আমার প্রিয় পোস্ট

কাঙাল জানিয়া বাবা দিও দরিশন, অধম জানিয়া বাবা দিও দরিশন.....

ভারতীয় পন্য বর্জন করা শুরু করি।

১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

শেয়ারঃ
0 2 0

টিপাই মুখ বাধ বর্তমান প্রজন্ম হতে দেবে না। যদি গনমানূষের দাবী উপেক্ষা করে ভারত টিপাই মুখ বাধ সম্পন্ন করে তাহলে আমরা বর্তমান প্রজন্ম একটা একটা করে সব ভারতীয় পন্য রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিব।

তাদের এমন দাগ বসাবো চির জীবনের জন্য ভারত বাংলাদেশী বাঙ্গালীদের মনে রাখবে।

এখন এমন এক পৃথিবীতে আমরা প্রতিবাদ করবো । যা বৃটিশ ষ্টাইল বা পাকিস্থান ষ্টাইল নয়। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমরা যদি হই ১৪কোটি তাহলে দেশের বাইরে প্রবাসী বাঙ্গালী বাংলাদেশী আরো অনেক শক্তিশালী। সারা পৃথিবীতে এক ইন্টারনেটের গুনে আমরা বাঙ্গালীরা ঐক্যবদ্ধ হবো এবং তাদের এই সিদ্ধান্ত কে ঘৃনা করতে শিখবো।

মনে রাখা দরকার সারা পৃথিবীতে তাদের পন্য আমরা বাংলাদেশীরা কিনবো না।

আমাদের নদীর পানি একতরফা ভাবে যে সব দেশ উজানে প্রত্যাহার করবে তাদের কে আমরা দেশের শত্রু হিসাবে চিন্হিত করবো।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
কিরিটি রায় বলেছেন: ------তাদের এমন দাগ বসাবো চির জীবনের জন্য ভারত বাংলাদেশী বাঙ্গালীদের মনে রাখবে।

এখন এমন এক পৃথিবীতে আমরা প্রতিবাদ করবো । যা বৃটিশ ষ্টাইল বা পাকিস্থান ষ্টাইল নয়। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমরা যদি হই ১৪কোটি তাহলে দেশের বাইরে প্রবাসী বাঙ্গালী বাংলাদেশী আরো অনেক শক্তিশালী। সারা পৃথিবীতে এক ইন্টারনেটের গুনে আমরা বাঙ্গালীরা ঐক্যবদ্ধ হবো ----------------------------

সহমত।
শুরু হোক আজ থেকেই....এখন থেকেই..
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ । আমারটা শুরু হইয়াছে। তবে তালিকা তৈরী করা দরকার।

১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ এখন থেকে বর্জন শুরু।

৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
ফালতু মিয়া বলেছেন: সরকারকে আগে পদক্ষেপ নিতে হবে। এজন্য দরকার সৎ সাহস। সেই সাহস কি এই সরকারের আছে? ভারতের পা চেটে চেটে তো হয়রান মন্ত্রী এমপিরা। দেশপ্রেম তো নেইই উপরন্তু তাদের আত্ন সম্মান বোধও গিয়েছে।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: সরকারের সিদ্ধান্তের দরকার নেই। সময়ের সাহসী সন্তানেরা ঐক্যবদ্ধ হোন এখন থেকে। পন্য বর্জন শুরু করুন।

৪. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯
শফিক আসাদ বলেছেন: স্পিরিট-টাকে স্যালুট।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ।ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরী। পৃথিবীতে আমরা একা নই।

৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: পন্য বর্জন কতটুকু কার্যকর, প্রতিরোধ হিসেবে ?
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: পন্য বর্জন ওষধের মতো কাজে দেবে। কারন এই খানে মার খেলে বা তার দেশের কোম্পানী লোকসান দিলে কার স্বার্থে এই ব্যারেজ। বিদ্যুৎ দিয়ে কি কলা বানাবে।

৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কতটুকু পারবো জানি না তবে, শফিক আসাদ বলেছেন: স্পিরিট-টাকে স্যালুট।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: পন্য কিনার আগে শুধু তার দেশের নাম জানিয়া লইবেন। ভারতীয় পন্য হইলে না।

৭. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
প্রজন্ম বলেছেন: আজকে সকালে উঠে বিষয়টা নিয়ে ভাবছিলাম, সামনে থেক ভারতীয় পন্য ব্যবহার বন্ধ।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: সবার সহযোগিতা আর সচেতনতা জরুরী। ভারতের বাড়াবাড়ী এই কারনে বন্ধ হইয়া যাবে। আমরা দেশী পন্য প্রয়োজনে বেশী দাম দিয়ে কিনবো।

৮. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬
কিরিটি রায় বলেছেন: লেখক বলেছেন: সরকারের সিদ্ধান্তের দরকার নেই। সময়ের সাহসী সন্তানেরা ঐক্যবদ্ধ হোন এখন থেকে। পন্য বর্জন শুরু করুন

একমত। কারণ সবসময় বানিজ্য হল বড় নিয়ন্তা। ভারত এত লাফায় এই দেশের মানুষের বানিজ্যের লোভেই। আমি আপনি ব্লেড টুথপেষ্ট থেকে শুরু করে বিন্দু বিন্দু টাকায় তার যে মহাসন্ধু ভরে দিচ্ছি তাতেই তাদের বাগারম্বর!!!

দিন না ট্যাপটা বন্ধ করে!ফোটা ফোটা জলধারা বন্ধ করে... লাভের লোভের সিন্ধু আপনাতেই শুকিয়ে যাবে।


তারা যদি ভারতীয় লক্কড় জক্কড় গাড়ীতে চড়ে চেতনায় দৃঢ় হতে পারে। স্বদেশী পণ্যের জন্য তাদের ভারতীয় জাতীয়তাবাদ পোক্ত হতে পারে...তবে আপনার, আমার আমাদেরটা কেন নয়????


এতো শুধুই সিদ্ধান্ত আর চেতনার ব্যাপার।

আমার আমিরে যখন করিব মহান
তখন ভয় আর কারে.. বন্দুক বা কামান!!
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ

৯. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: আমিও শুরু করলাম। নিজে শুরু করুন আর প্রচার করুন। দারুন আইডিয়া।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সবার সচেতনতা জরুরী।

১০. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষ বরাবর বিনীত অনুরোধ। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ।
১১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
রাতেরপথিক বলেছেন: শুধু তাই নয় সবার আগে আমাদের ভারতীয় চ্যানেল বর্জন করা উচিত।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: এয়ার ইন্ডিয়া থেকে শুরু করে ভিজিট বা চিকিৎসা যা কিছু সব কিছু বর্জন করতে হবে।

১২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
সাইলেন্সার বলেছেন:

ভারতের সস্তা ও নিম্নমানের পণ্যের জন্য এদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। আমরা খুব সহজেই ভারতীয় পণ্য বর্জন করে দেশি পণ্য ব্যবহার করে দেশীয় শিল্পকে বাঁচাতে পারি।

প্রতিদিন সড়ক ও বিমানপথে অসংখ্য বাংলাদেশী ভারতে যান। কেউ চিকিৎসার জন্য, কেউ বেড়াতে আবার কেউ ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে। ফলে দেশের একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ভারতে পাচার হচ্ছে।

আমরা একটু চেষ্টা করলেই আমাদের এই ভারত প্রীতি বন্ধ করতে পারি।
১৪. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯
ফালতু মিয়া বলেছেন: শুধু পণ্য বর্জন করে হবে না এটা একটা মামুলী ব্যাপার হয়ে যায়। দরকার যেমন কুকুর তেমন মুগুড়।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: দেশীয় পন্য কিনে হও ধন্য। আমরা এই পর্যায় থেকে শুরু করতে পারি। শক্তিশালী অর্থনীতির ভীত দেশের প্রতি জাতীয়তাবোধ না থাকলে কিছুতেই সম্ভব নয়।

১৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
কিসলু বলেছেন: সরকার কিছুই করবে না । সরকার যারা চালায় , তাদের সে সাহস নেই । আবার কারো কারো কাছে , বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার চাইতে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করা জরুরী , কারন তারা ভারতের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে । তাই তাদের মুখ বন্ধ । যা করার বাংলাদেশের জনগনকেই করতে হবে ।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: এখন মানূষকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে অনেক কিছু দেখানোর প্রয়োজন পড়ে না। আমরা বর্তমান প্রজন্ম যেমন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই আবার ভারতীয় নদী নীতির পরিবর্তন চাই।

১৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: আলু, পিয়াজ, চাল, ডাল, চিনি ইত্যাদি কতগুলো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বর্জন করা হয়ত সম্ভব হবে না। দির্ঘদিন ধরে ভারত আমাদের বাজার শাসন করছে, এখন হঠাৎ করে সব পন্য বর্জন করা সম্ভব হবে না।

বিলাসী পন্য এখনই শুরু করা যেতে পারে। ভারতীয় পন্যের তালিকার সাথে বিকল্প দেশী/অন্য সহজ লভ্য পন্যের তালিকা তৈরী করতে হবে।

যেমন :
কোলগেট না .......... পেপসোডেন্ট হ্যাঁ। এভাবে তালিকা তৈরী হোক।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে দ্বিমত, মানূষ না ঠেকলে শিখে না। আমরা এতোদিন তাদের বন্ধু ভেবেছি। তবে সেই দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীতে আমাদের বন্ধুর অভাব নেই। কিউবার দিকে একবার চেয়ে দেখুন। এতো নিষেধাজ্ঞা সত্বেও তাদের অর্থনীতি। আমরা পারবো না কেন। আমাদের আছে সুদীর্ঘ ত্যাগের ইতিহাস। এখন আমরা পাল্টাবো। পাল্টাবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি।

১৭. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
কিরিটি রায় বলেছেন: কিসলু বলেছেন: যা করার বাংলাদেশের জনগনকেই করতে হবে ।

আপনাকে, আমাকে, আমাদেরকে।

আমরা শক্তি আমরা বল
আমরা জনগনের দল
মোদের পায়ের তলায়
মুর্ছে শাসন ক্ষমতা আর দেশ বদল।।
আমরা জনগণের দল।

১৮. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
সাইলেন্সার বলেছেন:

যারা ভাবছেন শুধু পণ্য বর্জন করে কী লাভ হবে, তারা আসলে ভুলের স্বর্গে বসবাস করছেন।
ভারতীয় পণ্যে আমাদের বাজার সয়লাব, আমরা ভারতের অন্যতম বড় বাজার।
পরিসংখ্যান দিতে পারছি না, তবে এতটুকু বলতে পারি, শুধু ভারতীয় পণ্য বর্জন করেই আমরা ভারতকে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারি।
১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: উপলব্ধির জন্য ধন্যবাদ। আমাদের বেঁচে থাকার তাগিদে যতরকমের পন্থা আছে সব অবলম্বন করতে হবে। পন্য বর্জন সর্ব্বোত্তম পন্থা।

২০. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১
বিবেক হীন বলেছেন: আপনাদের সবার সাথে আমিও শামিল। আজ থেকে ভারতীয় পন্য বাদ। এমনকি, ভারতীয় সিনেমা, গান, সিরিয়ালও বাদ।
১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: আসলেই সব কিছু বাদ দিতে হবে ওদের আর ছেড়ে কথা বলা যাবে না।

২১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: নাগরিক হিসাবে দেশী পন্য ব্যবহার করা আমাদের দায়িত্ব। শুধু টিপাইমুখকে সামনে রেখে নয়, শুধু ভারতীয় পণ্য কেন সব বিদেশী পন্য বর্জন করে দেশের শিল্পকে সুসংহত করা আমাদের কর্ত্বব্য। ক্ষেত্র বিশেষে অপারগতা আছে। আমদের দেশে যে ডাল উৎপন্ন হয় তা দিয়ে ২-৩ মাসের বেশী চলে না, এরকম আরও কিছু পন্য আছে যার বিকল্প নেই। কিছু পন্যতে মেড ইন লেখার কোন সুযোগ নাই কাজেই এগুলো ভারতীয় না দেশী নাকি অন্য দেশী তাও বোঝা যাবে না।

তবে এই মুহুর্তে সর্বতভাবে ভারতীয় পন্য বর্জন করতে পারলে ভাল। তাদেরকে একটা মেসেজ দেওয়া যাবে যে আমারা তোমাদের বিপক্ষে দাড়িয়েছি। টিপাইমুখ বাঁধ বাতিল কর।
২৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
লুথা বলেছেন: কিছু কথা কই...

আমাদের নিজেদের কি ভারতীয় পণ্য বর্জনের মানসিকতা আছে ? দিনের পর দিন আমরা ভারতীয় টিভি চানেল দেখতেছি কিন্তু আপনি কলকাতায় যান, একটা বাংলাদেশী চানেল খুজে পাবেন না... কারন ?? আমি তো মনে করি আমাদের দোষ...কারন আজকে আমরা যদি সব ভারতীয় চানেল বর্জন করে বন্ধ করে দেই, কালকে বাপ-বাপ করে সব বাংলাদেশ চানেল দেখাবে ভারতে...কারন এই দেশে তাদের অনেক দর্শক আছে... আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়া তে মানুষ বাংলাদেশী চানেল দেখে কিন্তু ভারতে কোন চানেল নাই...

সবার আগে সব কেবল অপারেটরকে বাধ্য করা হোক ভারতীয় চানেল বন্ধ করতে...দেখেন ৭ দিনে দাদা'রা কেমনে সোজা হয়...

শক্তের ভক্ত, নরমের যম... আজকে বিলাই মারকা নেচারের জন্য ইসরায়েল অনেক আরব দেশকে পুঙ্গি মারতে পারে কিন্তু ইরানকে পারে না, কেন ??? আসেন আমরাও ভারতকে বিভিন্নভাবে এমন ছোট-ছোট বাপারে পুঙ্গি মারা শুরু করি, "বিন্দু থেকেই সিন্ধু" হয়...
১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: জাতীয়তাবাদের চেতনায় অল্প অল্প করে বর্জন করতে নিজেকে অভ্যাস্ত করে তুলি। নিজেকে সব ধরনের অব্স্থার জন্য প্রস্তুত রাখি।
সব মিডিয়ায় এক সাথে এক প্রশ্নে আওয়াজ তুলি। সচেতনতার কোন বিকল্প নাই। টিভি চ্যানেল প্রশ্নে আমাদের পরিবারের সবাইকে বুঝাতে চেষ্টা করি। তারা আমাদের কি ক্ষতি করতে চেষ্টা করছে। আমাদের অপ সংস্কৃতিদিকে ধাবিত করছে এই ইন্ডিয়া চ্যানেল। সবাইকে এই এক প্রশ্নে ঐক্যব্দ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

২৪. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
দিনযাপন বলেছেন: চেতনার সাথে একমত।কিন্তু সেটা ভারতীয় বা বিদেশী পন্য বর্জন নয়,দেশীয় শিল্প ব্যবহারের আন্দোলন হলে আর ও ভাল হয়।

দেশকে,দেশীয় শিল্পকে ভালবাসলে কোন কিছু বর্জন করতে হবেনা;দেশীয় শিল্প ব্যবহারে আর একটু অনুভুতি প্রবন হলেই হবে।
কাউকে ঘৃণা করে নয়,নিজের দেশকে ভালবেসেই এই অন্যায়ের প‌্রতিবাদ সম্ভব।
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: দেশী পন্য কিনে হও ধন্য।

২৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
কৌশিক বলেছেন: একমত। থাউজেন্ডস টাইম একমত।
২৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
কিরিটি রায় বলেছেন: লেখক বলেছেন: দেশীয় পন্য কিনে হও ধন্য। আমরা এই পর্যায় থেকে শুরু করতে পারি। শক্তিশালী অর্থনীতির ভীত দেশের প্রতি জাতীয়তাবোধ না থাকলে কিছুতেই সম্ভব নয়।


সবার ভেতর জাগতে হবে এই চেতনা। তবেই সম্ভব।
২৭. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাইলে খাওন দাওন বন্ধ কইরা দিতে হইবো। অখনতো দেশী জিনিসের চাইতে ইন্ডিয়ান জিনিসের দাম কম!

অখন না খাইয়া থাকুম কেমনে এইডাই চিন্তায় আছি!
২৮. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:০০
সরকার সেলিম বলেছেন: তাদের এমন দাগ বসাবো চির জীবনের জন্য ভারত বাংলাদেশী বাঙ্গালীদের মনে রাখবে। দরুন বেশ...সহমত
২৯. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৪
বিডি আইডল বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাইলে খাওন দাওন বন্ধ কইরা দিতে হইবো। অখনতো দেশী জিনিসের চাইতে ইন্ডিয়ান জিনিসের দাম কম!

অখন না খাইয়া থাকুম কেমনে এইডাই চিন্তায় আছি!

বাংলাদেশে খাওন দাওন নাই তো কি আর করবেন...

বাংলীর ত্যাগের ইতিহাস বেশির ভাগই গালভরা বুলি....দোকানে গেলে সবাই বাংলাদেশী বাদ দিয়া ইন্ডিয়ান জিনিষই খুজে...

পোষ্টে ++
৩১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৯
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: ভাইরে দুবাইতে ভারতীয় পণ্যে বন্ধের কথা আমি চিন্তাও করতে পারব না। এইখানকার রাস্তার ধুলা থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত ভারতীয়।


তবে পোষ্ট হাজারবার সহমত।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: পন্য বর্জন করতে না পারলে মন থেকে ঘৃনা করবো। সহমতের জন্য ধন্যবাদ।

৩২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৭
নাজনীন১ বলেছেন: শুধু ভারতেরই নয়, সকল বিদেশী পণ্য, যেগুলো অপ্রয়োজনীয় সেগুলো আমরা অনায়াসেই বর্জন করতে পারি সবসময়ের জন্যই, এ চেতনা আমাদের সবার ভিতরে আসা উচিত। ভারতীয়দের দেশপ্রেম আর কৃচ্ছতা সাধন দেখলে অবাক হতে হয়, আমাদের গরীব দেশে যত বিলাসিতা। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৩৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪২
অ্যামাটার বলেছেন: টিপাইমুখ নিয়ে যে যত কথাই বলুক না কেন, আমার বিশ্বাস, সিঙ্ঘভাগই গড্ডালিকায় গা ভাঁসানো এবং অজ্ঞতা প্রসুত। অনেস্ট স্পিকিং, ক্ষতি হবে রব উঠেছে চারিদিকে, কিন্তু সত্যিই ঠাহর করতে পারছি না কিভাবে? ব্লগার দিনমজুরের পোষ্টটা পুঙ্খানুপুঙ্খ পড়েও বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে ওঠেনি!
এমনকি পানি বিশেষজ্ঞ ড.আইনুন নিশাত বলেছেন, ড্যাম নির্মানে শুষ্ক মৌসুমেই ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্ল প্লাবিত হবে!

এ'সব তো গেলো সাইন্টেফিক দিক। রাজনৈতিক দিকটাও আরও তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ ভারতকে কিভাবে রুখবে? সামরিক শক্তি প্রয়োগ করবে??
সুতরাং "সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ"-এর পূর্ব শর্ত হল জনগণের কাছে আগে পুরো বিষয়টা পরিষ্কার করা, তাদের অন্ধকারে রেখে আর কইছুই করা সম্ভব হবে না কেবল স্হানীয় রাজনৈতিক ফায়দা লুটা ছাড়া।

যা হোক, ভাবছি, একটা পোষ্ট দিয়ে কিছু বাহাস করব।
৩৪. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৩
লুকার বলেছেন:

একমত। এখনই তালিকা করেন। ভারতীয় পণ্য (১০হাজারের বেশী), কোম্পানী, এখানে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী (৩ লাখের বেশী) যারা আছে।
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: সরকার শক্ত হাতে হাল ধরলে সবাই আপোষে সরে যাবে। তবে সংখ্যায় এতো বেশী নয়। ভারতীয় পন্যে রাজস্ব বাড়াতে হবে। আর চোরাকারবারীদের ধরতে হবে। কারন তাদের পন্য যদি চোরাপথে না আসতো তাহলে যে দাম পড়তো তাতে কেউ কিনতো না। রাস্ট্রীয় ভাবে ভারত চোরাকারবারীদের প্রশ্রয় দিয়ে থাকে।

৩৫. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: আসাধারন আইডিয়া|

শুরু করুন আজ থেকে এব; প্রচারও করুন|

১৪ কোটি মানুষ যদি ভারতীয় পণ্য বর্জন করে তাহলে ভারতের দশাটা কী হবে ভেবে দেখুন| ১ বছরের ভারতীয় লোকসান, হাজারটা বাঁধের চেয়ে বেশী হবে| দেশকে ভালবেসে একটু না হয় কষ্ট করলাম|

মনে পড়ে, ভারত যখন পারমানবিক পরীক্ষা চালায় তখন আমেরিকা পাকিস্তানকে খুব চাপ দেয় যাতে পাল্টা পারমানবিক পরীক্ষা না চালায়|

নেওয়াজ শরীফকে ডেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, পারমানবিক পরীক্ষা না চালালে বিলিয়ন ডলার সাহায্য বাড়িয়ে দেয়া হবে আর কথা না শুনলে এক ডলারও সাহায্য দেওয়া হবে না|

হোয়াইট হাইজ থেকে দেশে ফিরে নওয়াজ শরীফ জনগণের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, পাকিস্তানের মানুষ না খেয়ে থাকলে আমার ছেলে মেয়েরাও না খেয়ে থাকবে|ভারতকে উচিত জবাব দেয়া হবে|
পর দিনই পাকিস্তান পারমানবিক পরীক্ষা চালায়| নওয়াজ জানতেন তার ক্ষমতা যাবে, জানও যেতে পারে, জনগণ উপাসও থাকবে তার পরও তিনি সে সিদ্বাণ্ত নিয়েছিলেন|

আমি পাকিস্তান বা তার রাজনিতীবিদদের ভক্ত নই|
তবে সে সময় নওয়াজ শরীফের সিদ্বান্ত দেখে মনে হয়ছিল বীরের সিদ্বান্ত|

আমি নিশ্চিন্ত আমার দেশে কোন নেতা নাই যে ভারত-আমেরিকার রক্ত চক্ষু ভয় পায় না|

আসুন আমি-আপনি নেতা হই নিজ নিজ পরিবারের, আজ থেকে বর্জন করি ভারতীয় পণ্য|


১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ হেলায় ফেলায় আমাদের বাজার ভারতীয়দের হাতে তুলে দেয়া যাবে না। এখনি প্রতিনোধের মক্ষ সময়।

৩৬. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৯
লুকার বলেছেন:

শুধু চোরাচালান না, বিধিবদ্ধ অনুমোদন নিয়েও নানা কৌশলে সারা দেশের বাজার দখল করে ফেলেছে তারা। ভারত বাংলাদেশ দখল করবে বলে যারা চিল্লায় তারা কত বড় আহম্মক। কোন দু:খে তারা ১৪কোটি মানুষের খাওয়া পড়ার দায়িত্ব নেবে? যেখানে একটা বিশাল বাজার তারা তারা হাত করে ফেলেছে। এখন দখল বলতে ভৌগলিক দখল না, বরং বাজার ও সম্পদ (যদি থাকে, যেমন আফ্রিকায়) দখলই বুঝায়।
১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আমি একমত । দেশীয় পন্যের বাজার সৃষ্টি করতে হবে তাকে অগ্রাধীকার দিতে হবে।

৩৭. ১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
মতলববাজ বলেছেন: পন্যের আগে ওগো চ্যানেল বাদ দিতে হবে
১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: তার জন্য কোয়াব আগাইয়া আসলে হবে।যেহেতু তাগো দেশে আমাদের চ্যানেল নাই তাই আমরা ওদের চ্যানেল বন্ধ করার ঘোষনা দিব।

৩৮. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনার পোস্ট সোজা প্রিয়তে।

দেশের অনেক মানুষের টাকা ভারতে ব্যাংকে থাকে। সেটা ফেরত আনার জন্য উদ্বুদ্ব করতে হবে।

যেই গৃহিনীরা বাসায় সারাদিন হিন্দী চ্যানেল দেখে, সেই চ্যানেল বন্ধ করে দিলে আমার মনে হয় না উনারা এর প্রতিবাদে মিছিলে নামবেন।খেক খেক। সবাই মেনে নিবে।

পোলাপান এমটিভি দেখে সারাদিন।কিন্তু, এসব বন্ধ করে দিলে এরা নিশ্চ্য়ই এমটিভির জন্য রাস্তায় নামবে না।


হিন্দী চ্যানেল্গুলা বাদ দিলে মানুষ দেশী চ্যানেল দেখা শুরু করবে। তখন, দেশী চ্যানেল থেকে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আরও জোরদার প্রচারণা চালাতে হবে।


যত সময় লাগে লাগুক, যখনই সফল হব, তখনই আবার দেশে গর্জে উঠবে।

স্পিরিট টাকে সেল্যুট। সঠিক সময়ে সঠিক কথা বলেছেন।


আপাতত, যেগুলা বাদ দিয়ে শুরু করা যায়, সেগুলার একটা লিস্টি তৈরি করা যায়। আসেন সবাই মিলে আরেকটা পোস্টে বসি। সবার কাছে থেকে একটা প্রডাক্টের নাম চাওয়া হোক। আপনি যেহেতু প্রথম বললেন, সেহেতু আপনিই পোস্টটা দিয়ে শুরু করতে পারেন।


এইটা যদি কর্তৃপক্ষ স্টিকি করত খুব ভাল হত।

শুভকামনা রইল।
১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ । পণ্য তালিকা প্রস্তুত করতে একটু সময়ের প্রয়োজন। তার সাথে মূল্য এবং ওজন তুলে ধরা হবে।

৩৯. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনি ভাই একটা পোস্ট দেন। সেখানে সবার কাছে থেকে অন্তত একটা ভারতীয় পণ্যের নাম চান যেটা আপাতত আমরা বর্জন করতে পারি। চাল ডাল পরে আসবে।
স্পিরিটটা থাকতেই।
২০ জন কমেন্ট করলে ২০ টা পণ্যের নাম পাব। ঠিক না?
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ভারতীয় পণ্যে কিছুটা জটিলতাও আছে। কিছু বহুজাতিক কোম্পানী ভারতে বসে মার্কেটিং করে। তাদের কে আমি কোন ক্যাটাগরিতে ফেলবো। তাছাড়া ভারত চাল ডাল বাদে আর ভালো কোন কিছু আমাদের দেশে দেয় না। যেমন বাবা জরদা তা আসে চোরাই পথে। যেমন নাসির বিড়ি তাও আসে চোরাই পথে। ফেন্সিডিল সহ অন্যান্য নেশা জাতীয় উপকরন যা সব চোরাই পথে আসে। তাই ভাবছি !পোষ্ট দেয়ার আগে কয়েক টি খুছরা দোকানে পরিদর্শন করে যা দেখলাম তা সত্যিই ভয়াবহ।

৪০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: পোশাক, বিশেষ করে মেয়েদের।
৪১. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
লুকার বলেছেন:

অনেক পণ্য, যেগুলো মানুষ বাংলাদেশী বলে জানে, আসলে ভারতীয়।
ইন্ডিয়া কথাটা প্যাকিং এ বা এ্যাডে লেখে না বা পরিষ্কার করে বলে না।
১৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: দেশে অনেক অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে হবে। প্রয়োজনে ঘরে ঘরে শিল্প গড়ে তুলা হবে।

৪২. ১৭ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
ত্রিভুজ বলেছেন: ভারতীয় পণ্য বয়কট ও দেশী পণ্য ব্যবহার শুরুর বিষয়টা অনেক বেশী গুরুত্বের সাথে শুরু করা উচিত। সপ্তাহ খানেক আগেই ভারতীয় পণ্য বয়কট শুরু করেছি.. সবগুলো পণ্যের তালিকা এখনো পাইনি... চেষ্টা করছি দেশী পণ্য ব্যবহারের।
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: এই ভারতীয় পন্য প্রতারনার আরেক নাম। সিলেটে যে পন্য পাওয়া যায় কুড়িগ্রামে তা পাওয়া যায় না। চোরাকারবারীরা তাদের ব্যাবসা করার সূযোগ তৈরী করে দেয়।আর সরকার রাজস্ব প্রাপ্তি হইতে বঞ্চিত হয়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি কাঙ্গাল জানিয়া বাবা , একজনের দরিশনের অপেক্ষায় ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই