এইমাত্র শাশ্বত তার বাবাসহ সীমান্ত অতিক্রম করলো...ফোনে কথা বললাম। ওর গলায় ক্লান্তি আর নার্ভাসেনেসের ছাপ...ডাক্তাররা কী বলেবেন সেই উদ্বেগ...আর শারীরিক যন্ত্রণাতো আছেই। আজ ভোর থেকেই বারবার আমার সাথে কথা হচ্ছে...ট্রেনে চেপে ওরা দর্শনা পৌঁছেছে। যেহেতু শাশ্বতর চলার শক্তি নাই, ওকে স্ট্রেচারে সীমান্ত পার করা হলো...এখন গাড়ির অপেক্ষায় আছে।
আশঙ্কা আর উদ্বেগে আমার মনও ভার হয়ে আছে। আমরা যা অনুমান করছি তার চেয়েও বেশী কিছু যদি হয়? আমরা যদি ওর চিকিৎসার টাকা জোগার করতে ব্যর্থ হই?
ব্যর্থ হতে চাই না, ওকে যমালয়ে নিয়ে যাওয়ার আয়োজন ভণ্ডুল করতেই হবে....না হলে আমরা মানুষ কেন, না-হলে আর আমাদের যুথবদ্ধতা কেন?
গত পরশু কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ ওদের অবিশ্বাস্য ক্ষুদ্র আসবাবহীন বাড়ি গিয়েছিলাম...কোনোদিন ভুলবো না...আরেকদিন সেই গল্প বলবো
সবার কাছে শাশ্বতর জন্য ভালোবাসা চাই....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



