আমার প্রিয় পোস্ট
- অবেলার ঘুম - যীনাত
- স্কেচ শেখার কিছু বই - সাদাচোখ
- ১০ দেশের ১০ পরিচালকের ১০ সিনেমা - সুমন আজাদ
- বিবিসি ও টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বিশ্বের সেরা ১০০ টি উপন্যাস,সেরা সাইন্স ফিকশন ও নন ফিকশন - অপার্থিব ক্রিয়েশন
- ই-বুক বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- মিছে খেলার ভেলায় ভাসি আরো একবার... - মুনিয়া
- বৃষ্টি পাগল আর বৃষ্টি পাগলী - মাহবুবা আখতার
- আবেগই সকল নষ্টের গোড়া, হাচা কতা
- চিকনমিয়া
- বন্ধু ভাল থাকিস। - ফারজানা মাহবুবা
......
এক ডজন খাওয়া দাওয়া
..........
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
খাওয়া দাওয়ার বেসিক্যালি খুব একটা প্রীতিদায়ক হবার কথা না। একটা জিনিস যেটায় পুষ্টিগুণ আছে সেটাকে মুখ নামক যন্ত্রটার মধ্যে দিয়ে দাঁত দিয়ে চাবিয়ে জিভ নেড়ে উল্টে পাল্টে গলা দিয়ে পেটে চালান! ছোটদের খাবারের বৈচিত্র্য শুরু হয় একটু বড় হবার পর থেকে। আমার পিচ্চি কাজিনটাকে যেমন দেখি, বেবি লোশান থেকে শুরু করে, মোবাইল, কলার খোসা, নিমপাতা- কোনকিছুতেই তার আপত্তি নেই। আপত্তি থাকবে কেন, নতুন নতুন পৃথিবীতে এসেছে, সবকিছুই একটু চেখে দেখছে আরকি! এই সেদিনও তাকে দেখলাম নিজেই পেশাব করে সেটাকে যত্নের সাথে হাত দিয়ে নেড়ে, হাতটা মুখে.... আহ কি যেন একটা স্বাদ পায়!! ও নিজেই জানে!!
খুবই সুখের কথা যে এরকম ধরনের খাবার বলা চলে আমি খাই-ইনি
। শিশু হিসেবে আমি ছিলাম মোটামুটি শান্ত এবং দার্শনিক টাইপ। উল্টাপাল্টা খাদ্যাভ্যাস আমার মোটেও ছিল না। তারপরও........ বাচ্চা ছিলাম তো.........
কিছু অখাদ্য কুখাদ্য যে নিতান্তই খাই নাই, তেমন না। আর খেতে দেখেছিও অনেক।
এইরকম এক ডজন ঘটনা বলি।
১. আমরা তখন থাকি লালকুঠিতে। আমাদের বাড়িওয়ালার ভাস্তে, চরম বান্দর, নাম রাজীব। আমরা ডাকি রাজীব ভাইয়া। আমার বয়স তখন কত হবে সবে চার বা সাড়ে তিন। নতুন নতুন বাংলাদেশে এসেছি। বাংলাও ঠিক মত পারি না। এখানে কোনটা খাদ্য আর কোনটা অখাদ্য তা-ও ঠিকমত জানি না। একদিন দুপুরে আমি আমার দর্শন বিষয়ক চিন্তা মাথায় নিয়ে বাড়ির বাগানে হাঁটতে বেরিয়েছি। কেউ নেই সেখানে, সবাই যার যার ঘরে। কেবল রাজীব ভাইয়াকে বাইরে দেখা গেল। আমাকে একা ঘুরতে দেখে উনার কি কুমতি হইল কে জানে, আমাকে ডেকে বলে, 'ঐ যে দেখতেস না একটা পাতা, ঐটা না খাওয়া যায়।' আমি-'এহ! বললেই হল! আমি মনে হয় জানি না। কাঁচা কাঁচা পাতা কি খাওয়া যায় নাকি।' রাজীব ভাই,'বিশ্বাস না হয় খেয়ে..' উনার কথা শেষ হওয়ার আগেই বিজ্ঞানী মাহবুবা কচুগাছের কাছে গিয়ে টান দিয়ে একটুখানি পাতা ছিঁড়ে মুখে দিয়ে ফেলেছে এবং খেয়েও ফেলেছে। পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ছিল অতি ভয়াবহ! তিনি ছুটতে ছুটতে বাসার দিকে যেতে যেতে চিৎকার করছিলেন কিন্তু তার গলা দিয়ে কোন শব্দই বের হচ্ছিল না!!!![]()
![]()
.... তার খুবই গলা চুলকাচ্ছিল এবং তিনি গলা টিপে নিজেকে মেরেই ফেলতে বসেছিলেন
। সেদিন বাড়িওয়ালার কাজের মেয়েটা এসে কাঁচা আম না দিয়ে গেলে জাতির যে কি ক্ষতি হয়ে যেত তা কেউ বলতে পারে না!
২.গিয়েছি নানাবাড়িতে। এটাও নতুন নতুন দেশে আসার পরের কাহিনী। আর এক বিখ্যাত কাজিন আছে মুসা। বেটার নোউন অ্যাজ মুসা পাগলা। এই ব্যক্তিটি সারাদিন ঘোড়দৌড় করে সিঁড়ি বেয়ে উঠত এবং নামত এবং সাথে সাথে তালে তালে বগল বাজাত (ওটা ছিল অ্যাডিশনাল মিউজিক, সাথে তার নিজের আবিষ্কৃত ফার্সি ভাষার একটা ছড়া ছিল। ছড়ারটা এরকম-মিগাফাইস্সা আমাইস্সা, ওয়াল আরদা হানিফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকিইইন...)। তো মুসা ভাইয়া একদিন দুপুরে কেবল ঘোড়দৌড় দিয়ে দোতলায় উঠেছে, আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে প্রকৃতির শোভা দেখছি। উনি হঠাৎ বারান্দা থেকে হাত বাড়িয়ে আমাকে নারকেল পাতা ছিঁড়তে দেখে থামল। মুসা ভাইয়া,'নারকেল পাতা কিন্তু খাওয়া যায় জানিস?' আমি,'তাই? সত্যি!... এহ! মিথ্যা কথা...' মুসা ভাইয়া,'সত্যি। নারকেল পাতা খেলে পেটের অসুখ সেরে যায়। খুব ভাল।' এতটুকু বলেই উনি আবার ব্যস্তভাবে মিগাফাইস্সা.... করতে করতে চলে গেল। এদিকে আমার মত একজন দার্শনিক ব্যক্তিকে যে এই কথাটা এইভাবে বলে গেল... আমি তো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কেবলই ভাবছি,'আশ্চর্য, আশ্চর্য! এই পাতা খাওয়া যায়!!' আমি সুন্দর করে নারকেল পাতা ছিঁড়ে নিয়ে চাবানো শুরু করলাম
(ছাগল আর কাকে বলে
).... দেখলাম কষ্ট করে খেতে শুরু করে দিলে মন্দ লাগে না! আমার প্রিয় কাজ ছিল ছাদে গিয়ে হাঁটা হাঁটি করা। তো আমি ছাদে গিয়ে আরামসে বড় কয়েকটা নারকেল পাতা ছিঁড়ে নিয়ে খাওয়া শুরু করলাম..... দেখলাম খেতে বেশ সময় লাগে.... মোটামুটি একটা লম্বা পাতা খাওয়ার পর আমার একটু একটু খারাপ লাগা শুরু করল।
খাওয়া বন্ধ করতে না করতেই আমার বমি হল- বমির রং সবুজ!
৩.আমরা তখনো লালকুঠির বাসায়ই থাকি। আমার ছোটবোন ঘুম থেকে উঠে হাঁটতে হাঁটতে ডাইনিংয়ে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি আম্মুর মাথায় বিলি কেটে দিচ্ছি। আম্মু ওর দিকে তাকিয়ে হঠাৎ বলল, কি রে, ও কি খাচ্ছে রে?' আমি তাকিয়ে দেখলাম সে হলুদ রঙের কিছু একটা পদার্থ খাচ্ছে। আমি, 'মনে হয় খিচুড়ি খাচ্ছে।' আম্মু,'খিচুড়ি আসবে কোথা থেকে? আজকে তো খিচুড়ি রান্না করা হয় নাই।' বলতে বলতে আম্মু বেচারীর মুখে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে শুঁকে টুঁকে আবিষ্কার করে ফেলল যে উনি হাগু খাচ্ছেন (ইয়াক ইয়াক!)। সরেজমিন তদন্তে দেখা গেল এটা আমার ছোটভাইয়ের কান্ড। সে বড়দের দেখাদেখি তার ছোটবোনের হাগু পরিষ্কার করার জন্য পেপার দিয়ে একটুখানি তুলে যেই দেখলেন ছোটবোনটি কাঁদছে, ব্যাস তাকে তাড়াতাড়ি খাইয়ে শান্ত করে দিল!!
আফটার অল বড়রা তো সেটাই করে!!!!
৪.বেশ কয়েকদিন এমনটা ঘটেছে। দেখা গেল কি আমার ছোটভাইটা হয়ত পেশাব করেছে। আম্মুকে খবর দিয়ে ডেকে আনার পরে দেখা গেল সেটা আর নাই। পরে একদিন ভাইয়া চুপচাপ আড়ালে দাঁড়িয়ে দেখল ও এক চুমুকেই পুরোটা ................. এর পর থেকে আমরা ওকে অনেকদিন মোরারজী দেশাই বলে ডাকতাম। নামের কারণটা অবশ্য আম্মু শিখিয়ে ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিয়েছিল।
৫. আমার ছোটবোনটার শার্টের পকেটা সব সময় লাল হয়ে থাকত। কারণ পকেট ভরা থাকত ইট। আর সে থপাস থপাস করে হেঁটে বেড়াত আর কটর কটর করে ইট খেত। কি যে টেস্ট পেত সেটা ও-ই জানে। তাকে যদি কখনো চকলেট টকলেট কিছু একটা খেতে দেয়া যেত দেখা যেত সে নাই। সে কোথায়? চুপচাপ দেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে দেয়ালের সিমেন্ট চকলেটে লাগাচ্ছে আর চেটে চেটে খাচ্ছে। এই রেসিপি তার নিজস্ব আবিষ্কার ছিল। তাকে প্রায়ই দেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত। বেশ অনেকগুলো বছর তাও করা গর্তগুলো বাসার দেয়ালের শোভা বর্ধন করেছিল। পরে বছর কয়েক আগে রং করানোর সময় রং মিস্ত্রীরা গর্তগুলো ভরাট করে দিয়েছে
। না দিলেই ভালো হত, মাঝে মাঝে ওকে পচানোর সময় প্রামাণ হিসেবে গর্তগুলোকে আমরা ব্যবহার করতে পারতাম
।
৬. আমরা তখন ইরানে। সবাই একসাথে খেলছি। আমার বড়বোন থালাবাটি মাজার লিকুইড খানিকটা গুলিয়ে এনেছে সেটাকে স্ট্র দিয়ে উঠিয়ে বুদবুদ বানানো হচ্ছে- এ-ই খেলা। অতিউৎসাহে বড় আপু ফু দিয়ে যাচ্ছে তো দিয়েই যাচ্ছে, অনেক বুদবুদ তৈরি হচ্ছে বাটিতে.... দম ফুরিয়ে যাবার পর তিনি স্ট্রর মধ্যে দিয়েই আবার নিশ্বাস নিয়ে ফেললেন....
... হা হা... সে কি অবস্থা! আম্মুর কাছে নেয়ার পর দেখা গেল গলা দিয়ে আর আওয়াজই বের হচ্ছে না
।
৭. বাংলাদেশে আসার পর সবচেয়ে ফ্যান্টাস্টিক খাবার কোনটাকে মনে হতে পারে? যাদের অভিজ্ঞতা নাই তারা চিন্তাও করতে পারবে না, খাবারটা হল কলা। দুই টাকা দামের অতি সস্তা খাবার। অথচ এটা যে কি অমৃত ছিল আমাদের ভাইবোনদের কাছে সেটা বলে বুঝানো যাবে না
... আমরা রাস্তা দিয়ে কোথাও যাবার সময় রাস্তার পাশের টং দোকানগুলোর দিকে আফসোস নিয়ে তাকিয়ে থাকতাম- আহা! কলা! স্বাদের কলা, কত কলা ঝুলায় রাখসে, না জানি কত দাম:#! ভদ্র বাচ্চা ছিলাম তো চাইতেও সাহস পেতাম না, ভাবতাম আব্বু আম্মুর অত টাকা নাই!
৮.দেশে আসার পর নতুন নতুন তখনও অনেক কিছুই চিনি না। একদিন মার্কেট থেকে এসে আম্মু আর আব্বু হাসতে হাসতে বলল, 'তোমাদের জন্য একটা জিনিস আছে। দাঁড়াও আমরা এসে নেই তারপর দিচ্ছি।' আমাদের তো তর সয় না! কি যেন একটা নিয়ে এসেছে। আমরা না বলে যদিও কখনো আম্মুর ব্যাগে হাত দেই না, তবুর বড়আপু আর তর সইতে না পেরে ব্যাগটা নামিয়ে ফেলল। আমরাও তো ভেতরে ভেতরে উৎসাহী তো খুলে বের হল বাদামের ঠোঙা। নামটা তখনো আমরা জানি না সুতরাং চেনার কথা না। তো দেখে শুনে বুঝলাম এটা একটা খাবার । তাড়াতাড়ি মুখে দিয়ে চিবিয়ে দেখলাম.... কিন্তু ... একী!!
কোন স্বাদই তো লাগে না.... শক্ত আর বালু বালু...
। পরে আম্মু ফিরে এসে বাদাম বের করল যখন আমাদের আর ততটা উৎসাহ নেই! আব্বু যত্ন করে দেখিয়ে দিল কি করে বাদাম খোসা ছাড়িয়ে খেতে হয়। খেয়ে দেখি বাহ! ভালো টেস্ট!! খোসাসহ খাবার চেয়ে অন্তত বেটার!
৯. নানী কি যেন একটা জিনিস জানালের পর্দার আড়ালে লুকিয়ে রাখে আমি বেশ কয়েকদিন যাবত খেয়াল করে দেখলাম। একদিন চুপি চুপি পর্দা সরিয়ে বের করলাম, বাহ... বেশ ঘ্রাণ তো! একটুখানি সাহস করে মুখে দিয়ে প্রথম মাথা ঘোরার অভিজ্ঞতা হল
। উহা ছিল শাহী জর্দা! খেয়ে আমি অনেকক্ষণ পর্দার পাশেই স্থির হয়ে ছিলাম ![]()
![]()
.... যাহোক কেউ টের পায়নি!
১০.আব্বুর অসুখ। আম্মু হরলিকস আনিয়েছে। জিনিসটা যে কি স্বাদ। কেবল অমৃত শব্দটা তখনও জানা ছিল না বলে! নইলে ওটার নাম অমৃতই রাখতাম আমরা। আমরা মানে আমি মেজআপু আর বড়আপু। বিকালে আম্মু পাশের বাসায় ঘুরতে গেছে। আহ চান্স! বড়আপু ডাকাত দলেও গ্রুপ লিডার, মেজআপু সাবলিডার, আর আমি হেল্পার! রান্নাঘরে ঢুকে বড়আপুর কাঁধে মেজআপু উঠে তাক থেকে হরলিক্স পাড়বে আর আমি রান্নাঘরের সামনের প্যাসেজে দাঁড়িয়ে পাহারা দেব, আম্মু আসলেই মেসেজ পৌঁছে যাবে তাদের কাছে
... যাহোক আম্মু সেবার চলে আসে নাই, অভিযান সফলই হইসিলো
।
১১. নানার বাসায় বেড়াতে গিয়েছি। পাশের ফ্ল্যাটে থাকে আমার বান্ধবী সূচনা। তার নানার একমাত্র নাতনী সে। অতি আদরে বড় হবার কারণে অনেককিছুই জানে না। আমি কাঁচা ডিম খেতে খেতে বাইরে এসেছি, তার সাথে দেখা। সে খুব সংশয়ে পড়ে গেল, কাঁচা ডিম কি খাওয়া যায়! আমি তাকে বললাম খেয়ে দেখতে। বাহ! ওরও ভালো লেগে গেল। সুতরাং আবার ডিম নিয়ে আসো। ডিমের মাথাটায় একটা ছোট্ট গর্ত করে ভিতরে লবণ দিয়ে ঝাঁকিয়ে খাও!! আহ... দু'জনেরই খুব পছন্দ হয়ে গেল রেসিপিটা। সুতরাং আমরা সেদিন হালিখানেক ডিম সাবড়ে দেবার পর আমার খালা লক্ষ্য করলেন ডিম আর মাত্র একটা আছে!! বাকি গুলো খেয়ে ফেলেছি আমরা কাঁচা কাঁচাই! এই গল্প আমার স্কুল ফ্রেন্ডদের কাছে করার পর তারা তো অবাক.... তুই আর কি কি কাঁচা খেতে পারিস?
আমি বললাম আদা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, গাজর, টমেটো (এটাও ফুটো করে লবণ দিয়ে খেতে দারুণ) আরো কত কিছুই তো কাঁচা খাওয়া যায়। ওরা হা করে চেয়ে রইল!
"তুই কি আলুও কাঁচা খাস?"-এরকম একটা মন্তব্যও করেছিল কেউ।
১২. বড়আপু একবার কেরোসিন খেয়ে ফেলেছিল অনেকখানি। আম্মু তো অস্থির হয়ে বারবার প্রশ্ন করছে, 'কেন খাইসিলে মা?' তার নাটকীয় উত্তর,'আমি মরতে চাইসিলাম'।![]()
..........
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হা হা....
সাবান তো মনে হয় তিতা....
.. আমি খাই নাই... তবে আরকি গোসলের সময় মুখে গেলে তিতাই লাগে।
মোহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেছেন:
আপনি কি করেন। মানে স্টুডেন্ট কিনা। আবজারেবশন চমৎকার
লেখক বলেছেন: জ্বী আমি স্টুডেন্ট। আপনাকে ধন্যবাদ।
সমকালের গান বলেছেন:
সাবধানী ব্লগে অসাবধানী চমৎকার (বেশী জোশ বলে এখনকার দিনে নাটক সিনেমায়) হইছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। মাঝে মধ্যে একটু অসাবধানী হওয়া ভালো
।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কথাসাহিত্যিক?
বাপরে! অত যোগ্যতা থাকলে তো ভালই হত। ধন্যবাদ আপনাকে।
সৌমিত্রমজুমদার বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
কানা বাবা বলেছেন:
আপ্নেগোর ভাইবোন টিমের কাচে তো খাদক বজলুও ফেল খায়া জাইবো...
হ্যায় তো অন্তত রাইন্ধা খাইতো, কাঁচা না...
লেখক বলেছেন: খাদক বজলুকে যদিও চিনি না। তবে আজকাল টেলিভিশনের রান্নাগুলো একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে নারকেল পাতা, ডিম এইরকম কয়েকটা জিনিস ছাড়া বাঁধাকপি, টমেটো... এইসব কাঁচা দিয়েও রান্না করে।
তবে একটা জিনিস সত্যি কানাবাবা, চোখ বন্ধ করে (আপনি অবশ্য চোখ খুলেও রাখতে পারেন) একবার এই জিনিসগুলো কাঁচা খেয়ে দেখবেন, পেটে সমস্যা হলে ডাক্তারের ফি আমার!!!
... খেতে খারাপ লাগবে না এটা নিশ্চিত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
আগে ইরানে থাকতাম।
লেখক বলেছেন: বড়আপুও কাগজ খেত (এটা একডজনের পরে হয়ে যায় তো তাই আর লেখা হয়নি
)..
হা হা... টুক্লিফাইং ইজ আ ব্যাড থিং
...
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
বেশ মজা পেলাম ..... আমাদের সবার ই কিছু না কিছু এমন অভিগ্গতা আছেই ....একবার অনেক ছোট থাকতে গ্রামের বাড়ীতে বেড়াতে গিয়ে দেখেছিলাম কয়েকজন কলকি টানছে ..... ১ - ২ দিন দেখার পরে মনে হলো জিনিসটা ওরা এত আয়েশ করে টানছে, নিশ্চয়ই সে রকম হবে ..... একদিন গিয়ে বলেই ফেললাম... আমি এট্টু টানবো ( দাদা চেয়ারম্যান আর নানা হাই স্কুলের হেড মাস্টার আর আমি দু-জনের ই চরম আদরের নাতি হওয়াতে এত সাহস পেতাম :$) ..... ওরা কোন উচ্চবাচ্য না করে আমার হাতে কলকি দিলো ..... কেমন করে টানতে হয় আগেই দেখেছিলাম .... তাই কলকি হাতে পাওয়া মাত্র আয়েশ করে মনের খায়েশ মিটাতে গিয়ের এক্কেবারে অন দা স্পটে -- ধপাস !!!!!!
লেখক বলেছেন: আহ! চেয়ারম্যান এবং হেডমাস্টারের নাতির কলকিতে টান!!!
হা হা.. ভালোই অভিজ্ঞতা
।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। হবে?
হুমম.... কি জানি!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মজা পেয়েছেন জেনে মজা পাইলাম।
পারভেজ বলেছেন:
হাসতে হাসতে খুন! পুরো পরিবারের সবার অংশগ্রহনের এমন ঘটনা!! খুব ভাল লিখেছেন। প্লাস+ আরো গল্প থলের থেকে বের হবে আশা রাখি। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: থলেতে অনেক গল্প কিন্তু লিখতে গেলে অনেক সমস্যা। যেমন আমার ছোটবোন বলেছে তার কাহিনী ব্লগে লিখে দিয়েছি, যারা চিনতে পারবে তারা তো হাসবে
...
এত ভাবলে তো লেখা যায় না।
ধন্যবাদ।
অপ্সরা বলেছেন:
এই লেখাটা পড়ে আমারও মনে পড়লো ছোটবেলার কিছু খাদ্যাবিলাস/খাদ্যাভিযান/খাদ্য বিযয়ক পরীক্ষানীরিক্ষার ঘটনা।ফেলে আসা দিনগুলো, বিশেযকরে ছেলেবেলার সবস্মৃতি গুলো এত যে সুন্দর!!!
লেখক বলেছেন: হুমম...... আসলেও তাই। ছোটবেলার স্মৃতি সবসময়ই মজার হয়।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
টুথপেষ্ট জিনিস্টা বেশ টেষ্টি ছিলো ছোটকালে লেখক বলেছেন: হুমম.... টুথপেস্টে আমার এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত (!) অভক্তি রয়েছে
... দাঁত মাজতে মন চায় না এজন্য।
হুমম... ইরান ফেরত কয়েকজন আছে...
পারভেজ বলেছেন:
তোমার খবর কি?!! রোজা রেখে খালি খাবার দাবারের গল্প পড়তে ইচ্ছা করে! কিছু আজব খাবারের গল্প শুনাও আবার!লেখক বলেছেন: শুনালাম তো একডজন। মাইনাসও খেলাম তার চারভাগের একটা![]()
রোজা রেখে খাওয়া দাওয়ার কাহিনী আর হবে না, ভাই। অন্য কিছু লিখব হয়ত।
শেহাব বলেছেন:
আমি মাছি খেতাম।
লেখক বলেছেন: বাহ!!!!!!
আমি হা হয়ে গেলাম। এইরকম আর শুনি নাই।
আলমগীর মোল্লা বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ!!
লেখক বলেছেন: কেন?
বুঝি নাই।
লেখক বলেছেন: ![]()
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আমি নিভিয়ার স্নো খাইতামসুগন্ধি যেকোনো জিনিস টেস্ট করতাম। অনেক বড়ো বয়সেও আমি পেস্ট খাইতাম
আপনার লেখার হাত দারুণ!
লেখক বলেছেন:
... পেস্ট! বাচ্চাদের প্রিয় খাবার।
স্নো খাওয়াও ভালো। আমিও সুগন্ধি পছন্দ করি, তবে খাই নাই..
নিবিড় বলেছেন:
ব্যপুক পুষ্ট ..........!!!!
লেখক বলেছেন: ![]()
গুহামানব বলেছেন:
আমি নাকি মাটি খাইতাম ছোটবেলায়বুদ্ধি হওয়ার পর পেস্ট খাইছি অনেক
একটা জোক্স কইঃ
এক লোক তার বউ রে স্নো পাঠাইছে বিদেশ থেইকা। বউ আর শাশুড়ি বাড়িতে বইসা ভাবে এইডা দিয়া করেডা কি !!
পরের দিন বউ দ্যাখে শাশুড়ি স্নো খাওয়া শুরু করছে, বউ উঠছে চিল্লায়া 'আম্মাগো ওইডা এমনি এমনি খাতি হয় না, রুটি দি মাহা মাহা খাতি হয়।'
লেখক বলেছেন: হা হা হা...
জোক টা ভালো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















