জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন সূদুর প্রসারী পরিকল্পনাবিদ। তিনি এই পদ্ধতি আবিস্কার করে বাস্তবায়ন শুরু করার পর বাংলাদেশের তখনকার সচেতন জনগণ এই বিষয়টি বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সন্দেহ দানা বেধে ছিল।
বাকশাল কেন প্রয়োজন , এখনতো বঙ্গবন্ধু নেই। কিন্তু বাকশাল কেন প্রয়োজন।
আপনার জানেন যে, চুরের ও সিন্ডিকেট আছে। তারা ও ঐক্যবদ্ধ।যারা দূর্নিতি করে সমাজের আমলা তারাও ঐক্যবদ্ধ। শুধু ঐক্য নেই রাজনীতিবিদের।
বাকশালের একটা উত্তম স্থান ছিল জাতীয় সংসদ। কিন্তু কেউ কেউ বাকশাল কার্যকর হয়ে যাবে এই জন্যে সংসদে যান না।
তখন ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ। সংক্ষেপে বাকশাল।
তার বাস্তবতা এবং উপকারীতা প্রথিবীর অনেক দেশে বাকশাল টাইপে তখন সরকার পরিচালনা হতো। ইরাক কিউবা গণচীন তার উদাহরন।
বঙ্গবন্ধু বাকশালকে সাময়িক ঘোষনা করার পর ও কুচক্রি মহল একে পুজি করে আওয়ামীলীগকে অনেক দিন ক্ষমতার বাহিরে রাখতে পেরেছে।
তার সাথে ঘুরে ফিরে এসেছে ভারত যুজু, তালপট্রি, সীমান্ত বাণিজ্য,অভিন্ন নদী, এবং ফারাক্কা বাঁধ। এই সমস্যার সমাধান বিগত কোন সরকার করতে পারেনি জাতীয় ঐক্যের অভাবের কারনে। জাতীয় ঐক্য থাকলে ভারত জুযু কেন আমেরিকা জুযু্ও কাজে আসবে না।
বঙ্গবন্ধু সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তখন জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনিয়তা নিয়ে মানূষ এত জটিল ভাবে ভাবেনি।
বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিংশ শতাব্দির মানূষ। তিনি অগ্রিম ৫০ বছর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পেরেছিলেন। আপনি বঙ্গবন্ধুর স্থানে হলে হয়তো ১০০বছর দেখতে পেতেন।
মানূষ কে অবিশ্বাস জন্মানোর কুচক্রি মহলটি সফলকাম হয়।
বাকশাল এখন বাস্তবতা। হয়তো আমাদের দু-নেত্রী একহতে পারবেন কিনা জানিনা। তারা ব্যাপারটি বুঝতে পেরেছেন।
হয়তো বাকশালের মতো এক আওয়ামীলীগ অথবা এক বিএনপি মানূষ সময় হলে বেছে নিবে। এবং ইতিহাসের প্রয়োজনে একটি দলকে বাকশাল কায়েমের জন্যে বেছে নিবে , অন্যদলকে ইতিহাসের আস্থাকূড়ে ফেলে দিবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


