somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এক ছিল রাজা, আর এক ছিল রানী...
আজ অফিস ছুটি থাকায় কাজের তেমন তাড়া নেই। বাসায় থাকায় সুমি গরুর মাংস রান্না করল। এবার বানিজ্য মেলায় একজন সেলসম্যান হাতে একডজন "স্বাদ-এ-ম্যাজিক" ধরিয়ে দিয়েছিল। পাঁচটাকা করে এক এক পিস হওয়ায় তেমন গায়ে লাগেনি। কিন্তু নাম টা মজার, "স্বাদ-এ-ম্যাজিক" "স্বাদ-এ-ম্যাজিক" - কেমন যেন লুপে পড়ে ফাটা রেকর্ডের মত ঘুরতে থাকে মাথায়। আজকে সুমিকে বলেছিলাম মাংসে সেই ম্যাজিক দিতে, ও দিয়েছিলও - কিন্তু খাওয়ার পরে আসলে চাউর করা গেল না ম্যাজিকের স্বাদ কেমন। বোধহয় আমার অনেক গুলো কেনা কাটা প্রজেক্টের মতই এটাও ফ্লপ খেল। তবে ষাট টাকায় এটা কেনার পর সেলসম্যান যে হাসিটা দিয়েছিল সেটা পাঁচশো ষাট টাকাতেও পাওয়া যায় না। স্বাদ-এ-ম্যাজিক, স্বাদ-এ-ম্যাজিক - নামটা সুন্দর! ব্যাথা হয়ে যাওয়া মাথায় এখনো লুপটা চলছেই

ফরহাদ কে নিয়ে বের হয়েছি দুপুর বেলা। ইদানিং উত্তরার অবস্থা কেমন যেন হয়ে গিয়েছে। স্কুল ছুটির এই সময়টায় রাস্তা ঘাট একেবারে ঠাসা থাকে। একটা রিকশা পড়েছিল সামনে, অনেকক্ষন হর্ন দেয়ার পরেও সরালো না। অবশেষে বের হওয়ার সময় আগুন গরম চোখে সেই রিকশা ওয়ালার দিকে তাকাতেই দেখি তার নির্লিপ্ত চাহনী। কারো আগুন গরম দৃষ্টি সেই মুখে কোন ভাবান্তর তৈরী করে না। আমি অ্যাকসেলাটরে পায়ের চাপ বাড়াই। গায়ের গরম রক্ত যেন ইঞ্জিনের মাঝেও টগবগ করে ফুটতে থাকে। গাড়ি এক লাফে এগিয়ে চলে রাস্তা বরাবার। অ্যাকসেলারেটর টা একদম চেপে ধরে রাখতে পারলে ভালো হত, ভাবতে না ভাবতেই ক্লান্ত ট্রাফিক পুলিশ তার ব্যাটন টা বাড়িয়ে ধরে সামনে। লাল বাতিটা এতক্ষনে চোখে পড়ে আমার।

কোথাও যাওয়ার থাকে না এই রকম সময় গুলোতে। আমি উদ্দেশ্য ছাড়া ঘুরি। এদিকে সেদিকে তাকাই, কখনো জোরে ছুটি, কখনো আস্তে। এই সময়টুকু আমার একান্তই নিজের। একদম আমার। একটা গাড়ি বিশ্বরোডের একদম মোড়ের উপরে এসে ডানে ঘোরার সিগন্যাল দেয়। এই নাদুস নুদুস এসির বাতাস খাওয়া মানুষগুলোকে আমার ঘেন্না লাগে। এরা কখনো আরেকজনের দিকে তাকায় না। গাড়িটা ক্রস করার সময় আমি আগুন গরম চোখে ড্রাইভারের দিকে তাকাই - সেই রিকশাওয়ালার নির্লিপ্ত চাহনী আর এর চেয়ে থাকার মাঝে কোন পার্থক্য নেই। দিনটা কেমন যেন খারাপ যাচ্ছে খুবই। সুমির সাথে ঝগড়া হবে নিশ্চিত!

নিউমার্কেটে নামলাম অনেকদিন পরে। শেষ কবে এসেছিলাম, দিন গুনতে গুনতে সেটা মেলাতে পারলাম না। মাসুদ ইলেক্ট্রনিক্সে যাওয়া দরকার। খোকন ভাইয়ের কাছে কোন ভালো পুরোনো লেন্স আছে কিনা সেটা একবার দেখব। নিউমার্কেটের একদম মাঝখানের জায়গাটা কেমন গোলক ধাঁধার মত লাগে আমার। আমি সেদিক দিয়ে ঢুকে বেশ কিছুক্ষন ঘোরাফেরা করে মাসুদ ইলেক্ট্রনিক্স খুঁজে পেলাম না। সামনের মোড়টার পরেই মনে হয়, ভেবে মোড় ঘুরতেই দেখি এ মা, এতো ঠিক যেখান দিয়ে ঢুকেছিলাম সেখানেই। অবশেষে একজনকে জিজ্ঞেস করতেই সে বলে দিল কোনদিক দিয়ে কোনদিকে যেতে হবে। আমি দিক ঠিক রাখতে পারি না। কেউ যখন আমাকে বলে দক্ষিন দিকে যেতে হবে, আমি একটু হেসে আবার জিজ্ঞেস করে বসি, দক্ষিন দিক টা যেন কোন দিকে! এত বয়স হল, তাও দিক ঠিক রাখতে পারি না আমি।

মাসুদ ইলেক্ট্রনিক্সে কোন লেন্স পেলাম না। পেলাম একটা হুড। পছন্দ হল খুব। তবে সাড়ে ছয়শো টাকা দিয়ে কিনবো কিনা ভাবতে ভাবতে না পেরে কিনেই ফেললাম। সেটা নিয়ে বের হতেই নিউমার্কেটের মাঝখানে দেখি খুব ভীড়। আমি ভাবলাম না যেন কি, মারামারি শুরু হল নাকি কোথাও! দেশের অবস্থা ভালো না। কখন কোথায় কি ঘটে কিচ্ছু বোঝা যায় না। সেই ভীড় ঠেলে একটু এগিয়ে একজনকে জিজ্ঞেস করতেই সে পান খাওয়া দাঁতগুলো আকর্ণ বিস্তৃত করে বলল "বাংলালিংকের অ্যাড হচ্ছে ভাইজান"। বাহ, ভালই তো - দেখি কেমন করে অ্যাডের শুটিং করে। একপাশে তাকাতেই দেখি শুভজ খান আরো দুই তিনটা মেয়ের সাথে হেসে হেসে গল্প করছে। এই ছেলেটার ছবি তোলার হাত ভালোই। আজকে সামনা সামনি দেখলাম। একটা শর্টস, একটা সানগ্লাসের সাথে হাওয়াই চপ্পল। কিন্তু মজার ব্যপার হল পায়ে মোজা পরা। কিছুক্ষন দেখলাম সবার নাচানাচি

ফেরার পথে মাথাব্যাথাটা নতুন করে মাথাচাঁড়া দিয়ে উঠলো। একদিন পরেই ভ্যালেন্টাইন্স ডে। সুমির জন্য খুব ছোট হলেও কিছু একটা কিনবো ভেবে একটা লিপস্টিক আর একটা নেইলপলিশ কিনলাম। দোকানের এক কোনায় দেখি একটা সাদা মগ ঝকমক করছে, গায়ে লেখা "লাভ ইউ সন"। আচ্ছা - আমি মনে মনে হাসলাম। এটা আফিফ কে দিলে মজা পাবে ছেলেটা। কিন্তু আফিফের জন্য এখন আর একা একা কিছু কেনা যায় না। কিনলেই ইভান এসে ধরে বসে, বাবাই আমার গিফট দাও। আর বাসায় একটা মেয়ে থাকে, ওদের সাথে খেলে আর সুমিকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে। ইভানের জন্য কয়েকটা বাঘ সিংহ কেনার পরে মেয়েটার জন্য একটা পুতুলের সেট কিনলাম। পরের মেয়ে হলেও বাচ্চা তো! আমি আমার ছেলেদের জন্য কোন কিছু কিনলে সবসময়েই ওর জন্যও কিনি। ভাগ্যের ফেরে আমার বাসায় থাকে মেয়েটা। আমি অপরাধবোধে ভুগি খুব। আর তাই সবসময় চেষ্টা করি সেও যেন একটু ভালো ফিল করে। ওর হাতে আমি বা সুমি কিছু কিনে দিলে মেয়েটা খুব খুশি হয়। ওর হাতে পুতুলের সেটটা দেয়ার পরে ও বলল "থ্যাংকিউ" - আফিফের দেখাদেখি মেয়েটাও শিখেছে থ্যাংকিউ বলা - আমার খুব মজা লাগে এটা দেখলে <img src=" style="border:0;" />

বাসায় এসে গান শুনছি তপুর। ছেলেটার গলা খুব ভালো। অন্যরকম করে গায়, অন্যদের সাথে মেলে না

"তোমার মনে আছে যা বলো আমিও বলে ফেলি
মন যা চাইছে তাই করো, না করাটাই বোকামী..."

আমি মাথা নাড়াই, আসলেই, মন যা চাইছে সেটা করে ফেলাটাই সবচেয়ে ভালো। আমি টাইপ করতে থাকি, খটাখট খটাখট শব্দ ওঠে...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29539783 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29539783 2012-02-12 20:29:11
ওয়ান হেডলাইট
- হ্যালো হাসিন, স্লামালাইকুম কি খবর
- আরিফ হুজুর, ফ্রি আছ? তাহলে শর্মা হাউজে চলে আসো
- পুরা ফ্রি - তুমি কই?
- এইতো জসীমউদ্দিনে, মাত্র বের হলাম
- আচ্ছা আসতেছি

আরিফ, অরুন আর রুমন সাধারণত ফ্রি থাকে শনিবারে। আমিও থাকি, কিন্তু গা ম্যাজম্যাজ করে বলে সকাল বেলা বের হওয়া হয় না। বিকেলে কিছু করার না পেলে মন খারাপ হয়ে যায়। তার উপরে বিষণ্ণ রকমের সন্ধ্যার আলো থাকলে তো কথাই নেই। আমার তখন আর কিছু করতে ইচ্ছে করে না - তাই একা বের হলে এই তিনজনের কাউকে না কাউকে পাওয়া যায় সঙ্গী হিসেবে, কপাল ভাল থাকলে সবাইকেই। আমিও কিছুক্ষন কথা বলার এই সুযোগ হারাতে চাইনা শনিবারে।

আজকে তিনজনকেই ফ্রি পাওয়া গেল। আমি পৌঁছলাম সবার আগে। শর্মা হাউজে ঢুকে দেখি টিভিতে মিলার নাচ চলছে, ফুয়াদ ড্রামসে। সেটে দেখি হেলিকপ্টারও আছে। ইদানীং সবকিছুতে হেলিকপ্টার নেয়া কি হুজুগ হয়ে গেল নাকি! কয়েকদিন আগে কোন নায়ক যেন কোন পরিচালক কে নিয়ে গ্রামে গিয়েছিল একজন কে বিয়ে করতে। আমি সাত পাঁচ ভাবতে থাকি, আশে পাশের টেবিলে অসংখ্য মানুষ। কেউ গল্প করছে, কেউ হাসছে আবার কেউ মনোযোগ দিয়ে মেনু দেখার ফাঁকে ফাঁকে মিলাকে দেখায় ব্যাস্ত। হরেক রঙের মানুষ!

আরিফ ঢুকল পাক্কা আধা ঘন্টা পরে, আমি তখন ক্ষুধা সামলাতে না পেরে একটা শর্মার শেষ কামড় দিয়ে মুখ মুছছি। রেস্টুরেন্টের লোকেরা অকাজের খদ্দের পেলে বড়ই বিরক্ত হয়। ওয়েটার থেকে শুরু করে ঝাড়ুদার পর্যন্ত তাকায় কেমন যেন চোখে। সেই দৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্যই আমি সাধারণত তাড়াতাড়ি অর্ডার দিয়ে দেই। আরিফ দরজা দিয়ে ঢুকে সেই চিরপরিচিত হাসি দিয়ে বলল, আরে তোমার খাওয়া শেষ? আরে নাহ, তোমার জন্য এখনও তো অর্ডারই দেই নাই, বলে আমি একটা উইংসের অর্ডার দেই। আচ্ছা শোন আরিফ, অরুন আর রুমন আসলে কিন্তু আমরা ওদের জন্য অর্ডার দিবো না, এমন ভাব করব যে আমাদের খাওয়া শেষ আর এখন চলে যাবো। শুনে আরিফ মিটিমিটি হাসে। আমরা ব্যাস্ত হই ছেলেমানুষী কথাবার্তায়।

মাথার উপরে হঠাৎ চটকানা, তারপরেই পাশের সীটে ধপাস করে বসে অরুন। সামনের সীটে রুমন। আমরা সবাই মিলে পুরোনো দিনের গল্প করি। অরুন জানায় যে সে টাকা জমাচ্ছে একটা ক্যামেরা কেনার জন্য। আমার ক্যামেরা টা নিয়ে কিছুক্ষন এটার ওটার ছবিও তুলে ফেলে। আমি দেখি পাশের টেবিল থেকে কেউ বিরক্ত হচ্ছে কিনা। অনেকেই অনেক সময় ভেবে বসে যে আসলে তার ছবি তোলা হল কিনা - তাই আমি ছবি তোলার সময় খুব সাবধান থাকি ইদানীং।

আরিফের গল্প শুনি, ওর গাড়িতে কেমন করে কয়েকদিন আগে আরেকটা মটরবাইক ধাক্কা মারল সেটা নিয়ে অনেকক্ষন আলোচনা চলে। আমি রুমনকে বলি রুমন তোর বউ কিন্তু দিন দিন সুন্দর হয়ে যাচ্ছে রে - শুনেই রুমন যথারীতি মেজাজ দেখায় বলে তাতে তোর কিরে হারামজাদা! আমি হাসি - আমি জানি এই কথা বললেই রুমন ক্ষেপে যাবে

আমরা কথা বলি, আমাদের কথা শেষ হয় না। আমার মনে হয় এই সময় ঘড়ির কাঁটাটা আরেকটু ধীরে চললে মন্দ হত না। মাথার ভিতে জনি হেটের জ্যাজ বাজতে থাকে "আই উইশ আি কুড টার্ন ব্যাক দ্য ক্লক" - আমরা কথা বলতে থাকি, আমাদের কথা শেষ হয় না।

আরিফ আমার গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যায় আড়ঙের সামনে। আড়ঙের বিলবোর্ডে মডেলদের ছবি দেখলে আমার সবসময়ই মনে হয় কেমন করে তোলে এইরকম ছবি! ওদের মুখের ভাব, চোখের চাহনী সব মিলিয়ে কেমন একটা সেক্সি এক্সপ্রেশন! নাহ, সব কিছু কি আর সবাইকে দিয়ে হয়!

আরিফকে নামিয়ে দেই বনানীর মোড়ে। ট্রাফিক জ্যাম কিছুটা কম থাকে শনিবারে। নিঃশব্দে স্টিয়ারিং ধরে বসে থাকি। মনে পড়ে বাসায় যাওয়ার কথা। সুমি শাড়ি পরতে একদম পছন্দ করে না, তবে আমার জোরাজুরিতে ইদানীং পরে। শাড়ির চেয়ে সুন্দর ড্রেস আর কিছু হতে পারে! শাড়ি পরলে সুমি কে কি যে সুন্দর লাগে আমার! আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি - সুমির কথা ভাবতে ভাবতে রাস্তায় সাঁই সাঁই করে পার হয়ে যায় অন্য গাড়িগুলো! আমি স্টিয়ারিং ধরে বসে থাকি চুপচাপ

গাড়ির মিউজিক প্লেয়ারে মৃদুস্বরে ওয়ালফ্লাওয়ারের জ্যাকব ডিলান গাইতে থাকে

মি অ্যান্ড সিন্ডারেলা
উই পুট ইট অল টুগেদার
উই ক্যান ড্রাইভ ইট হোম, উইথ ওয়ান হেডলাইট...

আমি স্টিয়ারিং ছাড়ি না, মাঝে মাঝে গলা মিলাই জ্যাকবের সাথে। গাড়ি ৮০-৯০-১০০ হয়ে চলতে থাকে, সময় যেন আর ফুরোয় না!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29539354 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29539354 2012-02-12 01:16:51
দ্য ডাভ দ্যাট ফ্লাইস অ্যালোন...

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29486912 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29486912 2011-11-20 14:19:21
ডেস্টিনেশন এনিহোয়্যার...

ফ্লিকার লিঙ্ক : এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29486622 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29486622 2011-11-19 23:51:35
আইসোলেশন...

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29486605 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29486605 2011-11-19 23:30:50
সামহোয়্যার আউট অন ম্যাড হরাইজন

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29414309 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29414309 2011-07-16 23:09:23
স্লিপলেস ইন ঢাকা - রাত ২:৩০

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে

কিছু কথা রয়ে যায়, না বলাই ভাল
বৃষ্টির মখমলে, অভিনব আলো
আজ তাই বুঝে যাই, জীবনের প্রয়োজন
আমার জন্য নয়, লাল নীল আয়োজন...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29408215 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29408215 2011-07-06 16:31:05
ওয়াটার ওয়ার্ল্ড

ফ্লিকার লিঙ্ক : এখানে

আমি যখন ছোট ছিলাম, বাবা আমাকে প্রায়ই বাসার আশে পাশের পুকুরে নিয়ে যেতেন দুপুর বেলা, সাঁতার শেখাবেন বলে। সাঁতার শেখার চেয়ে পানিতে ঝাঁপাঝাঁপি করে অন্য ছেলে পেলেদের খেলার মজা টা বেশী ছিল। বাসার আশেপাশে অনেক পুকুর ছিল। আমি আর বাবা অনেকদিন বিকেলে এই পুকুরগুলোতে বড়শি ফেলে মাছ ধরে সময় পার করেছি! পুকুর আর পানি আমার ছোটবেলার স্মৃতির অনেক বড় একটা অংশ জুড়ে আছে।

এই শহরের কোলাহলে খুব মিস করি সেই ছোটবেলার দিনগুলো। একটা পুকুর খুঁজতে হাঁটতে হয় মাইলের পর মাইল। এই শহরে থাকতে আমার আর ভালো লাগে না...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29407682 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29407682 2011-07-05 20:09:51
স্থবির জীবন

ফ্লিকার লিঙ্ক : এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29406160 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29406160 2011-07-02 21:38:41
আইফোনের জন্য কেএফসির নতুন প্রোডাক্ট - আইটেন্ট <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29399491 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29399491 2011-06-20 01:29:51
শাওয়ার <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29398280 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29398280 2011-06-17 23:24:48
বৃক্ষমেলায় ক্যাকটাসের সারি <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে

<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29397799 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29397799 2011-06-16 22:52:44
মিরপুরে বেড়িবাঁধে আজকে তোলা কয়েকটি ছবি
#১


ফ্লিকার লিঙ্ক : এখানে

#২


ফ্লিকার লিঙ্ক : এখানে

#৩


ফ্লিকার লিঙ্ক : এখানে

<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29397374 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29397374 2011-06-16 02:01:56
হেলমেট পরা স্ক্রু ড্রাইভার <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> (৬/৩৬৫)

ফ্লিকার লিঙ্ক: এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29396107 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29396107 2011-06-13 14:55:15
বৃক্ষ মেলায় তোলা নাম না জানা একটি ফুল

ফ্লিকার লিঙ্ক এখানে : নাম না জানা ফুল ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29395600 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29395600 2011-06-12 15:33:23
বাংলায় টুইটার মেসেজ পোস্ট করার জন্য একটা ছোট্ট অ্যাপ )" style="border:0;" />

বাংলায় টুইটারে মেসেজ পোস্ট করার জন্য একটা ছোট্ট অ্যাপ্লিকেশন। এইটা আসলে বলার মত কোন কাজ না, কিন্তু অনেকেই বাংলা অ্যাপ্লিকেশন বানানোর সময় মাইএসকিউএলে সেভ করতে পারে না ঠিকমত - তাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট আছে একটা। তবে সেটা না ভিজিট করা পর্যন্ত বলা যাবে না <img src=" style="border:0;" />

বাংলায় টুইটার স্ট্যাটাস পোস্ট করার অ্যাপ্লিকেশন

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29328293 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29328293 2011-02-17 05:10:24
স্ট্যানডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাস্টোমার কেয়ার রিপ্রেজেন্টেটিভের সাথে কথোপকথন
স্ট্যানচার্ট: গুড ইভিনিং, দিস ইজ *** ফ্রম স্ট্যানচার্ট, হাউ মে আই হেল্প ইউ?

আমি: আমি আমার আই-ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি। কিভাবে রিসেট করব?

স্ট্যানচার্ট: আপনার কিছু ইনফরমেশন আমার জানা লাগবে স্যার, আপনার কার্ডের নম্বর টি বলুন?

আমি: ****-****-****-****

স্ট্যানচার্ট: আপনার জন্ম তারিখ এবং **** **** *** টি বলুন?

আমি: **-**-**** এবং ******

স্ট্যানচার্ট: আপনার যেকোন একটা ট্রানজেকশন অ্যামাউন্ট বলুন

আমি: ডিসেম্বর ১১ তারিখে **** টাকা

আমি: হ্যালো?

স্ট্যানচার্ট: আমাকে একটু টাইম দিন স্যার, আমি দেখছি

স্ট্যানচার্ট: ঠিকআছে স্যার আমি আপনার রিকোয়েস্টটি আমাদের কার্ডের সিকিউরিটি সেকশনে পাঠিয়ে দিচ্ছি। তারা এটা নিয়ে ডিল করবে এবং এটা করতে মিনিমাম ৩দিন থেকে সর্বোচ্চ ৫ দিন লাগবে।

আমি: পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে ৩ থেকে ৫ দিন? কেন ভাই?

স্ট্যানচার্ট: স্যার এটাই আমাদের এখানে নিয়ম। নতুন পাসওয়ার্ড জেনারেট করে তারা আপনাকে কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠিয়ে দিবে।

আমি: কুরিয়ার সার্ভিসে কেন? আমার তো ইমেইল অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভেট করা আছে। সেখানে পাঠিয়ে দেবেন

স্ট্যানচার্ট: না স্যার, কুরিয়ারেই এগুলো পাঠানো হয়

আমি: কিন্তু আমাদের অফিসের ঠিকানা তো চেঞ্জ হয়েছে। আপনি ইমেইলে পাঠালে অসুবিধা কই? আর পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করতে যদি কুরিয়ার সার্ভিসে সেটা পাঠানো লাগে আর ৩ থেকে ৫ দিন লাগে তাহলে এটা কেমন আই-ব্যাংকিং?

স্ট্যানচার্ট: স্যার, এভাবেই এটা এখানে হয়। আর সেক্ষেত্রে আপনাকে আগে ব্যাংকে এসে নতুন ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য অ্যাপ্লাই করা লাগবে

আমি: ভাই, দরকার নাই আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের।



বলে আমি কেটে দিলাম। মেজাজ এখন আগুনের মত গরম, পুরা হাবিয়া দোযখের আগুন...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29298547 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29298547 2010-12-30 01:04:47
পিএইচপি এক্সপার্টস সেমিনার ২০১০ এবং আড়ালের কিছু কথা


কিভাবে শুরু হলে এবারের সবকিছু? তনু ভাই ডুুয়েট এ সেমিনারটি আয়োজন করার পর থেকেই আমি বলা যায় ফুল গীয়ারে দৌড়োচ্ছিলাম। মনে হল এখনই করার জন্য একদম পারফেক্ট সময়। সাহস করে ডাকলাম কাছের কয়েকজন কে। ইমরান, আরাফাত, রাজু, অমি আজাদ, তনু এবং হাসান এর সাথে কথা বলে মনে হল ঘোষনা দিয়ে দেয়াই ভাল। হাতে কিছু সময় রাখা দরকার, সবকিছু ভালভাবে অ্যারেঞ্জ করার জন্য। আমরা অক্টোবরের ৮ তারিখে সবাইকে জানালাম যে নভেম্বরের ৬ অথবা ১৩ তারিখে সেমিনারের আয়োজন করা হবে। পরে সবার আপত্তির মুখে ১৩ তারিখ বাদ হয়ে গেল। মোবারক ভাইকে ধন্যবাদ ১৬/১৭ তারিখে ঈদের ব্যপারটা সামনে নিয়ে আসার জন্য। আমি একদম ভুলে গিয়েছিলাম।



১০ তারিখে আমরা রেজিস্ট্রেশন ফর্ম সবার জন্য ওপেন করে দেই। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বোঝা যায় না কতজন আসতে পারে। তাই এই ব্যপারটা একরকম অাবশ্যক। এর পরে কাজ ছিল স্পনসর এবং স্পিকার ম্যানেজ করা। গ্রুপের ব্যাপক পরিচিতি এবং আমাদের ক্লোজ নেটওয়ার্কে কিছু অসাধারন ডেভেলপার বন্ধুদের কারনে স্পিকার ম্যানেজ করা হয়ে গেল তিন দিনে। সবচেয়ে মজা হয়েছে স্পনসর ম্যানেজ করার সময়ে। অ্যানাউন্সমেন্টের প্রথম দিনে আমাদেরকে কনফার্ম করেছে ৬ জন স্পনসর এবং পরদিন আরো দুইজন। আমাদের টার্গেট বাজেট ছিল এক লাখের মত। যেহেতু ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার ক্লাব স্পেস এবং লজিস্টিকস স্পনসর করেছে সেহেতু এর বেশীর প্রয়োজন ছিল না। পরে আমরা আরো দুই বা তিনজন আগ্রহী স্পনসরকে না বলতে বাধ্য হয়েছিলাম।



স্পিকার এবং স্পনসর ম্যানেজ হয়ে যাওয়ার পরে যেটা দরকার সেটা হলে এক্সিকিউশন কিভাবে হবে তার একটা খসড়া প্ল্যান। সম্ভবত ১৬ তারিখে আমি, নুরুল ফেরদৌস, এমরান, ত্রিভুজ এবং আরাফাত মিলে একটা মিটিং করলাম বুমারস এ, লাঞ্চ করতে করতে। আরেকজন কেউ ছিল, এই মুহুর্তে মনে নাই। প্ল্যান অনুযায়ী এমরান রিহার্সাল এর ডেট ঠিক করা হল নভেম্বরের তিন তারিখে। আঠারো জন স্পিকার, স্পনসর টাইম আর হাতে মাত্র ৬ ঘন্টা - প্ল্যান অনুযায়ী না চললে একদম মাঠে মারা যাওয়ার উপক্রম। রিহার্সাল এর জায়গা ঠিক করা ছিল আমার বাসা অথবা এমরানের অফিস। প্ল্যান হল আমরা সবাইকে স্ন্যাক্স, পানি, জুস দেব খাবার হিসেবে, একটা ট্র‍্যাশ ব্যাগ দেয়া হবে উচ্ছিষ্ট ফেলার জন্য (এখানে সেখানে ময়লা ফেলা আমার কাছে প্রচন্ড রকম অসহ্য একটা ব্যাপার, আমার একদম মাথায় রক্ত উঠে যায় এখানে সেখানে ময়লা ফেলা দেখলে)



এবার ঘটল সবচেয়ে মজার ব্যপার। অক্টোবরে বিশ (মাত্র দশ দিনে) তারিখের মাঝে ৫৩৫ জন রেজিস্ট্রেশন করে ফেলল। ডুপ্লিকেট/স্পিকার চেক করে দেখা গেল প্রায় ৫২১ জন। আমরা সর্ব সাকুল্্যে ৩০০ জনের জন্য ব্যবস্থা করতে পারব। তাই রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করে দেয়া হলে বিশ তারিখ রাত বারোটায়। এবার সব কিছু আয়োজন করার পালা।



আরাফাত দায়িত্ব নিল যতরকমের প্রিন্টিং আছে তার। এই মানুষটাকে আমি প্রচন্ড রকম পছন্দ করি তার লাগামহীন এনার্জি এবং উৎসাহের জন্য। খাবারের দায়িত্বে ছিল এমরান এবং রেইন, একদম পারফেক্ট জুটি। স্পিকারদের জন্য কিছু জিনিষ ম্যানেজ করার দায়িত্বে ছিল ত্রিভুজ। আর আমরা ঠিক করেছিলাম কিছু পেনড্রাইভ কুইজের পুরষ্কার হিসেবে দেয়ার জন্য, সেগুলো কেনার জন্য ছিল নুরুল ফেরদৌস।



এর মাঝে রেইন কেমন করে যেন রিহার্র্সালের জন্য ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুম ম্যানেজ করে ফেলল। এই অত্যুৎসাহী ছেলেটাকে আমার বড়ই পছন্দ। একটা দায়িত্বে ছেড়ে দিয়ে একদম নিশ্চিন্ত থাকা যায়। এর মাঝে আমি রাসেল ভাই আর রেইন নিয়ে মিটিং করে ফেললাম ব্র‍্যাক ইউনির সব কিছু সেটআপ করতে হবে সেটা নিয়ে। ট্রিপার্টের হাসান মাহমুদ ব্যানার ডিজাইন করতে চাইলেন নিজের উৎসাহে। চমৎকার এই মানুষটির এবং তাঁর বন্ধু মৃনাল ভাইয়ের সাহায্য না পেলে প্যাড, ব্যানার কিছুই হত না সময়মত। দুজকে রাতদিন খেটে আমাদের জন্য ব্যানার এবং ফেস্টুন তৈরি করে দিলেন। এক তারিখে রাত দশটায় মৃনাল ভাইয়ের কাছ থেকে ব্যানার নিয়ে আসলাম। আরাফাত সেই ব্যানার নিয়ে প্রেসে গেলেন দুই তারিখে সকাল দশটায়। এর মাঝে একটা মজার আইডিয়া পাওয়া গেল আরাফাতের কাছ থেকে, ভলান্টিয়ার এবং স্পিকারদেরকে কিছু মগ গিফট হিসেবে দেয়ার। সেই দায়িত্বও হাসিমুখে নিজের কাঁধে নিলেন আরাফাত। পরে কাটাবন এলিফ্যান্ট রোড খুজে শাহ পরান আর আরাফাত মিলে মগ কিনে প্রিন্ট করতে দিয়ে আসলেন। সে কি বিপুল উতসাহ তাঁদের মাঝে।



এর মাঝে একটা মজার ব্যাপার হল। তনু আর তাঁর বন্ধু জাকির হোসেন মিলে একটা চমৎকার (পুরা ফাটাফাটি) একটা প্রোমো ভিডিও ডিজাইন করে ফেললেন! জটিল মজা হল একরকম!



দুই তারিখে মাসনুন ঢাকায় আসল রিহার্সেলে অংশ নেয়ার জন্য। আমার বাসায় রাত তিনটা পর্যন্ত ত্রিভুজ আমি আর মাসনুন মিলে স্লাইড বানালাম। কেমন যেন ঈদ ঈদ ভাব ছিল একরকম। বিআইটি থেকে পাশ করার পর এমন মজার দিন পার করলাম সবাই মিলে। আমি এর মাঝে ১৪ জন স্পিকারকে মেইল দিলাম যে তাঁদের স্লাইড গুলো কেমন হবে সেটা নিয়ে। পরদিন সকালে এগারোটার সময় ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুমে ভীষন মজার মাঝে হয়ে গেল রিহার্সাল। কার স্লাইডে কি ভুল আছে সেটা নিয়ে অন্যরা সবাই কমেন্ট করল। কেমন হলে ভাল হয়, কি বাদ দিলে ভাল লাগবে, বা কি যোগ করলে আরো সুন্দর হয় সেটা নিয়ে সবাই সবাইকে হেল্প করলাম। কারন এই প্রোগ্রামটি যে হতেই হবে খুব ভাল। আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে এই সিনার্জিটা ।



রিহার্সাল থেকে ফিরে পরদিন একটা ভাল খবর জানাল লাভলু এবং ত্রিভুজ। দুজন মিলে কম্পিউটার জগৎ এবং পিসি ওয়ার্ল্ড কে ম্যানেজ করে ফেলল। পিসি ওয়ার্ল্ড রাজি হল ৪০০ কপি ম্যাগাজিন সবাইকে দিতে, আর কম্পিউটার জগত রাজি হল লাইভ স্ট্রিমিং করতে। জটিল রকম মজা পেলাম সবাই। আমি এর মাঝে মেইল দিলাম জেন্ড, ন্যু-স্ফিয়ার, ফিউশনচার্টস এবং জেটব্রেইনস কে। তারাও রাজি হয়ে গেল অংশগ্রহনকারীদের জন্য তাদের প্রোডাক্ট স্পনসর করতে। খুব ভাল লেগেছে এই ব্যপারটাও।



এর মাঝে দুই তারিখেই এমরান আর রেইন মিলে খাবারের সবকিছু কনফার্ম করে এসেছে। পাঁচ তারিখে আমি আইডি কার্ডের ডিজাইন করে ফেললাম - সেটা নিয়ে রাজু (হাঙ্গরিকোডার) দৌড়ল প্রিন্ট করতে, লেমিনেট করতে আর গলায় ঝোলানোর ফিতা কিনতে। শেষমুহুর্তে এই দৌড় টা না দিলে আিদি কার্ড হত না কারো।



পাঁচ তারিখে রাজু, মাসনুন আর ত্রিভুজ মিলে স্লাইড ফাইনালাইজ করছিলাম এমন সময় রাত সাড়ে এগারোটায় আরাফাত,শাহ পরান এবং শাফিউল ভাই মিলে বাসায় মগ আর কলম গুলো দিয়ে গেলেন। তাঁরপরেই দৌড় দিলেন আবার অনেক দুরে তাঁদের বাসায়।



সবশেষে চলে আসলে সেই দিন - সকাল থেকে শুরু হলে সবার ব্র‍্যাক ইউনির দিকে দৌড়াদৌড়ি। আমি একটার দিকে অমি আর মাসনুন কে নিয়ে ড্রাইভ করে চলে আসলাম। এসে দেখি ভলান্টিয়ার দের নিয়ে রাসেল আর রেইন দুপুরের লাঞ্চ করছেন। আমরা সবাইকে একটা ব্রিফ দিলাম কিভাবে কি করতে হবে - এর মাঝে সবাই আসা শুরু করল এক এক করে - এর পরে কি হল, সেটা নিয়ে আরেকটা পোস্ট লিখব কালকে



একটা কথা বলতে ভুলেই গেছি - অনেক অনেক কৃতজ্ঞ এবার আমি সবার কাছে। সবাই মিলে এভাবে না দৌড়াদৌড়ি করলে কিছুই হত না - অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে, অনেক অনেক, শেষ করা যাবে না এত! ব্যানার ডিজাইনার হাসান ভাইকে স্পেশাল ধন্যবাদ ওনার শ্বশুরের অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও সময়মত ব্যানার দেয়ার ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য (এই ব্যাপারে মৃনাল ভাইকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ)



<img src=" style="border:0;" /> ভাল থাকবেন সবাই, অনেক ভাল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29268884 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29268884 2010-11-08 21:03:34
একদিন প্রতিদিন-২
প্রায় দুই ঘন্টা স্থবির এ ট্রাফিক জ্যামের মাঝে আটকা পড়া অসহায় বাবা তাঁর ছোট ছেলের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিলেন, "আজকে প্রধানমন্ত্রী এই রাস্তা দিয়ে যাবেন বাবা, সেই জন্য", আর মনে মনে ভাবতে লাগলেন কি ভয়াবহ রকমের অসহায় অবস্থায় রয়েছেন তারা দুজন। অভীকের মার জন্য হাসপাতালে যাচ্ছিলেন খাবার আর কিছু ঔষধ নিয়ে। এমন সময় এই অবস্থা

আর কতক্ষন বাবাই? অস্থির হয়ে পড়া ছেলের কথায় সম্বিত ফিরে পেলেন বাবা। আর কিছুক্ষন বাবা, ওনার গাড়ি গেলেই আমরাও যাব।

বাবাই, মার খাবার কি হবে তাহলে? মা তো খায়নি এখনো। বাবাই, আমরা যদি প্রধানমন্ত্রীকে বলি তাহলে আমাদেরকে ওনার গাড়িতে নিবে না?

অসহ্য গরম আর ক্লান্তিতে অস্থির হয়ে পড়া বাবা এবার হেসে ফেললেন। জিজ্ঞেস করলেন ছেলেকে, কেন রে?

তাহলে আমাদেরকে হাসপাতালে মার কাছে নিয়ে যেত তাড়াতাড়ি, অভীক চটপট করে বলে ফেলল।

অভীকের মার কাছে ঔষধ টা নিয়ে যাওয়া আসলেই দরকার তাড়াতাড়ি, বাবা ভাবছেন যে কি করা যায়, এমন সময় অভীকের আবার প্রশ্ন, বাবাই কেমন করে প্রধানমন্ত্রী হয়?

কেন তুই হবি? বাবা অভীকের হাত ধরে জিজ্ঞেস করলেন। অভীক কোন কিছু বলল না। কেটে যাচ্ছে আরো কিছু সময়, বাসের নড়ার নাম গন্ধ নেই। বাইরে কেউ কেউ আনন্দে গান বাজনা করছে রাস্তায়।

এমন সময় বাসের পাশে থেমে থাকা অ্যাম্বুলেন্স টা থেকে আরো জোরে জোরে কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছিল। রোগীর অবস্থা ক্রমেই খারাপ হওয়ায় রোগীর আত্মীয় স্বজনের বেড়ে চলা কান্নার এই মন খারাপ করা অবস্থায় হঠাৎ ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্নার শব্দে বাবা চমকে ফিরে উঠে অভীককে জিজ্ঞেস করলেন, আরে বোকা কাঁদিস কেন?

মার জন্য বাবাই, মা যদি মরে যায়?

দুর বোকা, মাথা নেড়ে দিয়ে অভীক কে একটু কাছে টেনে নিলেন বাবা। জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকলেন পাশের অ্যাম্বুলেন্সটির দিকে। কান্নার শব্দ আরো একটু বেড়েছে বলেই মনে হল তাঁর...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29247358 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29247358 2010-09-30 01:24:20
জলপাই মামাদের গেট, একটি ম্যানহোল এবং জনৈক পালসার আরোহীর একটি ভয়াবহ সন্ধ্যার গল্প
আমি ভাবলাম, ওহে সেলুকাস, কি আর দেখেছিলে ইন্ডিয়ায় - আসতে যদি এই মগের মুল্লুকে, তোমার আলেকজান্ডার আরো যে কত কি ডায়ালগ শোনাত তোমায়!

সিরিয়াসলি, মানুষ কতবড় আহাম্মক হলে রাস্তার মাঝে এই রকম গর্ত ঠিক না করে ফেলে রাখে তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। একটুর জন্য কতবড় একটা অ্যাক্সিডেন্ট থেকে বেঁচে গেলাম আজকে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29242586 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29242586 2010-09-20 23:09:44
একজন বিশেষজ্ঞ রওশন আলি, একটি রহিম আফরোজ ব্যাটারী, কিছু তেল এবং একজন আম জনতার গল্প
আমার তখন ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা। ১০৪ ডিগ্রী জ্বর, বমি আর ব্যথা। সুমি পপুলার ডায়াগন্সটিক সেন্টারের উত্তরা শাখায় মেডিসিন স্পেশালিস্ট ডক্টর রওশন আলীর কাছে সিরিয়াল নিল, সিরিয়াল নম্বর পেলাম ২৬। আমি, সুমি, রানা, নিলাভ আর পল্লব ওয়েটিং রুমে বসে তীর্থের কাকের মত সেকেন্ড গুনছি যে কখন আমাদের ডাক পড়ে। আমি কোনরকমে বমি আটকাচ্ছি বসে থেকে। একসময় ডাক পড়ল - যাক বাবা, হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম আমি, আর অন্তত বসে থাকা লাগবে না।

আমি আর ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকলাম। মধ্যবয়স্ক চশমা পরা একজন মানুষ বসে আছেন। আমাকে জিজ্ঞেস করলেন নাম কি?
আমি: হাসিন হায়দার
ডাক্তার: বয়স কত
আমি: ৩২
ডাক্তার: ঠিক আছে বলেন আপনার সমস্যা কি

আমি বলা শুরু করলাম, ২৫ সেকেন্ডও মনে হয় যায়নি এরপরে, হঠাৎ ওনার মোবাইল বেজে উঠল। ডাক্তার মোবাইল এর নম্বর দেখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন "স্যরি, একটু রিসিভ করে নেই"। আমি মাথা ঝাঁকিয়ে বললাম "অবশ্যই"

এবার শুরু হল ডাক্তার সাহেবের বিশাল গল্প। তার বন্ধু তাঁকে ফোন করেছেন কোন পেট্রোল পাম্প থেকে পেট্রোল নেয়া গাড়ির জন্য সাশ্রয়ী সেটা জানার জন্য। ডাক্তার সাহেব বিজ্ঞের মত এক এক পেট্রোল পাম্পের অকটেনের সম্বন্ধে মন্তব্য করতে লাগলেন "আরে না, নিকুঞ্জের পাম্প থেকে নিও না, ওরা তেলে কি দেয় কে জানে, আমার গাড়ি বেশি চলে না....হ্যাঁ হ্যাঁ, টঙ্গীর টাও ভাল..."

আমি বসে ঠকঠক করে কাঁপছি ঠিক ওনার পাশে, ওনার আর তেল গবেষনা শেষ হয় না। প্রায় নয় দশ মিনিট তিনি তেল নিয়ে আলোচনা করলেন, অবশেষে তেলের প্রসঙ্গ শেষ হল। আমি ভাবলাম, এবার বুঝি আমার কথা শুনবেন। কিন্তু ডাক্তার সাহেবকে বলতে শুনলাম "বন্ধু তুমি যখন ফোন করলা তখন তোমার কাছ থেকে একটা পরামর্শ নেই। বলত আমার রহিম আফরোজের ব্যাটারী ঠিক এক বছর পরপর নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কেন। আগের বার ওয়ারেন্টি ছিল তাই ওরা বদলায় দিছে, এবার তো নাই, কি হবে?"

আলোচনা চলতেই আছে। আমি ভাবলাম বের হয়ে যাই নাকি। কিন্তু বের হলে আমারই লস, আমার তো চিকিৎসা টা দরকার।" কিন্তু ডাক্তার সাহেবের ব্যাটারি নিয়ে আলোচনা আর শেষ হয় না। কোন ব্র‍্যান্ড কিনলে দাম কম হবে, কার মামার খালা শ্বশুরের কাছে গেলে ডিসকাউন্ট পাওয়া যাবে ইত্যাদি বিতং চলতে থাকল। আমি শুধু ছটফট করি পাশে বসে।

অবশেষে প্রায় পনের বিশ মিনিট পরে আলোচনা শেষ হল। ওনার অ্যাসিসট্যান্ট এসে মনে করা দিল নামাজ পড়ার সময় হয়েছে। উনি ২০ সেকেন্ডে আমার কথা শুনলেন। কয়েকটা টেস্ট লিখলেন আর হসপিটালের নাম লিখে বললেন এখানে ভর্তি হন, আমি পরশু দিন গিয়ে দেখব।

আমি একবার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করলাম, ডাক্তার সাহেব, আমার প্রবেলম টা আপনি ঠিক মত শুনেছেন তো? উনি বললেন হ্যা শুনেছি। বলে আমার কাছ থেকে ফি টা নিয়ে ঝড়ে বেগে নামাজ পড়তে বের হয়ে গেলেন।

আমি মনে মনে বললাম "শালা চামারের বাচ্চা"।

পরে আমরা আরো আধঘন্টা ওয়েট করে আরেকজন মেডিসিন স্পেশালিস্ট কে দেখিয়ে হসপিটালাইজড হলাম সেই রাত্রেই। আল্লাহকে ধন্যবাদ যে এটা ডেঙ্গু ছিল না, ছিল ইউটিআই। মোটামুটি সহজেই বেঁচে গেলাম এযাত্রা। তিনদিন হসপিটালে থাকার পর আজকে দুপুর ২ টায় ছাড়া পেলাম।

জনাব বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোহাম্মাদ রওশন আলী সাহেব, আপনি যদি কখনো এই ব্লগ পড়ে থাকেন
আর আমাকে চিনবার খায়েশ হয়, তাহলে আপনার সুবিধার্থে জানিয়ে রাখলাম যে আমি পেশেন্ট নম্বর ২৬, সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখ বিকাল ৪:৪৫ এ আপনার সঙ্গে আমার মোলাকাত হয়েছিল <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29237675 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29237675 2010-09-09 20:23:46
একদিন প্রতিদিন...
অভীক আর বাবা হেটে যাচ্ছে পাশ দিয়ে। বাবাই, লোকটাকে ওরা পেটাচ্ছে কেন? অভীকের জিজ্ঞাসু চোখের দিকে তাকিয়ে বাবা উত্তর দিলেন,
- "ঐ লোকটা রাজাকার ছিল, তাই বাবা",
- রাজাকার কি বাবাই? এবার পাল্টা প্রশ্ন অভীকের
- ওরা খারাপ লোক, আমাদের দেশটাকে আরেকজনের কাছে বেচে দিতে চাইছিল, একটু থেমে এবার উত্তর দিলেন বাবা

অভীক আর বাবা হেঁটে চলছে। বাবাই জানো, আজকে ফাইজার জন্য মা রান্না করতে পারেনি, ছোট্ট অভীক বাবাকে বলল একটু মন খারাপ করে। কেন বাবা, রান্না করতে পারে নি কেন? বাবার প্রশ্নের উত্তরে অভীক বলল "চুলা জ্বলে না বাবাই, আমি আর মা অনেকক্ষন চেষ্টা করলাম, তাও জ্বলে না"। বাবা একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন, কি যে হচ্ছে দেশটার। অভীক আবার বাবার দিকে তাকাল, বাবাই কি যেন নিয়ে চিন্তা করতে করতে হাঁটছে। এসময় বাবাই কে দেখতে ভয় লাগে অভীকের, তারপরেও সাহস করে অভীক বলে ফেলল, "বাবাই, মা বলল সব গ্যাস নাকি শেষ হয়ে যাচ্ছে তাই আর চুলা জ্বলে না। মা আরো বলল, গ্যাস নাকি বেচে দিচ্ছে"। বাবা এবার মনে মনে একটু বিরক্ত হলেন, ছেলের সাথে মায়ের এহেন কথোপকথনের কথা শুনে। অভীক এখনো নেহায়েত বাচ্চাই। কি কথার মানে কি বুঝবে কে জানে। হঠাৎ বাবা হতভম্ভ হলেন অভীকের পরের প্রশ্ন শুনে

- বাবাই, যারা গ্যাস বেচে দিচ্ছে তারাও কি রাজাকার?
একটু হতভম্ভ বাবা উত্তর দিলেন "না বাবা, ওরা রাজাকার হবে কেন?"
- তাহলে ওরা কি বাবাই?

একটু সময় নিলেন বাবা এবার উত্তর দিতে, হাঁটতে হাঁটতেই আস্তে করে অভীকের মাথায় একটা হাত বুলিয়ে ছোট্ট করে উত্তর দিলেন
"ওরা রাজাকারের চেয়েও খারাপ" ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29230425 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29230425 2010-08-27 03:45:21
ইদানীং কালের ভাল লাগা গানগুলো ২. রাসকেল ফ্লাটস: আনস্টপেবল
৩. ম্যাডোনা: সেলিব্রেশন
৪. পিটবুল: আই নো ইউ ওয়ান্ট মি
৫. আর্টসেল: দুর্গম গিরি কান্তার মরু
৬. ওয়াটসন ব্রাদারস: রং
৭. ব্ল্যাক আইড পিস: আই গটা ফিলিং
৮. আল্ট্রা: সে ইট ওয়ানস (অনেক পুরোন গান, ২০০০ এর)
৯. জেমস ব্লান্ট: গুডবাই মাই লাভার
১০. স্টেনটোরিয়ন ফিচারিং ব্যাসবাবা: বিষন্ন আঁধার]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29121367 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29121367 2010-03-22 14:26:09
এখন আর কথা বলার আগে ভাবি না, ভদ্রতারও ধার ধারি না, আমি এখন চরম ক্লান্ত
ঘটনা এক:
কয়েকদিন আগে আলিকোর লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কাজে আমাকে হেলথ চেক আপের জন্য যেতে হয়েছিল এক ডাক্তার এর কাছে। লাইফ ইন্সুরেন্সের এজেন্ট নিয়ে গিয়েছিল। শালার ভাব দেখে শুরু থেকেই চরম বিরক্ত লাগছিল আমার। এমন ভাব যেন মহা দয়া করে সে হেলথ চেকআপ রিপোর্ট দিচ্ছে, আর কথা বলতাছে ভাব বাচ্যে

ডাক্তার: নাম কি?
আমি: কার নাম? আমার, না আমার বাবার নাকি আপনার?
ডাক্তার আর এজেন্ট এমনভাবে তাকাল আমার দিকে যেন এমন উত্তর জীবনেও শোনে নাই। এইবার সেই ডাক্তার একটু অন্যভাবে কয়েকটা প্রশ্ন করল। তারপরে কিছুক্ষন পরে আবার আগের সুরে আমাকে জিজ্ঞেস করল বাবা মারা গেছিল কিভাবে? আমার মেজাজ তখন পুরা বিলা, আমি বললাম আপনিই জানেন আপনার বাবা মারা গেছিল কিভাবে, আমারে জিগান কেন <img src=" style="border:0;" />
ডাক্তার আমার দিকে তাকায় আছে, আমিও ডাক্তারের দিকে। ব্যাটার চোখ দেখে মনে হচ্ছিল আমারে চিবায় খাবে <img src=" style="border:0;" /> আমি তো মহা আনন্দে আছি তখন। তুরুপের তাস আমার হাতে, আমার হেলথ রিপোর্ট ব্যাটাকে দিতেই হবে কারন সে এই কাজের জন্য পেইড। আর এত ছোটলোক মনে হয় না এই কয়টা টাকা ফিরায় দিয়ে এজেন্ট কে বলতে পারবে "আমি এই লোকের রিপোর্ট দিবে না" - হে হে, বাবা, পড়িয়া ফান্দে বগা কান্দে

এজেন্ট বুঝতে পারছে ততক্ষনে যে অবস্থা একটু সিরিয়াস। আমাকে বলল, স্যার আপনে গাড়িতে যেয়ে বসেন আমি রিপোর্ট নিয়ে আসতেছি। খিকজ

ঘটনা দুই:
উত্তরার মোড়ে গাড়ি ঘোরানোর সময় এক হেব্বি ভাব ওয়ালা ড্রাইভার রাস্তার মাঝে এমনভাবে গাড়ি রাখছে যে না পারছি আমরা যেতে না পারছে সেও যেতে। অথচ সিগনাল এর সাইন আমাদের জন্য। আমি একবার বললাম গাড়িটা ব্যাকে নিতে, ওরে ভাব, ব্যাকে নিবে না। আমি গাড়িটা একটু কোনা কোরে ওর সামনে দাড়ালাম যাতে বের হয়ে যেতে না পারে। আমার পিছনে বেশ কয়েকটা গাড়ির লাইন, সবাই ততক্ষনে অধৈর্য্য। আমি গাড়ি থেকে নেমে মোড়ের সার্জেন্ট এর কাছে গেলাম, একদম সামনেই বসে ছিল। তারপরে একটু ভাব দেখায় বললাম ভাই আপনে এইখানে বসে আছেন আর এই লোক এইরকম করে পুরা রাস্তাটা জ্যাম করে রাখছে দেখেন না? সার্জেন্ট মনে হয় এইরকম লাইভ কম্প্লেইন খুব কমই পায় - আর সিচুয়েশন তো পুরা আমার সাইডে, হেহ হেহ, সার্জেন্ট ঐ ড্রাইভার রে গাড়ি সাইডে নেওয়ায় যে ঝাড়ি টা দিল দেখার মত!!!

ঘটনা তিন:
নন্দনে গেলাম আমার বোনপো কে নিয়ে। টিকিট কাউন্টারে আমার আগের জন টিকিট কেটেছে ২৫টা (বাপরে!!)। টিকিট কাউন্টারের লোক টিকিটবুক থেকে একটা একটা করে ২৫টা টিকিট ছিঁড়ল, এর পর গুনল আরেকবার। তারপর আঙ্গুল জিভে ঠেকায় আবার গুনল। এবার একটা ফোন করে কার সাথে জানি কথা বলল একবার, তারপর আবার গুনে নিল টাকা গোনার মত করে। ততক্ষনে আমার মেজাজ খারাপ <img src=" style="border:0;" /> - এদিকে কঠিন গরম, অবস্থা চরম - আর ২৫টা টিকিট চারবার গোনা দাঁড়ায় দাঁড়ায় দেখা যে কি পেইন তা আপনার হলে বুঝবেন। যে টিকেট কিনতেছিল সেও কিছুটা বিরক্ত। টিকেটম্যান এইবার টিকেট গুলো সেই লোককে দেয়ার আগে কি মনে করে আবার গোনা শুরু করল। এইবার তো আমার মাথা পুরা আউট - হেহ হেহ, আমি জোরে জোরে বললাম, ভাইজান কি প্রাইমারী পাশ করছেন? টিকেটম্যান একটু হতভম্ব হয়ে তাকাল এদিকে, আমি বললাম - পঁচিশ গুনতে পারেন ভাইজান? আশেপাশের কেউ কেউ হেসে উঠল একবার। টিকেটম্যান এইবার টিকেট গুলা গোনা শেষ করে আমার সামনের জনের হাতে দেয়ার সময় পাশের একজন বলে উঠল "হায় হায় আমি তো গুনলাম ছাব্বিশটা"। কথা শেষ হতে না হতেই আমার পিছনের জন জোরে জোরে বলল "আমি দেখছি সাতাশ টা আছে" - সবাই হো হো করে হাসতাছে, টিকেটম্যানের চেহারা দেখার মত, সবাই চরম বিরক্ত টিকেটম্যানের উপরে, আমার মনে হয় জীবনে পঁচিশটা টিকেট পাঁচবার গোনার আগে আরেকবার ভাববে...

ঘটনা চার:
ঘটতে আছে ঘটনা, পরে একদিন জানাব <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29121172 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29121172 2010-03-22 04:12:56
কিউবি কাস্টোমার সাপোর্ট অথবা গ্রাহক সেবা, আর আমরা ম্যাঙ্গো পিপল <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> আমি: হ্যালো, কিউবি কাস্টোমার সার্ভিস
এক্স: গুড ইভিনিং স্যার, আমি কিউবি কাস্টোমার থেকে এক্স বলছি, কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?
আমি: গুড ইভিনিং, আমি উত্তরা থেকে হাসিন হায়দার বলছিলাম, আপনাদের একজন সাবস্ক্রাইবার। আমি বেশ কিছুক্ষন ধরে কানেক্ট হতে পারছি না। দুপুর থেকেই লাইন কিছুক্ষন পরপর ডিসকানেক্ট হয়ে যাচ্ছে
এক্স: স্যার আমি দেখছি, আপনার ফোন নম্বর টা একটু বলবেন?
আমি: ০১xy-abcdefg, আমার ইউজার নেম xyzabcd
এক্স: স্যার আমি তো দেখছি আপনি কানেক্টেড
আমি (কিছুটা হতভম্ব হয়ে): হ্যাঁ? কানেক্টেড মানে? আমার তো মোডেম এর নেটওয়ার্ক ইন্ডিকেটর গুলোই জ্বলছে না
এক্স: আপনি কি মোডেমটা আগের জায়গা থেকে সরিয়েছেন স্যার?
আমি: না
এক্স: আপনার মোডেম এর সবগুলো লাইট কি জ্বলছে?
আমি: না, একটু আগেই তো বললাম যে নেটওয়ার্ক ইন্ডিকেটর গুলোই জ্বলছে না
এক্স: স্যার আপনি একটু মোডেম এর কন্ট্রোল প্যানেল এ ঢুকুন, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার দিয়ে ঢুকবেন স্যার
আমি(একটু মজা করে): ভাই আমার তো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার নাই, আমি তো ম্যাক ইউজ করি, এখন কি করব?
এক্স: ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার নাই? তাহলে স্যার একটু অপেক্ষা করেন আমি দেখি
আমি: আচ্ছা
এক্স: স্যার আপনি মোডেমের পাওয়ার অফ করে আবার অন করেন
আমি: আমি এটা বেশ কয়েকবার করেছি ভাই, এখানে উত্তরাতে আরো যে কয়জন আছে সবারই একই অবস্থা
এক্স: স্যার সবারই একই অবস্থা এটা বুঝলেন কেমন করে
আমি(মেজাজ খারাপ): ভাই মোবাইল দিয়ে একজন একজন করে ফোন করলাম, দেখলাম সবারই একই অবস্থা
এক্স: স্যার আপনি কিছুক্ষন অপেক্ষা করে দেখুন, আমার মনে হয় ঠিক হয়ে যাবে। কারন নেটওয়ার্কের কোন প্রবলেম হলে আমরা জানতাম
আমি: কতক্ষন অপেক্ষা করব?
এক্স: স্যার ম্যাক্সিমাম আধাঘন্টা
আমি: আচ্ছা

(রাত ৮:৩০)

আমি: হ্যালো, কিউবি?
ওয়াই: গুড ইভিনিং স্যার, আমি কিউবি কাস্টোমার থেকে ওয়াই বলছি, কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?
আমি: ভাই আমার কানেকশন কিছুক্ষন পরপর ডিসকানেক্ট হয়ে যাচ্ছে, এবং উত্তরা ১৪ তে যারা কিউবি ইউজার তাদের সবারই একই অবস্থা
ওয়াই: স্যার আপনি একটু মোডেম এর কন্ট্রোল প্যানেল এ ঢুকুন, আপনি কি আগের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করেছেন স্যার?
আমি: না
ওয়াই: তাহলে স্যার মোডেমের অ্যাডভান্সড ট্যাবে যান, ওখানে ওয়াই-ম্যাক্স সেটিংস এ ক্লিক করুন, পাসওয়ার্ড দিন
আমি: পাসওয়ার্ড তো আমি চেঞ্জ করি নাই, তাহলে ওখানে পাসওয়ার্ড দিব কেন? ওটা তো পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার জন্য প্যানেল
ওয়াই: ওহ আচ্ছা স্যার, তাহলে মোডেম সেটিংস এ যান, সেখানে গিয়ে মোডেম রিস্টার্ট করুন
আমি: ভাই আমি কিন্তু বেশ কয়েকবার মোডেম রিস্টার্ট করেছি, আর উত্তরা তে এই এরিয়ায় বেশ কয়েকজন সাব্স্ক্রাইবারের সাথে আমি কথা বলেছি, সবারই একই অবস্থা
ওয়াই: স্যার আপনি একবার রিস্টার্ট করে দেখুন, ঠিক হয়ে যেতে পারে
আমি: আচ্ছা, এইযে রিস্টার্ট দিলাম - কিন্তু এখানে তো রিস্টার্টিং এর প্রোগ্রেসিং দেখাচ্ছে, শেষ তো হয় না
ওয়াই: স্যার আর দুমিনিট দেখুন, যদি না হয় তাহলে পাওয়ার অফ করে অন করুন
আমি: আচ্ছা
(দু মিনিট পর)
আমি: ভাই একই অবস্থা
ওয়াই: তাহলে পাওয়ার অফ করে আবার অন করুন
আমি (অফ/অন করে): ভাই সেম অবস্থা
ওয়াই: আমি টেকনিক্যাল টিমের সাথে কথা বলে আপনাকে জানাচ্ছি স্যার, আপনার ফোন নম্বরটা একটু দিবেন?
আমি: ০১xy-abcdefg, আমার ইউজার নেম xyzabcd
ওয়াই: আচ্ছা স্যার

(দশ মিনিট পরে, আমি ফোন করলাম)
আমি: ভাই আপনি তো আমাকে জানালেন না
ওয়াই: স্যার, আমাদের NOC থেকে জানালো আর কিছুক্ষনের মাঝে ঠিক হয়ে যাবে
আমি: কতক্ষন সেটা বলেন প্লিজ, আমি দুপুর তিনটা থেকে এই ঘটনা দেখছি
ওয়াই: স্যার আর এক ঘন্টার মাঝেই

(রাত ৯:৪০, আবার আমি ফোন করলাম)
আমি: ভাই, কিউবি সাপোর্ট?
জেড: জ্বি স্যার আমি কিউবি সাপোর্ট থেকে জেড বলছি, হাও মে আই হেল্প ইউ স্যার
আমি: আমার ফোন নম্বর ০১xy-abcdefg, আমার ইউজার নেম xyzabcd, কাইন্ডলি বলুন যে আমার লাইনটা যে অনেক্ষন ধরে ডিসকানেক্টেড হয়ে আছে সেটা ঠিক হতে আর কতক্ষন লাগবে
জেড: জ্বি স্যার, আপনি কতক্ষন ধরে ডিসকানেক্টেড আছেন?
আমি: দুপুর তিনটা থেকে, কিছুক্ষন পর পর ডিসকানেক্টেড হয়ে যাচ্ছে, আর আমি এই নিয়ে তিনবার ফোন করলাম। লাস্ট করেছিলাম রাত সাড়ে আটটায়। আপনারা বলেছেন যে একঘন্টার মাঝে ঠিক হয়ে যাবে
জেড: স্যার আমি একটু নকে ফোন করে দেখি, আপনি একটু লাইনে থাকুন। স্যার আপনার ফোন নম্বরটা একবার বলবেন কি?
আমি: আমি অলরেডী একবার বলেছি, আমার ইউজার নেম ও আপনি চেক করেছেন, লগে দেখেন আমার ফোন নম্বর কত
জেড: জ্বি স্যার
(পিং পিং করে গান বাজতে থাকলে বেশ কিছুক্ষন "আমার জীবন দুরন্ত এই মন, কিউবি পেয়ে ছুটছে সারাক্ষন..." আমি শুনতে থাকলাম)
জেড: স্যার, আপনার মোডেম টা একবার রিস্টার্ট করবেন প্লিজ
আমি: ভাই আমি মোডেম রিস্টার্ট করেছি বেশ কয়েকবার, এই আজাইরা কথাটা বন্ধ করেন প্লিজ
জেড: স্যার, আমি দেখছি আপনার পাসওয়ার্ড হল abcd123, এটা কি আর চেঞ্জ করেছেন?
আমি (খুবই অবাক হয়ে, যে আমার পাসওয়ার্ড ওদের ওখানে প্লেইন টেক্সটে সেভ করা শুনে): না
জেড: ঠিক আছে স্যার আমি দেখছি
(আবার পিং পিং করে গান বাজতে থাকল...)
জেড: স্যার আমাদের নক থেকে জানাল যে একটু প্রবলেম হচ্ছে একঘন্টার মাঝে ঠিক হয়ে যাবে
আমি: ভাই এটা তো জানানো হল সাড়ে আটটার সময়েও। একঘন্টা হতে কতক্ষন লাগবে?
জেড: এবার একঘন্টার মাঝেই ঠিক হয়ে যাবে।
আমি: কি প্রবলেম?
জেড: বিটিসিএল এর সাথে ব্যান্ডউইডথের প্রবলেম
আমি: বিটিসিএলের সাথে ব্যান্ডউইডথ নিয়ে প্রবলেম হলে আপনার বেশির ভাগ ২৫৬ কাস্টোমার কে ফ্রি ৫১২ দিচ্ছেন কেন এক সপ্তাহের জন্য, যেখানে আমরা ৫১২ এর কাস্টোমাররাই ঠিকমত ব্যান্ডউইডথ পাচ্ছি না?
জেড: স্যার আসলে বিটিসিএল এর সাথে কানেকশন প্রবলেম
আমি: আচ্ছা


(রাত ১০:৫৫)
আমি: কিউবি সাপোর্ট?
জেড: আমি কিউবি থেকে জেড বলছি, হাও মে আই হেল্প ইউ
আমি: ভাই সোয়া একঘন্টা আগে জানালেন যে একঘন্টার মাঝে ঠিক হয়ে যাবে। এখনো তো নেটওয়ার্ক ডাউন হয়েই আছে
জেড: স্যার নক থেকে জানিয়েছে যে প্রবলেম হয়েছে, কাজ চলছে
আমি: কতক্ষন লাগবে?
জেড: স্যার আমি ঠিক বলতে পারব না
আমই: নকে জিজ্ঞেস করুন, আমার রাতে মিটিং আছে এবং কানেকশনটা লাইভ হওয়া আমার খুবই দরকার
জেড: স্যার আমি বুঝতে পারছি কিন্তু নক থেকে আমাকে কোনো টাইম জানানো হয় নাই
আমি: কোনো টাইম জানানো হয় নাই জে কতক্ষন লাগবে লাইন ঠিক হতে, বা অ্যাটলিস্ট কতক্ষন লাগতে পারে
জেড: না স্যার

আমি ফোন টা কেটে দিলাম। চমৎকার কাস্টোমার সার্ভিস। ফোন করলেই ফাটা রেকর্ডের মত এক ঘন্টা ধরে সবক দিবে কিভাবে মোডেম রিস্টার্ট করতে হয়, যেন মোডেম রিস্টার্ট ছাড়া এরা কিছুই জানে না।

এই ব্যপারটা ঘটেছে বেশ কয়েকবার এবং যতবার ফোন করি একই ঘটনা অলমোস্ট অল দ্য টাইম।


আপডেট:
বন্ধু অমি আজাদ কে ফোন করলাম ১১ টা ১৫ এ যে ওর কানেকশনের কি অবস্থা জানার জন্য। অমির ও মেজাজ খারাপ কাস্টোমার কেয়ারের আজাইরা কথা বার্তার জন্য। একটা প্রবলেম হলে সেটা ভাল কথা, কিন্তু একটা অথেনটিক ইনফরমেশন না দিয়ে শুধু শুধু কথা প্যাঁচানোটা একেবারেই অসহ্য। অমি অবশ্য মজার কথা বলল - ওকে নাকি এজেন্ট বলেছে "স্যার ঠিক এগারোটার সময় ঠিক হয়ে যাবে"। অমির ঘড়িতে বাজে তখন এগারোটা সাত। তো সে এজেন্টকে জিজ্ঞেস করেছে ভাই ঘড়িটা একবার দেখেন যে কয়টা বাজে <img src=" style="border:0;" />

আপডেট:
এখন বাজে রাত ১:৩৮, এখনো কানেকশন লাইভ হয় নাই। আমি গ্রামীন ফোনের পি৪ দিয়ে লগইন করে এই পোস্ট করলাম <img src=" style="border:0;" />


খিক খিক খিক, জয়তু কাস্টোমার সার্ভিস, জয়তু গ্রাহক সেবা <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29121125 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29121125 2010-03-22 01:41:33
আপডেট ২৮শে জানুয়ারী

ঘুম থেকে উঠলাম আজকে ৩টার সময়। উঠেই মনে পড়ল, হায় হায়, হাসানের সাথে একটা জরুরী মিটিং ছিল বেলা একটায় <img src=" style="border:0;" /> । হাসানের সাথে আবার সেটা রিশিডিউল করলাম বেলা ৫টায়। ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটিতে আমি আর হাসান প্রতি শনিবার ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের উপরে ওয়ার্কশপ করব, সেটা নিয়েই আন নাজিয়াত রাসেলের সাথে আমার আর হাসানের একটা মিটিং ছিল।

মিটিং শেষ করে আমি আর হাসান আড্ডা দিলাম 'বিটার সুইট' ক্যাফে তে বসে। আহ, হাসানের ম্যাকবুক প্রো দেখে খুব লোভ হচ্ছিল <img src=" style="border:0;" />

রাতে দুজন মিলে মিনি গলফ খেললাম উত্তরার মিনি গলফ অ্যান্ড গ্রিন ক্যাফেতে। যাওয়ার সময় হাসান আমার গাড়ির সিডি প্লেয়ার থেকে ইউ.কে টপ ৪০ এর সিডি আর 'আপ ইন দ্য এয়ার' এবং 'দ্য রোড' এর ডিভিডি জোর করে নিয়ে গেছে <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29087609 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29087609 2010-01-29 00:53:18
জীবন যখন যেমন
অসহ্য ব্যস্ততার ইদানীং রাতের বেলা বের হয়ে পড়ি ড্রাইভ করতে। আলো ঝলমলে রাস্তায় একদম একা - একদম একা। সিডি প্লেয়ারে আর্টসেল গেয়ে যায় "কাণ্ডারী হুশিয়ার" , অথবা স্যাভেজ গার্ডেন গেয়ে ওঠে "অন দ্য টেলিফোন লাইন আই অ্যাম এনিওয়ান, আই অ্যাম এনিথিং আই ওয়ানা বি" - ড্রাইভ করার সময়ে এই সামান্য একদম নিজস্ব সময়টুকুতে আমারো মনে হয় "আই অ্যাম এনিওয়ান, আই অ্যাম এনিথিং"

খুব রাতে ড্রাইভ করার সময়টুকু দারুন কাটে। একদম ফাঁকা রাস্তা - শুধু বাস আর ট্রাক চলে যায় আশ পাশ দিয়ে। আমি উদ্দেশ্যহীন ভাবে ড্রাইভ করি। পাশেই কেউ একজন গাইতে থাকে

Just a small town girl
Living in a lonely world
She took the midnight train going anywhere
Just a city boy
Born and raised in South Detroit
He took the midnight train going anywhere

A singer in a smoky room
A smell of wine and cheap perfume
For a smile they can share the night
It goes on and on and on and on]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29086887 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29086887 2010-01-27 22:04:19
জাগরনের গান কিনলাম আজকে
অনেক খুঁজেও না পেয়ে মন খারাপ করে ছিলাম। সুমী আজকে এসে বলল উত্তরার একটা দোকানে নাকি পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু দাম ৭০০ টাকা। আইডিবিতে কম্পিউটার জগতে বলেছিল দাম নাকি ৫০০ টাকা। বাংলা লিংক বিশাল একটা ফাজলামী করছে প্যাকেটের কোথাও দাম না লিখে।

যাই হোক, আজকে বিকালে কিনলাম। খুবই ভাল লাগছে গান গুলো শুনতে। দারুন মিক্সিং এবং রেকর্ডিং। তবে সবগুলো দলবদ্ধ ভাবে না করে সলো হিসেবে করলে মনে হয় আরো ভাল লাগত শুনতে।

আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি,
তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী
তোমার মুক্তকেশের পুঞ্জমেঘে লুকায় অশনি
তোমার আঁচল ঝলে আকাশতলে রৌদ্রবসনী]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29060750 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29060750 2009-12-17 21:25:36
ড্যান সিলস - এভরিথিং দ্যাট গ্লিটার, ইজ নট গোল্ড গিজ ইউ আর স্টিল দ্য সুইট হার্ট অফ দ্য রোডিও

অ্যাজ ফর মি অ্যান্ড লিটল ক্যাসি
উই স্টিল মেক দ্য সার্কিট
ইন আ ওয়ান হর্স ট্রেলার অ্যান্ড দ্য মোবিল হোম

অ্যান্ড শি স্টিল আস্কস অ্যাবাউট ইউ অল দ্য টাইম
অ্যান্ড আই গিজ উই নেভার ইভেন ক্রস ইওর মাইন্ড

বাট ওহ সামটাইম আই থিঙ্ক অ্যাবাউট ইউ
অ্যান্ড দ্য ওয়ে ইউ ইউজড টু রাইড আউট
ইন ইওর রাইনস্টোনস অ্যান্ড ইওর সিকুইনস
উইথ দ্য সানলাইট অন ইওর হেয়ার

অ্যান্ড ওহ দ্য ক্রাউড উইল অলওয়েজ লাভ ইউ
বাট ফর মি অ্যাজ আই'ভ কাম টু নো
এভরিথিং দ্যাট গ্লিটারস ইজনট গোল্ড

ওয়েল ওল্ড রেড হি ইজ গেটিং ওল্ডার
অ্যান্ড লাস্ট স্যাটারডে হি স্টাম্বল্ড
বাট ইউ নো আই জাস্ট ক্যান্ট বেয়ার টু লেট হিম গো

লিটল ক্যাসি শি ইজ স্টিল গ্রোয়িং
অ্যান্ড শি স্টার্টেড আসকিং কোয়েশ্চনস
অ্যান্ড দেয়ার সার্টেইন থিংস আ ম্যান জাস্ট ডাজ নট নো

হার বার্থডে কেম অ্যান্ড ইউ নেভার ইভেন কলড
আই গিজ উই নেভার ক্রস ইওর মাইন্ড অ্যাট অল

অ্যান্ড দ্য ওয়ে ইউ ইউজড টু রাইড আউট
ইন ইওর রাইনস্টোনস অ্যান্ড ইওর সিকুইনস
উইথ দ্য সানলাইট অন ইওর হেয়ার

অ্যান্ড ওহ দ্য ক্রাউড উইল অলওয়েজ লাভ ইউ
বাট ফর মি অ্যাজ আই'ভ কাম টু নো
এভরিথিং দ্যাট গ্লিটারস ইজ নট গোল্ড]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29050127 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/29050127 2009-11-26 19:10:28
বাংলা স্ক্রিপ্ট গুলোর রিফ্যাক্টরিং এর কাজ শুরু করলাম - সাহায্য দরকার আপনাদের থেকে
এরপর থেকে স্ক্রিপ্টগুলো অলমোস্ট আগেরমতই আছে, মাঞ্চু মাহারা (সবুজ কুন্ডু) আপডেট করেছে এগুলো, তারপর আমি অ্যাড করেছি ইন্টেলিজেন্ট ফোনেটিক পার্সার টা। মাঝে এসেছে প্রভাত এবং ইনস্ক্রিপ্ট (মাঞ্চু)। সবশেষে প্রথম আলো ব্লগ তৈরী করার সময় রিলিজ দিয়েছি বিজয় (ইউনিজয় না) এবং ভার্চুয়াল কীবোর্ড

আমার জানামতে রাজু (প্রজন্ম ফোরামের), ইফতেখার এবং রাশেদ (আমার ব্লগের) এবং রায়হান (নির্মান ব্লগের) ছাড়া ছাড়া ভাবে তাদের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য কিছু কুইক ফিক্স/হ্যাক ছেড়েছেন, ধন্যবাদ তাঁদেরকেও।

আমার এবং মাঞ্চুর প্রতিটা রিলিজের পিছনে কাজ করেছে অমি আজাদ। প্রতিটা স্ক্রিপ্ট রিলিজ দেয়া হয়েছে এলজিপিএল লাইসেন্সের অধীনে (তবে খুব শিঘ্রই আমি এটা চেঞ্জ করে নিউ-বিএসডি করে ফেলব )

এখন আমি চাইছি ফিক্স হগুলো একসাথে করতে এবং আপনাদের পরামর্শ অনুযায়ী স্প্রিপ্ট গুলো আপডেট করতে। সেজন্য আপনার যদি আমাকে আপনাদের পরামর্শগুলো জানান আমি চেষ্টা করব সে অনুযায়ী একটা রিলিজ প্ল্যান করতে। তাতে আশাকরি সবার জন্যই স্ক্রিপ্ট গুলো আরো বেশী করে কাজে আসবে (কারন এখন অলমোস্ট ৯০% বাংলা ওয়েব অ্যাপগুলোতে এই স্ক্রিপ্ট গুলো ব্যবহার করা হয়)

আমাকে পরামর্শগুলো জানান এই ইমেইলে। কারো যদি সচলায়তন বা আমার ব্লগ বা প্রথম আলোতে অ্যাকা্উন্ট থেকে থাকে অনুগ্রহ করে সেখানে একটা ডুপ্লি পোস্ট করবেন কি?

বাংলা কম্পিউটিং সহজ হোক সবার জন্য - আরো সহজ হোক দিন দিন - এই কামনায়। আমি আশা করব আপনারা যারা প্রোগ্রামিং জানেন (বা জানেন না) এগিয়ে আসবেন ওপেন সোর্স বাংলা কম্পিউটিং কে সমৃদ্ধ করতে, সামর্থ্য অনুযায়ী।

ধন্যবাদ সবাইকে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/28967589 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinhayder/28967589 2009-06-21 17:54:36