পদ্য নয়, যদিও পদ্যের মতো: এক আল্লাহ ধারণার ফ্যালাসি
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
এক আল্লাহ ধারণার ফ্যালাসি
নিরাকার আল্লাহর ভাবনা কীভাবে ভাববো আমি!!!
নিরাকারের সাধনায় মশগুল হতে চাই যদি
কোথায় পাবো তারে??
আমি এক উচ্চারণের চেষ্টা করি,
আমি নিরাকার উচ্চারণের চেষ্টা করি,
আমি আল্লাহ বলে জিকির ধরি ...
আল্লাহ আমার মনে আকার ধারণ করে
যেহেতু উচ্চারণ মানেই আকার।
যেহেতু ভাষা মানেই ধ্বনি-বর্ণ-বাক্য
ভাষা মানে আকার-আয়তন-ওজন এবং
বিভাজন।
ভাষা অনুপস্থিতকে উপস্থিত করে, নিরাকারকে সাকার করে
আমার সকল ভাবনা ভাষার শাসনে বন্দী, নিরাকারের ভাবনাটাও।
তাহলে আমি নিরাকারের সাধনা করবো কীভাবে, কোন মাধ্যমে?
সে কি বর্ণনাতীত,
ভাষার্ধো সদা সঞ্চরণশীল
বায়ুর মতো?
আমার শরীরে সদাই প্রবাহমাণ, প্রাণসরূপে?
যারা নিরাকার আল্লাহ প্রাপ্তির সুসংবাদ দেয়
তারা প্রতারণা করে- নিজের সাথে, পরের সাথে।
কারণ
পাওয়া মানেই তার একটা আকার থাকবে
মনের জগতে কিংবা বাস্তব পরিসরে।
তালাইমারী। ২২শে ফেব্রয়ারি ২০০৯।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দার্শনিক ভাবনা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আখিরাত নিয়ে ভাবনা পরে শেয়ার করা যাবে। যদি তর্ক করতে চান তাহলে আমি সানন্দেই রাজি হবো। যে যেই পথের পথিক সে সেই পথেই মহাবিশ্বের বিষ্ময়গুলো বুঝতে চাইবে।
মানুষের জ্ঞান আছে বলেই সে আশরাফুল মখলুকাত। প্রশ্ন করতে পেরেছিল, অসুসন্ধান করতে চেয়েছিল বলেই আদম-হাোয়া মানুষ হতে পেরেছিল। এটাই জ্ঞান। এ-জন্যই মানুষ শ্রেষ্ট। মানুষ মনেই সে সন্ধান করবে- আমার বিশ্বাস এইরকম মানুষকেই আল্লাহর পছন্দ। যে মানুষ অন্ধভাবে কিছু মহাবয়ান মেনে নেয় যে যন্ত্র হয়ে উঠে- ফেরেসতাদের মতো। ফেরেসতা কিন্তু মানুষের তুলনায় অধস্তন।
এজন্যই হাদিসে বলে: জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীনে যেতে হবে।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনার নিকটবর্তী ধমনীর চেয়ে নিকটবর্তী।
হাবীবুর রহমান বলেছেন:
আকার না নিরাকার, সেটা পন্ডিতদের তর্কের বিষয়। সবচেয়ে জরুরী হল আমি আল্লাহকে একমাত্র প্রভু হিসাবে গ্রহন করলাম কিনা। আরবিতে যা হল, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।এর পর সময় থাকলে, কিছু সময় কাটানোর জন্য আকার নিরাকার নিয়ে তর্কবাগিসদের সাথে তর্ক করে কাটানো যায়, কিন্তু সেটা আখিরাতে কতটুক কাজে আসবে সে বিষয়ে সন্দেহ আছে।
লেখক বলেছেন: উপরে যে জবাব দিয়েছি সেটাই আপনার ক্ষেত্রে বলা যায়।
আথ্যরিক বলেছেন:
বস,
জিহ্বার যে অংশটায় ঝাল কিংবা মিঠার অনুভূতি হয়, সে অংশটা যদি কারো না থাকে . . . তাহলে তাকে যতই মরিচ অথবা মিষ্টি খাওয়ান সে কি বুঝবে কোনটার স্বাদ কি রকম ছিল ? সারা জীবনেও কি বুঝবে ?
ঈমান হলো স্বাদের মত, কবি মানুষ ইশারাই ইনাফ কি বলেন।?
তবে কবিতাটা ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। উলুব মুক্তো ছাড়ালে একটা পর্যবেক্ষন করা যায়: কেউ চুরি করে, আর কেউ সেই মুক্তো কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়। আমাদের দেশে মানুষ ধর্মপালন করে বেহেশতের লোভে, আর নরকের যন্ত্রণা থেকে মুক্ষি পেতে। পনিশমেন্ট এন্ড রিউয়ার্ড। এটা বিষয়বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ তার অভিজ্ঞতা থেকে আল্লাহকে ভেট দিয়ে তুষ্ট করতে চাোয়ার মতোভ
কিন্তু আল্লাহ তকেই বেশি ভালো বাসেন, যে আল্লাহর মিলিটারি বৈশিষ্ট উপেক্ষা করে ভালোবাসার মাধমে মাধ্যমে তাকে পেতে যান।
আথ্যরিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আমাদের দেশে মানুষ ধর্মপালন করে বেহেশতের লোভে, আর নরকের যন্ত্রণা থেকে মুক্ষি পেতে। পনিশমেন্ট এন্ড রিউয়ার্ড। এটা বিষয়বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ তার অভিজ্ঞতা থেকে আল্লাহকে ভেট দিয়ে তুষ্ট করতে চাোয়ার মতো ।কিন্তু আল্লাহ তকেই বেশি ভালো বাসেন, যে আল্লাহর মিলিটারি বৈশিষ্ট উপেক্ষা করে ভালোবাসার মাধমে মাধ্যমে তাকে পেতে যান।
ভাই, ভেবে ছিলাম ইশরাটাই আপনি গ্রহন করবেন আর আরো কিছু লিখবেন যুক্তির কথা, আমি হতাশ নই এখনও।
লেখক বলেছেন: পনিশমেন্ট এন্ড রিউয়ার্ড।
পনিশমেন্ট এন্ড রিউয়ার্ড আছে এটাও বিশ্বাসই।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা তাকেই বেশি ভালো বাসেন যে তার সব গুলো বৈশিষ্টকে লালন এবং পালন করেন অন্তরে, মুখে ও কাজে।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভাই আপনার ইশারা বুঝেছি, তবু আপনি আবার স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমি একটু কৌশলী হতে চাই...ধাপে ধাপে এগোতে চাই। 'বাউল'মূর্তি নিয়ে তোলা তর্কের জবাব এটা। সামনে আরো সুযোগ ো পরিস্থিতি আসবে। তখন আপনাকে সাথে পাবো এই বিশ্বাস করি...
লেখক বলেছেন: সুমন আমি কিন্তু কবি-সিন্ডিকেটের কবি বলে গণ্য হবো না, তাই বলেছি- এটা কবিতা নয়। তাছাড়া কবিতা লেখার নিয়ম-কানুন এখানে অনুসৃত হয়নি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















সেই চেস্টা করারও প্রয়োজন নেই
এখানে আল্লাহর বিধান মেনে চলতে পারলে মৃত্যুর পর তাকে পাওয়া যাবে।