রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির পর আবার খাগড়াছড়ি জ্বলছে ।হয়তবাএ আগুন সারা পাহাড়ে ছড়িয়ে পড়বে ।এখনি তড়িত পদক্ষেপ নিতে হবে ।সেনা অভিযানে জোর জবদস্তিমুলকভাবে একটা জাতিস্বত্তার অস্তিত্ব যে বিলীন হয় না তা আমরা দেখেছি ’৫২,’৬৯ও’৭১ এ।
পার্বত্য এলাকায় এখন আমাদের সেনাবাহিনীর ভুমিকা পাকিদের কার্বন কপি ।দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর কাছেএধরনের আচরন কাম্য হতে পারে না ।
অথচ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেই পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় সৌহাদ্যের বিজ্ঞাপন দেখা যায় ।এখানে সেনাবাহিনীর ভুমিকা হওয়া উচিত দুটি বিবদমান গ্রুপের মাঝখানে ।কোন পক্ষপাতিত্ব নয় ।আমাদের এই সেনাবাহিনী জাতিসংঘ মিশনে বিভিন্ন জাতিগত সংঘাতে
নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে । অথচ বাংলাদেশে পারছে না ।পাহাড়ের জাতিগত এই দাঙ্গা দমনে এখন জাতিসংঘ যদি অন্য দেশের সৈন্যদের মিশনে পাঠায় তা হবে আমাদের জন্য লজ্জাকর ।আর সেই মিশনে যদি পাকি সৈন্য থাকে তবে তা হবে
আরো লজ্জাকর । আশা করব দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ধৈর্য্যের সাথে
শান্তিপুর্ন সহাবস্তানে থেকে পরিস্থিতির মোকাবেলা করবে ।
আমরা শান্তি চাই ।
স্বাধীন দেশে জাতিগত সংঘাতের হিংসা ,রক্ত ,মৃত্যু,কান্না এসব দেখতে চাই না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



