ফতুয়াটা আটকে আছে গায়ে লেপ্টে
এখনো অজু হয়নি, ইতিমধ্যে সেখানে
জন্মেছে হলদে ঘাস-তৃণ;
জানি, একদিন খুলবে আমাদের
রঙিণ আস্তিন
আকাশ ভেঙ্গে পড়বে সেদিন, বিষ্টি ঝরে
পড়বে তার কপাল ভেঙ্গে ঘামে
কত আর ঢুকবে তার মাথাটা
নিলর্জ্জতারও তো শ্যাষ আছে;
পাড়ি দিয়ে এসে ভাসে কৃষ্ণপক্ষ,
অমাবশ্যা ভোর-জ্যোৎস্না জ্বলে উঠে
মেঘনা নদী ভেঙ্গে সর্বনাশা অতিক্রমে,
তবুও তার আর ফতুয়া খোলা হলো না
অদৃশ্য, কেবল অদৃশ্য থাকলো আমার-আমাদের বোধ,
আমাদের অস্তিত্ব বিলোপে চলমান প্রক্রিয়ায়
নিরন্তর প্রয়াস তার;
জানি, একদিন হেরে যাওয়া গল্প তার শ্যাষ হবে
মীরজাফর আখ্যায়, তার পিঠ জুড়ে
বেজে উঠবে ধ্বনি-প্রতিধ্বনিময়
মীর জাফর, মীর জাফর, মীর জাফর
ইতিহাসে বুকে তিনি-ই তো হতে চেয়েছিলেন সিরাজউদ্দৌলা !
সকরুণ ইতিহাস আজ, নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন এখানে সীমাবদ্ধ।
সময় বড়ো অদ্ভুত গান গায়!
অদ্ভুত কথা কয় !
এ জীবন বড় আশ্চর্য গতিতে!
‘মুখোমুখি হওয়ার যন্ত্রণা’ মাঝে মাঝে দাঁড় করে দেয়
মতালোভী, একমস্তক বিশিষ্ট বিশ্বাসঘাতকের মুখোমুখি।
চিনচিনে ব্যথায় কবিতা আজ স্তব্ধ
নির্জীব,
বড্ড অসহায় নতজানু কবিতা
টাউন হল কিম্বা মৌমাছি কচি কাঁচার মেলায়
একদিন নতুন করে জানালার ফাঁক দিয়ে যায় একাকী
নির্বাক জলে স্নান করে
আকাশ ছুঁয়ে কোলাহলে, জীবিত অথবা মৃত মন দ্যাখে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


