আমার প্রিয় পোস্ট

আমি পার্থিব বাস্তবতায় অস্থির, অপার্থিব স্বপ্নপায়ী কেউ একজন . . .

দৃ ষ্টি আ ক র্ষ ণ - সবাইকে তীব্র অনুরোধ করছি পোস্টটায় আপনাদের মূল্যবান সময় দিতে। সাহায্য প্রয়োজন

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৮

শেয়ারঃ
0 44 0



সাম্প্রতিক এক রিসার্চ ওয়র্কে দেখা গেছে যে ওল্ড হোম কনসেপ্টটা এখনো বাংলাদেশে এতোটা প্রকট না। বেশিরভাগ মানুষ-ই নিজের বুড়ো মা-বাবাকে আঁকড়ে থাকতে ভালবাসে। শত অভাবেও তাদের মনে টিকটিক করতে থাকে মা-বাবার অবস্থানটা। অবশ্য অমানুষদের অংশ-ও আছে তবে সেটা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এ্যমেরিকায় এশিয়ান দেশগুলো নিয়ে একটা প্রশংসামূলক অনুষ্ঠান-ও হয়ে যায় এ উপলক্ষে!

প্রতিবেশী দেশ নেপালের বয়ষ্ক স্কেলের জনসংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। সেই তীব্র অসহায় মানুষগুলোর সংখ্যা ৩২১ হাজার ছাড়িয়ে যাবে ২০১১ নাগাদ। কাঠমান্ডুতে পশুপতি বৃদ্ধাশ্রম সবচে' বড় বৃদ্ধাশ্রম যেটা সরকার চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বেশ ক'বছর হলো। ১৪০ জন মা আর ৯০ জন বাবা নিয়ে চলছে আশ্রমটি। খাবারের অভাব বা আশ্রয়ের প্রচন্ড অসঙ্গতি অসহায় মানুষগুলোকে বোবা জানোয়ারের মতো বেঁচে থাকতে বাধ্য করছে। ছেলে-মেয়েরা বাবা-মা'কে কুকুর-বিড়ালের সাথে মরতে ছেড়ে দিয়ে গেছে। সেই মা-বাবারা হালকা ভালবাসা পেলেই কুঁকরে নিজেকে ছেড়ে দিচ্ছেন একটুখানি অবলম্বনের জন্য।



আমি জানি আমাদের দেশটাও কতো সমস্যা-অভাবে জর্জরিত। তবে আমরা আমাদের শেকড় ছেঁড়ার চিন্তাও করতে পারি না। মা-বাবার অবস্থান দেশ-জাতি বুঝে হয় না। তাঁরা সব দেশেই, সব সমাজেই, সব জাতিতেই সমান সম্মানের দাবী রাখেন। তাঁদের অসহায় সময়টায় আমাদের তাঁদের প্রয়োজন। একসময় আমরা বোবা পশুর মতোন যখন গুঙিয়ে উঠেছি, ভাঙা কন্ঠে অবোধ্য ভাষায় তাঁদের ডেকেছি তখন তাঁরা তাঁদের সব ছেড়ে আমাদের কাছে ছুটে এসেছেন, আমাদের বুকে মিশিয়ে অভয় দিয়ে হয়তো বলেছেন, "বাবা, আমি আছি না?" আমরা সেই পরম আশ্রয়ে মুখ গুঁজে ঘুমিয়েছি তাঁদের অপার্থিব গন্ধ নিয়ে। কে যেন আমাকে বলেছিল... মানুষ যতো ভাল শিক্ষাগুলো পায় সেগুলো দেয় তাদের বাবা-মা, আর খারাপ বিষয়গুলো তারা নিজেরা গেঁথে নেয় বাড়ির বাইরের পরিবেশ থেকে। যাদের হাত ধরে, বুকে মাথা রেখে, অসহায় সময়ে অবলম্বন করে নিজেরা প্রতিষ্ঠিত হলাম তাঁদের আমরা বৃদ্ধ-পঙ্গু অবস্থায় এমন একটা যায়গায় ছেড়ে দিতে পারি না- যেখানে তাঁরা পড়ে গেলে তাঁদের উঠিয়ে দেয়ার মতো কেউ থাকবে না, খাবার না পেয়ে তাঁরা কুকুরের খাবারে ভাগ বসাবেন আর অসহায়ত্বে অতিষ্ঠ হয়ে তাঁরা ধূলো-কাঁদা মাখা নোংরা পূঁতীগন্ধময় রাস্তায় এলিয়ে পড়বেন। আমরা ঘরের অভাব দূর করতে উচ্ছিষ্টের মতো মা-বাবাকে ছুড়ে ফেলতে পারি না। কারন তাঁরা তাঁদের সবচে' বড় দুর্যোগেও আমাদের আঁকড়ে ছিলেন। তাঁরা আমাদের এই ভেবে আগলে রাখেন নি যে আমরা বড় হয়ে তাদের দেখবো; বরং তারা সব ভাবনা-চিন্তা ছাপিয়ে ভেবেছেন যাতে তাঁদের অন্যতম প্রিয় অংশটা অক্ষত থাকে। আমরা কোন মা-বাবার অসম্মান দেখতে পারি না। তাঁদের অসহায়ত্ব মানতে পারি না। আর আমরা এসব পারি না দেখেই আমরা মানুষ।



মানবতার অবক্ষয়ের প্রচন্ড তীব্র একটা চিত্র তুলে এনেছেন একজন মেধাবী ফটোগ্রাফার (জিএমবি আকাশ)। আমি কিছুক্ষণ আগে তার এ্যলবাম দেখে নিজের ভেতরে প্রচন্ড একটা আলোড়ন পেয়েছি। একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে তিনি মানুষের ভেতর মানুষ-বোধ জাগাতে চেয়েছেন ছবিগুলো দিয়ে। কারন হয়তো এর চে' বেশি সামর্থ্য তার নেই। আমি কিছু ছবি দেখিয়েছি এই পোস্টে, বাকিগুলো তার এ্যালবামে গেলে দেখতে পারবেন।



কিন্তু আমাদের কি উচিৎ না কিছু একটা করা ? আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করছি আমার সাথে থাকার জন্য। আমার একার পক্ষে হয়তো কিছু করা সম্ভব না কিন্তু আপনারা সবাই আমার পাশে থাকলে অসাধারণ কিছু করা সম্ভব। আপনারা প্রত্যেকে আপনাদের ফেইসবুক প্রোফাইলে আকাশ ভাইয়ের এ্যালবাম লিংক-টা শেয়ার করুন। আপনাদের বন্ধুদের অনুরোধ করুন শেয়ার করতে। ফেইসবুক বা আপনাদের যেসব সোশ্যাল প্রোফাইল আছে সেসবে সচেতনতা ছড়িয়ে দিন। এতে করে আমরা খুব তাড়াতাড়ি ব্যপারটা ছড়িয়ে দিতে পারবো। আমরা সবাই ব্যপারটাকে গুরুত্ব দিলে এটা ছড়িয়ে যাবে। আমরা জানি মা-বাবাকে কিভাবে সম্মান করতে হয় আর যারা সেটা জানে না তাদের জানানোটাও আমাদের কর্তব্যের মধ্য পড়ে। আমি খুব তীব্রভাবে মানবতার দিব্যি দিয়ে সবাইকে অনুরোধ করছি এ্যালবামটা শেয়ার করতে। এটা করতে আপনার খুব কম সময় বা আয়াস ব্যয় হবে কিন্তু একটা সতর্ক সংকেত ছড়িয়ে যাবে চারপাশে। আমাদের স্বল্পসাধ্যে আমরা কিছু বিপন্ন বাবা-মা-র জন্য এতোটুকু কি করতে পারি না ??? আপনাদের চরম মূল্যবান সময় থেকে এক মুঠো সময় নিংরে নিচের লিংক-টা শেয়ার করুন। চলুন আমরা সবাই মিলে প্রমাণ করে দেই যে - আমরা মানুষ !!!

Click This Link
ফটোগ্রাফার : জিএমবি আকাশ

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বোধ-খোঁজা বিজ্ঞপ্তি ;
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আমার পোস্টটা বেশিক্ষণ প্রথম পাতায় থাকবে না। আমি সম্পূর্ণ আপনাদের উপর নির্ভর করছি। খবরটা ছড়িয়ে দিন যেভাবে পারবেন। কিছু মা-বাবা কে একটা চরম দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি দেয়াটা আমাদের অবশ্য কর্তব্য!
২. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আমাদের একটা উদ্যোগ আছে বয়স্ক বাবা মা'দের জন্য, যারা কোন না কোন কারনে সন্তানের ভালোবাসা থেকে দুরে। উদ্যোগটা নিয়ে কাজ চলছে। তোমাকে পরে বিস্তারিত জানাতে পারবো।

অ্যালবামটা শেয়ার করলাম।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত জানার অপেক্ষায় থাকলাম।

ভাইয়া, তোমার বন্ধুদের-ও শেয়ার করতে বলো।

ভেতর থেকে ধন্যবাদ!

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ!

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, সবাইকে বলুন সাথে থাকতে!

৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: মুখোশখাতায় শেয়ার করলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য!

৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫২
নাঈম বলেছেন: খুব টাচি একটা একটা লেখা.........আসলে এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি মাঝে মাঝে ভাবি। আমাদের মা-বাবা কত ত্যাগ স্বীকার করে আমাদের শিশুকালে লালন-পালন করেন, অথচ আমরা কি নিষ্ঠুর, তাঁদের বৃদ্ধাবস্থায় যখন তাঁদের আমাদের সহমর্মিতা ও সাহচর্য খুবই দরকার, তখনই আমরা তাঁদের ওল্ড হোমে পাঠিয়ে দেই। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণের অংশ হিসেবে এই ওল্ড হোম সংস্কৃতিটাও আমাদের দেশে ঢুকে পড়েছে বেশ কয়েক বছর হলো।

আরো অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে এই ব্যাপারে, কিন্তু আমি গুছিয়ে কথা লিখতে পারিনা। শুধু তোমার এই শুভ উদ্দ্যেগের প্রতি প্রবল সমর্থন জ্ঞাপন করলাম। আমার ফেসবুকেও এলবামটার লিংক শেয়ার করছি।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। বোধ জেগে উঠলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। আমি চাই একটা এ্যলার্ম দিতে। নড়ে যাবার মতো এ্যলার্ম!

৬. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৬
তাহ্‌লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: ফেইসবুকে এলবাম এবং আপনার পোষ্ট দুটিই শেয়ার করলাম।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই উদ্যেগের জন্য।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ সাড়া দেবার জন্য। আমার সীমিত সাধ্যে এর চে' বেশি কিছু করতে পারলাম না। আপনাদের সচেতনতা প্রয়োজন।

৭. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯
সাইফুর বলেছেন: যারা এমন করছে তারা কি বুড়ো হবে না?
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: হওয়াই উচিৎ! তাদের প্রতিটা কষ্টদায়ক মুহূর্ত দিয়ে অনুভব করানো প্রয়োজন যে তারা কতোটা হীন!

৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫
আই আনাম বলেছেন: দিলেন তো মনটা খারাপ করে। :(
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ভাই প্লিজ লিংক শেয়ার করুন!

৯. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
জিগ স বলেছেন: গুরুত্বপূর্ন পোস্ট। ++
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: হুমম... তোকে ধন্যবাদ। আমি যেমন ভেবেছিলাম তেমন সাড়া পেলাম না। ব্যপারটা আসলেই জরূরী এটা বোঝাতেই পারলাম না কাউকে!

১০. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: ওল্ডহোম ধারনাটা বাংলাদেশে বোধয় ততো জনপ্রিয় নয়। আমি কখনো বাবা-মাকে ওল্ডহোমে ছেড়ে দেবার পক্ষে নই। এমন কথা ভাবতেও পারিনা। আমার বাবা নেই, মা পড়ে আছেন মফস্বলের পুরনো বাড়ি আঁকড়ে। অনেক কষ্ট, আর শূন্যতার মাঝেও সেখানেই তার সুখ। আমি ঘুমের ঘোরেও মা' বলে ডেকে উঠি প্রায়ই। তবে হতে পারে, জীবনের পরাবাস্তবতার মুখে অনেক বৃদ্ধ/বৃদ্ধার কাছেই ওল্ডহোমও হয়তো অনেক সময় প্রিয় জায়গা হয়ে উঠে।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: জনপ্রিয় না হওয়াটাই বাঞ্ছনীয় মনে হয় আমার কাছে। আমাদের দেশের কোন বাবা-মা তাঁর সন্তান ছাড়া থাকতে চাইবেন না এটা আমি জানি। আবার আপনার-ই মতো বেশিরভাগ সন্তান-ও ওটা চাইবে না। হ্যা, হয়তো অমানুষ ছেলে-মেয়ের থেকে বাঁচতে ওল্ড-হোম বেশ ভাল একটা জায়গা। তবে সেই বৃদ্ধাশ্রমটা এমন হতে হবে যাতে বৃদ্ধ বাবা-মায়েরা বাড়ির বাইরে একটা সুস্থ পরিবেশে তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ হবার পর-ও স্বচ্ছন্দে থাকতে পারে। আমার পোস্টের সন্তানেরা কুকুর-বিড়ালের সাথে তাদের শ্রাদ্ধের অপেক্ষায় ছেড়ে দিয়ে যাচ্ছে। ছবিগুলোয় দেখুন কি প্রচন্ড আকুতি আছে! আমি আমার স্বল্প সামর্থে এর চে' বেশি কিছু করতে পারছি না। কিন্তু দেখুন, ব্লগের কেউ এ পোস্টটায় আমার আশাকাঙ্ক্ষিত সাড়া দেয়নি। তার মানে কি আমি ধরে নেবো যে আমাদের বাংলাদেশ-ও কয়েক বছর পর আজকের নেপালে পরিণত হবে ?!

১১. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৫
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: লেখাটা টাচি, আপনার ইচ্ছেটাও মহৎ। কিন্তু যেসব সন্তান স্বেচ্ছায়-সজ্ঞানে তাদের বৃদ্ধ মা-বাবাকে অবহেলা করে, এইসব ছবি দেখে কি তাদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন আসবে?

পারিবারিক বন্ধন ব্যাপারটাই ক্রমশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে! একান্নবর্তী পরিবারের কনসেপ্ট হারিয়ে যাচ্ছে, তৈরি হচ্ছে নিউক্লিয়াস ফ্যামেলি। সেই ছোট্ট ফ্যামিলিতে মা-বাবা যেন উৎপাত!

হায়, অধপতন আর কাকে বলে!

পরিবার ও সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছোটবেলা থেকে এইসব ব্যাপারে সঠিক শিক্ষা না পেলে এই অধপতন ক্রমশ বিপদজনক হয়ে উঠবে সমাজের জন্যই। আমরা নিজেরা যদি একটু সচেতন হই, যদি শিশু-কিশোরদের মনে এইসব ধারণা ঢুকিয়ে দিতে পারি, একমাত্র সেক্ষেত্রেই অবস্থার উন্নতি ঘটবে।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: পারিবারিক বন্ধন ব্যাপারটাই ক্রমশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে... এটা আমি কেন যান মানতে পারি না ভাইয়া। আমি নিজে দেখেছি, আমাদের ভার্সিটি থেকে শুরু করে এখনকার জেনরেশনের অনেকেই এখনো বাবা-মা-র অবস্থান বোঝে। তাঁদের প্রতি সম্মান দেয়। অনেকেই হয়তো তর্কে যাবেন এটা শুনে। কিন্তু বিশ্বাস করুন এটা আমার নিজের চোখে দেখা। তরুন প্রজন্মের একটা গ্রুপ ইতোমধ্যেই চিন্তা শুরু করেছে যে কিভাবে "ওল্ড হোম" কনসেপ্ট মুছে বৃদ্ধ মা-বাবার জন্য ভাল একটা ভবিষ্যৎ করা যায়। আর তারা তাদের চিন্তার বাস্তবায়নেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যদি এখনকার জেনরের কেউ বাবা-মাকে সম্মান না দেয় তো সেক্ষেত্রে আমি দেখেছি সেটা তার পরিবারের-ই দোষ। সে পরিবার থেকে শিক্ষাটা পায় নি।

নিউক্লিয়াস ফ্যামিলির জন্য হয়তো ঐক্য কমে গেছে কিন্তু আমার মনে হয় মা-বাবার ভূমিকাটা নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি-তে আরো প্রকট হয়ে ওঠে। কারন তাদের পুরো পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়, দেখাশোনা করতে হয়। আমার কথাই বলি ভাইয়া। আমার মা-বাবা-দাদু-বোন আর আমি। আমরা তো দাদুর প্রচন্ড ইনটিমেইট ছিলাম-ই। আমার বাবা-মা-ও কখনো দাদুকে বাইরের কোন অংশ হিসেবে ধরেন নি। তিনি মারা যাবার পর আমাদের প্রত্যেকের মানসিক অবস্থা ঠিক হতে হতে ৪-৫ মাস লেগে গিয়েছিল। দাদু মারা যাবার পর আমরা চারজন। তারমধ্যে মা-বাবা দু'জন-ই ডাক্তার। কিন্তু আমি বলতে পারবো না সেজন্য আমার তাঁদের সাথে এতোটুকু গ্যাপ এসেছে। আমার প্রতিটা প্রয়োজনে তাঁরা আমার বা আমার বোনের পাশে ছিলেন, আর আমি জানি থাকবেন। আমি বা আমার বোন আপ্রান চেষ্টা করেও তাঁদের থেকে যা পেয়েছি তা ফেরত দিতে পারবো না।

আমি আমার পরিবার বা তার বাইরে আমার চেনা-জানা সার্কেলে সচেতনতা ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা করেছি। তারা অনেকেই আমাকে রেসপন্স দিয়েছে। তবে আমার এই পোস্ট লেখার সময় আমার সত্যি ঐ বিপন্ন বাবা-মাদের জন্য কিছু করতে ইচ্ছা করেছিল। কিন্তু নিজের সীমাবদ্ধ সাধ্যের জন্য-ই সবার সাহায্য চেয়েছিলাম। আমি চেয়েছিলাম সবার মধ্য একটা সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে যাতে সবার মধ্য একটা খবর যায় যে তাদের অবস্থাও তাদের বাবা-মা-র মতো হবে একদিন। ফেইসবুক বা সোশ্যাল নেটওয়র্ক প্রোফাইলগুলোতে একটা টপিক ছড়িয়ে যায় হাজার হাজার মানুষের মাঝে। সেটাই ভেবেছিলাম আমি। হয়তো এটা ছড়িয়ে দিলে একসময় নেপালের মানুষগুলোর-ও টনক নড়ে যাবে যে তাদের অধপতন নিয়ে বাইরে আলোচনা হচ্ছে।

কিন্তু আমি আমার সার্কেলের বাইরে, এই ব্লগ থেকে তেমন কোন রেসপন্স-ই পাই নি। সেজন্য মনে হলো আপনার কথাটাই হয়তো ঠিক ভাইয়া। ইস্যুটাকে কেউ তেমনভাবে নেয় নি যখন তখন এ ব্যপারটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে আমাদের দেশটার আজকের নেপালে পরিণত হতে খুব বেশিদিন বাকি নেই।

বিশাল আকারের কমেন্ট দেয়ার জন্য দুঃখিত ভাইয়া। কথাগুলো বলতে ইচ্ছা হলো।

ভাল থাকুন।

১২. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৭
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আমি প্লাস-মাইনসের ধার কক্ষনোই ধারি না। এটা আগের যারা মাইনাস দিয়েছেন জানেন। কারন আমি ভাবি না যে আমার লেখা সবার ভাল লাগা সম্ভব।

তবে এ পোস্টটায় যিনি মাইনাস দিলেন তার মানসিক অব্স্থা সত্যি কতোটা জঘন্য! নিজের নীচতা দেখাতেই হয়তো জানিয়ে দিলেন না মাইনাসটা। এ পোস্টটা না লিখলে আমি জানতাম না মানুষ সত্যি আপনার মতো নীচে নেমে গেছে!

সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন :

কিংশুক০০৭
ন হন্যাতে
অজানা এক পথিক
নাইম
শারফুদ্দীন হোছাইন
বোহেমিয়ান কথকথা
মাসুদ আনিস রহমান
মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
ভাঙ্গা পেন্সিল
পুরাতন
ছায়ার আলো
ফালাক
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ
বিডি আইডল
১৩. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩২
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
ফন্ট সমস্যার কারনে মন্তব্য করতে কষ্ট হচ্ছে। অনেক কষ্টে ভার্চুয়াল কীবোর্ড দিয়ে লিখলাম।

ছবিগুলো দেখে অনেক কষ্ট লাগল।

লিখাটাকে +++।

সাথে আছি।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৪. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
আকাশ অম্বর বলেছেন: 'মানবতার অবক্ষয়জনিত' এই সমস্যার কিঞ্চিত সমাধানের আশায় 'মুখ-পুস্তিকা'য় শেয়ার করলাম।

ধন্যবাদ আপনাকে।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য!

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ... শেয়ার করুন লিংকটা!

১৬. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০০
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: এখানে কিছু মৌলিক সমস্যা আছে। প্রধানত নগরকেন্দ্রীক যে সাংস্কৃতিক স্রোত তৈরী হয়েছে তার মূল সুরটাই কিন্তু "ব্যাক্তিমানুষ"। আমরা পাশের ফ্ল্যাটের মানুষকে চিনি না, মানুষের ভীড়ে মানুষের স্রোত কে ঘৃণা করতে শিখেছি, তাই সবসময় শহরের ভীড়ের মাঝখানেও আমরা একা। মানুষ শব্দটাই অচ্ছুৎ। আমরা পেটের তাগিদে ময়লার মত ভীড়ে ভাসি, আর প্রথম সুযোগে ফিরে আসি আমাদের ফ্ল্যাট স্ক্রীনের দ্বিমাত্রীক ইলিউশনে। সেখানে ইলিউশানরা শেখায় আমরা কিভাবে হাসব, কিভাবে কাদব, কিভাবে চিন্তা করব। ফিরে যাই "সোশাল নেটওয়ার্কিং" সাইটে। জানালা দিয়ে ভেসে আসা রাস্তার ছেলেটার কান্না ঢকার জন্যে ভ্রু কুচকে জানালা বন্ধ করে আমরা "সোশাল নেটওয়ার্কিং" করি। গড ড্যাম ইট!আমরা রক্তমাংশের মানুষ। আমাদের দরকার স্পর্শ, ঘ্রান, আমাদের দরকার ইন্দ্রিয়ের প্রতি আসক্তি যা আমরা ভোতা করে ফেলেছি।

ব্যাক্তি মানুষের কন্সেপ্ট কিন্তু মানুষকে সম্মানের জন্যেই বিবর্তিত হয়েছিল, এবং ডিনামাইট, বা পারমানবিক শক্তির মত এটাও আজ কেবল আত্নকেন্দ্রীকতা আর জনবিচ্ছিন্নতাই উপহার দেয়।

কেন নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি এত দরকার? কারন প্রাইভেসী, মানুষ কমানো। মানুষ হয়ে সবচেয়ে কম যেটা সহ্য করতে পারি এখন সেটা মানুষ।

আমি ফেসবুক বা মাইস্পেস ইউজ করি না, তবে ছবিগুলো আমি সেভ করে রাখলাম। আমার নেটওয়ার্ক আমার পরিচিত মানুষরা। তাদের সরাসরি দেখাবো। আপাতত এতটুকুই করতে পারব।

তবে এই ব্যাপারটি বিচ্ছিন্ন কোন ব্যাপার না। মানুষের সমাজবিমুখিতাই এর কারন, এই আত্নকেন্দ্রীকতার ম্যানিয়া দুর করতে না পারলে আমাদের ভেজিটেবল হয়ে যেতে বেশী দেরী হবে না।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, আমি আপনার অনেক কথার সাথেই একমত। তবে ফেইসবুকের মতো জায়গাতেই এসে ব্লাড ব্যাংক রিপ্লাই পায় আগের চে' তাড়াতাড়ি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে শক্ত গ্রুপ হয় এখানেই। আর কেউ দেশবিমুখ একটা কথা বললে সবাই মিলে একসাথে থামানো হয় সেই নীচকে এই ফেইসবুকেই। কোন ব্যপার ছড়িয়ে দিতে বা সচেতনতা সৃষ্টি করতে ফেইসবুকের ভূমিকা কিছুটা হলেও আছে। এটা আমার নিজের চোখে দেখা। যেকোন ব্যপারের-ই ভাল-খারাপ দিক আছে। ফেইসবুকের ব্যবহার ৪০% হলেও ভাল। সেটাকে ইউটিলাইজ করতে চেয়েছি আমি। এর চে' বেশি কিছু না।

আর হ্যা, আপনারা যদি এর চে' ভাল কোন অল্টারনেটিভ দিতে পারেন তাহলে আমি সেটা খুব-ই আনন্দের সাথে গ্রহণ করবো। কারন আমার একমাত্র ঊদ্দেশ্য ব্যপারটা ছড়িয়ে দেয়া। সেটা যেকোন মাধ্যমেই হোক।

ধন্যবাদ।

১৭. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: তুহিনের আইডিয়াটা ভালো। ছবি সেভ করলাম পরিচিতদের দেখানোর জন্য, এমনিতে ফেসবুকে নিজে খুব বেশি একটা অ্যাকটিভ না।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! যেকোনো ভাবেই ভাল মনে করেন ব্যপারটা ছড়িয়ে দিন।

১৮. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৭
কালপুরুষ বলেছেন: পড়লাম ও ছবিগুলো দেখলাম। ছবির ভাষায় অসহায় মানুষগুলোর বেঁচে থাকার আকুতি তীব্রভাবে অনুভব করলাম। এঁদের জন্য একটু কিছু করতে পারলে ভাল লাগবে।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! যেভাবে পারেন শুধু ছড়িয়ে দিন সচেতনতা। ভাল থাকুন ভাইয়া!

১৯. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০
কালপুরুষ বলেছেন: জানাবো পরিচিত মানুষদের।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

২০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ছবিগুলো দেওয়াতে পুরোটা পড়তে পারলাম না।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: শেষ বোল্ড প্যারাটা পড়তে অনুরোধ করছি।

২১. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: দেখো ঝড়

আমি "মুখবই" এর বিরোধী নই(যদিও আমি কখন মারা যাব জাতীয় কুইজ দেয়ার কোন ইচ্ছা নেই)। মানুষের ক্রমাগত এককেন্দ্রীক বৃত্তে আটকে যাবার এই প্রবনতা আমাকে ভীষন ভয় দেখায়। বৌদ্ধিক উৎকর্ষের জন্যে "ব্যাক্তিমানুষের" উত্তরন খুবই প্রয়োজন। কিন্তু এটাও সত্যি যে মানুষের এককেন্দ্রীকতার উৎসও এই "ব্যাক্তিমানুষ"। আমরা বিষয়টিতে খুব পারদর্শী হয়ে উঠি নাই তাই ছবিগুলোর মত দৃশ্য আমরা জন্ম দেই না। কিন্তু জল ইনক্লাইন্ড প্লেনে নিম্মগতিলাভ করে। আর যেভাবে কর্পোরেট সংস্কৃতি এবং সাথে সেলফোন আর ডট কম বিস্ফোরন মানুষকে আরো মানব বিচ্ছিন্ন করছে সেখানে আমি ভয় পাই। আমার চোখে ভাসে এক সমাজের চিত্র যেখানে প্রত্যেকটা মানুষ এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত অবস্থান করছে। যাদের যোগাযোগ কেবল "কমিউনিকেশন বাফার" এই সীমাবদ্ধ।

মানুষকে ফিরে পেতে মানুষের স্পর্শের চাহিদা, চোখের দিকে তাকানোর চাহিদা। না হলে এভাবেই আমরা আবার হয়ত সাবজেক্ট হব কোন ফটোগ্রাফারের।

"মুখবই" কিংবা "মুঠোফোন" এ সমাধান নয়(যদিও প্রচার চালানোর জন্যে ভালো উপায়, এবং সেই সুবিধা গ্রহন করাই উচিত),সমাধান নিহিত আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যখন আবার খেলার মাঠে ফিরে যাবে, পাড়া ভর্তি বন্ধু থাকবে, পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠবে পাঠাগার, সত্যিকারের বন্ধু তৈরী শিখবে, আরেকটি "আমার বন্ধু রাশেদ" তৈরী হবে প্রতিদিন, সবুজঘাসের মাঠ দেখা যাবে মাল্টিস্টোরেড গুলোর ফাকে, আবার দেখব বিভিন্ব উৎসবে পাড়ায় পাড়ায় নাট্যানুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি ফিরে আসবে, বাচ্চাকাচ্চারা দলবেধে বৃষ্টির মাঠে কাদায় লুটোপুটি খাবে। অদ্ভুত লাগছে এই উদাহরন গুলো এত তাড়াতাড়ি আমাদের মধ্য থেকে হারিয়ে গেছে। দশ বছর আগে আমার শৈশবে এগুলো ছিল। এখন নেই। আমি দিনে দিনে মানুষের মুখ থেকে আবেগ হারিয়ে যেতে দেখি। তাদের মুখে পুরু যান্ত্রিক ছাপ পরতে দেখি। আমার ভেতরের সবকিছু একসাথে বিষিয়ে যায় যখন আমি একটাও ঘুড়ি উড়তে দেখি না, একটাও লাটিম খেলা দেখি না। মাঠে ছড়িয়ে থাকতে দেখি না অনেক গবেষনার "মান্জা" মারা ধারালো সুতা, যা দিয়ে ঘুড়ি কাটার স্বপ্ন দেখেছি আমি শৈশবে। মানুষ শহরমুখী স্রোতে তাদের শেকড় উপড়ে ফেলে দিয়ে আসে। সাবধানী পরিচর্যা ছাড়া তাই কখোনোই তৈরী হবে মানবতা,বিশ্বাস। আমি খুব হতাশ। অনেক হতাশ। আমার ছোট ভাই সেদিন এক মলম পার্টির কবলে পরা মানুষকে হাসপাতালে দিয়ে এসেছে। তার বন্ধুদের কয়েকজন হাসপাতালে লোকটার সাথে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আমি শুনে ভুত দেখার মত চমকে উঠলাম। যদি নতুন প্রজন্মের মাঝে ফান্ডামেন্টাল এবং সহজতম মানবতা না থাকে তাহলে ভবিষ্যত কি?

আমি আসলে এই ছবিগুলোকে বিশ বছর পরে বাংলাদেশে ঘটতে দেখি দু:স্বপ্নে।
দু:খিত অনেক বকবক করে ফেললাম। আসলে নিজের উপরেই ক্ষেপে যাই নিজের অক্ষমতা দেখে। চোখের সামনে আমি মানসিক ভাবে ধ্বংস হতে দেখি একটি জাতিকে।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: না ভাইয়া! আপনার কথা বলা অবশ্যই এ্যপ্রিশিয়েটেড। আর আপনার কথাগুলো আমাকে কেন যেন "ওয়ালী" এ্যানিমেশনটার কথা মনে করিয়ে দিল! পৃথিবীর যান্ত্রিকতায় চরম "টেকি" মানুষেরা অন্য গ্রহে গিয়ে বাসা বাঁধে। তারা কখনো নিজের চোখে প্রাকৃতিক কিছু দেখেই নি। পরে তাদের এক যান্ত্রিক দূত নিজের ভেতর একটা গাছ নিয়ে যায়। যা দেখে ওখানকার মানুষ সচেতন হয়ে ইট-কাঠের ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে ফিরে আসে। আদিম এক বই পড়ে তারা জানতে পারে প্রানের উৎস গাছ; আর তাই গাছে গাছে ভরে দিয়েছিল পৃথিবীকে তারা। আবারো মানুষ হয়ে গিয়েছিল মাটির মানুষ আর সেই পৃথিবীটা রঙিন হয়ে গিয়েছিল গাছে-ঘাসে। আমার খুব পছন্দের এ্যানিমেশন তাই আপনি হয়তো জানেন তাও বললাম কাহিনীটা আবারো।

মানুষ আসলেই খুব আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে মানি। তবে আপনার ভাইয়ের মতো মানুষ-ও তো আছে এখনো ভাইয়া! আমরা তাই হয়তো এখনো আশা করতে পারি! তবে হ্যা, সচেতনতা না জাগালে কিছুই হবে না। মানুষের মাঝখানে একটা বোধ তৈরী করার আলোড়ন আসতে হবে নাহলে যান্ত্রিকতা হঠানো সম্ভবপর না। নানান ধরনের সংষ্কৃতির মিলমিশে নিজেদের পরিচয় হারালে কিশোর বা তরুনকে দোশ দেয়ার চে' তাদের যারা সচেতন করবে তাদের দোষ দেয়া উচিৎ বলে মনে করি। কামাল ভাইয়ের কথায় একমত, "যদি শিশু-কিশোরদের মনে এইসব ধারণা ঢুকিয়ে দিতে পারি, একমাত্র সেক্ষেত্রেই অবস্থার উন্নতি ঘটবে।"

এখানে বলে রাখি যে আমি ফেইসবুকের ফালতু এ্যাপ্লিকেশনগুলোয় বা কুইজ খেলাগুলোতে চরম বিরক্ত হই। (আইকিউ বা টেস্ট এর কয়েকটা খেলেছি প্রথমদিকে, ওগুলোও চরম ফালতু)

মোরাল বা ফান্ডামেন্টাল ভ্যালুগুলোর অবস্থা আশঙ্কাজনক হারে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। এটা নতুন প্রজন্মের চাল-চলন বা লাইফস্টাইলেই বোঝা যায়। তবে তাদের অভিভাবকরা তাদের ঠিক শিক্ষা দিলে সেটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

আমি এ পোস্টে আসলেই প্রচার চালানোর সুবিধাটা নিয়েছি। এর চে; ভাল সমাধান থাকলে আমাকে দিন। আমি সেটা সত্যি এ্যাপ্রিশিয়েট করছি ভাইয়া। আমিও ফেইসবুকের অন্ধ পক্ষে নেই। তবে এর চে' ভাল কোন সমাধান পেলাম না ঠিক তখন।

ধন্যবাদ ভাইয়া নিজের মতামত জানানোর জন্য। ভাল থাকুন!

২২. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পড়লাম। গতরাতে ভাবছিলাম রাস্তার পাশে ভিক্ষা করা প্রতিবন্ধী মানুষগুলোর কথা। কত জনই বা হবে ঢাকা শহরে? হাজার দুয়েক হয়তো। রাষ্ট্রতো তাদের জন্য কিছু করেইনি। আমরাও কিছু করতে পারলাম না। রাস্তা দিয়ে হাটার সময় ওদেরকে দেখলে নিজেকে/ নিজের মতো মানুষগুলোকে আর আমার এই প্রিয় জন্মভূমিকে সভ্য বলে মনে হয় না। আমরা কত অমানবিক!
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আসলেই আমরা আমাদের কম সাধ্যের মধ্য শুধু আহাজারী দেখতে পারি আর সাধ্য হলে হয়তো এঁদের মতো "উচ্ছিষ্ট"-দের কথা মনেই রাখি না! অথচ একটা কাক আহত হলেও দশ-বিশটা কাকের প্রতিবাদ আসর জমে যায়! কি আশ্চর্য... এসবের পর-ও আমরা নাকি সৃষ্টির সেরা জীব!

২৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: দুঃখজনক!! শেয়ার করলাম।

তবে এইক্ষেত্রে ছেলে মেয়েদের একতরফা দোষ দেওয়াটা খুব একটা সুবিচার নয়। যেটা অনেকেই করে থাকেন। আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট, বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা সবই এই পরিস্থিতির উদ্ভবের পেছনে প্রভাব বিস্তার করে। বর্তমানে যে সমাজ ব্যবস্থার দিকে আমরা ধাবিত হচ্ছি সেই বাস্তবতায় ওল্ডহোম একটা বাস্তব পদক্ষেপ। বাবা মা সাথে থাকল অথচ তাদের জন্য সময় দিতে পারলাম না, এতে কিন্তু বাবা মার একাকীত্বের যন্ত্রনা দূর হবে না। বাবা মায়ের আশ্রয়ে বড় হয়ে বেশির ভাগ মানুষই উপলব্ধি করতে পারে না বাবা মায়েরও তার আশ্রয়ের দরকার আছে। নানা যন্ত্রনায় যেই মায়ের কাছে যাওয়া হয় বার বার, সেই মাই যখন একাকী ঘরে বিছানায় ছাঁদের দিকে মুখ করে নির্জীব শুয়ে থাকে, তখন অনেকেরই মায়ের পাশে বসে দুটি কথা বলবার কথা মনে আসে না। প্রশ্ন উঠতে পারে কেন মনে আসে না? আমরা কি নিষ্ঠুর? উত্তর হবে, আমরা নিষ্ঠুর নই, কিন্তু যে বাস্তবতায় আমরা ঘেরা সেটা বড় নিষ্ঠুর।

সিনিয়র সিটিজেনদের ব্যাপারে সামগ্রিকভাবে সমাজের সব ক্ষেত্রকে চিন্তা করতে হবে। কারন তারা সমাজের বাস্তবতা। আজকের এই তারাই আগামীর আমরা। তাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে না দেখে সমাজের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে সামষ্টিক ব্যবস্থা নেওয়াই জরুরি।

আশা করি এই ছবিগুলো আমাদের মনে বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোড়ন সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: "তবে এইক্ষেত্রে ছেলে মেয়েদের একতরফা দোষ দেওয়াটা খুব একটা সুবিচার নয়।"... ভাইয়া, আমি যাদের নিয়ে পোস্ট করেছি তাঁরা নিজের ঘরের জঞ্জাল বলে তাঁদের ছেলেমেয়েরা তাঁদের সম্পূর্ণ অবগত হয়েই দিয়ে গেছে এমন একটা "ওল্ডহোমে" যেখানে তাঁরা মৌলিক চাহিদা তো দূরে থাক তাঁদের বেঁচে থাকার জন্য নূন্যতম জরূরী কিছুও পাচ্ছে না। আর আপনার বলা ঐ নিষ্ঠুর বাস্তবতা থেকে যদি বাবা-মা কে ছেড়ে আসার ব্যপারটা আসে তাহলে ওটাও আমি মানতে পারলাম না। বাস্তবতা আমরাই তৈরী করেছি। এটাকে আমার একটা অজুহাত মনে হয়। আমি সারাদিন সব ধরনের ব্যস্ততার পর আমার নির্জীব মা-বাবার পাশে বসে হয়তো কথা না বললাম, কিন্তু তাঁর দেখা-শোনা বা ভরন-পোষন ঠিক মতো হচ্ছে কি না এতোটুকু দায়িত্ব নেয়া অবশ্যই উচিৎ। সেজন্য ভেতর থেকে আসা একটা ইচ্ছা-ই যথেষ্ট।

ভাইয়া, খুব ছোট থাকতে সমাজ বইতে শিখেছিলাম, কতোগুলো পরিবার নিয়েই একটা সমাজ গড়ে ওঠে। সেটা কেন যেন গেঁথে আছে ভেতরে। আমার মনে হয় প্রথমে যদি পরিবারের ভেতর সচেতনতা আসে আর তারপর একটা সামগ্রিক পদক্ষেপ নেয়া হয় তাহলে বিষয়টা আরো অনেক সুন্দর-শোভন হবে আমাদের বাবা-মা'র জন্য।

ভাইয়া, আমি আপনার কথাগুলোকে বা দৃষ্টিভঙ্গিকে কটাক্ষ করে কিছু বলিনি। শুধু নিজের দৃষ্টিভঙ্গিটা বলেছি। আশা করি এটাকে তর্ক বা বেয়াদবী হিসেবে নেবেন না।

আমার কেন যেন এই সিনিয়র মানুষগুলোর প্রতি এটা অন্যরকম টান আছে। আমার নিজের বাসায় আমি দাদুকে দেখেছি মারা যেতে। দাদু মারা যাবার পর আমি বুঝেছি যে আমার কি বিশাল একটা ছায়া নেই! এই অনুভূতিটা প্রতি জেনরের প্রতিটা মানুষের থাকা প্রয়োজন। এর অনেক মূল্য।

আমি ছবিগুলো দেখে প্রচন্ড আলোড়িত হয়েছি আর সত্যিকার কিছু করতে চেয়েছি। আমি চাই সবাই সেই সতর্ক সংকেতটা পেয়ে যাক।

লিংক শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া!

২৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমি ফেইসবুকে লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। অনেক ধন্যবাদ আপু পোষ্টটার জন্য।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমাকেও সুপ্তি! অনেক ভাল থেকো!

২৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
দ্রোহি বলেছেন:
আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ভাল লাগল, সেই সাথে এই প্রচেষ্টা। ফেসবুক এড়িয়ে চলি। বিকল্প চেষ্টা থাকল।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! বিকল্প কোন উপায় পেলেও আমার কোন সমস্যা নেই। আলোড়ন ছড়িয়ে দিন যেকোন ভাবে, মাধ্যমে।

২৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯
পল্লী বাউল বলেছেন: অসাধারণ, হৃদয়ছোয়াঁ।

পোস্টটা কিছুদিনের জন্য স্টিকি করা হইক @ সামু কতৃপক্ষ।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই! লিংকটা শেয়ার করেছেন তো ?!

২৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫০
রণদীপম বসু বলেছেন: খুব সংবেদনশীল পোস্ট ! অবশ্য যাদের চামড়া গণ্ডারের নয়, তাঁদের জন্য।

ধন্যবাদ শব্দটাই এখানে ছোট হয়ে যায়। অভিনন্দন।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অভিনন্দন ভাইয়া!

লিংকটা ছড়িয়ে দিন ভাইয়া। আর খুব খুব ভাল থাকুন!

২৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৪
মুনশিয়ানা বলেছেন: মানবিক আবেদন এ সাড়া দিয়ে এ পোষ্টটি স্টিকি করা হোক।

ঝড়কন্যাকে অনেক ধন্যবাদ...


(যদিও আমি নিজেও নিশ্চিত নই-- আমাদের পারিবারিক বাঁধনগুলো যেভাবে দিন দিন আলগা হয়ে যাচ্ছে, আমাদের বয়জেষ্ঠ্য প্রজন্মদের নিয়ে এই সমস্যার সমাধান কি ভাবে সম্ভব...? )
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও ভাইয়া। তবে স্টিকি না করা হলেও লিংক-টা ছড়িয়ে দিন যত দূর পর্যন্ত পারবেন।

সমস্যার সমাধান সম্ভব তাঁদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ধনাত্মক করে তাঁদের ভবিষ্যৎ-টা নিশ্চিত করার মাধ্যমে। একটা অদ্ভুত ব্যপার হলো আমাদের মা-বাবা তাঁদের ঐ সময়টায় আমাদের থেকে খুব কম কিছুই আশা করেন। সেটা যখন পান তখন-ই অনেক খুশি হয়ে যান। তাদেরকে খুশি করতে খুব বেশি সময় বা শ্রম দেবার প্রয়োজন নেই। শুধুই দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোটা প্রয়োজন। তাঁদের শেষ সময়টা পর্যন্ত তাঁদের সাথে থাকা, আর সাথে না থাকতে পারলে তাঁদের এমন কোন জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া যেখানে তাঁদের দেখা-শোনা নিশ্চিত আসবে- এই বোধটা ভেতরে জাগানো। সেখানে তাঁদের সাথে যোগাযোগ রাখার ব্যপারটাও দেখতে হবে। এতো সহজ একটা সমাধান সম্ভব যদি শুধু দৃষ্টিভঙ্গিতে ছোট্ট একটা পরিবর্তন আনা যায়। আর আমার মনে হয় না সেটা ততোটা কঠিন!

২৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫৫
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনার এই লেখাটি আমাদেরকে অনেক কথা বলার সুযোগ করে দিলো। এটাও কিন্তু ছোট ব্যাপার নয়। বিশেষ করে আরিফুল হোসেন তুহিনের দুটো অসাধারণ মন্তব্য (মন্তব্য ১৬ ও ২১ ) এই পোস্ট ঋদ্ধ করে তুললো। তিনি খুব মৌলিক কতোগুলো বিষয় সামনে নিয়ে এসেছেন। হয়তো খুব বড়ো স্কেলে চিন্তা করলে সমস্যাগুলো আমাদের সমাধানের বাইরে, তবে আমাদের ছোটখাটো উদ্যোগগুলো, পরিবারের ভেতরে এবং বাইরে পরিচিত পরিমণ্ডলে আমাদের ইতিবাচক চেষ্টাগুলো কমবেশি ভালো ফল নিয়ে আসতে পারে। তুহিনের মতো আমিও কখনো কখনো হতাশায় ভুগি বটে, তবে একেবারে হাল ছেড়ে দিতে রাজি নই কখনো। অন্তত এটুকু স্বপ্ন দেখি, সমাজ ও রাষ্ট্রের আমূল পরিবর্তন ঘটাবার সাধ্য আমাদের না থাকলেও, যদি চেষ্টা করি, তাহলে হয়তো একহাজারে একজন মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন মানুষ বেরিয়ে আসবে। একথা সবসময় মনে রাখা ভালো যে, একটি সমাজের অধিকাংশ মানুষই গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেয়া মানুষ; তাদের সবার কাছ থেকে ইতবাচক কর্মকাণ্ড আশা করা যায় না। তবে, ওই যে একহাজারে একজন সংবেদনশীল মানুষ, সে কিন্তু একাই একশ জনের কাজ করে যায়! সেই অর্থে শিশু-কিশোরদের পরিচর্যার দিকে নজর দিয়ে অন্তত কিছু মানুষ যদি তৈরি করা যায়, তাহলে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।
--------------------
আপনার দাদুর কথা আপনার অন্য কোনো কোনো লেখায় আগেই পড়েছি। জেনেছি কী আবেগময় সম্পর্ক ছিলো আপনাদের! এখন ভাবুন, যদি আপনার বাবা-মা তাঁকে ছাড়াই একটি নিউক্লিয়াস ফ্যামিলি তৈরি করতো শুধু তাদের সন্তানদের নিয়ে, তাহলে আপনার দাদু যেতেন কোথায়? ওল্ডহোম? আপনারাই বা কোথায় পেতেন দাদুর অপত্য স্নেহ? কিংবা, দাদুবিহিন ওই ফ্যামিলিতে বড়ো হয়ে আপনার মধ্যে কি এই অনুভূতি জন্মাতো যে, বৃদ্ধ মানুষকে কিভাবে সম্মান করতে হয়, ভালোবাসতে হয়? আপনি কিন্তু শিখলেন আপনার মা-বাবার কাছ থেকেই। সেজন্যই বলেছি, গুরুজন ছাড়া নিউক্লিয়াস ফ্যামিলি আসলে অপূর্ণ ফ্যামিলি। হয়তো এই ধরনের পরিবার এখন অনিবার্য বাস্তবতা, তবু কামনা করি, হোক নিউক্লিয়াস ফ্যামিলি, তবে পরিবারের বয়স্ক মানুষটিকে বাদ দিয়ে নয়, তাকে যথার্থ সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েই পারিবারিক বন্ধনের মধ্যে রাখা হোক।

আপনি যখন সংসার তৈরি করবেন, সেখানে গুরুজনরা থাকবে তো আপুমনি?
-----------------
একজন বয়স্ক মানুষ সারাজীবন ধরে পরিবার ও সমাজকে নানারকম সার্ভিস দিয়েই আজ এই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছেন। তিনি কেন অপাঙক্তেয় হবেন আমাদের কাছে? যথার্থ মর্যাদা পাওয়া তাঁর ন্যায্য অধিকার। এবং এটাও মনে রাখা দরকার, একজন মানুষের অধিকার আছে শেষ বয়সে স্বজনের সান্নিধ্য পাবার, মৃত্যুর সময় প্রিয়জনের হাতের স্পর্শ পাবার। আমরা যদি তাকে সেটা না দিই, তাহলে অপরাধি হয়ে থাকবো আমরাই, তিনি নন।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: তুহিন ভাইয়ের মন্তব্য আমি সবসময় খুব এ্যপ্রিশিয়েট করি। "একহাজারে একজন মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন মানুষ বেরিয়ে আসবে।" - এটাই আমিও বললাম। আমার পোস্টটাই দেখি; ব্লগের অনেকেও দেখে চলে গেছেন। ছবিগুলো তাদের মনে হয়তো দাগ কাটে নি। কোন কমেন্ট বা উপস্থিতি টের পাই নি লিস্ট-এ তাদের নাম ছাড়া। ২ জনের ভাল লাগেই নি। তাদের নিয়ে মন্তব্য করা অনর্থক। কিন্তু ২২ জনের মনে ব্যপারটা নিয়ে আলোড়ন তৈরী হয়েছে। তারা এটা ছড়িয়ে দিলে হয়তো সেখান থেকে আরো ২২ জন বের হয়ে আসবে! আমিও আশা করি। আর আমি নিজে দেখেছি যে আমার পরের জেনরের অনেকেই ব্যপারটা নিয়ে ভাবছে। যেটা আমার মধ্য আশাবোধ জাগিয়ে তুলেছে অনেক বেশি!

আপনার সাথে একমত। দাদুর অবস্থান আসলে বলে বোঝানো সম্ভব-ই না! আমি দাদু মারা যাবার পর ছবির এমন মানুষগুলোর মধ্য তাঁর শেষ কষ্টের সেই সন্ধ্যাটা দেখতে পাই ভাইয়া। সেসময়টায় দাদু শেষ চেয়েছিল যাতে আমরা তাঁকে ঘিরে থাকি, তাঁর আর কিছুর দরকার ছিল না। মানুষগুলোর এই ভয়াবহ অসহায়ত্বটা আমার লিটারালি অসহ্য লেগেছে। আমি সত্যি তাঁদের জন্য কিছু করার একটা অপারগতায় ভুগছিলাম। তাঁদের গুরুত্বটা সবাইকে বোঝানোর জন্য-ই আমি এ পোস্টটা দিয়েছি।

ভাইয়া, আমি যে অসাধারণ একটা ছায়া বা সান্নিধ্য পেয়েছি তা থেকে আমার পরের প্রজন্মকে বঞ্চিত করি কিভাবে? গুরুজন যেকোনো সংসারের ছায়া। আমার বাসাটাও কখনো ছায়াশূণ্য হবে না ইনশাআল্লাহ!

শেষের কথাগুলোর সাথে সম্পূর্ণ একমত!

৩০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩২
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: খুবই চমৎকার লেখা। ভাবনাগুলোর সাথে, ছবিগুলোর সাথে আমাদের ফ্যানাটিক আর ফ্যান্টাস্টিক বাস্তবতার কথা বলা হয়ে গেছে। আর প্রাসঙ্গিক আলাপগুলোও অসামান্য!

আমার কেবলই মনে হয়, সব পরিস্থিতি একটা নিম্নতম বিন্দুতে পৌঁছে ধীরে ধীরে আবার উন্নতির দিকে যায়। অনেকটা সাইন তরঙ্গের মতোন। সেই আশা থেকেই, ক্রমশ ক্ষয়ে যাওয়া মূল্যবোধ আর ভেঙে পড়া পরিবারগঠনের দিকে তাকিয়েও আশা করি, একটা সময়ে আবারও হয়তো এই অবক্ষয় শুধরে উঠবে, আমরাই শুধরে নিবো।

ছবিগুলো তো আগে শেয়ার করেছিলাম। এখন ভাবলাম মতটাও জানাই।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: ছবিগুলোর সাথে আমাদের ফ্যানাটিক আর ফ্যান্টাস্টিক বাস্তবতার কথা বলা হয়ে গেছে।... ভাল বলেছো!

আমি চাই অবক্ষয়টা শুধরে নিতে। খুব খুব তাড়াতাড়ি। আমার কেমন যেন মনে হচ্ছে ব্যপারটা মার্জিনের বাইরে চলে যাচ্ছে!

তোমাকে অনেক ধন্যবাদ! মতামত সবসময় এ্যাপ্রিশিয়েটেড! ভাল থেকো!

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভেবে দেখার পর আশা করি লিংক-টা ছড়িয়ে দেবেন আর বাকিদেরকেও ভাবার সুযোগ করে দিবেন।

ভাল থাকুন।

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনার কথাটার নিশ্চয়তা দিতে পারছিনা দেখে দুঃখিত ভাই! লিংকটা ছড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ থাকবে।

খুব ভাল থাকুন।

৩৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১
ফেরারী পাখি বলেছেন: click this link

যতবার শুনি ততবারই এত কাঁদি যে কি বলবো, মাঝে মধ্যে অসুস্থ লাগে। জীবনে কোন গান শুনে এত কাঁদিনি।

তোর এই আয়োজনের সাথে একাত্ম হয়ে রইলাম, তবে আমার করার ক্ষমতা খুব কম। খুবই শূণ্য মানুষ আমি।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপুটা! শুধু খবরটা ছড়িয়ে দাও তোমার সাধ্যের সীমার মধ্য তাহলেই হবে। আমাদের সবার-ই ক্ষমতার অনেক অভাব।

গানটা খুব বেশি টাচি লাগলো!

খুব ভাল থেকো!

৩৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


আবার আমরা মানুষ হই, আবার আমরা মানুষ হই !
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: আসলেই ভাইয়া! আবার আমরা মানুষ হই!

কেমন আছেন ??

৩৫. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১২
ভুরিদত্ত বলেছেন: এই সব কাজটাজ শেষ করে যদি কিছু সময় বাঁচে, ডকিন্সের সেলফিশ জিন আর টফলার সায়েবের ফিউচার শকের মজ্যুলার ফ্যামিলির চ্যাপ্টারটা একটু নাড়াচাড়া করে দেখতে পারেন, সঠিক ঠিকানায় ইঠি দিলে বইগুলোর কোমলকপি পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: বইগুলো পাওয়ার চেষ্টা করবো। আমাকে বা ব্লগের সবাইকে "অযথা" উপদেশ দিয়ে সময় বাঁচলে আমার এ লেখার লিংক-টা শেয়ার করতে পারেন।

যদিও এতোটা আশা করি না আপনার থেকে তাও রিস্ক রাখলাম না। ভাল থাকুন।

৩৬. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
আবু সালেহ বলেছেন:
অবশ্যই........
আমার পিরিচিতদের মাঝে আমি ছড়িয়ে দিচ্ছি.....
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সালেহ ভাই!!!

৩৭. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
দূর্ভাষী বলেছেন: সাধ্যমত চেষ্টা করলাম শেয়ার করার
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ দূর্ভাষী !!!

১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই! লিংকটা ছড়িয়ে দেবার অনুরোধ থাকবে!

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্নরাজ! লিংক শেয়ার করার অনুরোধ থাকবে।

৪০. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: এদের নিয়ে কাজ করছে অল্প কিছু মানুষ। তাদের একজন খতিব মুকুল (পূরো নামটা মনে নেই) যিনি গিভেন্সী গ্রুপের মালিক। তিনি গাজীপূরে একটা ওল্ড হোম পরিচালনা করেন।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: জানতাম না। ভাল লাগলো শুনে। লিংকটা শেয়ার করবেন ভাইয়া। আর ওখানে সাহায্য পৌঁছাবার মতো ব্যবস্থা করতে পারলে তো কথাই নেই!!!

৪১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৫
রাতমজুর বলেছেন:
@ক্যামেরাম্যান
খাতিব মুকুল নামেই ওনাকে চিনবে সবাই। আপনি ইন্টারেস্টেড থাকলে আমি কনট্যাক্ট হতে পারি।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রামুভাইটুন! :)

৪২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
রাতমজুর বলেছেন:
এইটা আগেই দেখছি, আমি ফাউল টাইপ ব্লগার, বালো কমেন্ট আসেনা। তাই সইরা ছিলাম।

যাকগে, এই মাসের শেষ নাগাদ একটা প্রিন্ট (সাথে লেখিকার ফোন আর মেইল দিবার পারমিশন চাই) হাতে হাতে পাঠাতে পারবো ঐখানে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: এই লেখাটার প্রিন্ট চাচ্ছেন ?? আমি পাঠিয়ে দিতে পারবো আপনার রিকোয়্যারমেন্টস-এর সাথে তবে আরেকটু বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।

৪৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
তাজা কলম বলেছেন:

আপনার ব্লগে এই প্রথম ঢুকলাম কালপুরুষদার "তাজা কলমের পোস্ট ও “লুলসম্রাট”: কালপুরুষীয় ভাবনা" পোষ্টের মন্তব্য পড়ে। আপনার এই মানবিক পোষ্টটি মনকে আপ্লুত করলো।

বাই দি ওয়ে, কালপুরুষদার সাথে আপনার বিতর্ক বেশ উপভোগ করছি কারণ বিতর্ক সূচিত হয়েছে আমার ফান পোষ্টটাকে ( Click This Link ) কেন্দ্র করে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমার পোস্টের লিংকটা শেয়ার করার বা ছবিগুলো ছড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ থাকবে।

ঐ পোস্ট সংক্রান্ত কথা ওখানে বলাটাই শোভন। আমি আমার কোন পোস্টে ঐ সম্পর্কিত কথা বলতে চাচ্ছি না। তাতে আমার পোস্ট কন্টেন্টে প্রভাব পড়ে।

আপনার লিংকটায় যাচ্ছি। ভাল থাকুন।

৪৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১১
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: দারুন লেখা। ভীষণ ভাল লাগল।+++++
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ছবিগুলো ছড়িয়ে দিন। এটার অনুরোষহ থাকলো। ভাল থাকুন!

৪৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
ত্রিশোনকু বলেছেন: সাথে আছি, যদিও জানিনা কদ্দুর কি হবে। আপনার হতাশা বাড়াতেঃ

Click This Link
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ ... পোস্টে যাচ্ছি!

৪৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: খুব খারাপ লাগলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম। এলবামটা শেয়ার করছি সবার কাছে। সাথে এই পোস্টের লিংক এবং কিছু লাইন।।।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ মুন্না !!! খুব ভাল থাকুন!

৪৭. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২
মন মানে না বলেছেন: (Bangla Asse na ! net e prob mane slow !)

Ami ektu emotional typer. ei typer lekha porle kanna choela ase .

Tumi onek valo likhso apu.

Tomar Sathe asi. Share korlam fb te .

Beche thakte jeno kaw k Bridda asrome jete na hoy.
৪৮. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
মন মানে না বলেছেন: প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম ।

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইটা !!! সবাই এভাবে সহযোগীতা করলে হয়তো আমার উদ্দেশ্য সফল হবে কোন এক সময়!

অনেক ভাল থেকো!

৪৯. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪
রুবেল শাহ বলেছেন:

যাদের সামর্থ্য আছে তাদেরকে কোন ভাবেই এই ছবি গুলো নাড়া দেবে না। যাদের কিছু করার সামর্থ্য নেই তারাই অন্তদহনে বেশী পুড়বে।
ব্ড্ড বেশী জ্বালা দিল পোষ্টটা.......................



=== ধন্যবাদ দিয়ে অনেক কিছুর ঋণ শোধ দেয়া যায় না।

শুভেচ্ছা থাকল
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: যাদের সামর্থ্য আছে তাদেরকে কোন ভাবেই এই ছবি গুলো নাড়া দেবে না। যাদের কিছু করার সামর্থ্য নেই তারাই অন্তদহনে বেশী পুড়বে... এটা কাটিয়ে ওঠা যেতো কোনভাবে!!!

শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ ভাই! আন্তরিক ধন্যবাদ।

সাথে থাকুন... ছবিগুলো ছড়িয়ে দিন!

৫০. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০০
সৌরভ সাখাওয়াত বলেছেন: আমাদের বড় ধরনের একটা পরিকল্পনা আছে একটা ভিলেজ করার বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্যে। দীর্ঘমেয়াদী একটা পরিকল্পনা। এটা তথাকথিত বৃদ্ধাশ্রম জাতীয় নয়। পোস্টএর শুরুতে একরামুল হক শামীম মন্তব্যে হয়তো তার কথাই বলেছে।

যারা এসব নিয়ে ভাবে, এমন চিন্তা আর মানসিকতা যাদের আছে আমরা এক হতে চাই। আমাদের অনেকগুলো হাত এক হলে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আর বিছিন্ন চেষ্টা গুলোকে এক করা গেলে অনেক বড় কিছু করা সম্ভব। সত্যি সম্ভব।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৫

লেখক বলেছেন: সাখাওয়াতভাই আপনাদের সাথে অবশ্যই থাকবো। শামীম ভাইয়ের সাথেও কথা হয়ে গেছে। প্রোজেক্টটার সাফল্য আনতেই হবে। আপনাদের অসাধারণ একটা প্রচেষ্টা অনেকের জন্য উদাহরন হয়ে থাকবে।

আমাদের অনেকগুলো হাত এক হলে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আর বিছিন্ন চেষ্টা গুলোকে এক করা গেলে অনেক বড় কিছু করা সম্ভব। সত্যি সম্ভব।... সেটাই আমিও বিশ্বাস করি। সবার মধ্য বোধ আসুক।

ছবিগুলো ছড়িয়ে দেবেন।

অনেক অনেক ধন্যবাদ!

৫১. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আরিফুল তুহিনের মন্তব্য গুলো দারুন পছন্দ হয়েছে --

কিন্তু এর সমাধান আদৌ আছে কিনা জানি না ।

এটা জানি শুধু -- আমাদের পক্ষেই সম্ভব ।

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: এটা জানি শুধু -- আমাদের পক্ষেই সম্ভব... এই বিশ্বাস থেকেই সবকিছু সম্ভব।

অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া! সাথে থাকবেন!

৫২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
মিআমি বলেছেন: আমার কথায় রাগ করবেন না। মাফ চাই আগে

মহৎ কাজের সাথে আপনার নিকটা মানানসই নয়।বৃখখের পরিচয় ফলে।

প্রথম নজরে সবাই আপনার নামটা দেখবে(নিক) যারা চিনে তাদের কথা আলাদা।

এমন ও বলতে পারে। কেহ চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী।



০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: আমার নামের বানানটা দেখলে অর্থটা একটু পরিষ্কার হয়ে যায়। তাও বলে দিচ্ছি : ঊশৃংখল বলতে বুঝিয়েছি "যাকে শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা সম্ভব না" আর ঝড়কন্যা অর্থ "যে সমাজের ঘৃন্য কিন্তু তেলাপোকার মতো বেঁচে থাকা ট্যাবুগুলোকে গুঁড়িয়ে দেয়ার শক্তি রাখে"। আপনার কথাটাই বলছি, "বৃক্ষের পরিচয় তার ফলে।" সুতরাং আমাকে যারা চিনে না তারা আমার লেখা দেখেই আমাকে চিনবে। আর সেখানে আমাকে ভুলভাবে চেনার কোন উপায় নেই।

ধন্যবাদ আপনার মতামত জানানোর জন্য মিআমি! :)

৫৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
মিআমি বলেছেন: ও হা আমি ও এমন ভাবি

যারা এসব নিয়ে ভাবে, এমন চিন্তা আর মানসিকতা যাদের আছে আমরা এক হতে চাই। আমাদের অনেকগুলো হাত এক হলে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আর বিছিন্ন চেষ্টা গুলোকে এক করা গেলে অনেক বড় কিছু করা সম্ভব। সত্যি সম্ভব।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ মিআমি! লিংকটা ছড়িয়ে দিন, ছবিগুলো ছড়িয়ে দিন। আর অনেক শুভেচ্ছা নিবেন!

৫৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: ছবিগুলা উপরের লিংক-এ না পাওয়া গেলে এটাতে দেখুন:

Click This Link

যে পেইজটা আসবে তার নিচের "এন্টার" বাটনে ক্লিক করলে পরপর সব ছবি দেখতে পাবেন।

আকাশ ভাই পৃথিবীর ভয়াবহ দিকগুলা তার ছবিতে তুলে ধরেন। এটা তাঁর ওয়েবসাইটের এ্যাড। এখানে অন্য ছবিগুলোও দেখবেন সময় করে। আমার মনে হয় শক্তি একজোট হলে আমরা সব সমস্যা মোকাবেলা করতে পারবো।

ভাল থাকুন সবাই!
৫৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: shared....
kintu apu, ekhn jug tai emon j, bodh somponno manush khub kom.....so karjokor kono uddog chara prochare koto ta kaj hobe seta niye ami sondihan... ar facebook holo duniar sobcheye fal2 jaiga... okhane manush thakei show off er jonno... tobe apnar vabna k shadhubad janai.... poroborti kono uddog thakle janaben.... try korbo sorboccho help korar jonno... :)
৫৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৫
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: shared....
kintu apu, ekhn jug tai emon j, bodh somponno manush khub kom.....so karjokor kono uddog chara prochare koto ta kaj hobe seta niye ami sondihan... ar facebook holo duniar sobcheye fal2 jaiga... okhane manush thakei show off er jonno... tobe apnar vabna k shadhubad janai.... poroborti kono uddog thakle janaben.... try korbo sorboccho help korar jonno... :)
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার মতামত দেবার জন্য ধন্যবাদ। আমার সাধ্যে এরচে' বেশি কিছু করা সম্ভব ছিল না ঐ সময়টায়। আমি নিজেই একটা উদ্যোগ নিবো ঠিক করেছি, সেটার বাস্তবায়ন হলে অবশ্যই আপনাকে জানাবো।

ভাল থাকুন!

৫৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৩
শান্তির দেবদূত বলেছেন: খুব ভালো লাগলো ...... যে কোন রকমের সাহায্যে আসতে পারলে ভালো লাগবে।আপনাকে ফেইসবুকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার লিংক http://www.facebook.com/debdut প্রযোজন হলে এড করে নিতে পারেন।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আমি ফেইসবুকে এ্যাড করে নিবো আপনাকে। আপাতত প্রোফাইল ডিএকটিভেটেড আছে কিছু কারনে। আমি রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিবো। খুব ভাল থাকুন।

৫৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৭
কাদা মাটি জল বলেছেন: এলবামটা লিঙ্ক দিয়ে পাচ্ছিনা, :(
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: Click This Link

এখানে পাবেন। যে পেইজটা আসবে তার নিচের ডানদিকের "এন্টার" বাটনে ক্লিক করলে পরপর সব ছবি দেখতে পাবেন।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: লিংক-এ যাচ্ছি...

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

৬২. ২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬
ফজলুল করিম বলেছেন:
দেরীতে হলেও পোষ্টটা পড়লাম এবং
এই মাত্র আমার ফেইসবুকে শেয়ার করলাম।

অনেক ধন্যবাদ এই পোষ্টের জন্য।
২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ! ভাল থাকুন!

৬৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৩:৪০
মাহফুজ৩১৮ বলেছেন: শেয়ার করাটা প্রত্যেকের নৈতিক দ্বায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই, তাই দেরীতে হলেও ফেসবুকে শেয়ার করলাম।
২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, মাহফুজ!

৬৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৯
দুর্বলতার অমিত বলেছেন: অনেক অনেক ভালো লাগছো এই পোষ্ট টা পড়ে...শেয়ার করলাম
২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অমিত!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭০৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি আবোল-তাবোল বলে চলি
অদ্ভুত সব মুখোশ পড়ি
স্বপ্নগুলো এলো-মেলো
ইচ্ছেগুলো রঙিন আলো।
এরই মধ্য মাঝে মাঝে
একটু-আধটু ভাব আসে...
ভাবগুলোকে বন্দী করে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই