একটু আগে বাড়ি ফিরলাম। সব ঝামেলা চুকে। দরোজায় দাঁড়িয়ে পিছন ফিরে দ্যাখি, এ-কী! আমার সমস্ত শরীর যেনো পুড়ে যাচ্ছে শারদীয় জোছনায়, তীব্র আলোয়।

শূভকামনা মুকুল ভাই, বন্ধুবর প্রণবকে
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
একদিনের ব্যবধানে দুইটি বই বের হলো অমর একুশের বইমেলায়।
ভালোবাসা আর প্রাণের ছোঁয়ায় অরিন্দম বন্ধু দুজন তারা এ বই দুইটির জনক। ভীষণ ভালো লাগছে। ছুঁয়ে যাচ্ছে প্রাণ।
একদিন দুজনের পাশেই ছিলাম আমি। মুকুল ভাই যখন কবিতা লেখা শুরু করেন তখনকার কথা মনে পড়ে যায় আজ। জানি না মুকুল ভাই'র মনে আছে কীনা। একসাথৈ আমরা কবিতার টানে জড়ো হলাম কবিতা পরিষদে।
প্রণব, আমার কাছের এবং ভালো বন্ধু। কবিতার প্রতি একনিষ্ঠ প্রেম, আমার কাছে বড়ো বিস্ময় আজো। অসাধারণ কবি সে।
আমারই মূল্যবোধের খরায় আমি আছি পিছনে তাদের ছেড়ে।
দূর থেকে জানাই শুভ কামনা।
শুভ কামনা মুকুল ভাই, বন্ধুবর প্রণবকে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সেইসব দিনের কথা কি ভুলা যায়! মাস্টার পাড়ার রাস্তায় হেঁটে হেঁটে পরস্পরের কবিতা পাঠ... কবিতা পরিষদ, সুরঞ্জণায় আড্ডা....
১৩ তারিখ মেলায় আসছি। প্রণবও থাকবে। দেখা হবে আশা করি।
হাবীব ইমন বলেছেন:
খন্দকার সোহেল ভাই, না আপনার ব্যাপারে আমার কোনো আপত্তি নাই। আপনার ব্যাপারে উচ্ছ্বসিত আমি। আপনার কাজ অনেক ভালো। মুকুল ভাই, অনেক স্মৃতি হৃদয়ে পড়ে। আপনার মনে আছে, একটি বালিকা (তখন) আমাদের প্রভাবিত করেছিল। নিরাপত্তা (!)র জন্য জানালাম না নামটি।
প্রণব, থাক্ না দূর। দূরই থাকলাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














ফোন রিসিভ করতেছিস না কেন?
কাল আসতেছি।