সে , তার প্রভূত সঞ্চয় নিয়ে বসে ছিলো
অন্ধকারে .....
আর আমি একপাল বুনো হরিনের মতো দূরন্ত উচ্ছ্বাসে
জোৎস্না নিয়ে এলাম পেছনের দরোজা দিয়ে
তার হাতে ছিলো আদিম অন্ধকার
মাতৃজঠর কিংবা পূর্বপুরুষের সংকীর্ন পাপের মতোন
আমার পদযুগল ছিলো অবিন্যস্ত ......
যেই অবিন্যস্ততা তার কপোল ছুয়েঁছিলো
প্রভূত চুলের বন্যায় .......
আমাদের স্পর্শে জেগে উঠেছিলো অশ্বিনী তারকার দল
তুঙ্গভদ্রার তীরে গড়ে ওঠা নতুন সভ্যতার মতো –
তার বুকে লেগেছিলো আদিম ফুলের সৌরভ ....
আমি সেই সৌরভ ধরে হেটেঁ আসি রাইন , মিসিসিপি , নীলনদ আর
বসন্ত রোদের দেশ থেকে ........
অবশেষে রৌদ্রের আহ্বানে বুনো হরিনের দল উঠোন পেরোয় --
পূর্বপুরুষের আঙিনায় জমে সন্ধ্যার মেঘ
আর আমি চুপিচুপি পেছনের দরোজা খুলি সংকীর্ন ব্যস্ততায় .....
ফেলে আসা পদচিহ্নে তখন নতুন পাপের ভার ।।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



