আমার প্রিয় পোস্ট
- অবেলার ঘুম - যীনাত
- স্কেচ শেখার কিছু বই - সাদাচোখ
- ১০ দেশের ১০ পরিচালকের ১০ সিনেমা - সুমন আজাদ
- বিবিসি ও টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বিশ্বের সেরা ১০০ টি উপন্যাস,সেরা সাইন্স ফিকশন ও নন ফিকশন - অপার্থিব ক্রিয়েশন
- ই-বুক বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- মিছে খেলার ভেলায় ভাসি আরো একবার... - মুনিয়া
- বৃষ্টি পাগল আর বৃষ্টি পাগলী - মাহবুবা আখতার
- আবেগই সকল নষ্টের গোড়া, হাচা কতা
- চিকনমিয়া
- বন্ধু ভাল থাকিস। - ফারজানা মাহবুবা
ভালোবাসা: ছেলেরা যেমন চায়, মেয়েরা যেমন হয়.... (শ্যাষ)
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৫
(ধারাবাহিকতা রক্ষা না করিলেও চলিবে...)
***এবারের আলোচনাটা শুরু হচ্ছে মেয়েদের নিয়ে। মেয়েদের ব্যাপারে কিছু লেখার আগে আমি একটা ছোট্ট কথা বলে রাখি। একটা মেয়ে হয়েও আমি সাহস করে বলতে পারি না- আমি একটা মেয়ের শতভাগ জানি। সুতরাং আগেই বলে রাখছি। মেয়েদের ব্যাপারে যা বলব তা খুব সামান্য!!!
****মেয়েদের সম্বন্ধে বেশি কিছু বলার দরকার নেই, কেবল একটা বিষয় বলি- মানুষ হল সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে জটিল সৃষ্টি। তার মধ্যে মেয়েরা আবার সবচেয়ে বেশি জটিল! সৃষ্টিগতভাবে যেমন তারা জটিল তেমনি তাদের মানসিকতাও অত্যন্ত জটিল। অত্যন্ত সুক্ষ্মতা এবং জটিলতায় ভরা প্রতিটি মেয়ে। বলা চলে, মানুষ সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী, মেয়েরা তাদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে আবার বেশি সুন্দর। মানে মেয়েরা সবচেয়ে জটিল এবং সবচেয়ে সুন্দর (ডিজুস জটিল!!!)
***মেয়েরা অতি প্রাচীনকাল থেকে যে কাজটা করে আসছে সেটা হল ঘর সামলানো। আমাদের পূর্বনারীরা (!) এ কাজটা করতেন, আমাদের মা-ও করেন, আমরাও করব!!
এই কাজটি যুগ যুগ ধরে করার ফল স্বরূপ মেয়েরা খুব চোখ কান খোলা রেখে চলে। পরিবেশের ছোট্ট একটা পরিবর্তনও সহজে লক্ষ্য করে সে।
****শারিরীক শক্তি তুলনামূলক কম থাকায় তারা বিপদের সম্ভাবনাটা তাড়াতাড়ি আঁচ করতে পার। ফলে দেখা যায় কোন অপরিচিত মানুষ (বিশেষত ছেলে) এর সামনে এলেই তারা একটা সতর্ক অবস্থায় চলে যায়। বিষয়টি ইচ্ছাকৃত নয়, বরং অবচেতনভাবে এটা ঘটে। পুরুষদের ব্যাপারে মেয়েদের ভিতর একটি সহজাত অনিশ্চয়তাবোধ থাকে। সেই ছেলেটির ব্যাপারে যদি কৌতুহলীও হয় তবু ছেলেটি অগ্রসর হলে মেয়েটি পিছিয়ে যায়। এটা হল সেই অনিশ্চয়তাবোধ এর ফল। কোন ছেলে যদি নিজেকে যথেষ্টharmlessহিসেবে প্রথমেই তুলে ধরতে পারে, তাহলে দেখা যায় মেয়েটি খানিকটা উৎসুক হয়ে ওঠে।
****একটি মেয়ে যখন ভালোবাসে তখন তার ভালোবাসার সাথে একটা পরিবার, ছোট্ট একটি নিরাপদ ঘর এবং হয়ত দু'একটা শিশুর স্বপ্নও জড়িয়ে যায়। মেয়েদের ভালোবাসার সাথে ছেলেদের ভালোবাসার বিশাল একটা পার্থক্য এখানে। ছেলেরা কেবল মেয়েটিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, মেয়েটি হয়ত একটি ছোট্ট ঘরের স্বপ্নও দেখে ফেলে। ছেলেরা যত সহজে বলে,'অসুবিধা নাই, তোমাকে নিয়ে গাছ তলায় থাকব দরকার হলে।' মেয়েরা তত সহজে এ কথাটা বলে না। বলতে পারে না। কেননা, নিরাপত্তার প্রয়োজনটা মেয়েদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন বলা যায়। এজন্যই হয়ত আসিফের 'ও পাষাণী বলে যাও' টাইপের গানগুলির সৃষ্টি হয়!!! পাষাণীরা(!) খুব সহজে অর্থনৈতিক অনিরাপত্তার মাঝে পড়তে চায় না! আদিম সমাজে এই নিরাপত্তাটা ছিল হয়ত, ঝড় বৃষ্টি বা বন্য পশু থেকে নিরাপত্তা, এখন সেটা এমনকি সোসাইটি মেইনটেইন বা হাত খরচের নিরাপত্তাও হতে পারে।
****একটি মেয়ে একটি পুরুষের কাছে কি চায়? প্রেমের ক্ষেত্রে মেয়েরা শক্তিমত্তার প্রকাশটিকে বেশ পছন্দ করে! আদিম সমাজ ব্যবস্থায় সবচেয়ে শক্তিশালী পুরুষটির ঘরে সবচেয়ে সুন্দরী নারীটির ঠাঁই হত। প্রকৃতি নারীকে সঙ্গী বেছে নেবার অধিকার দিয়েছে। অর্থাৎ পুরুষ অগ্রসর হবে, নারী তাকে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এই অধিকারটি মেয়েরা চিরকাল ভোগ করে আসছে। এখন মেয়েরা ঘরে বাইরে কাজ করে। যে কোন পুরুষকে মেনে নেবার বিষয়টিও আর তাদের মধ্যে আগের মত নেই। ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মেয়েরা জোরাজুরি পছন্দ নাও করতে পারে! তবে সচরাচর মেয়েরা শারিরীক এবং মানসিকভাবে শক্তিশালী ছেলেদের পছন্দ করে। অবচেতনভাবেই এ ছেলেটি তাকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়!! (জেনেটিক ব্যাপার, মেয়েদের দোষ না!!)
****মেয়েদের ভালোবাসার একটি বৈশিষ্ট্য হল- খুব আপন করে পাবার ইচ্ছা। মেয়েরা সচরাচর ফুল এবং শিশু ভালোবাসে। একটা ছেলে কি ভালোবাসে না? হ্যাঁ, বাসে। তবে পার্থক্য এখানে- মেয়েটা ফুলটা ছিঁড়তে চায়, বা শিশুটার গাল টিপতে দৌড়ে যায়। ছেলেটি হয়ত কেবল তাকিয়ে দেখে!! ভালোবাসার মানুষটিকেও মেয়েরা চট করে খুব আপন করে নিতে চায়।
****মেয়েদের ভালোবাসার ক্ষেত্রে কিছু বড় সমস্যা সৃষ্টি করে অনুদারতা, ঈর্ষা, সন্দেহ এবং সংশয়। মেয়েটি হয়ত ছেলেটির ভালো চায় বলেই বলে,'অমুকের সাথে মিশো না কিংবা দিনে ৫ ঘন্টা করে পড়ো।' ছেলেটা বিরক্ত হয়ে ভাবে,'ধুর প্রেম করতে গিয়ে দুই নাম্বার আম্মা জুটায় নিলাম দেখছি!'
চট করে সন্দেহ করে বসা, কিংবা বেশি করে অমুক বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ডের সাথে তুলনা দেয়া, প্রেমিক বা স্বামীর আয় নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকা এই বিষয়গুলো অনেক সময় ছেলেদের কাছে অত্যন্ত বিরক্তিকর ঠেকে। এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে মেয়েদের উচিৎ বার বার ঘ্যান ঘ্যান না করে কেবল বলা,'এটা আমার ভালো লাগে না। তুমি এ রকম করলে বোধহয় ভালো হত।' বেশি বললে কথার গুরুত্ব কমে যায় এটা অনেক মেয়ে বোঝে না।
**** মেয়েদের ব্যাপারে একটা কথা দিয়ে শেষ করি, প্রতিটি মেয়েই কিন্তু এক একজন অভিনেত্রী। বিষয় হল এই-জরিপে দেখা গেছে, বেশকিছু বিবাহিত দম্পতির মধ্যে ৮০% স্বামী আবার বিয়ে করার সুযোগ পেলে আগের স্ত্রীকেই বিয়ে করতে চায়। অথচ একই দম্পতিদের মধ্যে স্ত্রীদের ৬০% আগের স্বামীকেই চেয়েছে। এখানে মাত্র ২০% এর গ্যাপ!!! এই ২০% রমণী অতি ভালো অভিনেত্রী!! কেননা তাদের স্বামীরা তাদের নিয়ে সুখী!!! মেয়েদের যাতে অভিনয় করতে না হয় এজন্য পুরুষরা একটা কাজ করতে পারেন, প্রতিদিন জিজ্ঞেস করতে পারেন,'কেমন আছ? কাল ভালো ঘুম হয়েছে?' হয়ত সে বলবে,'ধুর একই কথা প্রতিদিন!' কিন্তু আপনাদের বলছি- কথাটা শুনতে সে খুব ভালোবাসবে!! এবং তার অনেক সমস্যা হয়ত আপনাকে জানাবে।
............................................................
ভালোবাসা বিষয়ক ক্যাচালটি শেষ হইল। আশা করি কিছু বোঝাতে পেরেছি (নাকি পারি নাই??!!)।
ভালোবাসাকে অনেক সাইকোলজিস্ট বলেছেন 'মানসিক রোগ'। তাদের মতে প্রেমে পড়া মানুষের মেন্টাল স্টেট সুস্থ্য থাকে না! অথচ সাইকোলজিস্ট এবং সাধারণ মানুষদের উপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, ৬০% এর উপরে মানুষ কোন যুক্তি ছাড়াই বিশ্বাস করে-
'true love exists'
আসুন আমরাও যুক্তিহীনভাবে ভালোবাসায় বিশ্বাস করতে শিখি। ভালোবাসা আজকের পৃথিবীর অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান দিতে পারে।
(তাহলে ছেলেরা তাড়াতাড়ি একটা ৫ টাকার গোলাপ কিনে নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ুন আপনার পছন্দের মেয়েটির সামনে। আর মেয়েরা?
-কি করতে হবে বলার দরকার আছে কি!)
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুহিব বলেছেন:
ভাল
নূরে আলম বলেছেন:
৫
রেনেসা বলেছেন:
একটি ভাল গোলাপের দাম ২০ টাকা !!!
পোষ্ট ভাল, ৫

কিছু কথার সত্যতা পাইছি। যেমন আমি কলেজে প্রথম বর্ষে একটা মেয়েকে ফলো করতাম। কিন্তু আমি তার দিকে তাকালে সে আসমানের দিকে তাকায়। কয়েকদিন পর আমি আর তাকে ফলো করি না দেখে সে একজনকে আমার কাছে পাঠিয়েছে আমি কি তার সাথে রাগ করেছি কিনা জানতে।
রাগ ইমন বলেছেন:
নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাওয়ার ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করার সময় একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা বাদ দিলেন। সহজাত প্রবৃত্তি ও কাঠামো অনুসারে নারী শিশু গর্ভে ধারন করে এবং এই শিশু জন্মের পরেও অনেক বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার জন্য মায়ের উপর নির্ভরশীল থাকে। অতএব মায়ের , " ন্যাচারাল টেন্ডেন্সি" থাকতেই হবে "সিকিউরিটি" নিশ্চিত করা । ব্যাপারটা অনেকটাই বায়োলজিকাল।
অন্ধকার বলেছেন:
বেশ লাগলো।
ছেলেদের দেখবা রাগ করতে, কারণ মেয়েরা 'এস্টাবলিশড' ছেলে চায়।
আরে, রক্তে মিশে থাকা সমসা তো..
তুমি তো ভালোবাসা বিষয়ক বিশাল পন্ডিত হয়ে যাচ্ছো! মাঝখানে ডক্টর ফীল, মানে কিনা ভালোবাসার ডাক্তারের মতও লাগল। ভালোবাসার আগে কি সিরিয়াস প্রিপারেশন নিয়ে নিচ্ছো নাকি??
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
ঠিক একদম
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
আমিও এই বিষয় নিয়ে বিস্তর গবেষণা (চিন্তা বললেই বোধ হয় ভাল হয়) করেছি। এবং আপনার ব্যাখ্যাগুলো বাকিরা ঠিকমত বুঝেছে কিনা জানি না কিন্তু আমি জানি আপনি একদম ঠিক বলেছেন ।
আমি এই নিয়ে এই ব্লগেই বই লেখার কথা বলেছিলাম
আপনার লেখা পড়ে উতসাহ পাচ্ছি
আমার পেইজে ই মেইল এড্রেস আছে
আপনার টা পাঠাবেন প্লীজ
আপনার সাহায্য দরকার আমার
গল্প রেডি আছে
পরে এটা ধারাবাহিক নাটক ও হবে
মুনিয়া বলেছেন:
কঠিন!
মানুষ বলেছেন:
হুম, সহমত।
রাশেদ বলেছেন:
আমাকে নিশ্চয় আপনার হার্মলেস পোলা বইলা মনে হয়, নাকি!! 
বিড়ি নিয়া মেয়েদের একটা ঘ্যান ঘ্যান করার অভ্যাস আছে। আমার এক প্রেমিক বন্ধু এর একটা কারন আবিস্কার করছে, ডোমিনেট করার ধান্ধা থাইকা মেয়েরা একটা করে। খিক খিক!!
তিনিই সত্য বলেছেন:
হা হা হা। মজা পাইলাম। ৫
শিট সুজি বলেছেন:
মেয়েরা সাধারনত ছলনাময়ী,তাদের মন নানাবিধ কুটিলতায় পুর্ন ।
উপরের বক্তব্য তার ই বহিঃপ্রকাশ ।
খুশবু বলেছেন:
পড়লাম , এবং বলতে হবে ভাল গবেষনার হয়েছে । ভাল লাগল পড়ে । কিছু কথা মিলে যায় আবার কিছু হয়তবা সামনেই মিলবে । আর গবেষনার ভাল ফসল চাই ।
বঙ্গাব্দ বলেছেন:
ভালো লিখেছেন।আরেকটা কথা আমি যোগ করতে চাই,বেশির ভাগ মেয়েরই দেখেছি কষ্ট সহ্য করার বা কষ্ট গোপন রাখার ক্ষমতা খুব বেশি(মানসিক কষ্ট)।আমার মতে একজন পুরুষ কাঁদতে পারেন দু'জন নারীর সামনে,মা এবং বউ।এই দুজনের কাছেই সে তার আবেগের সবটুকু প্রকাশ করতে লজ্জা পায় না।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
মুহিব, ধন্যবাদ।রাজীব, হুমম... তা বটে!
নূরে আলম, ধন্যবাদ।
রেনেসা, পাশের বাড়ি থেকে চট করে একটা চুরি করেই ফেলুন না হয় (চুরি করতে তো আর ২০ টাকা লাগবে না!!), তবে ধরা পড়লে আমার দোষ নাই কিন্তু!!
বিজ্ঞ পোকা, একজনা আপনার সাথে মনে হয় একটু রহস্য করেছে!!
ভায়াগ্রা, আমি খুব প্রাচীনপন্থী এবং রীতিমতো বুড়ি টাইপ চিন্তাধারা লালন করি!!
আপনার নামের পাশের ছবিটি সহজভাবে গ্রহণ করা সম্ভব হল না বলে আপনার অপ্রয়োজনীয়-'সবাই কামন আছেন' মন্তব্যটাই মুছে ফেললাম!!
ছবিটা বদলানোর আগে অনুগ্রহপূর্বক আর যার পোস্টেই কমেন্ট দিন, আমার পোস্টে অন্তত কমেন্ট দেবেন না।
নাজিরুল হক, বদনাম গাই নাই। মোটেও। বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি। মেয়েটা তো বেশ মজার কাজ করেছে!
সামী মিয়াদাদ, হুমমম...
রাগ ইমন, পয়েন্টটা ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
অন্ধকার,ধন্যবাদ।
সন্ধ্যাবাতি, কষ্ট দিলা কেন?
আমার খালি থিওরি ভালোবাসা আছে, প্র্যাকটিক্যাল নাই!!! (আম্মাআআ)
এখনও গল্প লিখি, ahem ahem জ্বী নিশ্চয়ই!! আইতাসি!!!
মুনিয়া, বটে!
মানুষ, ধন্যবাদ।
বাকিদের উত্তর পরে দেব।
বাই।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
রাশেদ, আপনি আঁতলামো ছাড়তে পারেননি, আপনি এক নাম্বার থেকে বহিস্কার!! বিড়ি খাইতে মানা করা খুব খারাপ না????রসের হাঁড়ি, বার বার কষ্ট করে ঢাকনা ফেলার জন্য ধন্যবাদ।
শিট সুজি, আপনি যদি তা-ই বুঝে থাকেন, তবে তার অর্থ-আপনি বোঝেননি অথবা আমি বুঝাতে পারিনি।
খুশবু, ফসল কার কাছে চান?
বঙ্গাব্দ, দু'টো বিষয়ই ঠিক বলেছেন।
তিনিই সত্য, ধন্যবাদ।
উম্মু আবদুল্লাহ, আপনাকেও ধন্যবাদ।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
বিহংগ,ধন্যবাদ ৫ এর জন্য।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
এখনও গল্প লিখি, ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
না আজকে কিছু কমু না!এই বিষয়ে আমি আসলেই কিছু জানি না। মাঝে মাঝে মনে হয় একটা সাগর যতটা না গভীর একটা মেয়ের মন তার চেয়েও গভীর। কেউ যদি সেখানে ডুব দিতে পারে তার সারা জীবন লেগে যাবে সেটা আবিস্কার করতে আর এটা তখনই সম্ভব যখন ভালোবাসা নামক একটা সম্পর্ক তৈরী হবে। আর গোলাপ ফুল হাতে দাড়াবার কথা, এটা বোধ হয় এখনো বাকী আছে!
ধরো আমার ফুল বাপানের একটা ফুল
তুমি নিলে না, বললে তোমার ভালো লাগে না!
আমার কিছুই বলার নেই
কারন এ ফুল বাগান আমি পেয়েছি জন্মসূত্রে।
আমি একটু সাজাতে চেস্টা করেছি
আমি অতটা ভালো মালি না
তবু মনে হলো আমার বাপানে ফোটা ফুলটি
তোমাকে দেবো। তুমি নেবে কি না জানি না!
তোমার সাগরে আমার স্নান হলো না
ভেবো না আমি অসহায় রইবো সারাটা জীবন
তোমার স্রোতে ভিজলাম না বলে
তুমি কেদো না কখনো, এমনকি স্বপ্নেও না!
এটাকে ৫ দাগাতেই হলো!
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
"কুয়াশা ঘেরা এক মিষ্টি ভোরেএক গোছা ফুল নিয়ে আমার দ্বারে;
দেখি ও এসেছে, সেই হাসি হেসেছে
এখন কি করি আমি তোমরাই বলনা ?
...কারো হাত থেকে তুমি ফুল নিয়ো না ..."
(গান/বেবি নাজনীন)
হুমমম, নাহ, আমি মেয়েদেরকে ফুল নিতে মানা করছিনা; তবে গোলাপে কাঁটা থাকে, একটু সাবধানী হতেই হয় ...।
এটা হলো এক ধরনের যুক্তি; পাল্টা যুক্তি হলো, এতো ভেবে ভালবাসা হয়না; যুক্তি দিয়ে রাজনীতি হয়, ব্যবসা হয়, লেনদেন হয়, সমঝোতা হয়; ভালবাসা হয়না..তাই বলতেই হয় একসময়-
"...ভালবাসি তোমায় ছাড়া কাকে কবে?"
(গান/বাপ্পা)
রাশেদ বলেছেন:
কি করুম কন!! সেইরকম পুস্ট আসলে কমেন্ট না কইরা থাকবার পারি না যে। এক নাম্বারের গ্যারান্টি পাইলে অবশ্য আলাদা ব্যাপার!
কি কন!!
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
উদাসী স্বপ্ন, ভালো কবিতা!! ভালো লাগল মন্তব্যটা।ছায়ার আলো, ধন্যবাদ।
আইরিন সুলতানা, ওই তো সতর্কতা!!
মাথামোটা, আপনার তো প্রেমিকা আছেই মিয়া! আবার কি বলেন!!!
রাশেদ, নাহ!!! আপনার যে স্বভাব!!
েজবীন বলেছেন:
ছেলেরা মোহে ডুবে থাকে ideal এর প্রতিআর মেয়েরা মজে real এর জন্য
ছেলেদেরটা তুলনায় এটা বেশী ভাল লেখা....
রাশু বান্দরে কই, বিড়ি নিয়া ঘ্যানঘ্যান করে ডোমিনেট করার ধান্ধা থাইকাও দোস্তটার ভালর জন্য
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
জেবীন, ঠিক বলেছেন।
চতুরভূজ বলেছেন:
দারুণ লেগেছে!! ৫
বেশ সুন্দর উপস্থাপন। কোথাও কোনো কমতি নেই। অন্য পর্ব গুলোও পড়তে যাই।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
চতুরভূজ, ধন্যবাদ।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
মাথামোটা, কি বললেন কিছু মাথায় ঢুকল না।এখনও গল্প লিখি, একটু সময় বের করে নেই তখন আপনাকে মেইল করব। ইদানিং বেশ ব্যস্ত কিনা!
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
ভালোবাসা মানে আজ পাঁচশ গত কাল পঞ্চাশ / ধেড়ে যীশুদের হাতখরচের জ্বালায় অভাগা বাবাদের নাভিশ্বাস!ভালো কথা, তোমার দাদার বিরূদ্ধে তোমার অভিযোগটা জানতে পেরেছি। সো, আরো বেশি বেশি করে দাদার ওপর রাগ করো, আর আমার সাথে ভাব করো - কারণ আমি শহরবাসী ( = আমার কোনো বোন নেই )।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
পুনশ্চ : এটা প্রত্যাশার হাসি, তোমার এক্টু প্রশ্রয় পেলে, তক্ষুণি তক্ষুণি মনখারাপকে চিরতরে দেবে ফাঁসি।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
মৈথুনানন্দ, দিন চিরতরে ফাঁসি!!আবারও আপনার প্রথম কমেন্টটা বুঝিনি। আসলে আমি অ্যাবস্ট্রাক্ট কথা বুঝি কম।
একটু বুঝিয়ে বললে হয় না!
রাশেদ বলেছেন:
আমি ভালো হইয়া গেছি পুরা। কি কন?
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
রাশেদ, লক্ষণ তো দেখি না!চতুরভূজ, আমার নামটার প্রশংসা আমি খুব কমই শুনেছি.... আচ্ছা বলবেন, আমি কিন্তু অপেক্ষায় রইলাম।
মাথামোটা, আপনার দাদী তাহলে আমার মিতা।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
কি হইতাছে, আমারে কেউ বুঝায়া দেও!
সাইফুর বলেছেন:
কেমনে @মাথামোটু
মুহিব বলেছেন:
মাহবুবা আখতার দেখতে কি ছবির মত
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মুটামাথার ব্যাপারটাই তো বুঝতে আছি না, ঘোড়া ঘোড়ার দাদী হয় কেমনে? ঘোড়ারা কয় বছর বাচে?
"একটি মেয়ে যখন ভালোবাসে তখন তার ভালোবাসার সাথে একটা পরিবার, ছোট্ট একটি নিরাপদ ঘর এবং হয়ত দু'একটা শিশুর স্বপ্নও জড়িয়ে যায়। মেয়েদের ভালোবাসার সাথে ছেলেদের ভালোবাসার বিশাল একটা পার্থক্য এখানে। ছেলেরা কেবল মেয়েটিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, মেয়েটি হয়ত একটি ছোট্ট ঘরের স্বপ্নও দেখে ফেলে"
৫++
শাওন বলেছেন:
৫ টাকার গোলাপ কিনে দাড়ালেই ভালোবাসা প্রকাশ পাবে ?
পজিটিভ বলেছেন:
বেশ ভাল লাগলো। ৫৫৫৫আপনি আরেকটা কথা বলেন নাই এই পোস্টে, মেয়েরা প্রয়োজন পরামাত্রই মিথ্যে কথা বলে থাকে। হে, ছেলেরাও বলে, কিন্তু তুলনামুলকভাবে মেয়েরা বেশী বলে থাকে। আপনে কি বলতে পারেন, কারণটা কি ? এই উত্তরটা আমি অনেকদিন থেকেই খুজছি।
বঙ্গাব্দ বলেছেন:
প্রয়োজন পড়া মাত্রই সবাই মিথ্যা বলে। আমিও বলি তবে আমার সে মিথ্যায় কখনও কারো ক্ষতি হয় না,নিজের পাপের বোঝাটা ভারী হয় এই আর কি।মিথ্যা বলায় নারী-পুরুষে মধ্যে কার অংশগ্রহণ বেশি বা কম সেটা পরিমাপ করা মুশকিল।
তার আগে জানতে হবে মানুষ কেন মিথ্যা বলে !
একজন মনবিজ্ঞানী ভাল বলতে পারবেন।
জয়িতা বলেছেন:
"মেয়েদের ভালোবাসার একটি বৈশিষ্ট্য হল- খুব আপন করে পাবার ইচ্ছা। মেয়েরা সচরাচর ফুল এবং শিশু ভালোবাসে। একটা ছেলে কি ভালোবাসে না? হ্যাঁ, বাসে। তবে পার্থক্য এখানে- মেয়েটা ফুলটা ছিঁড়তে চায়, বা শিশুটার গাল টিপতে দৌড়ে যায়। ছেলেটি হয়ত কেবল তাকিয়ে দেখে!! ভালোবাসার মানুষটিকেও মেয়েরা চট করে খুব আপন করে নিতে চায়।"দেরীতে পড়লাম, বেশ ভালো লাগলো,প্রত্যেকটা পয়েন্ট ভালো লাগলো।
৫
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
শাওন, কি ব্যাপার আপনি কি দাঁড়াবেন নাকি আমার জন্য!!!পজিটিভ, কথাটা ঠিক না। আমি তো দেখি ছেলে বা মেয়ে বিচার করে কেউ মিথ্যাবাদী হয় না, যারা মিথ্যা বলে তারা অভ্যাসবশত বলে।
জয়িতা, ধন্যবাদ।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
...তোমারই কথা বলব নানা ছলে! কখনো আমাদের দেশে এলে ঝাল টক ফুচকা খাওয়াবো...নো নো...নটুইথ প্লেসার...বাটুইথ আদর। কথা এক্টাই, আমার কোনো সিব্লিং নাই, তাই কাঁটাতারের এধারে এসে প্রাত্যহিক উষ্ণতা যাচাই - এবার বুঝেছো সোনা?
পাকা বুড়ির মতো লাগ্ছে ছবিটা - পাল্টানো যায় কি??
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
হুমম.....মৈথুনানন্দ, আপনার সিবলিং নাই, আপনিই বোধহয় ভালো আছেন!! (দীর্ঘশ্বাস)বেশি সিবলিং না থাকাই ভালো।
প্রথমবারের মত আপনার মন্তব্য বুঝতে পেরেছি

পাকা বুড়ি? সে কি আর আমি আজকের পাকা!!!
ফুচকার জন্য অপেক্ষা করব কিন্তু....
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই বিষয়ে প্রেমের কবি নজরুলের একটা কথা খুব মনে ধরছে,'কুহেলিকা'তে তিনি বলছিলেন,- "নারীকে আমরা ততোটা দেখি,পার থেকে সমুদ্রকে যতোটা দেখা যায় । সমুদ্রের জলে যতোটা ডোবা যায়, নারীর মাঝে ডুবি ততোটাই... !" (ডুইব্যা মইরা গেলে কি হইবো সেই ব্যাপারে বস কিছু বলেন নাই !)
উক্তিটা হুবহু নাও হইতে পারে, সারকথা এইরম । মেমোরি সেল ঠিকমতন কাজ করতেছেনা । ছেলদের মেমোরি আবার দুর্বল !
ভাল বিশ্লেষণের লাইগা পুরা ৫ ।
আনিকা বলেছেন:
খাইছে আমার মইধ্যে এইসব গুণ (???!!!) এর শতকরা দশভাগ মোটে আছে... আমি কি তাইলে মেয়ে প্রজাতির না?
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
আনিকা, হুমমম....কি জানি 
ব্যাপার হল আমার নিজের মধ্যেও এই গুণগুলো খুব একটা নাই। তবে বেশিরভাগ মেয়েরই থাকে।
কি আর করা
প্রচেত্য বলেছেন:
"আসুন আমরাও যুক্তিহীনভাবে ভালোবাসায় বিশ্বাস করতে শিখি। "কিন্তু ভালবাসা যখন পরিনত হতে চায়, চায় অস্তিত্ব তখনই যুক্তিগুলো একের পর এক সামনে চলে আসে, কেউ হয়ত খন্ডাতে পারে আবার কেউ পারেনা, কেউ ভয় পাই, কেউ সাহস করে, যুক্তিহীন বলা কিংবা সংযুক্ত অক্ষর যুক্ত এ শব্দটি লেখা যত সহজ বাস্তবতা তার চেয়েও বেশী কঠিন - এরকমটাই মনে হয়
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
প্রচেত্য, হয়ত... ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজে অত্যন্ত বেশি যুক্তি যুক্তি করি !!
তবে এটাও ঠিক যে আপনি একটু খেয়াল করে দেখবেন আমাদের ভালোবাসা, আমাদের বিশ্বাস, আমাদের স্নেহ-মায়া... অধিকাংশ সময়ই যুক্তিহীন।
যে বাবাটা ঘুষ খায় কিংবা যে মা'টা কাজের মেয়েটাকে মারে সে কি অত্যন্ত যুক্তিহীনভাবে নিজের সন্তানকে ভালোবাসে না?
প্রচেত্য বলেছেন:
বাবা-মা'এর ভালবাসা সকল যুক্তির উর্ধ্বে, একথা এক বাক্যে স্বীকার করি, দ্বিমতের কোন অপশন নাইতবে একথাও ঠিক আমাদের আবেগময় ভালবাসাগুলো বড্ড বেশী রকম যুক্তিহীনতায় ভোগে, যা আপনি বলেছেন
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
Touchy sentences:১. মানুষ হল সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে জটিল সৃষ্টি। তার মধ্যে মেয়েরা আবার সবচেয়ে বেশি জটিল!
২. মেয়েটা ফুলটা ছিঁড়তে চায়, বা শিশুটার গাল টিপতে দৌড়ে যায়। ছেলেটি হয়ত কেবল তাকিয়ে দেখে!!
৩. প্রতিটি মেয়েই কিন্তু এক একজন অভিনেত্রী।
৪. যুক্তিহীনভাবে ভালোবাসায় বিশ্বাস করতে শিখি।
ভাল লাগল। ... ... ... ... ৫
আর
৫
আর কিছু বলার দরকার নেই...

এটাতে রেটিং দেয়ার জন্য লগ ইন করেছিলাম। এখন আবার চলে যাচ্ছি। অনেক কাজ......
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
বিবর্তনবাদী, বিশেষভাবে ধন্যবাদ, বিশেষ করে কোনটুকু ভালো লেগেছে বলার জন্য।নীলাঞ্জনা, ব্যস্ত মানুষ! ধন্যবাদ
।
দেবদারু বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে......৫ দিতেই হবে গবেষণামূলক পোস্টটির জন্য........ ভালো লাগলো......... তবে আরেকটু বিশ্লেষণ প্রত্যাশা করেছিলাম...... যাহোক, অভিনন্দন আপনাকে.........
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
দেবদারু, লেখা বড় করলাম না পাঠকের ধৈর্যচূতি ঘটবে এই ভয়ে।
রাহাজানি বলেছেন:
যুক্তির কথা শুনতে ভাল লাগে।আমি ও এই রকম একটা লেখা লেখব কয়েকদিনের মাঝে।তবে স্লাইটলি ভিন্ন টপিক।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
রাহাজানি, লিখুন, পড়ব।
শাহজাহান সিরাজ বলেছেন:
একজন ভালবেসে, ভালবাসতে চেয়ে হাতটা বাড়িয়া দিল...বলল-
ভালবাসা...... মানে
২ টা বেড রুম, ১ টা ড্রইং রুম, ১ টা কিচেন, ২ টা বাথ......... আরররর... দক্ষিনের একটা বারান্দা।
ভালবাসার মানে অনেকরকম......
আমার কাছে... ভালবাসা মানে কিছু অনুভূতি, যা পারে অন্য একটা মানুষকে সারাজীবন পাশে ধরে রাখতে। হতে পারে সে বাবা, মা, ভাই, বোন, বন্ধু, রিলেটিভস,... এটসেটট্রা।
আর স্পেশালি এমন একজন যাকে শুধু বিশ্বাস করেই একটা জীবন পার করে দেওয়া যায়, তার জন্যে সারা জীবন কাঁদা যায়
ভালবাসা'তো এরকমই... বাকী সব'তো জীবন যাপন
আগের লেখা পর্ব গুলোর চেয়ে অনেক গুছানো।
আপনি কি সমরেশের "মেয়েরা যেমন হয়" বইটি পড়েছেন?
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
শাহজাহান সিরাজ, আপনি বোধহয় আগেই বুঝেছেন যে আমি বইটা পড়েছি।হ্যাঁ পড়া বই আমার এবং খুব প্রিয়।
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
অনেকদিন পর ব্লগে আসলাম। আপনার কথা মনে হল। কেমন আছেন? কই আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস পাঠালেন না তো...
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
মোদ্দা কথা হচ্ছে, " আসুন আমরাও যুক্তিহীনভাবে ভালোবাসায় বিশ্বাস করতে শিখি। ভালোবাসা আজকের পৃথিবীর অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান দিতে পারে। "পিলাস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্লাসের জন্য।
লেখক বলেছেন:
জেমসবন্ড বলেছেন:
অনেকদিন পরে ......তারপরও মন্তব্য করার লোভ সমলাতে পারলাম না ।আমার কেন জানি মেয়েদের কোন সময়ই জটিল বলে মনে হয় নাই ।
তবে এটা ঠিক এক নজরে যা মনে হয় সব সময় তা ঠিক হয়না কিন্তু কিছুদিন ধরতে পারি ।
অনেক কিছু জানলাম..............
লেখক বলেছেন: আপনি হয়ত একটু বেশি বুদ্ধিমান
। নিজে মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও আমি অনেক সময়ই অনেক মেয়েকে বুঝি না। আমি পাতায় দৌড়ালে তারা শিরায় শিরায় দৌড়ায়....
ধন্যবাদ আপনাকে।
জেমসবন্ড বলেছেন:
কিন্তু কিছুদিন মিশলে ধরতে পারি মেয়েটা কেমন ।যাক...একটা প্রশ্নের উত্তর দিবেন...পরিচিত কোন মেয়েকে জিজ্ঞেস করতে পারছি না গালি খাওয়ার ভয়ে..আশা করি আপনে গাল দিবেন না...
অনেক পুরুষ চায় একাধিক বিয়ে করতে..যেমন আগে রাজা বাদশাহ রা করত..মনে করেন...কোনো পুরুষের সেরকম শারীরিক সক্ষমত আছে আবার অর্থনৈতিকভাবেও ধনী কিন্তু প্রথম স্বীর অসম্মতি , সংসারে হিংসা হানাহানির ভয়ে তা করে না বা করলেও প্রথমকে অগ্রাহ্য করে......আমার প্রশ্ন হল মেয়েরা সহ্য করতে পারেনা আবার ছেলেরাও চায় ....এই কনট্রাডিকশনের সমাধান কি ?
উত্তর দিলে বাধিত হব ।
লেখক বলেছেন: আমার মতে এই কন্ট্রাডিকশানের সমাধান হল- ছেলেদের এমন না চাওয়া।
খুব টিপিক্যাল সমাধান হল? হলে হোক।
দেখুন, অন্য প্রাণীদের ক্ষেত্রে সমস্যা হত না। মানুষের হয়। মানবশিশু সবচেয়ে অসহায়। তাদের বাবা মা উভয়কেই প্রয়োজন। একাধিক স্ত্রী গ্রহণ অনেক সময়ই একটা শিশুকে কিংবা একটা পরিবারকে বিরাট অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়। শিশুটি অশান্তি দেখে বড় হয়। সামাজিকভাবেও হেয় প্রতিপন্ন হয়। এটা কোন ভাল কথা না। তাই না?
আরেকটা বিষয়, আপনি লিখেছেন শারীরিক সামর্থের কথা। একাধিক পুরুষের প্রতি যে কোন মেয়ে আকৃষ্ট হয় না, এমন মনে হবার কি কোন কারণ আছে? মেয়েদেরও যে বিয়ের পরেও কাউকে ভালো লাগতেই পারে তা তো বহুল প্রমাণিত। তাই বলে তারা তো একাধিক লোকের সাথে সামর্থ থাকা সত্ত্বেও একটা সম্পর্ক তৈরি করতে পারে না। করাটা কোন দৃষ্টিকোণ থেকেই ঠিক না।
মানুষ বৈচিত্র্য পছন্দ করে। আমার চকলেট ভালো লাগে বলে ঝাল ভাল লাগতে পারবে না- এমন তো কথা নেই। একই মানুষের হয়ত বর্তমান স্ত্রী বা স্বামীর পাশাপাশি আরো কাউকে পছন্দ হতেই পারে। কিন্তু একমাত্র মানুষই সেই প্রাণী যার সব নিজস্ব অনুভূতিকেই নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আছে। বিবাহিত মানুষের এধরনের চিন্তা খারাপ ছাড়া ভালো কিছু বয়ে আনে না। কেবল প্রবৃত্তির কারণে এটা মানুষ করতে পারে না। করা সাজে না। মানুষকে মানুষের মত করাই সাজে। একটা মানুষের সাথে আস্ত একটা সমাজ জড়িয়ে থাকে, সুতরাং... এধরণের ইচ্ছা এবং অভ্যাস নারী পুরুষ উভয়েরই ছাড়া উচিৎ।
আমার মনে হয়।
সুপ্ত সবুজ বলেছেন:
আপনার এই ধারাবাহিক লেখা পড়তে গিয়ে বুঝতে পারলাম আপনার কাছ থেকে আমার কিছু পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। আপনি আমাকে বলেন তো দেখি, আমার একখান বিবাহ করা প্রয়োজন। এখন আমি চাই আমার স্ত্রী হোক সুন্দরী আবার চরিত্রবান, সংসার চালানোর মত যোগ্যতাসম্পন্ন আবার ঠান্ডা মেজাজসম্পন্ন, শিক্ষিত আবার অহংকারহীন এবং সর্বোপরি আমার বাবা-মা কে তার নিজের বাবা-মা মনে করা। এতকিছু কি একজন মেয়ের মধ্যে পাওয়া সম্ভব? সম্ভব না হলে আমার কি করা উচিত? আর সম্ভব হলে কোথায় খুজে পাবো? দয়া করে উত্তর দিলে কৃতার্থ হব।
লেখক বলেছেন: আমি কি ভাই কনসালট্যান্ট নাকি!?? প্রশ্নের ধরনে ভয় পাইলাম
... দেখেন, আমি দেখেছি বিয়েশাদীর ক্ষেত্রে হিসাব নিকাশ খুব কড়ায় গন্ডায় হয়। আপনি কি চান সেটার চেয়ে আগে আপনার নিজের কাছে সত্যি করে বলতে হবে আপনার নিজের কি আছে। যতগুলো গুণ একটা মেয়ের মধ্যে চাচ্ছেন ভেবে দেখতে হবে আপনার নিজের মধ্যে সেগুলো আছে কিনা বা সম্পুরক অন্য কোন গুণ আছে কিনা। কি কিনতে যাব বাজারে এটার লিস্ট করার আগে একবার নিজের পকেটের খোঁজটা নিয়ে রাখা ভাল না?
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
কিছু কথার সত্যতা পাইছি। যেমন আমি কলেজে প্রথম বর্ষে একটা মেয়েকে ফলো করতাম। কিন্তু আমি তার দিকে তাকালে সে আসমানের দিকে তাকায়। কয়েকদিন পর আমি আর তাকে ফলো করি না দেখে সে একজনকে আমার কাছে পাঠিয়েছে আমি কি তার সাথে রাগ করেছি কিনা জানতে। hahhahahahahahhaa...apuni valo likhechen...
লেখক বলেছেন: ![]()
জটিল বলেছেন:
মেয়েদের কে নিয়ে খেলাধুলা করাটাও সহজ , যখন বুঝে নেয়া যায় কোথায় টোকা দিলে কাজ হয় , এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা জরুরী প্রচন্ডভাবে আর ছেলেদের অভিনয় ক্ষমতাটাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে লেখক বলেছেন: সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করতে গিয়েই যেই সব অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির হয় এক এক জন... হা হা হা...
দেখি তো বন্ধু বান্ধবদের...
সাইফুর বলেছেন:
অনেক ভালো এনালাইসিস...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
....
নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা বলেছেন:
আপু! আপনার ৩পর্বের এই গবেষনামূলক লিখাটা পড়ে সত্যি অনেক ভাল লেগেছে।যদিও অনেক কিছুই আগে থেকে জানা।আমি আবার human psychologyর উপর লিখা পাইলেই গিলি কিনা!!
মানুষকে জানার জন্য বিভিন্ন রকমের মানুষের সাথে মিশি।
কিন্তু আফসোস!আজ পর্যন্ত নিজেকেই বুঝলাম না।
আমি যতই মানুষ দেখছি ততোই মনে হয়...ছেলে- মেয়ে যা -ই বলেন না কেন ...স্রষ্ঠা মানুষকে এমন ই জটিল প্রানী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন...যে হাজার গবেষনা করেও এদের বোঝা সম্ভব না।আর ভালোবাসা তো আরো রহস্যময়।কারণ মানুষের মন এমন এক জিনিস যা প্রতিনিয়ত বদলায়।অনেকে এটা বোঝে । অনেকে বোঝে না।
মূনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' এর লাইনগুলো ..."মানুস বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায় " আমার চরম সত্যি মনে হয় এখন।
লেখক বলেছেন: রক্তাক্ত প্রান্তরের এই লাইনটা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমারো খুব পছন্দের উক্তি ওটা।
আমিও হিউ. সাইকোলজির উপরে চান্স পেলেই পড়ি। ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ আপু।
লেখক বলেছেন: কোন ভাববাজ সুন্দরী মেয়েকেই জিজ্ঞেস করুন না!
মীতু বলেছেন:
খুব ভাল লাগল ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
মিসকল বলেছেন:
(তাহলে ছেলেরা তাড়াতাড়ি একটা ৫ টাকার গোলাপ কিনে নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ুন আপনার পছন্দের মেয়েটির সামনে। আর মেয়েরা?-কি করতে হবে বলার দরকার আছে কি!)
----- এ জায়গায় এসে ভয় লাগছে ব্লগার মনে হয় ছেলেদের মাইর খাওয়ার ব্যবস্থা করছেন।
এ পর্বটা পড়ে ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: হা হা..
একটু নাহয় মাইর ই খেলেন....
অসুবিধা কি!
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
তিনটি পর্বই পড়লাম। কারণ পুরোটা না পড়ে মন্তব্য কারাটা সঠিক মনে হয়নি। আপনার লেখাটা বেশি নারীবাদী। লেখক বলেছেন: ঠিক আছে এক বছরের পুরনো পোস্ট যেহেতু আমিও আপনার এই "পুরুষবাদী" মন্তব্যটা চেপে ধরলাম না
।
অনীয়ম বলেছেন:
আপনার লিখাটি চিন্তার খোরাক যোগায়।সমরেশ মজুমদারের " মেয়েরা যেমন হয়" বইটি পড়া থাকলে ভালো না পড়া থাকলে পড়তে পারেন। থিসিসে উপকারে আসবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বইটা আমার পড়া
।
নীরজন বলেছেন:
*একটি মেয়ে যখন ভালোবাসে তখন তার ভালোবাসার সাথে একটা পরিবার, ছোট্ট একটি নিরাপদ ঘর এবং হয়ত দু'একটা শিশুর স্বপ্নও জড়িয়ে যায়। মেয়েদের ভালোবাসার সাথে ছেলেদের ভালোবাসার বিশাল একটা পার্থক্য এখানে। *বেশি বললে কথার গুরুত্ব কমে যায় এটা অনেক মেয়ে বোঝে না।
*পুরুষরা একটা কাজ করতে পারেন, প্রতিদিন জিজ্ঞেস করতে পারেন,'কেমন আছ? কাল ভালো ঘুম হয়েছে?' হয়ত সে বলবে,'ধুর একই কথা প্রতিদিন!' কিন্তু আপনাদের বলছি- কথাটা শুনতে সে খুব ভালোবাসবে!! এবং তার অনেক সমস্যা হয়ত আপনাকে জানাবে।
এতদিন পরে কেন পড়লাম তাই আফসোস হচ্ছে।
প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
বেওউল্ফ বলেছেন:
আপনি তো দেখছি লাভ গুরু বা লাভ গুর্বী। তবে লেখাটি থেকে অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ। তো কেমন আছেন? কাল ভাল ঘুম হয়েছে? হাঃ হাঃ হাঃ। দুঃখিত। মাফ করবেন। + দিলাম।
লেখক বলেছেন: নাহ কাল ঘুমাইনি, সুতরাং ভালো ঘুমের প্রশ্ন ওঠেনা... এখনো জেগে আছি.. পরে ঘুমাবো
।
আপনার +এর জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নিঃসন্দেহে আপনি হার্মলেস, তবে অবশ্যই খাঁচার ভিতরে![]()
আথ্যরিক বলেছেন:
মাহবুবা আখতার বলেছেন: মৈথুনানন্দ, দিন চিরতরে ফাঁসি!!
আবারও আপনার প্রথম কমেন্টটা বুঝিনি। আসলে আমি অ্যাবস্ট্রাক্ট কথা বুঝি কম।
একটু বুঝিয়ে বললে হয় না!
এটা মেয়েদের আসল গুণ, না বুঝা। অথবা পরিষ্কার করে বুঝতে চাওয়া।
ক্লিয়ার কাট আরকি।
লেখক বলেছেন: হুঁ, এখন কিন্তু দু'টোই বুঝতে পেরেছি, আপনার আর মৈথুনদার কমেন্ট, দু'টোই।
প্রগতিশীল বলেছেন:
মেয়েদের অনেক মায়াময় গুনে মুগ্ধ হই।
কিন্তু তাদের স্বার্থপরতা, আত্নকেন্দ্রীকতা, শশুর শাশুড়ীর প্রতি উদাসীনতা, হিংসা ও অহংকার প্রবণতায় আহত বোধ করি।
লেখক বলেছেন: এই প্রবণতাগুলো তো ভাই "মানুষের" প্রবণতা। এর মধ্যে মেয়ে বা ছেলে বলে তো কোন বিষয় নেই। মেয়েদের যেমন এই জিনিসগুলো থাকে, ছেলেদেরও থাকে।
জইন বলেছেন:
কিছু জিনিস বাদ ... পড়েছে...... ছেলেদের লেখক ঠিকমত বিচার করতে পারেনি.... কারণ মনে হয় উনি নারী।পরে একসময়.... কথা হবে ,এ নিয়ে.......
লেখা পড়ে আমি বিস্মিত।
অসাধারণ।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম তবে.........
েপাদ্দার বলেছেন:
আপু ভালই লেখেছেন সেজন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
আমি কোনদিনই মেয়েদের বুঝি নাই। সবসময় প্রতিটি ব্যপারে োনেকগুলো সম্ভাবনা থাকে... ।আপনার লেখা ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা করেন, তাহলেই হয়ত বুঝতে পারবেন।
ধন্যবাদ।
ভবঘুরে ছেলেটি বলেছেন:
প্রথমে এই পর্বটা পড়লাম, তারপর সেই অক্টোবর ২০০৭ থেকে প্রথম দুই পর্ব, তারপর আবার এইটা, এরপরও কি বলা লাগবে কেমন লাগল?
লেখক বলেছেন: না বলা লাগবে না... এমনিতেই বুঝেছি।
অনেকদিন পর পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
'লেনিন' বলেছেন:
বাহ! জটিল মানুষ সুন্দরতম প্রাণি আর তার মধ্যে সুন্দরতম অর্থাৎ মেয়েদের গূঢ় রহস্য মেলে ধরেছেন এমন পোস্ট মাত্র আজকে পড়তেসি? লুল হতে কাজে লাগবে হা হা হা
লেখক বলেছেন: 'কাজে' লাগলে ভালো কথা... তা সে যেমন কাজই হোক।
কেমন আছ আর ভাল ঘুম হয়েছে মাঝেই মাঝেই শুনি
ভাবছি আপনার লেখা পড়ে মনে হয় প্রয়োগ হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: হা হা
আমার লেখা পড়ে প্রয়োগ হলে তো হেভি ইন্সপায়ারিং বিষয়!
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
আপনার পর্বগুলো পড়ে অসম্ভব ভাল লেগেছে। চমৎকার বিশ্লেষন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
অপূর্ব একটি লেখা। প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এইডাতো প্রাগৈতিহাসিক আমলের পুস্ট!
লেখক বলেছেন: কিন্তু আপনি যে আবার কমেন্টো দিলেন?!?!
ওমর মাছুম বলেছেন:
লিখলেন অনেক কিছুই।জানলামও অনেক কিছুই।তাই ধন্যবাদ দিলাম।এত হিসাব করে কি ভালবাসা হয়।আমি একটা সহজ হিসাব করে পথ চলি- আমার যেমন নিজস্ব একটা জগত আছে, তেমনি আমার মানুষটিরও আছে।তাই দুটো জগত নিয়েই স্বপ্ন দেখি।দুটো নিয়েই দুজনের বেঁচে থাকার স্বপ্ন...।
লেখক বলেছেন: সহজ হিসাব তো সবাই করতে পারে না... ঐ যে 'সহজ কথা যায় না বলা সহজে...'
কার্নেল বলেছেন:
জানি না, ভালোবেসে কি পেয়েছি। মনে হয়, বৈজ্ঞানিকদের কথাই ঠিক। পুরো ব্যাপারটাই মানসিক অসুস্হতা। ভালোবাসা আমাকে দিয়েছে পৃথিবীর উপর ক্ষোভ, সমাজের উপর একরাশ ঘৃণা , অপ্রয়োজনীয় অহমবোধ যা আমার মাঝে কখনোই ছিলো না আর আত্মবিশ্বাসে ফাঁটল।আমি সবকিছু নতুন করে শুরু করতে চাই, সবকিছু .....
লেখক বলেছেন: হুমম.. আপনার জন্য শুভ কামনা।
রাতমজুর বলেছেন:
!
লেখক বলেছেন: কি হইল?
এত আশ্চর্য হঠাৎ?
তাও এতদিন পর!
লেখক বলেছেন: দেখতেসি।
লেখক বলেছেন: দেখলাম।
কুতুব্ বলেছেন:
ভালো লেখা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জোবায়ের আসাদ বলেছেন:
খুবই ভালো লাগলো। কিছুদিন আগে একটি টক শোতে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যারের কথার সাথে আপনার কথার একদম মিল খুঁজে পেলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বাহ!
বেশ একজন খ্যাতনামা লোকের সাথে মিল খুঁজে পেয়েছেন তো!
ভালো ভালো...
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন:
আপনার পোষ্ট আমার আগেই পড়া ছিল ,তার পরও আজকে আবার পড়লাম ।কারন আমারে একজন কইল আমার ভালবাসার মন নাই ।
এখনদেখি আবার ট্রাই দিমু ।
লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ
ওই কথা তো আমিও অহরহ শুনি!
দেন ট্রাই দিয়ে দেখতে ক্ষতি নাই ![]()
ঘাস্ফুল বলেছেন:
বিশ্লষন ক্ষমতা তুখোড়। তবে মেয়েদের সবচেয়ে দুটো বড় গুনের কথাতো উল্লেখ করোনি.... !! 'Unpdictable & 'Selfish' .... প্রয়োজনে নিদ্বির্ধায় চোখ উলটে ফেলা। .. হ্যাঁ ... অতি ভালো অভিনেত্রীও বটে !! প্রকৃতি যে নারীকে এ অধিকারগুলোও দিয়েছে !!!!
লেখক বলেছেন: হুমম... হয়ত... সেলফিশ বিষয়ে আমার আপত্তি আছে। মেয়েরা কিন্তু সবাই সেলফিশ না, ছেলেরাও না। এটা মানুষের ব্যক্তিগত দোষ, ছেলে বা মেয়ে বলেই কেউ সেলফিশ হয় না, নিশ্চয়ই।
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
বন্দী জাহাজী বলেছেন:
ভয়াবহ রকম ভালো লেগেছে । ধন্যবাদ
বন্দী জাহাজী বলেছেন:
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: এই বিষয়ে প্রেমের কবি নজরুলের একটা কথা খুব মনে ধরছে,'কুহেলিকা'তে তিনি বলছিলেন,- "নারীকে আমরা ততোটা দেখি,পার থেকে সমুদ্রকে যতোটা দেখা যায় । সমুদ্রের জলে যতোটা ডোবা যায়, নারীর মাঝে ডুবি ততোটাই... !"(ডুইব্যা মইরা গেলে কি হইবো সেই ব্যাপারে বস কিছু বলেন নাই !)
লেখক বলেছেন: হা হা... বস বলবে কি করে, বস মনে হয় জানতেন না।
এতদিন পর পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ভদ্র বলেছেন:
খুব ভাল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন:
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৫ থেকে ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৭ পর্যন্ত পড়লাম। ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লেন নাকি??
থ্যাংকস কষ্ট করে পড়ার জন্য।
জিকসেস বলেছেন:
প্রিয় তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দুঃখ বলেছেন:
হুমমম............ধন্যবাদ।আমার মনে হয় আল্লাহ মেয়েদেরকে একটি গুন দিয়েছেন যা ছেলেদেরকে দেন নাই, সেটা হলো একটি মেয়ে খুব সহজেই একটি ছেলেকে আকৃষ্ট করতে পারে যা একটি ছেলে একটি মেয়েকে ততটা বা অনেকক্ষেত্রে পারেই না। আর ভালবাসার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের মেয়েরা এখনো বা কখনই নিজের পছন্দের মূল্য পায় নি বা ভয়ে তা জলান্জলি দিয়েছে বা দিচ্ছে।এ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক আর সামাজিক বিভাজন টাই বেশি দায়ী।আরো অনেক কথা আছে......পরে বলব।
লেখক বলেছেন: পরের অপেক্ষায় রইলাম। তবে শেষ অংশটার সাথে আমি একমত। মেয়েরা সহজে নিজের পছন্দ নিয়ে পরিবারের সামনে দাঁড়াতে পারে না। পারিবারিক ডিস্ক্রিমিনেশান বলা যায় ব্যাপারটাকে।
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: !
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
হুপফূলফরইভার বলেছেন:
ওরে আল্লারে এইটাতো কোন পোস্ট না মনে হচ্ছে ইয়াংক্লোপেডিয়া! প্রাগৈতিহাসিক আমলের থিসিসে পরিপুর্ন! কমেন্ট করার লোভ সামলাইতে পারলাম না!
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও প্রাগৈতিহাসিক ধন্যবাদ (!)
আমি তুমি আমরা বলেছেন:
জানলাম
লেখক বলেছেন: হুমম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শেখ ইরফান বলেছেন:
পাষাণীরা খুব সহজে অর্থনৈতিক অনিরাপত্তার মাঝে পড়তে চায় না!
লেখক বলেছেন: জ্বী।
একজনের প্রিয় পোস্ট দেখতে গিয়ে চোখে পড়লো।
অসম্ভব ভালো লাগলো।
শুধুই আপনার লেখাটি নয়!
মন্তব্য গুলো এবং আপনার দেয়া অসম্ভব সুন্দর জবাবগুলো।
আমার ও প্রিয়তে রাখতে হলো।
ভালো থাকুন......... অনেক অনেক!!
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন।
টক দঐ বলেছেন:
অল্পের মধ্যেই অনেক কিছু। আপনি তো আপু পুরা লেডি বস। জটিল রিসার্চ। অনেক কিছু জানলাম। আগের পার্ট পরছি + দিছি কিন্তু কমেন্ট দেই নাই এইটা তে কমেন্ট করমু বইলা। + এবং প্রিয়তে কোন একদিন কাজে লাগবে।লেখক বলেছেন: হাহ হা....
লেডি বস...
কথাটা পছন্দ হইসে।
আমার প্রিয় শব্দ তালিকায় অ্যাড করে রাখলাম।
কাজে লাগলে তো আলহামদুলিল্লাহ।
এ কে এম ওয়াছিয়ুন হালিম বলেছেন:
ওহ... আপনিতো কঠিন মাত্রার মনোবিদ!!! জটিল কিছু কথা পড়লাম... এক দমে ৩টা পোস্ট শেষ করা কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়... আর এই ধৈর্যের জন্য আপনার উচিৎ আমাকে ধন্যবাদ দেয়া... হাহাহাভালো থাকবেন আপু... মজা করলাম, ধন্যবাদ আপনিই পাওয়ার যোগ্য...
লেখক বলেছেন: আরে না... ধন্যবাদ পেলে যে পড়ে তারই পাওয়া উচিত ভাই।
আপনিও ভালো থাকেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
Veja_kak বলেছেন:
আপনার পোষ্টের থেকে বড় হয়ে গেছে মন্তব্যের বহর। ঐটা নিয়া মনে হয় আরো একটা পোষ্ট হয়ে যায়। আসলে উপরের এতো মন্তব্য পরতে পরতে ভুলে গেছি লেখা নিয়ে নিজের মন্তব্য। মন্তব্য করলাম গত ৪ বছর বিশাল সমারোহে চলা (হাউজফুলভাবে মন্তব্য আসায়) লেখাতে নিজের নামটা রাখতেই।
লেখক বলেছেন: অসুবিধা নাই।
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
তাপস চন্দ্র বর্মন বলেছেন:
SAMUR EAITAI KI SOB CHEYE BESI HITS POST ?BAPRE-BAP 2007-2011 ?!?
ONEK KICHU SIKHLAM.
(JUKTIHIN VALOBASA THAKLE AMARTA GHUILA THAKTO NA
THANK YOU APU.
TIME PELE EKHANE EKTU SHARE KOREN=> http://www.bondhu.in
লেখক বলেছেন:
না ভাই এই পোস্টের চেয়ে অনেক বেশি হিট হওয়া পোস্ট আছে। তবে আমার লেখা পোস্টের মধ্যে সম্ভবত এটাই সবচেয়ে বেশিবার পঠিত।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















@রাশু








