আমার প্রিয় পোস্ট

আত্মবিশ্বাসহীনতায় প্রকট হচ্ছে আত্মার দেউলিয়াত্ব, তবুও বিশ্বাস আগের মতই নিশ্চল..

ম্যাগনিফাইং গ্লাস (গল্প)

২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩২

শেয়ারঃ
0 2 0

হতাশাবাদীদের চোখের দৃষ্টিকে আমি সমীহ করি- সেখানে তপ্ত আশাকে বাষ্পীভূত হতে দেখে নিজের শীতল আশাগুলোকে অনেক বেশি লাবণ্যময় মনে হয়।

অন্তত আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধারের জন্য হলেও চিত্রনাট্য লেখার কাজটি পাওয়া দরকারী ছিল; সেই সেকেন্ড ইয়ার থেকে বিভিন্ন জনের দরজায় ধরনা দিচ্ছি একটা সুযোগের আশায়- বলা বাহুল্য প্রায় সর্বত্রই ঋণাত্মক অভিজ্ঞতা হয়েছে। ওদিকে বোনাস হিসেবে পরিচিতজনদের টিপ্পনি এবং শ্লেষাত্মক উপদেশনামা তো আছেই- “এইসব লেখালেখি হচ্ছে জড়মস্তিষ্কের অথর্ব মানুষদের কাজ, এগুলো বাদ দিয়ে MBA কর, মোটা মাইনের চাকরি বাগাতে পারবে। হবেনা , হবেনা ; নাটক-উপন্যাস লিখে কিচ্ছু হবেনা”।- এই স্বপ্রণোদিত হিতাকাঙ্ক্ষীদের(!) শুভকামনা চুইয়ে চুইয়ে পড়ে আমার আত্মবিশ্বাসের দেয়ালে এমন ঝুকিপূর্ণ ফাটল তৈরি করছিল যে, সেই দেয়ালচাপা পড়ে যে কোন মুহূর্তে নিজেই নিহত হতে পারতাম! এমনই অবস্থায় গত মঙ্গলবার হঠাৎ পত্রিকার মাঝের পৃষ্ঠার একটি বিজ্ঞাপন চোখে চরকা ঘোরালো- “চিত্রনাট্য রচনা প্রতিযোগিতা। সেরা চিত্রনাট্যটি অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হবে ‘কমপ্রেস টেলিফিল্মের’ ব্যানারে এবং চিত্রনাট্যকারকে ২ লক্ষ টাকা পুরস্কৃত করা হবে”। বিজ্ঞাপনটা পড়েই শ্যামাসঙ্গীত শুরু হল মনের মাঝে, অসুরিক এক আত্মবিশ্বাস ভর করল- এই পুরস্কারটা আমিই পাব! টাকার পরিমাণটা বিবেচ্য নয় ; ভাবনার মূল ব্যাপারটা হচ্ছে ক্রিয়েটিভ কাজের একটা প্লাটফরম পাওয়া- যেহেতু চাকরি করার ন্যূনতম ইচ্ছাও আমার নেই।

আজ ১৫ই মার্চ, চিত্রনাট্য জমাদানের শেষ সময় ৩০শে এপ্রিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত- অর্থাৎ প্রায় ৪৫দিনের মত সময় পাচ্ছি আমি। কিন্তু লিখতে গিয়ে অযাচিত এক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি গতকাল থেকে- লেখার বিষয়বস্তু ঠিক করতে পারছিনা, ২-১টা বিষয় নির্বাচন করে কয়েক পৃষ্ঠা লেখার পর দেখা গেল সংলাপগুলো মঙ্গাপীড়িত হয়ে যাচ্ছে, চরিত্রগুলোর দশাও অনেকটা বানভাসী মানুষের মত সহায়-সম্বলহীন। ১যুগের বেশি বয়সী লেখালিখি জীবনে ভাল-মন্দ যা-ই লিখি, লিখতে গিয়ে কখনোই এ ধরনের উদ্ভট পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি, অথচ জীবনের সম্ভাব্য মোড় ঘুরানো একটি সুযোগের সামনে এসে হাতের আঙ্গুলগুলো টিউনিক ফর্ক হয়ে কাঁপছে, মস্তিষ্কও যোগান দিচ্ছে যত্তসব গতানুগতিক-ক্লিশে গল্পের প্লট।

গত দেড়দিনে গুণে গুণে ৪৩টি সিগারেট শেষ করেছি, কিন্তু তাতে রুমে সিগারেটের বধ্যভূমি তৈরি হওয়া ছাড়া বিশেষ কোন কার্যসিদ্ধি হয়নি- আইডিয়া,..আইডিয়া; they readily left me alone. চিত্রনাট্যটি অবশ্যই ভিন্নধর্মী হতে হবে, কাহিনীতেও থাকবে অভিনবত্ব, কিন্তু আমার মননশীলতা যে ধর্মঘট আহ্বান করে বসেছে! দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত কোন রোগীকে ডাক্তার আয়ুসীমা বেধে দিলে তার মানসিক অবস্থাটা যেমন হয়, সৃজন অক্ষমতার ক্রমাগত পীড়নে আমিও সেই মৃত্যুপথযাত্রী রোগী হয়ে উঠছিলাম - সিগারেটের ছাইগুলিকে ফ্যানের বাতাসে রুমময় ছড়িয়ে পড়তে দেখে।

আমার প্রতি সময়ে-অসময়ে পাপড়ির প্রযুক্ত শর্তগুলোকে যদি লিখে রাখা যেত, তবে নির্দ্বিধায় বলতে পারি- সেই শর্তনামা কবি ফেরদৌসীর শাহনামা গ্রন্থের চেয়ে কোনক্রমেই ছোট হতনা আকারে। আমাদের সম্পর্কটাকে অনিঃশেষ ভালবাসারই বলব, কিন্তু শর্তাবলীর ঘনত্বে তার প্রকাশটা প্রায়শই আরোপিত লাগে। মাঝে মাঝে বিরক্তিরও সঞ্চার হয়, আবার ভাবি এই আরোপিততাটাই সম্পর্ককে চিরাচরিত ছকবদ্ধ না করে উন্মুক্ততা দিয়েছে- প্রাত্যহিকতাকে রূপায়িত করেছে অণুবীক্ষণিকে।
লেখালিখির বখাটেপনায় ফার্স্ট ইয়ারে ৩সাবজেক্ট ফেল করার পর লেখকসত্তাকে সমাহিত করার যাবতীয় বন্দোবস্ত প্রায় সম্পণ্নই করে ফেলেছিলাম ; সেসময় একমাত্র পাপড়ির নিরন্তর উৎসাহেই লেখক আলভি বেঁচে যায়। লেখাটা যেহেতু চিত্রনাট্যে পাচ্ছেনা সহসাই, সুতরাং অহেতুক কলমের সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক বিরোধ না বাড়িয়ে পাপড়ির কাছে গিয়ে আপাতত নিথর চিন্তাগুলোকে স্বাবলম্বী করাটাকেই সমীচীন বোধ হল। এই চিত্রনাট্য লেখায় অবচেতনভাবেই তার যে একটা নিউক্লিয়াসসুলভ ভূমিকা থাকবে, আমার দীর্ঘক্ষণ প্লটহীন থাকা মাথা এই তত্ত্বটি বুঝতে একটুও দেরি করেনি- আমাদের যৌথ প্রচেষ্টায় খণ্ড খণ্ড শব্দের শিশিরে ভরে যাবে চিত্রনাট্যের সরোবর, সেই শিশিরের শরীর ছুয়ে থাকবে সম্পর্কের প্রতিকৃতি!

'আচ্ছা আলভি, তুমি কি লেখালিখির ব্যাপারে কখনই সিরিয়াস হবেনা? তোমার অমন ভোতা চাহনিই বলে দিচ্ছে - লেখা থেকে দূরে আছো। সেদিন কিন্তু পত্রিকায় ঐ বিজ্ঞাপনটা পড়ে তোমার প্রতিক্রিয়া দেখে আশাবাদী ছিলাম- প্রতিযোগিতাটা সিরিয়াসলি নিচ্ছো।'- পাপড়ির বক্তব্যের বাহুল্যে কথা বলার ফ্লোরই পাচ্ছিলাম না; অনেকটা ভীড়ের মধ্যে শরীর ঠাসাঠাসি করার মত কথাকেও একফাকে ঠেসে দিলাম- এই প্রশ্নের মীমাংসা তো ফার্স্ট ইয়ারেই হয়ে আছে; যতদিন নিজের খুশিতে লিখতাম, ততদিন লেখাটাকে সাবান-টুথপেস্ট এর মতই তুচ্ছ নিত্য ব্যবহার্য জ্ঞান করতাম , কিন্তু যখন থেকে তোমার জন্য লিখি , তখন থেকেই লেখা সরাসরি ধমনীতে লীন হয়ে গেছে।
পাপড়ি আমার কথাটাকে কেড়ে নিল, রোদেলা বৃষ্টির মত ক্ষণস্থায়ী হাসি আছড়ে পড়ল তার মুখের মালভূমিতে- ' তোমার প্রতিটি লেখার পরতে পরতে আমার মতামত নাও, কাহিনীর আগ্রগতি-অধোগতি জানাও ; কই , চিত্রনাট্যের ব্যাপারে তো কিছুই বললে না এখনো। এমনকি তুমি যে কোন্ থিমে কাহিনী সাজাচ্ছো সেটা পর্যন্ত জানিনা।'
আমি অর্ধবৃত্তাকারে মাথা ঝাকালাম- to be very honest, আমিও জানিনা। ২দিন ধরে ঝিম বসে আছি- কোন এক্সট্রা অর্ডিনারী প্লট পাইনি এখনো- মরুভূমির প্রচণ্ড গরমের মধ্যে পিপাসায় যে অনুভূতি হয়, ধরে নাও আমিও তেমন বিভৎস তৃষ্ণায় নাভিশ্বাস তুলছি।
পাপড়ি খানিকটা বিরক্তই হল- 'এই হামবড়া কল্পনাই তোমার লেখার প্রধান ত্রুটি । চ্যানেলে চ্যানেলে দেদারছে স্ক্রিপ্টবিহীন নাটক-সিনেমা হচ্ছে, অথচ তুমি এক্সট্রা অর্ডিনারী প্লট নামের হীরার হরিণের আশায় সিগারেট নিধন করে যাচ্ছো।
আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হলাম- তুমি তো জানই, যূথবদ্ধতা আমার অসহ্য লাগে, তাই চিরায়ত চেনা দৃষ্টিসীমাকে সযত্নে এড়িয়ে গিয়ে নতুন দৃষ্টিসীমা নির্মাণেই আমার যত ঝোক। সেক্ষেত্রে একই কাহিনী-একইচরিত্র-একই উঠাবসা- নাহ, আমার পক্ষে অসম্ভব।

হঠাৎ আলোচনায় ছেদ পড়ল বাদামওয়ালার আবির্ভাবে- পাপড়িই ডেকে এনেছে; ৫টাকার বাদাম কিনে বিদায় করল তাকে।
-আচ্ছা, এই বাদামওয়ালাটিকে কোন ধরনের মানুষ মনে হল তোমার?- জানতাম এ ধরনের প্রশ্ন সে করবেই।
-সাধারণ মানুষ যেমন হয়।
-তোমার দাবা খেলার প্রতিপক্ষ ফাহিম ভাই, কিংবা আমাদের গীতিকার-বন্ধু রিয়াদকে?- প্রশ্ন যেন তৈরিই ছিল তার।
-অধিকাংশ সময়ই সাধারণ লাগা দুজন অসাধারণ মানুষ।
- আর নিজেকে?- এই প্রশ্নটিরই আশঙ্কা করছিলাম শুরু থেকে। ‘অবান্তর প্রশ্ন’- বলে দ্রুত প্রশ্নের বলয় ছিন্ন করতে চাইলেও তার ঠোটের ট্রাপিজিয়াম আকৃতির স্মিত হাসিতে বুঝলাম - বেশকিছু অম্লীয় সত্য হজম করতে হবে চরম অরুচি সত্ত্বেও।
-‘জমির মায়া’ নামের সেই রুশ গল্পটা মনে আছে? ওই যে, নব্যধনী পাখনকে বলা হল- সে সূর্যাস্তের আগে যতটুকু জায়গা ঘুরে শুরুর জায়গায় ফিরতে পারবে, পুরোটাই তার জমি হবে! কিন্তু সে এতটা পথ চলে গেল যে সূর্যাস্তের আগে প্রাণপণে নির্ধারিত স্থানে ফিরতে গিয়ে মারাই পড়ল বেচারা।- শুনতে অপ্রিয় হলেও , তোমাকে একজন উচ্চভিলাষি পাখনই মনে হচ্ছে আমার। আসলে, সাধারণ আর গতানুগতিকতার পরিসরটা এত বড় যে সমগ্রজীবন ধরে গুটিকয়েক মানুষই কেবল সেই পরিসর ভাঙতে পারে। তাই তোমাকে গতানুগতিকতাকে সারথি করেই কাজে নামতে হবে। তার চেয়ে বরং চিত্রনাট্যে প্রেজেন্টেশনের স্টাইলটা ভিন্নধর্মী করার আইডিয়াটা ভাবতে পার- এর জোরেই অনেক সীমাবদ্ধতা উৎরে যাবে।
অযৌক্তিক কিছু বলেনি সে, তবুও মানতে কষ্ট হচ্ছিল- এই দোটানার সময়গুলোতে আমি সিগারেটের শরণাপণ্ন হই, কিন্তু পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বের করতেই পাপড়ির ডান হাতটা বাঁজপাখি হয়ে উঠল- ছো মেরে প্যাকেটটা কেড়ে নিল- কী ব্যাপার, শর্ত নম্বর ১৭ ভুলে যাওয়া হচ্ছে?’
নতুন কথা শুরুর প্রস্তুতি হিসেবে একটু বিরতি নিল সে। এরপর আবার শুরু করল - ' কমপ্রেস টেলিফিল্ম থেকে যেহেতু সিনেমা হবে, তাহলে তো চিত্রনাট্যের ধরন সম্পর্কে অব্যর্থ ধারণা করাই যায়- শম্বুকগতির কাহিনী, কলাকুশলীরা প্রায় সবাই টিভি মিডিয়ার, সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ দু-একজন চলচ্চিত্র তারকা, এই তো! এর বাইরের অবশ্যম্ভাবী বৈশিষ্ট্যটি হচ্ছে- সিনেমাটি পুরো ৩ ঘণ্টা দেখার পরও একে টেলিছবিই মনে হবে। ব্যস, এজন্য তো ‘ব্রেভহার্ট’ মানের কোন স্ক্রিপ্ট লেখার প্রয়োজন নেই!

আমার আজ পাপড়ির চেয়ে বিমর্ষতাকেই বেশি আবেদনময়ী লাগছে, তাই তার প্রার্থিত সঙ্গকে উপেক্ষা করে অনায়াসেই বিমর্ষ থেকে বিমর্ষতর হতে পারছি। মনে মনে সে-ও কি বিমর্ষতাকে প্রতিপক্ষ ভাবছিল? সেজন্যই বোধহয় আচমকা উঠে দাঁড়িয়ে আমার হাত ধরে মৃদু টান দিল- চলতো, সিনেপ্লেক্সে যাব; পিসিতে মুভি দেখে দেখে চোখে হাইপারটোমিয়া হয়ে যাচ্ছে- কতদিন সিনেপ্লেক্সে যাওয়া হয়না , অথচ আমাদের এ সংক্রান্ত একটা প্রতিশ্রুতি ছিল- সেটা ভুলেই গেছ, তাইনা?
-এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিম্নমানের রসিকতাই আমার ভরসা। এবারও ব্যত্যয় ঘটলনা- আচ্ছা বলতো কাক পাখি নাকি পক্ষী?সে যা-ই হোক, এই কাক প্রাণীটিকে একদিন আমি উচিৎ শিক্ষা দেব- ওর কর্কশস্বর শুনেই ঘুম ভাঙ্গে প্রতিদিন ; ব্যস, প্রতিশ্রুতিও ভুলে যাই!- কথাটা বলে অনেকটা জোর করেই হেসে ফেললাম।

বেশ বুঝতে পারছি- আজ লেখা আসবে। আলোর কোয়াণ্টাম তত্ত্বের আদলে গুচ্ছ গুচ্ছ সংলাপ বেরিয়ে আসবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে।

ক্লাসে আমার এ্যাবসেন্ট থাকাটা এতটাই অবধারিত যে ভুলক্রমে ২-১দিন ক্লাসে গেলে সেটাই একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে উঠে। কিন্তু পাপড়ি মোটামুটি নিয়মিত ছাত্রী, তাই ক্লাস বাদ দিয়ে তাকে আমার ফ্ল্যাটে চলে আসতে বলে অস্বস্তিবোধ করছি। অবশ্য এই অস্বস্তিটাই আমাকে পরম স্বস্তি দিবে এটাও অনুমেয়্- মাথায় কেবল চরিত্রের বহুরূপী বেলুন উড়ছে; সেই বেলুনগুলোকে সর্বোচ্চতায় পৌছতে হলে ‘পাপড়ি’ নামের হিলিয়াম গ্যাসটির কোন বিকল্প যে আমার জানা নেই!

-‘ভাবছি নায়কচরিত্রটি শেষের কবিতার অমিত রায়ের সেমিক্লোন করবো; আইডিয়াটা কেমন?’-এই প্রশ্নে পাপড়ির কাছ থেকে তেমন আশাব্যঞ্জক সাড়া পেলাম না- ‘প্রাগৈতিহাসিকযুগীয় আইডিয়া। অমিত রায় চরিত্রটি আদ্যোপান্তই আত্মম্ভরীতায় পূর্ণ, যে কিনা সর্বক্ষণ নিজেকে ব্যতিক্রম সাজানোর অপেচষ্টায় মত্ত। সেই তুলনায় লাব্ণ্য চরিত্রটি যথেষ্টই নিষ্প্রভ- শেষপৃষ্ঠার ‘হে বন্ধু বিদায়’ চিঠিটার আগ পর্যন্ত তার চরিত্রটাকে বলব ইতালীয়ান রক্ষণাত্মক ফুটবলের প্রতিমূর্তি।‘

একটু পরেই তার মধ্যে নতুন করে উন্মাদনা দেখলাম চরিত্রের ব্যাপারে- আচ্ছা, দি ট্রায়ালের জোসেফ চরিত্রটি তো বিবেচনায় রাখা যায় – সম্পূর্ণ স্বাধীন জীবনযাপন করা সত্ত্বেও, সমাজের আইন বলছে তাকে নাকি গ্রেফতার করা হয়েছে, যদিও গ্রেফতারের সংবাদ নিয়ে আসা অফিসাররাও জানেনা তার অপরাধ কী। অদ্ভুত অভিযোগে প্রাণদণ্ডও হল, কিন্তু সে নির্বিকার! (আবার বিরতি দিয়ে) তবে তুলনামূলকভাবে আউটসাইডারের নায়ক চরিত্রটিই নির্মোহতার নিরিখে বেশি আকর্ষণীয়- মায়ের লাশের পাশে বসে নৈশপ্রহরীর সঙ্গে সিগারেট শেয়ার করছে, মায়ের শবযাত্রায় শরিক হয়েও কান্না আসছেনা একটুও- জীবনকে সে শুধুই একটা পর্যবেক্ষণ হিসেবে দ্যাখে, যে নিজে একজন প্রতিক্রিয়াশূন্য পর্যবেক্ষক!

পাপড়ির স্ববিরোধী কথা-বার্তায় হতাশই হলাম; সেটা সরাসরি বলেও ফেললাম- ধুর, কাম্যুর গল্পের চরিত্রগুলোর মনস্তত্ত্বিক জটিলতা বাঙালির ফ্যান্টাসি লালিত মস্তিষ্কে ধরবেনা, বরং দূরবীনের ধ্রুব টাইপ অপ্রকৃতিস্থ চরিত্রগুলো এদের স্বপ্নের ক্যানভাস।

-আমার কথায় পাপড়ি সম্ভবত বাস্তবতায় প্রত্যাবর্তন করল- তাহলে কবি উপন্যাসের নিতাইচরণকে নিয়ে ভাবতে পার- এত কষ্ট, এত গঞ্জনা আর বিচ্ছেদে জর্জরিত হয়েও জীবনের সাধ তার মেটেনা। তাই তো বারেবারেই সে বলে- ‘জীবন এত ছোট ক্যানে?’

আমার উগ্র মননশীলতা আমার মাথায় কষে চপেটাঘাত করল- আমি কেন কালজয়ী চরিত্রের ছায়া অবলম্বনে চরিত্র সৃষ্টি করতে চাইছি?

তাই সহসাই সিদ্ধান্ত পাল্টে বললাম- চরিত্র রিভিউ বাদ, এবার নিম্ন মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট, সম্পর্কের টানাপোড়েন, ঘরের আনাচে-কানাচে কম্প্রোমাইজিংয়ের চিহ্ন- এই থিমের উপর স্ক্রিপ্ট লিখবো।
-বহুদিন বাদে পাপড়ির ঘনকাকৃতির হাসিটা আবার দেখা গেল এই প্রস্তাবে- "কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এই প্লটটা মানুষকে ভাবায়না। পুরস্কারের প্রশ্ন যেহেতু জড়িত, তুমি কোন মানবিক ইস্যুকে ভিত্তি ধরে স্ক্রিপ্ট লেখো, সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। যেমন, পথশিশু; এটা মোক্ষম একটা প্লট হতে পারে। সংলাপগুলো হবে এমন, যেন শুনলেই চোখে মুষলধারে বর্ষার বৃষ্টি নামে। এই স্ক্রিপ্ট নির্বাচিত না হওয়ার কোন কারণ দেখছিনা, কারণ চক্ষুলজ্জা বা নিজেদের ঔদার্য শ্রোতামহলে সেরদরে বিক্রির এমন সুযোগ কর্তৃপক্ষ হারাতে চাইবে না ; তুমিও হারিও না। নিগূঢ় ব্যাপারটি তো সবাই বোঝে- ওরা আবেগকে পুঁজি ধরেছে, তুমিও আবেগেরই ফাকাবুলি লগ্নি করছো ; the deal is simple and vivid.

বিবেকবোধ আমার কখনই প্রবল নয়, তাই পাপড়ির এহেন নির্লজ্জ বৈষয়িক পরামর্শটাতে মোহিত হলাম পুরোমাত্রায়, আবার মনোবৈকল্যেও ভুগছি- সে ও কি আমার মতই পেশাদার হিপোক্রেট?

৩১শে মার্চ পর্যন্ত- পথশিশুদের নিয়ে লেখা স্ক্রিপ্টটা অনেকদূর এগিয়েছিল, কিন্তু ১ তারিখের প্রচণ্ড মানসিক অবসাদগ্রস্ততা লেখার প্রবাহকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে কাকড়া বিচ্ছুর মত বিষাক্ত মনে হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার বিশেষকাজে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পর। কথা প্রসঙ্গে মা-কে বলেছিলাম এতবড় বাড়িতে এভাবে একা না থেকে বৃদ্ধাশ্রমে যাবেন কিনা, সেখানে সমবয়সী অনেক মানুষকে পাবেন, সময় ভাল কাটবে। কথাটা শুনে মা প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছেন, আমার বাকি ৪ভাইবোনেরা বলে দিয়েছে- বিশেষ প্রয়োজন না পড়লে আমি যেন আর বাড়িমুখো না হই।
বাবা মারা গেছেন প্রায় ১ যুগ , বোনেদের বিয়ে হয়ে গেছে, ভাইয়া ঘোড়াশালে চাকরি করছে, আমারও ঢাকা থেকে আর ফেরা হবেনা- বছরের পর বছর মা এই যে বাড়িতে একা পড়ে থাকেন, এটা কোন ধরনের জীবন? আমার পরিকল্পনা ছিল মা’কে বলব আরেকটা বিয়ে করেন- যৌবনে বিয়ের হয়ত অনেক অর্থ হয়, কিন্তু বৃদ্ধবয়সে বিয়ের অর্থ একটাই- পরস্পরের স্মৃতির প্রতিবিম্ব হওয়া। কিন্তু এই প্রস্তাবটা উত্থাপনের সাহস পাইনি- আমার ভাই-বোনেরা সারাবছর মায়ের খোজখবর না নিলেও, এ ধরনের কাজ করলে যে তাদের মান-সম্মান বলতে কিছু থাকবেনা, সেটা বুঝতে পারি। আমার ভাবনা আমার মাঝে নিয়েই ঢাকা ফিরলাম। সারাটা পথ, বাসের চাকার ঘূর্ণনের সাথে সাথে মায়ের সংগ্রামী জীবনের চিত্রটাও ঘুরছিল মাথায়।
নাহ, পুরস্কার পাই, বা না পাই, স্ক্রিপ্টটা মায়ের জীবন নিয়েই লিখবো।

জীবনে এমন বৈশাখী আমেজ খুব বেশি লাগেনি। মাত্র ৪দিনেই স্ক্রিপ্টটা লেখা শেষ হয়েছে। মাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে রীতিমত ধ্যান করতে হয়েছে - মনে হচ্ছিল যাকে নিয়ে লিখছি আর যাকে চিনি- দুইজন ভিন্ন মানুষ, কিংবা মাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে অহেতুক আবেগের সুড়সুড়ি দিচ্ছি। তবুও এটিই একমাত্র লেখা, যেটি লিখে মনে অবিরল প্রশান্তি ঝরেছে।
গতকাল পাপড়ি এসে স্ক্রিপ্টটা পড়েছে- সে অভিভূত ; যাওয়ার সময় স্ক্রিপ্টটা নিয়েও গেছে- রুমমেটদের সঙ্গে এই অনির্বচনীয় অনুভূতিটা শেয়ার করতে চায়।

“তোমাকে তো অনেকদিন কিছু দেয়া হয়নি, স্ক্রিপ্টটা পড়ে এতটাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েছিলাম যে, ভাবলাম তোমাকে কিছু না দিলে অন্যায় হয়”।– পাপড়ির হাস্যোজ্বল প্রশংসায় আমি যথাসম্ভব লাজুক হওয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু তাতে নিজেকে আরো বেশি বেহায়া মনে হতে লাগল । তবুও কোনমতে বললাম- দেখ, এটা আমার কাছে শুধুই একটি লেখা নয় আর, অজান্তেই হৃৎপিণ্ডের খণ্ডিতাংশ হয়ে উঠেছে।
-ব্যাগ খুলে সে যখন উপহারটি আমার সামনে রাখল, তখন মারা যাওয়াটাই সবচেয়ে সুখের পরিণতি হত আমার - পুরো স্ক্রিপ্টটাকে সে কুচি কুচি করে ছিড়েছে; কাগজের ছেড়া টুকরোগুলো আমার ক্ষতবিক্ষত লাশ!
অথচ তার মধ্যে সামান্যতম অপরাধবোধও দেখতে পেলাম না। স্বাভাবিক কণ্ঠেই সে বলতে লাগল- 'তোমাকে অনেক বড় হতে হবে আলভি। আমি জানি, তুমি এই পুরস্কারটা জিততে পারতেনা, কারণ লবিং-তদবির করে অমুক পরিচালক-তমুক প্রযোজকের কোন স্বজনের বস্তাপচা স্ক্রিপ্টই পুরস্কারটা পাবে, তোমার লেখাটার মূল্যায়ন হবেনা। তাছাড়া, এই লেখাটার জন্য তুমি জীবনভর আফসোস করবে- প্রত্যেকটা লেখা শেষ করে এর সাপেক্ষে তুলনা করতে বসবে। ছিড়ে ফেলে আমি তোমার লেখকসত্তাকে নবযৌবন দিলাম- তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ লেখাটা নাহয় অপ্রকাশিতই থাকল ।
- শেষের কথাটা বলে পাপড়ি শিশুসুলভ সরলতায় কাঁদতে কাঁদতে আমার কাধের উপর মাথা এলিয়ে দিল, কিন্তু আমি নিশ্চল বসেই রইলাম - আউটসাইডারের নায়কের চেয়েও আমি এখন অনেক বেশি প্রতিক্রিয়াশূন্য!

আশাবাদীদের চোখের দৃষ্টিকে আমি বিদ্রুপ করি- সেখানে হতাশাকে অর্ধচন্দ্র পেয়ে বিতাড়িত হতে দেখে নিজের হতাশাকে সিগারেটে ভরে সুখটান দেই।
............................................................................................

এই সিরিজের আগের গল্পগুলো
পৈসু বিন্যাস
৭দশ ১' একাত্তর
সম্পূরক কোণ
লিখি চলো

 

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: পুরো মাসটাই প্রায় ব্লগের বাইরে ছিলাম, এর মধ্যে প্রথমবারের মত আমাদের ডিপার্টমেন্টাল ফেসটিভাল হল, সেখানে সাংস্কৃতিক পর্বের নানারকম স্ক্রিপ্ট লেখাতেই বেশ ব্যস্ত সপ্তাহ কেটে গেছে; সেটা শেষ করে অন্য একটা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এখন আবার সব স্বাভাবিক। তাই আশা করছি, আবার ব্লগে নিয়মিত হতে পারব।

অনেকেই প্রশ্ন করেছিলেন - আমি এতদিন কোথায় ডুব দিয়ে ছিলাম। যাইহোক, ব্লগের প্রতি এমনই এক আকর্ষণ কাজ করে যে এখান থেকে বেশিদিন লুকিয়ে থাকা সম্ভব নয়।

প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আমাদের প্রোগ্রামের থিমসঙটা শেয়ার করছি। এটা সরাসরি প্রোগ্রাম থেকে ধারণকৃত। আমার দুজন খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু আদনান ও অধি গানটিতে সুরারোপ করে নিজেরাই গেয়েছে। আর, দুর্ভাগ্যবশত গানটি আমার লেখা।
শুনে দেখতে পারেন
Click This Link
২. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৪
বরুণা বলেছেন: হিমলু!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! কেমন আছো?? আমি তোমাকে খুঁজেছিলাম আজকে।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: আছি কাকী, হারিয়ে যাইনি এখনো।।।

৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৩
সোজা কথা বলেছেন: দীর্ঘদিন পর হিমালয়ের লেখা। আপনাকে আগের মত দেখি না।

২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: এখন থেকে দেখবেন ইনশাল্লাহ।।।

৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৮
শেরজা তপন বলেছেন: স্যরি - প্রথমকয়েক প্যারা পড়ে বেশ ভাল লাগল কিন্তু সময়ের অভাবে পুরোটা আপাতত পড়তে পারছিনা। সুযোগ পেলে পরে পড়ে মন্ত্য করব।
যতটুকু পড়েছি ততটুকুর জন্য প্লাস
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, পড়ে পড়লেও হবে।।।

৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩০
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: গল্পটা দারুণ লাগলো... যদিও গল্প, তবু গল্পের কিছু বাস্তব মনে হচ্ছে।

গানের সুর পছন্দ হয় নাই!
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: কওকি মিঞা, আমার বন্ধুরা এত কষ্ট কইরা সুর করলো।।।

৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
মুক্ত বয়ান বলেছেন: সুর করছে কষ্ট কইরা..তাই ধইন্যা.. কিন্তু.. লাভ কি!!! ;)

আমগো সি.এস.ই 'র থিমের মত হইছে নি?? ;)
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধুর মিঞা, এর মধ্যে আবার ডিপার্টমেন্ট আসলো কোত্থেকে।। আর তোমাদের থিমসঙটা শুনিনাই..তাই বলতে পারতেছিনা..

২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: এমএমই ডে...

৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: পড়তে পড়তে অনেকটা বোর হয়ে যাচ্ছিলাম। বার বার একটা একটা ধাক্কা খেয়ে আবার জেগে উঠছিলাম।
মাকে বৃদ্ধশ্রমে যাওয়ার কথা শুনে আমিও খেপে গিয়েছিলাম। তবে পরে চিন্তাটা আমারও আসলো। বছরের পর বছর একটা মানুষ কি করে একা থাকে!!!
তবে শেষ ধাক্কাটা মর্মান্তিক। আপনার গল্পের নায়কের চরিত্রের কথাতো জানি না। ঐ জায়গায় আমি হলে, পান্ডুলিপির মৃত্যুর সাথে সাথে আমার লেখক সত্তাটিরও মৃত্যু হতো।

লেখাটা অসাধারণ লেগেছে।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন? "জীবন একটি মুখোশ" সিরিজ কি শেষ হয়েছে? তাহলে ওটা পড়া শুরু করবো।।।

১০. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
কালপুরুষ বলেছেন: আবারো এতো বড় গল্প! চোখের বারোটা বাজবে পড়তে গেলে। রাত করেতো নয়ই।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।।

১২. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৯
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: আছি ভালোই।
নাহ্ । সিরিজটা থমকে গেছে। লেখায় দূর্বলতা আছে প্রচুর। শুরু করবার আগে চিন্তাটা ছিল, লেখাটা হবে অসাধারণ বাস্তবতা নির্ভল। বাস্তব জীবনের সমস্ত জটিলতায় পূর্ণ থাকবে উপন্যাসটি। তবে হলো না। সম্পর্কের জটিলতাগুলো পূর্ণাঙ্গ রুপ দিতে পারছিলাম।
যাকে বলে, নিজে লিখে শান্তি পাচ্ছি না।
তাই সব থমকে গেছে।

তারপরও যে কটি পর্ব প্রকাশ পেলো সেগুলো আপনার মূল্যায়নের জন্য ছেড়ে দিলাম।
পড়েই দেখুন কেমন লাগে?
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ওই কয় পর্বই পড়বো।।।

"শুরু করবার আগে চিন্তাটা ছিল, লেখাটা হবে অসাধারণ বাস্তবতা নির্ভল। বাস্তব জীবনের সমস্ত জটিলতায় পূর্ণ থাকবে উপন্যাসটি। তবে হলো না। "...আপনার চিন্তাটাও আলভির মত হয়ে গেলনা??? হা হা হা...

২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: কি হে ভ্রাতা, লেখা না পড়ে অফটপিক কমেন্ট করলা!!

১৪. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৭
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ভাইয়া ব্যাপক ঘুমে ধরছে :-< শোকেইসে তুইলা রাখছি.... সময় নিয়া পড়ুম! B-)
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: এই সাতসকালে ঘুম!!!!!

১৫. ২৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
অদ্রোহ বলেছেন: রাইটার্স ব্লক আসলেই মাঝে মাঝে সিন্দাবাদের ভূতের মত মাথার ওপর চেপে বসে,আইডিয়ার অভাবে মাথা খুঁটে মরার উপক্রম হয়,তাও কোনোকিছুই মাথায় আসেনা।গল্পের শুরুটা একটু শ্লথ হলেও সমাপ্তিটা দারুণ হয়েছে।তাই শুরুর জড়তা কাটিয়ে ওঠার পর কাহিনী এগিয়েছে,গল্পটাকেও অহেতুক প্রলম্বিত মনে হয়নি।++
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: বুঝতে একটু ভুল করলে ভায়া, এখানে রিষযটা রাইটার্স ব্লক না, অন্য কিছু..

১৬. ২৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
শিট সুজি বলেছেন: সিরাম গল্প।

একটার বেশি প্লাস দেওয়া গেল না। আফসোস !! (দুঃখিত হবার ইমো)

সরাসরি প্রিয়তে।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: আরে, তুমি ব্লগে!!!!!

১৭. ২৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
পারভেজ বলেছেন: পড়লাম। শেষটায় একটু আফসোস হয়েছিল; তবে পাপড়ির বিরুদ্ধে পাঠকের কিছু বলার থাকেনা। প্রতিক্রিয়াশূন্যতাটা নিশ্চই সাময়িক।
ভালো গল্প।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: এত সংক্ষিপ্ত মন্তব্যটা কি পারভেজ ভাইয়ের!!!!

১৮. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৬
বাউলিয়া মন বলেছেন: খাইচে আমারে গল্প এইটা আমার মোবাইলে পড়তে হইলে চারজ চইলা যাইবো পরে পরুমনে।

মামা আমার নতুন ব্লগটা একটু দেইখা আসেন মন্তব্য না দিলে কিন্তু আমি কান্দুম আগে কইলাম।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: আপনার অন্য কোন নিকের সঙ্গে কি আমার জানাশোনা আছে? একটু ইঙ্গিত দেন...

১৯. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫০
বাউলিয়া মন বলেছেন: কওন জাইবো না ইঙ্গিত মুক্তর চায়ের দোকানের পাটনার।

চিনছো??
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: আগের নিকটাই ভাল ছিল ।।।এখনও চা খাচ্ছি।।।

২০. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১১
বাউলিয়া মন বলেছেন: আগের নিক এখনো আছে ওইটা কবিতা আর এইটায় আমার আসল রুপ গান লেখা।

আরে মিয়া কতদিন হইছে বাংলাদেশের চা খাইনা
এইখানের চা মানে গরম পানির সাথে চিনি।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, গান অবশ্য পড়ার চেয়ে শোনাতেই বেশি মজা।।

২১. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
বাউলিয়া মন বলেছেন: হ তা ত আমিও কই আসেন গলা জাড়ি দিয়া শুরু কইরা দেন আমি বাজনা বাজামুনে।
২২. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
ফেরারী পাখি বলেছেন: ধন্যবাদ, গল্পটা বড় হলেও এবারেরটা বেশ সহজপাঠ্য মনে হয়েছে। ভালো লাগলো কিন্তু গল্পের নামকরণ টা কি আর একটু সহজ করা যেত না?

গানটা আসলে অধিক যন্ত্রের আনুষাঙ্গিকতায় পরিষ্কার বোঝা যায়নি।

ব্লগে লিরিকসটাও দিয়ে দিতে পারেন।
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: গল্পের নামের মধ্যেই পুরো গল্পটার ফিলোসফি আছে, সেক্ষেত্রে এর থেকে বেটার চয়েস লেখার সময় ছিলনা।।।

২৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
জুল ভার্ন বলেছেন: পুরো এক মাস পরে লিখেছো। প্রতি দিন তোমার লেখা খুঁজি। অবশেষে যে দিন লেখাটা দিলে-সেদিনই আমি ব্লগে অনুপ্সথিত ছিলাম। ২ দিন পর পড়েও কৃতার্থ এমন সুন্দর লেখায়।

থ্যাংকস উইথ প্লাস।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: আসলেই অনেক দিন দেরি হয়ে গেছে ভাইয়া।।। কেমন আছেন???আপনার মেইল এড্রেসটা দরকার ছিল।।।

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: আরে, অক্ষর ভাই.........

২৫. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১:৫২
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: এবার ইভটিজিং এর পর প্রহার।

Click This Link

পোস্টটি স্টিকি করতে ফিডব্যাক পাঠান।এবং চাইলে মেইলে বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করতে পারেন। কেননা আমরা জনমত গড়ে তুলতে চাই। ৩০মে. সন্ধ্যা পাঁচটায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই ঘটনা সংগঠিত হয়েছে।
২৬. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৪
দারুচিনি বলেছেন: মন খারাপ হয়ে গেলো লেখাটা পড়ে।খুব ভালো লেখা।শেষটা বেদনার।
হতাশাবাদীদের দলে আমি নই।কোন ভাবেই নয়।
পরে ঘুরে যাবো।
একটু আগে প্রায় ২৭ থেকে ৩১ মিনিট সময় খুব ভালো কাটলো।মানুষের কাছে থাকাথাকির নানান সুরাসুর থাকে।তেমনই।
ভালো থাকা হোক।
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন: হতাশাবাদীদের চোখের দৃষ্টিকে আমি সমীহ করি- সেখানে তপ্ত আশাকে বাষ্পীভূত হতে দেখে নিজের শীতল আশাগুলোকে অনেক বেশি লাবণ্যময় মনে হয়


সময় ভাল কাটুক সুস্থতায়, এটাই জরুরী।।।

২৭. ০২ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
রোডায়া বলেছেন: হুম, বেশ ভালো লাগলো৷ যদিও অনেক বেশি রেফারেন্সপূর্ণ বলে মনে হয়েছে৷

গল্পের শেষ হিসেবে শেষটা ভালো হয়েছে৷ তবে পাপড়ির বোধ হয়তো পুরোপুরি ঠিক না৷ নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে চেষ্টা করাই মনে হয় মানুষের সাধনার একটা অংশ৷

টলস্টয়ের গল্প "হাউ মাচ ল্যান্ড ডাজ আ ম্যান নিড" এর বাংলা নাম "জমির মায়া" নাকি? আর ওখানে টলস্টয়ের নাম না দিয়ে রুশ গল্প হিসেবে চালিয়ে দেয়াটা কেমন যেনো মনে হলো৷
০২ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: "যদিও অনেক বেশি রেফারেন্সপূর্ণ বলে মনে হয়েছে"।- এই কথাটি যথার্থই বলেছেন, ইনফ্যাক্ট শুরুতে প্ল্যান ছিল রিভিউ স্টাইলে একটা পূর্ণাঙ্গ গল্প লিখবো,....কিন্তু কিভাবে যেন গল্পের প্লটটা ঘুরে গেছে।।।

টলস্টয়ের গল্প "হাউ মাচ ল্যান্ড ডাজ আ ম্যান নিড" এর বাংলা নাম "জমির মায়া" নাকি? আর ওখানে টলস্টয়ের নাম না দিয়ে রুশ গল্প হিসেবে চালিয়ে দেয়াটা কেমন যেনো মনে হলো৷..........হ্যা, এটা টলস্টয়ের সেই গল্পটাই...........আপনি খেয়াল করে দেখেন, এই গল্পের সর্বত্রই বই বা চরিত্রোের নাম বলা হয়েছে, লেখকের নাম লেখা হয়নি, তাই এক্ষেত্রেও আলাদা করে টলস্টয়ের নামটি উল্লেখ করিনি.......

আপনার লেখাটা পড়েছি।।। ইনশাল্লাহ, সময় করে মন্তব্য করব আজ-কালের মধ্যেই।।।

২৮. ০২ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
অপ্‌সরা বলেছেন: খুবই ভালো হয়েছে গল্পটা। পাপড়ীকে চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি।
০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: আফ্রোদিতি আপু, আপনি নিজেই পাপড়ি হয়ে যাননি তো???

২৯. ০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: কতগুলো পয়েন্ট কথামালার ভিড়ে থাকলেও ওগুলোকে বেশ প্রয়োজনীয় মনে হয়েছে...

যেমন - মিডিয়াতে আবেগ নিয়ে বেসাতি, বৃদ্ধাশ্রম কিংবা মায়ের বৃদ্ধ বয়সে তার সাথে হওয়ার জন্য একটি বিয়ে করার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও তা নিয়ে কথা বলতে না পারা...
০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: বেশ কিছু ভাল পয়েন্ট খেয়াল করেছেন।।। আসলে আমি একটি থিমে গল্প লিখিনা, অনেকগুলো উপ থিম থাকে...তাই হয়ত কথার ভীড়েই অনেকগুলো পয়েন্ট থাকে।।।


পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।।।

৩০. ০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: এই গল্পের ফিনিশিং আমার কাছে খুবই ভাল লাগছে। এভাবে শেষ হবে ভাবিনি। পাপড়ি চরিত্রটা অনেক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। খুব ভালো একটা চরিত্র তৈরি করেছো।
গল্পের মোড় ঘুরে গেছে যেহেতু, রেফারেন্স দিয়ে কথাগুলো পাল্টে দিতে পারো। পুরোটা অমন হলে কেমন হতো কে জানে, তবে এখন মনে হচ্ছে তুমি ব্যাখ্যা করতে না পেরে তুলনা দিচ্ছো। এটা হলো উপমার বিড়ম্বনা!

গল্পটার শিরোনাম দুর্দান্ত লাগছে। কীভাবে পঠিত হবে গল্প সেটার জন্যে পাঠককে আগে থেকেই প্রস্তুত করে দেয়ার মতো। পুরোটা সময় আমি সেটার সাথেই মিলিয়েছি, এবং শেষে এসে চমৎকৃত হয়েছি।

অনেকদিন পর তোমার গল্প পড়ে ভাল লাগছে হিমেল। গানটা বাসায় গিয়ে নামাবো, অফিসে ইস্নিপস্‌ ব্লকড!
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: "গল্পের মোড় ঘুরে গেছে যেহেতু, রেফারেন্স দিয়ে কথাগুলো পাল্টে দিতে পারো। পুরোটা অমন হলে কেমন হতো কে জানে, তবে এখন মনে হচ্ছে তুমি ব্যাখ্যা করতে না পেরে তুলনা দিচ্ছো। এটা হলো উপমার বিড়ম্বনা!".........ভাই এই ব্যাপারে একটু ডিটেইল বলেন।।। এই সপ্তাহে নাটক লিখতেছি, তবে সেটা ব্লগে দেবনা (৭১ গল্পটার নাট্যরূপ দিচ্ছি).....


সেই লেখাটা বাকি দেড়বার আর পড়া হয়নি, তাই মন্তব্য দিতে দেরি হচ্ছে..

৩১. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: মাঝে এক মন্তব্যে বললে যে প্রথমে যেমন উদ্ধৃত চরিত্রের মাঝ দিয়ে লেখাটি লিখতে চেয়েছ, সেটা লিখতে লিখতে বদলে গেছে। সেকারণে হয়তো শেষের দিকে অন্য চরিত্রের উল্লেখ করে গল্পের চরিত্রের অনুভব বুঝানোর প্রয়াসটা আরোপিত লাগছে। সেখানে সরাসরি নায়কের কথাটাই বলা যেত, সেটা ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা তোমার আছে।

উপমার বিড়ম্বনা হলো, উল্লেখের সাথে সাথেই উপমিতকে আমরা একটা ছাঁচে ফেলে দিতে বাধ্য হই, সেটা অনেক সময়ে বোধগম্যতায় সাহায্য করলেও কখনো কখনো সীমাবদ্ধতা।
মেঘের মত বিছানা বললেই বিছানার প্রসারণ মেঘের ছবিতে বা সৌন্দর্যে আটকে যায়। কিন্তু লেখকের বা পাঠকের কল্পনায় তো বিছানাটি অন্যভাবেও মেঘের চেয়েও সুন্দর হতে পারতো! এটা বেশি সমস্যা করে যখন আমরা অবস্তুগত কোন কোন প্রকাশে উপমা ব্যবহার করি। সেটার কথাই বলছিলাম।
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ৭:২৩

লেখক বলেছেন: এইবার বুঝলাম, লেখাটা তাহলে এডিট করার ইচ্ছা রইল।।। ধন্যবাদস্বরূপ আপনার জন্য পলাশীর মানিক মিঞার চা বুকিং রইল ভাই!!!

৩২. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
চানাচুর বলেছেন: গতকালকেই এই পড়েছিলাম। সবারই ভীষণ ভালো লেগেছে কমেন্ট দেখে বোঝা যাচ্ছে। লেখাটা কেন ভাল লাগলনা এটা নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভাবলাম। ভেবে যা পাওয়া গেল তা পড়ার সময় থেকেই মনে হচ্ছিল তাই ভেবে বিশেষ কিছু সুবিধা করতে পারিনি। যাইহোক লেখাটা না ভাল লাগার বেশ কিছু কারণ আছে। আপাতত বলছিনা পরে সময় করে অবশ্যই বলব।
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: এই কমেন্টটা আমিই আশরাফ ভাইয়ের একটা পোস্টে করেছিলাম.......যাইহোক, সেটাই পেস্ট না করে ঐ পোস্টের লিংক দিলেই চলত।।।

৩৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৫১
অপরিচিত_আবির বলেছেন: গল্প ভালো লেগেছে। তবে শুরুতে বুঝতে পারছিলাম না আত্মকথন নাকি ফিকশন। কিন্তু হিমালয় আপনারো কি গল্পের নায়কের মতো রাইটার্স ব্লকে পেয়েছিল নাকি ? সামুকে মাসিক পপত্রিকা হিসেবে ব্যবহার করলে চলবে না কিন্তু !!!
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: নারে ভাই, রাইটার্স ব্লক না, আসলে কিছু অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলাম...

৩৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
চানাচুর বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন। উনার পোস্টে আপনার কমেন্ট দেখে আপনার পোস্ট পড়তে আসলাম। তখন আপনার মতই অবস্থা ছিল আমার। তাই কমেন্টটা কপি পেইস্ট করে দিয়েছি অবশ্য এডিটও করেছি প্রথমটুকু। আপনার লেখাটা প্রচন্ড বোরিং। কমেন্ট করতে হলে দ্বিতীয়বার পড়তে হবে কিন্তু পারছি না। ভালো থাকবেন।
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ওকে।।

৩৫. ০৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
টুশকি বলেছেন: হিমু ভাই!
লেখাখানি পড়িলাম না
ম্যাগাজিনে হইলে পড়িতাম, ইহা ম্যাগাজিনের উপযোগী করিয়াই লিখিয়াছেন বলিয়া মনে হয়।
গানটা শুনিয়াছি, ভালো।
০৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ম্যাগাজিনে হইলে পড়িতাম, ইহা ম্যাগাজিনের উপযোগী করিয়াই লিখিয়াছেন বলিয়া মনে হয়...........কি করিয়া মনে হইল ইহা বুঝিলাম না ভগ্নী।।।

৩৬. ১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৪
নাজনীন খলিল বলেছেন: অনেকদিন পরে ব্লগে এলাম।অনেক বড়ো লেখা সময় করে পড়তে হবে ।তবে আরম্ভটা খুব ভাল লাগল। প্রিয়তে নিচ্ছি ।সময় করে পড়ে নেবো।

তুমি কেমন আছো হিমু? অনেকদিন আমার ব্লগেও যাওনি।
ভাল থেকো।
১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: আরে আন্টি, এইমাত্র আপনার ব্লগে দীর্ঘ একটা মন্তব্য করে আসলাম........অদ্ভুত যোগাযোগ।।

৩৭. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২১
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: নেট সমস্যার জন্য বড় মন্তব্য করতে পারছি না। প্রথম লাইনে ''সমীহ'' শব্দটা খাপ খায় কি ? সমীহ শ্রদ্ধাবাচক। হতাশাগ্রস্তদের সাধারণত আমরা কি শ্রদ্ধা করি ? লাইনটা এমন হতে পারে - হতাশাবাদীদের চোখের দৃষ্টি আমাকে হতাশা থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে ......।
অসুরিক নয় আসুরিক। বিশেষ্য অসুর থেকে বিশেষণ আসুরিক।
পরে আবার লিখবো।
সবমিলে ভালো লেগেছে। ভাষা ও শব্দ ব্যবহারে হিমালয়সুলভ সৌন্দর্য এখানে পুরোপুরি বিদ্যমান।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++!
১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: গল্পের প্রথম ও শেষ লাইন দুটি পড়েই গল্পকথকের সাইকোলজিটা বোঝা যায়, সে নিজে একজন হতাশাবাদী মানুষ- তাই আশাবাদীদের সে বিদ্রুপ করে, আর হতাশাবাদীদের সমীহ বা শ্রদ্ধা করে।।। "অ" আর "আ" প্রায় শব্দেই আমার সমস্যা করে.....শুদ্ধ শব্দটি বলে দেয়ার জন্য আপনাক অনেক ধন্যবাদ।।।।

আশা করছি, শীঘ্রই আবার কথা হবে...

২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।।

৩৯. ২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৩
হৃদছায়া বলেছেন: সুন্দর গল্পের বুনন, তবে মাঝে মাঝে একটু ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটছিলো
২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: ধৈর্য্যচ্যুতির ব্যাপারটা ভাবনায় থাকল।।।

৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: ভাই, "মহাকবি ঝরে পড়ে" গল্পটাকে নাটক করতেছি।।। টার্ম ব্রেকে নাটক বানাব....তাই নতুন লেখা নেই আপাতত, তবে আসবে ইনশাল্লাহ...

৪১. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অসাধারন ....প্রতিটা বাক্য উপভোগ করেছি .... পড়তে পড়তে বার বার মনে হচ্ছিলো এই বুঝি মূল প্রসঙ্গ ছেড়ে অন্য কোন প্রসঙ্গে চলে যাবেন .... নাহ, ঠিকই আবার ঘুরে চলে এসেছেন মুল প্রসঙ্গে ......চমৎকার ......

শেষের অংশটা একবারে অন্যরকম হয়েছে ..... আমি এই জায়গায় হলে আজাইরা ভাব নেওয়ার জন্য প্রেমিকার সাথে একটা ফাটাফাটি ঝগড়া হয়ে যেতো....হা হা হা

অদ্ভুত সুন্দর লেখেন আপনি, জীবনেও আপনার মত লিখতে পারবো না, স্বীকার করতে লজ্জা নেই একটু ঈর্ষাও হচ্ছে .... দোয়া করি আরও সামনে এগিয়ে যান..... শুভেচ্ছা রইলো .....
০৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক দেরিতে হলেও পড়েছেন বলে অসংখ্য ধন্যবাদ।।। বাকি কম্প্লিমেন্টের ব্যাপারে কিছু বলবোনা.........

৪২. ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
মুক্ত বয়ান বলেছেন: সম্পাদক সাহেবের খবর কি?? ;)
০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: tumi jibito naki!!!!!!!!!!!!!!!!!

০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: লক্ষণ তো তা বলেনা....

৪৪. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
রোডায়া বলেছেন: কই লেখার মন্তব্য করবেন বলছিলেন, কি হলো তার?
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: মন্তব্য করেছি তো।।।

৪৫. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: গল্পটা আগেই পড়ছিলাম। তয় মনোযোগ দিতে পারি নাই। তাই মন্তব্যও করিনাই।

আছেন কেমুন। সময় কম হাতে-তয় খেয়াল রাখি কি লিখতাছেন না লিখতাছেন। ভালো থাইকেন।
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আছি শুভ্র ভাই...এইমাসে ৩টা নাটক লিখলাম, তাই ব্লগে নতুন গল্প নেই....আসবে ইনশাল্লাহ।। আপনার "দেহজ' গল্পটার শেষাংশ পড়লাম....মন্তব্য লেখার আগে আরও একবার পড়তে হবে।।।

৪৬. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কইরে হিমু...........হিমু বাড়ী নাই?

লেখা দাও তাড়াতাড়ি।
আশীষ রইলো................
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: এইতো আপু পিসির সামনেই আছি, একটি গল্প সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে।।।





শ্রদ্ধা সবসময়কার।।।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

৪৭. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫১
রুবেল শাহ বলেছেন: Click This Link


বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস... ০৪

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮০০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা কোন ঘটনার উদ্দেশ্য হয়না,বিধেয় হয়না; সকলের অগোচরে মেঠো ইদুরের মত নিজেকে লুকিয়ে বেচে থাকে; এরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ