somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আজকের গরম খবরঃ আদার ব্যাপারী জাহাজ চালনায় পুরষ্কৃত http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21580 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21580 2006-10-14 01:58:39 100% তৈল মালিশ বর্জিতঃ তাহলে সামহোয়্যারইন কি সত্যিই রক্ত চোষাদের দালাল?
নরওয়ের মালিকানার রক্ত চোষা [link|http://www.grameenphone.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=4:9:1| M]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21579 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21579 2006-10-14 01:44:43
মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলে সামহোয়্যারইনের ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ
আমি রক্ত চোষা ডঃ ইউনুসকে নিয়ে এ পর্যন্ত এই ব্লগে এখন পর্যন্ত কাউকে কোন ব্যক্তি গত আক্রমনাত্মক মন্তব্য দেইনি। তাহলে আমার দোষটা কোথায়? কেন আমার পোস্ট প্রথম পেইজ থেকে হটিয়ে দেয়া হল? তাহলে এটাই কি সামহোয়্যারইনের মত প্রকাশে স্বাধীনতা আসল চেহারা?

ভিন্নমত থাকতেই পারে এবং থাকবে। ডঃ ইউনুসকে নিয়েও রমরমা কাহিনী প্রকাশিত হচ্ছে এবং হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সামহোয়্যারইন তাহলে কি চায়? উদ্দেশ্য কি? যেখানে ইসলাম ধর্মকে নিয়ে প্রচন্ডভাবে কটাক্ষমূলক লেখা প্রথম পেইজে দেখানো হচ্ছে সেখানে আমার সামান্য লেখা কেন প্রথম পেইজে থাকতে পারবে না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21553 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21553 2006-10-13 14:51:28
ভিন্নমতঃ রক্তচোষা ডঃ ইউনুসের শান্তিতে নোবেল প্রাইজ প্রাপ্তিতে আমি স্তম্ভিত
[গাঢ়]মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে- পুরষ্কার কি অপমানের শ্রেষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ? [/গাঢ়]

আপাততঃ এটুকুই। খুবই ব্যস্ত আছি টেলিযোগাযোগ গ্রাহকদেরর কলরেট কমানোর আন্দোলন নিয়ে - ভাসানী নভোথিয়েটারে । যেখান থেকে এই রক্তচোষার বিরূদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছিল এবং এখনও আছে । পরে আসছি বিস্তারিত নিয়ে।

[গাঢ়]পোস্টটি 100% তৈল বর্জিত এবং ব্যক্তিগত।[/গাঢ়] ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21543 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21543 2006-10-13 13:03:04
সুখ তুমি কী আমার জানতে ইচ্ছে করে
ঋষী যখন ধ্যান করেন, তখন তিনি সুখের সন্ধান করেন। ধ্যানি, তাপস কিংবা জ্ঞানী মনের ভেতর একটি রাজ্য সৃষ্টি করে সুখ তালাশ করেন। ওলি-আল্লাহরা মোরাকাবা মোসাহেদা করে সুখের সাগরে ডুব দেন।

সুখ নিয়ে ছোট বেলায় পড়েছিলাম অনেকটা এমন যে, "নদীর ওকূলেই সর্বসুখ, ওকূল ভাবে বিপরীত কূলেই সুখের বাসা"। এ নিয়ে একটি গানও আছ্লে 'সুখ তুমি কী আমার জানতে ইচ্ছে করে'। আর বিখ্যাত কবিতার লাইনটি্ল 'সুখের লাগিয়া বাঁধিনু ঘর অনলে পুড়িয়া গেল'।

সবচেয়ে বেশি সুখী কে। এ নিয়ে উপসংহার টানা সম্ভব হবে না। যে যার মতো করে সুখের সংজ্ঞা নিরূপণ করবেন, ব্যাখ্যা করবেন। কিন্তু সুখ ছুঁয়ে দেখা সম্ভব হবে না। মনোবিজ্ঞানীরা ভাবেন, "যিনি নিজেকে সুখী মনে করেন তিনিই সুখী"। সুখটা আসলে আপেক্ষিক। সবার কাছে সমানভাবে ধরা দেয় না।

বস্তুবাদী ভাবনায় সুখটা বস্তুর মাঝে লুকিয়ে থাকে। বিজ্ঞানীর মতে, সুখ সৃষ্টি সুখের উল্লাসের মাঝে লুকিয়ে আছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান সুখের সংজ্ঞায়িত করে না বরং একটি ধারণা খাড়া করে। সুস্থ মানুষই সুখী। সুস্থতার অর্থ যিনি খেয়ে হজম করতে পারেন। শুলে ঘুমাতে পারেন, কাজে উৎসাহ পান, যা কিছু দেখেন, ভাবেন, মনে করেন, সবকিছু ইতিবাচক অর্থেই দেখেন। [গাঢ়]এক শ্রেণীর কর্মবাদী মানুষ আছেন তারা ভাবেন, নির্লোভ ভাবনার মহৎকর্মেই সুখ আছে। কর্মচাঞ্চল্যও এক ধরনের সুখ।[/গাঢ়]

অধ্যাত্মবাদে সুখ বলে একার্থে প্রকাশযোগ্য কোনো শব্দ নেই। সুখীও ব্যাপক অর্থবোধক। তাছাড়া পৃথিবী অখণ্ড সুখের জায়গা নয়। পৃথিবীর জীবন হবে সুখ-দুঃখ মিশ্রিত। আর অখণ্ড সুখ বা অনাবিল প্রশান্তি শুধু জান্নাতেই পাওয়া যাবে। জান্নাতের এ সুখটা কিনতে হয় দুনিয়াতে। পরিশুদ্ধ মনের বিশ্বাস, সংবেদনশীল মানবিক হূদয়, সৃষ্টিজীবে দয়া আর আত্মসমর্পিত মানুষ যখন আল্লাহর হক ও বান্দার হক অত্যন্ত সুসমভাবে আদায় করে তখনই তিনি সুখের নিশ্চয়তা পান। মুনি-ঋষী, পীর, ফকির, দরবেশ, ওলি-আল্লাহ ও আউলিয়াদের কাছে সুখ 'ফানাফিল্লাহর' মাঝে। যিনি নিজেকে যত বেশি আল্লাতে সমর্পিত করতে পারেন, তার সুখ তত বেশি। রাবেয়া বসরি বলতেন, সুখ হচ্ছে খোদাপ্রেমে মশগুল জীবন। আল্লাহ প্রীতি ও ভীতিতে নয়।

শেষ পর্যন্ত সুখ নিয়ে তিনটি মত দাঁড়ায়। একটি ভাববাদী ধারণা। অন্যটি বস্তুবাদী চিন্তা। শেষটি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা্ল যা মনোবিজ্ঞানী ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের মাধ্যমে পাওয়া যায়। এ তিনটি মতের বাইরে একটি অধিকতর প্রভাব বিস্তারকারী মত হচ্ছ্লে ঐশীবাদী ভাবনা। [গাঢ়]ইহুদি, খ্রিসটান এবং মুসলমানরা কিছু বিকৃতি-বিচু্যতি নিয়েও আসমানি কিতাব-নির্ভর হয়ে জান্নাত-জাহান্নামের আলোকে সুখ ভাবনা লালন করে। অন্যান্য প্রকৃতি পূজারি এবং ধর্মবিশ্বাসীরাও ধর্ম-অধর্ম দিয়ে শান্তি সুখের ঠিকানা সন্ধান করে।[/গাঢ়] এক কথায়, ধর্ম চিন্তায় বিশ্বাসবিধৌত ভাবনায় সুখটা ধরা দেয় ভিন্নভাবে। রীতিটিও বিশ্বাসীরা একভাবে দেখেন। অবিশ্বাসীরা দেখেন ভিন্নভাবে। বিশ্বাস ও কর্মফলের সমন্বিত সুকৃতির ফসল সুখ।

বাংলাদেশে কবি আল মাহমুদ যখন উচ্চারণ করেন স্ত্রৈনরাই সুখী, তখন তিনি সুখের একটি সীমিত রূপের কথা বলেন। সামগ্রিকতায় যান না। কবি শামসুর রাহমান 'স্বাধীনতা' কবিতায় এক ধরনের 'সুখে'র কথা বলেছেন। জীবনানন্দদাসকে 'সুখ' দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।

একটা বিখ্যাত আরবি নীতিশাস্ত্রের ভাব-ভাষা প্রিয় নবী বলেছেন ভিন্নভাবে। তিনি 'সময়কে' যথার্থ অর্থে বুঝতে বলেছেন। বলেছেন, বার্ধক্যের আগে যৌবন ও তারুণ্য সুখের প্রতীক। অসুস্থতার আগে সুস্থতা, দুঃসময়ের আগে সুসময় এবং অসচ্ছলতার আগে সচ্ছলতা অত্যন্ত মূল্যবান্ল এ সুখের সময়গুলো কাজে লাগাতে হবে। হাদিসবেত্তারা হাদিসটি অবশ্য আরো ভিন্ন অর্থে, ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করার পক্ষপাতী। আমি তা-ই মনে করি। এখানে প্রসঙ্গটা টানলাম একমুখী ব্যাখ্যা বোঝানোর স্বার্থে। মিসরীয় একজন পণ্ডিত ভেবেছেন, সবচেয়ে সুখী মানুষ হচ্ছে স্বাধীন মানুষ। স্বাধীন হচ্ছে সেই ব্যক্তি যিনি সাহসের সাথে কালেমা উচ্চারণ করে কায়মনোবাক্যে তার ওপর দৃঢ় থাকতে পারেন। কারণটা ব্যাখ্যা করেছেন, ।[গাঢ়] কালেমা পড়লে মানুষের ওপর মানুষের সকল প্রভুত্ব অস্বীকার করা হয়। তাতে শ্রেণীবৈষম্য, বর্ণবৈষম্য, বিত্তবৈষম্য সবকিছু অস্বীকার করা হয়। মানুষ এবং মানবতাই প্রাধান্য পায়। মানুষ যখন মানবিকবোধে বিবেককে জাগ্রত করতে পারে, তখন আত্মতত্ত্বে বিবেক জাগ্রত হয়ে যায়।[/গাঢ়] কারণ মানুষের ইতিহাস হচ্ছে প্রভুত্বকামী লালসার ইতিহাস। অন্যের স্বাধীনতা হরণ বা খর্ব করার ইতিহাস। পৃথিবীর কোথাও কখনো কোনো বন্য জানোয়ার, হিংস্র হায়েনা মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা হরণ করেনি। শোষণ, বঞ্চনা, অত্যাচার, নিপীড়ন সবকিছু মানুষই মানুষের ওপর চালায়। ফলে এ বক্তব্যটি যে অত্যন্ত জোরালো তা স্বীকার করতেই হবে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21180 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/21180 2006-10-09 03:03:52
তোমার পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দাও শক্তি
অকারণ সমালোচনা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। তবে এও সত্য, বার বার মানুষকে বোকা বানানো যায় না। একসময় অকারণ সমালোচনার সব জারিজুরি ফাঁস হয়ে পড়ে। সমালোচকদের উদ্দেশ্য সমপর্কে মানুষ অবহিত হয়। এমন সমালোচনা প্রকৃতপক্ষে নিন্দার পর্যায়েই পড়ে। সে ক্ষেত্রে এ ধরনের সমালোচনাকারীরা নিন্দুক হিসেবেই চিনহিত হতে পারেন। আর যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অকারণে সমালোচনার শিকার হয়, তারা বা সেই প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের কাছে হেয়প্রতিপন্ন হয়। এমন পরিস্থিতি কতটা দুর্ভাগ্যের, ভুক্তভোগীরাই শুধু তা উপলব্ধি করতে পারেন।

ভুলত্রুটি নিয়েই মানুষ ও মানুষের প্রতিষ্ঠান। তবে ভুলের পৃষ্ঠপোষকতা ও লালন যদি করা হয়, তবেই সর্বনাশ। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে শুদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে হবে। আর বলতে হবে কবির ভাষা "তোমার পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দাও শক্তি"।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20944 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20944 2006-10-05 10:19:17
সুখ তুমি কী আমার জানতে ইচ্ছে করে
ঋষী যখন ধ্যান করেন, তখন তিনি সুখের সন্ধান করেন। ধ্যানি, তাপস কিংবা জ্ঞানী মনের ভেতর একটি রাজ্য সৃষ্টি করে সুখ তালাশ করেন। ওলি-আল্লাহরা মোরাকাবা মোসাহেদা করে সুখের সাগরে ডুব দেন।

সুখ নিয়ে ছোট বেলায় পড়েছিলাম অনেকটা এমন যে, "নদীর ওকূলেই সর্বসুখ, ওকূল ভাবে বিপরীত কূলেই সুখের বাসা"। এ নিয়ে একটি গানও আছ্লে 'সুখ তুমি কী আমার জানতে ইচ্ছে করে'। আর বিখ্যাত কবিতার লাইনটি্ল 'সুখের লাগিয়া বাঁধিনু ঘর অনলে পুড়িয়া গেল'।

সবচেয়ে বেশি সুখী কে। এ নিয়ে উপসংহার টানা সম্ভব হবে না। যে যার মতো করে সুখের সংজ্ঞা নিরূপণ করবেন, ব্যাখ্যা করবেন। কিন্তু সুখ ছুঁয়ে দেখা সম্ভব হবে না। মনোবিজ্ঞানীরা ভাবেন, "যিনি নিজেকে সুখী মনে করেন তিনিই সুখী"। সুখটা আসলে আপেক্ষিক। সবার কাছে সমানভাবে ধরা দেয় না।

বস্তুবাদী ভাবনায় সুখটা বস্তুর মাঝে লুকিয়ে থাকে। বিজ্ঞানীর মতে, সুখ সৃষ্টি সুখের উল্লাসের মাঝে লুকিয়ে আছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান সুখের সংজ্ঞায়িত করে না বরং একটি ধারণা খাড়া করে। সুস্থ মানুষই সুখী। সুস্থতার অর্থ যিনি খেয়ে হজম করতে পারেন। শুলে ঘুমাতে পারেন, কাজে উৎসাহ পান, যা কিছু দেখেন, ভাবেন, মনে করেন, সবকিছু ইতিবাচক অর্থেই দেখেন। [গাঢ়]এক শ্রেণীর কর্মবাদী মানুষ আছেন তারা ভাবেন, নির্লোভ ভাবনার মহৎকর্মেই সুখ আছে। কর্মচাঞ্চল্যও এক ধরনের সুখ।[/গাঢ়]


অধ্যাত্মবাদে সুখ বলে একার্থে প্রকাশযোগ্য কোনো শব্দ নেই। সুখীও ব্যাপক অর্থবোধক। তাছাড়া পৃথিবী অখণ্ড সুখের জায়গা নয়। পৃথিবীর জীবন হবে সুখ-দুঃখ মিশ্রিত। আর অখণ্ড সুখ বা অনাবিল প্রশান্তি শুধু জান্নাতেই পাওয়া যাবে। জান্নাতের এ সুখটা কিনতে হয় দুনিয়াতে। পরিশুদ্ধ মনের বিশ্বাস, সংবেদনশীল মানবিক হূদয়, সৃষ্টিজীবে দয়া আর আত্মসমর্পিত মানুষ যখন আল্লাহর হক ও বান্দার হক অত্যন্ত সুসমভাবে আদায় করে তখনই তিনি সুখের নিশ্চয়তা পান। মুনি-ঋষী, পীর, ফকির, দরবেশ, ওলি-আল্লাহ ও আউলিয়াদের কাছে সুখ 'ফানাফিল্লাহর' মাঝে। যিনি নিজেকে যত বেশি আল্লাতে সমর্পিত করতে পারেন, তার সুখ তত বেশি। রাবেয়া বসরি বলতেন, সুখ হচ্ছে খোদাপ্রেমে মশগুল জীবন। আল্লাহ প্রীতি ও ভীতিতে নয়।

শেষ পর্যন্ত সুখ নিয়ে তিনটি মত দাঁড়ায়। একটি ভাববাদী ধারণা। অন্যটি বস্তুবাদী চিন্তা। শেষটি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা্ল যা মনোবিজ্ঞানী ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের মাধ্যমে পাওয়া যায়। এ তিনটি মতের বাইরে একটি অধিকতর প্রভাব বিস্তারকারী মত হচ্ছ্লে ঐশীবাদী ভাবনা। [গাঢ়]ইহুদি, খ্রিসটান এবং মুসলমানরা কিছু বিকৃতি-বিচু্যতি নিয়েও আসমানি কিতাব-নির্ভর হয়ে জান্নাত-জাহান্নামের আলোকে সুখ ভাবনা লালন করে। অন্যান্য প্রকৃতি পূজারি এবং ধর্মবিশ্বাসীরাও ধর্ম-অধর্ম দিয়ে শান্তি সুখের ঠিকানা সন্ধান করে।[/গাঢ়] এক কথায়, ধর্ম চিন্তায় বিশ্বাসবিধৌত ভাবনায় সুখটা ধরা দেয় ভিন্নভাবে। রীতিটিও বিশ্বাসীরা একভাবে দেখেন। অবিশ্বাসীরা দেখেন ভিন্নভাবে। বিশ্বাস ও কর্মফলের সমন্বিত সুকৃতির ফসল সুখ।

বাংলাদেশে কবি আল মাহমুদ যখন উচ্চারণ করেন স্ত্রৈনরাই সুখী, তখন তিনি সুখের একটি সীমিত রূপের কথা বলেন। সামগ্রিকতায় যান না। কবি শামসুর রাহমান 'স্বাধীনতা' কবিতায় এক ধরনের 'সুখে'র কথা বলেছেন। জীবনানন্দদাসকে 'সুখ' দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।

একটা বিখ্যাত আরবি নীতিশাস্ত্রের ভাব-ভাষা প্রিয় নবী বলেছেন ভিন্নভাবে। তিনি 'সময়কে' যথার্থ অর্থে বুঝতে বলেছেন। বলেছেন, বার্ধক্যের আগে যৌবন ও তারুণ্য সুখের প্রতীক। অসুস্থতার আগে সুস্থতা, দুঃসময়ের আগে সুসময় এবং অসচ্ছলতার আগে সচ্ছলতা অত্যন্ত মূল্যবান্ল এ সুখের সময়গুলো কাজে লাগাতে হবে। হাদিসবেত্তারা হাদিসটি অবশ্য আরো ভিন্ন অর্থে, ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করার পক্ষপাতী। আমি তা-ই মনে করি। এখানে প্রসঙ্গটা টানলাম একমুখী ব্যাখ্যা বোঝানোর স্বার্থে। মিসরীয় একজন পণ্ডিত ভেবেছেন, সবচেয়ে সুখী মানুষ হচ্ছে স্বাধীন মানুষ। স্বাধীন হচ্ছে সেই ব্যক্তি যিনি সাহসের সাথে কালেমা উচ্চারণ করে কায়মনোবাক্যে তার ওপর দৃঢ় থাকতে পারেন। কারণটা ব্যাখ্যা করেছেন, ।[গাঢ়] কালেমা পড়লে মানুষের ওপর মানুষের সকল প্রভুত্ব অস্বীকার করা হয়। তাতে শ্রেণীবৈষম্য, বর্ণবৈষম্য, বিত্তবৈষম্য সবকিছু অস্বীকার করা হয়। মানুষ এবং মানবতাই প্রাধান্য পায়। মানুষ যখন মানবিকবোধে বিবেককে জাগ্রত করতে পারে, তখন আত্মতত্ত্বে বিবেক জাগ্রত হয়ে যায়।[/গাঢ়] কারণ মানুষের ইতিহাস হচ্ছে প্রভুত্বকামী লালসার ইতিহাস। অন্যের স্বাধীনতা হরণ বা খর্ব করার ইতিহাস। পৃথিবীর কোথাও কখনো কোনো বন্য জানোয়ার, হিংস্র হায়েনা মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা হরণ করেনি। শোষণ, বঞ্চনা, অত্যাচার, নিপীড়ন সবকিছু মানুষই মানুষের ওপর চালায়। ফলে এ বক্তব্যটি যে অত্যন্ত জোরালো তা স্বীকার করতেই হবে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20907 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20907 2006-10-05 03:54:46
এখন অনলাইনে আছেন আমাদের সবার প্রিয় কালপুরুষ, উজ্জ্বল নক্ষত্র
তাঁকে নতুন করে বরণ করার ভাষা আমার জানা নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20487 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20487 2006-09-30 09:20:06
খেয়াল করূন খাবার প্যাকেটটি স্বাস্থ্য সম্মত কি?
বর্তমানে ভেজালবিরোধী অভিযান আবার চলছে। এতে সর্বসাধারণ স্বতঃসফূর্তভাবে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে অমি আরো একটি বিষয়ে জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। বিভিন্ন মিষ্টির দোকান, হোটেল, রেসটুরেন্ট ও খাবারের দোকানগুলোতে বিভিন্ন খাদ্য কাগজের মোড়কে গ্রাহককে পরিবেশন করা হয়। ওইসব কাগজের মূল উপাদান হচ্ছে টোকাইদের কাছ থেকে সংগৃহীত ডাসটবিন, ময়লা আবর্জনা থেকে আহরিত কাগজ্ল যা ব্যাকটেরিয়া এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণুতে পরিপূর্ণ। সেই কাগজগুলোকেই প্রক্রিয়াজাত করে বোর্ড তৈরি করা হয় এবং তা থেকেই তৈরি করা হয় প্যাকেট। এ প্যাকেটেই বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য বিশেষ করে মিষ্টি, বিরিয়ানি ও ভাত গ্রাহকদের দেয়া হয়। দু-একটি ব্যতিক্রম বাদে এটা চলছে। এতে করে প্যাকেটে রোগ জীবাণু থেকেই যাচ্ছে।

কোনো কোনো নামী-দামি দোকান আবার কাঁঠালপাতা/গোলপাতার মোড়ক ব্যবহার করে এবং সে মোড়কে কীটপতঙ্গ অহরহ দেখা যায়।

জনস্বাস্থ্য এবং জনস্বার্থের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রেখে এসব জীবাণুযুক্ত মোড়কের পরিবর্তে স্বাস্থ্যসমমত মোড়ক ব্যবহারে ব্যবসায়ীদের বাধ্য করা একান্ত প্রয়োজন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20473 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20473 2006-09-30 06:12:49
বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল মিরপুর ও শনির আখড়া
অপরদিকে সংসদে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করে বিদ্যুৎ নিয়ে আলোচনার সুযোগ না দেয়ায় আওয়ামী লীগ সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে।

ছবিঃ রফিকুর রহমান, রয়টার্স

সূত্রঃ GGdwc , [link|http://www.alertnet.org/thenews/newsdesk/DHA31307.htm|iqUvm]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20302 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20302 2006-09-28 10:51:02
কল্পনা কত না ভিন্ন অনুভূতি
প্রেম ভালোবাসা আনন্দ সুখ-দুঃখ কষ্ট
এর কোনোটা বেদনার রঙের সুতোয় বোনা
কোনোটা শুভ্রতার আচ্ছাদনে ঢেকে ফেলে সমম্ত আবর্জনা
কোনোটি গায়ে মেখে দেয় সমুদ্রের জলের মতো শীতল পরশ
কোনোটি চিতার উত্তাপ বয়ে আনে হূদয়ে।
কোনোটি শঙ্খচিল হয়ে উড়ে বেড়াবার প্রশান্তি এনে দেয়।
কোনো অনুভূতি কেমন আমি বুঝি না।
বিষন্নতা ? নাূ বিষন্নতা মানে আত্মসমর্পণ।
কোন কবি যেন বলেছেন।
ও হঁ্যাূ মনে পড়েছে। বীরেন্দ্র। আমি তাই বিষন্ন হই না।
আবার প্রফুলতায় নেচে উঠে না আমার মন।
অনুভূতিহীন বসে থাকি শূন্য উঠানে।
জলহীনতার সময় যেমন পড়ে থাকে বৈঠা।
শীতে গাছেদের যেমন দৈন্যদশা হয়; পাতাহীনূ বর্ণহীন।
নিশুতি রাতের শেষবেলা।
সুনশান নীরবতা।
অনেক দূরে মেঠোপথ ধরে যেন হেঁটে যাচ্ছে কোনো পথিক।
অচেনা পথে বর্ষার কাঁদায় তার পা ফেলার থপ থপ আওয়াজ কানে ভেসে আসছে।
চারপাশে রাত ফুরোবার গন্ধ। উঠোন থেকে চোখে পড়ে ধানক্ষেতে কৃষকের ছায়া। আকাশে ষোড়ষিণী চাঁদ।
বর্ষার মেঘ মাঝে মাঝেই আড়াল করছে তাকে।
তবে তার জোছনা এখন আর ভুবন আলোকিত নয়।
হয়তো সারারাত জেগে জেগে সেও ক্লান্ত।
ঘুমে জড়িয়ে আসছে তার চোখ।
তাই বুঝি বা নিভিয়ে দিচ্ছে আলোকবাতি।
আবার আরেকপক্ষে ঠিক জেগে উঠবে আলোর মশাল হাতে।
হঠাৎ পথিকের শব্দ আরো সপষ্ট হয়।
সাথে চুড়ির রিনঝিন ছন্দও শোনা যায়। আমি শব্দের উৎস খুঁজে ফিরি।
এমন সময় দুটো হাত পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে আমার বাহু।
পেছন ফিরে আমি অবাক হই। দেখি নীলা।
ওর হাতের নীলরঙা চুড়িগুলো এতক্ষণ বর্ষার জলের সাথে তাল মিলিয়ে বাজছিল।
আমি পুলকিত হই।
স্বপ্নে ভাবা একটা রাত এসে ধরা দেয় আমার কাছে।
পৃথিবীর সব দুঃখ লুটোয় আমার পায়ে।
ময়ূরের মতো নেচে ওঠে আমার মন।
ষোড়শিণী চাঁদের মতো দীপ্তমান হয় আমার চোখ।
ধ্রুবতারার মতো সত্য হয়ে ওঠে আমার অম্তিত্ব।
মম্তিদ্দের নিউরণে ঘুরপাক খায় রবীন্দ্রনাথ্ত 'এমন দিনে তারে বলা যায়'। আমার জীবন বাতি লুকানো তোমার মাঝ্তে আমাদের ভালোবাসাবাসির তিনবছর পূর্তিতেও যে কথা হয় নি বলা।

তোমার চোখে তাকিয়ে আমি কেবল ডুকরে উঠেছি নারী এত অবুঝ কেন ? আজ বলব নীলাঞ্জনা।
চিৎকার করে বলব।
সে চিৎকারে আকাশের তারারা খসে পড়ে পড়ুকূ জোছনাবাতি দপ করে নিভে নিভুক। পৃথিবীর কমপন অনুভব করুক সমম্ত প্রেমিক।
তবু দেখক নীলা তারা নীলা চাঁদ। তুমি এসো নীলা।
হঠাৎ কানে ভেসে আস্তে 'আসসালাতু খাইরুম মিনার নার'।
কৃষকের দল জোয়াল কাঁধে ছুটে ক্ষেতে। কাম্তে হাতে রাখাল চলেছে মাঠে। চারপাশের শূন্যতা ভরে যায়। শুধু নীলাহীন আমার বুকটা অপূর্ণ রয়ে যায়।
শূন্য উঠোনে নিজেকে একাকী দেখে বিসমিত হই।
যদিও জানি সে ঘোরূ মায়া।
নীলা হারিয়েছে গত মাসে।
ঙ্কজষ্ঠ্যের সমাপনী দিনে সে চিরবিদায় নিয়েছে।
বর্ষায় কদমতলায় ভেজার আগেই আমাকে নিঃস্ব করেছে।
কথা দিয়েছিল বলেই হয়তো এসেছিল।
ভোরের নরম আলোয় আমি অনুভব করিূ নসটালজিয়ায় ডুবতে বসেছিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20253 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20253 2006-09-28 07:39:14
বাংলাদেশের ওপেন সোর্স আন্দোলনের অন্যতম সেরা ব্যক্তিত্ব অমি আজাদ এর প্রতি ভাল লাগল এই ব্লগে আপনাকে পেয়ে। আপনি এখানে অনেক দিন আগেই রেজিস্ট্রেশন করে মেম্বার হয়েছিলেন , তা খেয়াল করেছিলাম। কিন্তু দুভর্াগ্য আমাদের আপনার লেখা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেও ব্যর্থ হয়েছি। কারন আপনি এখানে ব্লগাননি। যাই হোক নতুন করে আপনার উপস্থিতিতে আমাদের বাংলা কম্পিউটিং এবং ওপেন সোর্স এর অনেক কিছু জানতে পারব।

[গাঢ়]আপনার জ্ঞাতার্থে বলছি "হাবিব ছোটলোক" আর "হাবিবমহাজন" আলাদা ব্যক্তি। আমার নিক "হাবিবমহাজন" এর জন্ম "হাবিব ছোটলোক"এর অনেক আগে। হাবিব ছোটলোক এর লেখা ও মন্তব্যের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই।[/গাঢ়]

[link|http://www.somewhereinblog.net/localizationblog/post/20034|nvwee ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20115 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/20115 2006-09-27 01:14:21
চাঁদ নিয়ে মুসলিম বিশ্বে মতপার্থক্যের কারণে রোজার ন্যায় ঈদ উৎসবও হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন দিনে । পৃথিবীর যে কোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে অথবা সে খবর পাওয়া মাত্রই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে কুরআন ও হাদিসে। ওআইসি ও আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা কমিটিরও নির্দেশ রয়েছে চাঁদ দেখে একই দিন ঈদ পালনের। ওআইসির 57টি সদস্য দেশের 50টিতে একই দিনে ঈদ উদযাপিত হলেও শুধু বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, ইরানে এর ব্যতিক্রম হচ্ছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়ও পালিত হচ্ছে ঈদ ভিন্ন ভিন্ন দিনে

চাঁদ দেখা ছাড়া ঈদ উদযাপনে আলেমরা রাজি হন না এবং এ নিয়ে যত বৈজ্ঞানিক যুক্তি বা আলোচনা হোক তারা তা মানবেন না। বিষয়টি অনৈক্যের দৃষ্টান্তছাড়া কিছুই নয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে বলব-চাঁদ সকলকে দেখতে হবে এমন কোনো শর্ত নেই। স্বচক্ষে দেখে অথবা দেখার সংবাদ শুনে চাঁদের উদয় প্রমাণিত হবে।

নতুন চাঁদ পৃথিবীর সকল অঞ্চলে একই সময়ে উদিত হয় না। দৃষ্টিহীন অথবা স্বল্পদৃষ্টিসম্পন্ন কেউ চাঁদ দেখতে পারে না। [গাঢ়]চাঁদ দেখার ব্যাপারে সৌদি আরব, বাংলাদেশ, ভারত, মিসর বা কোনো দেশের জনগোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট করে দায়িত্ব দেয়া হয়নি।[/গাঢ়]

[গাঢ়]মক্কার সঙ্গে ঢাকার সময়ের পার্থক্য তিন ঘণ্টা। এ দুটি স্থানের ঈদের পার্থক্য এক থেকে দুদিন গ্রহণযোগ্য নয়।[/গাঢ়] বাংলাদেশের মানুষ আরাফাতে হজের দৃশ্য টেলিভিশনে দেখেন। শরীয়তের নির্দেশমতে আরাফাতের পরের দিন ঈদুল আযহা। এর পরও চাঁদ না দেখার অজুহাতে আরাফাতের পরের দিন নফল রোজাটি করতে গিয়ে একটি রোজা হারাম করে ফেলেন। অথচ পৃথিবীতে স্থানভেদে সময়ের ব্যবধান সাড়ে 10 ঘণ্টার বেশি নয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে হিসাব করলে পৃথিবীর জনবসতিপূর্ণ স্থানগুলো ও সময়ের ব্যবধান আরো কম। এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে ওআইসির সিদ্ধান্তহচ্ছে, প্রথম চাঁদ দেখাকে ভিত্তি করেই প্রতিটি মুসলিম দেশ একই দিন রোজা শুরু ও ঈদ পালন করবে। কিন্তু আলেমরা এর বিরুদ্ধে যাবে এ ভয়ে বাংলাদেশে এ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না।

শুরু থেকে আরবে একই দিন ঈদ হতো। খলিফা ওমরের (রা.) শাসনামলে 16 লাখ বর্গমাইলের সাম্রাজ্যে চাঁদ দেখার খবর সর্বত্র পেঁৗছে দিতেন ঘোড় সওয়াররা। কিন্তু 401 থেকে 801 হিজরি পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন দিনে ঈদ উদযাপিত হলেও এর পর দীর্ঘদিন এ বিতর্ক ছিল না। ঈদ নিয়ে ফের পুরনো বিতর্ক শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে। এ বিতর্ক অনৈক্যের প্রতীক। [গাঢ়]যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল কিনটন মুসলমানদের দুটি ঈদে ছুটি দিতে চাইলেও তা কার্যকর করতে পারেননি। কারণ কোন দুটি দিনে ঈদ হবে এ নিয়ে আলেমদের বিতর্কের সুরাহা এখনো হয়নি।[/গাঢ়]

আমরা মুসলিমরা কি চাঁদ নিয়ে মতৈক্যে আসতে পারি না? শান্তির ধর্মে এ কোন বিভাজন!

হে আল্লাহ আমাদের সুমতি দাও।



অনুপ্রেরনাঃ
সতীর্থ ব্লগার রেজওয়ান এর [link|http://www.somewhereinblog.net/pata/post/19817|Pvu` wb]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19906 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19906 2006-09-24 07:54:47
দেখতে প্রায় একই নয়া নিক ; নয়া যন্ত্রনা 1। বেকার
2। হিংসাপরায়ণ
3। সময়ের মূল্য বুঝে না
4। অন্যকে বিভ্রান্ত করাই তার লক্ষ্য
5। সৃজনশীল লেখালেখির অযোগ্য

নেটের সাধারণ নিয়ম অনুয়ায়ী মডারেটর কতর্ৃক এদের নিক বা এ্যাকাউন্ট পরিবর্তন করাও দুসাধ্য, ক্ষেত্র বিশেষ অন্যায় (এ কথায় অতি বুদ্ধিমানরা আমার উপর চটে যেতে পারেন কিন্তুদয়া করে বুঝার চেষ্টা করূন)। এই মুহূর্তে মেম্বার কম আছে বলে হয়তো কিছুটা কন্ট্রোল করা যাচ্ছে। কিন্তুএক সময় মেম্বার বেশী হয়ে গেলে তা কন্ট্রোল করা মুশকিল। মডারেটর কতর্ৃক অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন করাও অন্যায় হবে। যেমন কেউ "হ্যাপী" নিক ধারণ করল অন্য কেউ "হ্যাপি" নিক পছন্দ করতেই পারে। ব্যবহারেই নিজের পরিচয়। যেমন ইয়াহুতে কেউ habibmohazan নিল অন্য কেউ habibmahazan নিতেই পারে (এই ব্লগে এরকম ইউজারনেম নিতে দেখা যাচ্ছে)। এখন habibmohazan পক্ষে ইয়াহুকে কয়েক কোটি ডলার অফার করলেও ইয়াহু কর্তপক্ষ টার্মস এন্ড কন্ডিশন, প্রাইভেসি পলিসি রক্ষার্থে habibmahazan বিরূদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিবে না। আর টার্মস এন্ড কন্ডিশন, প্রাইভেসি পলিসি ফলো করে বলেই ইয়াহুর গ্রহন যোগ্যতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। সামহোয়্যার এক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে অতি বুদ্ধিমান পাবলিকের অনুরোধে কারো তথাকথিত মিথ্যাবাদী ও ভন্ড "তথ্যানুসন্ধান" এ্যাকাউন্ট মুছে দিয়ে। তৈল মর্দনে অবিশ্বাসী আমি কখনো কোথাও সমাহোয়্যারইন ব্লগ নিয়ে কিছু লিখলে বা বললে এই রকম কলঙ্কিত উদাহরণ উল্লেখ করবোই।সে যাই হোক এখন প্রশ্ন উদ্ভুত পরিস্থীতির সমাধান কি? মানে পুরনো নিকের ন্যায় নয়া নিক খোলার।

সমাধান খুব একটা দেখছি না। আমাদের সচেতনতাই পারে আসল নকল চেনার উপায়।অথর্াৎ সাধু সাবধান। এরপরও বলবঃ
1। ব্লগ কর্তৃপক্ষ প্রোফাইলে ইয়াহু, গুগলের ন্যায় জয়েনিং ডেট দেখানোর ব্যবস্থাকরতে পারে
2। ব্লগ কর্তৃপক্ষ একই টাইটেল যাতে কেউ ব্যবহার করতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে পারে
3। নকলের স্বীকার ভুক্তভোগীরা নকল নিককে নিয় বেশী মাতামাতি না করে নিরবতা পালন করূন । এক সময় নকলকারীরা বাজার না পেয়ে বিরক্ত হয়ে এখাই নিস্তেজ হয়ে যাবে।[link|http://www.somewhereinblog.net/jhorohowa/post/16401|Av]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19771 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19771 2006-09-23 03:28:14
ভিন্নমতঃ রমযান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিচ্ছিন্ন ভাবনা
বরাবরের মত এবারও রমযানে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানোর জন্য কিছু পণ্যের শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনা হয়েছে। বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রণালয়ের টানাপড়েনে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় রোযা শুরূর দুই সপ্তাহ আগে। অথচ এলসি খোলার পর কানাডা, অসট্রেলিয়া বা রাশিয়া-তুরস্ক থেকে 4 থেকে 5 সপ্তাহ সময় লেগে যায় দেশে পণ্য আসতে। শূন্য শুল্কের পণ্য আসতে আসতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোযার অর্ধেক পার হয়ে যেতে পারে। এ সময়ে এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম কমতে শুরূ করে (বিশষ করে পাইকারি বাজারে)। সিদ্ধান্তহীনতায় না ভোগে 1 মাস আগে শুল্ক পদক্ষেপ নিতে পারলে এর সুফল বেশি পাওয়া যেত।

রমযানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার বিডিআর দ্্বারা গুরূত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রয়োজনীয় পন্য ন্যায্য মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করেছে। ভাল কথা। কিন্তু আমি মহাজন এখানে ভিন্নমত দিব। এই ব্যবস্থা যদি এক মাসের জন্য হয় তাহলে আমার কয়েকটা কথা আছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়ে নিরূৎসাহী করবে। যার প্রভাবে দ্রব্য মূল্য বরং বেড়ে যাবার সম্ভাবনাই বেশী। বিডিআরের কমদামে দ্রব্যাদি বিক্রির ভয়ে আমদানিকারকরা বাজার চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানী করতে ভয় পাবে। ফলে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাবে।

বিডিআর যে মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে তাতে গুটি কয়েক লোকের উপকার হচেছ দেখা গেলেও আসলে তেমন উপকার হচ্ছে না দেশবাসীর। বিডিআর পণ্য সংগ্রহে কোন চাঁদা দেয়না কিন্তু একজন খুচরা ব্যবসায়ী বা সাধারণ ব্যবসায়ীকে যে ভাবে পথে ঘাটে ব্যবসাস্থলে চাঁদা দিতে হচ্ছে তাতো সবসময়ের জন্য ওপেন সিক্রেট। এই চাঁদার টাকা যোগ করেই সাধারণ ব্যবসায়ীকে পণ্যমূল্য নিধর্ারণ করতে হয়। তাছাড়া ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স , ভ্যাট দিতে হয় সরকারি কোষাগারে। আর ব্যবসা পরিচালনার খরচতো বহন করতে হয় তাদেরকেই। একজন ব্যবসায়ীকে ঘিরে বউ বাচ্চা ও পরিবারসহ অনেকই নির্ভর করে থাকে। কিন্তু সরকারি মাইনে দিয়ে পরিচালিত বিডিআর বাহিনীর পন্য বিক্রিতে এসবের কিছুরই বালাই নাই। [গাঢ়]সরকার বেহুদাই জনগনের দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির পুঞ্জীভূতক্ষোভ নিরসনে এবং সরকারের সমর্থনপুষ্ট সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের দমননীতি গ্রহন না করে ব্যবসায়ীদের সাথে প্রতিদ্্বন্দিতায় নামিয়েছে বিডিআরকে।[/গাঢ়]

ব্যবসায়ীরা একেবার ধোয়া তুলসীপাতা তা কিন্তু বলব না। অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী করছেটা কি? যেমন গরূর গোস্ত সরকার 140 টাকা নিধর্ারণ করলেও আমাদের কিনতে হচ্ছে 160-170টাকা কেজি দরে (হাড়সহ)। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু কিছু সদস্য সাধারণ ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের অভিযোগ তুলে হয়রানি ও চাঁদাবাজি করছে। এর বিরূপ প্রভাব ইতোমধ্যেই বাজারে পড়তে শুরূ করেছে।

[গাঢ়]বাজারনীতির সূত্রানুযায়ী বাজারের দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে তার মূল্য বৃদ্ধি পাবে, এটাই স্বাভাবিক। এব্যাপারে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি জনসাধারণকে সিয়াম সাধনার নিমিত্তে অস্বাভাবিক ঘি-গু খাওয়া বন্ধ করতে হবে। তা না হলে সরকারের একার পক্ষে কখনো দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়।[/গাঢ়]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19633 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19633 2006-09-21 08:24:09
ডেনমার্কের পত্রপত্রিকায় মহানবী হযরত মুহামমদ (সাঃ)-এর ব্যঙ্গচিত্র ছাপার পর সেদেশের রপ্তানী আয়ে ধস নেমেছে http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19314 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/19314 2006-09-18 03:51:48 বাংলাদেশের মতো চায়নাতেও ভিক্ষাবৃত্তির উৎপাত রয়েছে
ভিখারিকে টাকা দিতে নিষেধ করেছে চায়নার চিংকুইং মিউনিসিপালিটি কতর্ৃপক্ষ। ভিখারিদের ভিক্ষায় নিরূৎসাহিত করার পরামর্শও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কারণ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে কিছু কিছু ভিখারি চাকরিজীবীর চেয়ে বেশি আয় করেন। স্থানীয় এক হাজার ভিখারির মধ্যে জরিপ চালিয়েছিল চিংকুইং স্যালভেশন সটেশন। ভিখারিদের সহায়তার জন্য এ সটেশন প্রতিষ্ঠা করে চায়নার স্থানীয় সরকার। দেখা গেছে, সটেশনের জরিপে অংশ নেয়া 80 শতাংশ ভিখারিই ভিক্ষাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে চিংকুইংয়ের প্রধান স্কোয়ার, বাণিজ্যিক এলাকাসহ অবকাশযাপন কেন্দ্রগুলোতেই পেশাজীবী ভিখারিদের বেশি দেখা যায়। কিছু কিছু ভিখারি চাকরিজীবীদের চেয়েও বেশি আয় করে বলে আবিষকৃত হয় ওই জরিপে। এদের মধ্যে ডজনখানেক ভিখারির মাসিক আয় সাড়ে 12শ' ডলারের বেশি। ভিখারিদের 80 শতাংশই আবার ভিক্ষার পাশাপাশি স্যালভেশন সটেশনে সহায়তা নিতে পছন্দ করেন। বেশিরভাগ ভিখারির পরিবারই দরিদ্র নয়। তারা ভিক্ষাকে বেছে নিয়েছেন পেশা হিসেবে। কারণ এ পেশার আয় অপেক্ষাকৃত বেশি। কখনো কখনো দেখা গেছে পুরো পরিবারই ভিক্ষায় নেমে পড়ে। যে ভিখারির কপাল ভালো সে দিনে 37-50 ডলারও আয় করে ফেলতে পারে। এ আয় চিংকুইংয়ের সাধারণ একজন চাকরিজীবীর দৈনিক আয়ের চেয়ে ছয় গুণ বেশি। কিছু ভিখারির জীবনযাত্রার মান চাকরিজীবীর চেয়েও ভালো। তবু তারা ভিক্ষা করা ছাড়বে না।

নিন্দিত পেশা ভিক্ষুকদের নিয়ে আমাদের সরকারের তেমন মাথা ব্যথা নাই। আর এনজিওবাজরা বিদেশ যেয়ে যেভাবে বাংলাদেশের অপমানজনক কথা বলে, ভিত্তিহীন ভিডিও ও ছবি দেখিয়ে ডলার ভিক্ষায় লিপ্ত রয়েছে তাতে বাংলাদেশকে ভিক্ষুক দূণর্ামের হাত থেকে ঠেকানো বেশ দূরূহ।

চায়না সম্পর্কিত তথ্যটি যেখানে পেয়েছিঃ !@!7516]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18714 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18714 2006-09-10 02:35:53
[is=red]K খোলা আকাশের নিচে
জোৎস্নার আলো অাঁধারি আভায়
অনেক দিন পর গীটারটা হাতে নিলাম।
মনে হচ্ছে একশ বছর পার হয়ে গেছে।
তারগুলোতে মরিচা ধরে গেছে,
সাউন্ডহোলে বাসা বেঁধেছে আরশোলা,
টিউন হচ্ছে না
রিদমও মনে হচ্ছে ভুলে গেছি
ফিঙ্গারিংয়েরও একই অবস্থা
তার ওপর ছিঁড়ে গেছে তিন নম্বর তারটা।

বিষণ্ন মনে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি
মেঘেরা উড়ছে,
কখনো কখনো মেঘগুলো চাঁদটাকে আড়াল করে
পৃথিবীর বুকে অন্ধকার ঠেলে দিচ্ছে।
একটা তারা পশ্চিম থেকে পূর্ব আকাশের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
একফোঁটা দু'ফোঁটা করে
মেঘগুলো বৃষ্টি হয়ে মাটিতে পড়ছে।
ঝিঝি পোকা লাগামহীনভাবে ডাকছে
সব মিলিয়ে অসাধারণ মনে হচ্ছে সময়টা।
কিন্তু - একটা শূন্যতা অাঁকড়ে ধরে আছে আমাকে,
মনের আকাশে নেমেছে বিষাদের ছায়া
আমি একা, বড় একা।
তাইতো কল্পনার প্রিয়াকে সারাক্ষণ ভাবি
অবচেতন মনে তাকে নিয়ে
সমুদ্র স্নানে নামি।
বৃষ্টিতে ভিজি আর ঘাস ফড়িংয়ের পিছু নেই
খোলা আকাশের নিচে প্রিয়ার কোলে
ক্লান্ত দেহ রেখে ঘুমিয়ে পড়ি,
ভোর রাতে তার চুড়ির রিনিঝিনি শব্দে
বুঝতে পাড়ি সকাল হয়েছে।
আর ভাবি, নদী কি নারীর মতো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18516 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18516 2006-09-07 02:44:11
জুতা আর চশমা অন্ধদের পথ দেখাবে
[link|http://www.polyu.edu.hk|nsKs cwj]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18446 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18446 2006-09-06 02:00:11
লাশ হয়ে 6 শান্তিরক্ষীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

ছবিঃ রফিকুর রহমান, রয়টার্স

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18356 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18356 2006-09-04 11:31:34
সবুজ সবুজ ছবি দুটি


সেল ফোন দিয়ে ধারণকৃত ছবি দুটো একটু আগে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ওর কাছ থেকে আমার হস্তগত হয়েছে এবং ওর অনুমতি সাপেক্ষে ব্লগে মেরে দিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18280 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18280 2006-09-03 12:43:49
বর্তমান বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানব নেপালের 14 বছরের কিশোর খগেন্দ্র থাপা মাগার
নেপালের 14 বছর বয়সী কিশোর খগেন্দ্র থাপা মাগার উচ্চতা র দিক দিয়ে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মানুষ। অবাক ব্যাপার হল তার উচ্চতা মাত্র 20 ইঞ্চি বা 50 সেন্টিমিটার। খগেন্দ্রর ওজন মাত্র 4.50 কিলোগ্রাম বা 10 পাউন্ড।

[link|http://www.guinnessworldrecords.com|wM]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18262 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18262 2006-09-03 06:46:38
কি চমেৎকার অভিনয়! ম্যাডামঃ যতই অভিনয় করি না ক্যেন, কাটুম না। বিশ্বের 33 তম শক্তিশালী নারী বইল্ল্যা এইহানে ক্ষ্যেমতার অপব্যবহার করবার পারূম না। জান গেলে না। মাণতো অলরেডি নাইক্যা।




ছবিঃ wbD GR|]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18119 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18119 2006-09-02 07:04:26
মার্কিন সাময়িকী ফর্বস এর দৃষ্টিতে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান নারী জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল; বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বেগম খলেদা জিয়া 33তম
গ ত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় অর্থনৈতিক ম্যাগাজিন ফর্বসের সাম্প্রতিক জরিপে এ তথ্য প্রকাশ করেছে এবং বিশ্বের একশ প্রভাবশালী নারীর একটি তালিকা উপস্থাপন করছে। [গাঢ়]রাজনীতি, অর্থনৈতিক প্রভাব বলয় ও সংবাদ মাধ্যমে উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ফর্বস এ তালিকা প্রকাশ করেছে।[/গাঢ়]

প্রথম স্থানে রয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিৎসা রাইস। তৃতীয় চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট উই ই। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত পেপসিকোর প্রধান ইন্দ্রা নুয়ি। ভারতের কংগ্রেসপ্রধান সোনিয়া গান্ধী হয়েছেন 13তম। 2004-এ একই জরিপে যিনি ছিলেন 3য়। 14 তম স্থানে আছেন আমেরিকার টকশোর উপস্থাপিকা ওপরাহ উইনফ্রেএবং 16 তম স্থানে বিশ্বের শীর্ষ ধনী বিল গেটস এরস্ত্রী মেলিন্ডা গেটস। আগের 26 তম স্থান থেকে উঠে 18 তম স্থান দখল করেছেন মার্কিন সিনেটর হিলারী ক্লিনটন। রানী এলিজাবেথ-2 ও জর্ডানের রানী রানিয়া রয়েছেন যথাক্রমে 46 ও 81তম অবস্থানে।

উল্লেখ্য এর আগের জরিপে প্রথম স্থান দখলকারিনী যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিৎসা রাইসকে পেছনে ফেলে বর্তমান জরিপে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল শীর্ষস্থান দখল করেছে।

বিস্তারিত জানার জন্য ক্লিক করূনঃ
!@!7280]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18077 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/18077 2006-09-02 01:23:40
ফিরে আসুক সবার জনপ্রিয় চ্যানেল একুশে টেলিভিশন
ছবিঃ পাভেল রহমান, এসোসিয়েট প্রেস]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17815 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17815 2006-08-29 09:45:11
মাইক্রোচিপ জগতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এল এমর্যাম
এমপিথ্রি প্লেয়ার ও পামটপ কম্পিউটারের মতো ছোটখাটো ইলেকট্রনিক যন্ত্রে এটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

বাণিজ্যিকভাবে [link|http://www.freescale.com|wd]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17774 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17774 2006-08-29 03:19:47
কি চমেৎকার দ্যেখা গেল!


সূত্রঃ আজকের কাগজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17632 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17632 2006-08-27 06:12:39
যৌনাকাঙ্খাই অসহনীয় মাথাব্যথার কারণ
সম্প্রতি [link|http://www1.wfubmc.edu/school|I]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17590 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17590 2006-08-26 17:31:14
আজ আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 30তম মৃতু্যবার্ষিকী
মাত্র 22 বছরের সাহিত্য জীবনে তিনি অসংখ্য ছড়া, কবিতা, গান, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও নাটক রচনার পাশাপাশি বেশ কিছু পত্রিকারও সমপাদনা করেছেন। বাংলা সাহিত্যে কবি নজরুল ইসলামই প্রথম প্রেম ও দ্রোহের সম্মিলন ঘটান। বাংলা কাব্যকে সমপৃক্ত করেন সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে। পরাধীন শৃগ্ধখলিত জাতির স্বাধীনতার সপৃহাকে জাগ্রত করতে তিনি বিদ্রোহের গান শুনিয়েছেন। বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্যের অহংবোধকে জাগিয়ে তুলতে লেখনী দিয়ে বাজিয়েছেন প্রেমের মোহন বাঁশি। তিনি ছিলেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সার্বজনীন মুক্তি ও মানবতার মহৃর্তপ্রতীক। আমাদের রণসঙ্গীত 'চল্ চল্ চল্'-এর রচয়িতা তিনি।

আজ মৃতু্যবার্ষিকীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে এই কালজয়ী কবিকে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে চিরশায়িত কবির সমাধি। দিবসটি পালনে ঢাকাসহ দেশব্যাপী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিবসটি পালনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়া রেডিও টেলিভিশন কবির মৃতু্যবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 30তম মৃতু্যবার্ষিকী তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি।

অনলাইনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে কয়েকটি তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েব সাইটঃ
http://www.nazrul.org
http://www.nazrulsena.org
http://banglapedia.search.com.bd/HT/I_0109.htm
http://en.wikipedia.org/wiki/Nazrul_islam
http://www.banglarglimpse.com/ni.htm]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17588 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17588 2006-08-26 16:45:03
সুন্দর একটি ছবি http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17457 http://www.somewhereinblog.net/blog/habibmohazan/17457 2006-08-25 09:58:20