আমার প্রিয় পোস্ট

আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে নিয়েছিলাম হাসপাতালে এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো...

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৭

শেয়ারঃ
0 13 0

ব্লগে হুমায়ুন আজাদকে নিয়ে কয়েকটি লেখা এবং ছবি দেখলাম। তাতে চোখে পড়লো সেই বিখ্যাত ছবিটিও। রক্তাত্ব হুমায়ুন আজাদকে জড়িয়ে ধরে আমি চিৎকার করছি। এটি আমার জীবনের এক স্মরনীয় ঘটনা।
আহত হওয়ার মাত্র ১১ মিনিটের মাথায় আমি হুমায়ুন আজাদকে নিয়ে গিয়েছিলাম হাসপাতালে। এজন্য আমাকে সিআইডি-পুলিশসহ নানাভাবে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল, অদ্ভুদ ব্যাপার হলো আজ পর্যন্ত হুমায়ুন আজাদের পরিবারের সদস্যরা খোঁজ নেয়নি কে সেই ছেলে যে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। এ নিয়ে অবশ্য আমার ক্ষোভও নেই। তবে এক ধরনের অভিমান আছে ওই পরিবারের লোকজনের ওপর।
প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি আর আগষ্ট এলেই ভাবি এবার সেই ঘটনা নিয়ে লিখবো। কিন্তু আলসেমিতে হয়ে ওঠে না। আমাদের অফিসের ফিচার সম্পাদক জাহিদ রেজা নূর কয়েকবার বলেছিলেন লিখতে। তাঁর কথায় একবার কিছুটা লিখেওছিলাম। কিন্তু শেষ আর করা হয়ে ওঠেনি নানা ব্যস্ততায়।
আজ মনে হচ্ছে ব্লগে শেয়ার করি সেদিনের ঘটনা। পাঠক বিষয়টি জানুক। আমি মুক্ত হই গণমাধ্যমে ইতিহাস চেপে রাখার দায় থেকে। কারন আমার পরিচিতরা ছাড়া সাধারন মানুষ ঘটনাটি জানে না। আজ তাদের জানাচ্ছি।

আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের (ডিইউএফএস) তুখোড় সদস্য। ক্লাস শেষ করেই কলা ভবন থেকে ছুটে যাই টিএসসিতে। সেখানেই আড্ডা, সেখান থেকে খেতে যাওয়া, আবার ফিরে আসা। রাতে এখান থেকে নয়টা সাড়ে নয়টা কখনো কখনো ১০ টায় হলে ফিরি।

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪। তখন শীতকাল। বইমেলা চলছে। টিএসসি জমজমাট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন একটি গানের উৎসব হবে। টিএসসির নিচে তার মহড়া চলছে। গিটারে গান। আমি বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সেই গান শুনছি।

রাত আটটা থেকে নয়টার মধ্যে। হঠাৎ একটি বোমা ফাটার মতো শব্দ হলো। মাঝারি ধরনের শব্দ। আমার আবার সব কিছুতেই ব্যাপাক কৌতুহল। খুব সাহসী আমি সেটি বলবো না তবে ভয় ডর নেই এটুকু বলতে পারি।
তো কোথা থেকে এলো সেই শব্দ সেটি জানতে আমি টিএসসি থেকে হাঁটা শুরু করলাম বাংলা একাডেমির দিকে। রাস্তার মাঝে যে ডিভাইডার আমি সেটি ধরে আনমনে হাঁটছি। মনে হলো সোহরাওয়াদী উদ্যান দিয়ে কেউ দৌড়ে পালাচ্ছে। একটু দূরে যেতেই দেখি এক জায়গায় জটলা। গেলাম সেখানে।

দেখলাম চাঁর-পাঁচজন পুলিশ সদস্য, কিছু লোক সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের সামনে পড়ে আছে রক্তাত্ব একটি লোক। কিন্তু কেউ ধরছে না। আমি দ্রুত সেখানে গিয়ে উপুড় হওয়া লোকটিকে তুললাম। রক্তে ভেজা। মুখ দেখে চিৎকার করে উঠি এ তো হুমায়ুন আজাদ। আমি যখন স্যারকে তুলি স্যারের এক পাশের গাল দুই ভাগ হয়ে দুদিকে চলে গিয়েছিলো। পুরো মুখটা পুরো হা হয়ে ছিল। আমি দুই পাশে চাপ দিয়ে জোড়া লাগানোর চেষ্টা করলাম।

হুমায়ুন আজাদকে আমি সামনাসামনি আগে কখনো দেখি নাই। কিন্তু তাঁর অনেক বই পড়েছি। আমার স্কুলের এক ইংরেজি শিক্ষক যে আমাকে মানুষ হওয়ার দীক্ষা দিয়েছিল তাঁর কাছ থেকে জেনেছি হুমায়ুন সম্পর্কে। তাই তাকে চিনতে পারলাম।

যাই হোক মূল ঘটনায় ফিরি। স্যারকে হাসপাতালে নিতে হবে। কি করবো? আমি আমার মোবাইল ফোন থেকে একটি ফোন করলাম বিটু ভাইকে। বললাম-বিটু ভাই, হুমায়ুন আজাদকে বোমা মারছে। আপনি বাংলা একাডমেরি সামনে আসেন। (আমি প্রথমে ভেবেছিলাম স্যারকে বোমা মারা হয়েছে)। বিটু ভাই তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় চলচ্চিত্র সংসদের অর্থ সম্পাদক এবং আমাদের খুব ঘনিষ্ঠ বড় ভাই।

বিটু ভাইকে ফোন করে আমি রক্তাত্ব হুমায়ুন আজাদকে হাপাতালে নেওয়ার জন্য একটি রিকশায় উঠানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু রিকশায় উঠানো সম্ভব হলো না। আমি তখন দৌড়ে টিএসসির দিকে আসলাম। সাদা একটি প্রাইভেট কার ছিলো। আমি তাকে বললাম ভাই আমাদের এক স্যার হুমাযুন আজাদকে কেউ বোমা মেরেছে। হাসপাতালে নিতে হবে। একটু আসেন। সে কিছুতেই রাজি হলো না। বরং গাড়ি ঘুরিয়ে উল্টো দিকে চলে গেলো। আমি কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না।

এরপর দেখি পুলিশের বিশাল এক ট্রাক দাঁড়িয়ে টিএসসির সামনে। আমি তখন চিৎকার দিয়ে তাদের বললাম ভাই স্যারকে হাসপাতালে নিতে হবে। প্লিজ আপনাদের গাড়িটা নিয়ে আসেন। একই সঙ্গে আমি হুমকিও দিলাম। চেচামেচি করলাম। পুলিশ সদস্যরা রাজি হলো। তারা এলো গাড়ি নিয়ে। লোকজনের সহায়তায় আমি স্যারকে পুলিশের সেই ট্রাকে তুললাম। স্যারের খুব কষ্ট হচ্ছিল বোঝা যাচ্ছিল।

এদিকে স্যারকে আমি ট্রাকে উঠনোর আগে আগে সেখানে হাজির হলো পাভেল ভাই। সে বোধহয় নিউ নেশন বা কোন একটা ইংরেজি কাগজে কাজ করতো। সে তাঁর ক্যামেরা দিয়ে একের পর এক ছবি তুলছে স্যারের সঙ্গে আমার। আমি তাকে গালি দিয়ে বলছি, পাভেল ভাই এখন ছবি তোলার সময়? পরে বুঝেছিলাম সে তার কাজ করেছে। তাঁর তোলা এই ছবিগুলোই পরে সব ফটো সাং

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৫
অ্যামাটার বলেছেন: মহামূল্যবান একটা পোষ্ট। শোকেসে রাখলাম। অনেক ধন্যবাদ চরম মুহুর্তের সেই ঘটনাগুলো লেখার জন্য।

@নিরব হাসিঃ ফাজলামিটা এখানে না করলে হত না?
৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১১
ডিজিটাল কলম বলেছেন: কোন বলদে মাইনাস দিলো????????

৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১২
সৌম্য বলেছেন: ইনকিলাব সে সময় নিউজ করলো ঘটনা ঘটার কিছুক্ষনের মধ্যেই যে দুই ছাত্র স্যারকে হাসপাতালে নিয়ে গেলো তাদের গ্রেপ্তার করা হোক। তাহলেই সব জানা যাবে।

শুয়োরের বাচ্চা!
৭. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৩
_তানজীর_ বলেছেন: ভাই মনে কষ্ট নিবেন না। আমি এতটুকু বলতে পারি, হুমায়ুন আজাদ না, একজন মানুষকে এরকম এক অবস্থায় সাহায্য করার যে আনন্দ সেটি আপনি পেয়েছেন। কে কি বলল, করল, হাসিমুখে মেনে নিন। সৃষ্টিকর্তা আপনার মঙ্গল করুন। ভালো থাকুন।
৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৭
আকাশ অম্বর বলেছেন:

আপনাকে ধন্যবাদ এই ব্লগীয় প্রেক্ষাপটে অনেক অজানা তথ্য প্রদানের জন্য।
আর কিছু বলার নেই আপনাকে সাধুবাদ দেয়া ছাড়া।
৯. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২০
হাসান শরিফ বলেছেন: নিরব হাসি আপনি বোধহয় কোন ভুল করছেন। আপনি যে লিঙ্ক দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সেটিও কোন ভুল লিঙ্ক। আমার নয়। আপনি আর লেখাটা কপি পেষ্ট মানে? আপনি তো না পড়েই মাইনাস দিয়েছেন। এই লেখা পৃথিবীর আর কোথাও কখনো প্রকাশিত হয়নি। আজ এই মুহুর্তে আমি এটি লিখলাম।গত তিন ঘন্টা ধরে লিখে পোস্ট করলাম। কপি পেষ্ট কিভাবে হবে? আপনি আবারো নিশ্চত হন কোথাও ভুল করছেন। আপনাদের যন্ত্রনায় তো ব্লগই ছেড়ে দিতে হবে।
১০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৪
নিরব হাসি বলেছেন: হুমমমমমম````````বড় ভুল হয়েছে।ক্ষমাপ্রাথী।
১১. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৭
একলা একজন বলেছেন: লেনিন ত্রিভুজের মতই একটা ছাগল, নেভারমাইন্ড।

অনেক অজানা বিষয় জানলাম।
১২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৭
মনির হাসান বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়ে শেষ করলাম ... সহজ সরল ভাষায় দারুন ...

মহানুভবতার" দায়িত্ব হল কোন প্রকার বিনিময় সে আশা করেনা। আশা করি ক্যানো এ কথাটা বলছি বুঝতে পারবেন।

তারপর'ও স্যালুট আপনাকে ... টুপি খোলা স্যালুটেশন ।

এবং বলতেই হচ্ছে ... আমাদের পুলিশের নির্বুদ্ধিতা গিনেজ বুকে স্থান পাবার মতো।
১৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩০
ঘুমরাজ বলেছেন: ভাল থাকুন ভাই,এই দোয়া করি আপনার জন্যে +++
১৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩০
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: ভাল লাগল, ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য
১৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৭
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
:(

ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
১৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪১
তারেক.মাহমুদ বলেছেন: হাসান ঘুম পেয়েছিল। তোমার লেখা জন্যই আগ্রহ নিয়ে পড়লাম। তোমাকে নিয়ে তখন অনেক হৈ চৈ হয়েছিল। আজ গর্ববোধ তোমাকে নিয়ে। তোমার মত আরও সহপাঠী বন্ধু চাই।
১৭. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪২
হাসান শরিফ বলেছেন: মনির হাসান: আপনিও একই ভুল করলেন। আমি কখনই কিছু আশা করি নাই। এখনও করছি না।
১৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
সুমন অহেমদ বলেছেন: আপনিই ছবির সেই যুবকটি. . . .!
ছবিটা দেখেই বলে দেয়া যায় যুবকের চোখে হূমায়ুন আজাদ নয় বরং একজন মানুষকেই বাচানোর আপ্রান চেষ্টা ছিলো. . .

ব্লগে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ. .

আর নিরব হাসির মতো ব্লগারকে এড়িয়ে চলাই ভালো. .
এদের একটু কাজ-কর্ম কম এবং এরা স্বাধীন মত প্রকাশ করতেও ভয় পায়।

আর লেনিন এর ব্যাপারটা স্পষ্ট নয়! ওনার ভেতর আমি কেমন যেনো একটা s@ifur's গন্ধ পাই. . .

ভালো থাকবেন. . .
১৯. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
'লেনিন' বলেছেন: @সুমন আপনি এই ব্লগে কেমন কুখ্যাত এবং হায়াহীন তা ব্লগার মাত্রই অবগত। আমার পরিচয় আমার ব্লগে গিয়ে খুঁজে নিতে কারো অসুবিধা হবার কথা নয়।

২০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০৬
হাসান শরিফ বলেছেন: লেলিন সাহেব: আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্র ক্ষমা চাইছ। আপনাকে মুর্খ বলাটা আমার ঠিক হয়নি। তবে আপনি যদি পুরো লেখাটা পড়ে মন্তব্য করতেন তাহলে আপনাকে আমার এই কথা বলতে হতো না। আপনাকে এই কারনে মুর্খ বলেছি যে আপনি ভেবেছেন এই লেখা পড়ে আমি তাদের পরিবারের কাছে ১২০০ টাকার জন্য যাবো। এই লেখা পড়ে এমন মন্তব্য করলে আমি আপনাকে কি বলবো? আর আমি স্রার যখন বেঁচে ছিলো তখনরকার কথাও বলেছি। তখনো তারা খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করে নাই। আর আমার সম্পর্কে জানতে ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়ে একটু খোঁজ খবর নেবেন কিংবা প্রথম আলোতে। তাহলেই আশা করি আনার ভুল ভাঙ্গবে। আর আপনাকে মুর্খ বলার জন্য আবারো ক্ষমা চাইছি কিন্তু আপনি নিজের ভুল না বোঝা পর্যন্ত কথাটি প্রত্যাহার করতে পারছি না।
আর একটি বিষয়। এই লেখার পর এমন সব মন্তব্য আসবে এবং সেগুলো নিয়ে আমাকে জবাব দিতে হবে ভাবিনি। আপনাদের ব্লগিয় জ্ঞানের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারছি না। মাফ করবেন।
২১. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০৭
সেলটিক সাগর বলেছেন: ছবিটা দেখেই মনটা খারাপ হয়ে গেল। আপনি নি:সন্দেহে প্রশংসিত হবার মত কাজ করেছেন।
২২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ভাই অফিসে বসেই চোখে পানি এসে গেল|


(++++)
২৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২২
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: এইটারে যে হাসি কয় , সে একটা পাগল । উত্তেজনায় যে ছেলেটার চোখ দুইডা বিস্ফারিত হইয়া গেছে - এইডা কেউ বুঝবার পারলো না !!! আর যারা ব্যক্তিগত তথ্য বিনিময় অথবা পারস্পরিক গালাগালি শুরু করলেন, তাগোরে কইতাছি , এই কামডা কি এই পোস্টের উপর দিয়া করাডা খুবই দরকার আছিল ? যাই হোক, পোস্টদাতারে অনেক ধন্যবাদ ইতিহাসের একটা অংশ তুইলা আনার জন্য । ভালো থাইকেন ।
২৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৮
সুমন অহেমদ বলেছেন: মাফ চাচ্ছি লেনিন ভাই! আপনি পিএইচপি তে আরও মনোযোগী হন এবং আমি লেখকের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী! এই ধরনের পোষ্টে অপ্রাসংঙ্গিক আলাপ না করাই ভালো!

শরিফ ভাই, আপনার মতো ব্লগারের অভাব রয়েছে এই ব্লগে. .
আশা করছি মাঝেমাঝেই লিখবেন।

উপকারীকে অনেক ধরনের ঝামেলায় সত্যিই পরতে হয়. ..
ভালো থাকুন
২৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
সুমন অহেমদ বলেছেন: মাফ চাচ্ছি লেনিন ভাই! আপনি পিএইচপি তে আরও মনোযোগী হন এবং আমি লেখকের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী! এই ধরনের পোষ্টে অপ্রাসংঙ্গিক আলাপ না করাই ভালো!

শরিফ ভাই, আপনার মতো ব্লগারের অভাব রয়েছে এই ব্লগে. .
আশা করছি মাঝেমাঝেই লিখবেন।

উপকারীকে অনেক ধরনের ঝামেলায় সত্যিই পরতে হয়. ..
ভালো থাকুন
২৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
সুমন অহেমদ বলেছেন: মাফ চাচ্ছি লেনিন ভাই! আপনি পিএইচপি তে আরও মনোযোগী হন এবং আমি লেখকের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী! এই ধরনের পোষ্টে অপ্রাসংঙ্গিক আলাপ না করাই ভালো!

শরিফ ভাই, আপনার মতো ব্লগারের অভাব রয়েছে এই ব্লগে. .
আশা করছি মাঝেমাঝেই লিখবেন।

উপকারীকে অনেক ধরনের ঝামেলায় সত্যিই পরতে হয়. ..
ভালো থাকুন
২৭. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
সুমন অহেমদ বলেছেন: মাফ চাচ্ছি লেনিন ভাই! আপনি পিএইচপি তে আরও মনোযোগী হন এবং আমি লেখকের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী! এই ধরনের পোষ্টে অপ্রাসংঙ্গিক আলাপ না করাই ভালো!

শরিফ ভাই, আপনার মতো ব্লগারের অভাব রয়েছে এই ব্লগে. .
আশা করছি মাঝেমাঝেই লিখবেন।

উপকারীকে অনেক ধরনের ঝামেলায় সত্যিই পরতে হয়. ..
ভালো থাকুন
২৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩১
সুমন অহেমদ বলেছেন: মাফ চাচ্ছি লেনিন ভাই! আপনি পিএইচপি তে আরও মনোযোগী হন এবং আমি লেখকের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী! এই ধরনের পোষ্টে অপ্রাসংঙ্গিক আলাপ না করাই ভালো!

শরিফ ভাই, আপনার মতো ব্লগারের অভাব রয়েছে এই ব্লগে. .
আশা করছি মাঝেমাঝেই লিখবেন।

উপকারীকে অনেক ধরনের ঝামেলায় সত্যিই পরতে হয়. ..
ভালো থাকুন
২৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৫
বাবর মোহাম্মদ বলেছেন: লেখাটি মৌলি আজাদকে শেয়ার করে দিলাম। শেষের কিছু অংশ মনে হয় বাদ পড়েছে, আশা করি আপডেট করে দেবেন।

ভাল থাকবেন।
৩০. ১০ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:১৩
নিশি মানব বলেছেন: কি কমু ভাই?
আপনে যা করছেন তা অপশ্যি অনেক প্রশংসনীয়..।
তারপরো একটা কথা মানুষের উপকার করতে গিয়ে এই পর্ষন্ত অনেকবার বিপদে পড়েছি ।
আপনিও পড়ছেন ।
আসলে উপকার করতে গেলে বাঘে খায় ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬০৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে শৈশব কৈশোর-স্কুল কলেজ সবই চট্টগ্রামে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সাংবাদিকতা করি। পরের জন্মে মুক্তিযোদ্ধা হতে চাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই