আমার প্রিয় পোস্ট

আত্মবিশ্বাসহীনতায় প্রকট হচ্ছে আত্মার দেউলিয়াত্ব, তবুও বিশ্বাস আগের মতই নিশ্চল..

ডিজুস প্রভাবিত ডিজিটাল প্রজন্মের প্রতিনিধি হওয়ার প্রেক্ষিতে, আচানক analogue যুগীয় দুর্ভাবনা..

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

শেয়ারঃ
0 5 0

এই লেখাটির প্রেক্ষাপট সাম্প্রতিক চালু হওয়া ‘ডিজুস ভয়েস চ্যাট’ প্রকল্প(?)। মূল বিষয়বস্তুতে আলোচনার পূর্বে কিছুক্ষণ প্রাসঙ্গিক অতীতকাল ঘুরে আসা যাক।
Analogue টেলিফোনের দু:সহ অভিজ্ঞতা হয়ত এখনো অনেকেরই স্মরণে আছে : লাইন পাওয়া ছিল ভাগ্যের ব্যাপার, আর পাওয়া গেলেও ক্রস কানেকশন তো নৈমত্তিক ব্যাপার, এরপর এলো ডিজিটাল টেলিফোন।
মোবাইলের একেবারে প্রথমদিকের গ্রাহক, তারা নিশ্চয়ই সেইসব দিনের কথা মনে করে বর্তমান সময়ের সাথে তুলনা করেন আর আফসোস করেন , ‘হায়, কেন যে তখন এতটাকা খরচ করেছিলাম, আর কিছুদিন অপেক্ষা করলেই হত’। আমার আব্বু এবং বড় আপা সেই সময়কার গ্রাহক হওয়ায় সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে আমারও কিঞ্চিৎ পরিচিতি আছে: সিম কেনার জন্য কয়েকমাস আগেই টাকা জমা দেয়া, ছবি, লাইন ধরা...ঝামেলার পর ঝামেলা, এর সঙ্গে সিম+ ফোনসেটের আকাশচুম্বী দাম তো আছেই। আমি নিজে যখন ২০০৫এর জানুয়ারীতে মোবাইল কিনলাম, তখন মোবাইল অনেকটাই সহজলভ্য, কারণ বন্ধুমহলে আমিই সবচেয়ে দেরিতে ফোন কিনেছিলাম, অথচ সেসময় আমরা মাত্র ইন্টার পরীক্ষার্থী। আর, আজ ৪ বছর পরে অবস্থা এখন এমন দাড়িয়েছে যে হাত-পা-চোখ-কানের মত ‘মোবাইলও’ মানুষের একটি অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ হয়ে উঠেছে। এই 'হয়ে উঠা' নিয়ে আমার কোন আপত্তি নেই, আপত্তিটা কোথায় সেটাই এই লেখায় তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
রাত ১২টার পরে ফ্রি কথা বলা, কম কলরেটে কথা বলা, এসব নিয়ে এত বেশি লেখা হয়েছে যে এ ব্যাপারে আর লিখতে চাইছিনা। হলে থাকার সুবাদে রাত ১২টার পরে দৃশ্য দেখতে দেখতে এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এমনকি এটা নিয়ে একটা গল্পও লিখেছিলাম পলিফোনিক রিংটোন ।বরং আমি লিখতে চাইছি স্কুল-কলেজ পড়ুয়া বয়:সন্ধিক্ষণের কিশোর-কিশোরীদের উপর এই ‘ডিজুস সংস্কৃতির’ প্রলয়ঙ্করী প্রভাব নিয়ে।
কয়েকমাস আগে আমি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্র পড়াতাম। তার সিম আছে মোট ৫টি, এমনকি পড়ানোর সময়ও সে প্রথমে কিছুদিন কানে হেডফোন লাগিয়ে এফএম শুনত মোবাইলে।পরে অবশ্য আমি সে অভ্যাসটা বাদ দেওয়াতে সমর্থ হয়েছিলাম ; সারাক্ষণ তো আর পড়া সংক্রান্ত কথা বলা যায়না, ওর সঙ্গে ওর বন্ধু-স্কুল, এসব নিয়েও কথা বলতাম মাঝে মাঝে। সেসব গল্প শুনে আমি আতঙ্কিত, কারণ ওদের বন্ধুদের মধ্যে প্রায়ই প্রতিযোগিতা চলে কার কয়টা সিম আছে, কে কতক্ষণ ফোনে কথা বলে....অনেকে সেজন্য ক্লাসেও আসতে পারেনা সময়মত, পরীক্ষার ফলাফল খারাপ করে, অথচ অভিভাবকমহল এ ব্যাপারে কতটা ভাবান্তর দেখান, তা জানিনা।
ঈদ ছাড়া সচরাচর সেভাবে বাসায় যাওয়া হয়না আমার। আম্মুর পীড়াপিড়িতে গত ২দিন বাসায় থেকে আজ ফিরলাম। ফরিদপুর মেডিকেলে পড়ুয়া আমার এক বন্ধুকে পেয়ে যাওয়ায় ২ দিন নিরানন্দ কাটেনি। ওর সঙ্গে কথা বলে একটি অদ্ভুত তথ্য জানতে পারলাম; ‘ওর’ ছাত্র পড়ে ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে; তার নাকি ৩টা সিম, আর একটু নেতা নেতা ভাব চলে এসেছে আচার-আচরণে।সেই ছেলে আমার বন্ধুটিকে কিছুদিন আগে বলেছে “স্যার, ফরিদপুর শহরে যে মেয়েরে পছন্দ হয়, শুধু আমারে বলবেন; আমি ম্যানেজ করে দেব। আর, যদি কথা বলার জন্য নাম্বার লাগে, তাইলেও আমারে বইলেন”।এ কথার জবাব দিতে আমার সেই বন্ধুটির প্রায় ৩ মিনিট সময় লেগেছিল। আরও, আশ্চার্যন্বিত হয়েছিলাম বিকেলে মাঠে গিয়ে; স্কুলে পড়ার সময় ঐ মাঠে সারা বছর ক্রিকেট খেলতাম, বিকেলবেলা মাঠের দখল নিতে অনেকদিনই মারামারি বেধে গিয়েছে অন্য দলের সঙ্গে।অথচ, এবার গিয়ে দেখলাম পুরো মাঠটা ফাকা, ছেলেরা সব ছোট্ট ছোট্ট দলে মাঠের বিভিন্ন স্থানে গোল হয়ে বসে গল্প করছে, কেউ গান শুনছে, কেউ নতুন ফোন সেট দেখাচ্ছে, এরকম একটা অবস্থা। কিশোরদের মানসিক ভুবন থেকে বিনোদনের ধারণা খেলার জগত থেকে বেশ সরবেই ‘মোবাইল’ ‘এফএম’ এ স্থানান্তরিত হয়ে যাচ্ছে, এই ব্যাপারটি বোঝার জন্য মফ:স্বলের এই খেলার মাঠটিই একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠল!
‘জটিল ভাব, আবার জিগায়, ফাও গ্যাজানো, কঠিন..”এইসব উদ্ভট ভাষা এখন যত্রতত্র উচ্চারিত হচ্ছে ডিজুসের কল্যাণে। এখনও পর্যন্ত উদ্ভট যত বিজ্ঞাপন দেখেছি মোবাইল ফোনের , তার সিংহভাগই এই ডিজুসের।শুনেছি, ডিজুসকে নাকি তারুণ্যের প্রতীক বলা হয়। তো টেলিভিশন কিংবা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপনে যেসব ডিজুস মডেল দেখি, তাদের পোশাক-দাড়ি-গোফ-চুলের স্টাইলই যদি তারুণ্য হয়, তাহলে নিজেকে তরুণ ভাবতে আমি লজ্জাবোধ করবো। ডিজুসের এই ভাষা পৌছে গেছে এফএম রেডিওগুলোতেও। এফএম এর অনুষ্ঠানের মান মোটামুটি সন্তোষজনক, কিন্তু তাদের রেডিও জোকিদের ভাষাটা কি কেউ শুনেছেন? এদের অর্ধ ইংরেজি-এক চতুর্থাংশ বাংলা-এক চতুর্থাংশ হিন্দি সংমিশ্রণের ভাষা শুনলে মনে হয়, আজ যদি ড: মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বেঁচে থাকতেন, তাহলে নিশ্চিত নতুন একটি ভাষার জন্ম হত যেটার ব্যাকরণ তিনিও বুঝতেননা। সেক্ষেত্রে আমরা বুঝবোনা এটাই স্বাভাবিক।
এই ডিজুস আগ্রাসনের সর্বশেষ সংস্করণ ‘ডিজুস ভয়েস চ্যাট’। কাল বিজ্ঞাপন দেখলাম এটার, এরপর আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে পুরো ব্যাপারটি বুঝলাম। সে-ও এই ‘ভয়েস চ্যাট’ এ রেজিস্ট্রেশন করেছে সম্প্রতি। আমার বোঝার সুবিধার্থে সে কিছুক্ষণ চ্যাটও করল; পুরো প্রক্রিয়াটিতেই চরম বিরক্ত হয়েছি। আমার মনে হয়েছে, কিশোর-কিশোরীদের ‘ইচড়ে পাকামিকে’ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে promote –patronize করার একটা হীনচেষ্টা।
এ ব্যাপারে মিডিয়া কী বলে? অবশ্যই ভাল বলে। নয়তো টেলিভিশনে এত ফলাও করে বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় কিভাবে? কিংবা সংবাদপত্র মিডয়ার ভূমিকা কী?এরাও নীরব দর্শক, আর মাঝে মাঝে ভাড়ামী করবে। এই কুপ্রভাব নিয়ে সেরকম কোন জোরালো প্রতিবেদন কোথাও লেখা হয়েছে কি?হবেনা, কারণ সেক্ষেত্রে মোবাইল কোম্পানীগুলো তাদের প্রতি গোস্বা করে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। এমন নির্লজ্জ লেজুড়বৃত্তির পরও যদি ‘যা কিছু ভাল, তার সঙ্গে....” এমন কোন শ্লোগান দেখি কোন খবরের কাগজের, তখন ভণ্ডামীকে অনেক উচ্চমার্গীয় শিল্প ভেবে সান্ত্বনা খুজি। আমার এই লেখাটাতে কিশোর-কিশোরীরা সংশোধন হবেনা, টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও তড়িঘড়ি করে বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করবেনা, কিংবা খবরের কাগজগুলোও কড়া সমালোচনা করে কোন সংবাদ ছাপাবেনা, সবকিছু আগের মতই রয়ে যাবে, তবুও এটা লিখছি নিজের ক্ষোভটা অন্তত প্রকাশ করা যায়, এই একটিমাত্র উদ্দেশ্যে। আমাদের মত ক্ষমতাহীন মানুষরা কেবল ক্ষোভই প্রকাশ করতে পারে; সংস্কার-পরিবর্তন-বাস্তবায়ন জাতীয় শব্দগুলো অনেক উপরের পর্যায়ের মানুষদের জন্য সংরক্ষিত, যারা হয়ত কোনদিনই এই শব্দগুলো প্রয়োগ করবেননা।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
মদন বলেছেন: সুন্দর বিশ্লেষণ। +
২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
নীলপাখি বলেছেন: খুবই সত্য কথা বলেছেন। এই ধরণের মোবাইল কোম্পানিগুলো young generation কে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে যাবে বলে মনে হয়।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: এটা খুবই আশঙ্কার কথা...

৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
লীনা দিলরূবা বলেছেন: এই ব্যাপারে মিডিয়া কিছু বলবেনা। কারন তাতে করে ডিজুসের মালিকপক্ষ সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রের বা টিভি চ্যানলের উপর ক্ষেপে গিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া বন্ধ করে দিতে পারে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: আমিও তো তাই বলি: "এই কুপ্রভাব নিয়ে সেরকম কোন জোরালো প্রতিবেদন কোথাও লেখা হয়েছে কি?হবেনা, কারণ সেক্ষেত্রে মোবাইল কোম্পানীগুলো তাদের প্রতি গোস্বা করে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। এমন নির্লজ্জ লেজুড়বৃত্তির পরও যদি ‘যা কিছু ভাল, তার সঙ্গে....” এমন কোন শ্লোগান দেখি কোন খবরের কাগজের, তখন ভণ্ডামীকে অনেক উচ্চমার্গীয় শিল্প ভেবে সান্ত্বনা খুজি........."

৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
আমি_স্বার্থপর বলেছেন: এটা জেনে খুব ভালো লাগলো যে আমরা এখনো পুরো ডিজিটাল হয়নি :)

লেখককে , ধন্যবাদ ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: এখনো এনালগ আছি কিছুটা...

৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: শেষ প্যারার সাথে পুরো একমত। আমাদের পত্র পত্রিকাগুলো যথেষ্ট স্বাধীন, তারা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সাংসদের বিরুদ্ধেও হয়ত লিখতে পারে, কিন্তু মোবাইল কোম্পানীগুল এরকম প্রবণতার বিরুদ্ধে টুঁ শব্দও করে না। কারণ আর কিছু না, তাদের আয়ের সিংহভাগই আসে মোবাইল কোম্পানীগুলোর অ্যাড থেকে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: অথচ, এটা লেখা উচিৎ, আর না লিখলে ভণ্ডামীমূলক শ্লোগান বাদ দেয়া উচিৎ। এ ধরনের দ্বৈতনীতির মানে কী?
আর, কিশোরদের এভাবে বিপথগামী করাটা তারা প্রশ্রয় দিচ্ছে এর জন্য তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোই যায়।।।

৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: খেয়াল করে দেখবেন, আর সব মোবাইল কোম্পানি যাই করুক না কেন, ডিজুসের বিজনেস তরুণদের কেমনে নষ্ট করা যায় সেইটা নিয়া। সারাদিন তালে থাকে, বন্ধু আড্ডা গান...ধইরা খালি থাপড়ানির কাম।

ডিজুস টাইপ পোলাপান দেখলেই মেজাজ খারাপ হইয়া যায়। ছোটভাই এবার এস এস সি দিলো, কইসি ভার্সিটিতে উঠার আগে মোবাইল নাই।

মোবাইলের অপব্যবহার থামাতে সরকারের দরকার মোবাইল কোম্পানির গলা টিপে ধরা। পোলাপানদের হাতে যেন মোবাইল না যায় সেটা খেয়ালে রাখতে হবে। খেলাধূলার বয়সে মোবাইল নিয়া গুতাগুতি...প্রেমের ছড়াছড়ি একেবারে! আইন করে ১৮ এর নিচে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা দরকার।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: নিষিদ্ধ করলেই ঝামেলা হইবো, তখন দাম দিবো বাড়ায়ে, কিন্তু পোলাপান তো ঠিকই কিনবো...সেক্ষেত্রে কোম্পানীরই লাভ।।। সরকারের উচিৎ মোবাইল কোম্পানীগুলোর এইসব উদ্ভট নীতিমালা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা........

৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: আমার এক ছোট ভাই ডিজুস দুনিয়ায় হারাইয়া গেছে।
তারে খুঁজে পাওন যাইতেছে না!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: এমনি অনেকের ভাই-ই হারিয়ে গেছে...

৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০
সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: আমার আদেশ পালন হইয়াছে। দৃষ্টি আকর্ষণী পোস্ট টাঙ্গানো হইয়াছে।:)
সামু বৎস আমি প্রীত হইলাম।
১০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: স্টিকি হবার জন্য লেখককে অভিনন্দন।

এটাই কি আপনার প্রথম স্টিকি পোস্ট?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: স্টিকি পোস্টের জন্য অভিনন্দ দেয়ার প্রয়োজন নেই.......এই কনসেপ্টটা আমি ততটা পছন্দ করিনা, পাশাপাশি এটা আদৌ স্টিকি হবার মত পোস্ট কিনা তা নিয়ে সংশয় তো আছেই।।। তবু্‌ও কর্তৃপক্ষ যেহেতু বিবেচনা করেছেন, সেটা তাদের ব্যাপার...

১১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
চাচামিঞা বলেছেন: খুবই সত্য কথা বলেছেন।
১২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
রোহান বলেছেন: সরকারের উচিৎ মোবাইল কোম্পানীগুলোর এইসব উদ্ভট নীতিমালা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা
---------------------------------------------------------------------------
সহমত। কিন্তু এনালগ সরকারের নিজেরইতো নীতিমালার ঠিক নাই। বিটিআরসি রে দিলেই শ্যাষ, ইউটিউব ব্যান করছিলো মনে নাই?

কিন্তু নীতিমালা নিয়ন্ত্রনের দরকার আছে, না হইলে মোবাইল কোম্পানিগুলার এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা আমাদের কই নিয়ে যাবে কে জানে। আর সবার আগে দরকার এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার মূল হোতা বিদেশী কর্পোরেট গ্রুপগুলোর ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করা।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: আমিতো নিষিদ্ধ করার ঘোরতর বিপক্ষে, সেটা ভাঙ্গা পেন্সিলের কমেন্টের জবাবে বলেছি।।তবে, মোবাইল কোম্পানীগুলোর রাশ টানাটা ফরজ হয়ে পড়েছে।।

১৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
হোলা বিলাই বলেছেন: সময় হইছে সিমের গায়ে এর মোবাইল কোঙ এর এডে " মুবাইল বিশেষ বয়সের জন্য ক্ষতিকর" স্লোগান লাগানির।

সববোপরি গেরামিন রে বিডি থিকা বাইর কইরা দেয়ার জন্য জনমত গড়ুন।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: বাইর করাটা বাড়াবাড়ি হবে, তবে নিয়ন্ত্রণ আরোপটা জরুরী।।

১৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
নুভান বলেছেন: হয়তো আমরা একটি করাপ্ট জেনারেশন শীঘ্রই দেখতে পাব।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: এতটা হতাশ হওয়া উচিৎ হবেনা...

১৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: বিষয়টা আসলেই "কিশোর-কিশোরীদের ‘ইচড়ে পাকামিকে’ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে promote –patronize করার একটা হীনচেষ্টা।"

থাপড়াইয়া এইগুলারে দ্যাশ ছাড়া করা দরকার....
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা আসলেই দুঃখজনক...

১৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
মন মানে না বলেছেন:
মাঝে মাঝে এই সব ভেবে খুব অসহায় লাগত ।

যাক আরেক জন পাওয়া গেলো !

মনের কথাটা লিখার জন্য ধন্যবাদ ।

+++++ দিলাম ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: এরকম অনেকজনকেই পাবেন, কিন্তু পেয়ে বিশেষ লাভ হবেনা।। আমরা ক্ষোভ প্রকাশ করা ব্যতীত অন্য কিছু করতে অসমর্থ।।

১৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
সচেতন বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি, আমরা যারা আগের দিনকে ১০০% এখনও চাই, তারা কিন্তু ভুল করছি। নতুন-কে স্বাগত জানাতেই হবে, কোন সন্দেহ নাই, কিন্তু সাথে সাথে এটা দেখতে হবে যে আসলে কোন পথে যাচ্ছে। আমার বাবা খুব মাইরের উপর রাখতেন আর তাই, ৮০ সালের অন্য ছেলেদের মতো সব সময় না পারলেও মাঝে মাঝে ওয়াকম্যান ঝুলাতাম কোমরের বেল্টে। একটি ভি.এইচ.এস ক্যাসেট নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে পারলে নিজেকে খুব ম্যাচিউর্ড মনে করতাম। কিন্তু তখন সেটাই ছিল বর্তমান ডিজুসের একটা ভার্সন। আর একটু পরে, চুল বড় রাখা। বড় চুল রাখতে পারিনি, কিন্তু ঐ ৮০ সালেও অনেক স্টাইল করে রাখতো এবং তখনকার সময় সেটাই ছিল বাজে ষ্টাইল। আরো একটা ষ্টাইল ছিল, সাইকেল। তাও যেন তেন সাইকেল নয়, গীয়ারওয়ালা সাইকেল। দামী বলে আমরা কিনতে পারিনি কিন্তু পাড়ার বড়লোকের ছেলেরা চালাতো। আর বেশি বেয়াদবী ছিল মটরসাইকেল চালানো। আমরা নিম্ন-মধ্যবিত্ব ঘরের ছেলেরা ঘটা করে একটাই ষ্টাইল করতাম, দুই ঈদের দিনে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে পেপসি সেভেন আপের বোতলে স্ট্র দিতে চুমুক দিয়ে ড্রিংস করা। একটি বোতল খেতে সময় নিতাম ৩০ মিনিট (যেন সবাই দেখতে পায়)। যাই হোক, আমি যা বলতে চাইছি তা এই যে, ডিজুস ছেলে মেয়েদের ফ্যাশন আটকাতে পারবোনা আমরা। এটা স্বাভাবিক গতিতেই চলবে। কিন্তু সেটা যতক্ষণ না অশালীন হয়ে যায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। মাঠএখন সর্বত্র নাই আর মোবাইল সহজলভ্য হওয়ায় এবং ছেলে মেয়েরা খুব সহজেই ভালো হাত খরচ পায় বিধায় তারা এগুলি কিনে ফেলে। এখন কথা হলো মোবাইল কোম্পানীর কোন ঠেকা পড়েনি এই সকল ভাবা যে, কে রসাতলে গেল আর কে গেলনা। সরকার আর মিডিয়ারও তেমন ঠেকা পড়েনি। সুতরাং পরিবার থেকেই এই বিষয়ে কঠোর হতে হবে। হয়তো আমার বাবা আমাদের মাইরের উপর রেখেছিলেন বলে নেষা, সিগারেট ও অন্য কোন বাজে অভ্যেসে নাই। আবার হয়তো তখন সুযোগও কম ছিল।

মোট কথা, আমরা ধরেই নেই মোবাইল কোম্পানী ও মিডিয়া কিন্তু মাত্র অবদান রাখবেনা। তাহলে আমরা পরিবারে কি ভুমিকা রাখতে পারি এই ক্রমবর্ধমান ক্ষতিকে রাখতে?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: লেখা থেকে কোট করি :কারণ ওদের বন্ধুদের মধ্যে প্রায়ই প্রতিযোগিতা চলে কার কয়টা সিম আছে, কে কতক্ষণ ফোনে কথা বলে....অনেকে সেজন্য ক্লাসেও আসতে পারেনা সময়মত, পরীক্ষার ফলাফল খারাপ করে, অথচ অভিভাবকমহল এ ব্যাপারে কতটা ভাবান্তর দেখান, তা জানিনা।" ....অভিভাবকদের শুরুতেই প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে.......
তবে মিডিয়ার ভূশিকাকে আপনি কিছুতেই অস্বীকার করতে পারবেননা, তাদের ঠেকা অবশ্যই আছে। কারণ, আমরা এখন অনেক কিছুর জন্যই মিডিয়ার উপর নির্ভর করি.....সেই সাথে রাষ্ট্রকে তো অবশ্যই তার দায়িত্ব নিতে হবে...কিন্তু রাষ্ট্র কি তা করছে?
নতুকে স্বাগত জানাতে আপত্তি নেই, কিন্তু নতুন মানেই কি ভালো? এফএম এর রেডিও জোকিদের ভাষা শুনেছেন., ডিজুস মডেলদের গেট আপ দেখেছেন? এগুলো যদি আপনার ভাল লাগে, সেটআ আপনার ব্যাপার...তবে আমার খুবই অরুচিকর লাগে...

১৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: সব কিছুতেই একটা সিসটেমের প্রয়োজনীয়তা আছে এবং থাকে... নাইলে রাস্তায় ট্রাফিকের দরকার ছিল?

এখন মনে হয় সময় এসেছে বিষয়টি নিয়ে ভাবার... তারুণ্যের অপব্যবহার নয়.. সদ্ব্যবহার চাই
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: সহমত..

১৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
কুদ্দসের পুত্ বলেছেন: আমি একজন মেয়েকে চিনি। স্কুলের ছাত্রীথাকা অবস্থায় তার হাতে মোবাইল তুলে দেয়া হয় এবং তার ফোনবন্ধুও তৈরি হয়ে যায় অনেক।
এইসব ছেলেদের মধ্যে থেকেই একজনকে ভালবেসে দেহ ও মন সর্বস্ব হারায়। ছেলেটি যখন মেয়েটিকে ফেলে যায়, তখন মেয়েটি আত্মহত্যাকেই সর্বোত্তম মনে করে।

আমার কাউন্সেলিং তাকে আত্মহত্যা করতে দেয় নি। মেয়েটি ২০১০ এ এইচ এস সি দিবে।

ডিজুষ কালচারকে না বলুন।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: 'না' বলতে চাইনা, কালচারের সংশোধন চাই...

২০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: সবকিছুরই একটা সীমা থাকা উচিত.... যারা এ ব্যাপারটাতে অন্যদের সচেতন করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে সেই মিডিয়ায়তো বারবার সীমাটা লঙ্ঘন করছে.... তখন আমরা আর কি বা করতে পারি.... বড়জোর আপনার মত ব্লগ লিখে মনের ক্ষোভ কিছুটা লাঘব করতে পারি..... :( ..... ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: সেজন্যই তো বললাম: "আমার এই লেখাটাতে কিশোর-কিশোরীরা সংশোধন হবেনা, টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও তড়িঘড়ি করে বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করবেনা, কিংবা খবরের কাগজগুলোও কড়া সমালোচনা করে কোন সংবাদ ছাপাবেনা, সবকিছু আগের মতই রয়ে যাবে, তবুও এটা লিখছি নিজের ক্ষোভটা অন্তত প্রকাশ করা যায়, এই একটিমাত্র উদ্দেশ্যে।"

২১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
আকাশ_পাগলা বলেছেন: হাবিজাবি ফালতু প্যাচালের টাইম নাই।
একটা জিনিস্কে সহজ ভাবে নিতে পারেন না আপনারা।
হইলই না হয় আরেকটা নতুন ভাশঢা চালু, সমস্যাটা কী?
এভাবেই তো সাধু থেকে চলিতের উদ্ভব। আপনাদের মতন কিছু লোক ছিলেন তার বিপক্ষে।


ডিজুস আমি চালাই না। তবু, আমি মনে করি কেউ ভাল থাকতে চাইলে । কেউ কোন দিন তাকে খারাপ করতে পারে না।

আমার কলেজে আমরা ১৫ জনের গ্রুপ ছিলাম। ৯ জন সারাদিন সিগারেট টানত। এদের দেখে বাকিরা শিখেছে। ১৪ জন সারাদিন সিগারেট খায়।শুধু আমি এক জন বাদে। অনেকে বলেছে। কিন্তু আমি খাই নাই।
এখন কিন্তু ওরা আমার কথা গর্ব করে বলে, যে আমাদের মাঝে শুধু পাগলাই ছিল এক পিস যে ভদ্র থাকতে চাইত।
১৪জন যখন খারাপ করতে পারে নি, তখন মোবাইল আর কী করবে??

আমাদের থেকে এ+ পাইছিলো অনেক। অনেকেই তারা অত্যন্ত যোগ্য। কারো কি মোবাইল ছিল না? তারা তো নষ্ট হয় নাই।
এসব অজুহাত বাদ দেন। যার দোষ তাকেই দেন, হাবিজাবি কথা বলে কী লাভ ?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: হাবিজাবি কথা তো আপনাকে কেউ পড়তে বলেনি, অন্য পোস্ট পড়েন...

২২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
ইচ্ছে বলেছেন: আমি জানিনা ঠিক বলছিকিনা

যখন মুক্তিযুদ্ধের আবেগ কে পুজি করে কাউকে ব্যাবসা করতে দেখি -- তখন গা জ্বলে উঠে, কিছু করতে না পারার অক্ষমতা সেই জ্বালা কে বাড়িয়ে দেয় শতগুন।

যখন দেখি এক কিশোরী ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলে কথা বলে যাচ্ছে তার পরাশুনা বাদ দিয়ে -- তখন নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কিছু করার থাকেনা কারন কিছু বল্লে তা হবে তার ব্যাক্তিসাধিনতায় হস্তখেপ করা।

আজ একটি মোবাইল ফোন এর কল্যানে অতি সহজে যে কারো বেডরুমে ঢুকে পরছি আমরা।

এটা কতটুক কল্যানকর তা কেবল মাত্র সময়ই বলতে পারবে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: হয়ত, হয়ত নয়...

২৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
আমিই স্রোত বলেছেন:
প্রত্যেকটা নয়া টেকনোলজির সুমায় কিচু না কিচু আতেল আতলামি করবেই..

মাইনাস..
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: আরেকবার দেন, মাইনাসটা শো করতেছে না এখনো....প্লাস-মাইনাস নিয়ে আমি ভাবিনা...

২৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮
ওয়ার হিরো বলেছেন: হিমু ভাই, চরম সত্য কথা কইছেন। এই ডিজুস লইয়া আমার দেখা যেই ব্যাপক কাহানী আছে, কইয়া শেষ করা যাইব না।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: হ্যা, হলে থাকার কারণে এরকম কাহিনী প্রতিদিনই দেখা হয়...

২৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
আমিই স্রোত বলেছেন: পটোগেরাফিক মেমুরী তাকলেই আর পাইয়ের তিন আযার লাম্বার কইবার পাইরাই
মুই কী হনুরে;
মুই বুদ্দিচিবী হয়া গেনুরে ভাব না দেকালেই বালো।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: ভাই, আপনার আসল নিকে কথা বললেই ভাল লাগত....

২৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
আমিই স্রোত বলেছেন: আমরা এইয়াং প্রেজম্ম যেইবাবে অভিযোজিত অইতাচে,
এইডার ইফেকট লয়া চিন্টার মেলা লুক আচে।
আমনের না বাভলেও চলপে...
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: কেন আমি ভাবলে আপনার সমস্যা কী? আপনি কি আমার ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছেন???

২৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
আমিই স্রোত বলেছেন: আমি আমনের ভাই কেমনে অইলাম।
আমি আমনের কো-ব্লগার।
আসল নিক স্রোত ব্যানড।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: কো-ব্লগার তো কোন সম্বোধন নয়, তাই 'ভাই' বলেছিলাম...এনিওয়ে, জনাব স্রোত, আপনি খুবই বিরক্ত করছেন, এই নিকে এটাই আমার ব্লগে আপনার শেষ কমেন্ট...

২৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: খুব সুন্দর বিশ্লেষণ। +++
৩০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
নুভান বলেছেন: ষাটের দশকে মার্কিন মুল্লুক থেকে শুরু করে বৈশ্বিক ভাবে যখন হিপ্পি কালচার চলে এসেছিলো, অনেকেই এটাকে নিছক পরিবর্তনের হাওয়া বলে ইগনোর করেছিলেন। কিন্তু ফলাফল? মারিজুয়ানা, এলএসডি, অবাধ যৌনতা ও যৌনব্যাধি ছাড়া আর কিছুই সেই জেনারেশন দিতে পারেনি। 'সচেতন' আপনি এটাকে নিছক পরিবর্তনের হাওয়া বললে ভূল করবেন। এই ব্যাপারটা এখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে, কারন এটা নিছক নির্দোষ কোক খাওয়া, সাইকেল নিয়ে ভাব দেখানোর মতন নেই, এখন এই 'ডি-জুস'জেনারেশন মাল্টিন্যাশনাল কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রধান খাত, আর তারা তাদের নিজেদের প্রয়োজনেই ব্যাপারটিকে আরোও বেশী প্রতিকূলতার দিকে নিয়ে যাবে আর আরোও বেশী দেরি করলে হয়তো তখন হয়তো আমাদের করার আর কিচ্ছুই থাকবেনা।

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: সহমত

৩১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
অলস ছেলে বলেছেন: অক্ষরে অক্ষরে একমত।

গতবার দেশে গিয়ে নিজের ছোট ভাই আর মামাতো চাচাতো ভাইদের পরিবর্তন দেখে আমি অবাকই হয়ে গিয়েছিলাম।

একজনকে পিটিয়ে কানে ধরে বুঝিয়ে যেভাবেই হোক মল চত্বরের আড্ডা বাদ দিয়ে ক্রীড়া পরিষদের তাইকোয়ান্ডো শিখাতে ভর্তি করিয়েছিলাম, খবর পাই সে মোটামুটি ভালো আছে।

খেলাধুলা আর শারীরিক পরিশ্রম করলে নির্মল মন নিয়ে দিনযাপনের যে স্বাদ, এই প্রজন্ম তার প্রতি সম্পুর্ণ বিমুখ। যে কিশোর তরুণরা দলে দলে আড্ডা দেয় এখন, এখান থেকে সহজেই হাতে চলে আসে ফেনসিডিল, সিগারেট, গাঁজা, হিরোইনের মত মরণনেশাগুলো। সামনে আরো কঠিন সময় আসছে, আমি এক্ষেত্রে হতাশাবাদী।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: মাঠটা ফাকা দেখে খারাপই লেগেছে, অথচ এই মাঠে খেলার জন্য মারামারিও হয়েছে একসময়।।।

৩২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমাদের কলোনীতে দুইটা খেলার মাঠ। তারপরেও বছর দশেক আগেও আমরা মাঠে খেলা নিয়ে মারামারি করেছি!

আর এখন অফিস ছুটি থাকলে ও খেলতে পারি না! কীভাবে খেলবো? পুরো মাঠই তো ফাঁকা! যে বয়সে আমরা বাবা-মার চোখ রাঙানী উপেক্ষা করে বিকেল তিনটা বাজে ব্যাট-বল-স্টাম্প হাতে করে মাঠে নেমে যেতাম, সে বয়সের এখনকার ছেলেরা সারা বিকেল ঘুমিয়ে (রাত্ জাগতে হবে তো!) সন্ধ্যার আগে আগে বাইরে নামে মোবাইল হাতে!
অসহনীয় যন্ত্রনা হয়।

ধন্যবাদ আপনাকে এই যন্ত্রনার কথা তুলে ধরবার জন্য।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার- আর আমার অভিজ্ঞতা দেখছি মিলে যাচ্ছে...

৩৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
সবাক বলেছেন:
পোস্টটি ভালো লাগছে।

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..

৩৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
তনুজা বলেছেন: আমাদের মত ক্ষমতাহীন মানুষরা কেবল ক্ষোভই প্রকাশ করতে পারে..........


ভাল হয়েছে লেখা
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..

৩৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
অলস ছেলে বলেছেন: কুদ্দসের পুত্ বলেছেন: আমি একজন মেয়েকে চিনি। স্কুলের ছাত্রীথাকা অবস্থায় তার হাতে মোবাইল তুলে দেয়া হয় এবং তার ফোনবন্ধুও তৈরি হয়ে যায় অনেক।
এইসব ছেলেদের মধ্যে থেকেই একজনকে ভালবেসে দেহ ও মন সর্বস্ব হারায়। ছেলেটি যখন মেয়েটিকে ফেলে যায়, তখন মেয়েটি আত্মহত্যাকেই সর্বোত্তম মনে করে।

আমার কাউন্সেলিং তাকে আত্মহত্যা করতে দেয় নি। মেয়েটি ২০১০ এ এইচ এস সি দিবে।

---------------------
এই ডিজুস কালচারের মায়াজালে পড়ে মেয়েদের যে কি অবস্থা, তা আমি আর কি বলবো, একেবারে গণহারে ...................
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: এই প্রসঙ্গটা বরং বাদ থাকুক...

৩৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: পোস্ট টার চেয়ে পোস্টের কিছু কমেন্ট আমারে টানল বেশি। মগজ পচাঁরা যেভাবে সবার সামনে তাদের চিন্তাভাবনার দৈন্যতা দেখালো, হাসি ছাড়া আর কিছু পাচ্ছে না।
সিগারেট খাইলে খারাপ হয় আর যোগ্যতার মাপকাঠি এ+ পাওয়া এ কথাটাও মানতে পারলাম না।
এনিওয়ে টোমার বক্তব্যের সাথে মোটামুটি একমত হলেও বেশি কথা বলা আমার শোভা পায় না। কারণ তরুন সমাজ ধ্বংসকারীদের বেতনেই আমি বাঁচি।

অফটপিক: আমার পোস্ট টা আবার লিখা শুরু করছি। কারেন্টের যন্ত্রণায় আগাইতে পারতেসি না। একটু দেরি হবে। ধারণা করতেসি ঐটাই সামুতে আমার শেষ পোস্ট হবে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: শিমুল ভাই, অফটপিকের ব্যাপারে সামনাসামনি কথা বলতে চাই।। প্লিজ হলে আসেন একদিন।।

৩৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
যুগান্তকারী বলেছেন: এই জাতি ধংসের কিনারে এসে দারিয়েছে আর এর বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছে কিছু কোম্পানী এবং রাজনৈতিক।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: .................................

৩৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
পুরানপাগল বলেছেন: ডিজুস পোলাপাইনরে খালি থাবড়ানের কাম।
৩৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: দেখি আমার ভাইটার পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আসতে পারি হয়তো এর মাঝে।
৪০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
বৈকুনঠ বলেছেন: খুব সময়োপযোগী লেখা। আমি তো মনে করসিলাম আপনাদের জেনারেশনের কেউ এইসব "ফালতু" বিষয় নিয়া ভাবে না। লেখাটা পইড়া সামান্য একটু আশার আলো দেখলাম। একটা কথা সত্যি যে এইভাবে চলতে থাকলে আমরা আমাদের আইডেন্টিটির যতটুক অবশিষ্ট আছে তাও হারায়া ফেলবো। ভরসা শুধু আপ্নাদের মত কিছু সচেতন তরুন।আমাদের দেশে সময় পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের ধোঁয়া তুলে উঠতি বয়সের কিশোর কিশোরীদের মধ্যে অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে কোনো একটা মহল খুবই উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে। সরকার এ ব্যাপারে অসচতন অথবা এই প্রক্রিয়ার প্রধান মদদ দাতাও হৈতে পারে। না হইলে উন্নত বিশ্বের দেশগুলির মতন আমাদের দেশেও নিজস্ব সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার নিমিত্বে আইন কানুন প্রনয়ন করত।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: অন্যান্য ইস্যুগুলোর মত এ ইস্যুতেও সরকারী ভূমিকাটা রহস্যজনক...

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: ৭৭৭৭৭

৪২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
ডিজুষ আঙক্ষেল বলেছেন: ওরে পাগলা.......এডি কইয়া কি হইবে রে?? সরকার তো এদের কিছুই কইবে না কারন তারা বেপক একটা পারসেন্টেজ খাইতাছে। চান্স পাইয়া সবাই আমাগো ুটকি মারা দিতেছে......উপায় নাইরে....:(
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: আমাদের মত ক্ষমতাহীন মানুষরা কেবল ক্ষোভই প্রকাশ করতে পারে; সংস্কার-পরিবর্তন-বাস্তবায়ন জাতীয় শব্দগুলো অনেক উপরের পর্যায়ের মানুষদের জন্য সংরক্ষিত, যারা হয়ত কোনদিনই এই শব্দগুলো প্রয়োগ করবেননা।

৪৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
খেজুর কাঁটা বলেছেন: প্রথম স্টিকি পোস্ট মনে হয়!!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: so what???

৪৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪
রহমানপন্ডিত বলেছেন: সময়পোযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী লেখাটির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ..

৪৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: সময় নিয়া পৈড়া লই...পরে কমেন্টামু,,..আপাতত: শোকেসে
৪৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: পুষ্ট ষ্টিকি করার জন্যে মুডুদের সাধুবাদ;)
৪৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১
সুমন বলেছেন: ভাল বিশ্লেষণ। এইসব নজর দেয়ার মানুষ দেশে নাই।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: তুমি কী ইউজ করো????'নো' বললে তো পাবলিক পিটাইতে আসবে...

৫০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
বাবুআনা বলেছেন: স্যার কিছু মনে নিয়েন না.........

সমালোচনা মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপনের মতই কাজ দেয়............

যেমনটা আপনি করলেন ..........

হি; হি; কি বুঝাইতে পারছি ..................
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: বুঝছি.....তবে, এই নির্দোষ বিজ্ঞাপনে মনে হয়না কারো ক্ষতি হইছে...আপনি কী বলেন???

৫১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: সবগুলো কমেন্ট পড়লাম, দেখলাম প্রায় সবাই পোস্টের সাথে একমত তবে কয়েকজন বিষয়টা পছন্দ করছে না। যারা এই ডিজুস সংস্কৃতির জোয়ারে গা ভাসিয়ে দিয়েছেন তারা পোস্ট টি পড়ে কেপে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। কিছুদিন আগে একটা অভিজাত ফাস্টফুডের দোকানে খেতে গিয়েছিলাম বন্ধুরা মিলে। আমি যে টেবিলে বসেছিলাম তার পাসেই ছিল ছোট বাচ্চাদের (৯-) খেলার জায়গা। এইটুক পিচ্চি পিচ্চি বাচ্চাদের স্ট্রেইট করা চুল, বিশেষ কায়দায় বানানো কামিজ দেখে শুরুর দিকে মজাই পাচ্ছিলাম, হায়রে এইটুক বয়স আর এখনই কত সাজার শখ! হঠাৎ কানে কিছু বিচিত্র শব্দ ভেসে আসায় চমকে গিয়ে পেছনে তাকালাম। দৃশ্য যা তাতে পিলে চমকে যাবার অবস্থা। ৪-৫ টা পিচ্চি মেয়ে তুফানের বেগে হিন্দিতে কথা বলে যাচ্ছে। শুনেছি ইংলিশ মিডিয়ামের বাচ্চারা নাকি ভালমত বাংলায় কথা বলতে পারে না, এখন এই ছেলেমেয়েদের ভেতরে যাটুকু বাংলা ছিল তা যদি হিন্দি দখল করে নেয় তাহলে ক'দিন পর এরা আর বাংলা বলা তো দূরে থাক, বুঝতে গিয়েও আটকে গেলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। আধা ইংরেজি আধা হিন্দি হবে এদের মাতৃভাষা, আর বাংলা হবে রিকশাচালক দের মাতৃভাষা। খোজ নিয়ে দেখুন এইসব শিশুদের আছে কোন এক ডিজুস সংস্কৃতির বড় বোন বা ভাই, যাকে এই শিশুটি ফলো করে যাচ্ছে। আর এইসব ডিজুস পোলাপান যখন বাবা-মা হবে তখন অবস্থাটা কি হবে চিন্তা করেছেন কি? এক বন্ধু বলল সে ছুটিতে বাড়িতে গিয়েছিল, তার সিক্সে পড়া কাজিন তাকে বলেছে তোমার ফেসবুক আইডি কি আমিতো খুজে পেলাম না। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের সংস্কৃতিটাকে বাচানোর মনে হয় আর কোন উপায় থাকবেনা।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: ভাবনার বিষয়...

৫২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০
বাবুআনা বলেছেন:
মনে কইরা + দিলাম.........আর djuce রে - দিলাম.........
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: প্লাস-মাইনাস নিয়ে ভাবিনা...

৫৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
বাবুআনা বলেছেন: কি নিয়া ভাবেন স্যার..........?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: লেখা নিয়ে..

৫৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭
হিউগো বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

প্লাস........

কোন হ্ল? কোন ব্যাচ??
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: শেরে বাংলা...mme, 05..

৫৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮
চোরকাঁটা বলেছেন: ডিজুস পুলাপাইন হইলো হাভাইত্তা!! যেই অফার পায়, গপ গপ কইরা গিলা শুরু করে। আর মোবাইল কোম্পানী গুলান হইলো বদের বদ, যেগুলি মার্কেটিং এর আইডিয়া বাহির করে, ঐগুলি নিজেরাই আগের প্রজন্মের ডিজুসের সাইড এফেক্ট :| তাই এগো কাছ থেইকা আর ভালা কি আশা করন যায়?!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ডিজুস পোলাপান নিয়া চোরকাঁটার ছড়া চাই.....

৫৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: মডুরা পোস্ট স্টিকি কইরা একটা সাহসের কাম করল। কিন্তু দেখেন সাইটে যদি কোন মোবাইল কোম্পানির এড থাকত তাহলে স্টিকিতো দূরে থাক হয়ত পোস্ট টাই আপত্তিকর বইলা ডিলিট করে দিত। এই কাহিনী-ই হইতেছে সংবাদপত্র আর টেলিভিশনের ক্ষেত্রে। ওয়েব জগৎ কতদিন এসব থেকে বেচে থাকবে সেটাই দেখার বিষয়।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১

লেখক বলেছেন: সেই ভয়েই এই পোস্টটা প্রথম আলো ব্লগে দেই নাই।।। তবে, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সংবাদপত্র-টেলিভিশন মিডিয়া মোবাইল কোম্পানীগুলোর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।।।

৫৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ঢেকির কথায় যুক্তি আছে। এই রকম লেখা পেপারে আসবে না, টিভিতেও কোনো সাংবাদিক রিপোর্ট করবে কিনা সন্দেহ। যদিও একবার এন.টি.ভি.(মনে হয়) বাংলালিঙ্কের অশ্লীল বিজ্ঞাপন নিয়ে রিপোর্ট করছিল। পরে ওই নাচগানের এড বন্ধ হইছিল। ব্লগের সাংবাদিকেরা এই পোস্টে আসলে আমাদের এসব পোস্ট সম্পর্কে তাদের বক্তব্য শুনতাম।

আর ওয়েব জগত বেঁচে আছে কিনা কে জানে! প্রথম আলোর ব্লগে তো উপ্রে বিশাল জিপির এড। এই পোস্ট দেয়ার ট্রাই করে দেখলে বুঝা যাবে আমরা স্বাধীন কিনা!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: এখনো পর্যন্ত যাদেরকে সাংবাদিক হিসেবে চিনি ব্লগে, তাদের মন্তব্য দেখিনি এই পোস্টে। তবে, তারা মন্তব্য করলে ভাল হত।

প্রথম আলো ব্লগে এই লেখা দেযা যাবেনা। কেন, সেটা তো জানই...

৫৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮
মাটিরমানুষ বলেছেন: আপনার পোষ্টটি পর পর তিনবার পড়লাম। পড়ে আমি খুব আতঙ্কিত বোধ করছি আমাদের ভাবিষ্যত ডিজুস প্রজন্মের জন্য। সুন্দর একটা পোষ্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ...

৬০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: হিমালয় ভাই, একাউন্ট থাকলে ট্রাই করেন। দেখি আলো ব্লগের স্বাধীনতা কতোটুকু।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: একাউন্ট আছে, তবে দিলে নিশ্চিত ব্যান খাবো....এ সংক্রান্ত খবর তো দেখছো.....এমনিতেই ঐ ব্লগে আমি যাই শুধু লেখা পোস্ট করতে, আর লিনা আপুর ১টা পোস্টে কমেন্ট করছিলাম....

৬১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
নাহিদ বলেছেন: কবে যে মোবাইল টু মোবাইল আনলিমিটেড আসবে!.............ওদিনের অপেক্ষায় আছি!!!
৬২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
মাহিরাহি বলেছেন: পোষ্টের জন্য অনেকগুলা প্লাস।

পোষ্টের মন্তব্যগুলো দেখে আমি খুব আশাবাদী।
মানুষজন এখনও অনেক সচেতন।
সচেতনতার সাথে সক্রিয়তারও প্রয়োজন আছে।

দয়া করে বলবেন কি ডিজুস শব্দের অর্থ কি?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: আমিও আশাবাদী...

ডিজুস শব্দের অর্থ জানিনা...

৬৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আপনি দিতে না চাইলে আমি দেই। আমারে অনুমতি দেন। লিঙ্ক দিয়া দিব এই পোস্টের। আলোব্লগ কি ব্লগ না পেপার তা বুঝতে চাই।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: হ্যা, পোস্টটার লিংক দিতে পারো....আর, প্রথম আলো ব্লগ নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট কইরা লাভ নাইরে ভাই, রেজাল্ট কী সেইটা সবাই জানে...
পোস্ট দিলে টেকনিকালি দিও, এমনভাবে দাও যাতে তোমার কোন দায় না থাকে....(নির্দোষ কথা-বার্তা সংবলিত পোস্ট)

৬৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: লিঙ্ক না ঠিক, পোস্ট পুরাটাই কপি পেস্ট করে সোর্স হিসাবে লিঙ্ক দিব। শুরুতে লেখকের নাম বলে দিব লিঙ্ক সহ। পোস্ট উনারা নাকি পড়ে তারপর ছাড়ে। উনাদের মাথাটা একটূ আউলায় দিতে চাই।=p~
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: সেটাও করতে পারো, তবে দেইখো ব্যান হইয়োনা যেন....তার চেয়ে বরং আমার বুদ্ধিটা ভাবতে পার...

৬৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
হিউগো বলেছেন: আমি ০৪, তিতুমীর, সিএসই...

পোস্টটা প্রিয়তে নিলাম, কারণ এই ডিজুস কালচারের ব্যাপারে তোমার চিন্তা ভাবনার সাথে আমার চিন্তা ভাবনা হুবহু মিলে যাচ্ছে.................
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: আমার রুম নম্বর ২০৯....আপনাদের হলে প্রায়ই যাই, এরপর গেলে দেখা করে আসবো, আপনার রুম নাম্বারটা বলেন....আর সিএসই ০৪ এর সবাই ব্লগে লিখে নাকি????

৬৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
শামস শামীম বলেছেন: সেই যে প্রথম ০১৭১৭...রাত ১০টার পর ফ্রিকলের সুযোগ দিয়েছিল তখন এক স্কুল শিক্ষকা বান্ধবী বড় কষ্টে ২টি সিম কিনেছিল। আমাকে দিয়েছিল একটা। ১০টার পর কিছুদিন কথা বলেছিলাম আমরা।
তারপরতো কত আগ্রাসী প্যাকেজ দিচ্ছে ডিজুস দুনিয়া...মগজ দোলাইয়ের কাজ চলছে দ্রুত...

আমরা দুইজন সিমের ৬ মাস বয়স থেকেই আর ডিজুস ব্যবহার করিনা।
আপনার লেখাটি ভালো লাগল।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..

৬৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
সময়োপযোগী পোস্ট। তবে আমার মনে হয় মিডিয়ার চেয়ে পরিবারের ভূমিকা অনেক বেশি, সন্তানদেরকে ডিজুস দুনিয়ার খারাপ দিক থেকে দূরে রাখার। ডিজুস দুনিয়া তো সত্সঙ্গের একটা উত্কৃষ্ট মাধ্যমও হতে পারে, সেটা পারিবারিক প্রেষণা ও শিক্ষার উপর নির্ভর করে।
ভালো লেখা, আবারও বলছি। স্টিকি না হলে পড়া হতো না।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: পরিবারের কথাটা তো লেখার শুরুতেই বলেছি, কিন্তু এরকম মহামারী দেখা দিলে পরিবারই বা কতটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে??

৬৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০
ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: " সংস্কার-পরিবর্তন-বাস্তবায়ন জাতীয় শব্দগুলো অনেক উপরের পর্যায়ের মানুষদের জন্য সংরক্ষিত, যারা হয়ত কোনদিনই এই শব্দগুলো প্রয়োগ করবেননা"

এই "উপরের পর্যায়ের মানুষ.." বলতে কি প্রশাসনে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বোঝাচ্ছেন?
যদি তাই হয়ে থাকে, তা হলে আপনাকে মেনে নিতে হবে বাংলাদেশের প্রশাসন এখনও ঔপনিবেশিক নীতিমালা দিয়ে গঠিত এবং পরিচালিত। উপনিবেশ কার স্বার্থ দেখত? এটা যদি স্বীকার করেন, সহজেই অনুমান করতে পারেন, পরিবর্তনটা কোথায় প্রয়োজন।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: সেটা জানি বলেই তো বললাম "তবুও এটা লিখছি নিজের ক্ষোভটা অন্তত প্রকাশ করা যায়, এই একটিমাত্র উদ্দেশ্যে। আমাদের মত ক্ষমতাহীন মানুষরা কেবল ক্ষোভই প্রকাশ করতে পারে"...

৬৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
অপ্‌সরা বলেছেন: হিমালয় একদম যর্থাথ বিশ্লেষন হয়েছে। খুব ভালো লিখেছো কিন্তু।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

লেখক বলেছেন: আফ্রোদিতি আপুর মন্তব্য!!!

৭০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১
আকাশনীল বলেছেন: সরকার, রাজনীতিবিদ কিংবা মিডিয়া এদের কাছে কোন কিছু প্রত্যাশা করি না। কারন এরা লাভ ছাড়া কিছু বোঝে না, বুঝবেও না।
আমার মতে যা কিছু করতে হবে আমাদেরকেই। বাবা-মা-বড়ভাইবোন দেরকে নিশ্চিত করতে হবে ভার্সিটিতে ঢুকার আগে পরিবারের কাউকে যাতে পারসোনাল মোবাইল কোনভাবেই দেয়া না হয়।
সামহোয়ারকে ধন্যবাদ পোস্ট স্টিকি করার জন্য কারন এতে বেশী পাঠকের নজরে পড়বে।
আর লেখক হিমুকে ধন্যবাদ সহজ ভাষায় লেখার জন্য।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: মিঞাভাই, আমি কি কঠিন ভাষায় লিখি???

পরিবারের কথা তো বলেছিই সবচেয়ে আগে...তবে এধরনের কাজে মিডিয়ার অংশগ্রহণ অনিবার্য। ম্যাথ অলিম্পিয়াড, ভাষা প্রতিযোগ, সুডোকু খেলা...সবকিছুই কিন্তু তাদের কারণেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে,সেক্ষেত্রে এরকম একটা ইস্যুতে তাদের ভূমিকাকে বাদ দেই কাভাবে??

৭১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০১
শতকত বলেছেন: চমৎকার এবং সময়োপযোগী পোস্ট।

ডিজুস হচ্ছে সম্ভবত D প্রজন্ম । এরা প্রাইভেট ইউনির্ভাসিটিতে পড়বে। বাংলা ইংলিশ মিশিয়ে জগাখিচুড়ি ভাষায় কথা বলবে। এদের প্যান্ট হবে তিন সাইজ বড়। রাস্তা ঝাড়ুর কাজ করবে। পায়ের জুতা হবে অন্তত এক সাইজ বড়। ডুবুরিদের জুতার মত। মাথার চুলের কাট দেখে ছেলে না মেয়ে বোঝার কোন উপায় থাকবে না। কাধে শান্তি নিকেতনের মত ব্যাগ শোভা পাবে। ব্যাগের ফিতা হাটু ছাড়িয়ে পায়ে লুটুপুটি খাবে। এরা আমাদের চেয়ে অনেক এ্যাডভান্স প্রজন্ম। দেশের ভবিষ্যত। অতএব সাবধান!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: "এরা প্রাইভেট ইউনির্ভাসিটিতে পড়বে"...এই কথাটা বাদে বাকি সংজ্ঞায়ন মোটামুটি ঠিকই আছে...আমি আমাদের ভার্সিটিতেও এধরনের ছেলে দেখেছি, তাই সরলীকরণটা অনুচিৎ।।

৭২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০৩
তূর্য্য বলেছেন: চমৎকার লেখা! সহমত পোষন করছি।
৭৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০৯
রুবেল শাহ বলেছেন: এই সব দেইখার কেই নাই.............

ডিজিজ প্রুপ থেইকা এখন ডিজুজ প্রুপ...........

+++++++
৭৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১১
শতকত বলেছেন: সরি। আমি একমত আপনার সাথে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: কও কী????????????????????এখনই দেখতেছি...

৭৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
অদৃশ্য বলেছেন: হিমেল ভাই..........................বেশ ভালো লিখেছেন। কথাগুলো এবং বর্ননাগুলো সত্য...।

আমি সব থেকে বেশি বিস্বিত হই এক জনের দু'থেকে পাঁচটি সিম ব্যবহারের ব্যপারটায়!!!

আর বর্তমানের অবস্থা আরও ভয়াবহ..........বিশেষ করে সেটের ব্যপারে..........পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা মুল্যের একটি সেট একবছরও ভালো ভাবে চলেনা !!!

যারা চাকুরীজীবি তারাতো আছেই .........এবং যারা বেকার তারাও প্রতি ছয়মাস বা বছরে নতুন সেটের জন্য টাকা নষ্ট করে !!!

আমিতো মনে করছি ইলেকট্রনিক সামগ্রির মধ্যে মোবাইল সেট বাংলাদেশের মার্কেটে বিশাল ব্যবসা করছে..............যা কিনা অনিয়মের পর্যায়ে পড়ে............এই জন্য বললাম যে মানুষকে লোভি করে তোলাম মাধ্যমে খারাপ বা নিম্নমানসম্পন্ন জিনিস ব্যবহার করানোর এ এক সুচতুর পন্থা।

আর আমারা!!! সেই শুরু থেকেই জমিদারের বংশধর তো আছিই........কি যায় আসে এসবে!!!

আরও কিছু বলতে চাইলে..........একটু বেশিই হয়ে যাবে তাই আপাতত থামলাম...........।

রিভাইস করলাম না...........।

সবসময় ভালো থাকুন।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলোও ভেবে দেখার মত...

৭৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৩
কেমিকেল আলী বলেছেন: খুবই সুন্দর বিশ্লেষন। যুগের সাথে তাল মেলাতে আমারও আপত্তি নাই, কিন্তু আমাদের কিশোর কিশোরীর দল মনে হয় যুগের একটু সামনেই চলছে। অন্য ভাষায় বললে বলতে হয় " বাপের আগে হাটা"। আর ভাষার কথাটা বলাই বাহুল্য। ইদানীং কয়েকটি বাংলা চ্যানেল দেখার সুযোগ হয়েছে।
তাতে ভাষার যে হাল তাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতই বলতে হয় " ইংরেজীটাও ঠিক মত শিখলী না আর মাঝখানে বাংলাটাও ভুলে গেলি" (এই কথাটা হুবুহু এইরকম না)
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: আমাদের দশাটাও এই বাংলা ভুলের মত হয়েছে, লেখা থেকেই কোট করি:"এদের অর্ধ ইংরেজি-এক চতুর্থাংশ বাংলা-এক চতুর্থাংশ হিন্দি সংমিশ্রণের ভাষা শুনলে মনে হয়, আজ যদি ড: মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বেঁচে থাকতেন, তাহলে নিশ্চিত নতুন একটি ভাষার জন্ম হত যেটার ব্যাকরণ তিনিও বুঝতেননা। সেক্ষেত্রে আমরা বুঝবোনা এটাই স্বাভাবিক।"
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

৭৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৫
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: সহমত

আচসুস আমার নাটকটা স্টিকি হইলো না ;)
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: কাইন্দোনা, আগামী কৃষ্ণপক্ষের রাইতে অবশ্যই হইবো...

৮০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২১
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: ডিজ্যুস কালচার প্রমাণ করে আমরা মানুষরা কৃত্তিমতার পূজারী........ডিজ্যুস আমিও ব্যবহার করি কিন্তু আমি তথাকথিত ডিজ্যুস কালচারে বিশ্বাসী নই মোটেও......বিরক্তিকর একটা জিনিস।

* অবাক হলাম এই পোস্ট স্টিকি হতে দেখে। পোস্টটা স্টিকি হওয়ার মতোই কিন্তু সাধারণত কর্তৃপক্ষের নিরেট মস্তিষ্কে এমন পোস্ট স্টিকি করার কথাটা ঢোকে না।

প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় ব্লগের একটি (©®প্রবাদতুল্য™) একটা মন্তব্য আবার কোট করে দিলাম:


রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: এইটা গত রমজানের সময় শুনছিলাম-

"হাই ডিয়াড় লিসেনাড়স এখন আমড়া ফর আ হোয়াইল ব্রেকে চলে যাচ্ছি কাড়ণ মাগড়েবের আযানেড় টাইম হয়ে গেছে আর জানেনতো এই ড়মজানে মাগড়েব মিনস ইফটাড়ি আর ইফটাড়ি মানেই হলো ফ্যাসিনেটিং সব খাবাড়দাবাড়। সো এখন কোড়ান তেলাওয়াট হবে লেটস টেক আ ব্রেক ব্রেকের পড় ফিড়ে আসবো মজাড় মজাড় ড়কিং হট সব গান নিয়ে। আউযুবিল্লহিমিনাশশাতোয়ানিররাজীম (তেলাওয়াত শুরু হয়া গেছে)...

***সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: প্রবাদতুল্য শব্দটির সর্বস্বত্ত্ব ব্লগার রিয়াজ শাহেদ কর্তৃক অধিকৃত***

মন্তব্যটি এই পাতা থেকে নেয়া: Click This Link
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: নাফিস, অনেকদিন পর তোমাকে দেখে ভাল লাগছে...তবে একটা বিষয় একটুও ভাল লাগেনি, সেটা হচ্ছে এতবার বলা সত্ত্বেও মেইলটা আর করোনি্ তাহলে হযত অনেক ভুল ধারণা থেকে তুমি মুক্ত থাকতে।।
আর কী বলবো? এই ব্লগে তোমার একটা নিজস্ব অবস্থান আছে, এখন তুমি যতটা নিজের তার থেকে অনেক বেশি সহব্লগারদের সম্পদ হয়ে গেছো....তাদের প্রত্যাশাকে সম্মান দেখিয়ে সিদ্ধান্তটা পুনর্বিবেচনা করতে পারো........আর পোস্ট স্টিকি বিষয়ে @আই লাভ ব্লগিংয়ের শেষ মন্তব্যের জবা দ্রষ্টব্য।।

৮১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২১
এন এইচ আর বলেছেন: অনেক কিছুই আপনি লিখেছেন খুব সমুয়োপযোগি কথা তবে আপনি সব দোষ মোবাইল কোম্পানী র উপর ঢেলেছেন। কিন্তুখেয়াল করে দেখুন ডিজুস জেনারেশন কারা ১৮ বছরের নিচের ছেলেমেয়ের সংখ্যাই বেশী। বাংলাদেশের প্রক্ষাপটে তাদের কামাই রুজীর সম্ভাবনা খুব কম। তারা বাপের টাকায় পোদ্দারী করে। তাদের ডিজুস বাবা মা!!!! ই কিন্তু তাদের আজকের ডিজুস জেনারেশন হতে সু্যোগ করে দিচ্ছে। খেয়াল নেই ছেলে রাত জেগে কার সাথে কথা বলছে, ছেলের হাতে কয়টা সীম।

আমি খুব মুরব্বী কেউ না। ডিজুস একসময় আমিও ছিলাম ।তবে কেউ তো ডিজুস পোলাপাইন বলতে পারেনাই। ডিজুসের প্রথম ফ্রী অফারে অনেক বন্ধুই রাত ভর কথা বলে দুপুর বেলা চোখ কচলাতে কচলাতে বাইরে বেরুত। আমিও চাইতাম ওরকম করতে কিন্তু মা বোনের নজরের বাইরে ্যেতে পারিনি।

আমার মনে হয় ডিজুস জেনারেশনের আজকের পথে আনতে মোবাইল কোম্পানী নয় ডিজুস মা বাবাই দায়ী বেশী।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: মা-বাবার দোষ দিয়েই কিন্তু লেখাটা শুরু হয়েছে, সেটা বোধহয় আপনার দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে।।।।

৮২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩০
সুমন সালেহী বলেছেন: ডিজুসের শ্লোগান হল ‍"হারিয়ে যাও"...... ওরা আমাদের তারুণ্য কে কোথায় হারিয়ে যেতে বলে ??????

আবিষ্কার- এতদিনে টের পেলাম আপনি আমার চেয়ে বয়সে ছোট !!
তাতে কোন অসুবিধা নাই ! জ্ঞান গরিমায় আপনি আমার বয়োজেষ্ঠ্য ...

আপনাকে আমার লেখা গত বই মেলার অন্যতম ব্যর্থ বই টি উপহার দিতে চাই.... কোথায় আপনাকে পাওয়া যেতে পারে ???
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: হায় হায় ছোট নাকি???এতদিন 'তুমি' সম্বোধনের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত....আমি বুয়েট শেরে বাংলা হলে ২০৯ নম্বর রুমে থাকি...এর বাইরে আমার ইমেইল এড্রেস একটা মেইল দিয়েন, ফোন নম্বরটা দিয়ে দেব...

৮৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আপনার লেখার কিছু অংশের সাথে একমত আবার কিছু অংশের সাথে দ্বিমতও আছে।

ডিজুস কালচার প্রথম থেকেই মুলতঃ কিশোর থেকে তারুন্যে পা দেবে বা দিয়েছে এমন গ্রাহকদের লক্ষ্য করে তাদের প্যাকেজ গুলো তৈরী করেছে।
কিশোর বা তরুনদের সবসময়ই বৈচিত্রের প্রতি একটা স্বাভবিক আকর্ষণ থাকে। যার জন্য তারা সহজেই এই প্যাকেজগুলোকে আপন করে নিয়েছে।

আপনি বলেছেন ডিজুস ভয়েস চ্যাটিং টা কিশোর-কিশোরীদের ইঁচড়ে পাকামো কে প্রমোট এবং প্যট্রোনাইজ করার কর্পোরেট প্রয়াস।

একমত।

কিন্তু একটা বিষয় দেখবেন, আমরা যখন কিশোর ছিলাম তখন কিন্তু আমাদের অনেক কাজ তৎকালীন মুরুব্বীদের কাছে ইঁচড়ে পাকামি হিসেবে গন্য হতো। আর আমাদের কাছে সেই বিষয় গুলি ছিলো হিরোইজম বা ঐরকম কিছু একটা। কালের বিবর্তনে সেই ইঁচড়ে পাকামি এখন কিছুটা জায়েজ হয়েছে আর তার জায়গায় নতুন অবয়ব নিয়ে এসেছে নতুন ইঁচড়ে পাকামি। তবে এই ইঁচড়ে পাকমিকে কর্পোরেট ভাবে প্যট্রোনাইজ করা আমি সমর্থন করি না।

ডিজুস পোলাপানের বিভিন্ন ডায়ালেক্ট সম্পর্কে বলেছেন। আমি আমার কৈশোর তারুণ্যের সন্ধিক্ষণে অতটা ফাস্ট ছিলাম না। থাকতামও মফস্বলে। তখনই কিন্তু ঐ মফস্বলে এসব ডায়লেক্টের সাথে আমরা পরিচিত ছিলাম।

আপনি এফ এম রেডিওর কথা বলেছেন। রেডিও জকিদের এই ডায়ালেক্ট কিন্তু ডিজুস জেনারেশনের থেকে ধার করা না। এর উৎপত্তি সম্পর্কে আমরা বলতে পারি পার্শ্ববর্তী দেশের কেবল টিভির অনুষ্ঠান আগ্রাসনের কথা। কারণ সেখানে নির্দিষ্ট কোন একক রাষ্ট্রভাষা নেই। মানে আমি বলতে চাচ্ছি সেখানে একেক এলাকার ভাষা একেক রকম। যার দরূন ভারতীয়রা ইংলিশের সাথে তাদের নিজস্ব প্রদেশ বা শহরের স্থানীয় ভাষাকে মিলিয়ে ঝিলিয়ে একটা কাজ চালানোর মতো জগাখিচুড়ী ভাষার প্রবর্তন করেছে যা দিয়ে তাদের কাজ ঠিকই চলে যায়। এখন কেবল টিভির অবাধ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের দেশেও এর প্রবেশ ঘটেছে। যেটা মুলতঃ উচ্চবিত্ত সমাজের তরুন জেনারেশনের ভিতর অনেকাংশেই আদরনীয় হয়ে ওঠে। এই জেনারেশন যখন অন্যদের সাথে কথা বলার সময় এমন ডায়ালেক্ট ব্যবহার শুরু করে তখন তাদের সাথে থাকা এই ডায়ালেক্টে অপরিচিতরাও আস্তে আস্তে কিছুটা অবচেতন ভাবেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। এভাবে এটা অনেক তরুনের মুখের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এফ এম রেডিও যেহেতু তারুন্যের প্রতিনিধি বলে দাবী করে সেহেতু সেগুলোর আর.জেরাও এই ভাষা গুলো কে ব্যবহার করা শুরু করেছে।

একাধিক সিমের প্রসঙ্গে আমার ব্যাক্তিগত ধারণা হচ্ছে নিম্নবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত, মধ্য-মধ্যবিত্ত পরিবারেই একাধিক সিমের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। কারণ আর কিছুই না, শুধু খরচ সাশ্রয় করা।

আর কমেন্টে এককভাবে শুধু একটা কোম্পানীকে দায়ী করা হলো। কিন্তু আমার জানামতে অন্যান্য মোবাইল অপারেটররা এই ভয়েস চ্যাটিং ইন্ট্রোডিউস করেছে। উদাহরণ হিসেবে "দোস্ত" সার্ভিসের কথা বলতে পারি। এছাড়া রাতজেগে কথা বলা প্রথম প্রমোট করেছিলো যে কোম্পানী তারা আবার জোড়া সিমের প্রচলনও করতে চেয়েছিলো।

বেনিয়ারা সবসময়ই ব্যাবসা করবে। সময়ই বলে দেবে কোন জিনিসটা সময় গ্রহন করবে আর কোন জিনিসটা বর্জন করবে।
তবে আমাদের অবশ্যই দায় আছে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: এফএমের প্রসঙ্গটা এসেছে কথাপ্রসঙ্গে।। ঠিক ডিজুসের সঙ্গে সম্পর্কিত করে নয়, এখানে বলা হয়েছে ডিজুসের ভাষা, আর এফএমের ভাষা..দুটোই যথেষ্ট বিরক্তিকর....
এককভাবে একটি কোম্পানীকে দায়ী করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ করেছেন, সেটা মনে হচ্ছে কারণ হেডিংয়ে ডিজুস শব্দটি লেখা আছে।। এর বাইরেও ডিজুসকে আলাদা করার একটা কারণ আছে...সেটা হচ্ছে অন্য কোন প‌্যাকেজই ডিজুসের মত এম দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারেনি, আলাদা একটা ব্র্যাণ্ড হয়ে উঠতে পারেনি...আর বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও এমন উদ্ভট বিজ্ঞাপন দেখায়নি....তাই ডিজুসের মাধ্যমেই সকল অপারেটরের প্রসং্গে বলার চেষ্টা করা হয়েছে...

৮৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪০
আতিকুল হক বলেছেন: বাংলাদেশের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে এ ধরনের সমস্যা নিয়ে কাজ হবে বা ভাবা হবে, এমনটা আশা করতে পারি না। আমাদের (ক্ষমতাহীন কেবল দেখে যাওয়া পর্যায়ের মানুষদের) করনীয়টা কেবল যতটুকু পারি পরিবার আর কাছের মানুষদের বাচিয়ে রাখা। টিন এজ একটা ছেলে বা মেয়ে যেন সবচেয়ে কাছের বন্ধুটা পরিবারেই খুজে পায়। এছাড়া আমাদের আর কোন পথ দেখি না।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: জানিনা, কী হতে যাচ্ছে...

৮৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪০
নেক্সাস বলেছেন: স্কুলে পড়ার সময় ঐ মাঠে সারা বছর ক্রিকেট খেলতাম, বিকেলবেলা মাঠের দখল নিতে অনেকদিনই মারামারি বেধে গিয়েছে অন্য দলের সঙ্গে।অথচ, এবার গিয়ে দেখলাম পুরো মাঠটা ফাকা, ছেলেরা সব ছোট্ট ছোট্ট দলে মাঠের বিভিন্ন স্থানে গোল হয়ে বসে গল্প করছে, কেউ গান শুনছে, কেউ নতুন ফোন সেট দেখাচ্ছে, এরকম একটা অবস্থা। কিশোরদের মানসিক ভুবন থেকে বিনোদনের ধারণা খেলার জগত থেকে বেশ সরবেই ‘মোবাইল’ ‘এফএম’ এ স্থানান্তরিত হয়ে যাচ্ছ



আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম..

লেখকের বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ন ভাবে একমত

+
৮৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: কিছুদিন আগে এ নিয়ে আলাপ হচ্ছিল, বিষয়টা গ্লোবাল, বাংলাদেশে অর্থনীতি ভাল হওয়ায় এবং মধ্যবিত্তের সাইজ বড় হওয়ায় এটা চোখে পড়তেছে। আমেরিকায় বাংলাদেশী বাচ্চারা সাবার্বিয়ান কালচারে বড় হচ্ছে, বাইরে কোন খেলাধুলা করে না, প্রতিবেশীর চালে ঢিল মারে না, টিভিতে এমনও শুনেছি 'কাঠি ' কি জিনিস এটাও তারা জানে না। এদের খেলা সবই ইনডোর, Wii( 'উই') দিয়ে তারা ফুটবল, ভলিবল , ব্যাডমিন্টন সব খেলে, এমনিতে আউটডোর খেলাও আছে কিন্তু তার জন্যে টীমে চান্স পেতে হবে, বাইরে শুধু মাত্র আনন্দের জন্যে খেলা উঠে গেছে।

যেটা আলাপ হচ্ছিল, এরা যেহেতু বাইরে আমাদের মত খেলতে শিখেনি, কখনও খেলেনি, তাই তারা বুঝতেও পারবে না বাইরে খেলার কি মজা । এটা কি ক্ষতিকর, অবশ্যই ক্ষতিকর সে ব্যাপারে কারও দ্বিমত নেই।

এটা আসলে সূচনা, একসময় আসবে কিছু মানুষ মেশিনকে সব পাওয়ার দিতে চাইবে আর কিছু মানুষ মনুষ্যত্বকে বজায় রাখতে চাইবে, সেইদিন যারা জিতবে তারাই আজকের দিনের ইতিহাস লিখবে।

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: মনুষ্যত্বের জয় হোক...

৮৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
ডা. শাহরিয়ার বলেছেন: জরুরী প্রসঙ্গ। সমাধান কি হতে পারে !?
৯০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: টাইটেলে 'অচানক' নয় 'আচানক' হবে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ঠিক করে দিচ্ছি

৯১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ভাল লিখছেন। ভাল বিশ্লেষন।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার কাছে বিস্তারিত মন্তব্য আশা করেছিলাম....

৯২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আমি কিন্তু আপনার লেখার কথা বলি নাই। আমি কমেন্টের কথাই উল্লেখ করেছি। বিজ্ঞাপনের কথা বলতে গেলে আমিও ডিজুসের কোন বিজ্ঞাপনই পছন্দ করি না।

অন্য কোন প্যাকেজ এরকম কোমর বেঁধে শুধু মাত্র তরুনদের পিছনে দিনের পর দিন লেগে থাকে নি।
"গ্রহন করবি না মানে? গ্রহন করিয়ে ছাড়বো"
এটাই মনেহয় এদের বিজনেস পলিসি।;)
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: কমেন্ট তো ভাই ওটেন ফোরামের মত, অনেক অফটপিক কথাই সেখানে চলে আসে...

৯৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
যুধিষ্ঠির বলেছেন: যেখানে কর্পোরেট প্রস্টটিউশন চলে সেখানে এগুলোই ঘটবে... বন্ধের জন্য বিটিআরসির সাহায্য কামনা করছি। দারুন গুরু! পিলাছ!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: গরু কইলা ক্যান???তোমারে ব্লক করুম...

৯৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৫
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: ফরহাদ মজহার এ বিষয় নিয়ে কয়েকটা কলাম লেখেছিল । কিন্তু ফল যা হবার তাই হয়েছে। যেই পত্রিকায় লিখেছে সেই পত্রিকায় তাদের বিজ্ঞাপন কমে গেছে এমন কি বন্থই বলা চলে। সুতরাং কেউই এই রিস্ক নেবে না বিশেষ করে প্রথম আলোর মতো বিজ্ঞাপন নির্ভর পত্রিকা।
আমরা শুধু দেখব কিভাবে একটা জেনারেশন ধংস হয়ে যায় , বহুজাতিক কম্পানি গুলি আমাদের চোখের সামনে টাকার জোড়ে এসব করে যাচ্ছে অথচ আমরা কিছু করতে পারছি না।
ধন্যবাদ আপনাকে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আমাদের মত ক্ষমতাহীন মানুষরা কেবল ক্ষোভই প্রকাশ করতে পারে; সংস্কার-পরিবর্তন-বাস্তবায়ন জাতীয় শব্দগুলো অনেক উপরের পর্যায়ের মানুষদের জন্য সংরক্ষিত, যারা হয়ত কোনদিনই এই শব্দগুলো প্রয়োগ করবেননা।

৯৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৮
মহলদার বলেছেন: এই সমস্যার সমাধানে আমার মনে হয় অভিভাবক মহলের সচেতনতাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ছেলে-মেয়ে কার সাথে, কি পরিমান কথা বলে, টাকা কোথায় পায় ইত্যাদি বিষয়গুলোর প্রতি অভিভাবকদের খোঁজ-খবর রাখা দরকার। না হলে আমাদের যুব সমাজের উচ্ছৃঙ্খলাতা (হ্যাঁ, ডিজুস সংস্কৃতিকে অন্ততঃ আমার তাই মনে হয়) বৃদ্ধির সাথে সাথে তারা বিপথে পা বাড়াবে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে আলাদা একটা পোস্ট দেব ভাবছি, কারণ তাদেরও জবাবদিহি করতে হবে কিশোর-কিশোরীদের এই বিপথগামী হওয়ার নেপথ্যে...

৯৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১৪
গুগুয়া বলেছেন: ডিজুস আমিও ইউস করি। কিন্তু "বন্ধু গান আড্ডা- এতেই হারিয়ে যাও" - এটা কোন ধরণের মেসেজ সমাজের প্রতি?

কেন একজন তরুণ/ কিশোরকে ক্রিয়েটিভ কিছু করার কথা না বলে এরকম মিসলীডিং মেসেজ দেয়া হবে? কেন সে বন্ধু আড্ডা আর গানে হারিয়ে যাবে?

প্রত্যেকটা বিজ্ঞাপন একটা বোর্ডের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়ে বিলবোর্ড অথবা রেডিও/ টেলিভিশনে আসা উচিত। বলা বাহুল্য, এরকম কিছুই হবে না। কারণ সব এ টাকার খেলা। টাকা যার, ব্যাবসা তার, নীতিও সেই প্রণয়ন করবে।

তবে এখনো এটা নিয়ে আশঙ্কিত হবার মত অনেকে আছেন দেখে ভালো লাগলো।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।

৯৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২১
জানজাবিদ বলেছেন: ডিজুস প্রজন্ম বলতে যাদের বুঝানো হচ্ছে তাদের অধিকাংশই আজকাল বাংলালিংক 'দেশ' ব্যবহার করে। কারণ গ্রামীণফোনের উচ্চ কলরেটে তাদের পোষায়না। আর নতুন প্রজন্মের অবক্ষয়ের পেছনে স্যাটেলাইট টিভি আর ঘরে ঘরে কম্পিউটারের একটা বিরাট ভূমিকা আছে বলে মনে করি।
তবে ডিজুসের নতুন সার্ভিস 'ভয়েস চ্যাট' টেলিফোন সেক্সের বিস্তার ঘটাবে বলে মনে করি। নিজের পরিচয় গোপন রেখে ঘন্টার পর ঘন্টা সম্পূর্ণ অপরিচিত কারো সাথে কথা বলার সুযোগ দেবে এই সার্ভিস। প্রতারকদের জন্যও এটা নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: আমিতো লেখার শুরুতেই বলেছি_"ই লেখাটির প্রেক্ষাপট সাম্প্রতিক চালু হওয়া ‘ডিজুস ভয়েস চ্যাট’ প্রকল্প(?)"

১০০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ঠিক এই ডিজুস আর মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীর ভাই ব্রাদারের নাটক(গুটি কয়েক নাটক বাদ দিয়ে), এই দুটো বিষয় নিয়ে খুবই বিরক্তিকর একটা অনুভুতি হয়। লেখার মতন সময় সুযোগ পাচ্ছিলাম না। লেখককে ধন্যবাদ। অন্তত একটা বিষয় সুন্দর ভাবে তুলে ধরার জন্য। সব কিছুরই ভালো আর খারাপ দিক থাকে। কিন্তু ভালোর ব্যাপ্তি যখন একেবারেই নগন্য হয়ে যায়, তখন লাগামটা আসলেই টেনে ধরা দরকার।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: আসলেই টেনে ধরা দরকার...

১০১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৫
ডারউইন বলেছেন: এসব কথা বললে আপনি মৌলবাদী হয়ে যাবেন তাই সাবধান।
১০২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৮
স্টর্ম ট্রুপার বলেছেন: ভয়েস আড্ডা নামে একটা নতুন চিজ আছে, কিছু বলবো না, নিজে একটু ট্রাই করে দেখবেন, এরা কোথায় যাচ্ছে।
১০৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৯
আন্ধার রাত বলেছেন:
আমি আগে জানতে চাই কোন ডিজুস ভদ্রলোক কিভাবে রেটিং দিয়ে দিল?

আমার রেটিং কিভাবে অন্যজন দেয় ? কেউ জানলে বলেন।



চমৎকার লেখা, বিশ্লেষনধর্মী এবং ভয়ংকর ভবিষ্যত চোখে ভাসিয়ে দেয়ার মত লেখা।

এখন থেকে আমাদের আশে পাশের সব ছেলে মেয়েদের সাথে কাউন্সেলিং
করা উচিত।
১০৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: কয়েকদিন ধরেই দেখছি চারিদিকে একটা উশৃঙ্খল উশৃঙ্খল ভাব। মোড়ে মোড়ে এলাকার বড় ছেলেরা (অনেকেই আমার বয়সী) সিগারেট খাচ্ছে, আড্ডা দিচ্ছে। আর ড্রেসআপ, স্টাইল-এর কথা নাহল বাদ-ই দিলাম। তার চেয়ে বরং দুইটা গান দেই। শুনে বর্ণনাটা বুঝে নিন। (গান দুইটাও কিন্তু ডিজুস জমানার। শুনলে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি-ও খাইতে পারেন।)

Click This Link

Click This Link


এই অবস্থায় নিজেকে ভাল রাখাটাই কঠিন। কারণ নিজেকে ভাল রাখতে চাইলে বন্ধুমহলে নাম হয় "মফু"। যার অর্থ আপনারা সবাই-ই জানেন। সহজভাষায় "মদন"। (দেখেন একটা সাধারণ বাংলা শব্দের-ও কি দশা!!!)




অত্যন্ত দূঃখজনক কথা হলো এই "মফু" শব্দটির সাথে আমি খুব বেশি পরিচিত। অর্থাৎ নিজেকে ভাল রাখতে গিয়ে এই উপাধীটা আমি পেয়েছি। চোখে চশমা, জেলছাড়া চুল, একটু সাধারণভাবে হাটা। এই তিনটা জিনিস দেখলেই ডিজুস প্রজন্মের ভদ্র (!!!!) ছেলেরা তাকে "মফু" বানিয়ে ফেলে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ডিজুস ছেলেরা আরো অনেক কিছুই করতে পারে, শুধু আত্মমূল্যায়নটাই ভুল করে..

১০৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৬
একরামুল হক শামীম বলেছেন: কি আর বলবো!! আমি অ্যানালগীয় মানুষ।
তবে সময় পাল্টিয়েছে, এইটাও মানতে হবে। তবে সবকিছুরই সীমা থাকে। সেইটা সঠিক সময়ের আগে অতিক্রম করে ফেললে কিংবা সময় পরিবর্তনের নামে চেতনা ধ্বংসাত্বক কিছু করলে সেইটা আর ভালো লাগে না, সেইটা গ্রহণযোগ্যও মনে হয় না।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: এই গ্রহণযোগ্যতার মানদণ্ডটাই ব্যক্তিভেদে পাল্টে যায়..

১০৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
শেখ মিলন বলেছেন: ভাই দূ:খের কথা আর কি বলব!মোবাইল কম্পানিদের আচানক উদ্ভট মার্কা এড দেখে আমার মাত্র ৫বছরের ছোট ভাইটাও বায়না ধরছে তারো একটা মোবাইল চাই।
বুঝতেছিনা আমরা মোবাইল কম্পানিদের হীন মানসিকতা থেকে কবে রক্ষা পাব?
১০৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪২
সৌম্য বলেছেন: ডিজসরে ব্যান মারা হোক।
১০৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
নুরুল বলেছেন: ধন্যবাদ , :) সুন্দর বিশ্লেষণ ,সম্পূর্ন একমত
১১০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৬
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: এ ধরনের বিষয় তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। অনেকেরই মনের কথা এসব।

অক্ষর এর সাথে একমত। অচেনা মানুষের সাথে ভয়েস চ্যাট নিয়ে প্রথমে এসেছিল সিটিসেল "দোস্ত" নামে। বোধহয় গ্রাহক সংখ্যার অভাবে + প্রচারের অভাবে জনপ্রিয়তা পায়নি। হয়ত ভবিষ্যতে অন্যান্য অপারেটরও এ ধরনের কিছু ছাড়বে। যে নামেই হোক, এ ধরনের ব্যবস্হা তরুণদের বিপথে নিয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এখনি লাগাম টেনে ধরা উচিত।
১১১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৯
সবুজ বলেছেন:
আজকাল তো রাত জেগে কথা বলতা না পারাটা আনস্মার্টনেস।

চাহিবা মাত্র মেয়েদের নাম্বার দিতে না পারলে বন্ধু মহলে ব্যাকডেটেড।

১১২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩২
তর্পন বলেছেন: তরুণ সমাজের থাকে অজানাকে জানার অদম্য স্পৃহা, রহস্যকে ভেদ করার দুর্ণিবার আগ্রহ । তাদের কে উন্নত চিন্তার খোরাক যোগাতে পারলে তারা মোবাইল বা মাদকের লোলুপ গ্রাস থেকে সহজে মুক্তি পাবে।দু চারটি উদাহরণ দেয়া যাক ।

১. ভাল লাইব্রেরী এবং বই পড়া উত্সাহিত করা দরকার । শুধু শহরের কোনায় একটি পাবলিক লাইব্রেরী বসিয়ে না রেখে পাড়ায় পাড়ায় লাইব্রেরী স্হাপনের করা দরকার । খুব বেশী পয়সার দরকার হয় না ।

যারা বই পড়েন, নিজের সংগ্রহের বই থেকে নির্বাচিত বই নিয়ে উঠতি তরুণের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন । বই ধার দিন ।শুধু হুমায়নি সস্তা বই নয়, নানান বিষয়ের বই হতে পারে । উদাহরণ স্বরূপ নীহার কুমার সরকারের লেখা "ছোটদের রাজনীতি", "ছোটদের অর্থনীতি", বা দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের "যে গল্পের শেষ নেই" জাতীয় বই একটি মানুষের চলার পথকে পালটে দিতে পারে । আবদুল্লাহ আবু সাইদ স্যার বলেছিলেন বই চামড়ার নিচের সৃজনশীল মানুষটিকে বের করে নিয়ে আসে। একটি দুটি কম্পিউটারের খরচ দিয়ে একটি ছোট খাটো লাইব্রেরী গড়ে উঠতে পারে । এর চেয়ে সস্তা জ্ঞান অর্জনের কোন পথ নেই ।

২. বিজ্ঞান চর্চার প্রসার দরকার । বিজ্ঞান প্রদর্শনী বা মেলা এক সময় উঠতি তরুণদের সবচেয়ে প্রিয় উত্‍সব ছিল। কেউ হয়তো বলবেন কলিং বেল বা বায়ুকলের মত সাধারণ প্রজেক্ট তো নতুন কোন উদ্ভাবন নয় । কিন্তু এই যে হাতে কলমে বিজ্ঞানের সঙ্গে সংযোগ তা একটি উঠতি তরুণ ভাবতে শেখায়, প্রশ্ন করতে শেখায় । দু:খজনক যে বিজ্ঞান মেলার জন্য কিছু বাজেট বরাদ্দ থাকতো । এখন সেটিও প্রায় বন্ধ ।

সরকার কী করতে পারতো বা করলো না তা নিয়ে চায়ের কাপে ঝড় না তুলে চলুন ছোট ছোট বিজ্ঞান ক্লাব গড়ে তুলতে কিছু করা যায় কিনা । ঢাকায় একটি ভাল বিজ্ঞান ক্লাব আছে নাম অনুসন্ধিত্সু চক্র ( http://www.achokro.org/ ) যার শাখা বেশ কয়েকটি জেলায় । নিজে ছোট উদ্যোগ নিতে চাইলে এদের অভিজ্ঞতা জেনে নিতে পারেন ।

৩. খেলাধুলার মাঠ নেই বিধায় ফুটবল বা ক্রিকেট খেলার সূযোগ নেই শহূরে তরুণদের । এটা বাড়ানোর জন্য কী করা যায় জানিনা কিন্তু তরুণদের ব্যস্ত রাখার জন্য এটা খুবই দরকার ছিল ।

কম্পিউটার গেমের খুব ভক্ত নই আমি । এর চেয়ে দাবা খেলা বা দেশীয় ষোল গুটির মত খেলাগুলোকে জনপ্রিয় করা যেতে পারে যেখানে পরিবারের সবাই অংশ নিতে পারে ।

৪. সঙ্গীত এবং শিল্প চিরন্তন । সস্তা চটকদার সঙ্গীত শুনতে খাটুনি কম ।এমনই সেই গান যে রিংটোন আর গানের যেন কোন তফাত্ নেই ।

যদি ধ্রুপদী সঙ্গীতে রস আস্বাদনের কৌশলটি তরুণদের শেখানো যায়, যদি ধ্রুপদী শিল্পকলার রঙ-কম্পোজিশন-থীমের গভীরে তরুণদের ঢুকিয়ে দেয়া যায় তখন মানসিক ম্যাচ্যুরিটি থেকে তারা ভাল মন্দ বুঝতে পারবে । একটু তাত্ত্বিক মনে হতে পারে কিন্তু এই ব্লগেই দেখেছি এক বংশীবাদক তার তত্ত্বীয় সঙ্গীত নিয়ে সহজ করে লিখছে যার পাঠক অনেক ।

সবশেষে বলতে চাই মুনাফাখোর ডিজুসরা যাতে কম্পিউটার বা মোবাইলকে নেশা বানিয়ে আমাদের উঠতি প্রজন্মকে বিপথে না ঠেলে দিতে পারে তা নিশ্চিত করা দরকার ।

ধুমপান বিরোধী ব্যাপক সামাজিক প্রচারণা যেমন নানান টিভি চ্যানেলে ধুমপানের বিজ্ঞাপন কমিয়ে দিতে বাধ্য করেছে তেমনি এরকম ব্লগ এবং পত্রিকায় লেখা লেখি হয়তো মোবাইল কোম্পানীগুলোকো তাদের যথেচ্চাচার কমাতে বাধ্য করবে। ++
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার দীর্ঘ মন্তব্যে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে...ধন্যবাদ...

১১৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
বজ্রনিনাদ বলেছেন: আর,জে মানে তো আর রেডিও জকি নাই, ওটার মানে এখন ইয়ো ইয়ো জেনারেশন। উঠতে ইয়ো , বসতে ইয়ো ...
১১৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫০
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ভাল বলছ।
ফ্রি দেওয়ার কথা মনে আছে?? আমাদের ভর্তি পরীক্ষার ঠিক আগে আগে। আমি নিজে দেখছি, আমার অনেক বন্ধু এইটায় ধরা খাইছে। :(
আর, বিজ্ঞাপনের কথা কি বলব?? "দুনিয়ার সুখ, only on my djuice" জগাখিচুরি কথা এদেরই আবিষ্কার!!
এইটা আসলে ইঁচড়ে পাকামি না। এইটা আসলে ব্যবসায়িক অপকৌশল।
আর, তরুণ-তরুণীরা এইসময় নিজেদের একটু আলাদা দেখতে চায়, তাই ঠিক সুযোগটাই নিছে তারা!!
পোস্টে ++
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: আরে, ইচড়ে পাকামি তো বলছি পোলাপানদের ক্ষেত্রে, ব্যবসায়িক অপকৌশল তো বটেই...নতুন লেখা কই???

১১৫. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আগে মনে আছে পোলাপান ছাদে উইঠা ঘুড়তো বিকেল হইলেই .. আমরা যাইতাম নদীর পাড়ে আড্ডা দিতে ..

ক্রিকেট খেলা কথা কি বলব -- ৫ গজ দুরে দুরে ষ্টাম্প বসাইয়া খেলা হইত .. কে যে কারে বল করতাসে টের পাওয়া যাইত না

মাঝে মাঝে আমার মনে হয় মোবাইল আসার আগে মানুষ চলতো কিভাবে .. কিন্তু ঠিকই তো চলতো .. যার সাথে দেখা হওয়ার দরকার ঠিকই দেখা হইত ..

আমার মনে হয় এটা সাময়িক ট্রেন্ড .. পোলাপান কোন একটা কিছু পাইলে ঐটারে লেবু চিপ্পা তিতা কইরা ছাইরা দেয় ..
ঠিক হইয়া যাইব ..

আমাদের প্রজন্ম সবসময় রাইট এই ভুলটা আমাগো আগের প্রজন্মও করসে .. এটা আমাদের মনে রাখা উচিত

প্রতিটা প্রজন্ম আগেরটার চে জ্ঞানী মনে হয় ; আবার প্রতিটা প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চে লাইফলেস :(

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
মিডিয়া বা সরকারের চাইতে ঘরের মডারেশনটাই 'সবচে' জরুরী --
বাপ মা / বড় ভাই বোন স্ট্রিক্ট থাকলে পোলাপান নিয়ন্ত্রনের মধ্যে থাকে ..
একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত ফোনের কোন দরকার আছে বলে মনে হয় না
আউটডোর খেলা অনেক ইম্পর্টেন্ট
ডিজিটাল ছোয়াচ ছাড়া লাইফের ছোয়াচ আছে এমন অভ্যাস উৎসাহিত করা দরকার ..

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

খু্উব ভালো পোষ্ট .. এর সুরাহার গুলোর একটা লিষ্ট করেন ..
কত ভালো ভালো চিন্তাশীল মানুষ আছে
কোথাও না কোথাও থিকা তো শুরু করতে হবে

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

অট: আমার ব্লগে পারলে একটু পারা দিয়েন :)


১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: পরিবার নিয়ে আলাদা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে, কারণ এখানকার ভূমিকাটাই জরুরী....

১১৬. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৮
অ্যামাটার বলেছেন: মাইনাস। আপনে তো দেখি ডিজুস প্রজন্মের কলঙ্ক। তাই তো বলি, রাত ১২টার পর 'পুরা ফ্রি' অফার-টা কাদের চাপে তুলে নিল!!
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনি দেখি সত্যিই মাইনাস দিছেন।। যাইহোক, রেটিং একটা হাস্যকর কনসেপ্ট, তাই প্লাস-মাইনাস নিয়ে কথা রেখে, অন্য কোন বক্তব্য থাকলে বলেন....

১১৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
মেঘবাজি বলেছেন: এই পোস্ট স্টিকি ?!
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: দুঃখজনক!!

১১৮. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
অ্যামাটার বলেছেন: আর হ্যাঁ, এই সব প্যাকেজ আসুক আর না আসুক, এতে একটা গাছের পাটাও নড়বে না! তার মানে কি, এই চকোলেট কালচার না থাকলে আমাদের তরুনরা জাতি উদ্ধার করত? আদতে কিছুই হত না। আপনার দৃষ্টিতে এটাকে দেখে অস্থিরতা মনে হতে পারে, আরেকজনের কাছে হয়ত সেটাই স্বাভাবিক। ধরুন, এতসব তো দূরের কথা, যদি মোবাইল ফোনটা-ই না থাকত, ততে কি কোন ইতর-বিশেষ হত? আমাদের তরুনরা কি দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ত? সূর্য পশ্চিম দিকে ওঠা শুরু করত? বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটা শিল্পোন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেত?

আপনার অবগতির জন্য জানাই, লাউ সেই কদুই থাকত। আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন আপনি, আমি; আমরা সেইখানেই থাকতাম।
যত্তসব!!

আর উপরের সব মন্তব্য পড়ে আমি অবাক!!
ব্লগাররা দেখি প্রায় সবই উজবুক শ্রেণীর!

দু:খিত, কেউ হার্ট হলেও আমার কিছুই করার নাই।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: জ্বি, আপনি তাদের থেকে অনেক ভালো, প্রখর যুক্তিবোধসম্পণ্ন, আপনাকে আমার ব্লগে পেয়ে যারপরনাই আনন্দিত হযেছি....উজবুক ব্লগাররা হার্ট হলে হলো, উজবুকদের হার্ট হওয়া নিয়ে ভাবতে হয়না.......

১১৯. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
অ্যামাটার বলেছেন: জ্বী, আমি সত্যিই মাইনাস দিয়েছি, মহান অ্যামাটার ভন্ডামি করে না!
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: মহান অ্যামাটার(!) দীর্ঘজীবী হউক...

১২০. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
মেঘ বলেছেন: মীরপুর বারো নাম্বারের মতো এলাকায় মেয়ে হয়ে ৮৯সাল থেকে যখন সাইকেল চালিয়েছি অনেক কথা শুনেছি। ঐরকম এলাকায় জিনস পরে ঘুরতাম, শেষদিন পর্যন্ত ঘুরেছি। তাতেও কথা শুনেছি। আরো অনেককিছু করেছি। করার পর নিজেই বুঝেছি কোনটা আমার সাথে যায় আর কোনটা আমার শত্রু। নিজেই বাদ দিয়ে দিয়েছি। ডিজুস ছেলেমেয়েরাও নিজেরাই বুঝবে।
তবে হ্যাঁ বড় হিসেবে তাদের আমরা বলতে পারি এ কাজটা তোমার জন্য ফলপ্রসূ না ও হতে পারে। তুমি ভেবে দেখো, বিবেচনা করো, তারপরও পছন্দ হলে করে ফেলো।
বাণিজ্যলোভীরা কোন সামাজিক দায় পালন করবে না।
আপনার লিখা ভালো লাগলো।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

১২২. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০১
প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ বলেছেন: ২০০৫ এ প্রথম যখন ডিজুস আসছিলো, তখন আমিও একটা সিম কিনেছিলাম, ওটার দাম মাত্র ১২০ টাকা ছিলো বলে। আর কলরেট ও তখন অন্য আর সব মোবাইল কোম্পানির চেয়ে কম। ... বাপ-মা'র টাকায় চলি, তাই কম টাকা'র দিকেই নজর দিতে হয়...

যদিও সেই সিম আমার ব্যবহার করা হয় নাই...যাই হোক, ডিজুস এর পরবর্তী চেহারা ভালো লাগে নাই...ডিজুস যখন একটা আলাদা 'কালচার' তৈরি করতে শুরু করলো, এবং সেই কালচার তথাকথিত 'স্মার্টনেস' শেখাতে লাগলো আমাদের সমসাময়িক জেনেরেশনকে, তখন থেকে ডিজুস সংস্কৃতি অপছন্দ করি...

আপনার লেখাটা ভালো লাগলো...মনের কথাগুলো বলেছেন......

অফটপিকঃ আপনার এইচএসসি কি ২০০৫??...তাইলে তো আপনি আমার ব্যাচমেট...

১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: হ্যা ২০০৫, তাহলে বোধহয ব্যাচমেটই হব.....

১২৩. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: খুবই চমৎকার বিশ্লেষন।
আমি নিজে একসময় টিনএইজারদের মধ্যে এমন প্রভাব সম্পর্কে অনেক ভেবেছি।
প্রথম প্রথম খারাপ লাগত।
পরে ভেবেছি, জগৎ পরিবর্তনশীল। এটাও একটা পরিবর্তন। ডিজুস কালচার একটা পরিবর্তন আনছে। এখনও পর্যন্ত এটি নেতিবাচকতাই বেশী প্রকাশ করছে। কিন্তু কালচার পরিবর্তনে একটা সময় সব কিছুই স্বাভাবিক হয়ে যায়। প্রথম প্রথম নেতিবাচকতা থাকে।
এখন পর্যন্ত ব্যাপারগুলি নতুন। এবং আমাদের টিনএইজারদের কাছে চটকদার। এবং আমাদের টিএনএইজারদের নরম ধরনের ব্যক্তিত্বের কারনেও এটি আমাদের কাছে ভয়ের এবং নেতিবাচক। কিন্তু সময়ে এসব গ্রহনযোগ্য হয়ে যাবে, ইতিবাচক ভাবে এগুলো পরিবর্তিত হবে।
এটাই সত্যি।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: হলে ভাল, তবে আশাবাদী হওয়ার মত তেমন কিছু এখনো দেখতে পাচ্ছিনা। তবুও আপনার মতই বলবো- হয়ত একদিন সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে...

১২৪. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমার কেন জানি মনে হয়, একটা দেশে যখন কিশোর তরুনরা নানারকম হবে, তখনই জাতি হিসেবে আমাদের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে প্রবল ভাবে।
তাদের একটা বড় দল খেলা পাগল হবে, একদল পাঠ্যবই এ মুখ বুজে থঅকবে, একদল বইএর পোকা হবে, একদল রাস্তায় দাড়িয়ে গিটার হাতে গান বাজাবে, একদল ডিজুস স্মার্ট হবে। এসবই স্বাভাবিক।
তবে আমাদের ভাবতে হবে যাতে কোন একটা দল বেশী ভারী হয়ে প্রভাবিত না হয়ে যায়।

পুরো দেশের নতুন প্রজন্ম খেলোয়ার হয়ে গেল আর কিছু করল না এটাও আমরা যেমন মানতে পারি না, সবাই ডিজুস হয়ে গেল সেটাও গা জ্বালানো অসহ্য। তেমনি সবাই আদর্শ বালক হয়ে গেলেও কিন্তু আদর্শের কোন দাম থাকবে না।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: হ্যা ভারসাম্য রক্ষার জন্য এটার দরকার আছে, কিন্তু একদিকেই কিন্তু পাল্লা ভারী হয়ে যাচ্ছে.....এটা আশঙ্কাজনক...

১২৫. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২০
প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ বলেছেন: হুমম...আমি ২০০৫ এই এইচএসসি দিসি......
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ....................

১২৬. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২২
অ্যামাটার বলেছেন: @রন্টি দা: হুমম...ভয়ারিয়েশন থাকতে হবে অবশ্যই;
আর আমাদের মাঝে পরিবর্তন-কে সহজ ভাবে মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। সামান্য ফেসবুকের লে-আউট পরিবর্তন হলেই আমরা হা-হুতাশ করে গোষ্ঠি উদ্ধার করি। হয়ত চিরাচরিত রক্ষনশীলতার কারনে 'জেনেটিক ফ্যাক্টর'-ও কাজ করতে পারে !!:D:D:D
১২৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৩
েরজাউল ইসলাম খান বলেছেন: Thank u verymuch for writing this type of practical story. I m really delighted to read ur story. But u know djuce users who missuse there time will not read ur story because they have no time. I dont have good hand in Bangla typing. I could express my feelings if I could. I inspire you to write more story related to social welfare. I have also some brilliant students who are studying Shaheen Schoo, Govt. Science College and Mirpur Ideal School. I think they are far better than so called djuce generation because their parents cares them a lot. Thank u very much.
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: your expression is the key here, no matter by which language it is expressed

১২৮. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩০
মনুমনু বলেছেন: আমি ভাই সিটিসেল।
সিম্পল।
" .... it has a lead" !
১২৯. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আ্যামাটার, ফেইসবুক হোমপেইজ চেন্জ হলে হু হতাশ করা বড়ই ইতিবাচক একটা ব্যাপার। কেননা মানুষ তার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। একদল কিন্তু আছে যে হোমপেইজ পছন্দ করছে, তারা কিছু বলছে না, কেননা বলার প্রয়োজন নেই, যেহেতু তাদের মনমতই হয়েছে।

তেমনি এই পোষ্টটাও ইতিবাচক। কেননা হিমালয় তার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে যে সে ডিজুস কালচার পছন্দ করছে না। কেননা সে জানে এই ধরনের জীবনযাপনের চেয়েও উন্নততর জীবনযাপন করছে সে। তাই সে চায় ডিজুসরা তাদের ত্রুটিপুর্ন লাইফ স্টাইল বাদ দিয়ে এদিকে আসুক।

এইভাবে কিন্তু আমরা একেঅপরের ভাল দিকগুলো শেয়ার করতে পারব। ডিজুস প্রজন্ম ও একটা সময় পার্থক্য বুঝতে পারবে , কোনটি তারা ছ্যাবলামি করেছিল, আর কাকে কোয়ালিটি বলে। এই পাল্লা ভারী হবে না।

এই যে ব্লগ, এই খানে যে আমরা হুমরি খেয়ে পড়ে থাকি রাতের পর রাত, অনেকে এটিকেও বলবে ইন্টারনেট ম্যানিয়াক। কিন্তু আমরা যদি গুনগতভাবে ভাল ব্লগিং করি, তাহলে এটি ইতিবাচক। এবং এটি করে যদি আমরা ডিজুস প্রজন্ম সম্পর্কে আলোচনা করে তাদের পথে আনি, তাহলে এটি মহাইতিবাচক।


কানে কানে বলি...ডিজুস পোলামাইয়া গো আমার অনেক করুনা হয়। কেননা তারা যেটা করে, সেইটা আসলে খুবই সস্তা একটা বিষয় যেটা সবাই ইচ্ছে করলে করতে পারে। এই বোধটা তাদের এসে যাবে, চটকদার জিনিসের রঙ বিবর্ন হওয়ার আগপর্যন্ত এর চকমকি থাকে প্রবল ভাবে, কিন্তু রঙ বিবর্ন ও কিন্তু হয় তিনদিনেই।
১৩০. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪০
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: অসাধারণ হইছে হিমালয়।
প্রিয়তে রাখলাম।পরে ডিটেইলস কমেন্ট করবো।
অফটপিক: আমিও এইচ এস সি ২০০৫ :)
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: আজকে সব ব্যাচমেট আসতেছে নাকি? ঢাবি, নাকি অন্যকোথাও??

১৩১. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪৮
কিষান বলেছেন: ডিজুস শেয়াল পন্ডিতের মতো। পুরা ফাউল প্যাকেজ রাংতায় প্যাচায়া পাবলিক কে ধোঁকা দিয়া যাইতাসে।হালাগো শাস্তি হওয়া উচিত। যদিও আমি ডিজুস ইউজ করি। কিন্তু পাপ তার বাপকেও ছারে না। ওদের বিচার চাই
১৩২. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২০
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার লেখা। ভাল লাগলো।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

১৩৩. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩১
লংকার রাজা বলেছেন: ডিজুস ভয়েস চ্যাটের এ্যাডের মেয়েটাকে আমার ভাল লেগেছে,মেয়েটা রাজি থাকলে রাতে কথা বলা যেত---------

কিছু সামাজিক পরিবর্তনের নিয়ামক এত শক্তিশালী হয় যে তা বন্ধ করা সম্ভব নয়।বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ মানুষের স্বভাবজাত।ওয়েস্টার্ন সমাজের মত এখানে ছেলে মেয়ের মেলামেশা হয় না সামাজিক বিধি নিষেদের জন্য,আমাদের উচ্চ মানসিক মূল্যবোধের জন্য নয়।তাই মোবাইলে যদি সেটা করার উপায় থাকে তা বন্ধ করা সম্ভব মনে হয় না আমার।

এর পরই আছে হয়ত ফেইসবুক।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: এক্ষেত্রে বয়স একটা ফ্যাক্টর অবশ্যই.....আমি বলেছি স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের প্রসঙ্গে.....আপনি সেই বয়সটা অনেক আগেই পা করে এসেছেন.......

১৩৪. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৩৩
সুমন অহেমদ বলেছেন: টিভি তেমন দেখা হয়না। তবে ৭-৮ দিন আগে ডিজুসের অ্যাডটা দেখেছিলাম. . . তখনি মনে হয়েছিল একটা লেখা লেখা দরকার. . .

খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন.. . .
এইসব অফার টিনএজারদের যে কিভাবে ধ্বংস করে দেয়!! তরুনদের দিয়ে ব্যবসা করে . . . .

সরকার কি করে?
আমি, আপনি আর ব্লগাররা র্যাপারটা বুঝতে পারি. . .
কিন্তু সরকার?
আর আমাদের শ্রদ্ধেয় বুদ্ধিজীবিরা কি করেন?
তরুনরাতো বুদ্ধিজীবিদেরও অস্ত্র, এই কারনে কি তারা ভয় পায়. . .
ভাই, এইসবের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন. . .
১৩৫. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
সুমন অহেমদ বলেছেন: শেষ লাইনের আগের লাইনটায় একটু সমস্যা আছে. . .
রন্টি চৌধুরী ভালো বলেছেন . .
১৩৬. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:১৮
বিডি আইডল বলেছেন: হিমালয় খুবই ভালো হয়েছে লেখাটি...মোবাইল নিয়ে বাড়াবাড়িতে আমাদের বর্তমান প্রজন্মের যে অধোপতন: হচ্ছে...এটা দেখার কেউ নেই...গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় বাদ গেছে...মোবাইল এমএমএস এর মাধ্যমে ছেলে-মেয়েদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি প্রচার....এই ভাইরাস এখনও সম্ভবত: মধ্যম পর্যায়ে আছে...মহামারী হতে খুব বেশীদিন লাগবে না...হয়ত দেখা যাবে বন্ধুর কাছ থেকে রসালো এমএমএস আসছে...পাত্র-পাত্রী হয়ত নিজের ভাই বা বোন...

রাত জেগে কথা বলাটাকে উৎসাহ দিয়ে এবং বিনা প্রয়োজনে ছেলে-মেয়েদের মোবাইল নিতে উৎসাহ দিয়ে মোবাইল কোম্পানী এবং অভিভাবকরা ডিজুস যে জেনারেশন তৈরিতে উঠে পড়ে লেগছে...এর ফল আমাদের ভুগতে হবে
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন: ওই বিষয়টা ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছি, কারণ এই পোস্টটা মূলত স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের অবস্থাকে বিবেচনা করে লেখা হয়েছে, এসএমএস-ছবির প্রসঙ্গ লিখলে সেক্ষেত্রে জৈবিক ব্যাপারটি আলোচনায় চলে আসত, আপনার কমেন্টের বদৌলতে বিষয়টি চলে এল বলে আপনাকে ধন্যবাদ।।।

১৩৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: আপনার চমৎকার বিশ্লেষণ ভালো লাগলো।
আমাদের এ বিষয়ে কিছুটা সচেতন হওয়া দরকার। যুব সমাজের ধ্বংস হয়ে যাবে , এ বিষয়ে সরকারের একটা নীতিমালা থাকা দরকার
১৩৮. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
ফেরারী পাখি বলেছেন: সত্যি একটা সময়োপযোগী বিষয়ে আপনার মনোযোগ দেখে খুব ভালো লাগলো। বিষয়টা এনেছেনও চমৎকারভাবে।
আমার বিষয় হল মনোবিজ্ঞান এবং আমি কিছুটা হলেও বয়ঃসন্ধিক্ষণে একজন কিশোর-কিশোরীর মানসিকতা কেমন হয়, সেটা অনুধাবন করতে পারি ঠিক এ সময়ই ওদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ডিজুস সুবিধা!? ওরা হচ্ছে ডিজুস জেনারেশন--- এর ফলাফল যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে,ভাবতেও ভয় লাগে।
অথচ কারও কোন মাথা-ব্যাথা নেই। আমার মনে এখন বিদ্যালয় গুলোতে বাধ্যতামূলক করা উচিত কি ভাবে বাচ্চারা মোবাইল ব্যবহার করবে তা শেখানো।
করা উচিত বাবা-মা'দের সচেতন।
আর কর্পোরেটদের আর মিডিয়ার কথা আমি আর কি বলবো?
ধন্যবাদ হিমালয় একটা প্রয়োজনীয় বিষয় তুলে ধরার জন্য।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ...

১৩৯. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: লেখাটি পড়ার পর নিজেকে এই ভেবে সৌভাগ্যবান মনে করছি যে আমার কৈশোরজীবন ওরকম কাটেনি।ডিজুসাইজড'রা নিজেরাও জানেনা যে ওরা কি হারাচ্ছে।
১৪০. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
অরণ্যদেব বলেছেন: তার পরওতো আমরা মাতি।
১৪১. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬
সচেতন বলেছেন: ফেরারী পাখি (১৩৮), আপনি একজন মনোবিজ্ঞানী। শুধু হতাসার আর প্রশংসা জানালেন কিন্তু সমাধান কি? আমি মনে করি আপনি আমাদের শেখাতে পারেন বয়ঃসন্ধিক্ষণে একজন কিশোর-কিশোরীর সাথে আমরা পরিবারের বড়রা কি কি করতে পারি।

হাসান মাহবুব (১৩৯) ভাই, আপনি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন? আমাদরে বর্তমান প্রজন্ম যদি সত্য্ই সন্তুষ্টজনক না হয়, তবেও কি আমরা সৌভাগ্যবান?

বিডি আইডল (১৩৬), আপনি বলছেন "এর ফল আমাদের ভুগতে হবে"। কিন্তু সমাধান কি ভাই?

ডিজুস কালচারের বিরুদ্ধে শুধু কম্প্লেইন নয়, সমাধানও চাই - পর্ব-১
১৪২. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪৯
হাসান মাহবুব বলেছেন: @সচেতন প্রকৃতপক্ষে আমি আমার অতীতকে সৌভাগ্যবান বলতে চেয়েছি।বর্তমান ডিজুসাইজড প্রজন্ম নিয়ে হতাশা তো আছেই।আপনার পোস্ট পড়লাম।কথা ঠিক বলেছেন।দায়বদ্ধতা আমাদের আছে অনেকখানি।
১৪৩. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩
আমি ও আমরা বলেছেন: ডি-জুস= ডাইজেষ্ট জুস।

লিখাটা ভালো লেগেছে।
১৪৪. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬
হিউগো বলেছেন: আমার রুম নং ৩১১, চলে এস একদিন, তবে রাত্রে ১১টার পরে আসলে পাবে, যতদিন না ক্লাস শুরু হচ্ছে। চাকরি আর টিউশনি করার পর হলে ফিরতে ফিরতে প্রায়ই দেরি হয়ে যায়.............

চলে এস একদিন সময় করে..........
১৪৫. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪
ভুতের আড্ডা বলেছেন: সহমত। মোবাইল ফোনে ফ্রি কথাবলাসহ নানা রকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রথা সবখানেই আছে। কিন্তু এই বিষয়টি আমাদের দেশের কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে যেভাবে গ্রাস করছে তেমনটি অন্য কোথাও দেখা যায় না। কেন? এ প্রশ্নের জবাব আমিও নিজের মনে অনেক খুঁজেছি।

আরেকটু ব্যখ্যা করি। মন্তব্যটি দীর্ঘ হচ্ছে বলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

মার্কিন মুল্লুকে এক বছরেরও বেশি সময়ের ছাত্রত্ব শেষ করে সম্প্রতি দেশে ফিরেছি। সেখানে আমার একটা সেল ফোন ছিল। সেটাতে প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা এবং শনি-রোববারসহ যে কোনো ছুটির দিনে কথা বলা ছিলো পুরো ফ্রি। সেখানে সবগুলো অপারেটরেরই গ্রাহক ধরার জন্য এ ধরণের আকর্ষণীয় অফার আছে। তা স্বত্ত্বেও আমার ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে মোবাইল ফোন নিয়ে এতোটা আদেখলামি চোখে পড়েনি; যেমনটি চোখে পড়ে এখানে প্রাইভেট ও পাবলিক ইউনিভার্সিটিগুলোসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

আমার এক বোন গত সপ্তাহে প্রায় ১০ বছর পর দেশে এসেছেন। তার ভাষায়, ঢাকা শহরে কোনো মানুষকেই ফ্রি পাওয়া যায়না। মোবাইল ফোনের কল্যানে সবারই ডান হাত আর কানটা ব্যস্ত।

মহল্লায় আমার এক বন্ধুর দোকানে এখনো অবসর পেলে মাঝেমধ্যে আড্ডা জমে। ওই বন্ধু বলছিলো, ছোট বেলা আমরা এক টাকা-দু টাকা পেলে স্ট্যাম্প, ঘুড়ি বা ভিউকার্ড কিনতাম। এগুলো জমানো ছিলো চমৎকার হবি। কার কালেকশনে কতোগুলো স্ট্যাম্প আছে সেটা নিয়েই বাহাদুরি দেখানো হতো। আর এখন স্কুলের ছেলেরা ১০-২০ টাকা পেলেও সেটা মোবাইল ফোনে ভরে ফেলে। হবি বা শখ বলতে এদের কিছু নেই।

বিশ্লেষণমূলক সুন্দর পোস্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ...

১৪৬. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
পাপী বলেছেন: ভালো লাগেছ।। ।
১৪৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
মহাজাগতিক বলেছেন: বিশ্লেষণ ও ভাবনার সাথে সহমত।

ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করবেই। তবে কি-না.....

বন্ধু আড্ডা গান এখানেই, হারিয়ে যাও...
দুনিয়ার সুখ অনলি অন মাই ডিজুস....
রাজী থাকলে আড্ডা হবে..
(হুবহু হলোনা বোধহয়)

এই যে, আহ্বানের ধারা। বেণিয়ার এই যে প্রলোভনের ভাষা- এগুলি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা অবশ্যই করা উচিত। নাহলে ক'দিন পর যদি কেরু এন্ড কোং বিজ্ঞাপন দেয়
- ‍‍‍‍‌‌‌‌‌‌‌‌"দুনিয়া তোমার ভরিয়া দিয়াছি বোতলে" কিম্বা "এসো খাও, ফুর্তি লাও"
তখন তাদেরকে কি দিয়ে ঠেকানো হবে?

এই যে, হারিয়ে যাওয়ার আহ্বান। নৈতিকভাবে এটা কোন পর্যায়ে পড়ে? বেণিয়া তার ব্যবসার জন্য একটি জাতির তরুণ প্রজন্মকে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে বলছে "ফ্যান্টাসির" জগতে। মিথ্যা বানোয়াট গল্পবাজী, কল্পিত রোমান্স আর বড়াই ভড়ং করার জগতে। কোন সাহসে ???
আবার বলছে, দুনিয়ার সুখ অনলি অন ডিজুস। একটি কিশোর বা কিশোরী, "সুখ" সম্পর্কে যার ধারণাই তৈরী হয় নাই। যে কি-না বাপের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফুটায়। তাকে বলা হচ্ছে লক্ষ্যহীন ভাবে অবিরত বন্দুক ছুঁড়তে।

এসব নিয়ে, বিজ্ঞাপনের ভাষা নিয়ে, বেণিয়ার চৌর্যবৃত্তি ঠেকানোর জন্য, সর্বোপরি দেশ-জাতি ও তরুণ প্রজন্মকে রক্ষার জন্য এক্ষুণি জনসচেতনতা গড়ে তোালা দরকার।

নতুন প্রজন্ম নতুন কিছু ব্যবহার করবে, নতুন জিনিষে অভস্ত্য হবে এটা চিরকালের নিয়ম। তাতে কারো কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আপত্তি তখনই যখন তাদেরকে কেউ বিভ্রান্ত করে নিচে নামাতে চায় বেণিয়াস্বার্থের জন্য।

যারা বলে "ডি জুস"= রসভান্ডখানি।

যাদের রস এখনও পোক্ত নয় তাদের সেই রস শুষে যারা টাকা কামাতে চায় তাদেরকে এক্ষুণি প্রতিহত করা দরকার।

অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়া দরকার।

১৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: অভিভাবকদের সচেতনাটাই সবথেকে বেশি জরুরী...

১৪৮. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
নেটিযেন বলেছেন: Djuice হোমপেজ থেকে কপি করলাম:

"The album, ‘Oprostut Juddho’ is being distributed by G-series and it has 9 heavy metal songs expressing various aspects of society in a very youthful manner. Ei gaan guli ke pete paro as ringtones as well ! To download these songs as ringtones type & send to 3030, you will get a link. link ta te click korlei you can download your ringtone. Or tomar handset theke visit wap.djuice.com.bd to download contents."
১৫০. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
স্মৃতিমেঘ বলেছেন: খুব সুন্দর বলেছেন।
এমনকি আমার আশেপাশের অবস্হা দেখে আমি নিজেও টাসকি খেয়ে যাই।

কি সব ড্রেস পড়ে, কানে দুল।
আমার কাছে খুব অদ্ভুত লাগে।
১৫১. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: ডিজুস দিয়ে শুধু আমাদের নতুন জেনারেশনকেই খাচ্ছে না, আমাদের ক্রিকেট, ফুটবল মায় ঢাবি'র টিএসসি পর্যন্ত গিলে খেয়েছে মোবাইলেরা। শতশত কোটি টাকার ব্যবসা করে সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির নামে স্পনসরের মুখোশে ২/৪ কোটি টাকার উচ্ছিষ্ট দিয়ে এসব চলে। একেই বলে নব্য সাম্রাজ্যবাদ। কিন্তু এদের সীমাহীন লোভের লেলিহান জিভ সব খেতে খেতে একদিন নিজের শরীর খেতে শুরু করবে। যেমন পুঁজিতন্ত্রের বাপ-দাদা আমেরিকার অর্থনীতির কলিজা পর্যন্ত খেয়ে ফেলেছে। ও হ্যাঁ, সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ...

১৫২. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
অন্তিম বলেছেন: আমিও কিন্তু ডিজুস ইউস করি।

আপনাকে আরেকটি বিষয় জানাতে চাই আর তা হলো এইসব মোবাইল কোম্পানিগুলো ভয়েস আড্ডা জমানোর জন্য কয়েকজন পারমানেন্ট মেয়ে নিয়োগ করে। যারা সারাদিনই মোবাইলে কথা বলে বিভিন্ন ছেলেদের সাথে।

আমার এক বান্ধবীও এই জব করেছে অনেকদিন। বেতনও অনেক। তবে সারাদিন কথা বলতে হয় আর বন্ধুরা "ক"গার্ল ডাকে বলেই ছেড়ে দিয়েছে।

তবে আশ্চর্য তার চাকরি পাবার বিষয়টা। সে ও একদিন এসবে জয়েন করেছিল। তার কন্ঠ শুনে সরাসরি ফোন কোম্পানি তাকে এই জবের অফার করে।

বুঝতেই পারেন। এইসব ভয়েস আড্ডায় যেসব মেয়ে থাকে তারাও এইসব মোবাইল কোম্পানিগুলোরই এমপ্লয়ী।


আর ডিজুস জেনারেশন সম্পর্কে কিছু বলার নাই:)

১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: ইমপ্লোয়মেন্টের ব্যাপারটা আমিও শুনেছি....

১৫৩. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
বেশির ভাগ আবিষ্কারের উদ্দেশ্যটা ভালোই থাকে। কিন্তু আমরাই এর চরম অপব্যবহার করি।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: আবিষ্কার এবং উদ্ভাবনের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে, এখানকার আলোচ্য বিষযটি উদ্ভাবনের পর্যায়ে পড়ে, আবিষ্কার নয়।।। আর , এই উদ্ভাবনের উদ্দেশ্য মহৎ কিনা সেটাও প্রশ্নসাপেক্ষ...

১৫৪. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫১
দারুচিনি বলেছেন: এট সুন্দর বিশ্লেষণ.....।
তোমারই সম্ভব।
অনেক ভালো লাগলো। অনেক।
শুভকামনা ।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি কি ঠিক অনুমান করছি আপনার ব্যাপারে????

১৫৫. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
দারুচিনি বলেছেন: :)
হ্যা..........
স্টিকি লেখাটা সময়মত দেখতে পারলে ভালো লাগতো।
হয়ে ওঠেনি।
তবু.....খুশী হলাম।অনেক।
একেকটা বিশালতার কাছে নতজানু আমরা.......
কাল তেমনই এক বিশালতার কাছে ছিলাম।হিমালয়ের মত কিছু .......তবে হিমালয় হিমালয়ই।
অনেক অনেক শুভকামনা সবসময়কার।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: এই শুভ কামনাটাই ভীষণরকম প্রত্যাশা করি...

১৫৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৩
'লেনিন' বলেছেন: খুবই সুন্দর লিখেছেন। +

আর এসব বলেও খুব লাভ নেই, সবকিছু পঁচিয়ে ফেলছে এরা। মিডিয়ার দুধ দেয়া গরু এসব মোবাইল অপারেটরকে নিয়ে লিখলে কিছু ব্লগ আপনাকে ব্যান করে পর্যন্ত দিতে পারে!
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: আল্লাহর অশেষ রহমতে এখনো আনব্যান আছি,!!!

১৫৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৫
নকীবুল বারী বলেছেন: পোষ্ট পড়ছি। এ ব্যাপারে অনেক অনেক ফ্যাক্ট আছে।
১৫৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আমার এক ছোট ভাই এব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে অনেক সমস্যা ফেইস করছে।


++++
১৬০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২২
লীনা ফেরদৌস বলেছেন: সমসাময়িক প্রেক্ষাপট নিয়ে খুব সুন্দর একটা লেখা। আমি আবার বলি এসব লেখা হিমালয়ের থেকেই আশা করা যায় । আমাদের চার পাশের যে অসংগতিগুলি আমাদের অনেকের চোখে পড়ে না, সেটা ফিল করার মত সূক্ষ ফিলিংস হিমালেয়রই আছে।

সেদিন আমার এক পরিচিত বলল ওর ছেলে টিফিন না খেয়ে পয়সা জমিয়ে মোবাইল কিনেছে। আমি বুঝিনা একটা সেভেন এ পড়া ছেলের মোবাইল কেন এত জরুরী। ওর মা বলল কি করি বল ওর সব বন্ধুরই আছে। আজকাল দেখি আমরা মানুষের সাথে মেশার চেয়ে যন্ত্রের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করি।

এটা নিয়ে মিডিয়া কী বলবে?সংবাদপত্র আর টেলিভিশনে এত ফলাও করে বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় কেন জান না ? মিডিয়ার কোন ভূমিকা নাই- এরাও নীরব দর্শক এই কারণে যে এদের আয় রোজগারের সিংহভাগই আসে এসব ডিজুস কোম্পানীগুলি থেকে। এই কুপ্রভাব নিয়ে সেরকম কোন জোরালো প্রতিবেদন কখনও কোথাও লেখা হবেনা। ওরা ওদের মাই-বাপ। সমাজ গোল্লায় যাক আমার পকেট ভরা থাক- এটাই আমাদের ডিজুস নিতী ।

এরকম আরো লেখা আশাকরি।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: আরে, লীনা আপু এত দীর্ঘ মন্তব্য লিখেছে!!! এই আনন্দে ২কাপ চা ডিসকাউন্ট....

মিডিয়া, টেলিভিশন , কেউই যে কিছু করবেনা তাতো আমরা জানি, কিন্তু তারপরও লিখতে হয় "এমন নির্লজ্জ লেজুড়বৃত্তির পরও যদি ‘যা কিছু ভাল, তার সঙ্গে....” এমন কোন শ্লোগান দেখি কোন খবরের কাগজের, তখন ভণ্ডামীকে অনেক উচ্চমার্গীয় শিল্প ভেবে সান্ত্বনা খুজি".......আর লেখার শেষ কথাটিই আমাদের মনের কথা: "আমাদের মত ক্ষমতাহীন মানুষরা কেবল ক্ষোভই প্রকাশ করতে পারে; সংস্কার-পরিবর্তন-বাস্তবায়ন জাতীয় শব্দগুলো অনেক উপরের পর্যায়ের মানুষদের জন্য সংরক্ষিত, যারা হয়ত কোনদিনই এই শব্দগুলো প্রয়োগ করবেননা।"
....অনেক ধন্যবাদ আপু। আমার পোস্টগুলো অনেক দীর্ঘ বলে আপনাকে পড়তে বলিনা সাধারণত, এটা যেহেতু অনেক মানুষ পড়েছে তাই বলেছিলাম।।। আরও নতুন নতুন লেখা আসুক আপনার সূত্র ধরে, যাতে কমেন্ট করার চর্চাটা ধরে রাখতে পারি...

১৬১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: না, আপনি শুধু অক্ষমের মতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন নি। সীমিত পরিসরে হলেও একটি জবাবদিহীতার জায়গা তৈরি করেছেন। তারুন্যের নামে ডিজুসের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। এটি খুব জরুরি। সে জরুরি কাজটি করবার জন্য লাল সালাম।

আপনার উত্থাপিত বিষয়গুলোর সাথে সহমত রেখে একটু আলোচনা করতে চাই। নিশ্চই বিরক্ত হবেন না। প্রায় বছর দশেক আগে 'সোসিওলোজিও অব মোবাইল ফোন' নামে একটি গবেষণা মনোগ্রাফ পড়েছিলাম। এটি পাশ্চাত্য সমাজব্যবস্থার প্রেক্ষিতে একটি গবেষণা। কিন্তু এর প্রাসঙ্গিকতা বোধহয় বাংলাদেশেও আছে। আপনার লেখা থেকেও সেটি আঁচ করা যায়।
.............................................................................................
পুঁজিবাদ বা করপোরেট অর্থনীতি কখনও মৌলিক প্রয়োজনকে এড্রেস করে টিকে থাকতে পারে না। তার অপ্রকাশিত শোষণ প্রক্রিয়া এবং মুনাফা তৈরির অস্ত্রটা হচ্ছে ফেল্ট নীড (অনুভূত চাহিদা) তৈরি। এই যে কিশোর-কিশোরীদের এক একজনের কাছে অনেকগুলো সীম এটি মৌলিক প্রয়োজন নয়। একটি অনুভূত চাহিদা। এ চাহিদাটা তৈরি করা হয়েছে খুব সচেতনভাবে। এ কর্পোরেট বাণিজ্যায়নের সহযোগি আরেক কর্পোরেট মিডিয়া। সুতরাং মোবাইল কোম্পানীর বিরুদ্ধে এ সব কর্পোরেট মিডিয়া হাউজের কথা বলার কোন কারণ নেই। কারণ সম্পর্কটা দাসত্বের। যে দাসত্ব আবার মিডিয়ার জন্য মুনাফা এনে দেয়। দু'পক্ষই মুনাফা নামক দেবতা দ্বারা পরিচালিত।
............................................................................................
আপনার পর্যবেক্ষণ খেলার মাঠে শিশু-কিশোরর নেই। বিরাট খেলার মাঠের সমাবেশ, হৈচৈ এগুলোর প্রত্যেকটিই আমাদের সামাজিক পুঁজি। এ পুঁজিটা ধবংশ করা না গেলে, ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদের বিকাশ করা না গলে, শিশু-কিশোরদের আলাদা না করা গেলে, তাদের নেশাগ্রস্ত করাও যাবে না। সে নেশার একটি টেবলেব ডিজুস। সুতরাং তারুন্যর কী হলো, তা নিয়ে গ্রামীনের ভাবনার সময় কই। তাদের চাই মুনাফা।
সুমনের গান একটু ঘুরিয়ে বললে, প্রথমত মুনাফা, দ্বিতীয়ত মুনাফা এবং শেষ পর্যন্ত মুনাফা....................।
...............................................................................
ধন্যবাদ।
২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: আলোচনায় একটা ডাইমেনশন যোগ করায় আপনাকে অবশ্যই ধন্যবাদ দেব।। তবে, আমার ক্ষোভের জায়গাটা থেকে সরতে পারছিনা; প্রতিবাদ জানানোর মত একজনও পাওয়া যাবেনা কেন? আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এতকিছু নিয়ে আন্দোলন করছেন, এই বিষয়টা তাদের নজরে আসেনা কেন?নাকি তারও এই কর্পোরেটের মুনাফাভোগী। এ বিষয়ে আহমদ শরীফের একটা অপ্রিয় সত্য বক্তব্য আছে " বুদ্ধিজীবীদের কথা শুনলে এদেশ স্বাধীন হতনা, আর এখন যা বলছেন সেটা শুনলে সমাজের পরিবর্তন হবেনা"।। তাহলে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকাটা কি বিভিন্ন সভা-সেমিনারে আসন অলঙ্কৃত করা, আর রাজনৈতিক বিষোদগার? বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়কে টেনে আনাটা অপ্রাসঙ্গিক লাগলেও, পরিস্থিতি বিবেচনায় খুবই প্রাসঙ্গিক.........অথচ তারা নিশ্চুপ.এবং এরাই বড় বড় বুলি আউড়াবে..........এই মোরাল প্রস্টিটিউশনকে ঘৃণা জানাই..........

১৬২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: ঠিকাদার বুদ্ধিজীবী সব সময় থাকে। সামন্ততন্ত্রে চার্চ যে হালালীকরণের কাজটি করতো এখন তা তথাকথিত বুদ্ধিজীবিতার মধ্যে দিয়ে হয়। পুঁজিবাদ তার নিজস্ব একটা ঠিকাদার গোষ্ঠী তৈরি করে। কেউ কেউ যে প্রতিবাদ করে না তাতো নয়। কিন্তু ব্যবস্থার নিজস্ব একটা শক্তি থাকে। এটি 'মেল্টিং পট' এর মতো। আশপাশের সব কিছুকে গলায়। তার নিজস্ব ছাঁচে। আপনি নিশ্চই খেয়াল করেছেন, ডিজুসের নামে এক ধরনের মনোপলী আচরণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এটি সুবিধা হচ্ছে সবার মাঝে সে অনুভূত চাহিদাটি তৈরি করা। অথচ পৃথিবীর সৌন্দর্য কখনও মনোপলীতে নয়, ডাইভারসিটিতে। বৈচিত্রময়তাতে। কিন্তু বৈচিত্রময় হলে ব্রান্ড তৈরি করা যায় না। আর ব্রান্ড তৈরি করা না গেলে মুনাফার সন্ত্রাসটা দুর্বল হয়ে পড়ে। এভাবে কর্পোরেট ইচ্ছার কাছে আমাদের সম্ভাবনাগুলো বন্দী হচ্ছে। প্রতিদিন। প্রতিনিয়ত।
২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: কিন্তু এর থেকে কি উত্তোরণ নেই ?সমাজ কাঠামো কিন্তু বলছে নেই....সেক্ষেত্রে, এই অন্ত;সারশূন্য প্রজন্মই আমাদের প্রাপ্তি ধরে নিতে হবে। ।। আপনার বিশ্লেষণের জন্য ধন্যবাদ..

১৬৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: না, অবশ্যই আছে। আমার মনে হয়, উপায়টা সংস্কারের নয়, রূপান্তরের। রূপান্তরের পথেই আমাদের এগুতে হবে। তার উপায়গুলোও বের করতে হবে। কিন্তু কীভাবে সেটি বড় প্রশ্ন আমার নিজের কাছেও।
১৬৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: সেটাইতো বলছি, রূপান্তরের উপায তত্ত্বীয়ভাবে আমাদের জানা আছে, তবে সেটা প্রয়োগের ব্যাপারে সফলতার হার কতটুকু সেটাই প্রশ্ন।।
১৬৫. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৫১
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: রূপান্তরের পথটি শুধু তত্ত্বীয় নয়, বাস্তবেও এর উদাহরণ আছে। বিদ্যামন ক্ষমতাকাঠামোটিকে চ্যালেঞ্জ করার উদাহরণ আমাদের সমকালীন ইতিহাসেও আছে। কিন্তু সেটি আমরা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারি না। আমার কাছে কানসাট, ফুলবাড়ি এক একটি উদাহরণ মনে হয়। কিন্তু ঘটনাগুলোর শেষ বিন্দুটা কিন্তু বিদ্যমান ক্ষমতাকাঠামোর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। বরং ভেস্টেড ইন্টারেস্ট গ্রুপের কেউ কেউ না কেউ ফসলগুলো ঘরে তুলে নেয়। কেন নিতে পারে। পারে এ জন্য যে, সামগ্রিক রূপান্তরের জন্য যে রাজনৈতিক সামাজিকায়ন দরকার সেটি ঐ আন্দোলনকারীদের নেই বলে। এই না থাকাটা কোন সাধারণ ঘটনা নয়। এটি পরিকল্পিত। সুবিধাভুগী শ্রেণী এ ধরনের রাজনৈতিক সামাজিকায়নের বিপক্ষে।
আজ ডিজুস এর কর্পোরেট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কে দাঁড়াবে। যারা দাঁড়াবে বা দাঁড়ানোর কথা তাদের মধ্যে আগে থেকেই বিরাজনীতির সামাজিকায়ন প্রক্রিয়াটা গ্রোথিত। এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শুধু পড়াতেন না। রাজনৈতিক মতাদর্শিক সামজিকায়নের কাজটিও করতেন। আমি নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক পাঠচক্র পরিচালনা করতে দেখেছি। আমি লেজুড়বৃত্তির ছাত্র রাজনীতির কথা বলছি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সে অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তারুন্যের জন্য যে রাজনৈতিক সামাজিকায়নটা জরুরি সেটি আর অনুভূত নয়। অথব এটি আমাদের বেড়ে উঠার প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল। সুতরাং এ প্রায়োগিক দিকগুলোর পুনস্থাপন কীভাবে হতে পারে সেটি ভাবনায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। খুব ছোট ছোট উদ্যোগগুলোই কিন্তু রূপান্তরের পথে একটি কালেক্টিভ ফোর্স হতে পারে। তার জন্য রাস্তায় নামাটা খুব জরুরি নয়। আমি অন্তত এভাবে ভাবতে চাই। এ ভাবনা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ আছে জেনেও।
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: বিতর্কের অবকাশ না থাকলে সেটা কোন মতবাদ হতে পারেনা...সুতরাং অবকাশটা ধরেই কাজ করতে হবে।।। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কাজটা করবে কে? উদাহরণ দেই, জাফর ইকবাল, মোজাফফর আহমদ অথবা আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ; সমাজে এদের একটা আলাদা গ্রহণযোগ্যতা আছে, এরা অনেক সময় অনেক অপ্রিয় কথা অকপটে বলতে পারেন যেটা হজম করে নেয় প্রভাবশালীরাও....কিন্তু এই ইস্যুতে তারা নিরব কেন? তাহলে কি তারাও মিডিয়া নিয়ন্ত্রিত বুদ্ধিজীবী???এরকম একটা প্রশ্ন কিন্তু মোটেই অবান্তর নয়।
এরপর ডিজুস জেনারেশন প্রসঙ্গে....অভিভাবকরা সচেতন হবেন কি, উল্টো অভিভাবকরা আরও তাদেরকে উৎসাহী করছেন। কিছুদিন আগে ইটিভিতে শিশুদের একটা নাচের অনুষ্ঠান হত "ধিন তা ধিন" ...আপনি যদি অনুষ্ঠানটা দেখে থাকেন, তাহলে নিশ্চত আতকে উঠবেন..........এই যে আমি-আপনি দীর্ঘ মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য লিখছি, তাতে কি কোন গুণগত পরিবর্তন আসবে? অথচ, আমরা বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত। যাদের হওয়া দরকার, তারা নির্বিকার.........সংশয় এবং দুঃখবোধটা এখানেই।।।

১৬৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৫৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার কথা মতে ভাইজান দেশতো রসাতলে চইলা যাওনের কথা!

আমি ভাই ৬ টা সিম, আমার আব্বা করে ৪ টা আমার বোন করে ৩টা, আমার মামাতো এক ভাই আছে ও সিমুলটেনিয়াসলি ৩ টা। কিন্তু সে ভাই ৫ পাওয়া পোলা ম্যাট্রিকে। ইন্টারেও মনে হয় পাবে।

আমার দেখা অনেক কাজিনের কাছেই নিম্নে ৪ টা সিম। ডিজুসের এই সার্ভিস আমি নিজে কিছুদিন ব্যাব হার করছি। আমার বন্ধু বান্ধব দের কিছু উপ হার দিয়েছি। ফরিদপুরে আমার বাড়ি আছে, ১৬ বছর ছিলাম। কই এমন তো কিছু দেখলাম না।

ফরিদপুর নস্ট হয়েছে অন্য কারনে। ৯৬-৯৭ এ অবাধে ফেন্সিডিল আসার কারনে আর তৎকালীন সরকারের ব্যাক আপের কারনে পুরো যুব সমাজ তখন থেকেই শেষ হয়ে গেছে। এখন সব খা খা করে কারন পুরো দুইটা প্রজন্ম নস্ট করেছে এই নেশা।

ভাই সমাজ সম্পর্কে কমেন্ট বা কিছু লিখতে হলে একটু ডীপলি করলে ভালো হয়। সৌভাগ্য আমার বাংলাদেশের অনেক জেলা আমার নিজের চোখে দেখা। তাই কনফিডেন্টলি বলতে পারি আমাদের সুশীল সমাজের পারসেপশন কতটা ভুল আর অগোছালো!
১৬৭. ০৯ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:০৯
হাম্বা বলেছেন: স্কাউট বলেছেন: চমতকার লিখেছেন।

 

মোট সময় লেগেছে ২.১৯০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা কোন ঘটনার উদ্দেশ্য হয়না,বিধেয় হয়না; সকলের অগোচরে মেঠো ইদুরের মত নিজেকে লুকিয়ে বেচে থাকে; এরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ