আমার প্রিয় পোস্ট
- অবেলার ঘুম - যীনাত
- স্কেচ শেখার কিছু বই - সাদাচোখ
- ১০ দেশের ১০ পরিচালকের ১০ সিনেমা - সুমন আজাদ
- বিবিসি ও টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বিশ্বের সেরা ১০০ টি উপন্যাস,সেরা সাইন্স ফিকশন ও নন ফিকশন - অপার্থিব ক্রিয়েশন
- ই-বুক বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- মিছে খেলার ভেলায় ভাসি আরো একবার... - মুনিয়া
- বৃষ্টি পাগল আর বৃষ্টি পাগলী - মাহবুবা আখতার
- আবেগই সকল নষ্টের গোড়া, হাচা কতা
- চিকনমিয়া
- বন্ধু ভাল থাকিস। - ফারজানা মাহবুবা
ভালোবাসা: ছেলেরা যেমন চায়, মেয়েরা যেমন হয়...(২)
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৮
পূর্ববর্তী পোস্টের সাথে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে.....)
(আগের পোস্টের কথাটাকে আর কিছুটা বিস্তারিত করে বলা বোধহয় জরুরি। নাহলে লঘু পাপে গুরু দন্ড হয়ে যায়! সবাইকে ব্যাখ্যা না করে একবারে বলি।)
*একটা ছোট্ট গল্প দিয়ে বলি। দুটি মেয়ে। একজন চাইনিজ,নাম চো; আরেকজন বাংলাদেশী, নাম দেয়া যাক-লতা। তারা দু'জন একসাথে তাদের ভার্সিটির ক্যাফেতে বসে আছে। তাদেরকে লক্ষ্য করছিল আর একটা চাইনিজ ছেলে-জ্যাকি। বাঙালি মেয়েটার চেহারা ছেলেটার খুব ''সুন্দর লাগল'', বড় চোখ, মায়াবি চেহারা। সে এগিয়ে এসে দু'জনের সাথেই আলাপ করল। চো খুব ফ্রেন্ডলি মেয়ে। লতাও। তিনজনের বন্ধু হতে সময় লাগল না। তাদেরকে প্রায়ই দেখা যায় ক্যাম্পাসে একসাথে। দু'মাসে পর জ্যাকি প্রপোজ করল একজনকে। কাকে? চো'কে। কেন? তার কাছে তো লতাকে সুন্দর লেগেছিল!
গল্পটা কেন বললাম তা ব্যাখ্যা করি এবার। ছেলেটা চাইনিজ। আপনারা অনেকে হয়ত জানেন চীনারা বাঙালি কিংবা ইনডিয়ানদের মায়াবি চেহারা বেশ পছন্দ করে। তাদের দেশের প্রচলিত ফর্সা,ছোট চোখ মেয়েদের চেয়ে তাদের কাছে ওটা ''সুন্দর লাগে''। ব্যাপারটা এখানে-'সুন্দর লাগা'। জ্যাকির প্রথম দেখায় মোহ জন্মেছিল কিন্তু লতার প্রতি। কিন্তু পরিচিত হবার পর বিভিন্ন কারণে তার মধ্যে চো'র প্রতি একটা ''ভিন্নধর্মী টান'' জন্মে গেল, যেটাকে আমরা ''ভালো লাগা'' বা ''পছন্দ করা'' হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারি। সে কারণেই কয়েকদিন পর দেখা গেল বন্ধুদের মধ্যে চো'র সামনে সে ইজি হতে পারছে না, লজ্জা পাচ্ছে অথচ মেয়েটা চলে গেলে তার খারাপ লাগছে। এই বিষয়টি সম্ভবত তার ''ভালোবাসার'' প্রথম ধাপ। যেখানে শুধু ভালো লাগা নয় তার সাথে একটাsomething elseরয়েছে, যেটাকে কি বলা যেতে পারে তা সে জানে না! ছেলেটির এই অনুভূতিটাকে বলা যায়-''ভালোবাসা।''
এখানে বলে রাখি (বার বার বলি), আমি মোটেও 'সুন্দর লাগা','পছন্দ করা','ভালো লাগা','physical attraction',এবং 'ভালোবাসা'-বিষয়গুলোকে এক বলছি না। এগুলো আলাদা। তবে ভালোবাসার জন্য আপনার বাকি প্রত্যেকটি অনুভূতিরই দরকার। ভালোবাসা হল এই বিষয়গুলোরই সংমিশ্রণ।
কথা হচ্ছিল ছেলেরা কেমন চায় তা নিয়ে।
** ছেলেদের সৌন্দর্যচেতনা বিষয়ে যা লিখেছিলাম, সেটাও অনেকে বোঝেননি। সেখানে হোমোসেক্সুয়ালিটির কথাও টেনে এনেছেন কেউ কেউ। কিন্তু আবার বলি, বিষয়টা হল এই যে, ছেলেরা যখন 'মানুষ' দেখে তখন তাদের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সুন্দর লাগে একটি সুন্দর মেয়েকে। ছেলেকে নয়। কারণ মেয়েটিকে দেখার পর যদি তার কাছে সুন্দর লাগে তখন সেটা কেবল সুন্দর দেখতে বলে সুন্দর নয়, সেটি এটি মেয়ে বলেও সুন্দর! অর্থাৎ ছেলেরা মানুষকে দেখার সময় কেবল সুন্দর দেখতে পায় না। তার সাথে সে মানুষটি মেয়ে হলে সে আরেকটি জিনিস অবচেতনভাবে বোধ করে যাকে সাদা বাংলায় বলা যায়-'যৌনানুভূতি'। (ছেলেরা যত protest ই করেন, এটা আমার কথা না এটা বিজ্ঞানীদের কথা!!!!)
****maroon5এর একটা গান থেকে কিছু লাইন তুলে দিচ্ছি-
]Beauty queen of only eighteen
She had some trouble with herself
He was always there to help her
She always belonged to someone else
বলতে চাচ্ছি গানের প্রথম লাইনটার কথা। 'বিউটি কুইন অব ১৮'। যে মেয়েটির কথা বলা হয়েছে সে দেখতে সুন্দর! রীতিমতো বিউটি কুইন!!বয়সও কম, সবে ১৮। সুন্দর মেয়েদের নিয়ে যুগে যুগে বহুৎ সাহিত্য হয়েছে, হচ্ছে, হবেও। আমি বলতে চাচ্ছি, ছেলেটার কাছে মেয়েটা বিউটি কুইন হবার কারণেই ভালোবাসার পাত্রী, নাকি ভালোবাসার কারণেই বিউটি কুইন?
এখানে গবেষকরা দ্বিতীয় কথাটিকে সমর্থন করেছেন, তারা দেখেছেন, ছেলেদের ভালোবাসার ধরনটিই এমন যে- যাকে ভালোবেসে ফেলে তাকে তাদের কাছে সুন্দরী মনে হয়!!(ছেলেরা তালি দেন, আপনাদের পক্ষে কথা!!)
কিন্তু ভালোবাসার আগে (ধরুন পাত্রী খুঁজতে গেলে) তাদের কাছে কিন্তু সুন্দর একটা মেয়ের গুরুত্ব অনেক বেশি হয়।
***মানুষের জীবন দিন দিন জটিলতার দিকে যাচ্ছে। ভালোবাসাটাও দিন দিন জটিল হয়ে যাচ্ছে। আগের দিনে, ধরা যাক আমাদের দাদা নানাদের যুগে, বিয়ে'দেয়া হত মেয়েদের' বিয়ে'করানো হত ছেলেদের'। এখন বিষয়টা জটিল। ছেলেরা 'বিয়ে করে' এমনকি মেয়েরাও বিয়ে করে!!! অর্থাৎ তারা নিজেরা সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারটা ছেলেদের জন্য খুব সহজ না। আদিম সমাজের ছেলেরা বাইরের জগতের কঠিন কঠিন কাজ করত, ঘর সামলাতো তাদের স্ত্রীরা। আমাদের সেসব পূর্ব পুরুষের জীনই কিন্তু আমরা বহন করে চলেছি। পার্থক্য এই যে তা এখন আরো জটিল!! সুন্দরী দেখে তার প্রতি আকৃষ্ট হবার এই বৈশিষ্ট্যটি ছেলেদের জেনেটিক একটি বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু দীর্ঘদিনের সভ্যতার দান এই যে, ছেলেরা কেবল সুন্দর দেখেই এখন আর কোন মেয়ের দিকে এগিয়ে যায় না। তাদের মধ্যে আরো আরো চাওয়া থাকে, যা কেবল শরিরী নয়, যা মানসিক। তারা চায় একজন বন্ধু, যে দু:খের সাথী হবে, যে ভালোও বাসতে জানবে, আবার যে দু:খ যন্ত্রণায় পাশেও থাকতে পারবে। কেবল একটা সুন্দর মেয়ে হলে এখন আর চলে না।
Hold Me
Like The River Jordan
And I Will Then Say To Thee
You Are My Friend
Carry Me
Like You Are My Brother
Love Me Like A Mother
Will You Be There?
মাইকেল জ্যাকসনের গান Will You Be There? থেকে আমি একটু সাহায্য নিতে পারি মনে হয়!!!
একই জনের মধ্যে ভালোবাসার অনেক রূপ খোঁজাটা হল আধুনিকতম ছেলেদের বৈশিষ্ট্য। একারণে একালের ছেলেরা কেবল একজন সুন্দরী মেয়ে খোঁজে না, খোঁজে জীবনসঙ্গী।
ভালোবাসা বিষয়টি একারণেই বর্তমানে বেশি জটিল।
****ছেলেদের ভালোবাসার বিশেষত্বটা ঠিক মেয়েদের মত না। একটা ছেলে যখন ভালোবাসে, সে সাধারণত কেবল মেয়েটিকে চায়। মেয়েটির সাথে যে তার পরিবার, বন্ধু বান্ধব এবং আরো অনেকে জড়িত থাকে তাদের কথা ছেলেটি ভাবে না। তার চিন্তা কেবল মেয়েটিকে নিয়ে থাকে। প্রেমে ব্যর্থ ছেলেদের কথা বিশ্লেষণ করলে এই ছোট্ট ভুলটা প্রায় সবার মধ্যে দেখা যায়।
****মেয়ে হিসেবে আমি নিজেও দেখেছি মেয়েরা সবসময় ছেলেদের আবেগীয় বিশ্বস্ততা নিয়ে শঙ্কিত থাকে। ছেলেরা এ বিষয়টি বোঝে কম। তাদের একটি বড় সমস্যা তারা মেয়েদের সাইকোলজি বোঝে কম এবং আসলে বোঝার চেষ্টা করে কম। অথচ মেয়েরা খুব সহজে ছেলেদের মানসিকতা বুঝতে পারে। এটি মেয়েদের একটি জেনেটিক বৈশিষ্ট্য যে, তারা মানসিক অবস্থা বোঝার ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় অনেক বেশি পারদর্শী। গবেষণায় দেখা গেছে,'ছেলেরা মিথ্যা কথা বললে মেয়েরা ৮৫% ক্ষেত্রে তা বুঝতে পারে। অথচ ছেলেরা একই বিষয়টি বুঝতে পারে মাত্র ২৫% ক্ষেত্রে।' (ছেলেদের পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে প্রেমিকার কাছে মিথ্যা না বলার জন্য!!!!)
****ছেলেরা সাধারণত মেয়েদের কাছ থেকে অকুন্ঠ সমর্থন এবং ভালোবাসা আশা করে। বলা চলে বাইরের নিষ্ঠুর পৃথিবীর সাথে লড়াই করে এসে তাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে তারা ভালোবাসার মানুষটিকে চায়, সে হোক স্ত্রী বা প্রেমিকা। অথচ এক্ষেত্রে তারা মেয়েটির মানসিক অবস্থাটা সাধারণত বুঝতে পারে না।
*********ছেলেদের মানসিকতার এই বিষয়টি মেয়েরা সচরাচর ধরতে পারে না। তারা যে নিজের বীরত্ব এবং পৌরুষের ঊর্ধ্বে উঠে মেয়েদের কাছে ভালোবাসা চায়-এটি মেয়েরা বুঝতে পারে না, কারণ ছেলেরা এটি কখনো প্রকাশ করে না। নিজের দুর্বলতা সেটা যদি হয় মানসিক ছেলেরা সেটি প্রকাশে সবসময় কুন্ঠিত থাকে-এই বিষয়টি আবার মেয়েরা বুঝতে পারে না। অধিকাংশ মেয়ের ধারণা ছেলেদের বোধহয় কষ্ট পাবারই ক্ষমতা নেই বা কম। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে,
men do feel pains as equal as women, but they are plain smarter in hiding them!!
ব্যাপারটি হল- ছেলেদেরকে এই লুকানোর বিষয়টি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, অন্তত ভালোবাসার মানুষটির কাছে।
.................................................
(টু বি কনটিনিউড। নেক্সট পর্বে আশা করি মেয়েদের নিয়ে লিখব। এখন গুডবাই!!! আমার আম্মা খেইপা শ্যাষ!!! )
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কোবরা বলেছেন:
৫
রসের হাঁড়ি বলেছেন:
এত বড় লেখা!রসের হাঁড়িও খেইপা শেষ!!
তবে আবারও টুপি (ঢাকনা) খোলা অভিনন্দন দারুণ একটি পোস্টের জন্য!!!
৫ এর কম দেয়া যায় না!!!!!
বিভাস চাকী বলেছেন:
আপনার বিশ্লেষন খুব ই ভাল লাগলো। পরবর্তী লেখাটার জন্য অপেক্ষা করবো।লেখার পর আমাকে একটু খবর দিলে ভাল হয় কারন আমি এখন ব্লগ কম আ্যটেন্ড করি।
রসের হাঁড়ি বলেছেন:
বিভাস কাকু খুবই ব্যস্ত এবং ভি.আই.পি. পারসন!মাহবুবা আপু মনে কইরা খবর দিয়েন!!
নইলে!!!!
নিঃচুপ বলেছেন:
জানতাম না এত বিশদভাবে,জানলাম এবং ধন্যবাদ।।।
পরবর্তি জ্ঞান আহরণের জন্য অপেক্ষা করছি...
রাশেদ বলেছেন:
চলুক...
আন্ধার রাত বলেছেন:
জ্ঞান আহোরণ করিবার পর বিশেষ অভিযানে নামিবো বলিয়া ইরাদা করিলাম।
-একমত
"অথচ ছেলেরা একই বিষয়টি বুঝতে পারে মাত্র ২৫% ক্ষেত্রে।"
-এইটা ভূল। সব ছেলেই বুঝে। আমি নিজেই বুঝতাম মিছা কথা কইতাছে, তাও কষ্ট পাইবো দেইখা কিছু কইতাম না।
বঙ্গাব্দ বলেছেন:
ভালৈসে,তবে ওম শান্তি।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আপনের প্রথম ধারাবাহিকতার সাথে এইটা মেলে নাই। তবে প্রথমটায় যত গুলান ফাক পাইছিলাম, এইটা ততটাই নিশ্চিদ্র করার চেস্টা করছেন মাগার লাস্টের দিকে আইসা ধরা খাইলেন।(উদাসী খালি ফুকাফাটা ধরবার চায়-পুরা বদ অভ্যাস!)"ছেলেদেরকে এই লুকানোর বিষয়টি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, অন্তত ভালোবাসার মানুষটির কাছে। "
আসলে জিনিসটা হইবো ছেলেরা নিজেকে এক্সপ্রেস করতে পারেনা। মানে একটা ব্যাথা পাইলে একটা মাইয়া কান্নাকাটি করে, কারো সাথে কথা বলে না,এমন ভাব যে সারা পাড়া জানে এবং ভাবে। মাগার একটা পোলার ক্ষেত্রে ব্যাথা পাইলে সে জানেনা কিভাবে এটা এক্সপ্রেস করে। প্রথমে সে যেইটা করে বন্ধু বান্ধবের লগে মাথা গরম। কেউ যদি মশকরা করে তার খবর হয় চ্যানলে আই এর খুটিনাটি ৮ টার নিউজে। দুইদিন পর মেজাজ বিলা কইরা সব ঠিক। কারন কুটিকাল থিকা সে গায়ের জোড়ে কিছুটা হইলেও চিন্তা করে, যেহেতু সে দেখে তার হাতে অনেক কাজের অপশন, বিজি হওনের অনেক স্কোপ, এছাড়া সমাজের রূড়তা হ্যান্ডেল করার মন মানসিকতা জ্বীনেই বর্তমান, সেহেতু তার মাঝে এক্সপ্রেসটা ডিফারেন্ট হয়, অনেকটা আবেগ শূন্য তবে ভাঙচুর টাইপ। এই এক্সপ্রেশনের অভাবটাই কিন্তু এখন রোমান্টিসিজম বা কবিতার জন্ম দেয়!
জাই ট্রাই লওনের লিগা ৫!
কবিতা একটু পরে দিমু!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি অখনো মেইল পাইলাম না(খাইয়ালামু)
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
কোবরা, ধন্যবাদ।রসের হাঁড়ি, আপনার টুপি খোলার জন্য ধন্যবাদ।
আরণ্যক যাযাবর, হুমমম....
বিভাস চাকী, ঠিকাছে। খবর দেব।
নিঃচুপ, ধন্যবাদ।
মুনিয়া, আরো লম্বা হইতে পারিত, অনেক কষ্টে ছোট করিয়াছি।
আন্ধার রাত, আশা করি আপনার ইরাদা পূরণ হইবে।
মাথামোটা, ৫ এর জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনি তাহলে আপনার নিকটা মাথামোটা থেকে বদলে মাথা চিকন করে ফেলেন। কারণ আপনি অতি চালাক!!
বঙ্গাব্দ, জ্বী, ওম শান্তি!
উদাসী স্বপ্ন, কথা ঠিক ছেলেরা এক্সপ্রেস করতে পারে কম। কিন্তু এটাকে ভালো বলার কি বিশেষ কোন কারণ আছে?
আমার মনে হয় না।
অনেক সমস্যা সমস্যাই থাকত না যদি ছেলেরা এক্সপ্রেস করতে পারত ঠিকমত। আর বিষয়টা কি জানেন, মেয়েরা সংবেদনশীল ছেলে পছন্দ করে। এজন্য বলি- এক্সপ্রেস ইওরসেলফ!
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
উদাসী স্বপ্ন, হুমম... মেইল করছি দাঁড়ান।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, কেন তখনই তো লাভ, একজন রাগ করবে আরেকজন সাথে সাথে সাইকোলজি বিশ্লেষণ করতে বসবে!! এতে ঝগড়া কম হবে!!নাহ, শুধু তুমিই সাইকোলজি পড়ো!!
বাকিরা ফাইকোলজি, মাইকোলজি, ভাইরোলজি, এমনকি হেলমিনথোলজি (ওয়াক!) পড়তেও রাজি আছি!!!
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
উম্মু আবদুল্লাহ, হুমমম...
চতুরভূজ বলেছেন:
৫৫৫অসাধারণ!! পড়তে পড়তে ডুবে গিয়েছিলাম পড়ার মাঝে!! প্রিয় পোষ্টে যোগ করা হল। কি? বিশ্লেষক হয়ে উঠছেন বুঝি দিনে দিনে? হা হা হা। খুবই সুন্দর লিখেছেন।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
উম্মু আবদুল্লাহ, 
আমিও লক্ষ্য করে দেখেছিলাম তখনই! কিন্তু বলি নাই। উনি যখন বলেছেন তখন নিশ্চয়ই প্রিয় পোস্টে অ্যাড করতে চেয়েছেন!
অ্যাট লিস্ট, বলেছেন তো যে পছন্দ করেছেন!
এটাই বা কম কি!!!
দেবদারু বলেছেন:
আপনার বিশ্লেষণে আমি মুগ্ধ..............আর কিছু বলতে চাইছি না................ ৫!
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
নীলাঞ্জনা, দেবদারু ধন্যবাদ।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
ভাইটামিন বদি, ঠিকাছে! ধন্যবাদ।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
লিমন, ধন্যবাদ।
শাহজাহান সিরাজ বলেছেন:
ব্যাপক একটা টপিক, তাই আরো গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করলে, আরো স্টাডি হলে ভাল হত। ধন্যবাদ লেখার জন্য।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
শাহজাহান সিরাজ, মন্তব্য এবং পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।
সুপ্ত সবুজ বলেছেন:
আপনি জেনেটিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করেছেন কিন্তু কোন রেফারেন্স দেন নাই। আপনি ছেলেদের পরামর্শ দিয়েছেন প্রেমিকার কাছে মিথ্যা না বলার জন্য, তার মানে হলো ছেলেরা তাদের সব গোপনীয়তা মেয়েদের বলবে আর মেয়েরা তাদের গোপন ব্যাপারখানা গোপনেই রাখবে। তাই না কি? আরেকটা বিষয়, ছেলেরা যেমন সুন্দরী মেয়ে আশা করে, মেয়েরাও কিন্তু তেমনি সুঠাম পুরুষ আশা করে। হয়তো সেক্ষেত্রে মেয়েদের বঞ্চিত হবার প্রবণতা বেশি। সব মিলিয়ে প্লাস দেবার মত লেখা তাই দিলাম একটা প্লাস।
লেখক বলেছেন: রেফারেন্স দেইনি... হুমম... আসলেই দেয়া দরকার ছিল। তবে এটাও ঠিক যে আমি তো পত্রিকায় কোন আর্টিকেল লিখিনি। লিখেছি একটা ব্লগ। অনেকটা ঘরোয়া পরিবেশের লেখা। তাতেও যদি আবার এত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়, তাহলে তো ভাই সমস্যার কথা!
তবে নেক্সটে এরকম কিছু লিখলে মাথায় রাখব ব্যাপারটা।
সুঠাম এবং সুন্দরের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য আছে। একজন সুঠাম পুরুষ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় (অবচেতনভাবে)। একারণে জেনেটিক্যালি মেয়েরা সুঠামদেহী পুরুষদের পছন্দ করে। তবে দিন বদলাচ্ছে, আমাদের বৈশিষ্ট্যও বদলাচ্ছে, এখন নিরাপত্তাটা হয়ে উঠেছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, তাই সুঠাম পুরুষের সংজ্ঞাটাও বদলে "সুঠাম মানিব্যাগধারী পুরুষ " করে দেয়া যায়।
কেউ যখন প্রেমে পড়ে তখন চায় ভালবাসার মানুষের সাথে যাতে সুন্দর সম্পর্ক থাকে। এটা যতটা না তুমি ২টা কথা বলেছ, তাই আমি চারটা বলব না, দুইটাই বলব; তার চেয়ে অনেক বেশি এমন- আমার সবটা বললাম, তোমারটাও বলনা শুনি!
প্রেমিক পুরুষ এবং প্রেমিকাদের জিজ্ঞেস করে দেখবেন, তাদের কাছে এটা গোপনীয়তা বজায় রাখা বা না রাখার প্রশ্ন না, শেয়ার করা না করার প্রশ্ন।
ভালবাসাবাসির ক্যালকুলেশন হয়ত অনেক ফ্লেক্সিবল পদ্ধতির। অতটা কড়া না
।
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
আসলে জিনিসটা হইবো ছেলেরা নিজেকে এক্সপ্রেস করতে পারেনা। মানে একটা ব্যাথা পাইলে একটা মাইয়া কান্নাকাটি করে, কারো সাথে কথা বলে না,এমন ভাব যে সারা পাড়া জানে এবং ভাবে। মাগার একটা পোলার ক্ষেত্রে ব্যাথা পাইলে সে জানেনা কিভাবে এটা এক্সপ্রেস করে। প্রথমে সে যেইটা করে বন্ধু বান্ধবের লগে মাথা গরম। কেউ যদি মশকরা করে তার খবর হয় চ্যানলে আই এর খুটিনাটি ৮ টার নিউজে। দুইদিন পর মেজাজ বিলা কইরা সব ঠিক। কারন কুটিকাল থিকা সে গায়ের জোড়ে কিছুটা হইলেও চিন্তা করে, যেহেতু সে দেখে তার হাতে অনেক কাজের অপশন, বিজি হওনের অনেক স্কোপ, এছাড়া সমাজের রূড়তা হ্যান্ডেল করার মন মানসিকতা জ্বীনেই বর্তমান, সেহেতু তার মাঝে এক্সপ্রেসটা ডিফারেন্ট হয়, অনেকটা আবেগ শূন্য তবে ভাঙচুর টাইপ। এই এক্সপ্রেশনের অভাবটাই কিন্তু এখন রোমান্টিসিজম বা কবিতার জন্ম দেয়!///birat sotti kotha...kintu xpress korte na parar karone j vulbujhabujhir shristi hoi sheta ki kammo?...
dhonnobad apuni...shundor post...+ ebong priote...
লেখক বলেছেন: এই কথাটাই কেন যেন ছেলেরা বোঝে না... না বোঝার কারণেই ঝামেলা পাকে...
স্বজন বলেছেন:
+ এবং প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
।
লেখক বলেছেন:
....
আমারো!
ধন্যবাদ।
মেহবুবা বলেছেন:
একবার পড়েছি ,আরো পড়ে পরে মন্তব্য করবো ।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষা করা শুরু করলাম তবে....
ডট কম ০০৯ বলেছেন:
আপণার উদ্দ্রিত ফলাফল্ গুলো কোথা থেকে লিখেছেন জানতে পারলে খুসি হতাম
লেখক বলেছেন: উদ্ধৃতিগুলো উল্লেখ করে করে পোস্টটাকে একটা গবেষণাপত্র বানাতে চাইনি। এগুলো আপনি ইন্টারনেট একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলেই পাবেন। আমার নিজস্ব বিশ্লেষণ এখানে কমই আছে। আমার অংশটুকু ভাষায়। আর প্রায় পুরো কনসেপ্টটাই বিভিন্ন গবেষণার ফসল (আমি যেগুলোর গবেষক নই) ।
সুশীল সুমন বলেছেন:
ভাল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অংক: বলেছেন:
ভালো লাগলো; ভিন্ন কিন্তু জড়িত প্রশ্নঃ প্রথম প্রেমে আবেগ যত গভীর, পরবর্তী প্রেমে ততটা নাঃ এই বক্তব্যের কি কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে?
লেখক বলেছেন: বোধহয় আছে.... যারা প্রেমে পড়ে তারা তো তেমনই বলে। হয়ত আছে... আমার ধারণা নেই।
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন:
ভালই বলছেন। পরের পর্বগুলি কি একটু লিংক আকারে দেবেন।আপনার সাথে অনেক ব্যাপারে আমি একমত না। আগে সব পড়েনেই, পরে বলবো।
লেখক বলেছেন: ওকে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা নাদিম বলেছেন:
এবং অতঃপর বরফ অগলিত রহিল............................
লেখক বলেছেন: বুঝিলাম না...
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আরে, পুরা মিলে গেল। কোন বিজ্ঞনী এইগুলান আবিষ্কার করছে ?
উনাকে বইলেন, এলাকায় আসলে ডাক দিতে।
চা খামু।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা বলব নাহয়
...
একজনের গবেষণা না ভাই, অনেকের গবেষণা।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
আপনারা অনেকে হয়ত জানেন চীনারা বাঙালি কিংবা ইনডিয়ানদের মায়াবি চেহারা বেশ পছন্দ করে। এই থিউরী কই পাইসেন ম্যাডাম!!! চাঙ্কুরা একটা ঝাতি, হেগোর আবার প্রেম ভালবাসা!!!তারপরেও দেখি তাদের বংশ বিস্তার থামেনা।
গবেষণায় দেখা গেছে,'ছেলেরা মিথ্যা কথা বললে মেয়েরা ৮৫% ক্ষেত্রে তা বুঝতে পারে। অথচ ছেলেরা একই বিষয়টি বুঝতে পারে মাত্র ২৫% ক্ষেত্রে।'
কারণ টা জানেন? মেয়েরা হল জাতিগত ভাবে মিথ্যাচারে ভয়ংকর পারদর্শী এক এক জন অভিনেত্রী, পানি খাবার মত করে নির্বিকারে অবলীলায় মিথ্যা কথা বলে যেতে পারে একের পর এক কোন সংকোচ ছাড়াই। ছেলেরা মিথ্যা বলায় আনাড়ী বিধায় মিথ্যা ধরা পড়ার আতঙ্কে ব্যাকুল-সতর্ক থাকে।
বলা চলে বাইরের নিষ্ঠুর পৃথিবীর সাথে লড়াই করে এসে তাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে তারা ভালোবাসার মানুষটিকে চায়, সে হোক স্ত্রী বা প্রেমিকা। অথচ এক্ষেত্রে তারা মেয়েটির মানসিক অবস্থাটা সাধারণত বুঝতে পারে না।
***এখানে মেয়েটির মানসিক অবস্থা বলতে কি বুঝাতে চান, বুঝলাম না। 'মেয়েটির মানসিক' অবস্থা নাকি 'ছেলেটির মানসিক' অবস্থা হবে?
লেখক বলেছেন: চীনারা বাঙালি ধাঁচের চেহারা পছন্দ করে এটা ব্যক্তিগতভাবে জানা তথ্য, কোন স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিষয় নয়। অবশ্য আপনার যদি এটা মেনে নিতে ইচ্ছা না হয় তাতেও সমস্যা নেই, মূল বিষয়টা ছিল গল্পটা; ভালো-মন্দ লাগার বিষয়টা।
আর চাইনিজরা প্রেম করতে পারে না, বা প্রেমে পড়ে না এটা মেনে নিতে আমার আপত্তি আছে। চাঙ্কু বা আফ্রিকান বা বাঙালি যে-ই হোক, প্রেমে কমবেশি সবাই পড়ে।
...............
সত্য মিথ্যার ব্যাপারটায় বলি এবার। "মেয়েরা জাতিগতভাবে মিথ্যাচারে পারদর্শী এক এক জন অভিনেত্রী, পানি খাবার মত করে নির্বিকারে অবলীলায় মিথ্যা কথা বলে যেতে পারে একের পর এক কোন সংকোচ ছাড়াই।"
এই অভিযোগের বিরুদ্ধে যুক্তি দেবার কি সত্যিই কোন প্রয়োজন আছে? কিংবা প্রটেস্ট করার?
আমার মনে হয় না।
তবে আমি একটা জিনিস বলতে পারি, আইদার ইউ আর প্রেজুডিসড অর ইউ রিয়েলি হ্যাভ বিন আনলাকি ইনাফ টু মিট লায়ার উইমেন অনলি।
"ছেলেরা মিথ্যা বলায় আনাড়ী বিধায় মিথ্যা ধরা পড়ার আতঙ্কে ব্যাকুল-সতর্ক থাকে।" এইটার বিষয়ে আমার সত্যিই কিছু বলার আছে। কথাটা বাড়িয়ে বলেছেন। রীতিমত তিলকে তালগাছ।
যাহোক, আমার ধারণা মেয়েদের বিষয়ে আপনার অতীত অভিজ্ঞতা ভালো না তাই আপনি তাদের মিথ্যাবাদী এবং অতি ভয়ংকর হিসেবে নিজের কাছে উপস্থাপন করেছেন বা হয়ত করতে চাচ্ছেন.... আপনিই ভালো বলতে পারবেন সেটা আমি গেস করে একটা কিছু বলে নিজেও ওধরনের একটা উপাধি আপনার কাছ থেকে পেতে চাই না।
তবে সত্যিই আপনার আইডিয়াগুলো রিমাস্টার করা উচিৎ। ভয় পাচ্ছি উপদেশ হিসেবে নিয়ে ক্ষেপে যাবেন। তবে আমার ব্যক্তিজীবনে আমি "ভালো মানুষ" (মেয়ে এবং ছেলে উভয়কেই মানুষ বিবেচনা করে) খুব কম দেখেছি। অনেক তারকার মত উজ্জ্বল মানুষ ভিতরে ব্ল্যাকহোলের অন্ধকার বয়ে বেড়ায়। তাই বলে মানুষের উপর আস্থা হারিয়ে একেবারে জাতি ধরে কেউ কেবল বংশ বিস্তার করতেই জানে, ভালবাসতে জানে না; বা একেবারে জেন্ডার ধরে এরা সবাই মিথ্যাবাদী- এধরনের কথা বলা খুব একটা যৌক্তিক শোনায় না।
........অবশ্য আমি আপনাকে এসব বলছি কেন, আপনার সম্পর্কে যেটুকু আমি জানি তাতে মনে হয় আপনার মত মেধাবী একজন মানুষের পক্ষে এধরনের ধারণা বয়ে বেড়ানো, আর জোর করে নিজেকে প্রতারণা করার মধ্যে বিশেষ কোন ফারাক নেই।
....................
মেয়েটার মানসিক অবস্থার কথাই বলেছি। বলতে চেয়েছি, ছেলেরা অনেক সময় নিজে আশ্রয় প্রার্থনা করার সময় ভুলে যায় যে যার কাছে মানসিক আশ্রয় চাচ্ছে সে নিজেই হয়ত মানসিকভাবে আহত....এটা বোঝাতে চেয়েছি।
রাতমজুর বলেছেন:
!
লেখক বলেছেন: !
আমিও আশ্চর্য।
লেখক বলেছেন: কেন দিয়েছেন বুঝেছি, কিন্তু শুধু শুধু তর্ক আমার ভালো লাগে না, ঐ পোস্টটা আসলেই মনোযোগ পাওয়ার দাবীদার কিনা এই বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে যথেষ্ট (মানে যেটার লিংক আপনি ভালোবাসা: ছেলেরা যেমন চায়, মেয়েরা যেমন হয়...(৩) এ দিয়েছেন)।
ঠেলা পজিটিভলি নিসি ![]()
লালসালু বলেছেন:
প্লাসের পর প্লাস
লেখক বলেছেন: থ্যাংসের পর থ্যাংস ![]()
নিশম বলেছেন:
এত্তোগুলা প্লাস !!! এত্তো খাটেন কেমনে?
লেখক বলেছেন: বেশি একটা খাটি নাই ভাই। হয়া গেসে মিরাকুলাসলি। হে হে...
ভীরু বলেছেন:
ছেলেদেরকে এই লুকানোর বিষয়টি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, অন্তত ভালোবাসার মানুষটির কাছে[/sb ব্রেনস্থ করে রাখলাম। বাড়িতে ছোটবউ আসলে কাজে লাগাতে পারে।
লেখক বলেছেন: হাহ হা.... ওকে... ভালো
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















