প্রকাশ্যে ওয়েবসাইটে প্রচারণা চালিয়ে ঢাকায় কলগার্ল ব্যবসার খবরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনার তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। তবে গতকাল পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করতে পারেনি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। গত শনিবার একটি দৈনিকে এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। ‘এসকর্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট খুলে এই কলগার্ল ব্যবসা শুরু করেছে।
পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর একাধিক মেয়ে ফোনে অভিযোগ করেছেন, কলগার্লের তালিকায় ওয়েবসাইটে কিভাবে তাদের ছবি এসেছে তা তাদের বোধগম্য নয়। এতে তারা বিস্মিত হয়েছেন। তারা অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারও দাবি করেছেন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জানান, ‘এসকর্ট এজেন্সি’ তাদের ওয়েবসাইটে তার ছবিও ব্যবহার করেছে। তবে নাম দিয়েছে আরেকটি। ওই ছাত্রীর মতে, এভাবে ওয়েবসাইটে হয়তো আরো অনেক মেয়েরই ছবি আপলোড করা হয়েছে যা তারা এখনো জানেন না।
জানা গেছে, এসকর্টের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশি বিভিন্ন তরুণীর যৌন আবেদনময়ী ছবি এবং সেলফোন নাম্বার দিয়ে কলগার্লদের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এতে তরুণীদের শারীরিক বর্ণনা এবং তাদের সঙ্গে প্রোগ্রাম করার নিয়ম-কানুন উল্লেখ করা আছে। এছাড়াও রাতারাতি লাখপতি হওয়ার লোভনীয় সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথা বলে নতুন কলগার্ল হওয়ার জন্য আহ্বানও রয়েছে এসকর্টের ওয়েবসাইটে। প্রতি তিন সপ্তাহ অন্তর কলগার্লদের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয় এবং কলগার্লদের সংস্পর্শে এলে ক্লায়েন্টদের কোনো যৌনবাহিত রোগ হবে না বলেও ওয়েবসাইটে প্রচারণা চালাচ্ছে এসকর্ট। ৪ ক্যাটাগরির কলগার্লের কথা উল্লেখ আছে ওয়েবসাইটে।
ঘটনা হলো আমি আজ থেকে ৩ বছর আগে এই সাইটের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম...!! আর পুলিশ জানছে এখন!!!!
আপডেট: এই পোষ্টের পর মনে হয় ভালোই খবর হয়েছে! সাইটটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে আজকে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


