এমন একটা দিনের কথা বিবেচনা করি। যখন রাত বলে কোন কথা থাকবে না। অন্ধকার থাকবে না কোথাও। শুধু আলো আর আলো।
বর্তমান বিশ্বে চারিদিকে শুধু বিজ্ঞানের জয় জয় কার।
কতকিছুই আবিস্কার হচ্ছে। নবায়ন যুক্ত জ্বালানী। সোলার পাওয়ার, বায়োগ্যাস, উইন্ড জেনারেটর। আরো কত কিছু।
শহরাঞ্চলে নগর আলোকিত করতে। হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন।
যোগাযোগ ব্যাবস্থা স্থাপনের জন্য আমরা আমাদের পৃথিবীর কক্ষ পথে স্থাপন করেছি বৃহৎ বৃহৎ স্যাটেলাইট। টেলিস্কোপ সহ আরো কত গোয়েন্দা প্রযুক্তি।
কিন্তু বর্তমান বিশ্ব ব্যাবস্থায় প্রয়োজন আলো আর শক্তি। চাই রাতের বেলাও পর্যাপ্ত আলো।
তাই আমার এক যুগান্তকারী আবিস্কার ব্লগারদের সামনে উপস্থাপন করলাম। যা দেশ বিদেশের গবেষকদের কাজে লাগবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
যদি ঢাকার আকাশে মহাকাশ বরাবর মহাশুন্যে স্যাটেলাইটের অনুকরনে একটি বৃহৎ টর্চ লাইট স্থাপন করি। এবং তা যদি রাতের বেলায় সারা ঢাকা মহানগরী আলোকিত করে। তাতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এবং ধীরে ধীরে সারাদেশের সব নগরে প্যারালাল প্রতিফলন স্থাপন করে । এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখি।
শুরুতে নাসা অথবা জাপানের সাথে যোগাযোগ করে আমাদের একখানা টর্চলাইট মহাকাশে পরিক্ষামূলক প্রেরন করার ব্যাবস্থা করি। আমার মনে হয় সব পরাশক্তি আমাদের বন্ধু হওয়ায় কেউ না করতে পারবে না। কারন একটি টর্চলাইট। তাদের ও কাজে লাগতে পারে। এবং যদি এই পরিকল্পনা সফলতার মুখ দেখে তাহলে আমার এই প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যান্য দেশে কাজে লাগতে পারে। এবং আমাকে এই আবিস্কারের পেটেন্ট দিতে হবে। কারন টর্চের আয়তন ওজন খুব হাল্কা হবে কিন্তু আলো দিবে অনেক বেশী।
এই টর্চ লাইট আমাদের লোডশেডিং হইতে চির মুক্তি দিবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



