বড়ই জটিল একটি দেশ তার সথে মানূষ ও বড় জটিল। কেউ পায় কেউ পায় না। কেউ খায় কেউ খায় না। গরিবের আহার কেড়ে নেয় রাজনীতি।
যার যা পাবার তা সে পায় না। শুধু গরিবের সামনে বাহাদুরী।
ত্রাণ পাওয়া একজন গরীব মেহনতী মানূষের অধীকার। সে চাইবা মাত্র তাকে ত্রানের আওতায় আনা জরুরী। সে যে রাজনৈতিক দলের হোক অথবা যাকেই ভোট দিক।
তাতে তার ত্রানের আহার কেড়ে নেয়া কতটুকু সমীচিন। রাজিনৈতিক দলের লোকদের দিয়ে ত্রান বিতরনে বা তালিকা প্রণয়নে কি প্রমাণ হয়।
এই ফরমুলা কতটুকু যে কোন দলের জন্য ভালো।
কোন কোন ওয়ার্ডে বা গ্রামের গরীব আছে হাজার এর অধিক সেখানে ৩০/৪০ জনকে ত্রানের আওতায় আনলে কি লাভ।
সব চেয়ারম্যান মেম্বার বা রাজনৈতিক নেতা যে খারাপ বা সঠিক গরিবদের যে দেয় না তা কিন্তু ঠিক নয়।
তারা বদনাম কিনবে কেন। ৩০জনকে দিল ৩০০০ হাজার চেয়ে রইলো তারা কি আগামীতে ভোট দিবে। তবে কোন যুক্তিতে এই বিতরন।
সবচেয়ে আশ্চর্য লাগে চেয়ারম্যান বা মেম্বাররা কি খালি ত্রান বিতরনের জন্য নির্বাচিত হয়। সবাই যে চুরি করে তা কিন্তু নয়। এর মধ্যে অনেক সুনাম ধন্য চেয়ারম্যান মেম্বার কিন্তু আছেন। অনেক সময় গাটের টাকা ব্যায় করে বাজার থেকে কিনে দিতে ও দেখেছি। কিন্তু তারা তো স্থানীয় সরকারের অধীনে তারা কেন অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে এই ত্রান কার্য পরিচালনা করবে। চুরির বদনামের অধিকারী হবে।
ত্রান মন্ত্রনালয় কেন তাদের নিজস্ব ভাবে একটি গরিবের ডাটাবেজ করে না। চেয়াম্যান মেম্বারদের দিয়ে উন্নয়ন এবং অন্যান্য কাজ না করিয়ে তাদের উপর এই ত্রানের বোঝা দেয়া হয়।
প্রস্তাব সমূহ
একটি পুর্নাঙ্গডাটা বা ন্যাশনাল আইডি এখন নির্বাচন কমিশনে আছে।
তার সাথে আছে একটি শক্তিশালী ব্যাংক ব্যাবস্থাপনা।
কোন ওয়ার্ড বা কোন গ্রাম ক্ষতিগ্রস্থ বা ভিজিএফ কার্ডের দাবিদার কারা সেটা ঢাকা থেকে বসে বিতরন করা খুব কঠিন নয়। শুধু ত্রানের আওতায় যারা আসতে চায় তাদের আবেদন নিয়ে ওয়ার্ড বা গ্রাম ওয়ারী ন্যাশনাল আইডি দিয়ে তার গ্রাম বা ওয়ার্ড অনুযায়ী দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাংক কর্তৃক ত্রান বিতরন করা অনেক সহজ হবে।
শুধু আবেদনকারীর থাকতে হবে একটি ত্রান ব্যাংক হিসাব যা থেকে ব্যাংক কোন মুনাফা করতে পারবে না।
এই গরিবরা একটি পুরোদিন ইউপি ভবনে বা পৌর কার্যালয়ে ১০কেজি আর পাচ কেজির জন্য পুরোদিন বসে থেকে তার মুজুরী বা অন্যান্য আর্থিক ক্ষতি কতটুকু কাজে দেয় তা ভেবে দেখা জরুরী।
আমরা গরীবির সংখ্যা যদি কমাতে চাই তবে তাদের কাউকেই ত্রাণের আওতার বাহিরে রাখা যাবে না। যারা চায় তাদের কে অবশ্যই ত্রানের আওতায় আনতে হবে। যতদিন এই গরীব নিজ থেকে সরে না যায়।
তাতে সরকারের আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি সহ সামাজিক শৃংখলা ফিরে পাবে। এবং ধীরে ধীরে তারা কাজের প্রাণ ফিরে পাবে। এবং ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি সহ শিল্প বাণিজ্যের মাধ্যমে উপকৃত হবে।
আমি একটি আধুনিক ত্রান মন্ত্রনালয় দেখতে চাই যেখানে রাজনৈতিক দৈব শক্তি ছাড়াই গরিব মানূষ ত্রান পেতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


