somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... হামহাম জলপ্রপাত (বাংলাদেশ)





সংরক্ষণঃ প্রথম আলো ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29446824 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29446824 2011-09-12 16:17:54
কেওক্রাডংয়ের পথে (উচ্চতা ৩১৭২ ফুট) আমরা আছি দার্জিলিংপাড়া নামের জায়গায়। পেছনে ফেলে এসেছি বগালেক, চিম্বুক, নিলগিরি। এখানে বমদের একটি পাড়ায় বসে চা পানের পর্ব চলছে। বম তরুণী দোকানদার।
ছবি: নুরুল আজম

বের হয়ে আবার হাঁটা। ঘণ্টা খানেক পর দূর থেকে দেখতে পেলাম কেওক্রাডংয়ের চূড়া। ততক্ষণে আকাশে একটু একটু মেঘও জমতে শুরু করেছে। রোদের তেজও পড়ে গেছে অনেকখানি। কয়েক ফোঁটা বৃষ্টিও পড়ল গায়ে। কেওক্রাডংকে হাতের নাগালে দেখে হঠাৎ শরীরের সব ক্লান্তি উবে গেল। ভূমি থেকে তিন হাজার ১৭২ ফুট উঁচুতে আমরা। আমাদের দলের সাতজনেরই প্রথম এত দূর আসা। হইচই করলাম। গলা ছেড়ে চিৎকার করলাম। টের পেলাম খিদে পেয়েছে। খেতে হবে। খাওয়ার জন্য যেতে হবে সামনের পাশিংপাড়ায়। পাড়াপ্রধান পাশিং কারবারিকে সকালেই ফোন করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানালেন তিনি। মেন্যু পাহাড়ি ঢেঁকিছাঁটা লাল চালের ভাত আর ঝাল করে রান্না পাহাড়ি মোরগ। খাওয়া শেষে আবার কেওক্রাডংয়ের চূড়ায়। কাটালাম আরও ঘণ্টা খানেক। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ফিরতি পথে রওনা দিলাম। উদ্দেশ্য, চাঁদের আলোয় পাহাড়ি ঢাল বেয়ে হেঁটে নামব। রাতে হাঁটা দিনের চেয়ে অনেক সহজ; কারণ, গরম নেই একটুও। দার্জিলিংপাড়ার বম সুন্দরীর দোকানে আবারও চা-বিরতি। একই রকম অভ্যর্থনা। চা পান শেষে বিদায় নিয়ে আবার রওনা দিলাম। মনটা যেন কেমন করে উঠল। কেওক্রাডং না অন্য কারও জন্য, জানি না। চাঁদের আলোয় পাহাড়ি ট্রেইলটা দেখতে একটা আঁকাবাঁকা দড়ির মতো। সেই দড়ির ওপর হেঁটে চলেছি আটটি ছায়ামূর্তি। এখন আর তেমন ক্লান্তিটান্তি নেই। কেমন যেন একটা নেশায় পাওয়ার মতো বিরতিহীন হেঁটে চলেছি আমরা। রাত বেশি হওয়ার আগে রেস্টহাউসে পৌঁছাতে হবে। বিকেলে আকাশে মেঘ ছিল। বৃষ্টি নামলে ভয়ংকর হয়ে যাবে আমাদের ফেরা।
সাড়ে আটটায় নিরাপদেই পৌঁছে গেলাম রেস্ট হাউসে। ঘেমে সবার গোসল হয়ে গেছে। রেস্টহাউসের মাঠে বসলাম গোল হয়ে। উঠতে ইচ্ছে করছিল না—পা জমে গেছে। মনে হলো, বিশ্বজয় করে এসেছি। চলে গেলাম সোজা বগালেক। লেকের ঠান্ডা পানিতে গোসল করলাম অনেকক্ষণ সময় নিয়ে। লেকের ঠান্ডা পানিতে যেন ধুয়ে গেল পাহাড় বেয়ে ওঠার সব ক্লান্তি।
অথচ সকালেও ভাবিনি আজকের দিনটা এমন হবে। হঠাৎ সিদ্ধান্তেই বগালেক থেকে কেওক্রাডং চলে যাওয়া। ফ্ল্যাশব্যাকে টুকরো বর্ণনা। বগালেক থেকে মিনিট খানেকের হাঁটাপথ লারাম রেস্টুরেন্ট। ১০-১২টি ঘর আর তার চেয়ে বেশি কিছু পরিবারবেষ্টিত একটি জায়গা, লেকের পাড়েই। প্রায় প্রতিটি ঘরের সঙ্গেই দোকান। এখানে সাকুল্যে ৪০ জন গাইড আছেন। তাঁদের সরদার হলেন লারাম। লারামই আমাদের গাইড। কে তুলল প্রস্তাবটা মনে নেই। তবে মিনিট খানেকের মধ্যেই হইহই শুরু হলো—কেওক্রাডং যাব।
১১টা ৩৮ মিনিটে যাত্রা শুরু। সঙ্গে কিছু কলা, পানির বোতল, কেক। পাহাড়ি বন-ঝোপঝাড়ের মধ্য দিয়ে একটি সরু পথ—পায়ে হাঁটার ট্রেইল। সেই ট্রেইল ধরেই আমরা আটজন হেঁটে চলি। কোথাও খাড়া উঁচু আবার খাড়া নিচু। মাঝেমধ্যে ঝোপঝাড়ের একটু ছায়া পেলে শান্তি লাগে। প্রথম মিনিট বিশেক হাঁটার পর মনে হলো, এই কাজ আমার পক্ষে সম্ভব নয়। বেশ খানিকটা পথ হাঁটার পর প্রথম একটা ছোট্ট ঝরনার মতো জায়গায় এসে থামলাম। জায়গাটা নিরিবিলি। পানি অনেক ঠান্ডা। মুখ-হাত ধুয়ে, মাথায় পানি ঢেলে আবার রওনা হলাম। আরও বেশ খানিকটা পথ মোটামুটি নিজেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার পর পৌঁছে গেলাম একটা ছোট ঝরনার কাছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এটাকে ডাকে ‘চিংড়ি ঝরনা’ বলে। এতক্ষণ হাঁটার ক্লান্তির অনেকটুকু শুষে নিল ঝরনার শীতল পানি। আবার শুরু। একসময় হঠাৎ খেয়াল করলাম, পা সয়ে গেছে। লারাম জানালেন, পথ এখনো অনেক বাকি। একটার পর একটা পাহাড় পেরিয়ে যাচ্ছি। পাহাড় যেন আর শেষ হয় না। অসংখ্য পাহাড় দিয়ে গাঁথা মালা যেন। কিছুদূর যাওয়ার পর একটা যাত্রীছাউনি পড়ল; ওখানে থামলাম। না থেমে অবশ্য উপায়ও নেই। এ পর্যন্ত আসতে সবচেয়ে দীর্ঘ ঢাল বেয়ে উঠতে হয়েছে, ফলে সবাই কমবেশি হাঁপিয়ে গেছি। পৌঁছে গেছি দার্জিলিংপাড়া।
চোখের সামনে শুধু ভাসছে বম মেয়েটির মুখ। ফেরার পর বগালেকের পানিও তার স্মৃতি ধুয়ে দিতে পারল না।
কুটিরের মেঝেতে রাত কাটালাম। সকালে ভালো করে আরও কিছুক্ষণ বগালেক দেখে হেঁটেই রওনা দিলাম। নিচে আমাদের জন্য চান্দের গাড়ি অপেক্ষা করছে। গতকাল কেওক্রাডং গিয়ে সাহস অনেক বেড়ে গেছে। মিনিট বিশেক ঘোরাপথে হেঁটে গাড়ির কাছে চলে এলাম। আবার গিরিখাতের মতো ঢালু পথে চান্দের গাড়িতে করে চাঁদ থেকে ধরণিতে। রুমায় যখন পৌঁছাই, তখন সূর্য সোজা মাথার ওপর। সাঙ্গুতে নেমে এবার গা ভাসিয়ে দিলাম। পাহাড়ের ক্লান্তি পাহাড়ি নদী সাঙ্গুতে ভাসিয়ে দিয়ে ফিরে এলাম চিম্বুকে।
এরপর আর কী? চোখ বুঝলেই চোখের সামনে ফাস্ট ফরওয়ার্ড মুভির মতো দ্রুত ভেসে চলল চিম্বুকের সকাল, রুমা থেকে বগালেকের সেই ভয়ংকর ঢাল, রাতের বগালেক, কেওক্রাডং যাওয়ার পথের অসংখ্য পাহাড়, কেওক্রাডংয়ের চূড়া, পাশিং কার্বারির পাহাড়ি মোরগের ঝোল, সাঙ্গুর হাঁটুপানি। গোটা স্বপ্নের কোথাও এতটুকু ক্লান্তি নেই। আমার দেশের এই সৌন্দর্য না দেখে মরে গেল একটা আফসোস থেকে যেত। স্বপ্নেই বেজে উঠল, ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি...’।

যেভাবে যাবেন
প্রথমে চট্টগ্রাম থেকে বাসে বান্দরবান। ওখান থেকে চান্দের গাড়িতে সোজা রুমা। এসব ক্ষেত্রে দরদামটা আগেই করে রাখা ভালো। নৌকায় সাঙ্গু পার হয়ে রুমা বাজার। আবারও চান্দের গাড়ি। ওই গাড়িতেই বগালেক। লেকের পাড়েই লারাম রেস্টহাউস। রাতে থাকার পরিকল্পনা থাকলে রুম ভাড়া করতে পারেন। ওখানেই পাবেন গাইড। বাকিটুকু হাঁটাপথ; গাইডই নিয়ে যাবেন। সঙ্গে সানগ্লাস, হ্যাট, ব্যাক ব্যাগ, পানির বোতল, হালকা কেক/বিস্কুটও রাখতে পারেন। হাঁটার জন্য শর্টস কিংবা ট্রাউজারই ভালো। সাক্ষী-প্রমাণ রাখতে চাইলে একটা ক্যামেরা অবশ্যই। পথে কোথাও এটিএম বুথ নেই; টাকা-পয়সা পর্যাপ্ত নিয়েই বের হওয়া উচিত।

প্রকৃত লেখক:  তাওহিদ মিলটন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29383211 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29383211 2011-05-18 12:37:15
অপরূপ বাওয়াছড়া দূর থেকে শোনা যায় ঝরনার রিমঝিম শব্দ। পাহাড়িয়া সবুজ গাছের সমারোহ পাখির কলতান কার না মন জুড়ায়। শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কেউ মুগ্ধ হবেন বাওয়াছড়া দেখে। সে সৌন্দর্যের অপরূপ নৈসর্গ বাওয়াছড়া পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। চট্টগ্রাম শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের ছোট কমলদহ বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ের পাদদেশে এ প্রকল্পের অবস্থান। নীল আকাশের বিশালতার নিচে পাহাড়ি সবুজের সমারোহ। এ যেন প্রকৃতির রঙিন আয়োজন। পশ্চিমে অজগরের মতো রেললাইন, পূর্বে পাহাড়ের পাদদেশ, সারি সারি গাছ আর দু'পাশে থাকা বনাঞ্চলের দিকে তাকালে হয়তো সহজেই দেখা যাবে অনেক জীববৈচিত্র্য। শেষ বিকালে সূর্যের লালরশ্মিতে ঝরনা আর লেকের পানিতে স্বর্ণালী রোধের বর্ণালী চিত্র পরিবর্তনের চোখধাঁধানো সৌন্দর্যে যে কেউ মুগ্ধ হবে। আর এই অপরূপ দৃশ্য দেখতে দেশের দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন শত-শত প্রকৃতিপ্রেমী ছুটে আসছে বাওয়াছড়ায়। এই প্রাকৃতিক স্পটটি দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশি পর্যটকদেরও আকৃষ্ট করবে যদি সরকার এটিকে পর্যটন স্পট হিসেবে ঘোষণা করে।

এলাকাবাসী হারিয়েছেন, সরকার নজর দিলে এটি হবে দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্রে। মনোমুগ্ধ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর প্রকল্পটিতে ঝরনার পানি আছড়ে পড়ছে। চিকচিক বালিতে যেন সকালের মিষ্টিরোদ আলো ছড়ায় আর অস্তগামী সূর্যের লালিমা মাখা অনন্ত ছায়া যেন ঢলে পড়ে। এখানে এলেই বাওয়াছড়ায় মনমোহনীরূপ আপনাকে আকৃষ্ট করবেই। চট্টগ্রাম এম ই এস কলেজ থেকে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী রনি ভৌমিক বলল, এখানে আমি প্রথম এসেছি। এত চমৎকার দৃশ্য সবারই মন জুড়াবে। জানা গেছে, গত সরকারের আমলে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলাভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিলে উপজেলার ১৫নং ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সালাহ্উদ্দিন সেলিম এ প্রকল্পের প্রস্তাব দেন। পরে সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন এবং এলাকার লোকজনের মতামত নিয়ে এটি বাস্তবায়নে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। নেদারল্যান্ড সরকার আর্থিকভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতা করে।

শুধু তাই নয়, এ প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারলে প্রকল্পের লেকে সংরক্ষণ করা পানি দিয়ে এলাকার প্রায় ১৪০০ একর জমিতে বিভিন্ন মৌসুমে ফসলাদি চাষ করা যাবে। এতে প্রায় ১৮ হাজার দরিদ্র কৃষক সাবলম্বী হবে। বিশেষ করে ইরি, বোরো, আউশ, আমন, বিভিন্ন জাতের শাক, টমাটো, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, আলু, কপি, শিম, বরবটি, ঢেঁড়স, ধুন্দুলসহ সব ধরনের রবিশস্য উৎপাদিত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৩৪-৩৫ সালে প্রকল্পটি চালু ছিল। কিন্তু পাকিস্তান আমলে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। সম্প্রতি প্রকল্পটিকে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা থেকে এলজিইডির প্ল্যানিং কমিটির প্রধানসহ একটি প্রতিনিধিদল প্রকল্পটি পরিদর্শন করে গেছেন।

মিরসরাইয়ের বর্তমান সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন শেষে জানান, বাওয়াছড়া প্রকল্পটিকে চট্টগ্রামের ফ'য়স লেকের আদলে গড়ে তোলা গেলে এটিই হবে চট্টগ্রামের অন্যতম পর্যটন স্পট। বাওয়াছড়া প্রকল্পটি রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে পর্যটকদের তীর্থস্থান হওয়ার পাশাপাশি ওই এলাকায় কাজের সৃষ্টি হবে এবং এতে বেকারত্ব হ্রাস পাবে।

প্রকৃত লেখক: রিগান উদ্দিন, মিরসরাই
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29383207 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29383207 2011-05-18 12:32:37
মাত্র দশ মিনিটেই বিনামূল্যে তৈরী করুন নিজের ওয়েব সাইট সাথে জাভা, পি.এইচ.পি. এবং নানা ধরনের এফেক্ট এখানে পছন্দমত নাম দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন। আর এপর লগইন করার পর এই সাইট থেকেই ব্লগ, ফোরাম, চ্যাট, গেস্টবুক, মেম্বার রেজিস্ট্রেশন, সাইট পরিদর্শনকারীদের তালিকার অপশন গুলো থেকে আপনার পছন্দ মত সিলেক্ট করে দিন। এরপর আপনার ডিজাইন করা পেজটি যে কোন এফ.টি.পি. সফটওয়্যার এর মাধ্যমে এখানে আপলোড করুন বা ওয়েব পেজ মেকারে থাকা .wss ফরমেটের ফাইলটি ওপেন করে File থেকে Publish অপশনে গিয়ে New তে ক্লিক করে যে নতুন উইন্ডো ওপেন হবে সখানে আপনার সাইটের তথ্যগুলো প্রবেশ করান তারপর OK করে এসে Publish বাটনে ক্লিক করুন।
এবার Publish হয়ে গেলে আপনার সাইটের কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে সেভ করে log out করে বেরিয়ে আসুন আর সাইটটি visit করে দেখুন এবার।

লেখাটির মূল লেখকঃ শাকিল আরেফিন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29075694 http://www.somewhereinblog.net/blog/hasnatapu/29075694 2010-01-10 14:52:36