৩ তারিখে ব্লগে আমার লেখাটা আপনি পড়েছেন কি? সেখানে কিন্তু ব্লগ-বন্ধুদের প্রতি যে-টুকু কৃতজ্ঞতা জানানোর এবং একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার তা বলা হয়েছে। বসুন্ধরায় আপনারা যখন দাঁড়িয়েছিলেন তখন সমকালে একটা রিপোর্ট করানোর ব্যবস্থা করেছিলাম আমরা...সেটা দেখেছিলেন? ২ কলামের একটা রিপোর্ট?
বসুন্ধরায় আমাদের বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী আপনাদের সহযোগিতা করার জন্য উপস্থিত ছিল, সেটা জানেন কি?
আপনি বোধহয় আজকে প্রথম আলো'তে প্রকাশিত লেখাটিতে সামহোয়ারের নাম নেই কেন সেটা বলছেন... দেখুন এটা বিভাগের সকল শিক্ষকের লেখা...গড় হিসেব দেয়া হয়েছে।
বিভাগের পক্ষ থেকে যে-কৃতজ্ঞতা জানানো দরকার তার জন্য কি পত্রিকার পাতায় আপনার নাম থাকতেই হবে? সেটা কি বেশি হয়ে যায় না...বেশি বললে বোধহয় সেটা চাটুকারিকার পর্যায়ে গিয়ে ঠেকবে। কৃতজ্ঞতার অন্য কোনো ধরন থাকতে পারে কী? কৃতজ্ঞতা প্রকাশেরও পরিমিতিবোধ থাকা কি দরকার না?
কাজ এখনো শেষ হয়নি, বহুদূর যেতে হবে। শাশ্বতকে প্রায়-স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। আপনি দায়িত্বশীল হলে এতোটা অধৈর্য হতেন না, কটু মন্তব্য করার আগে ভাবতেন! এ-কাজ বাধাগ্রস্ত হয়, সেরকম কথা বলা থেকে বিরত থাকতেন।
আর আমি আপনার মতো মুখোশধারী না, আপনার আপত্তির জায়গাগুলো, বা আমাদের বিভ্রান্তির জায়গাগুলো আপনি ফোন করলেই আমি আলাপ করতে পারতাম। আমার ফোন নম্বর জানেন তো? বলে দিচ্ছি- ০১৭১২০৬১৮০৪।
আপনি কি জানেন সামহোয়ার বন্ধুদের সাথে পরামর্শ করেই আমরা ১১ তারিখ প্রেস-কনফারেন্সর তারিখ নির্ধারণ করেছি...যাতে শাশ্বতর সাথে দেখা হয়, প্রেস-কনফারেন্সে আপনারা উপস্থিত থাকেত পারেন সে-জন্য!
আপনি কি জানেন, সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাস বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। এই এক তারিখ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় খুললো। ভেলোরে শাশ্বতর মেডিক্যাল চেক-আপ শেষ হলো গত দুই তারিখ। এখন আমরা রাজশাহী ক্যাম্পাস এবং শহরে কাজগুলো করার জন্য প্রস্তুত...এবং একাজ আমাদের পরিকল্পনামতোই এগোচ্ছে। ১১ তারিখ প্রেস-কনফারেন্সের পরই আমরা সবার দ্বারে দ্বারে যাবো, ২টা রেলি করবো, একটা ফিল্ম ফেস্টিভাল করবো, এবং একটা কনসার্ট আয়োজন করবো... সব এমাসের মধ্যেই।
আমরা এখনো ক্যাম্পেইনের উপরই জোর দিচ্ছি...মিডিয়া কাভারেজের দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। আর রাজশাহী থেকে যে এই বিশাল অংকের টাকা উঠানো সম্ভব নয়, ঢাকার দিকেই মনোযোগ দিতে হবে, সেটা জানি বলেই এরকম পরিকল্পনা।
দেশবাসীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞতা প্রকাশে কুণ্ঠা নেই তবে পরিমিতিবোধ আছে। এই বিভাগ থেকে আমরা তিনজন জেলে ছিলাম- সেলিম রেজা নিউটন, দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস এবং আমি। ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতে গিয়েই আমাদের জেল হয়েছিল। আবারো আমার বিভাগের এক ছাত্রের পাশেই দাঁড়িয়েছি...
সময়-শ্রম ব্যয় করছি।
এতে কি মনে নয় না যে 'যারা নিতে জানেন, দিতে জানেন না' তাদের দলে আমি নই। আর, যাই ভাবুন না কেন কাজ করাটাই বড় কথা...কটুতর্ক নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



