.......জিরো গ্র্যাভিটি.......

ছায়া মানুষ আর ছেলেটি....

১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:০১

শেয়ারঃ
0 0 0

রাত গভীর হতে না হতে একা মানুষটা গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়। ঘুম একটা অদ্ভুত ব্যাপার, মানুষ ঘুমিয়ে থাকলে প্রায় সম্পূর্ণ অনিরাপদ অবস্থায় নিজেকে সমর্পণ করে। তাকে যদি কেউ খুনও করতে চায়, সে টের পায় না। কি অদ্ভুত!
ছায়া মানুষটা নিঃশব্দে ছেলেটির মাথার কাছে সরে এসে দাঁড়ায়। কিছুই সে টের পাচ্ছে না। মাথাটা একপাশে হেলে রয়েছে। ছায়া মানুষের ইচ্ছে হল মাথাটা ঠিক করে দিতে, বালিশটা জায়গামত দিয়ে দিতে। কিন্তু.. দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে ভাবল, ছায়া মানুষেরা বালিশ ঠিক করতে পারে না।
ছায়া মানুষ ছেলেটির মাথার কাছে দাঁড়িয়ে রইল। অনেকক্ষণ.... চুপচাপ.....
হঠাৎ তার মনে হল, ছেলেটাকে একটু ডাকার চেষ্টা করে দেখা যাক।
সে ছেলেটির পাশে এসে বসল। আবছা একটা নীলাভ আলো ঘরময় ছেয়ে আছে। সে আলোতে ছেলেটার মুখ আশ্চর্যরকম নিষ্পাপ দেখাচ্ছে।
আগামীকাল এই ছেলেটা একটা বড় রকমের কষ্ট পেতে যাচ্ছে, ছায়া মানুষটা সেটা তাকে জানিয়ে দিতে চায়। ছেলেটা বুঝতে পারবে কিনা কে জানে, যে কাজটা সে করতে যাচ্ছে, সেটা হবে তার সমস্যার সূচনা। একজন অমানুষকে বিশ্বাস করতে যাচ্ছে সে। এটা যদি তাকে আগেই জানানো যায় তো চমৎকার হয়।
'কিন্তু.......' নিঃশ্বাস ফেলে ছায়া মানুষ আবার ভাবে আমি তো একে ডাকতেই পারব না। ডাকলেও শুনতে পাবে না। অধিকাংশ মানুষই পায় না। এদের বোধ খুব কম। তবু ডেকে দেখা যাক।
ছায়া মানুষ ছেলেটির চুলে হাত রাখল, নরম ঝলমলে চুল, আরো একবার স্পর্শানুভূতি না থাকায় তার আফসোস হল।
-''এই ছেলে,' সে মৃদু স্বরে ডাকল। তার ডাকে শব্দ হল তবে ছেলেটি শুনতে পেল বলে মনে হল না। সে মুখে একটা মৃদু হাসি নিয়ে পাশ ফিরে শুল, হাত দু'টো মাথার নিচে রেখে।
হয়ত সে কোন সুন্দর স্বপ্ন দেখছে। মুখটা হাসি হাসি হয়ে রয়েছে।
ছায়া মানুষ মুগ্ধ হয়ে আবারও তাকিয়ে রইল। দীর্ঘ সময় ধরে তাকিয়ে রইল সে...........
ভোর হয়ে আসছে। ছেলেটা হয়ত উঠে যাবে। ছায়া মানুষকেও ফিরতে হবে। কিন্তু আসল কাজটাই তো করা হল না, বলাই হল না ছেলেটাকে। অথচ কথাটা খুবই জরুরী।
''অনেক মানুষ আমাদের কথা শুনতে পায়', নিজেকে যেন স্বান্তনা দিল সে।
'একবার একটা বাচ্চা মেয়ে আমার সাথে কথা বলেছিল, শেষ চেষ্টা করা যাক', ভাবল সে।
ছেলেটার মাথায় হাত রেখে ছায়ামানুষ তার মুখটা একদম ছেলেটার কানের কাছে নিয়ে এল।
'এই ছেলে, এই ছেলে, তুমি মোটেও স্বপ্ন দেখছ না। আমি তোমাকে সাবধান করতে এসেছি। তুমি কালকে ফাঁদে পড়তে যাচ্ছ। একটা ফাঁদ। বুঝলে যাকে তুমি বন্ধু ভাবছ এটা তার কাজ। শুনতে পাচ্ছ? এই বোকা ছেলে.... কোর না, ভুলেও ওকে বি'শ্বাস কোর না, তুমি তো চালাক একটা ছেলে....... এ-ই... আমার কথা মাথায় ঢুকছে কিছু?'
ছেলেটা আবার পাশ ফিরে শুল। তবে এবার আর সে হাসছে না। হাসি মিলিয়ে গেছে।
ছায়া মানুষ প্রাণপণে চাইল যেন ছেলেটা তার কথা শুনতে পায়। একে তো ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছে সে.... অথচ ছেলেটা কোনদিন জানবেও না..... ভাবতেই দীর্ঘশ্বাস পড়ল তার। কি আর করা!
ছেলেটার চুলে হাত বুলিয়ে নিঃশব্দে বেরিয়ে গেল সে............
পাশ ফিরে শুল ছেলেটা, আবার মুখে হাসি, তবে ছায়া মানুষ এই হাসি দেখতে পেল না।
...............................................................
"আজ অনেকদিন পর ডায়রি লিখতে বসলাম। বেশিক্ষণ লিখব না। সময় নেই। কাজ আছে আজ একটা। লিখছি কারণ আজ মনটা খুব ভালো। খু-উ-ব বেশি ভালো। আজ একটা স্বপ্ন দেখেছি, দারুণ স্বপ্ন। অনেকদিন পর। দেখলাম আমার সেই বন্ধু ছায়াকে। বলেইছি তো আগে। আমি ছোটবেলায় খালি ছায়া ছায়া একটা আজব মানুষকে স্বপ্ন দেখতাম। আমার একটা অংক পরীক্ষার আগে আমি দেখেছিলাম সে আমাকে প্রশ্ন বলে দিচ্ছে। তখন টু-তে পড়ি, গুণ পারতাম না একদমই। আশ্চর্য! ওই গুণটাই পরীক্ষায় এসেছিল। ছায়াটা যদি না বলে দিত তাহলে নির্ঘাত ফেল করতাম। হা হা আমি অংকে একটু বেশি খারাপ ছিলাম।যাই, কাজ আছে।"
................................................................
বেরিয়ে এসে দারুণ ফুরফুরে লাগছে। আহ কাজটা ততটা কঠিন না তাহলে! আমি আমার পথেই চেষ্টা করব। হঠাৎ করে কি মনে হল, সব পন্ড করে দিলাম।
ঠিক করলাম কি? ওরা আর আমাকে কখনোই বিশ্বাস করবে না হয়ত, আমার দুর্নামও হবে হয়ত।
হোক, আমি শুধু আমার মনের কথাটা শুনেছি। মন বলছিল- কাজটা ঠিক হচ্ছে না। ভুল হচ্ছে। মনে হচ্ছিল কে যেন আমাকে আগেই বলে দিয়েছে ওদেরকে বিশ্বাস না করতে । কে বলেছে? কেউ বলেছে নাকি!! কেমন যেন মনে হচ্ছে কেউ একজন কানের কাছে ফিস ফিস করছে, 'তুমি ফাঁদে পড়তে যাচ্ছ... ফাঁদে পড়তে যাচ্ছ...'
হাঁটতে হাঁটতে ছোট একটা লাফ দিয়ে পথের গর্তটা ডিঙিয়ে যেতে যেতে ছেলেটা ভাবে, ধারে কাছে কোন হোটেলে বসে এক কাপ চা খাওয়া যাক। যেটা করা উচিৎ বলে মনে হয়, সেটা না করতে পেরে কখনো এত আনন্দ লাগে না তো! সেলিব্রেট করা যাক ব্যাপারটা!
.....................................................
হাতের ব্যাগটা কাঁধে ঝুলিয়ে নিয়ে ছেলেটা ছোট ছোট লাফ দিয়ে খানাখন্দগুলো ডিঙিয়ে যেতে লাগল। তার ঝলমলে চুলে সকালের মিষ্টি রোদ খেলছে তখনো.....

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১০
আবুল বাহার বলেছেন: জটিলষ্য । বক্তব্য বুঝতে পারলামনা ।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন:
কি আর করা....

১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।:)। খুশি হলাম সত্যিই।

১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন:
হুমম...

৪. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১১
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: আপনি দারুন লেখেন...জানেন?
এই লেখাটার আরেকটা পর্ব কি পেতে পারি...?
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন:
আমি তো পর্ব হবে ভেবে লিখিনি। এটুকুই লিখতে চেয়েছিলাম...
'আমি দারুণ লিখি'- শুনে দারুণ লাগল:)

৫. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৩
প্রশাসন বলেছেন: জটিল লিখেছেন। ধন্যবাদ। ভাল লাগল গল্পটা। পুরোটা পরে আমার ধৈর্য্য শক্তির একটা টেষ্ট ও করে নেয়া গেল। খুব সুন্দর হয়েছে।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন:
ভালো লাগাল আপনার মন্তব্য পড়ে। ইদানিং লেখাগুলো শর্ট করতে পারি না। ধৈর্য ধরৈ পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৬. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৫
প্রশাসন বলেছেন: এই লেখার আরেকটা পর্ব আমারও দাবী।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন:
হুমম...
আরেকটা পর্ব হবে ভেবে তো লিখিনি...

১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

৮. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
নিশাচর বলেছেন: লেখাটি আমার ভাল লাগেনি- হয়তো ভাল লাগার মতো অথবা বুঝার মতো জ্ঞান আমার নাই। আমার এই মন্তব্য করা উচিত ছিল না তার পরও করলাম- আমাকে ভুল বুঝবেন না প্লিজ। সবার তো সব লেখা ভাল লাগবে না, তাই না ?
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮

লেখক বলেছেন:
নিশ্চয়ই না। সবার সব লেখা ভালো লাগতে হবে এমন কোন কথা নেই। ভালো না-ই লাগতে পারে.....
কমেন্ট করায় দোষ হয়েছে তা- কে বলল?!!
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন:
ভয়াবহ??!!!
আচ্ছা!!!
ধন্যবাদ।

১০. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
নিশাচর বলেছেন: আপনাকে অঅঅঅঅনেনেনেনেককককককককককককক ধন্যবাদ- এইবার আপনাকে খুউউউউ ভাল লাগতেছে- আশা করি আপনার নেক্সট লেখাটি ও ভাল লাগবে। ভাল থাকবেন।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ। আমাকে ভালো লাগছে জেনে খুশি হলাম।
আপনিও ভালো থাকবেন।

১১. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:১০
মুহিব বলেছেন: অতি কঠিন বলিয়া বিবেচিত হইল।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দিয়া খাটো করিব না :)....।

১২. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
মৌনতা বলেছেন: জিনিস ভালো, তবে প্যাচ বেশি
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:০৯

লেখক বলেছেন:
প্যাঁচ কই পেলেন??!!

১৩. ১৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০২
মিসকল বলেছেন: আপাতত এড করে রাখলাম, পরে পড়ব।
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন:
আচ্ছা...

১৪. ১৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
""শ্রাবণী"" বলেছেন: হুমমম...ইন্টারেস্টিং----
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ১৭ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ভালো লাগলো। আশা করছি আরেকটা পর্ব লিখবেন।
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১৪

লেখক বলেছেন:
আর তো পর্ব হবে না... এটুকুই গল্প। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬. ১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১৪
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: চমৎকার লিখেন
ভালো লাগলো
শুভেচ্ছা নিন
১৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
আপনাকেও শুভেচ্ছা।

১৭. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: মনের কথা,মনের কথা,হুম,আমি শুধু আমার মনের কথাটাই শুনেছি,সবসময়ই তাই করি।
১৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন:
আমিও চেষ্টা করি, বেশিরভাগ সময় পারি না :(

১৮. ১৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
শাওন বলেছেন: কি বলব , না বোঝাতে চাইলে জোর করে বোঝার কি ক্ষমতা ! থাক না । নাকি সারাহ (প্রায় ছদ্মনাম) 'কে ডেকে জিজ্ঞাস করতে হবে । বুঝতেছি না ।

লেখা ভালোর জন্য +
১৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন:
এই বললে লেখা ভালো আবার বলে সারাহ (প্রায় ছদ্মনামকে) জিজ্ঞেস করতে হবে?!!
ব্যাপার কি বল তো?

১৯. ১৯ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
রফিকুল ইসলাম ফারুকী১১ বলেছেন: মন ছুঁয়ে গেছে। অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভ কামনা।
১৯ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন:
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

২০. ১৯ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
সোনারমানুষ বলেছেন: Very good. tremendous. go ahead.....
plus...
আপনার জন্য শুভ কামনা।
১৯ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন:
আপনার জন্যও শুভ কামনা রইল।

২১. ১৯ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৫১
ধূসরিত স্বপ্ন গুলো বলেছেন: সামনা সামনি থাকলে বেশ কিছু কথা শুনায় দিতাম আপনাকে !হা হা হা :)
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন:
এমনিই শুনানো (টাইপানো) যায় না??!!:)

২২. ১৯ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
চিকনমিয়া বলেছেন: হাচাই ভালা লাগচে
আফনে দেকি ভালা লেকেন:)
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন:
আহ! আপনার কমেন্ট পেয়ে চিকন মিয়া, সত্যি দিলটা জুড়িয়ে গেল :P

২৩. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ২:১৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সেই একই কথা বলি বারবার , ঝরঝরে , পড়তে আরাম

একটা প্রশ্ন ,লেখার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছবি কোথেকে জোগাড় করা হয় ?(সেল্ফ সার্ভিস ?)

লেখার জন্য +++
ছবিটার জন্য++
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন:
নাহ, সেল্ফ সার্ভিস না। গুগলের ইমেজ সার্চ:)। একটু কয়েকটা পাতা ঘেঁটে বের করতে হয় এই একটা ঝামেলা।
পড়ে আরাম জেনে আরাম পেলাম:)

২৪. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৬
নিলা বলেছেন: ঝলমলে সুন্দর একটা লেখা।
২০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০০

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ নিলা। ভালো কমেন্ট পেলে একটু ভরসা পাই :)

২৫. ২০ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
শাওন বলেছেন: লেখা ভালো কিন্তু কাহিনী শুনতে গেলে ওকেই জিজ্ঞাসা করতে হইবেক ।
২২ শে মে, ২০০৮ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন:
হুমম...কর গা যাও! উত্তর পাবে কিনা সেটাই প্রশ্ন;)... হে হে

২৬. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৮
রফিকুল ইসলাম ফারুকী১১ বলেছেন:
মাহবুবা আখতার
কলজে কাড়া চোখ তার।।

হা হা হা আপনার জন্যও একটা অনুকাব্য হয়ে গেল মাহবুবা।
ইফ ইউ ডোন্ট মাইন্ড প্লিজ।
২২ শে মে, ২০০৮ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন:
ঠিক আছে মাইন্ড করলাম না:)

২৭. ২৫ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৪৭
বিবর্ণ বলেছেন: কোন কোন স্থানে একটু অতি নাটুকেপনা বলিয়া বোধ করিলাম। তবু বলিতে হইবে ইহা উত্তম হইয়াছে।
২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন:
:(....
কি আর করা... নাটুকেপনা?
ঠিক আছে চেষ্টা করব আর যাতে নাটুকেপনা না হয়... তবে সমস্যা হচ্ছে লেখা তো অতোশত ভেবে লেখা যায় না।
ধন্যবাদ, প্রশংসা এবং সমালোচনা দু'টোরই জন্য।

২৮. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
বিবেক সত্যি বলেছেন:

আশ্চর্য! ওই গুণটাই পরীক্ষায় এসেছিল...

ইশ, কি দারুন ব্যাপার :P

:)
০৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন:
ইস! আমারও যদি ঐরকম একটা ছায়া মানুষ থাকত, তাই না?
আমারও এরকমই মনে হয়.... ;)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যা+ইচ্ছা+তাই
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই