ছবি ব্লগ: যোগ জলপ্রপাত
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:২১
ভারতের কর্ণাটক প্রদেশের যোগ ফলস এ গিয়েছিলাম ২০০৬ সালের জুলাই মাসে। কর্ণাটকের উচ্চতম তো বটেই, এমন কী এই জলপ্রপাত দক্ষিন ভারতের মধ্যে অন্যতম। তবে এই ফলস যে দক্ষিন ভারতের মধ্যে সব থেকে সুন্দর জলপ্রপাত একথা বলতে পারি না। কারন এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর জলপ্রপাত রয়েছে যা অত্যন্ত দুর্গম স্হানে অবস্হিত। যোগাযোগের ব্যাবস্হা থাকলে সেইসব বন্য জলপ্রপাতে দেশী বিদেশী পর্যটকের মেলা লেগে যেত।
যোগ নামটা এসেছে স্হানীয় গ্রামের থেকে। এই জলপ্রপাতটা যে গ্রামে অবস্হিত সেই গ্রামটির নাম যোগ (স্হানীয় কন্নড় ভাষায় যোগা)। এখানে আসতে হলে বর্ষাকালে আসাই ভালো। যোগ তখন জলের স্রোতে ফোঁসে। কখনো মেঘ, কখনো কুয়াসা, কখনি আবার ঝরঝরে বৃষ্টি এইসব নিয়ে যোগ একেবারে জমজমাট। মোট ৪ টে জলের ধারা আছে এখানে। তাদের আবার আলাদা আলাদ নাম ও আছে: রাজা, রানী, রাঞ্চো ও রকেট।
ছবি পরিচিতি:
১। যোগ জলপ্রপাত।
২। তালগুপ্পা থেকে যোগ গ্রামে যাবার পাহাড়ী রাস্তা।
৩। যোগ জলপ্রপাতে ঢোকার প্রবেশদ্বার। এখানে ৫ রুপির টিকিট কেটে জলপ্রপাতে ঢুকতে হয়।
৪ - ৫। পর্যটকদের জন্য ভিউইং গ্যালারী। এখানে বসে আরাম করে জলপ্রপাত দেখুন।
৬। যোগ জলপ্রপাত।
৭। কুয়াসায় ঢাকা যোগ জলপ্রপাত।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্রমন, কর্ণাটক, দক্ষিন ভারত, ভারত, জলপ্রপাত, যোগ ;
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৯:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হলদে ডানা বলেছেন:
দেখলাম। টাকা চাইবেন নাকি আবার?
লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ।
না না দাদা। যোগ দেখার সময় যোগ ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ৫ রুপির টিকিট কাটতে হয়। টাকাটা আমার নয়।
:-)
পথিক মানিক বলেছেন:
ঘুরে বেড়াতে আমিও খুব ভালবাসি। একবার যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। তবে ভাই খাওয়া দাওয়ায় কষ্ট করছি। খাবারের মান ভাল লাগে নাই। তয় যায়গাটা বড় সৌন্দর্য। লেখক বলেছেন: ঐসব খাবার খাওয়া অভ্যেস নেই বলে হয়ত অসুবিধা হয়েছে। নাহলে অসুবিধা হবার কথা নয়। এখন আমার ঐসব খাবার ভালই লাগে।
পলটু বলেছেন:
দারুন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
অনেক ভালো লেগেছে বর্ণনা আর ছবি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তাহলে অনেকটা নীচুতে যেতে হত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আজিজুল পারভেজ বলেছেন:
আমার পোস্টে মন্তব্য এবং প্রস্তাব দিয়েছেন দেখে আপনার প্রতি আগ্রহ বাড়লো। ধন্যবাদ। আপনার ব্লগটা দেখে ভালই লাগলো। প্রত্নসম্পদ নিয়া গ্রুপ করলে আমরা কয়েকজন আপনার সাথে থাকবো। নিশ্চয়ই জানেন-আমাদের প্রত্ন সম্পদ ফ্রান্সে নিয়ে যাওয়া নিয়ে একটা তুলকালাম কাণ্ড হয়ে গেলো। সেই তৎপরতায় এই অধম কিছুটা হলেও ছিলাম। আমার খুব জানতে ইচ্ছা হচ্ছে-= আপনি বেঙ্গালোর থাকল বাংলা লিখছেন কিভাবে?
ধন্যবাদ ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ব্যাঙ্গালোরে থাকলেও আমার আদিবাড়ী কলকাতায়। শিকড়ের সাথে এখনো যোগাযোগ আছে। প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গ্রুপ হলে আমিও সামিল থাকব ভাই। প্রত্নতত্ত্ব আমার নেশা। কোথাও পুরানো মন্দির মসজিদ মহল দেখেলেই ঘুরে ঘুরে দেখতে ইচ্ছা করে।
মুকুট বলেছেন:
ছবিগুলো পোষ্টের মধ্যে দিতেন, আরো ভালো লাগত! ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কী করে পোস্টের মধ্যে ছবি দেব সেটা জানি না। সম্ভব হলে জানাবেন। আপলোডের সময় কোনো অপসন আছে কী? না আপলোডেড ছবির লিঙ্ক দেবো? আপনার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।
মুকুট বলেছেন:
ছবি নরমাল যেভাবে আপলোড করেন, ওভাবে করুন, এরপর আপলোডকৃত ছবিতে ক্লিক করুন, এরপর INSERTএ ক্লিক করুন (তার আগে পোষ্টের যেখানে ছবি দিবেন, সেখান কার্সরের ক্লিক করুন)। তাহলে ওখানে ইমেজ কোড পেষ্ট হবে! এরপর আসল ছবি ডিলিট করতে পারেন, রাখতেও পারেন। নতুন আরো ছবি দেবার জন্য একই নিয়ম পূনরাবৃত্তি করুন!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবার থেকে তাই করব দাদা ৷
অরনঝ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ঐসব খাবার খাওয়া অভ্যেস নেই বলে হয়ত অসুবিধা হয়েছে। নাহলে অসুবিধা হবার কথা নয়। এখন আমার ঐসব খাবার ভালই লাগেhttp://i40.tinypic.com/23uy7ab.jpg
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















