আমার প্রিয় পোস্ট

আত্মবিশ্বাসহীনতায় প্রকট হচ্ছে আত্মার দেউলিয়াত্ব, তবুও বিশ্বাস আগের মতই নিশ্চল..

3rd পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার- ভিতর-বাহির যেখানে বিন্দু হারিয়ে লুকিয়ে থাকে অদৃশ্য বিন্দুতে...

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

শেয়ারঃ
29 0

চায়ের স্বাদটা কেমন সেটা আমি অন্যের মুখে শুনে নয়, নিজেই পরখ করে দেখতে চাই, যদি চায়ে আসলেই রুচি জন্মায়। যে কোন সিনেমা বা বই পড়ার ক্ষেত্রেও এই চা-তত্ত্বটা খুব টনিকের কাজ করে আমার ক্ষেত্রে। কোন সিনেমা-উপন্যাস সীমা ছাড়ানো আলোচনা বা সমালোচনা পেলে সেটিও তখন আমার কাছে চা হযৈ উঠে, এবং সেটাকে আস্বাদন করা না পর্যন্ত স্বস্তি আসেনা। এবারকার চায়ের নাম মোস্তফা সারোয়ার ফারকী পরিচালিত বাংলা সিনেমা থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার
তার আগে কয়েকটা পয়েন্ট উল্লেখ করা প্রয়োজন:
#ফারুকী গ্রুপের নাটকগুলোর অধিকাংশকেই জঘন্য লাগে; কোন কাহিনী ছাড়াই ৪০-৪৫মিনিট পার করে দেয়ার ফাকিবাজি, আর চিৎকার-চেচামেচির মাধ্যমে সৃষ্ট একটা ভিডওগ্রাফির গণ্ডি পার হতে পেরেছে এই গ্রুপের খুব কম কাজই। তবে ব্যক্তিগতভাবে ফারুকী লোকটাকে আমার অসম্ভব প্রতিভাবান মনে হয়। বিভিন্ন সময়ে তার করা বিজ্ঞাপনচিত্রগুলো আমার সেই ভাবনাকে আরো জোরালো করেছে, আবার তারই কিছু বিজ্ঞাপনকে চরম ফালতু লাগে; অর্থাৎ তাকে আখ্যায়িত করতে পারি এক্সট্রিমিস্ট হিসেবে; হয় অসাধারণ , নয়তো কিছুই নয়- মধ্যবর্তী বলতে কোন স্তরের অস্তিত্ব থাকবেনা।

#ইদানীং বাংলাদেশে নতুন একটা ধারণা বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, এবং মনপুরার সাফল্যের পর এই ধারণাটা এখন যে বস্তাপচা করে ফেলা হবে সেটাও বেশ বোঝা যাচ্ছে। ধারণাটা হল, সিনেমা মুক্তির অন্তত বছরখানেক আগে থেকে এর গানগুলো বাজারে ছেড়ে দিন, এরপর সেই গানগুলো একবার বাজার ধরে ফেললে কোনরকমে একটা কাহিনী দাঁড় করিয়ে দিলেই হল; তেলের দামের মত করে উর্ধ্বগতিতে পয়সা চলে আসবে প্রযোজকের হাতে; শেষপর্যন্ত পয়সা কামানোই তো লক্ষ্য, শিল্প একটা চটকদার বাহানা মাত্র!
থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বারের গানগুলোও আমরা অনেকদিন ধরে শুনছি, সিনেমার "দ্বিধা" গানটা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মুখে মুখে ঘুরে এখন হয়ত বিশ্রামেও গেছে, নতুন করে আবার মুখে ফিরে আসতে। সুতরাং প্রচারণার প্রাথমিক উদ্দেশ্য মনপুরার মত এখানেও পুরোপুরি সফল। এবং অনুমান করছি, মিশা সওদাগর-কাবিলা-পপি-শাহীন আলম অভিনীত "কোটি টাকার বস্তা" নামের মত কোন স্থূল বাণিজ্যিক সিনেমাতেও হয়ত অচিরেই দেখবো এই তত্ত্ব খাটাতে। এটা ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক হবে, সেই আলোচনা এই লেখার সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক নয়; এ নিয়ে পরে অন্য কোন লেখায় কথা হবে।

# ইমপ্রেস টেলিফিল্ম থেকে সিনেমার নামে মন্থরগতির যে ভিডিওগ্রাফিগুলো প্রযোজনা করা হয়, সেগুলোর পরিচয় নিয়ে প্রায়ই সঙ্কটে ভুগি আমি। না নাটক, না সিনেমা, কোনটাই হয়না, অনেকটা ময়ুরের পেখম লাগানো দাড়কাকের মত লাগে। যদিও সেই তথাকথিত সুস্থধারার চলচ্চিত্রগুলোই পুরস্কার পায়, কিন্তু এদেশের অন্যান্য অনেক কিছুর মত পুরস্কারটাও এত খেলো একটা স্মারকে পরিণত হয়েছে যে যাদেরকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে তারা বরং বিব্রতই হন।

সিনেমাটা দেখতে যাওয়ার আগে মোটামুটি এই নেতিবাচক ধারণাগুলোই আমার সঙ্গী ছিল, সিনেমাটা দেখার পর তার কতটুকু দূর হল সেটা বলছিনা; বলতে চাচ্ছি সিনেমা পরবর্তী ভাবনার কথা।


'সিনেমার কাহিনী মোটেই আহামরি কিছু নয়' শুরুতে এমনটাই মনে হয়েছিল, এখনও সেখান থেকে খুব একটা সরিনি, তবে এই গতানুগতিক কাহিনীর মাঝেও বিশাল একটা চমক আছে। সিনেমার মূখ্যচরিত্র তিশা এবং সহযোগী চরিত্র মোশারফ করিম আর গায়ক তপু (পার্শ্বচরিত্র নয়), এছাড়া ছোট ছোট ফিলার চরিত্র আছে সিনেমাজুড়েই; পুরুষ চরিত্রগুলো প্রায় একইরকম; সাধারণত যেমনটা হয়ে থাকে- "পুরুষের বয়স আর অর্থনৈতিক অবস্থা যেমনই হোক প্রতিটি পুরুষের ভেতরেই একটা মাংশাসী জন্তু থাকে, সেই জন্তু শুধুই নারী মাংসের সন্ধান করে, কিংবা পুরুষমাত্রই সুযোগসন্ধানী"..দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই অতিসরলীকৃত বাস্তবটাই এ সিনেমার পুরুষ চরিত্রগুলো বহন করে গেছে। সিনেমার প্রথম দৃশ্যের তরুণ, ব্যবসায়ী, বান্ধবীর স্বামী, আবুল হায়াত , এমনকি গায়ক তপু, কেউই এই ধারণার বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেনি। কেউ অসহায়ত্বের সুযোগ নিতে চায়, কেউ চায় প্রলুব্ধ করে সুযোগ নিতে; পার্থক্য বলতে এটুকুই।

তিশার স্বামী মোশারফ সাজাপ্রাপ্ত আসামী, এরপর শ্বশুরবাড়িতে তার আশ্রয় হয়না, মায়ের কাছেও সে থাকেনা তার প্রতি ঘৃণা থেকে, কারণ তার মা তার বাবাকে তালাক দিয়ে প্রাক্তন প্রেমিককে বিয়ে করেছে, এই অপরাধ সে ক্ষমা করতে পারেনা। খালাত বোনের বাড়িতেও বেশিদিন থাকতে পারেনা, একা একা থাকার বিশাল যন্ত্রণা তাকে পদে পদে মোকাবিলা করতে হয়। এসময়ই গায়ক তপুর সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়; তপু তিশার ছোটবেলার বন্ধু, একসময় তিশার প্রতি তার দুর্বলতাও ছিল, কিন্তু যে কোন কারণেই হোক সেটা আর সম্পর্কে গড়ায়নি; এতদিন পরে তপুই তাকে সবরকম সাহায্য করে, বাড়ি ভাড়া করে দেয়, মোশারফের কেস লড়ার টাকা দেয়, এবং তার মুক্তির ব্যবস্থাও করে। ততদিনে তপুর প্রতি তিশার ভাললাগাটা একটা আকার ধারন করে। স্বামী নাকি ভাল লাগা, কোনটাকে সে বেছে নেবে সেই দ্বিধা তার কাটেনা সিনেমার শেষ পর্যন্তও। মোটামুটি এটাই হচ্ছে সিনেমার খসড়া কাহিনী। তবে এই খসড়ার উপরে আরও কিছু কাজ করা হয়েছে, ফলে এই সরল গল্পই আমাদের ভাবিয়েছে।

গল্পের এই ভাবনাটা বেশ সাহসী; তিশার সঙ্গে মোশারফের বিয়েটা যেমন কোন নিয়ম মেনে হয়নি, কেউ কেউ এটাকে বলবেন লিভ টুগেদার। এখানে একটা বিশাল প্রশ্ন তৈরি করে। সেইসাথে সিনেমাতে কিছু সংলাপ আছে যেগুলোকে একটু আদি রাসাত্মক ইঙ্গিতের মত লাগতে পারে। আগের সেই প্রশ্নটা আরও দীর্ঘ হয় যখন তিশা আর মোশারফের সঙ্গে থাকতে চায়না তপুর প্রতি আসক্তির কারণে। এই ব্যাপারটা নিয়ে আমাদের পিউরিটান মন হই হই রব তুলতে পারে নৈতিকতার দোহাই দিয়ে। কিন্তু চারপাশ খেয়াল করলেই বোঝা যাবে, চিত্রনাট্যকার আমাদের কোন অবাস্তব সত্যকে গিলতে বাধ্য করেননি; নৈতিকতার স্খলন যে পর্যায়ে পৌছে গেছে, তাতে এটা হতেই পারে। তবে এর প্রয়োগটা বড্ড বেশি তাত্ত্বিক হয়ে গেছে; একজন নারী তার স্বমীর সঙ্গে থাকতে চাইছেনা, তার স্বামীও এতে রাজী, কিন্তু বাসা ভাড়া ও অন্যান্য সমস্যার কথা বিবেচনা করে দুজনে একই বাসায় থাকতে চায় , তবে সেটা বন্ধৃ হিসেবে, স্বামী-স্ত্রীর মত নয়; আবার তপু কক্সবাজারে বেড়াতে যাচ্ছে তিশাকে নিয়ে, সঙ্গে মোশারফও গেল; এটাকে কী বলা যায়? ওয়েস্টার্ন আইডিওলজি , আমাদের ওভারস্মার্ট চিন্তা-ভাবনা, নাকি হঠাৎ করেই শিশু হয়ে যাওয়া? কারণ শৈশবে নৈতিকতার প্রশ্নটি সেভাবে জন্ম নেয়না, সুতরাং দুটি ছেলে শিশুর সাথে একটি মেয়ে শিশুর বেড়ানোকে কেউই ধর্তব্যের মধ্যে আনেনা। কিন্তু সেটা যেহেতু হচ্ছেনা, তাই এই প্রশ্নটি আমাদের থেকেই যাবে।

পরিচালক কোন সমাজ সংস্কারক নন, আবার পরিচালক তার সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও অস্বীকার করতে পারবেননা, অন্যদিকে সমাজে লিভ টুগেদারের দৃষ্টান্ত ক্রমেই বাড়ছে। সেক্ষেত্রে পরিচালক কোন পক্ষ নেবেন, সেটা একটা প্রশ্ন বটে। আর্টস্টিক পয়েন্ট থেকে দেখলে পরিচালক সঠিক পক্ষটাই নিয়েছেন ঘটনাটাকে ঝুলিয়ে রেখে, কিন্তু পিউরিটান বিশেষ করে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট থেকে, পরিচালক একটা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। তাই প্রশ্নটা আসা স্বাভাবিক, চলচ্চিত্রে কোনটা প্রোমোট হবে- আর্টিস্টিক পয়েন্ট, নাকি আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট? এই বিতর্কের কোন গ্রহণযোগ্য সমাধানে বোধকরি কখনই আসা যাবেনা।

অভিনয়ের প্রসঙ্গে বললে, আবুল হায়াত তার স্বল্প উপস্থিতিতেও চরিত্রের মাঝে ছিলেন- পানের পিক ফেলা, মোবাইল নিয়ে ছোটা, এই দৃশ্যগুলোতে আসলেই তার মুন্সিয়ানা চোখে পড়ে। কচি খন্দকারের চরিত্রটাকে মনে হয়েছে ভাই-বেরাদার কোটায় স্থান পাওয়া; যথারীতি নিজের বয়স নিয়ে নিম্নমানের রসিকতা (সব নাটকেই যেটা করে থাকেন) আর সাদা দাড়িতে কলপ লাগিয়ে গাড়িতে বসে থাকা ছাড়া এ সিনেমায় তার কোন অবদান নেই মনে রাখার মত। তিশার অফিসের বাপ্পী চরিত্রটি সে তুলনায় অনেক প্রাসঙ্গিক; সে তার কাজের প্রতি সৎ থাকতে চেয়েছে, তিশার প্রতি ঈর্ষাও করেছে, কিন্তু কোন সুযোগ খোঁজেনি; এই একটিমাত্র চরিত্র অন্য পুরুষ চরিত্রগুলোর প্রতিকূলে গিয়েছে। মোশারফের চরিত্রে হয়ত অনেক কিছু করার সুযোগ থাকতে পারত, কিন্তু চিত্রনাট্যকার তার ভূমিকা অল্প কিছু সংলাপে আটকে রেখেছেন বলে চরিত্রটা বিকশিত হয়নি, তবুও সু অভিনয় করে গেছেন। বিশেষ করে জেল থেকে বেরুনোর পরে 'সবকিছু বদলে গেছে' ধরে নিয়ে যেভাবে পুরনোকে খুঁজছিলেন আর অবাক হচ্ছিলেন, সেটা চোখে পড়বার মত। এর বাইরে তার প্রতি চিত্রনাট্যকারের অবহেলাই চোখে পড়েছে। গায়ক তপু স্বনামে অভিনয় করেছেন, তাই তার অভিনয়কে মোটেই অভিনয়সুলভ লাগেনি। প্রতিদিন যা করেন তেমনই করেন, হয়তবা গোপন ক্যামেরা দিয়ে তার দৃশ্যগুলো টেক করা হয়েছে, এমনটাই ধারণা হতে পারে। সেদিক থেকে দেখলে তার অভিনয় ঠিকই আছে। তবে সিনেমাটাকে শক্তিশালী করার জন্য গায়ক চরিত্রে কোন পেশাদার অভিনেতাকে নিলেই ভাল হত। কারণ, এই চরিত্রটায় অনেক কিছু করবার ছিল, তপুর আড়ষ্টতায় সেটা একটা বৃত্তে আটকা পড়ে গেছে। অস্থির ছোটাছুটি, পুশআপ দেয়া, ক্ষণে ক্ষণে তিশার দরজায় নক করা, দোকানে কন্ডম কিনতে গিয়ে সংকোচে ওয়ারস্যালাইন কেনাসহ তার চরিত্রটায় কাজ করার এত সুযোগ ছিল যে, এই জায়গাটা নিয়ে আফসোস হতে বাধ্য। সবশেষে, তিশা। তার সংলাপগুলো অধিকাংশই ফারুকী প্রভাবিত নাটক ঘরানার হলেও তার অভিনয় প্রশংসনীয়ই বলব। মাল্টিপল পার্সোনালিটির উপস্থাপনটা এ সিনেমায় একটা উল্লেখযোগ্য দিক; লেখক ইমদাদুল হক মিলনের মেয়ে এখানে বেশ সাবলীল, ক্ষেত্রবিশেষে তিশার চেয়েও তাকে কমিটেড মনে হয়েছে।

সবমিলয়ে এই হচ্ছে সিনেমা। একটা সিনেমা থেকে আমাদের প্রত্যাশা কী, বা ভাল সিনেমা বলতে আমরা কী বুঝি? এই প্রশ্ন করলে শতকরা ৯৫ভাগ মানুষই হয়ত কোন গ্রহণযোগ্য উত্তর দিতে পারবেনা, আমিও এই ৯৫ ভাগেরই দলে। তাই এই প্রশ্নগুলোর ব্যবচ্ছেদে কোন সদুত্তর হয়ত আমি পাবনা। তবে সিনেমার মেকিং, এবং আবহসঙ্গীতগুলো আলাদা করে চোখে পড়বেই। কামতাড়িত তপুর পুশআপের সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে 'চল চল উর্ধ্বগগনে বাজে মাদল"মিউজিকে দেয়াটাকে দুর্দান্ত একটা আইডিয়া মনে হয়েছে। আরও একটা দৃশ্য আছে, তিনটি ভিন্ন বয়সের তিশা মায়ের হাতে ভাত খাচ্ছে; এই দৃশ্যটা পরিচালকের উদ্ভাবনী ক্ষমতারই বহিপ্রকাশ।


তবে ছবির শুরুটা ভীষণ আনাড়ি মনে হয়েছে। ঐভাবে দাঁড়িয়ে থাকা, তরুণদের পিছু নেয়া, ছুটতে গিয়ে পুলিশ হেফাজতে ধর্ষিত হওয়া সীমা চৌধুরীর বিবেক জাগানো এটা একটা সিনেমার শুরু হিসেবে যথেষ্টই দূর্বল, তার উপর ছবিটার বাকি অংশে যদি অভিনভত্ব থাকে, সেক্ষেত্রে শুরুর দুর্বলতাটা বেশি চোখে পড়ে।
ছবির নাম শুনে অনেকেই এর তাৎপর্য খুজতে শুরু করবেন। আমিও নিজের মত করেএকটা তাৎপর্য বের করে নিয়েছি ছবিটা দেখে। প্রতিটা মানুষই আসলে দ্বিধাগ্রস্ত- নিজেকে নিয়ে , অন্যকে নিয়ে তো বটেই। তাই সে নিজে বাদে বাকিরা তার কাছে থার্ড পারসন। আর অন্যভাবে দেখলে, সেই থার্ডপারসনটা আসলে একটা ধারণার নাম, যাকে আমরা সন্ধান করি, কিন্তু কখনই পাইনা। আর সিনেমার দৃষ্টিকোণ থেকে, তপু, তিশা, মোশারফ, তিনজন মানুষ, অথচ নিজেদের অবস্থান ছেড়ে আরেকটা অবস্থানে তারা যেতে পারছেনা। তাই তিনজস মানুষ হওয়া সত্ত্বেও তারা কোন সমষ্টি হয়ে উঠতে পারেনি, বিচ্ছিন্ন এবং স্বতন্ত্র; তিনজন মিলে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার।

সিনেমার সবচেয়ে ভাল লাগার বিষয়টা হল চরিত্রগুলোর অগভীরতা এবং কাহিনীর অস্থিতিশীলতা। কোন চরিত্রই সেভাবে জমাট বাধেনি, এই না জমাট বাধাটা একটা আলাদা মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে।

ছবিটা ভাল লেগেছে, নাকি মন্দ লেগেছে সেটা আমার কাছে গৌণ; ছবিটা আমাকে ভাবিয়েছে। একটা ছবি থেকে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করাটা বোধহয় সমীচীন হবেনা।।।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: আপনার রিভিউটা ভাল লাগছে ।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।।

৩. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আপনে তো পোস্টমর্টেম কইরা ছাইড়া দিলেন ছবিটার। যাক, রিভিউ পড়ে চটজলদি সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম- এ ছবি্ না দেখলেও চলবে।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: আপনার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই।।।

৪. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯
অদ্রোহ বলেছেন: সত্যি করে বললে ,ফারুকী ভাই বেরাদরদের সাম্প্রতিক কাজগুলো এই সিনেমা নিয়ে আমার উৎসাহে অনেকটাই জল ঢেলে দিয়েছিল ,তাই "তৃতীয় পুরুষে এক বচন " দেখার খুব একটা তাড়া ছিলনা ।পরিচিত একদুইজন বলেছিল বটে ছবিটা দেখার জন্যে ,তবে কেন জানি তাদের রুচির ওপর খুব একটা ভরসা করতে পারিনি ।


একেবারে অ্যাসথেটিক কিছু এই সিনেমায় আমি আশা করবনা ,বিনোদনই (শস্তা নয় অবশ্যই) যদি পাই ,তাই বা কম কি !
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: দেখো কী পাও.....তবে সিনেমার ডায়ালোগ শুনে ঘাবড়াইয়োনা আবার।।।

৫. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
সমর্পণ বলেছেন: আপনার লেখাটা ভাল লাগলো ।
যদিও সিনেমাটা দেখা হয় নাই।দেখার ইচ্ছা আছে ।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে দেখে ফেলুন।।।

৬. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
ভূবন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে.....ছবিটা দেখি তারপর ভাবি...কতটা একমত হওয়া যায়।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।।।

৭. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: একদম অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নীচে ফেলে কাটাছেড়া করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে... চমৎকার রিভিউ ... ধন্যবাদ আপনাকে
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে; ভাল আছেন আশা করি।।।

৮. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯
অপ্‌সরা বলেছেন: বাপরে !!! একেই বলে রিভিউ!!!
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: একেই বলে আফ্রোদিতি আপু!!!

৯. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫
মন মানে না বলেছেন: অপ্‌সরা বলেছেন: বাপরে !!! একেই বলে রিভিউ!!!
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: !!!

১০. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা বলেছেন: >> মিশা সওদাগর-কাবিলা-পপি-শাহীন আলম অভিনীত "কোটি টাকার বস্তা" নামের মত কোন স্থূল বাণিজ্যিক সিনেমাতেও হয়ত অচিরেই দেখবো এই তত্ত্ব খাটাত B-) :-B

মিশা সওদাগর-কাবিলা-পপি-শাহীন আলম গং এর পক্ষ থেইকা তমারে কইষা মাইনাচ :P :P
আর ভালা ১ খান রিভিউ এর লাইগা পিলাচ :) :)
এহন আমি কনফিউজড যে দেখতে যামু নাকি যামুনা :|| :(( :(( B:-) X(
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: যাও, যাও দেখেই আসো; আল্লাহয় তো তোমারে কম সম্পদ দেয়নাই!!!

১১. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: আপনার বিশ্লেষন অনেক সুন্দর। ছবিটি এখনো দেখা হয়নি তবে দেখার ইচ্ছা করছে এখন। ধন্যবাদ আপনাকে -
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।।।

১২. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
বখতিয়ার হোসেন বলেছেন: আমি নতুন বল্গার।আমার লেখা পড়ে কমেন্ট করুন।

~~~~আমার বল্গ দেখুন ~~~
১৩. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: এত দারুণ রিভিউ আমি এর আগে পড়ি নাই।
আসলেই আসলেই দারুণ।

রিভিউটাই মনে হচ্ছে গল্পের মত সুন্দর।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: হ্যা, রিভিউ লেখাটা আমার খুব পছন্দের একটা কাজ।।।

১৪. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
মেহেরুবা বলেছেন: ছবিটা দেখবো কি দেখবোনা বিষয়টা নিয়ে আরো বেশি দ্বিধান্বিত হয়ে গেলাম।

রিভিউটা সত্যিই নান্দনিক। মন্তব্য না করে পারলামনা।

নতুন ব্লগার হিসেবে কারো লেখায় এটাই আমার প্রথম মন্তব্য।।।।।।।।।।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: সম্মানিত বোধ করছি।।।।

১৫. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
আনিকা শাহ বলেছেন: চমৎকার রিভিউ। চায়ের স্বাদ নেয়া যেতে পারে বলে মনে হচ্ছে...
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। :)
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: চা বেশ অদ্ভুত সুন্দর একটা পানীয়।।।

১৬. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
মুক্ত বয়ান বলেছেন: গতকাল রাইতে দেইখা আসলাম। গতবার মনপুরার রিভিউ লেখায় এইবার আমার সাথের পোলাপাইনগুলা আগে থেকেই ঝাড়ি দিয়া রাখাছে। কাজেই লেখবো কি না, তাই নিয়া সন্দিহান। তোমার রিভিউটা চমৎকার। শেষটা ঠিক ঠাহর করার আগেই শেষ হয়ে গেছলো।
গানের ব্যাবহার ভাল্লাগ্ছে। তপুর অভিনয় বেশ উৎরে গেছে।
তবে, আমার মতে বেস্ট অংশটা ছিল, মোশারফের সাথে তিশার পুতুলের ব্যবহার। দেহটা পরে থাকে, কিন্তু, মন সে তো তখন সেখানে নেই। এই আইডিয়াটা অসাধারণ।
তবে, বেশিরভাগই ভাই-বেরাদারিয় অভিনয়। তবে, কচি খন্দকারের গানের অংশটা ভাল্লাগে নাই। সেন্সর করছো ভালো কথা, তয় শুরুতে F শুনানোর তো দরকার আছিল না।
আবুল হায়াতের অভিনয়টাই মনে হয় এখানে সবচেয়ে বড় পাওয়া। ভয়াবহ ভালো নেগেটিভ ক্যারেটার।
সুন্দর কয়েকটা সিন শেয়ার করি।
১. সবুজ মাঠের উপর সাদা বিছানায় তিশার পরনে কমলা কাপড়।
২. মায়ের হাতে পর পর তিন বয়সের রুবা।
৩. সমুদ্রের চরে পর পর সাইড থেকে দেখানো তিন বয়সে রুবা।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: হ্যা, পুতুলের আইডিয়াটা আসলেই চমৎকার ছিল, লেখার সময় এই পয়েন্টটা ভুলে গেছিলাম।।। তপুর অভিনয় তপু হিসেবে ঠিক আছে, বাট সিনেমার চরিত্র হিসেবে এই চরিত্রটায় সবচেয়ে বেশি কাজ করার সুযোগ ছিল।।।

আর যে সিনগুলো শেয়ার করছো, সেটাই তো রিভিউ লেখার সময় জুড়ে দিছি।।।

১৭. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কাটা-ছেঁড়া ব্যবচ্ছেদ সবই হলো।
মুভীটা দেখার খুব বেশী আগ্রহ জাগে আগে। এখন, পুরো চলে গেল!
:|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: তাহলে তো আপনার আগ্রহে জল ঢেলে দেয়ার জন্য আমার অনুতপ্ত হওয়া উচিৎ!!!

১৮. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৮
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: রিভিউ ভাল্লাগছে। ছবিটা দেখার ইচ্ছা হইতেছে।
১৯. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
পল্লী বাউল বলেছেন: প্রচন্ড ভালো লাগলো।

সিনেমা নয় আপনার রিভিউ।

+++
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: একটা কিছু ভাল লাগলেই হল, ব্যাপারনা.........

২০. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: 'জেলখানার চিঠি' গানটা ভাল।

প্রি-মার্কেটিংয়ের জন্য ছবির গান বাজারে আগে আগে আসার ব্যাপারটা অনেক পুরনো। বলা যায় আদি যুগ থেকে ঘটনাটা চলতেছে। বিষয়টা খুব কাজেরও। আমাদের দেশে রিসেন্টলি এইটা শুরু হইছে। এই ট্রেন্ড-টা তো ভালই বলে মনে হয়।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: হ্যা, এই ট্রেন্ডটা বলিউডে বেশ পুরনো, তবে বাংলাদেশে নতুন আসছে।।। এটা নিয়ে আলাদা একটা পোস্ট দেব পরবর্তীতে।।।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: কম্লিকেটেড কমেন্ট!!!!

২২. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৬
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: রিভিউতে প্লাস।
সিনেমার রিভিউ আমি কখনই পড়িনি। হাতে খড়ি হলো আপনারটা দিয়া।
ফাটাফাটি অবস্থা।
সিনামা যাইহোক। রিভিউ আমাকে মুগ্ধ করলো।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: .................

২৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০
ইচ্ছে বলেছেন: রিভিউতে প্লাস
++++++++


ফারুকী ভাই বেরাদরদের সম্পর্কে মন্তব্যে সহমত
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।।।

২৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৫
কৌশিক বলেছেন: রিভিউ পড়ে আর ছবি দেখতে ইচ্ছে করছে না। +
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: !!!!

২৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
বুমবুম বলেছেন: রিভু ভালা হইছে:)
২৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২০
সাপিয়েন্স বলেছেন: একটা চমৎকার সমালোচনা, যা অন্যদের মডেল হতে পারে।

কিছুটা অনুৎসাহিত করলেও আমি ছবিটা দেখব। তিষার অভিনয় আমার ভালো লাগে, আর ন্যান্সীর দ্বিধা গানটা আমার অসম্ভব প্রিয়, এতবার শোনার পরেও।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: হ্যা, দেখুন, চায়ের স্বাদটা নিজেরই পরখ করা উচিৎ, অন্যের মুখে না শুনে।।।

২৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬
জুল ভার্ন বলেছেন: হিমু, তোমার চোখে এতোই সুন্দর করে ছবিটা দেখেছি-যার কারনে পর্দায় ছবিটা আর দেখার প্রয়োজন হবেনা। সিনেমা নিয়ে এমন সুন্দর করে, গুছিয়ে লেখা তোমার দ্বারাই সম্ভব। অনেক ধন্যবাদ।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা ভাইয়া।।।

২৮. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: চমঁৎকার রিভিউ। এখনো দেখিনি মুভিটা। দেখবো কিনা জানি না। তবে রিভিউটা মুভি দেখার সময় মনে থাকবে।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: সময় পাইলে দেইখেন।।।

২৯. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: যাই আজকে ৩ টায় অফিস শেষ করে স্টার সিনেপ্লেক্সে ৪ টার শো টা দেখে আসব...।একাই দেখব :(
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: একা দেখাই ভাল!!!

৩০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: ও হ্যা আপনার রিভিউটা বেশ হয়েচে।
৩১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
সমুদ্র কন্যা বলেছেন: রিভিউ খুবই ভাল হয়েছে।
সিনেমাটা দেখতে হবে।
৩২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
গৌতম রায় বলেছেন: আপনার লেখাটা ফেসবুকে শেয়ার করলাম। আশেপাশে থাকলে এক কাপ চা-ও খাওয়াতাম।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: ফেসবুকে শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ; তবে চা খাওয়ার সুযোগ মিস করায় হতাশ !!!!

৩৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
কেবলমাত্র এই রিভিউয়ের জন্যই সিনেমাটা দেখতে হচ্ছে।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: জ্বি দেখে ফেলুন।।।

৩৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: ছবিটা দেখিনি বলে রিভিউ নিয়ে কিছু বলবোনা। তবে ফারুকীর আগের ছবি ও নাটকগুলো দেখেছি। চমক আছে। কিছু বলার চেষ্টা আছে। কিন্তু অনুসরনীয় কিছু নয়। তদুপরি শুদ্ধ অশুদ্ধ মিলে ঢাকায় যে খিচুড়িটাইপ একটা ভাষা আছে এটাকে তিনি প্রমোট করে চলেছেন। কেন জানি না।
আর মুভির আগে বাজারে গান ছেড়ে দেয়ার এই কৌশল হিন্দি মুভি ওয়ালারা অনেক আগে থেকে করছেন। এটা তার অনুকরণ মাত্র। কর্পোরেট বিনোদন একটা ছক কেটে নেয়। সে ছকে যে ক'দিন ব্যবসা চলে সেটা চালিয়ে যায়। ছক ফেল করলে আরেকটা ছক কেটে ব্যবসা করে। ব্যবসা করতে গিয়ে সমাজ সংস্কৃতি মূল্যবোধকে ধুলায় মিশিয়ে দিতেও একবারও এক সেকেণ্ডও ভাববেনা।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: হ্যা লেখায়ও এই কথাটা উল্লেখ করেছি - "শেষপর্যন্ত পয়সা কামানোই তো লক্ষ্য, শিল্প একটা চটকদার বাহানা মাত্র! "

৩৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
সুহান বলেছেন: রিভিউ ভালই লেগেছে। সিনেমাটার গান নিয়ে যতটা মাতামাতি, কাহিনী নিয়ে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না। - ভেবেছিলাম একটা রিভিউ আমিও লিখবো দেখার পর, সে আশা আপাততঃ দূরে রেখেছি।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: কাহিনী গতানুগতিক........

৩৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
কালপুরুষ বলেছেন: ছবি দেখার আগেই রিভিউ পড়ে ফেললাম। অনেকটাই দেখা হয়ে গেল। তবে ছবিটা দেখার আগ্রহ বাড়লো।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: দেখতে পারেন।।।

৩৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
ভাঙ্গন বলেছেন: হলে গিয়েই থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিটা দেখেছি। উপভোগ করা অর্থেও খাটে। ছবিটা উপভোগ করেছি। নান্দনিক দৃষ্টিকোণ থেকে ছবিটা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। তবে পরিচালক যেহেতু ছবিটাকে বলেছেন আর্টফিল্ম নয়;হার্ট ফিল্ম। হার্ট ফিল্মটা দেখে আমার হার্টবিট বেশ জোরেশোরে উঠানামা করেছে।
আ'ম দর্শকের কাছে ছবিটাকে একটা দুর্বোদ্ধ চিত্রনাট্যই মনে হয়েছে। যারা "কাইট্টা ফালামু" টাইপের ছবির দর্শক,তারা শুধু মাত্র এই ছবিটির গানে প্রলুব্ধ হয়ে হলে দেখতে গেছে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেক সাধারণ দর্শকের মতামত লক্ষ্য করেছি। তারা চিত্রনাট্য বুঝতে না পেরে বলেছে,দুরু অমুক হলে শাকিব খানের ফাটাফাটি ছবি লাগাইসে। হেখানে না যাই ভুল করছি।
নান্দনিকতা আর মননশীলতা যে সিনেমায় বিশেষত বাংলা সিনেমায় এক্টা বিষয় আছে সেটা এখনো আমাদের আ'ম দর্শক পযন্ত উপলদ্ধির পর্যায়ে পড়েনা।
তাই বলা যায় ছবিটি সব শ্রেনীর জন্য নয়।
উপরি আমার কাছে ছবিটির চিত্রনাট্যকে একটি "ঋণ শোধ প্রকল্প" মনে হয়েছে।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: আপনার কথা সত্য- "ছবিটি সব শ্রেনীর জন্য নয়"।
ছবির থিমটা সেই অর্থে ঠিক ছিল, তবে চিত্রনাট্যটা আমার কাছে দু্র্বলই লেগেছে, একটা ভাসমান নগরীর মত........

৩৮. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
নীলতারা বলেছেন: রিভিউটা মন দিয়ে পড়লাম। ভাল লাগলো... তবে প্লাস মাইনাসে যাচ্ছিনা। ছবিটা এখনো দেখি নাই... দেখে মন্তব্য করবো...
৩৯. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
ভাঙ্গন বলেছেন: আপনি লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়, ছবিতে বার বার তিশা আর তপুর ঋণশোধ বিষয়টা ছবিটিকে বাজারি সিনেমা করে ফেলেছে?
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: হ্যা, এই ব্যাপারটাতে একটা স্পস্ট সুড়সুড়ি ছিল, যেটা না এলেও কোন শ্রহানি ঘটতনা।।।

৪১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
জিতু বলেছেন: Pretty clear that the reviewer is biased and having a clear stance against the movie and it's director. According to my stance there is no right or wrong to judge a movie. It depends on individual's decision. Someone may not like it, some may do. everyone should have respect for others preference.

Cheers :)
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: you better perceive your lines : everyone should have respect for others preference.

Cheers :)

৪২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
হিমুর চোখে দেখা।
অনেক ভালো লাগলো। এত সুন্দর করে লিখছো।

যে কোন ছবি বা নাটক,বা লেখা ভালো বা মন্দ লাগার চেয়ে ..ভাবাতে পারাটা অনেক বেশী বলে আমি মনে করি।
ভালো থেকো হিমু.......অনেক বড় হয়ো।
আশীষ সবসময়কার।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যটা খুবই দরকার ছিল আপু।।।

শ্রদ্ধা সবসময় ।।।

৪৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৯
জিতু বলেছেন: I do. That's why i went through the whole reflection of yours :)

Cheers,
৪৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩২
গোলাপি বলেছেন: আপনার রিভিউটা ভালো লাগলো...

সিনেমার গল্পটা আমার কাছে মনে হয়েছে একদম দুটো ভাগ করে দেয়া হয়েছে। প্রথম দিকে কেবলই তিশার একা একটা শহরে টিকে থাকার যুদ্ধ। এর সাথে "থার্ড পারসন"টির কোনো যোগাযোগ নেই। আবার যখন থার্ড পারসন চলে এলো তখন তিশার সেই একা টিকে থাকতে চাওয়ার ঘটনা, কারণ কোনোটাই দেখা গেলো না। আমার মনে হয় প্রথমদিকের গল্পগুলো আরো সংক্ষেপ হলে ভালো হতো। সিনেমাটায় কিছু (প্রায়) matured content ব্যবহার করা হয়েছে। সাহসী পদক্ষেপ, কিন্তু তাতে গল্প বা সিনেমাটা আরো "quality" পূর্ণ হলো কি? আমার জানা নেই।

অভিনয় বলতে তিশার অভিনয় নাটক, হোক, সিনেমা হোক সবখানে একই রকম, একই ধাঁচের। এখানে মন্তব্যের কিছুই নেই। মোশাররফের চরিত্রটা গুরুত্বপূর্ণ, তারপরেও কেন যেন কম ফোকাস করা হয়েছে মনে হলো। তপুর প্রথম অভিনয় হিসেবে যতটুকু করার ভালোই করেছে। আবুল হায়াতের অভিনয় দূর্দান্ত আসলেই। কচি খন্দকারের আদৌ দরকার ছিল বলে মনে হচ্ছে না!

মাঝে তিশার ৩ স্বত্বা, তিশার মায়ের সাথে কথপোকথনের অংশগুলো ভালো লেগেছে। ১৩ বছরের "তিশা"(এটাই কি ইমদাদুল হক মিলনের মেয়ে?) অভিনয় খুবই ভালো লেগেছে।

শেষে আপনার "কোন চরিত্রই সেভাবে জমাট বাধেনি" উক্তিতে সহমত হতে পারলাম না। আমার মনে হয় তিশার চরিত্রটাই ফুটিয়ে তুলেছে গল্পে।

যাই হোক, আবারো ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার রিভিউয়ের জন্য।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: শেষে আপনার "কোন চরিত্রই সেভাবে জমাট বাধেনি" উক্তিতে সহমত হতে পারলাম না.................আপনি নিজেই সহমতের ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিয়েছেন মন্তব্যের শুরুর অংশে: "আবার যখন থার্ড পারসন চলে এলো তখন তিশার সেই একা টিকে থাকতে চাওয়ার ঘটনা, কারণ কোনোটাই দেখা গেলো না।"....চরিত্রগুলো সব বিচ্ছিন্ন এবং খাপছাড়া।।।
হ্যা, ১৩বছরের তিশাই ইমদাদুল হকের মেয়ে।।।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।।

৪৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ১৬ তারিখেই দেখলাম। প্রথম দিকে মনে হচ্ছিলো, সু্স্থ্য ধারার অশ্লীল ছবি! :-*

রোমান্টিক সিনের ব্যাকগ্রাউন্ডে রণসঙ্গীতের আইডিয়াটা দারুণ লেগেছে।
আবুল হায়াত বরাবরের মতই সেরকম। কিন্তু, এত ছোট চরিত্রে তাকে পাওয়াটা ততটা ভালো লাগেনি।

এই তো। রিভিউ ভালো লাগলো! :)
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: ......সু্স্থ্য ধারার অশ্লীল ছবি! :-*

৪৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
ঘুমরাজ বলেছেন: রিভিউতে প্লাস।+++
৪৭. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
যুধিষ্ঠির বলেছেন: প্লাস।+++ রিভিউ পড়ে চটজলদি সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম- এ ছবি্ না দেখলেও চলবে।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: বাহ, তোমার বুঝতে পারার ক্ষমতা তো দারুণ!!!

৪৮. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
অগ্নিশিখা বলেছেন: লেখাটা ভাল লেগেছে , ধন্যবাদ আপনাকে।
৪৯. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
গৌতম রায় বলেছেন: জিতু ভাই, আপনাকে দেখে ভালো লাগলো। সম্ভবত ফেসবুকে আমার শেয়ার করা লিঙ্কটা দেখেই এখানে এসেছেন। ধন্যবাদ।

এখন বাংলা লেখাটা শিখে ফেলেন। কঠিন লাগলে আমি তো আছিই।
৫০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: রিভিউ পড়ে মনে হলো ছবিটা দেখতে যাওয়া উচিৎ।
৫১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১
বিবর্তনবাদী বলেছেন: টিকেটের জন্য কালকে বলাকা বা সিনেপ্লেক্সে একটা ঢু দিতে হবে।
৫২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
শিট সুজি বলেছেন: অপ্‌সরা বলেছেন : বাপরে !!! একেই বলে রিভিউ!!!
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: কিন্তু, তুমি নিজে কী বলো??

৫৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
জেরী বলেছেন: এই রিভিউ পড়ে তো আর ছবি দেখার কোন দরকার মনে কিরি না:)
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ভেবে দেখেন.......

৫৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ফারুকীরে ভাল্লাগে না। ছবির গুষ্ঠি কিলাই! আপনার রিভিউ পড়ে মন ভালো হয়ে গেল। +++ :)

তবে এত ভালো একটা রিভিউ দেওয়ার প্লাটফর্মন তৈরি করে দেওয়ার জন্য ফারুকীরে মাফ কইরা দেয়া যায় :P
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: তাহলে ছবির গুস্টি কিলানোর কী হবে।।।?

৫৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪২
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: খুব সুন্দর একটা রিভিউ পড়লাম।
ছবিটা আমাকে ভাবিয়েছে। ভাবনার শেষ ফলাফল কি?
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ফলাফলবিহীন ভাবনা........

৫৬. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩২
অবশ অনুভূতির দেয়াল বলেছেন: ছবিটা দেখে আমি কনফিউজড ছিলাম যে এইটা কে কি আসলে চলচ্চিত্র বলা উচিত কিনা???চলচ্চিত্রের যে বিশাল ক্যানভাস তার বড়ই অভাব ছিল বলে মনে হয়েছে।আর মনে হইসে ফারুকীর টার্গেট দর্শক মধ্যবিত্ত দর্শক সমাজ থেকে প্রাইভেট ভার্সিটি পড়ুয়া ডিজুস পোলাপাইনের দিকে ঘুরতেসে।বেশ ভাল্লাগসে রিভিউ টা পড়ে।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: ডিজুস পোলাপানের কথাটা বোধহয় সঠিক।।।

৫৭. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এখনো দেখিনি সিনেমাটি। বিশ্লেষণ দেখে মনে হচ্ছে, অবধারিতভাবেই চলচ্চিত্রটি দেখার আগে অনেক ভাবনাচিন্তা ক্রমানুসারে আসা-যাওয়া করেছে এবং দেখার পর সেটার পরবর্তী হিসেবনিকেশের প্রকাশ এই পোস্ট।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: মনে হওয়াকে সম্মান জানাচ্ছি।।।

৫৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
লীনা দিলরূবা বলেছেন: হিমালয়ের রিভিউ পড়ে মনপুরা দেখেছি, এবার এইটার পালা।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: জনসমাগমে অস্বস্তি লাগে বলে কালকের প্রোগ্রামটায় যাওয়া হয়নি; তবে আপনি যাবেন জানলে যেতাম।।।

৫৯. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
লীনা দিলরূবা বলেছেন: প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান হয়েছিল, সবার আন্তরিক অংশগ্রহণের কারণে কোন অস্বস্তিই টের পাওয়ার উপায় ছিলনা। উপভোগ্য অনুষ্ঠানটির স্মৃতি অনেকদিন মনে থাকবে। কি করে চার সাড়ে চার ঘন্টার একটি বিরাট সময় চলে গিয়েছিল টেরও পাইনি।
৬০. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৮
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: ektu age arekta review porlam. eibar tomar ta. duita sompurno vinno dristivongite lekha.
mone hoy dekhte hobe. dekhi ki kora jay.
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: আমি শুধু সিনেমার আঙ্গিকে রিভিউ লিখেছি, অন্যান্য বিষয়গুলো এড়িয়ে গেছি।।। সময় কম থাকলে না দেখলেও চলে, আর সময বেশি থাকলে চলেন কাল বাংলাদেশের খেলা দেখে আসি।।।

৬১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৩
ফয়েজ ০৮ বলেছেন:
আপনার লেখাটা এক দমে পড়ে শেষ করলাম। একই ধরণের একটি লেখা চলতি সংখ্যার সাপ্তাহিক বুধবারেও পড়লাম। লিখার এঙ্গেল মোটামুটি এক হলেও। আপনার লেখাটাই বেশী ভঅলো লেগেছে। লেখাটার জন্য অনেক অভিনন্দন।
ভালো থাকা হয় যেন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন: thanks

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন: ৭৭৭

৬৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ছবিটা পাইনি এখনো ।
দেখা হয়নি................
কটাদিন মনটন এতটা খারাপ আর অগোছালো হয়ে আছে,লিখতে বসলে শব্দহীন একটা রাজ্যে আছি মনে হয়.......
ভাবনাগুলোলে কিছুতেই বশে আনতে পারিনা.............
তাই জোর করিনা......
জোর করে কিছুই আমি করতে পারিনি কোনদিন.... পারা উচিত ও না।

ছবিটার গান গুলো শুনছি কদিন।
কথার চেয়ে সুর ভালো লেগেছে এমন একটা গান আছে........

তুমি অনেকদিন কিছু লেখোনি।
সময়গুলো যে বিফলে যায়নি........।চুপ বসে থাকোনি.........।
আশাকরি পরের পোষ্টে তা জানাবে.......
ভালো থেকো হিমু............
বাইরে বিয়োগাংকের ঘরে তাপমাত্রা........
ভাবনাগুলোও তেমনি নিথর।
তবু আজ বেশ কিছুক্ষন বসলাম ব্লগে......কিছু প্রিয় বাড়ি ঘুরতেই বসা।

আশীষ সবসময়কার।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে সাইন ইন করতে দেখে অনেক খুশি হয়েছি বলার অপেক্ষা রাখেনা।।।। আমি সময় সংকটে কেমন ভুগছি বলতে পারবোনা; খুব ইচ্ছা করছে ক্যালেন্ডারকে কয়েকদিন পিছিয়ে দেই।।। অনুবাদের কাজটা নিয়ে প্রচণ্ড পরিশ্রম যাচ্ছে, তবুও কী যে সজা বলে বোঝাতে পারবোনা।।। কাজটা শেষ হলেই ফিরে আসবো ইনশাল্লাহ।।।
শ্রদ্ধা সবসময়কার।।।

৬৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
সুমন অহেমদ বলেছেন: হিমালয় ভাই,
আপনার পোষ্টের লিংকটা আমার একটা পোষ্টে দিয়েছি, আশারাখি ব্যাপারটাকে পজিটিভলি দেখবেন...

View this link

View this link

 

মোট সময় লেগেছে ৩.০১৮৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা কোন ঘটনার উদ্দেশ্য হয়না,বিধেয় হয়না; সকলের অগোচরে মেঠো ইদুরের মত নিজেকে লুকিয়ে বেচে থাকে; এরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ