। বলা ভালো আমাদের পড়ালেখার সেশন একই। কোনো ভনিতা না করে সরাসরি ফিউশন ফাইভ হিসেবেই তাঁর সাথে কথা বললাম। পাক্কা চল্লিশ মিনিট। নানা বিষয়ে। বিষয়ের কী আর শেষ আছে! কখনো লোকালটক, কখনো মুক্তিযুদ্ধের ই-বুক, কখনো সিমু নাসের, কখনো রস+আরো, কখনো হিমু, কখনো নেভারেস্ট, কখনো আশীফ এন্তাজ রবি, কখনো সামু, কখনো মুসা, কখনো বা খোদ ফিউশন ফাইভ ইত্যাদি নানা বিষয়ে আলোচনা। আলোচনা শেষে যখন জিজ্ঞাসা করলাম, বস, তোমার সাথে যে এই আলোচনা করলাম, এগুলো দিয়া কি একটা লেখা দিমু সামুতে?

সে এমন হাসি দিল যে, তার উত্তরটা হতে পারে এরকম- দাও! দিলে আর কী! আমি অস্বীকার করমু!

আমি বললাম, হাসিতে তো কিছুই পরিষ্কার হলো না। হ্যাঁ বা না বলো। কিন্তু ব্যাটা আর কিছু বলে না। বলে, তোমার ইচ্ছা।

আমার অবশ্য ইচ্ছা হচ্ছিল তাঁর পরিচয়টা দিই ফাঁস করে। কিন্তু যে নিজেকে লুকাতে চায়, আমরা কেন তাঁকে বাইরে প্রকাশ করতে যাই!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29272959 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29272959 2010-11-16 00:23:53
বন্টু-মিন্টুর আড্ডা দেখুন সরাসরি http://www.sachalayatan.com/goutam/33832

আর আড্ডার লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং দেখতে পারেন এখানে - http://www.ustream.tv/channel/buntuminturadda]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29205869 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29205869 2010-07-23 17:36:28
আইচ্ছা, মাইনসে ফন্টকে ফ্রন্ট কয় কেন? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" />
আমারে কইলেন "সোলায়মানলিপি" ফন্ট ইনস্টল কইরা দিতে। আমি হইলাম তাজ্জব! কারণ এর আগে তার কম্পিউটারে আমি নিজ হাতে এই ফন্ট ইনস্টল কইরা দিসিলাম। গেল কই? চেক কইরা দেখলাম আসলেই 'তার' ফন্ট ফোল্ডারে সোলায়মানলিপি নাই। আমি আবার ফন্ট ইনস্টল কইরা দেওয়নসহ ভবিষ্যতে অন্য কোনো ফন্ট ইনস্টলাইতে হইলে কীভাবে সেইটা তাড়াতাড়ি করা যাইব সেই তরিকাও শিখায়া দিলাম!

যাউক্গা! এতোক্ষণ আসলে ফাউ প্যাচাল পাড়লাম।

আমার মনের মইধ্যে যে প্রশ্নটা কুড়কুড় করতেসে সেইটা হইতেছে, এই যে কলিগের সাথে এইটা নিয়া প্রায় দশ মিনিট কথা কইলাম, এর মধ্যে সে অন্তত পনর বার কইসে 'ফ্রন্ট', 'ফ্রন্ট'। এতো সহজ একটা 'ফন্ট' শব্দ থাকতে কলিগ কঠিন কইরা 'ফ্রন্ট' কইলো কেন সেইটাই তো ঠিক বুঝতে পারতেসি না।

দিলাম 'ফ্রন্ট' লিইখ্যা গুগলের পেটে হান্দায়া। ওমা! এই তো দেখি বিশাল কামকারবার। শুধু আমার কলিগ না, দুইন্যার সব মানুষই দেখি ফন্টকে সকাল থেইক্কা রাইত পর্যন্ত ফ্রন্ট ফ্রন্ট বইল্যা যাইতেছে। ঘটনা কী? জানেন নি কেউ?

শুনছি নেত্রকোনার মানুষ নাকি সহজ শব্দরে কঠিন কইরা কয়। হাতিরে কয় হাত্তি। কুমিররে কয় কুম্ভির। নেটে কি নেত্রকোনার আছর লাগসে নাকি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29172195 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29172195 2010-06-07 16:26:01
হুমায়ূন আহমেদ: এতোবড় প্রতিভা পাগলামি আর ফাইজলামি করতে করতে বাতিল হয়ে গেলো!
ঈশ্বরগুপ্ত সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা হলো, 'এতোবড় প্রতিভা টিটকারি মারতে মারতে শেষ হইয়া গেলো।' হুমায়ূন আহমেদের ক্ষেত্রে একই কথা বলা যায়- এতোবড় প্রতিভা পাগলামি আর ফাইজলামি করতে করতে বাতিল হয়ে গেলো!

পরিচিত একজন হুমায়ূন আহমেদের ভক্ত। সেদিন তিনি একটা বই (সানাউল্লার মহাবিপদ) হাতে ধরিয়ে দিয়ে অনুনয় করলেন- একটু এই বইটা পড়েন। আমি রাতে আপনাকে ফোন করব। তাঁর কথা রাখার জন্য মাথার গরম রক্ত কোনোমতে ঠাণ্ডা করতে করতে পড়লাম। মোটামুটি নিশ্চিত- হাতের সামনে থাকলে ওই পরিচিতজনকে...

রাতে তিনি ফোন দিলেন। অত্যন্ত গম্ভীর স্বরে বললেন, 'মানুষের কাছে নিজের নামটার প্রতি ভালোবাসা বেশি প্রয়োজন নাকি প্রচুর টাকা থাকার পরও আরও টাকা দরকার?' আমি বললাম, 'কেন?' তিনি উত্তর দিলেন, 'হুমায়ূন আহমেদকে হয় টাকার রোগে ধরেছে, নয় তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। আমার একজন অতি প্রিয় লেখককে এভাবে অসুস্থ দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি।'

হুমায়ূন আহমেদের কানে হয়তো পাঠকের আকুতি পৌছায় না কখনো। না হলে তাঁর কাছ থেকে ক্রমাগত সরে যাওয়া পাঠকের প্রতিধ্বনির প্রতিফলন থাকবে না কেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29114277 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29114277 2010-03-11 15:09:08
গাজোয়ারি সংস্কৃতির ব্লগ দিবস : হাসিব ব্লগ দিবস ঘোষণা নিয়ে সামু মোটামুটি ভালোই খেইল দেখাইল! এই ১৯ ডিসেম্বরকে কেন, কী উদ্দেশ্যে ব্লগ দিবস ঘোষণা করা হলো, অধিকাংশ ব্লগারই বোধহয় সেটা জানেন না। ১৯ তারিখের মাজেজা কী তা-ও স্পষ্ট নয়। একবার ১৬ ডিসেম্বর ব্লগ দিবস করার চেষ্টা চালিয়েছিলো- পারে নাই। সেখান থেকে পিছু হটে ১৫ ডিসেম্বরে আবার চেষ্টা করেছিলো- এবারও ব্যর্থ। শেষমেষ ১৯ তারিখে এসে ঠেকলো। সামু আবার অন্য ব্লগের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সমর্থন আদায় করতে চেয়েছিলো। কিন্তু সাড়া পায় নাই। আমারব্লগ তো এতে ভাঁড় দিবস বলে পাল্টা ঘোষণা দিয়েছে। মোটামুটি নিজেদের ডুগডুগি নিজেরা বাজায়া সামু 'একলা চলো রে...' নীতি অবলম্বন করে ব্লগ দিবস পালন করা শুরু করেছে। ব্লগ দিবস নিয়া এই ভাঁড়ামি উপলক্ষে সামুর সাবেক ব্লগার হাসিব তাঁর নিজস্ব ব্লগে একটা লেখা দিয়েছেন। যারা বাংলা ব্লগ দিবসের পূর্বাপর ইতিহাস জানতে চান, তারা হাসিবের লেখাটা পড়তে পারেন।
গাজোয়ারি সংস্কৃতির ব্লগ দিবস : হাসিব
বারো মাসে তেরো পার্বণ আয়োজনে বাঙালির সুখ্যাতি আছে আগেই । আগের যুগে এই পালা পার্বণগুলোর দিন কাল আচার ইত্যাদি ঠিক করতো মোল্লা-পুরুতের দল । কোথায় কবে চাঁদ, লগ্ন ইত্যাদি হলে কি করতে হবে সেটার বিধান করতেন তারা । এ মুহুর্তে পুরনো উদযাপনগুলোর মধ্যে নতুন বছরের হালখাতা ছাড়া ধর্ম থেকে নয় এরকম কোন দিন খুঁজতে ঐতিহাসিকদের দারস্থ হতে হবে । বাকি অংশটুকু পড়ুন এখানে... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29063016 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29063016 2009-12-21 15:36:13
মদনের পক্ষে এই ম্যাচ জেতা সম্ভব না ১. যার নামের মধ্যে মদন আছে সে, <img src=" style="border:0;" />
২. নেত্রকোনা জেলার একটা উপজেলার নাম, <img src=" style="border:0;" />
আর
৩. একটা দলের নাম- সেইটা আবার মহামদন। সমর্থকেরা উচ্চারণটা একটু চেঞ্জ করে কয়- মোহামেডান। তাতে অবশ্য মদন উচ্চারণটা ঢাকা পড়ে না! <img src=" style="border:0;" />

এই মদন আজকে খেলতাসে আবাহনীর সঙ্গে। ২৭৪ রান চেজ করা মদনের পক্ষেই সম্ভব না! আর এ তো মহামদন!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29062960 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29062960 2009-12-21 13:41:35
ব্রা. রাইসুরে আবার ব্লগে দেখলাম, দোয়া চাই (তথ্যসূত্র) । এর পরে গরু অনেক ঘাস খাইলো, ছাগু অনেকবার কমোডে গেলো। আমি কিন্তু ব্রা. রাইসুর লেখার ভক্ত। কিন্তুক আমি লগইন করা অবস্থায় ব্রা. রাইস ইউ-কে আর দেখি নাই। হইতে পারে, আমি যখন লগইন করি, তখন তিনি থাকেন পদ্যমধু লইয়া; কিংবা তিনি যখন লগইন থাকেন, আমি থাকি বদ্ধরুমে।

অনেকদিন পর আবার ব্রা. রাইসুরে ব্লগে দেখলাম। নামটা দেখেই ভাবলাম, অনেকদিন পর তাঁর নাম চক্ষুসম্মুখে যেহেতু দেখলাম, তাই তাঁর ব্লগটা ঘুরেই আসি। বাপরে! এর মধ্যে দেখলাম তিনি বেশ অনেকগুলো লেখা প্রসব করিয়াছেন। এর মধ্যে সম্প্রতি আনু মুহাম্মদের মার খাওয়ার পরও অতলবর্ষী একটা লেখা ঝেড়েছেন। তিনি অবশ্য আমাদের মতো আবোল-তাবোল লেখা লিখেন না; বিখ্যাত বিখ্যাত লেখা লেখেন। এবং প্রচার চান।

তবে তাঁর এই লেখাগুলা দেইখ্যা আমি খুশি হই নাই। আমি তাঁর কবিতার ভক্ত, প্রথম পড়ি 'আকাশে কালিদাসের লগে মেগ দেখতেছি' বইটা। গত কয়দিনে তাঁর উদর হইতে কবিতা প্রসবিত না হইতে দেখে বড়ই বিমর্ষ আছি।

এক্ষণে ব্রা. রাইসু একখানি কবিতা প্রসব করউন- ব্রা. রাইসুর কাছে এই দুওয়া চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29004827 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/29004827 2009-09-05 00:56:28
ওয়েব সাইট দেখা যাচ্ছে না... এটা কী ধরনের সমস্যা হতে পারে? http://www.bdeduarticle.com সাইটটিতে প্রবেশের চেষ্টা করছি। কিন্তু পারছি না। ঢুকতে গেলেই নিচের মেসেজ দেখায়-

This Account Has Been Suspended

Please contact the billing/support department as soon as possible.

কী কারণে এই সমস্যা হতে পারে জানাবেন কি? এটা কি সার্ভার ডাউনের কারণে হতে পারে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28999777 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28999777 2009-08-26 01:54:11
মোবাইল মডেম-এর বেশ কিছু বিষয় জানা দরকার- সাহায্য প্লিজ
শেষ পর্যন্ত নকিয়া ২৭০০ ক্ল্যাসিক মডেমটা কিনলাম। বেশ ভালোই কাজ দিচ্ছে, যদিও গ্রামীণের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট না। পারফরম্যান্স বেশ উঠানামা করে।

যা হোক, মডেম ব্যবহার করছি ঠিকই, কিন্তু কিছু বিষয় বুঝতে পারছি না। সাহায্যের জন্য আবারও ব্লগারদের দ্বারস্থ হলাম।

১. শুনেছি মোবাইল ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করলে ব্যাটারির আয়ু নাকি খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যায়। এটা কি সত্যি?

২. অনেকে বলেন এতে ব্যাটারি খুব দ্রুত গরম হয়। এটাও কি সত্যি?

৩. এটা দেখা গেছে, মডেম হিসেবে ব্যবহার করলে চার্জ দ্রুত শেষ হয়। এ ব্যাপারে আপনাদের অভিজ্ঞতা কী? মডেম ব্যবহার করা অবস্থায় মোবাইল সেট যদি চার্জে রাখি, তাহলে কি কোনো সমস্যা আছে?

৪. অনেকের লেখায়ই দেখি তারা বলেন- গ্রামীণফোন ব্যবহার করে ১৫-২০ কিবা স্পিড পাচ্ছেন? এটা কীভাবে মাপা যায়? আমি তো এমন কোনো অপশন দেখি না যার মাধ্যমে কখন কী স্পিড পাওয়া যাচ্ছে তা মাপা যায়। উল্লেখ্য, উইন্ডোজে পিসি স্যুইট ব্যবহার করি আর উবুন্টুতে আলাদা কিছু ব্যবহার করতে হয় না। অবশ্য কোনোকিছু ডাউনলোড করলে স্পিড দেখা যায়।

৫. কানেকশনের জন্য কোন ব্রাউজারের অপশনটি বেছে নেওয়া ভালো। ব্রাউজারে তো দেখি বেশ কিছু অপশন থাকে। যেমন ১- No Proxy
২- Auto detect proxy settings ৩- Use system proxy settings এবং ৪- Manual proxy configuration।
তৃতীয় অপশনটি শুধু উবুন্টুতেই দেখা যায়। এখানে চতুর্থটি করা সম্ভব হবে না কারণ কোনো প্রক্সি নম্বর তো আর দেওয়া হয় নি। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটির মধ্যে কোনটি সিলেক্ট করা থাকলে বেশি স্পিড পাওয়া যাবে?

৬. এমন কি কোনো উপায় আছে যার দ্বারা বেশি স্পিড পাওয়া যাবে?

যারা বিষয়গুলো সম্পর্কে জানেন, তাদের প্রতি অনুরোধ রইলো বিস্তারিত জানানোর জন্য। আর হ্যাঁ, জানানোর জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28986954 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28986954 2009-08-01 01:09:55
সাহায্য পোস্ট: মডেম হিসেবে কোন সেট ভালো? মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মডেম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য এজ-অ্যানাবল কোন সেট কিনতে পারি সে ব্যাপারে আপনাদের পরামর্শ দরকার। বিশেষ করে যারা মোবাইল ফোনকে ইতোমধ্যে মডেম হিসেবে ব্যবহার করছেন, তাঁরা যদি তাঁদের অভিজ্ঞতা অনুসারে সাজেশন দেন তাহলে উপকৃত হই। উল্লেখ্য, সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে গ্রামীণফোন ব্যবহার করব বলে ভাবছি।

এজন্য অবশ্য বাজেট খুব বেশি নয়, মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। এ দামে কি মডেম হিসেবে ব্যবহারের জন্য ভালো সেট পাওয়া যাবে? চাইনিজ সেটগুলো কীরকম? সেগুলো কি ভালো সার্ভিস দেয়? আর যে সেটই কিনি না কেন, সেটের সাথে কি ডেটা ক্যাবল দিয়ে দেয়? ফোনটা কোম্পানির ডিলারের কাছ থেকে কেনা ভালো নাকি গ্রামীণফোনের সেলস সেন্টার থেকে কেনা ভালো?

তাছাড়া মোবাইল ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করলে ব্যাটারি খুব তাড়াতাড়ি ক্ষয়ে যায় বলে শুনেছি। এটা কি সত্যি?

আরেকটি বিষয়েও সাহায্য দরকার। গ্রামীণের কানেকশন নিলে প্রিপেইড কানেকশন নিতে হবে। সেক্ষেত্রে কোন সার্ভিসটি নিলে ভালো হবে? আনলিমিটেড নাকি ১ গিগাবাইটেরটা? উল্লেখ্য, এই কানেকশনে প্রথমদিকে খুব একটা ডাউনলোড করা হবে না, শুধু প্রতিদিন তিন-চার ঘণ্টা ফাইল ব্রাউজিং করা হবে। তবে কয়েকমাস পর থেকে প্রচুর ফাইল ডাউনলোড করা হবে। কোন সার্ভিসটি নিলে ভালো হবে- এ ব্যাপারেও আপনাদের পরামর্শ চাই।

সবাইকে ধন্যবাদ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28982409 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28982409 2009-07-23 11:16:42
ডেস্কটপ রিস্টোর বিষয়ে সাহায্য দরকার
এ অবস্থায় সেই সফটওয়্যারটির নাম জানতে চাচ্ছি বা কী করলে সি ড্রাইভে ডেস্কটপকে রিস্টোর করা যাবে, সে প্রসঙ্গে টেকিদের কাছ থেকে সাহায্য চাচ্ছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28953608 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28953608 2009-05-21 10:18:04
কনস্পিরেসি থিওরি: ভলভো বাস সার্ভিসটিকে কি পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে?
ভলভো বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি মোটামুটি মিনিট বিশেক ধরে। কাউন্টারের লোকটাকে জিজ্ঞেস করে যেটা জানা গেলো- বাস এখনও আসতে পারে, আবার আধা ঘণ্টাও লাগতে পারে। কেমন যেন খটকা লাগলো কারণ তাদের তো ওয়াকিটকিওলা লোকজন আছে। তারা তো সহজেই খবর নিয়ে জানতে পারে বাস এখন কোথায় আছে।

মোটামুটি এই সূত্র ধরে ভলভো সার্ভিসের একজন কর্মচারির সাথে আলাপের পরিপ্রেক্ষিতে জানা গেলো যে-
১. ওয়াকিটকিওলারা মোটামুটি তাদের ইচ্ছেমতো ডিউটি পালন করছেন। বাসের কী হলো বা না হলো তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই।
২. মোট ভলভোর সংখ্যা ৫০টি হলেও এই মুহূর্তে চলমান আছে মাত্র ২৭টি। বাকি ২৩টি ওয়ার্কশপে পড়ে আছে অনেক দিন ধরে।
৩. বাস সংকটের কারণে মতিঝিল-উত্তরা রুটে ভলভো সার্ভিস বন্ধ আছে বেশ অনেক দিন ধরেই।
৪. মিরপুর রুটে ভলভো প্রতিদিন যে আয় করে, তাতে খরচ বাদ দিয়ে একদিনের টাকা দিয়ে ছয়-সাতটি ভলভো গাড়ি ঠিক করে ফেলা যায়। তাতে মোট চার দিনের টাকা দিয়ে ২৩টি গাড়ি ঠিক করে ফেলা যায়। কিন্তু ঠিক করার ব্যাপারে কারো কোনো উৎসাহ নেই।
৫. মিরপুর রুটে প্রথমে ৫ মিনিট পরপর, তারপর ১০ মিনিট পরপর ছাড়া হতো। আর এখন মোটামুটি ১৫-২০ মিনিট পরপর বাস ছাড়া হচ্ছে। অনেক সময় ডিপোতে বাস দাঁড়িয়ে থাকলেও ছাড়া হয় না। বিকল্প, সিটি সিল্ক বা অন্য বাস ছাড়ার পর ছাড়া হয়।

সব কিছু শোনার পর ভাবলাম কনস্পিরেসি থিওরির আদলে একটা কিছু উপসংহার দাড় করানো যায় কিনা। কী হতে পারে সেটা? বেসরকারি বাস সার্ভিসকে সুবিধা দিতে গিয়ে সরকারি এই ভলভো সার্ভিসকে কি পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে?

কনস্পিরেসি যেহেতু, আপনারাও ইচ্ছে করলে এখানে এরকম কিছু থিওরি দাড় করাতে পারেন। সেগুলো ঠিক না হওয়ার সম্ভাবনা হয়তো বেশি, কিন্তু চোখের সামনে দিয়ে আস্তে আস্তে ঢাকা শহরের সবচেয়ে সফিসটিকেটেড বাস সার্ভিসটি যে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বা ধ্বংস করা হচ্ছে, এই সত্যে কোনো কনস্পিরেসির ঠাই নেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28951647 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28951647 2009-05-16 21:19:22
'বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা' গ্রুপের অ্যাডমিন থেকে আমাকে কে বাদ দিল, কেন বাদ দিল?
উল্লেখ্য, 'বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা' গ্রুপের প্রবর্তক সর্বদাবেলায়েত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে গ্রুপের জন্য মডারেটর খুঁজছি, কেউ কি আছেন? শিরোনামে গ্রুপে একটি উন্মুক্ত বিজ্ঞাপন দেন। তাঁর আহ্বানে আমি, একরামুল হক শামীম এবং শফিউল আলম চৌধূরী- এই তিনজন সাড়া দিই। তিনি প্রথমে একজন মডারেটর নেওয়ার কথা বললেও আমি প্রস্তাব করি একাধিক মডারেটর নেওয়ার মাধ্যমে যৌথ মডারেশনের। এই পরিপ্রেক্ষিতে ১ মার্চ তারিখে সর্বদাবেলায়েত একরামুল হক শামীম, শফিউল আলম চৌধরী ও অনিশ্চিত-এর দৃষ্টি আকর্ষণ শিরোনামে তিনজনকেই মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আহ্বান জানান। কিন্তু শফিউল আলম চৌধূরী কোনো সাড়া না দেওয়ায় ২ মার্চ ২০০৮ তারিখে তিনি একরামুল হক শামীম ও আমাকে মডারেটর হিসেবে মনোনীত করেন (দেখুন একরামুল হক শামীম ও অনিশ্চিতকে বলছি )। এরপর থেকে আমি মোটামুটি নিয়মিত মডারেটর বা অ্যাডমিন হিসেবে কাজ করছিলাম। এর মধ্যে ১ জুন ২০০৮ তারিখে তিনি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি শিরোনামে জানান যে শামীম ভাইকে মডারেশনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে আমি মন্তব্য করি- "আমার মনে হয়, অ্যাডমিন থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আগে শামীম ভাইয়ের সাথে আলোচনা করার দরকার ছিলো। কারণ তাঁর সাহায্য পেলে গ্রুপটি এগিয়ে যেতে পারতো।

ব্যক্তিগতভাবে আমিও খুব একটা সময় দিতে পারছি না। সেক্ষেত্রে আরো দু'একজনকে অ্যাডমিন হিসেবে নেওয়া যায় কি-না, ভাবতে পারেন।"

এই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন এই গ্রুপের মডারেটর বা অ্যাডমিন হিসেবে আমি একাই কাজ করছিলাম। সর্বদাবেলায়েত ভাইকে খুব একটা দেখি নি। অন্য কাউকেও কাজ করতে দেখি নি। কিন্তু গতকাল হঠাৎ গ্রুপে প্রবেশের পর দেখি আমাকে অ্যাডমিনের বদলে সদস্য করা হয়েছে। সর্বদাবেলায়েতের একটি লেখায় আমি এর ব্যাখ্যা চাইলেও তিনি এখন পর্যন্ত এর কোনো ব্যাখ্যা দেন নি।

গ্রুপের অ্যাডমিন থাকা বা না থাকায় কিছু আসে যায় না, পরিচিত কয়েকজনকে গ্রুপের সদস্য হিসেবে যোগ দেওয়ার আহ্বান, সদস্যদের গ্রুপ সদস্যপদ নিশ্চিতকরণ আর নিয়মিত পোস্ট দেওয়া ছাড়া আর নতুন কোনো কাজ আমি করি নি। কিন্তু অ্যাডমিন হিসেবে অব্যাহতি দেওয়ার পূর্বে উন্মুক্তভাবে কিংবা আমাকে মেইল করেও কি এটা জানানো যেতো না?

আমি ঠিক জানি না এই কাজটি কে করেছেন। সর্বদাবেলায়েত নিজে করেছেন নাকি অন্য কাউকে অ্যাডমিন করেছেন যিনি হয়তো এটা করতে পারেন। বিষয়টি জানার জন্য সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষকে একটা ইমেইল পাঠাই। তাঁরা জানান - dear blogger,

we have seen your mail and can confirm that we do not change anything in any group after it has been created it is done by the group admins. so please contact the other group admins of your group, maybe write a post and publish it in your group alone. sorry we cannot help you with this as group is a separate entity all together.happy blogging.

regards
blog team

তার মানে, কর্তৃপক্ষ এখানে নাক গলান নি। তাহলে এটা কে করলো?

যিনিই এ কাজটি করুন না কেন, এতোদিন কাজ করার পর কেন আমাকে অ্যাডমিন থেকে বাদ দেওয়া হলো সেটা জানানোর সাধারণ সৌজন্যতা 'বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা' গ্রুপের অ্যাডমিনের কাছ থেকে আশা করেছিলাম।

এই আশাটুকু কি অন্যায় ছিলো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28949668 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28949668 2009-05-12 13:47:29
ধর্মগ্রন্থের মতো রবীন্দ্রনাথের জঠর থেকে বিজ্ঞান বের না করলে চলে না?
ধর্মের মতোই একদল রবীন্দ্রানুরাগী রয়েছেন এদেশে-ওদেশে। প্রয়োজন থাকুক বা না থাকুক, তারা জোর করে রবীন্দ্রনাথকে দিয়ে সবকিছু বলাবেনই। একবার একটি সভায় একদল জানালেন- রবীন্দ্রনাথ নাকি হেন কিছু নেই, যা নিয়ে কাব্য রচনা করেন নি। আমি জানালাম- ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু কমে কেন- এ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের কোনো রচনা আমার চোখে পড়ে নি। তারা ক্ষিপ্ত হলেন। বললেন, রবীন্দ্রনাথের সময়ে কি ল্যাপটপ ছিলো? আমি বলি- ছিলো না। তাহলে আপনারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কালোত্তীর্ণ, সর্বকালের সেরা ইত্যাদি বলেন কেন?

এই পৃথিবীর কোনোকিছুই সর্বকালের সেরা হতে পারে না। সর্বকালের ধারণা আমাদের নেই, থাকতে পারে না। আমরা কেবল সুদূর অতীত এবং অদূর ভবিষ্যতের কথা কল্পনা করতে পারি। পৃথিবীর সব মানুষ, শিল্প বা সৃষ্টিকে থাকতে হবে এর মধ্যেই।

***
গতকাল ১০ মে তারিখে প্রথম আলোতে রবীন্দ্রনাথ ও আইনস্টাইনকে নিয়ে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের লেখা কয়েকটি ছত্রের মাধ্যমে লেখক প্রমাণ করতে চেয়েছেন- নিলস বোর, হাইজেনবার্গ, শ্রোয়েডিংজার যে সেসময় কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণাকে বিকশিত করছিলেন, রবীন্দ্রনাথ তার মর্মার্থ বুঝতে পেরেছিলেন। উল্লেখ্য, কোয়ান্টামের অনিশ্চয়তার তত্ত্বকে সে সময় মানতে যারা নারাজ ছিলেন, তাদের দলে ছিলেন আইনস্টাইন, পোলোনস্কি, রোজেনবার্গের মতো বিজ্ঞানীরা। দুপক্ষেই যুক্তিতর্কের রেশ ছিলো, যদিও শেষ পর্যন্ত আইনস্টাইনদের যুক্তি টেকে নি।

রবীন্দ্রনাথ এ নিয়ে কী বলেছিলেন?

ব্যক্তিগতভাবে কোয়ান্টাম তত্ত্ব বা অনিশ্চয়তার সূত্র ঠিক কিনা বা কোন অংশটি ঠিক, এ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো লেখা আমি পাই নি। রবীন্দ্রনাথ বিশুদ্ধ পদার্থবিদ্যার অনুরাগী ছিলেন, এ প্রমাণও মেলে না কোথাও। কিন্তু নিলস বোরদের পক্ষে প্রথম আলোর লেখক তুলে ধরেছেন রবীন্দ্রনাথের এই কথাগুলো-

আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ.
চুনি উঠল রাঙা হয়ে।
আমি চোখ মেললুম আকাশে-
জ্বলে উঠল আলো
পুবে পশ্চিমে।
গোলাপের দিকে চেয়ে বললুম ‘সুন্দর’
সুন্দর হল সে।

তুমি বলবে এ যে তত্ত্বকথা, এ কবির বাণী নয়।
আমি বলব এ সত্য,
তাই এ কাব্য।

এখন আসুন দেখি, নিলস বোররা কী বলতে চেয়েছিলেন। তাঁরা একটি বাক্সে জীবিত বিড়াল আর পরমাণু বন্দুক ভরে বাক্সটি আটকে দিয়ে কী ঘটে সেই হাইপোথিসিস নিয়ে কোয়ান্টাম তত্ত্বের ব্যাখ্যা করছিলেন। এখানে বিড়ালটি যদি নড়াচড়া করে তাহলে বন্দুকের গুলি বের হয়ে বিড়ালটি মারা যাবে। প্রশ্ন ছিলো, বাক্স বন্ধ করার পর বিড়ালটি কি জীবিত ছিল নাকি মৃত? এটা বলা কি সম্ভব?

এ অবস্থায় বাক্স না খুলে বলা মুশকিল। সুতরাং এখানে বিড়ালকে জীবিত-মৃত দুটিই ধরা যায়, এটি নির্ভর করবে ব্যক্তির উপর; কোনটি ঠিক তা নিশ্চিত হওয়ার কোনই উপায় নেই। কিন্তু বাক্স খোলার পর ব্যক্তির বিশ্বাস বা ধারণা যাই থাকুক না কেন, বিড়ালটি হয় জীবিত পাওয়া যাবে, অথবা মৃত। ঠিক তেমনিভাবে, আলো কণা ও তরঙ্গ উভয় ধর্মই বহন করছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করার পর অর্থাৎ আলোকে দেখার শর্তানুসারে ব্যক্তির অবস্থান ঠিক করবে আলোর ধর্ম কণাধর্ম নাকি তরঙ্গধর্ম। একটি বিড়াল যেমন একই সাথে জীবিত ও মৃত হতে পারে না, ঠিক তেমনি আলোও একই সাথে কণা ও তরঙ্গ হতে পারে না। ব্যক্তি যখন যে ধর্ম দেখতে চায়, তখন সেটি দেখতে পাবে। আলোকো কণা দেখার প্রস্তুতি নিলে ব্যক্তি আলোকে কণা আকারে দেখবে, তরঙ্গাকারে দেখার চিন্তা থাকলে সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে।

এখন বলুন, কোয়ান্টাম তত্ত্বের এই অংশের সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথার মিল কোন দিক দিয়ে খুঁজব? রবীন্দ্রনাথের চেতনা যখন যেটি দেখতে চেয়েছে, সেটি তখন সেই রঙের হয়েছে বলে? তাই যদি হয়, তাহলে বলা দরকার, পৃথিবীর অনেক কবিসাহিত্যিকের লেখা থেকেই হাজার হাজার বিজ্ঞান খুঁজে পাওয়া যাবে। উদাহরণ হিসেবে যদি বলি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই লিখেছিলেন-

আমি চিনি গো চিনি তোমারে, ওগো বিদেশিনী-
তুমি থাক সিন্ধুপারে, ওগো বিদেশিনী।

আমি আকাশে পাতিয়া কান, শুনেছি শুনেছি তোমারই গান...

রবীন্দ্রনাথের এই লাইনগুলো শুনে কি মনে হয় না আজ থেকে প্রায় একশ বছর আগেই রবীন্দ্রনাথ দূর গ্রহের বাসিন্দাদের ঠিকুজি বের করে ফেলেছিলেন, শুনেছিলেন-বুঝেছিলেন তাদের কথা? আজকের বিজ্ঞানীরা ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের খুঁজে পাওয়ার জন্য হন্যে হয়ে সার্চ করছেন। ভবিষ্যতে কখনও তেমন পাওয়া গেলে তখন হয়তো কিছু পাঁড় রবীন্দ্রভক্ত এই লাইনগুলো ফেলে প্রমাণ করার চেষ্টা করবে- দেখো, কয়েকশ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ এই কথা বলে গিয়েছিলেন!

***
ধর্মগ্রন্থ নিয়ে কথা শুরু হয়েছিলো। ধর্মগ্রন্থগুলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে সমাজের প্রতিনিধিত্বকারীর ভূমিকা পালন করেছিলো। সময় বদলের সাথে সাথে সেগুলোর ভূমিকাও হ্রাস পেতে থাকে। যেহেতু কোনোকিছুই সর্বকালের প্রতিনিধি হতে পারে না, সে হিসেবে ধর্মগ্রন্থও সর্বকালের প্রতিনিধি হিসেবে থাকতে পারে না। থাকলে প্রমাণস্বরূপ বিভিন্ন কাল থেকে অন্তত একটি করে উদাহরণ থাকতো, প্রতিটি কালের কোনো না কোনো প্রতিনিদিত্ব থাকতো। কোনো ধর্মগ্রন্থেই সেটি নেই। সেটি যেহেতু নেই, ধর্মগ্রন্থগুলোর এই সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখেই বিজ্ঞানের সাথে তুলনা করা বা আলোচনা করা উচিত। ধর্মকে ধর্মের জায়গায় রাখা উচিত, বিজ্ঞানকে বিজ্ঞানের জায়গায়। না হলে দুটোকেই অপমান করা হয়। যারা ধর্মকে বিজ্ঞানময় প্রমাণের চেষ্টা করছেন, তাদের মনে রাখা উচিত- প্রডাক্টিভ আর রিপ্রডাক্টিভ কখনো একসাথে মেশে না, যেমনি মেশে না আনপ্রডাক্টিভ আর প্রডাক্টিভ ভ্যালু।

একই কথা রবীন্দ্র পাঁড়ভক্তদের জন্যও। বাঙালী জাতির ভাষা ও সাহিত্যের একটি অন্যতম ভিত রচনা করে দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। বিশ্বসাহিত্যে বাংলা সাহিত্য প্রথম সগৌরবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বারাই। বাঙালির মনমানস গঠনে এখনও রবীন্দ্রনাথ অদ্বিতীয়। যুগে যুগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো মানুষ আসেন একজনই, তারা তাদের নিজেদের কালসহ আশেপাশের কয়েকটি শতকও আলোকিত করে রাখেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনেক বিষয় নিয়েই লিখেছেন। তাঁর মতো বিষয়বৈচিত্র্যে মাতোয়ারা সাহিত্যিক খুব কমই পাওয়া যাবে- বিশ্বপরিমণ্ডলেও। তার মানে এই নয় যে, দুনিয়ার যাবতীয় বিষয় নিয়েই তিনি লিখেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এতো এতো বিষয় নিয়ে লিখেছেন যে, চাইলে যে কেউ তাঁর লেখা থেকে উদ্ধৃতি বা লাইন নিয়ে নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করতে পারবে- তথাকথিত ধার্মিকরা যে কাজটি এখন করছেন। এই পাঁড় ধার্মিকরা ক্ষীয়মাণ ধর্মের রাজত্বকে পুনরায় বাড়ানোর এক হাস্যকর চেষ্টায় রত। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে তো তা করার দরকার নেই। পুরো আকাশে তিনি এখনও জ্বলজ্বলে সূর্য। বালির গরম দিয়ে তাঁকে আর উত্তপ্ত করার দরকার নেই।

এই কাজে রবীন্দ্রনাথের কৃতিত্ব বা অবদান খাটো হয় না; কিন্তু রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে সংক্ষুব্ধ, বিক্ষুব্ধ হতেন অবশ্যই। বরং এরকম উপমা যারা দেন, সবকিছুতেই রবীন্দ্রনাথকে প্রতিষ্ঠার প্রয়াস যারা চালাচ্ছেন, তাদের লেখা বা চিন্তার অযোগ্যতা প্রকাশ পায়। আরেকদিক দিয়ে, সেটা জান্তে হোক বা অজান্তে, এগুলো রবীন্দ্রনাথকে হেয় করার একধরনের প্রয়াশ হিসেবেও দেখা যায়। সুতরাং দোহাই, রবীন্দ্রনাথকে থাকতে দিন তাঁর জায়গাতেই; ধর্ম নিয়ে বকধার্মিক বেড়ে গেছে সমাজে; রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে তা চাই না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28949080 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28949080 2009-05-10 23:53:36
খোলস- ২ আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ

ছোটবেলায় আমার দিনের সবচেয়ে আনন্দজনক মুহূর্ত ছিলো রাত আটটা। ওই সময় বাংলাদেশ বেতার থেকে খেলার খবর প্রচার করা হতো। মাত্র পাঁচ মিনিটের খবর। ওইটুকুরই জন্য সন্ধ্যা থেকে হন্যে হয়ে বসে থাকতাম। বাসার রেডিওটা যদিও শুধু আমার কাছেই থাকতো, কিন্তু সন্ধ্যের পর রেডিওটা ধরার অধিকারটুকুও ছিলো না কারও।

এই উত্তেজনা তুঙ্গে থাকতো আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচের দিন। যেদিন রেডিওতে খেলার ধারাভাষ্য প্রচার করা হতো, চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফতও সেদিন আমার প্রিয়জন হয়ে যেতেন। তবে অধিকাংশ দিনই ধারাভাষ্য প্রচার করা হতো না বলে তীর্থের কাকের মতো আটটার জন্য অপেক্ষা করতে হতো।

আবাহনীর কট্টর সাপোর্টার ছিলাম আমি। এখনও যে নই, তা নয়। তবে আগের মতো আবেগটা নেই। যা হোক, শুনে অবাক হবেন এবং স্বার্থপরের মতো মনে হলেও সত্যি যে, অধিকাংশ দিনই আমি আবাহনীর পরাজয় কামনা করতাম। দুটো কারণে। প্রথমটি অভিজ্ঞতাসঞ্জাত। লক্ষ করে দেখেছি, আমি যেদিন আবাহনীর পরাজয় কামনা করতাম সেদিন কীভাবে কীভাবে যেনো আবাহনী জিতে যেতো। এমনকি মোহামেডানের তুলনায় দুর্বল হলেও। আমার আজও মনে পড়ে, বিকেলে খেলা হচ্ছে, আমি ধারাভাষ্য শুনছি- রাশিয়ান কুজনেৎসভ মোহামেডানের পক্ষে দুটো গোল দিয়েছেন। আবাহনী শোধ করেছে মাত্র একটি। এদিকে খেলার আর মাত্র মিনিট ১৫ বাকি। আমি মুখে মুখে আবাহনীর পরাজয় কামনা করলেও মনে মনে মুষড়ে পড়ছিলাম। এমন সময় আবাহনীর পক্ষে মামুন জোয়ার্দারকে নামানো হলো। নেমেই তিনি দশ মিনিটের মধ্যে দুটো গোল করলেন। আবাহনী ম্যাচ জিতে এক গোলের ব্যবধানে। এর পর আবাহনীর পরাজয় কামনা না করে উপায় আছে?

দ্বিতীয় কারণটিই আসল। এটি মূলত হতো পরীক্ষার আগে। আমি খেয়াল করে দেখেছিলাম, কোনো কারণে মন খারাপ হলে সেদিন আমার পড়ালেখা খুব ভালো হয়। আবাহনী হারলে এমনভাবে মুষড়ে যেতাম যে, দুনিয়ার যাবতীয় চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে পড়ালেখায় ডুবে থাকতাম যাতে মন খারাপ ভাবটা মনের মধ্যে জাকিয়ে বসতে না পারে। খুবই স্বার্থপরের মতো মনে হলেও পরীক্ষার আগে আবাহনীর পরাজয় কামনা করা আবাহনীর একমাত্র সাপোর্টার বোধহয় এদেশে আমিই ছিলাম।

×
ফুটবলের সেই সোনালী দিনগুলো কি সত্যিই আবার আসবে? হয়তো আসবে, হয়তো আসবে না। কিন্তু আবাহনীর জন্য বালিশে মুখ লুকিয়ে বুক ভেঙ্গে কান্না করা সেই কিশোরটির সেই আবেগ আর কখনোই ফিরে আসবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28941126 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28941126 2009-04-22 11:24:48
খোলস - ১
বছরে একেকটা সময় আসে যখন সাপ পুরনো খোলসটি ফেলে দিয়ে নতুন খোলসে চিকচিক করতে করতে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। যাওয়ার সময় পেছন ফিরে তাকায় কিনা জানি না, তবে এটুকু অনুভব করতে পারি, পুরনো জঞ্জাল বাদ দিয়ে নতুন একটি প্রাণীর সত্ত্বা নিয়ে সে বেড়ে ওঠে।

সাপের মতো মানুষেরও এই সুবিধাটা থাকলে বেশ হতো। বছরের কোনো একটা সময় প্রতিটা মানুষই হয়ে উঠতো নতুন। প্রাকৃতিক এই সুবিধে নেই বলে মানুষ অবশ্য এ নিয়ে হা-হুতাশ করে বসে থাকে না। অনেকে অবশ্য এ প্রশ্নও তুলতে পারেন- মানুষ কি প্রতিটা দিনই নতুন করে বেড়ে ওঠে না? হয়তো।

মানুষের যদিও শরীরের খোলস বদলানোর সুযোগ নেই, কিন্তু চাইলে মনের খোলসটা মানুষ বারেবারে পাল্টে নিতে পারে। এদিক দিয়ে মানুষ বরং সাপের চেয়ে অনেকখানি এগিয়ে আছে। তাছাড়া সাপ খুব নিষ্ঠুরের মতো খোলসটাকে একবারে যে ফেলে যায়, পরে তার কোনো খোঁজও নেয় না। মানুষ কখনোই এতোটা নিষ্ঠুর নয়। জাগতিক সাধারণ বস্তুকেও যে মায়াময় মমতায় রেখে দেয় দিনের পর দিন, নিজের খোলস তো তার কাছে অমূল্য বিবচিত হওয়ার কথা!

আমার খোলসগুলো নিয়ে তাই নড়াচড়া করছি একটু একটু করে। ফেলে আসা অতীত অভিজ্ঞতামাত্রই কি খোলস নয়? যাকে আমরা স্মৃতি বলি, সেটা কি আদপে একটি খোলস নয়? আমরা কি অতীত ত্যাগ করার মধ্যদিয়ে পলে পলে খোলস পাল্টাচ্ছি না? মাঝে মাঝে স্মৃতিচারণ করার মধ্য দিয়ে কি ফেলে আসা খোলসটিকে আমরা নড়াচড়া করি না? তাই ভাবছি, মাঝে মাঝে দিনপঞ্জি লিখবো। কোনো ধরাবাধা নিয়মে নয়। জাস্ট ফেলে আসা খোলসটাকে উল্টেপাল্টে দেখার মতো। দিনপঞ্জির লেখার মাধ্যমে খোলসগুলোকে নিয়ে ঢলাঢলি করতে খুব মঞ্চাইছে।

আবার প্রতিনিয়ত খোলস ছাড়তেও ভালো লাগছে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28940431 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28940431 2009-04-20 16:02:54
এক প্রতিযোগিতার খবর
আয়োজন করা হবে বিশাল এক গন্দমচূর্ণ প্রতিযোগিতা।

পিঁপড়েময় দুনিয়ায় ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেশি হলেও শ’খানেক পারমাণবিক বোমা এখন রাজত্ব করে এই পৃথিবীতে।

মানুষের মনের ভিতর গন্দমধ্বংসের প্রতিযোগিতায় কে জিতবে- ব্যাকটেরিয়া? বোমা? অথবা পিঁপড়ে? যেই জিতুক, গন্দমের যে ছাইগুলো পড়ে থাকবে রক্তকণায়, সেগুলো মস্তিষ্কে নিয়ে যাবে কোন বার্তাবাহক?

উত্তর জানা না থাকলে আসুন, আমরাও অংশ হই চূর্ণযজ্ঞের।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28938843 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28938843 2009-04-16 12:50:21
জাস্টেইকথাটাপ্নাদের্জানানোর্জন্যইয়েইলেখাটাদিলামার্কিছুনা ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28936445 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28936445 2009-04-11 01:48:19 বালকের আটখানা দেখে নি আর-
ঘুড়ি ভোকাট্টা হতেই এক বালকের পগারপাড়,
অপর বালকদের হাসিঠাট্টায়
চলে কি দৌড়ের এক দারুণ অভিসার?
উসাইন বোল্ট কি কখনও আনন্দ পেয়েছিলো দেখে এমন ঘুড়িদৌড়ের সার।

ঘাসের কণায় লেগে থাকা ভোরের শিশির
সকালবেলা নষ্ট করেই যাবে পড়ন্ত ঘুড়ির দেয়াল
পাতলা কাগজ তো হবেই মলিন, যদি পায় সে যখন-তখন ঠোটস্থ পানির খেয়াল
পৃথিবীটা খুব চালাক চতুর,
উড়ন্ত ঘুড়িকে স্পর্শ করাবেই সে মাটির শুষ্ক আল,
ছুটন্ত, ঘুরন্ত, উড়ন্ত-
ঘুড়ি কব্জায় নেওয়ার বালকের সেই বহুসুখ পৃথিবী দেখে নি কতোকাল!

বালক, এই পৃথিবী শুধু কথাই বলে যায়, বলে চিরটাকাল!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28933984 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28933984 2009-04-05 16:06:14
একটি ক্ষুদ্র প্রতিবাদ: কলচার্জ বাড়ানোর প্রতিবাদে আগামী এক মাস সপ্তাহে একদিন পিক আওয়ারে এক ঘণ্টা করে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখবো একটি পোস্ট দিয়েছিলাম গতকাল। এতে অনেকেই সাড়া দিয়েছেন, কিন্তু অধিকাংশই হয়তো এ ব্যাপারে একমত না। তাই একলা চলো রে নীতিতে প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ঠিক করেছি, আগামী একমাস প্রতি বুধবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত- এই এক ঘণ্টা আমার মোবাইল ফোনটি বন্ধ রাখবো। উল্লেখ্য, আমি জিপি ব্যবহার করি।

এই ক্ষুদ্র প্রতিবাদে জিপির কিছুই আসবে-যাবে না। ব্যবসা যখন আকাশ ছুঁয়, তখন ভোক্তার চাহিদার দিকে একটু কম নজর দিলেও চলে। বরং ভোক্তাকে শোষণ করার বা চুষে খাওয়ার কৌশলগুলো প্রয়োগ করতে হয়। একসময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তা করেছে, এখন সেবা দেওয়ার নাম করে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো একই কাজ করছে। তারপরও প্রতিবাদ প্রতিবাদই। আপনি চাইলে এই প্রতিবাদে শামিল হতে পারেন।

কার্যক্রম: মোবাইল ফোন বন্ধ রাখা
সময়: বেলা ১১টা থেকে ১২টা
ব্যপ্তি: আগামী এক মাস]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28931622 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28931622 2009-03-31 10:27:14
আমরা কি এক ঘণ্টার জন্য মোবাইল ফোন বর্জন করতে পারি না
পত্রিকায় এমনভাবে খবর এসেছে যাতে মনে হয় প্রতিটি কোম্পানিই গ্রাহকদের মুখের দিকে তাকিয়ে কলরেট কমিয়েছে। কিন্তু প্রতিটা গ্রাহকই বুঝতে পারছেন কোন চতুরতায় কোম্পানিগুলো এই চার্জ বাড়িয়েছে।

আমরা প্রায় সবাই এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। মোবাইল ছাড়া আমরা এক প্রকার অচল। কোম্পানিগুলো এই সত্য কিংবা আবেগটাকে ধরেই ব্যবসা করে যাচ্ছে। সরকার এখানে কতোটুকু কী করছে জানি না, কিন্তু আমাদের গাঁটের থেকে টাকা বেরুচ্ছে তো বেরুচ্ছেই।

এর প্রতিবাদ হওয়া দরকার। কলচার্জ বৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী এক মাস আমরা কি সপ্তাহের একটা দিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে মোবাইল ফোনটিকে বন্ধ রাখতে পারি না? এই সময়ে আমরা মোবাইলটিকে পুরোপুরি বন্ধ রাখবো। যাতে নিজেরা কল না করতে পারি, এবং অন্য কেউ কল করে আমাদের না পায়।

এই পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য কয়েকদিন আগে সারা বিশ্বে এক ঘণ্টা ইলেকট্রিসিটি বন্ধ করে মানুষ পরিবেশ রক্ষার এক প্রতীকী আন্দোলনে শরিক হয়েছিলো, এই গরীব দেশে কৌশলে মানুষের পকেট কাটার প্রতিবাদে আমরা কি একটি মাস সপ্তাহে একদিন করে মোবাইল ফোনটি বন্ধ রাখতে পারি না?

আপনারা কী বলেন? রাজি থাকলে ব্লগারদের পক্ষ থেকে একটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। সময়-দিন-তারিখ ব্লগাররাই ঠিক করবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28931405 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28931405 2009-03-30 20:45:01
প্রতিবেশ কিংবা পারবো কি লালিমায় মাখা উত্তোলিত ঢেউ?
আমাদের কি হবে কোনো এক বৃষ্টিমাখা সন্ধ্যার মতো ধূসর-
কিংবা বেগুনি ছোঁপের, নীলিমার মতো
ব্রাশ ব্রাশ করা আলতো হৃদয়ের সন্তান?

আমরা তো কেটে চলেছি নিজেদের, প্রতিনিয়তই
আমরা তো ফেলে দিয়েছি নিজেদের, ঘরগুলো
আমরা তো ছুঁড়ে ছুঁড়ে নষ্ট করে দিয়েছি-
আমাদের সব বোধগুলো
আমরা তো রাগিয়ে দিয়েছি আমাদের জন্মপ্রভুকে-
তাকে কেঁটে-ছেঁটে-বিকলাঙ্গ করে;

নিজের মাঝে নিজেকে খুঁজি সারাদিন-সারাবেলা
নিজের মাঝে প্রকৃতি খোঁজায় আমাদের যতো হেলা!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28931398 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28931398 2009-03-30 20:16:40
কবিতাসূত্র সাদরে নরোম সোফায় বসিয়ে আমি তাকে কলমসহ কাগজ তুলে দিলাম,
তিনি লিখতে শুরু করলেন।

কবিতার ভাষা আমি বুঝি না, কিন্তু উঁকি মেরে দেখি- তিনি লিখছেন
ঠাণ্ডায় কাঁপতে কাঁপতে;
অক্ষরগুলো মানচিত্রের মতো বাঁকতে বাঁকতে- তবে অবশ্যই,
কিছু একটা কবিতা লিখছেন কবি।

আমি, তবে, কবিতা দেখি না, কবির কাঁপাকাঁপি দেখি
বলি- কবি, একটা গরম কাপড় দেবো কি?
কবি কাঁপেন ততোধিক।
বলি- গরম চা বানাবো কি আপনার জন্য?
কবিদের দুনিয়ায় নীরবতা অসম্মতির লক্ষণ।
শুধাই- কবি, আপনাকে গরম করে দেবো? দিই?

কবি মুখ তুলে বলেন- আনন্দে কখনও কবিতা আসে না।

অসংখ্য কাটাকুটির পর কবি লিখলেন তাঁর সদ্যপ্রসূত কবিতাখানি।
ততোক্ষণে তিনি ধুমনিস্তেজ, ঠাণ্ডায় আরও জুবুথুবু।
আমি কোলে করে কবিকে উঠিয়ে নিলাম সোফার চেয়ে আরো নরোম আরেকটি স্থানে
শরীরের অসংখ্য আবরণ উঠিয়ে এই প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কবিকে আরও ঠাণ্ডা করে আমি গরম করে দিলাম কবিকে
কাগজে-কলমে কবিতা লিখি না সত্য, কিন্তু কাগজ ছাড়াও কবিতার অসংখ্য আধার আছে এই পৃথিবীতে
আমার কবিকে নিয়ে একসঙ্গে কবিতা লেখার সব আয়োজন সম্পন্ন করতে করতে একসময়-
শৃঙ্খলিত ধারায় অসংখ্য একরঙা শ্বেতশুভ্র কালি ঢেলে দিলাম কবি নামক খাতাটির ওপর-
অসংখ্য সৃষ্টিশীল শব্দ উৎপাদনে কবি আবারও জানালেন- নীরবতা কবিদের অসম্মতির লক্ষণ।

যদিও সম্ভাবনা ছিলো কোটি কোটি কবিতার হবার-
কিন্তু,
পরে, একসময়,
কবি পৃথিবীকে উপহার দিলেন কেবল একটি কিংবা আরেকটি শ্রেষ্ঠ কবিতা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28927237 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28927237 2009-03-21 00:48:38
ডাউনলোডজনিত সমস্যার সমাধান দরকার
এই সমস্যার সমাধানের জন্য আইডিএম দিয়ে ডাউনলোড করার চেষ্টা করলাম। কিন্তু রেপিডশেয়ার বা মেগাশেয়ারের ফাইল ডাউনলোড করতে পারছি না। লিংক দিলে সংশ্লিষ্ট পেজটি ডাউনলোড হয়, কিন্তু সফটওয়্যারটি অর্থাৎ যেটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছি, সেটি ডাউনলোড হয় না।

দুটো সমস্যারই সমাধান চাচ্ছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28918368 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28918368 2009-03-01 11:43:00
আরেকটি সুখবর
আগামী দেড় ঘণ্টার মধ্যে এই অস্ত্র সমর্পণের কাজ শুরু হবে। তবে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে ব্যারিস্টার তাপস কিছু বলেন নি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28916470 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28916470 2009-02-26 00:15:01
ব্লগারদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে পেপ্যাল চালুর আহ্বান জানানো যায় কি?
এই ধরনের সমস্যার সমাধান হতে পারতো পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট। কিন্তু সরকার কী এক অবোধগম্য কারণে বাংলাদেশে পেপ্যালের অনুমতি দিচ্ছে না। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, সরকারের যারা এ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী, তাঁরা বোধহয় এর সুবিধা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। শুনেছি সরকার নাকি মনে করে, পেপ্যাল অ্যাকাউন্টে দেশের টাকা বাইরে চলে যাবে। তাহলে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট বৈধ হয় কীভাবে? একই ভয় তো তাদেরও থাকার কথা।

যে কারণে যারা অনলাইনে কাজ করছেন, এসব বিষয় নিয়ে লেখালেখি করছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে- পেপ্যাল অ্যাকাউন্টের অনুমতি দিলে বাংলাদেশ কী কী সুবিধা পাবে সেগুলো হাইলাইট করে একটি লেখা তৈরি করতে। যথাযথ তথ্য ও উপাত্তসহকারে লেখাটি তৈরির পর যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সেটি পাঠাতে হবে। এতে ব্লগার ও অন্যান্যদেরও স্বাক্ষর ও সক্রিয় সহযোগিতা থাকতে পারে। অনলাইন কমিউনিটির পক্ষ থেকে ব্লগাররা এমন একটি উদ্যোগ নিলে আমার মনে হয় সরকার এ ব্যাপারে চিন্তা করতে বাধ্য হবে। যতোদূর দেখেছি, পেপ্যাল চালু নিয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে লেখালেখি হয়েছে, কিন্তু একটি সমষ্টিগত প্ল্যাটফর্ম থেকে এ ধরনের আহ্বান আসলে সরকার এ বিষয়ে অবশ্যই ভাবতে বাধ্য হবে। বিষয়টির গুরুত্বও বাড়বে অনেকখানি। এ ব্যাপারে আপনারা কী মনে করেন?

কেউ কি বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধতে এগিয়ে আসবেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28915695 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28915695 2009-02-24 12:55:15
পোস্ট একখানে, মন্তব্য আরেকখানে- রাইসু কি এইটা একটা ফাইজলামি করল না?
আরো কথা কওনের আগে একটা অপ্রাসঙ্গিক কথা কইয়া নেই। ফেইসবুকে আমার আসল নামের স্ট্যাটাসে কোনো এক সময় রাইসুর বইয়ের নাম 'আকাশে তারাদের লগে মেগ দেখতেছি' লেখা ছিল। সেইটা দেইখা আরেক কবি সেলিনা শিরিন শিকদার আমারে জিগাইসিলেন, তোমার সাথে কি রাইসুর পরিচয় আসে? আমি কইসিলাম, না। আমি তারে চিনি, তিনি আমারে চিনেন না। তবে তার কবিতা আমি ভালা পাই। সেলিনা আপা আমারে কইসিলেন, তোমার কবিতাগুলান নিয়া রাইসুর সাথে যোগাযোগ কর।

এইটা সত্য যে, এই ব্লগে এবং অন্য ব্লগে (যেইখানে আমি আসল নামে লিখি) দুই চাইরটা কবিতা লিখসিলাম। কিন্তু সেইগুলান কোনো জাতের না। অনেক সময় হাবিজিবি অনেক কিছুই লিখি। সেইটারে কোনো ক্যাটাগরিতে না ফেলতে পারলে কবিতা নাম দিয়া দিই। আর ডরে কাউরে কিছু কই না। কারণ এই কথা জানতে পারলে কবিরা আমারে দৌড়াইবো শিওর। যেই কারণে কোনো কবির সামনে বলি না যে আমি কবিতা লিখি। সেলিনা আপারেও কইসিলাম, না আপা। আমার কবিতা কিসু হয় না। যদিও আমার মনের মইধ্যে অনেক লোভ সিলো দুই একটা ছাপলে তো ভালই। নামধাম হইবো। কিন্তু রাইসুর কাসে যাই নাই।

যাই হোক, তার বেশ কিসু কবিতা আমার ভালো লাগসিলো। ব্লগের লেখাও কয়েকটা বেশ ভালো লাগসিলো। যেই কারণে তিনি লেখলে আমি তার লেখা আগ্রহ লইয়া পড়ি। গতকালকের লেখা পইড়া আমার কিসু কথা কওনের সিলো। কিন্তু যখন দেখলাম মন্তব্য করতে হইবে আরেক জায়গায়, তখন মেজাজটা বহুত খারাপ হইসিলো।

রোকেয়া কবীর ও মুজিব মেহদীর বই চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করেসে ইনকিলাবের সাংবাদিক ও বর্তমানে চোর মেহেদী হাসান পলাশ। ফলে মুজিব মেহদী তারে থুথু দেওয়ার আহ্বান জানাইসিলেন ফেইসবুকে। এই আহ্বানের লেখায় রাইসু প্রতিক্রিয়া জানাইসিলেন ফেইসবুকেই। গতকালকে ব্লগে যে লেখাটা দিসিলেন, সেইটা আসলে ফেইসবুকে করা মন্তব্যটাই। নতুন কিসু সেখানে নাই। আমার কথা হইলো, এই জিনিস দুইবার দেওয়ার উদ্দেশ্য কী? নতুন কোনো কথা থাকলে তাও মানা যাইতো যে রাইসু নতুন কিসু কইতাসেন। তার চাইতেও বড় কথা, রাইসুর কথার জবাবে মুজিব মেহদী কইসিলেন, ওইটা তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া মাত্র। ভাবনাচিন্তা কইরা তিনি এইটা লেখেন নাই। তো, এরপর তো রাইসুর উত্তর পাওয়ার কথা। না, রাইসু দেখলাম বিষয়টা লইয়া প্যাচাইতেসেন। তিনি এতো বড় কবি, এতো বড় পণ্ডিত, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মানুষ কতো কী-ই না করে- এইটুকু বুঝার মতো বুদ্ধিশুদ্ধি তার নাই বললে আমি বিশ্বাস করমু না। যেই কারণে আমি মনে করি, রাইসু জাইনা-বুইঝা ওই একই জিনিস আবার সামুতে ঢালসেন।

তা সেইটা ঢালতেই পারেন। তাতেও আপত্তি করার হয়তো কিসু থাকে না। কিন্তু আমার কথা হইল, আরেক জায়গায় মন্তব্য করার অপশন দিসেন ক্যান? বুঝলাম, সামুতে আসার সময় আপনের নাই, তাইলে মন্তব্য না করার অপশন না দিলেই তো হইত! আর ফেইসবুকে যে সমস্ত মন্তব্য অলরেডি চইল্যা আইসে, তাইতে তো পরিষ্কার থুথু দেওনের পেছনের ঘটনাটা কী?

আমার মনে হয়, রাইসু উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিষয়টা প্যাচাইতে চাইতেসেন। এই স্বভাবটা তার মধ্যে কিসুটা হইলেও আসে। কিন্তু সব বিষয়ে প্যাচানোটা যে ঠিক না, সেইটা তারে কে বুঝাইবে? তাছাড়া তিনি বোধহয় কিছুটা প্রচারণাও চাইতেসেন এই সময়ে। নাইলে ফেইসবুক, সামু- সবখানেই তিনি এক বিষয় লইয়া মাতামাতি করবেন ক্যান? এইরম বিষয় লইয়া সময় নষ্ট করার মানুষ রাইসু না, অন্তত আমি যদ্দুর জানি। তার মানে হইলো, রাইসুর কোনো কারণে এখন প্রচারণা দরকার, এবং সেইটার কারণেই তিনি এই কাজটা করতেসেন। যদি তাই হয়, তাইলে কইতে হইবো এইটা এক ধরনের ভণ্ডামি, যেইটা আমি আর যাই হোক, রাইসুর কাছ থাইকা আশা করি নাই।

সবশেষে আসি ফাইজলামির বিষয়ে। আপনি যেইখানে পোস্ট দিবেন, সেইখানকার পাঠকরা সেইখানেই মন্তব্য করবে- এইটাই সাধারণ নিয়ম। ব্যতিক্রম যে হইতে পারে না তা না। তবে ব্যতিক্রমের জন্য বিষয় লাগবে। এখন একখানে পোস্ট দিবেন, পাঠক সেইখানে পইড়া তারপর আরেকখানে গিয়া মন্তব্য দিবো- পাঠকদের এইরম বিড়ম্বনার মইধ্যে ফেলানোর কোনো অধিকার তো রাইসুর নাই। তিনি মন্তব্য না চাইলে না চাইতে পারেন, সেইটা অন্য কথা।

ধরলাম, রাইসু অখন ফেইসবুকে সময় দেন, সামুতে আসার সময় তার নাই। তাইলে পুরা লেখা ফেইসবুকেই দিতেন? ব্লগে দিলেন ক্যান? ব্লগ তো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং টুল না। দুইটার দুই কাম, দুই উদ্দেশ্য। একটার পাঠকরে আরেকটার সাথে মেশানোর তো কোনো দরকার নাই! আর সব পাঠকেরই যে ফেইসবুকে অ্যাকাউন্ট আসে, বা সবাই যে ওই গ্রুপের সদস্য, তাও না। তাইলে ওইরকম যারা মন্তব্য করতে চাইবে, তাদের মন্তব্যগুলান কোন জায়গায় নিবেন?

আমার কাসে মনে হইসে রাইসু পাঠকদের সাথে এক ধরনের ফাইজলামি করসেন। মুরুব্বীরা কয়, মানুষের নামধাম হইলে নাকি আমপাবলিকের সাথে মশকরা করে। রাইসু বোধহয় সেই কামটাই করলেন? কিন্তুক এইটার কি দরকার সিলো? পাবলিকরে বিড়ম্বনায় না ফেলাটা কিন্তু লেখকেরই দায়িত্ব। আর এক বিষয় লইয়া সারা দুনিয়ায় ত্যানা প্যাচানোটা ভালা কিসু না।

তাই রাইসুরে কই, রাগ হইয়েন না আবার, আপনের লেখা পসন্দ করি বইলাই কইতেসি, এই ধরনের ফাইজলামি বাদ দেন। হয় মন্তব্য নিবেন, নাইলে নিবেন না। কিন্তু মানুষরে নিজের বাড়িত দাওয়াত দিয়া গল্পগুজব কইরা যদি খাওনের সময় কন যে, দশ মাইল দূরের খুড়তুতো ভাইয়ের বাড়িত গিয়া খাওন লাগবো, তাইলে কিন্তু যে কেউর মাথাত রক্ত চইরা যাইবো। সব বিষয়ে তো আর ফাইজলামি করা যায় না!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28909526 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28909526 2009-02-11 09:44:38
‘পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণী সুখী হোক’
তবে বিরহকাতরা চাইলে আপাদমস্তক ভর্তুকি হতে পারে; হতে পারে শূন্যস্থানকে পূর্ণ দেখার মতো অতিপ্রাকৃত ক্ষমতাবানের ফসলীকৃত শৈশব। এক্ষেত্রে কবিরা নীরব থাকলে জগৎ সংসারের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তা জানি নি কি আমরা?

অন্তঃক্ষরা অন্তেই থাকা ভালো। কোনো ভ্যাট নেই, নেই প্রকাশের যাতনা; কিংবা জানানোর পর উপেক্ষার যন্ত্রণা।

‘পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণী সুখী হোক’।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28909129 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28909129 2009-02-10 11:47:30
টরেন্ট সম্পর্কে জানা দরকার
ইউটরেন্ট ডাউনলোড করে ইনস্টল করলাম। দু'একটা সাইটেও গেলাম। কিন্তু অনেক কিছুই বুঝতে পারছি না। টরেন্ট সাইটগুলো কীভাবে কাজ করে, সে সম্পর্কে তাত্ত্বিক কথাবার্তা সামহোয়্যারইন..., টেকটিউনস, আমাদের প্রযুক্তি, প্রযুক্তি ফোরামসহ বেশ কয়েক জায়গাতেই আছে। কিন্তু নতুনরা কীভাবে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করবে, এ সম্পর্কে কোথাও কোনো টিউটোরিয়াল পাই নি। আমার মনে হয়, যারা টরেন্ট ব্যবহার করছেন, তাদের কেউ এ ব্যাপারে একটি বিস্তারিত টিউটোরিয়াল দিলে অনেকেই উপকৃত হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28907080 http://www.somewhereinblog.net/blog/gtmroyblog/28907080 2009-02-05 15:04:24