স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অনেক দিন হলো। তিন যুগের অধিক স্বাধীনতায় বাংলাদেশের যা অর্জন তার চেয়ে বেশী পেয়েছি চাপাচাপি। স্বল্প আয়তনের এই দেশের মানূষ এবং তার ক্রয় ক্ষমতা অনেক বিদেশী রাষ্ট্রের কাছে লোভনীয় একটি বিষয়।
এই ছোট দেশটি কে টার্গেট করে অন্য অনেক দেশে গড়ে উঠেছে সস্তা নিম্নমানে পন্য নির্ভর শিল্প প্রতিষ্ঠান।
যা ঐ সব দেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে অনুদান এবং প্রশ্রয়ে গড়ে উঠে। কারন একটি দেশকে দূর্বল করতে হলে সেই দেশের আগামী ৫০ বছরের প্রজন্মকে দূর্বল ভিটামিন শুন্য ,লোভি , দুশ্চরিত্র মানবজাতী, গঠনে এই পুষ্টিহীনতা কাজে দেবে। যখন চিন্তাশক্তি থাকবে না তখন সুবিধা মতো দখল করে নেয়া যাবে একটি দেশ।
যেমন ভিটামিন নাই ফেন্সিডিলে, ভিটামিন নাই ১৩২ জরদায়, ভিটামিন নাই নাসির বিড়িতে। এই বেড়ে উঠা মানূষগুলি একধরনের প্রতিবন্ধি।
এই মানুষগুলোকে যদি ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কাজে লাগায় তাহলে আমাদের কি করার আছে। আমি একটি বিষয়ে অবগত যারা ফেন্সিডিল খায় তাদের দিয়ে যেকোন ধরনের অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব।
এখন বলি সেই ১৩ দিনের বন্ধুর কথা যারা আমাদের ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্ভর ভারতীয় সেনাবাহিনী মুক্তিবাহিনীকে সহায়তা করেছিল। তারা বুঝতে পেরেছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে। সেই সফলতা জালিয়াতি করে তাদের অর্জন হিসাবে সারা বিশ্বকে দেখাতে চেষ্টা করেছিল। যেমন আমেরিকা প্রথম বিতর্কিত চাদেঁর অভিযানের মতো।
এই উদ্দেশ্য বাংলাদেশীদের বুঝতে খুব বেশী সময় লাগেনি। কিন্তু তাদের আগ্রাসী মনোভাবের কোন পরিবর্তন হয়নি। তারা ধীরে ধীরে নিম্নমানের পন্য দিয়ে গোটা জাতিকে মোহিত করে এক নিল নকসার টিপাইমুখ বাধেঁর দিকে এগুচ্ছে যাতে সহায়তা দিচ্ছে তাদের বন্ধু ইসরাঈল এবং বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকা।
আমরা এমন এক সেনাবাহিনী গঠন করেছি যা তাদের চেয়ে অনেক উন্নত প্রশিক্ষন প্রাপ্ত এবং আধুনিক সমরাস্ত্রে সুসজ্জিত । যদি সুযোগ পাই সেই ১৩দিন কোন যুদ্ধ ক্ষেত্রে তাদের পক্ষে যুদ্ধ করে ফিরিয়ে দিতে চাই তাদের হিসাব।অথবা আমরা যেভাবে জাতিসংঘে উচ্চ বেতনে শান্তি রক্ষায় যাই সেই রকম তাদের ১৩ দিনের পুরো বেতন দিয়ে তাদের এই প্রতিদান পরিশোধ করতে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


