আমার প্রিয় পোস্ট
- পৃথিবীর মতোই আরেকটি গ্রহের সন্ধান লাভ - এম কে নিপু
- ইসলামের নবী সর্বকালের সেরা সমরবিশারদ। - মহাজাগতিক
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- আমার প্রথম ভাগিনা রিশান আপনাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে - বিহংগ
- রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- নবীজি সা: এর বহুবিবাহের কারন - মাহিরাহি
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- নারী নীতি - মুনমুন
- বাংলা গান ডাউনলোডের জন্য সবচে ভাল সাইট কোনটি? - কেএসআমীন
- নবীনদের জন্য - নাদান
- দরবেশ - কহলিল জিব্রানের The Prophet-এর বঙ্গানুবাদ - ১০ - কামারুজ্জামান
- কবিতার প্রাথমিক ছন্দ - শেখ জলিল
- তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে... - যূঁথী
- ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে কি থাকতে পারত না? - সেকেতুরে
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
- আমার কিছু কষ্ট! একজন জনপ্রিয় ব্লগারের ব্যান ও কর্তৃপক্ষের একচোখা নীতি - আওরঙ্গজেব
- ম্যান অন ফায়ার (২০০৪) : আমার চোখে দেখা সেরা ছবি - হিমু রুদ্র
- নতুন ব্লগারদের কমেন্ট লিখে উৎসাহিত করুন - হিমু রুদ্র
- CTRL + C - ডেলফ
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম : নাস্তিক/আস্তিক সব ব্লগারদের জন্যে
০৪ ঠা মে, ২০০৮ দুপুর ২:০২
সাম ইন - এ নাস্তিকদের যে সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী রয়েছে তাদের মতের বিরুদ্ধে আমি আজ থেকে প্রতিদিন আপনাদের একটি মূল্যবান বইয়ের পুরো অংশ তুলে ধরতে চেষ্টা করবো ধীরে ধীরে।
বইয়ের নাম : স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম
লেখক : মুহাম্মাদ সিদ্দিক
প্রকাশকাল : আক্টোবর, ২০০০ ইং
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৭৬
হকিং-এর "সংক্ষিপ্ত সময়ের ইতিহাস"
ডঃ স্টিফেন ডব্লিউ হকিং আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানীদের ভিতর একজন সেরা বিজ্ঞানী। তিনি শারীরিক দিক দিয়ে পঙ্গু। হুইল চেয়ারে চলাফেরা করেন। তবু শারীরিক পঙ্গুত্বকে হার মানিয়ে তিনি পড়াশুনা, গবেষণা চালিয়ে যান, পিএইচডি ডিগ্রী গ্রহণ করেন ও শেষতক ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্ক শাস্ত্রে লুকাসিয়ান অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পান। এই পদে এক সময় স্যার আইজ্যাক নিউটন (বিশ্বের আরেক সেরা পদার্থবিজ্ঞানী) ছিলেন। অনেক বিশেষজ্ঞ হকিংকে আইনস্টাইনের পর একজন সেরা পদার্থবিজ্ঞানী বলে মনে করেন।
হকিং-এর একটি বই " এ ব্রিফ হিস্ট্রি আব্ টাইম" (সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)। প্রায় দুশো পৃষ্ঠার এ বইটি মূলত অপদার্থবিদদরে জন্য লেখা পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে একটি বই। তবু পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে নতুন নতুন কথা রয়েছে ছোট্ট বইটিতে। সহজ করে বলার চেষ্টা করেছেন পণ্ডিত হকিং তার পাণ্ডিত্যের কথা। ১৯৮৮ সালে বইটি বাজারে আসে ও (বেস্ট সেলার)- সেরা বিক্রয়ের প্রশংসা হাসিল করে।
আমাদের এই বইটিতে আগ্রহের কারণ হলো পদার্থবিজ্ঞানের নবতর গবেষণার আলোকে ইসলামকে পরখ করে দেখা আর দ্বিতীয়ত ডঃ হকিং কর্তৃক স্রষ্টা ও ধর্ম সম্পর্কে কতিপয় মন্তব্যও পরখ করা। সাধারণত বলা হয় যে, বিজ্ঞানের নবতর গবেষণা ও আবিষ্কার ধর্মকে কোণঠাসা করেছে। এ ধারণা অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে কিছুটা সঠিক হলেও, ইসরাম ধর্ম সম্পর্কে এটি আরোপ করা অবৈজ্ঞানিকসুলভ হবে। ফ্রান্সের চিকিৎসা বিজ্ঞানী মরিস বুকাইলি কোরআন মজীদ নিয়ে গবেষণা করে তাঁর বিখ্যাত "দি বাইবেল দি কুরআন এন্ড সাইন্স" গ্রন্থে মন্তব্য করেছেন যে, কুরআনে কোনো রকম অবৈজ্ঞানিক তথ্য বা অসামঞ্জস্যতা নেই।
হকিং-এর বইটির ভূমিকাতে কার্ল সাগা (কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, ইথাকা, নিউইয়র্ক) লিখেছেন : This is also a good book about god... or perhaps about the absence of god. The word god fills these pages. Hawking embarks on a quest to answer Einstein’s famous question about whether god had any choice in creating the universe. Hawking is attempting, as he explicitly states, tounderstand the mind of god and this makes all the more unexpected the conclusion of the effort, at least so far, a universe with no edge in space, no beginning or end in time and nothing for a creator to do.
(ভাবানুবাদ : এটা ঈশ্বর সম্পর্কে একটা বই অথবা ঈশ্বর না থাকা সম্পর্কেও। ঈশ্বর শব্দটি এই বইয়ের পাতায় পূর্ণ। বিশ্ব সৃষ্টিতে ঈশ্বরের কোন পছন্দ ছিলো কি না- বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের এই বিখ্যাত প্রশ্নের জবাবের জন্য হকিং প্রচেষ্টা নেন। হকিং স্পষ্ট করে বলেছেন যে, তিনি ঈশ্বরের মনকে বোঝার চেষ্টা করেছেন। এ পর্যন্ত তিনি যে প্রচেষ্টা নিয়েছেন তার ফলাফল অপ্রত্যাশিত। হকিং চেয়েছেন এমন একটা মহাবিশ্ব, যার নেই কোনো কিনারা মহাশূন্যে, কোনো শুরু নেই, কোনো শেষ নেই এবং স্রষ্টার করার কিছু নেই।)
হকিং-এর উপর মন্তব্য করতে গিয়ে কার্ল সাগা যা বলেছেন, তাতে ঈশ্বরের যে পরিচয় ফুটে উঠে, বিশ্ব সৃষ্টিতে সেই ঈশ্বরের যেন কোন ইচ্ছা, পছন্দ-অপছন্দ, আগ্রহ ছিলো না, এমনকি তার করারও কিছু ছিলো না। তাহলে ধরে নিতে হয় বিশ্ব সৃষ্টিতে আর একটি শক্তি- যা ঈশ্বর অপেক্ষা শক্তিশালী- কাজ করেছে। তাই ঈশ্বরের করার কিছু ছিলো না। আর বিশ্বটাও এমনি যে, এর কোন শুরু নেই, শেষ নেই, কিনারা নেই। হকিং-এর মন্তব্যের অর্থ হলো যার শুরুই নেই, তার সৃষ্টিতে আর ঈশ্বরের প্রয়োজন কি?
আসলে হকিং ও কার্ল সাগা বিজ্ঞান চর্চা করতে গিয়ে বিজ্ঞানের বাইরের বিষয়গুলি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সব তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। ঈশ্বর আছেন কি না, তা কি পদার্থ বিজ্ঞানীর গবেষণার ওপর নির্ভরশীল ? শুধু পদার্থ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কি ঈশ্বরকে দেখতে হবে ? মানুষের আর সব জ্ঞানকে কি তবে সমুদ্রে বিসর্জন দিতে হবে ? হকিং তার বইয়ের শেষ দিকে উপসংহার অংশে দার্শনিকদের ব্যঙ্গ করেছেন। আসলে যে যে লাইনের পণ্ডিত তারটা ছাড়া অন্যেরটা তার তেমন পছন্দের হয় না। তারা মনে করেন যে, সব কিছু তাদের বিষয়ের আলোকে ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে বা তাদের বিষয়েই নির্ভরশীল। কিন্তু ব্যাপারটি এত সহজ কি ?
হকিং মন্তব্য করেছেন যে, দার্শনিকগণ বিজ্ঞানের বিভিন্ন থিওরির (মতবাদ) উন্নতির সাথে তাল মিলাতে পারেননি। অষ্টাদশ শতাব্দীতে দার্শনিকগণ বিজ্ঞানসহ সমগ্র জ্ঞানকে তাদের বিষয়বস্তু মনে করতেন এবং তারা আলোচনা করতেন বিশ্বের কি শুরু ছিলো ?তারপর বিজ্ঞান বেশী টেকনিক্যাল ও গাণিতিক হওয়ায় দার্শনিকদের শুধু ভাষার বিশ্লেষণ ছাড়া আর কিছু করার থাকে নি। হকিং-এর এসব কথা অনুযায়ী যেহেতু দার্শনিকগণ বিশ্ব ও ঈশ্বর সম্পর্কে চূড়ান্ত কিছু দিতে পারেননি তাই দর্শন এখন আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। এখন যদি বিজ্ঞানীরা সমস্ত বৈজ্ঞানিক থিওরি কে একটি থিওরিতে আনতে পারেন, তাহলে ঈশ্বরের মনকে জানা যাবে। বিজ্ঞানীরা বিশ্ব সম্পর্কে একটি সাধারণ একক থিওরি আবিষ্কারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তারা নাকি খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন !
শুধু পদার্থ বিজ্ঞানের চোখ দিয়ে সমগ্র বিশ্ব ও জ্ঞানকে যাচাই করে, দর্শনকে অবজ্ঞা করে এবং সাধারণ একক বৈজ্ঞানিক থিওরি আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের তথাকথিত অসহায়ত্ব প্রকাশ করে জ্ঞান-বিজ্ঞান কি সত্যের কাছাকছি পৌঁছতে পারবে ? যদি বিজ্হান প্রতিপন্ন করে যে, বিশ্বের শুর, শেষ ও কিনারা নেই, আর একটি মাত্র একক সাধারণ বৈজ্ঞানিক থিওরি সব কিছুর জন্য দায়ী তাতে ঈশ্বরের অসহায়ত্বটা কোথায় ? বিরাটতম ঈশ্বর কি বিরাট বিশ্বকে নিজস্ব পছন্দে সৃষ্টি করতে অক্ষম ? এই বিরাট বিশ্ব সৃষ্টিতে তাঁর কি কোন কাজই ছিল না ? না, তিনি না চাইতেই বিশ্ব সৃষ্টি হয়ে গেল ? হকিং-এর ধারণা অনুযায়ী এসব মেনে নিলে ঈশ্বর সম্পর্কে হিন্দু বা বিকৃত খৃস্টধর্ম সম্পর্কীয় ঈশ্বর ধারণাকে মেনে নিতে হয়। ইসলামের ঈশ্বর অর্থাৎ আল্লাহ সম্পর্কীয় ধারণা এ সবের উর্ধ্বে। বিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে- আর আল্লাহ তাঁর পরিকল্পনায় ছিলেন না বা তার করার কিছু ছিল না এতে- কতিপয় পদার্থ বিজ্ঞানীর এই ধরণের বিভ্রান্ত মতামত মানুষকে সত্য থেকে দূরে নিয়ে যাবে (নাস্তিক আরিফুর রহমান ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি !- হিমু রুদ্র)। এককালে দার্শনিকগণ বিজ্ঞান নিয়ে অনেক চিন্তা-ভাবনা করতেন। এই চিন্তা ভাবনার ফলে বিজ্ঞানের অনেক উন্নতি হয়েছে। তবে আজকাল বৈজ্ঞানিকগণ তাদের গণ্ডিভুক্ত জ্ঞান দিয়ে দার্শনিক প্রসঙ্গগুলোকে দেখছেন। সেই সঙ্গ ঈশ্বর সম্পর্কে আজগুবি তত্ত্ব দিচ্ছেন। এতে সত্য প্রকাশিত না হয়ে বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করবে।
আর একটি কথা। পদার্থ বিজ্ঞানী হকিং মনে করেন যে, বর্তমানে বিজ্ঞান বেশি টেকনিক্যাল ও গাণিতিক হবার ফলে দার্শনিকগণ বিজ্ঞানে আর নাক গলাবার মওকা পাচ্ছেন না। জ্ঞান-বিজ্ঞানের একটি শ্রেষ্ঠ শাখা দর্শনকে এভাবে ব্যঙ্গ করা তার মতো বিজ্ঞানীর উচিতহয়নি। দর্শন যদি পরিত্যাজ্যই হবে, তবে কেন তিনি পিএইচডি ডিগ্রির জন্য লালায়িত ছিলেন। পিএইচডি হলো ডক্টরেট অব ফিলোসফি। পদার্থবিদ্যার ছাত্র হয়েও তাকে নিতে হয়েছে দর্শনের "তকমা"। এ সব কথার দ্বারা আমি দর্শনকে উচ্চে তুলতে চাই না। আমি বলতে চাই না যে, দর্শনই শ্রেষ্ঠ। আমি এটাও বলবো না যে, পদার্থ বিজ্ঞানই শ্রেষ্ঠ। আসলে জ্ঞান এক অবিভাজ্য অভিজ্ঞতা। এ এক বিশাল বৃক্ষ। এর শিকড় গভীরে প্রোথিত,ডালপালা ঊর্ধ্বে বিস্তৃত। পদার্থ বিজ্ঞান ও দর্শন বিজ্ঞান ছাড়াও জ্ঞানের অনেক ডাল-পালা রয়েছে, নানা শাখা-প্রশাখা রয়েছে। সবই জ্ঞানরূপ বৃক্ষের অংশ।
কোরআন মজীদ বলে : " সৎ বাক্যের তুলনা উৎকৃষ্ট বৃক্ষ যার মূল সুদৃড় ও যার শাখা-প্রশাখা ঊর্ধ্বে বিস্তৃত, যা প্রত্যেকে মওসুমে তার ফলদান করে তার প্রতিপালকের অনুমতি ক্রমে।.... কু বাক্যের তুলনা এক মন্দ বৃক্ষ যার মূল ভূ-পৃষ্ঠ হতে বিচ্ছিন্ন, যার কোন স্থায়িত্ব নেই।"
------------------------------------ (১৪ সূরা ইব্রাহীম : আয়াত ২৪-২৬)
ডঃ হকিং পদার্থ বিজ্ঞানে জ্ঞানী হতে পারেন। তবে কি তিনি এনাটমি, জিওলজি ইত্যাদিতে এইকইভাবে পণ্ডিত বলে গর্ব করতে পারেন ? এগুলোও বিজ্হানের অংশ। তবু সব বিজ্ঞানী সব অংশ সম্পর্কে একই পর্যায়ের পণ্ডিত নন। বিজ্ঞানের শাখা প্রশাখাতেই যদি এমন হজয়, তাহলে বিজ্ঞানের বাইরে জ্ঞানের যে শাখা প্রশাখা আছে, তা সম্পর্কে একজন বিজ্ঞানী কি সম-জ্ঞানের অধিকারী ? না, নন। কাজেই একজন পদার্থবিদের চোখ দিয়ে দেখা ঈশ্বর সম্পর্কে বিভ্রান্তকারী মনোভাব কিভাবে গ্রহণ করা যায় ? এতা কুবাক্য অনুরূপ। এ বাক্যের কোন স্থায়িত্ব নেই, এর মূল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বিচ্ছিন্ন।
বিশ্ব সম্পর্কে একটি একক থিওরি আবিষ্কার হলে ঈশ্বর কোণঠাসা হয়ে যাবেন বা তার ক্ষমতা সীমিত হবে বা তার করার কিছু থাকবে না আর মানুষ (বিশেষ করে একজন সেরা পদার্থবিদ) হবে চূড়ান্ত সত্য- এটা কিভাবে চিন্তা করা যায় ? একীভূত, একক বৈজ্ঞানিক থিওরি তো পক্ষান্তরে একত্ববাদেরই জয়গান গাইবে। সব কিছুর মূলে যে ঈশ্বর- তখনতো তাই প্রমাণিত হবে। বিভিন্ন থিওরি থাকলে কেউ কেউ বলতে পারতেন যে, নানা ঈশ্বর নানা থিওরি সৃষ্টি করেছেন। যখন থিওরি একটাই হবে, তখন এক ঈশ্বর যে এর স্রষ্টা- এটা বলাই স্বাভাবিক হবে। কাজেই একক বৈজ্ঞানিক থিওরি ঈশ্বরের ক্ষমতা বা অবস্থানের ক্ষতি করবে না। পদার্থবিদ হকিং পদার্থবিদ্যা ছেড়ে দর্শন বা ধর্মতত্ত্বের ঘরে হানা দিয়ে ঈশ্বরকে ক্ষমতাহীন করার ব্যর্থ কসরত করছেন !
কোরআন মাজীদ বলে : "আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে এক নিদর্শন : তাঁরই আদেশে আকাশ ও পৃথিবীর স্থিতি। তারপর আল্লাহ যখন তোমাদের মাটি থেকে ওঠার জন্য ডাকবেন, তখন তোমরা উঠে আসবে। আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তা তাঁরই। সকলেই তার হুকুম মানে। আর তিনিই অস্তিত্বে আনয়ন করেন, তারপর তিনি আবার একে সৃষ্টি করবেন- এ তাঁর জন্য সহজ। আকাশ ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁরই। আর তিনিই শক্তিমান তত্ত্বজ্ঞানী।"
--------------------------------------------(১০ সূরা রূম : আয়াত ২৫-২৭)
"তুমি কি দেখনা যে, আল্লাহকে সিজদা করে যা কিছু আছে আকাশে ও পৃথিবীতে, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্রমন্ডলী, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা, জীবজন্তু, আর সিজদা করে মানুষের মধ্যে অনেকে ? আবার অনেকের জন্য শাস্তি অবধারিত হয়েছে।"
------------------------------------------------(২২ সূরা হজ্জ : আয়াত ১৮)
"সাত আকাশ ও পৃথিবী আর তাদের মধ্যকার সবকিছুই তাঁর পবিত্র মহিমা ঘোষণা করে আর এমন কিছু নেই যা তাঁর পবিত্র মহিমা ঘোষণা করে না। অবশ্য ওদের পবিত্র মহিমা ঘোষণা তোমরা অনুধাবন করতে পার না।"
--------------------------------------------------(১৭ সূরা বনী ইসরাঈল : আয়াত ৪৪)
উপরোক্ত বক্তব্য থেকে বুঝা যাচ্ছে আকাশ ও পৃথিবীর সবকিছু আল্লাহকে মানছে। আল্লাহর আদেশেই চলছে সর্বত্র। আকাশ ও পৃথিবীর স্থিতি তাঁরই আদেশে নির্ভরশীল। শুধু মানুষের কিছু সংখ্যক তাঁকে মানছে না। কিন্তু বস্তুজগত (অর্থাৎ পদার্থবিদদের বিশ্ব) আল্লাহকে মানছে। তাই যদি হয়, তাহলে তার আদেশ তো একটাই হবে। তাই একক, একীভূত বিশ্ব থিওরি আবিষ্কৃত হলে আল্লাহর অসুবিধাটা কোথায় ?হকিং-এর মত কিছু পদার্থবিজ্ঞানী তাঁকে পুরাপুরি না মানলেও আল্লাহর কর্মপদ্ধতি পরিবর্তিত হবে না। তিনি আগে যা করেছেন, এখনও তাই করতে সক্ষম।
সৃষ্টি সম্পর্কে ঈশ্বরের কোন পরিকল্পনা ছিল কি-না, এব্যাপারে তাঁর কোন ইচ্ছা ছিলো কি-না, তিনি এ ব্যাপারে নির্লিপ্ত ছিলেন কি-না, তাঁর কিছু করার ছিলো কি-না, তাঁর ক্ষমতা সৃষ্টিতে সীমিত ছিলো কি না, তাঁর এখন করার কিছু আছে কি না, দর্শন বা ধর্মতত্ত্বের এসব প্রশ্নের উত্তর শুধু পদার্থবিদ্যা দিয়ে প্রদান করা ঠিক হবে না। ফিজিক্স-এর বাইরে রয়েছে "মেটা ফিজিক্স"। কোনোটাকে খাটো করা যায় না। "ফিজিক্স" যেখানে শেষ... "মেটাফিজিক্স" সেখানে শুরু। বিজ্ঞান যেখানে যেতে পারে না, দর্শন সেখানে বিচরণে সক্ষম।ধর্মতত্ত্ব সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে ও দর্শনকে ঠিক রাস্তায় নিতে পারে। ইসলামী ধর্মতত্ত্ব দর্শনকে ঠিক পথে চালাতে সক্ষম।
---------------------------------------(মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত চলবে)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম ;
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অনুরোধ করছি লেখাটি পড়ে তারপর যথাযোগ্য মন্তব্য করার জন্য।
ব্লগ শিশুদের জায়গা নয়, প্রাপ্তবয়স্কদের জায়গা...
সুশীল সমাজ বলেছেন:
বিগ মাইনাস
লেখক বলেছেন: এর আগে তো একবার "ব্যান" খেয়েছো...
কথায় আছে না- "ছোট্ট মুরগির বড় গলা" !
তোমারও এই অবস্থা----- "না বুঝেই বিজ্ঞের মতো বিগ মাইনাস !"
কোথাকার আমার আইনস্টাইন রে !
সবই আল্লাহর ইচ্ছা

তবে মোহাম্মাদ সিদ্দিকের একটা বায়োগ্রাফি দিলে ভাল হতো
লেখক বলেছেন: পরবর্তী পোস্টে দিবো। অবশ্যই !
মামু বলেছেন:
একন এক দল লুক আইস্যা তুমারে রাজাকার কইয়া ভাষন দিব... লুকগুলার নেতা হইব এছকিমু... আর নীতি নির্ধারক হইব অমি-শিয়াল...
লেখক বলেছেন: আমি প্রস্তুত !
প্রসঙ্গ "রাজাকার-মুসলমান" না...
নাস্তিক-আস্তিক...
এইটা তাগো বাপের ব্লগ না ... দাদারও ব্লগ না !
কৌশিক বলেছেন:
এই বালের চেয়ে আমার বাল অনেক ভাল।
লেখক বলেছেন: তোমার "..." আছে কি-না সন্দেহ !
....আগে প্লাস দিতে ভুইলা গেসিলাম।দু:খিত।
কৌশিকদা ব্লগ শিশুদের জন্য নয়। যান আপনি ফিডার খান গিয়ে।
মাইনুল বলেছেন:
ধন্যবাদ , এই সুন্দর পোস্টের জন্য । ইসলাম ও সাইন্সের ব্যাপারে ব্লগার নাহিদ মাহমুদের পোস্ট থেকে কিছুটা অংশ পোস্ট করে দিলাম।।--------------------------
ব্লগার নাহিদ মাহমুদের বক্তব্য। তিনি বলেছেন: আিরফুর রহমান বলেছেন:
"এটা পপুলার বিলিফ যে ধর্মগ্রন্থটা তার মস্তিষ্ক প্রসূত।
নিচের কথাগুলো খেয়াল করুন আরিফ সাহেব।
কোরআন শরীফের সাথে বিজ্ঞানের সর্ম্পক আজ সর্বজনবিদিত। খেয়াল করুন,
মহাবিশ্বের প্রসারণ থেকে শুরু করে জ্যোর্তিবিজ্ঞানের অত্যাশ্চর্য আবিষ্কারগুলোর প্রতিটিরই উল্লেখ আছে আল-কোরআনে৷ দু-একটি উদাহরণ দিলে ব্যাপারটি খোলাসা হবে৷
১. মহাবিশ্বের প্রসারণের কথাই ধরা যাক৷ গত শতাব্দীতে আবিষ্কৃত এই তত্ত্বটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের হাজার বছরের লালিত ধারণাকে পাল্টিয়ে দিয়েছে৷ অথচ আল-কোরআনে চৌদ্দশত বছর আগেই তা সন্নিবেশিত আছে৷
“আমি আকাশমণ্ডলীকে সৃষ্টি করিয়াছি ক্ষমতার বলে এবং নিশ্চয় আমি উহাকে সম্প্রসারিত করিতেছি৷” (সূরা ৫১, ৪৭)
২.আবার মহাশূন্য বিজয়ের কথাও কোরআন শরীফের ৫৫নং সুরার ৩৩নং আয়াতে ইঙ্গিত দেয়া আছে৷
“হে জ্বিন ও মানবমণ্ডলী, যদি তোমরা প্রবেশ করিতে পার আসমান ও জমিনের এলাকায়, তাহা হইলে উহাতে প্রবেশ কর৷ তোমরা উহাতে প্রবেশ করিতে পারিবে না মহাবমতা ব্যতিরেকে৷”
অর্থাৎ আল্লাহ বলছেন, তোমরা মহাৰমতা অর্জন করেই কেবল উহাতে প্রবেশ করতে পারবে৷ বলাবাহুল্য, এই মহাৰমতা হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকর্ষের বাধা অতিক্রমকারী দ্রম্নতগামী প্রযুক্তি অর্জন৷ বিগত শতকের শেষ দিকে মানুষ এই প্রযুক্তি করায়ত্ত করে এবং সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করে৷
৩.বিজ্ঞানীরা আজ বলছেন, অন্যান্যসকল দুরবর্তী গ্যালাক্সী আমাদের এই মিল্কীওয়ে গ্যালাক্সি থেকে সর্বদা দুরে সরে যাচ্ছে।
১৯২০ এর দশকে বৈজ্ঞানিক এডুইন হাবল দূরবর্তী গ্যালাক্সিসমূহের তারকার আলো পর্যবেক্ষন করে দেখতে পান- সেগুলি সর্বদা পশ্চাদপসরণ করছে। অথচ আজ হতে ১৪০০ বছর আগে আল্লাহ তার পবিত্র কোরআনে বলেছেন,
"অতঃপর আমি নিদর্শন দিতেছি। ওই সকল তারকার যাহারা পিছনে হটিয়া যায়।" - ৮১:১৫
৪.আজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাবিশ্ব বর্তমানে সম্প্রসারিত হচ্ছে, যার অর্থ দাড়ায়, আদিতে কোন এক সময় মহাবিশ্বের সমস্ত গ্রহ, নক্ষত্র তথা সমস্ত পদার্থ একত্রিত অবস্থায় ছিল, সম্ভবত কোন এক আদি বিস্ফোরণ থেকে এই সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের সূচনা হয়েছে। (বিগব্যাঙ)অথচ আজ হতে ১৪০০ বছর আগে আল্লাহ তার পবিত্র কোরআনে বলেছেন,
"কাফিরেরা কি দেখে না যে, এই আসমান যমীন সবকিছু মিলিত অবস্থায় ছিল, পরে আমি এইগুলিকে আলাদা আলাদা করিয়া দিয়াছি।" - ২১:৩০
৫.আজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, সৃষ্টির পারম্ভে মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসের মিশ্রিত ধোয়া উৎপন্ন হয়েছিল। অজানা কারনবশত এই ধোয়া বিভক্ত হয়ে বিশাল আকৃতির সব ধোয়ার মেঘে রূপান্তরিত হয়েছিল। পরবর্তিতে এক একটি ধোয়ার মেঘ রূপান্তরিত হয়েছে এক একটি গ্যালাক্সিতে। ধোয়া থেকেই সৃষ্টি হয়েছে এ মহাবিশ্ব সব গ্যালাক্সি তথা সম্পূর্ন মহাবিশ্ব।
"তৎপর তিনি আসমানের প্রতি মন দিলেন, তখন উহা ধোঁয়া ছিল, পরে তিনি আসমান ও যমীনকে বলিলেন, 'আস, ইচ্ছায় কি অনিচ্ছায়', তাহারা বলিল, 'আমরা একান্ত অনুগতভাবেই আসিলাম।'" - ৪১:১১
আজ হতে ১৪০০বছর আগে যে আরবে একজন নিরক্ষর মানুষ এই কথাগুলো কিভাবে ভাবতে পেরেছিলেন তা কি কখনো চিন্তা করেছেন? আজ বিজ্ঞান যা আবিষ্কার করছে আজ হতে ১৪০০বছর আগেই একজন মানুষ তা বললে তা কিভাবে তার মস্তিষ্ক প্রসূত হয়?
প্রশ্নগুলো নিজেকে করে দেখবেন একবার।
লেখক বলেছেন: মাইনুল আপনি থামবেন না।
নাস্তিক ব্লগারদের জন্য "সিডর" তৈরী করতে থাকুন !
আমি আছি ...
কৌশিক বলেছেন:
চুদির ভাই, তুই (....) মানে কি বোঝাইতে চাস? তোর গুস্টি চুদি!ধরো উপরের গালিটা তোমারে আমি দিলাম। এখন তোমার মহান ইসলাম তোমারে কি শিক্ষা দিছে এর উত্তর দিতে! একটু কও দিকিন!
লেখক বলেছেন: মহান ইসলাম এটাই বলেছে - "কৌশিক, তোমার ভাগ্য ভালো যে গালিটা তুমি একজন "মুসলমান" কে দিয়েছ... অন্য কোনো ধর্মের মানুষকে কিংবা তোমার বাবা-মাকে গালিটা দিয়ে দ্যাখো ! কী প্রতিক্রিয়া হয়....!"
অত্যন্ত অশ্লীল মন্তব্যের জন্য তোমার মুখে একদলা থুথু ছুঁড়লাম...
পন্ডিত বলেছেন:
মুহাম্মাদ সিদ্দিক ভদ্রলোক ই কি "সূর্যকে কেন্দ্র করে জ্যোতিষ্ক মন্ডলী ঘোরে" এবং "ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, হোমিও"- সব আসছে একটা মাত্র গ্রন্থ থেকে "আল কুরআন" এই দুটি তত্বের জনক ?
লেখক বলেছেন: হুমম...
কারণ ---- "কুরআন কোনো মানুষের রচিত গ্রন্থ নয়। এটি আল্লাহপাকের নিয়ামত। এই কুরআন দেখেই বিজ্ঞানীরা মুখ থুবড়ে পড়েছেন... কুরআনকে নিয়ে গবেষণা করছেন
লেখক বলেছেন: এটা শুধু মুহাম্মাদ সিদ্দিক বলেন নি...
তোমার চেয়েও মূর্খরা স্বীকার করে একবাক্যে...
কারণ ---- "কুরআন কোনো মানুষের রচিত গ্রন্থ নয়। এটি আল্লাহপাকের নিয়ামত। এই কুরআন দেখেই বিজ্ঞানীরা মুখ থুবড়ে পড়েছেন... কুরআনকে নিয়ে গবেষণা করছেন
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
পোস্ট ঠিক আছে । কিন্তু আমার একটা কথা আছে ।
আমি প্রায়ই দেখি অমুক খ্রীষ্টান বিজ্ঞানী কী বলেছেন , অমুক ইহুদি সমাজবিদ কী বলেছেন এসব বলে এক শ্রেনীর মুসলিম নিজেদের ধর্মকে জাস্টিফায়েড করেন ।
সেদিন দেখলাম এক লোক খুব উৎফুল্ল যে কোন ইহুদিরা নাকি বলেছে , মুহম্মদ ( সা )
সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব ।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই যে ভিনধর্মীদের চোখে নিজেদেরকে হালাল করার চেষ্টা , এটা কি দুর্বল ঈমানের লক্ষন নয় ?
রাসুল ( সা. ) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ , এটা এক ইহুদি মানলেই কী , আর না মানলেই কী ?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সচেতন ব্লগার আরিফ সাহেব কে।
আসলে এখন নাস্তিকেরা যে সব অকাট্য ও জঘন্য যুক্তি শো করছে তার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের মতাদর্শের আলোকে বিবেচনা করেই নাস্তিকদের কুপোকাৎ করতে হয়।
"ইহুদি মানলেই কি আর না মানলেই কি"---এ টাইপ কথা ধার্মিকদের জন্য প্রযোজ্য। নাস্তিকদের জন্য নয়।
মাহিরাহি বলেছেন:
কৌশিকদা ব্লগ শিশুদের জন্য নয়। যান আপনি ফিডার খান গিয়ে।
ইয়র্কার বলেছেন:
কোরানের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, হকিংয়ের সার্টিফিকেট দিয়ে কুরান যাচাইয়ের অপচেষ্টা এসব হলো দুর্বল ঈমানের লক্ষণ।
লেখক বলেছেন: হা: হা:
তাহলে কোনটা "সবল ঈমানের অঙ্গ"...
চুপচাপ আপনার মতো মুখ বুঁজে সহ্য করা আর ঘরের কোণে পড়ে থেকে নাস্তিকদের সমর্থন করা ?
ভালোই বলেছেন ইয়র্কার !
পন্ডিত বলেছেন:
প্রচলিত ধর্মমত এবং বিজ্ঞান এ দুইয়ের মধ্যকার প্রধান পার্থক্য হলো ধর্ম তালগাছ কে আকড়ে ধরে রাখে কিন্তু বিজ্ঞানের কোনরূপ তালগাছের প্রয়োজনীয়তা নেই । কেননা বিজ্ঞান জানে তালগাছ পচনশীল ।
লেখক বলেছেন: উরি বাবা ! কি পন্ডিত রে !
স্টিফেন হকিং - এর মতো ভুয়া প্যাঁচাল পাড়া পদার্থবিদ ফেল মারছে !
আর তুমি পণ্ডিত কোন যুগের মহান বৈজ্ঞানিক ? কোথাও তো দেখি না !
তালগাছ পচনশিল- বিজ্ঞান কইছে !
ঐ এই তালগাছ পচায় কে ? তুমি না তোমার বাপ ?
কৌশিক বলেছেন:
তারমানে একজন অমুসলমানকে গালি দিলে সে গালি দিতো, কিন্তু তুমি দেও নাই। তারা গালির মধ্যে সীমিত রাখতো, আর তুমি তার মুখে একদলা থুথু ছুঁড়ে মারতে। এই তো! দেখো, আমি একজন নাস্তিক, তুমি থুথু মারলেও আমি তোমার মঙ্গল কামনা করলাম। তোমার আল্লাহ যেন তোমাকে শান্তিতে রাখেন।
লেখক বলেছেন: আমি কারো মুখে থুথু ছুঁড়ে মারতাম না। তোমাকে মারলাম। তুমি হলে জ্ঞান পাপী। এটা জেনে রেখো :
Little knowledge is a dangerous thing.
আর আমি আমার রাসূল (স) এর মতো সংযমী হতে পারি নি এখনো...
আমি তাঁর মতো ধৈর্যশীল না...
আমি সাধারণ মানুষ... তোমাদের প্যাঁচালে অধৈর্য হয়ে উঠি মাঝে মাঝে !
তোমার জন্য আল্লাহর কাছে এটাই প্রার্থনা- "আল্লাহ যেন তোমার চোখ খুলে দেন।"
অন্ধ হয়ে থেকো না কৌশিক- ভাই আমার। তাহলে কী পড়াশোনা করেছো ? বলো ? কি লাভ ধর্ম-বিরোধী হয়ে ?
ঐ যে উপরে একজন কলকাঠি নাড়ছেন এটা কখনো ভাবো কি ?
আজ আমি-তুমি ব্লগে লিখছি .... কাল তো নাও থাকতে পারি !
সাহোশি৬ বলেছেন:
ইশ্বর আছেন এর প্রমান কি?
লেখক বলেছেন: আস্তে আস্তে বুঝতে পারবেন।
আপনাদের জন্যই তো কষ্ট করে লিখছি ভাই !
মন দিয়ে পড়ে যান এই শিরোনামের ব্লগ
কৌশিক বলেছেন:
হাহাহাহা - তোমাদের হেদায়েতের জন্য একজন কৌশিকের দরকার। কেমন সুরসুর করে ঠিক হয়ে গেলে, দেখলে তো! আল্লাহ (তোমার) তোমার মঙ্গল করুন।
লেখক বলেছেন: মানুষকে সুড়সুড়ি দিতে মজা লাগে তাই না ?
হা : হা : তুমি অতি নিম্ন মানের একজন নাস্তিক !
কি আবোল-তাবোল বকছো ব্লগে !
তুমি ডেইলি কর্ণফ্লেক্স খাবে এক বাটি ? আম্মুকে এ কথাটা জানিও
ইয়র্কার বলেছেন:
হিমু রুদ্র, ইসলামে যদি আপনি প্রকৃতপক্ষে বিশ্বাস করেন, তাহলে বিজ্ঞান দিয়ে কুরানের ব্যাখ্যা করতে যাবেন না। কারণ, বিজ্ঞান একটি চলমান কনসেপ্ট। অন্যদিকে কুরান ফিক্সড জিনিস। বিজ্ঞানে প্রমাণ ছাড়া কেউ কিছু অ্যাকসেপ্ট করে না, ধর্মের ব্যাপার ভিন্ন। ধর্ম বিশ্বাসের ব্যাপার।বিজ্ঞান দিয়ে ত্যানা পেচিয়ে লতায় পাতায় সম্পর্ক খুঁজে খুঁজে যেমন কুরানের অনেককিছুই জাস্টিফাই করার চেষ্টা করা যায়, একইভাবে বিজ্ঞানের অনেক কিছুর সাথেই কুরানের বাণী কন্ট্রাডিক্ট করতে পারে। আপনি যদি বিজ্ঞান দিয়ে জাস্টিফাই করতে চান, তাহলে কুরানের যা বিজ্ঞানের সাথে কন্ট্রাডিক্টিং, তাকে সত্য বলে বিশ্বাস করার দাবি আপনাকে ত্যাগ করতে হবে।
জ্বিনের ব্যাপারটা একটা উদাহরণ হতে পারে। কুরান অনুসারে, জ্বিন একটা বিশাল জাতি। বিজ্ঞানে জ্বিনের কোনো প্রমাণ নেই।
যারা ঈমান আনে, তারা কুরানের পুরোটার ওপরেই ঈমান আনে। ঈমান মানে বিশ্বাস, ঈমান মানে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নয়।
অতএব, এসব আলতু ফালতু পোস্ট দিয়ে ইসলামকে কাঁচকলাই দেখানো হয়, ইসলামকে হাস্যাস্পদ করে তোলা হয় মাত্র।
লেখক বলেছেন: আবারো বলছি- না বুঝে বেশি ওভার স্মার্ট হবার চেষ্টা করবেন না !
নিজের ব্লগে কুত্তার ছবি দিয়ে কিছু অপ্রাসঙ্গিক কথা না বললে শান্তি হয় না তাই না ইয়র্কার সাহেব ?
আল্লাহপাক কুরআনকে "বিজ্ঞানময় কুরআন" বলে অভিহিত করেছেন।
অনেক অগা-মগা-বাঘা বৈজ্ঞানিক কুরআনের সব যুক্তি মেনে নিয়েছে।
কুরআন নির্ভুল গ্রন্থ, ইসলামও নির্ভুল ধর্ম (যেহেতু কুরআন ইসলাম ধর্মেরই আসমানী কিতাব)...
আপনি বলেছেন - যারা ঈমান আনে তারা পুরোটার.....ঈমান মানে বিশ্বাস..বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নয়।
আমি কি পোস্টটা নিজের জন্য করেছি? নাকি আরিফুর রহমানও তার মতো কিছু "বিকৃত মস্তিষ্ক"ধারী ব্লগারের জন্য লিখেছি বলুন দেখি?
এখনো আমি ২৭৬ পৃষ্ঠার পুরো বইটা পোস্ট করি নি.. সেইটা বুঝে কমেন্ট করবেন।
কোনটা আলতু আর কোনটা ফালতু পোস্ট এইটা আপনি একা একা ঘেউ ঘেউ করলে লাভ হবে না... মুখ চেপে সহ্য করে যান ! কি আর করা...
নূহান বলেছেন:
মোহাম্মাদ সিদ্দিকের একটা বায়োগ্রাফি দিলে ভাল হতো
লেখক বলেছেন: আমি ২০০০ সালে বইটা সংগ্রহ করেছি।
তাঁর সম্পর্কে যতটুকু জানি (বই এ লিখা) ততটুকু হুবহু জানাবো কথা দিলাম
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
ভাল উদ্যোগ। চলতে থাকুক। তবে ব্লগে ধর্মীয় অসুস্থ সমালোচনা না হলেই ভাল হত।
রাতুল" বলেছেন:
চলুক।
সাহোশি৬ বলেছেন:
কোরান বিজ্ঞানের কোন বই না। এটা ধর্মীয় পুস্তক। কোরান বিজ্ঞান সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারাণা দিতে ব্যর্থ। কোরান হল ১৪০০ বছর আগে লেখা একটা বই মাত্র, যার বর্তমানে কোন value নেই। "আমি আকাশমণ্ডলীকে সৃষ্টি করিয়াছি ক্ষমতার বলে এবং নিশ্চয় আমি উহাকে সম্প্রসারিত করিতেছি" আকাশ তো শূন্য, শূন্য আবার সৃষ্টি করা যায় কিভাবে?
কোরানে তো এও বলা আছে যে চাঁদের অবস্হান হল তারাদের মাঝখানে। সূর্য একটি পংকিল জলাশয়ে ডুবে যায়।
কোরান বলেছে, মাতৃগর্ভে শিশুদের প্রথমে হাড় তৈরি হয়, তারপর হাড়ের উপর মাংস develop করে, অথচ বিজ্ঞান দেখিয়েছে মাতৃগর্ভে শিশুদের হাড় আর মাংস একই সময়ে develop হওয়া শুরু হয়।
হাদীসে বর্ণিত আছে রসুল বলেছেন সূর্য অস্ত যাবার পর আল্লাহর আরশের নীচে ধ্যানে মগ্ন থাকে।
কোরান বলেছে আকাশ হল খুঁটিবিহীন ছাদ। কোরান বলেছেপৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি হয়েছে।
সকল প্রানীর জান কবজ করেন আজরাইল, তাহলে ভাইরাসের জান কে কবজ করে? ভাইরাস তো জীবম্মৃত। এ্যামিবার জান কে কবজ করে? একটা এ্যামিবা বিভাজিত হয়ে দুইটা জীবিত এ্যামিবায় পরিণত হয়।
কোরানের হিসাবে মিখাইল ফেরেশতার দ্বায়িত্ব হল পৃথিবীতে ঝড়-বৃষ্টির সৃষ্টি করা। অথচ বিজ্ঞান দেখিয়েছে, কোন ফেরেশতার হুকুমে নয় বরং ঝড় বৃষ্টি হয় প্রাকৃতিক নিয়মে।
কোরানে এও বলা আছে যে কোরান মক্কা এবং এর আশেপাশের মানূষের জন্যে অবতীর্ণ করা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: কোরআন শরীফ মুখস্ত করে বসে আছেন নাকি ?
যদি বাপের ব্যাটা হয়ে থাকেন তাহলে... প্রতিটা বঙ্গানুবাদের আয়াতসহ তুলে দিন...
সেটা না-করা পর্যন্ত অনেকেই বিশ্বাস করবে না !
আমার এই পোস্টটা বিশাল... ধৈর্য থাকলে পড়েন না হলে ভাগেন !
এখানে বিশ্বের বিখ্যাত নাস্তিক স্টিফেন হকিং সম্পর্কে বলা হচ্ছে... তার মতামতের বিরুদ্ধে বৈজ্ঞানিক যুক্তি দিয়ে অনেক কিছু লিখা হবে... বুঝলেন ?
সাহোশি৬ আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি - " যারা শুরু থেকেই পোস্ট না-পড়ে কুরআনের বিরোধিতা করবেন, তাদের ব্লক করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।"
আপনাদের হৃদয় তালাবদ্ধ। তার চাবি হাজার খুঁজলেও পাওয়া যাবে না... চেষ্টাই নাই আপনাদের !!!
আপনার কথা শুইনা মনে অইতাছে আইনস্টাইন, হাইজেনবার্গ এর পর সাহোশি৬ নামটাও নোবেল পাইবো ! (বোগাস !!!)
ভক্কডা বলেছেন:
কৌশিক বলেছেন:
তোমার সাথে আমার মিশন সমাপ্ত। মন্তব্যগুলো না মুছে তুমি তোমার উৎকৃষ্ট আস্তিকতার পরিচয় দিও।
লেখক বলেছেন: হাহ...
আমি কোনো মন্তব্য মুছি না... কৌশিক !
ভক্কডা বলেছেন:
ভক্কডা বলেছেন:
এলোমেলো বলেছেন:
পরে পড়ুম অনেক বড় পোষ্ট

কে বলেছে ইসলাম আর বিজ্ঞানের মাঝে বিরোধ আছে? যে এইসব কথা বলে তারা ভান করে ঘুমিয়ে আছে।
ইসলাম সম্পূর্নরূপে একটি বৈজ্ঞানিক ধর্ম।
লেখক বলেছেন: আমি সতর্ক করে দিয়েছি - "ব্লগ শিশুদের প্যাঁচাল-আবদারের জন্য না। এটা একটা সুস্থ মতবিনিময় করবার জায়গা। ওদের উচিত ফিডার খাওয়া আর ওয়া ওয়া করা..."
ধন্যবাদ সামী আপনাকে।
ইয়র্কার বলেছেন:
হিমু রুদ্র, আপনার পারসোনাল অ্যাটাককে ইগনোর করলাম।তাহলে আপনি বলতেছেন, কুরানের পুরাটাই বিজ্ঞান দ্বারা সাপোর্টেড? হক মাওলা! আচ্ছা, তাইলে একটা একটা করে প্রমাণ দেয়া শুরু করেন। জ্বিন দিয়েই শুরু হোক।
জ্বিনের বৈজ্ঞানিক আবিস্কারক কে? জ্বিন কোথায় কোথায় পাওয়া যায়?
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞানের পুরোটাই কুরআন দ্বারা সাপোর্টেড... কথাটা উল্টা বলেছেন বস !
আপনার শরীরে লোমকূপের সংখ্যা তিন লক্ষ (প্রায়) ! সত্যি ?
পৃথিবীতে লাল রঙের ফুল সবচে' বেশি ! সত্যি ?
এই প্রশ্নের যুক্তিসহ প্রমাণ দিন দেখি !
এস.এম. জাকির হুসাইনের মতে- বিগ ব্যাঙ থিওরি অনুসারে গোটা বিশ্বব্রহ্মান্ড একসময় অর্থাৎ তার সৃষ্টির মুহূর্তের কিছু পরে একটি ফুল স্টপের মতো ( . ) ছিলেঅ ! তার থিওরি আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা অনুসারে তখন স্পেস এবং টাইম বলে কিছু ছিলেঅ না। স্পেস যদিও না থাকে, তাহলে বিন্দুটি ( . ) ছিলো কোথায় ? অর্থাৎ তার চারপাশে কী ছিল ? সে কি নিজের মধ্যেই নিজে অবস্থান করছিলো?........ তাহলে বিন্দুটির সৃষ্টির আগে ব্রহ্মান্ড কোথায় ছিল ? তাহলে কি তা নিজের মধ্যে নিজে ছিলো না ? তাহলে কি তার অস্তিত্বের মধ্যেই এমন অনস্তিত্ব ছিলেঅ... কিংবা তার অনস্তিত্বের মধ্যেই তার অস্তিত্ব লুকিয়ে ছিলো ?"
এই প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞান এই পর্যন্ত দিতে পারে নি।
ইসলাম ও কুরআন দিয়েছে- "মহান আল্লাহ এক অপূর্ব সুন্দর নিয়মে বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন"
সিরিয়াস বলেছেন:
ধর্ম নিয়ে এইসব অহেতুক প্যাচাল ভাল লাগে না। আরিফের অতি আগ্রাসনে যতোটা বিরক্ত বোধ করেছি আপনার এই 'হকিং-এর নিরিখে' ধর্মবিশ্বাস মাপার প্রয়াসেও ততোটাই বিরক্ত। ভাইরে বিশ্বাস জিনিসটা তো যুক্তির ধার ধারে না... ক্যান এইসব কথাবার্তা দিয়া বিশ্বাস-কে 'বৈজ্ঞানিক' প্রমান করতে চান??মাইনুল ভাইয়ের প্রতি একটা প্রশ্ন- আপনি বললেন-
"১. মহাবিশ্বের প্রসারণের কথাই ধরা যাক৷ গত শতাব্দীতে আবিষ্কৃত এই তত্ত্বটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের হাজার বছরের লালিত ধারণাকে পাল্টিয়ে দিয়েছে৷ অথচ আল-কোরআনে চৌদ্দশত বছর আগেই তা সন্নিবেশিত আছে৷
“আমি আকাশমণ্ডলীকে সৃষ্টি করিয়াছি ক্ষমতার বলে এবং নিশ্চয় আমি উহাকে সম্প্রসারিত করিতেছি৷” (সূরা ৫১, ৪৭)"
কোরানের অনুবাদে দেখলাম এই আয়াতটা এইটা-
"আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মান করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী।"
এইখানে তো সম্প্রসারনের কোন ব্যাপার নাই। এই ম্যানিপুলেশনটার ব্যাক্যা দিবেন কি?
লেখক বলেছেন: আকাশ তো সম্প্রসারিত একটা জিনিস !
আকাশ মহাবিশ্বের একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র !
আল্লাহ নিজ ক্ষমতা বলে আকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং তা সম্প্রসারিত করেছেন--- তা না হলে আজ পৃথিবীর কিছু জায়গায় আকাশ থাকতো... কিছু জায়গায় থাকতো না !
আরিফুর রহমান যখন ইসলাম তথা সব ধর্ম নিয়ে অশ্লীল গালি-গালাজ করেন তখন আপনার সিরিয়াসনেস কি ডোবার পানিতে চুপসে যায় ?
কৌশিক বলেছেন:
এইটা অচিরেই হবে। কুরআনে যখন আছে তখন একদিন হবেই হবে।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
শেষ কমেন্টের উত্তরে কোনো যৌক্তিক তথ্য নেই।ব্যক্তিগত আক্রমন ছাড়া।
লেখক বলেছেন: আমি যদি যুক্তি গিলে ট্যাবলেট বানিয়ে খাইয়ে দেই ... তাও আপনি বলবেন "যৌক্তিক কোনো তথ্য নেই... ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া।"
হা : হা :
আমি কি ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষার জন্য নাস্তিকদের প্রশ্নের উত্তর দৃষ্টি নাকি সব মুসলমানদের জন্য ...
ফাও প্যাচাল পারবেন না
ইয়র্কার বলেছেন:
হিমু রুদ্র, জ্বিন বিষয়ক প্রশ্নটা আবারও করছি। বক্তব্য টু দ্য পয়েন্ট রাখুন।জ্বিনের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারক কে? জ্বিন কোথায় কোথায় পাওয়া যায়?
লেখক বলেছেন: আমি যদি প্রশ্ন করি - "এক মাথাবিশিষ্ট রাক্ষস রাগে গোঙাতে গোঙাতে নিজের মাথা ছিঁড়ে নিজে খাচ্ছে। কিভাবে ?"
এটা নিয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করুন। আপনার প্রশ্নটাও ঠিক তেমনি।
আল্লাহপাক পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন - আমি জ্বিন ও মানবজাতিকে শুধু আমার ইবাদাতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।
আল্লাহপাক জ্বিন সৃষ্টি করেছেন। জ্বিন মানুষের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জাতি। জ্বিন মানুষের জন্য উপকারী আবার অপকারী-ও ।
কুরআন মাজীদে "সূরা আল জ্বিন" নামে একটি পূর্ণ সূরা আছে। তার বঙ্গানুবাদ পড়ে দেখুন প্লিজ :
Click This Link
আমল করলে জ্বিন আনা সম্ভব। এর জন্য আপনাকে আমল করতে হবে। (আপনার ক্ষেত্রে এটা অসম্ভব কারণ আপনার ঈমান সংশয়পূর্ণ। আপনি একজন শিশু। দেখেও না দেখার ভান করছেন ইসলামকে!"
বাসার আশে-পাশে, গ্রামে-গঞ্জে অনেক মানুষ, হুজুর আছেন যারা জ্বিন আমল করেছেন।তাদের সাক্ষাৎকার নিতে পারেন। আর আপনার যদি খুব বেশি ইচ্ছা থাকে তাহলে সেই ব্যবস্থা আমি করতে পারি। ঢাকায় আছেন তো ?
’And verily, there were men among mankind who took shelter with the masculine among the jinns, but they (jinns) increased them (mankind) in sin and disbelief.
---------Sura Al-jinn (aayaht : 7)
রাগিব বলেছেন:
মুহাম্মদ সিদ্দিক লিখেছেন,"পদার্থ বিজ্ঞানী হকিং মনে করেন যে, বর্তমানে বিজ্ঞান বেশী টেকনিক্যাল ও গাণিতিক হবার ফলে দাশনিকগণ বিজ্ঞানে আর নাক গলাবার মওকা পাচ্ছেন না। জ্ঞান-বিজ্ঞানের একটি শ্রেষ্ঠ শাখা দর্শনকে এভাবে ব্যঙ্গ করা তার মত জ্ঞানীর ঠিক হয়নি। দর্শন যদি পরিত্যাজ্যই হবে, তবে কেন তিনি পিএইচডি ডিগ্রীর জন্য লালায়িত ছিলেন। পিএইচডি হল ডক্টরেট অব ফিলোসফি ! পদার্থবিদ্যার ছাত্র হয়েও তাঁকে নিতে হপদার্থবিজ্ঞানে জ্ঞানী হতে পারেন। তবে কি তিনি এনাটিয়েছে দর্শনের তকমা।"
-------
এই প্রলাপ টুকু পড়ে এতো হাসি পেলো, বাকিটা আর পড়তে পারলাম না হাসির চোটে। জোকটি পোস্ট করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: রাগীব হাসান আপনি বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র বললেও ভুল হবে... তার চেয়ে বেশি কিছু !
আপনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে / সব ধর্মের পক্ষে লিখা বৈজ্ঞানিক মতবাদ অনুসারে একটি গ্রন্থকে "জোকস" বলে যে হীনমন্যতা ও বোকামির পরিচয় দিলেন তাতে আমার নিজেরই হাসি পেল আপনার ওপর !
হা: হা :
দেখুন আমি মূল বই থেকে মাত্র "তের পৃষ্ঠা" পর্যন্ত পোস্ট করেছি। কিছু সময় লাগবে... বুঝলেন ?
বাকিটা না পড়ে মন্তব্য করতে যাবেন না। তাহল বাকি ব্লগাররাও তাই করবে !
পরীক্ষার খাতায় কি আপনি অর্ধেক উত্তর করে দিয়ে এসে বোর্ডে ছেলে-মেয়ে সবার মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন ?
আমি ভীষণ কষ্ট পেলাম রাগিব হাসান !
সিরিয়াস বলেছেন:
আমি কইলাম কি আর আপনে বুঝলেন কি??? মাইনুল সাহেব আয়াতটা ম্যানিপুলেট করে উদ্ধৃত করেছে... এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইসিলাম।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
ভাই আমি নাদান একজন মানূষ।অনেক কম জানি।আসলে কিছুই জানিনা।
আমার কমেন্টের উত্তরটা কি আসলেই যৌক্তিক না ব্যক্তিগত আক্রমন?
আস্ক ইয়োর সেল্ফ?
লেখক বলেছেন: এই পোস্টে কমেন্ট করার আগে পড়াশোনা করে আসবেন।
ইয়র্কার বলেছেন:
হিমু রুদ্র, আমি জ্বিন বিষয়ে কুরানের রেফারেন্স চাই নি। কুরানে ওটা আছে বলেই তার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ চেয়েছি। গ্রামে-গঞ্জে যে জ্বিনভূতব্রহ্মদত্মি আছে (!), সেইটাই তাইলে জ্বিনের 'বৈজ্ঞানিক প্রমান'?
লেখক বলেছেন: কুরআনের সব কিছুরই তো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে। কিন্তু... কিন্তু কি..???
জ্বিন কিন্তু ভূত না, ইয়র্কার সাহেব ! হলিউডের হরর ছবিতে যে ভূত দেখা যায়... সে-রকম কিছু না ।
বিজ্ঞান জ্বিন আছে কি নাই এ বিষয়ে কোনো গবেষণা করেছে কি-না আমার জানা নেই। আমার নিজেরই করে দেখতে হবে !
"আল্লাহপাক আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন..." কুরআন বলছে
বিজ্ঞান বলছে... : "ভূ-পৃষ্ঠ উত্তপ্ত হলে নদী, সাগরের পানি জলীয় বাষ্প হয়ে উপরে উঠে যায়। একসময় অনেকগুলো পানি কণা এক হয়ে মেঘের সৃষ্টি হয়। আবার সেগুলো নিজেদের ভারে ভূ-পৃষ্ঠে ঝরে পড়ে। একেই বৃষ্টি বলা হয়।"
প্রশ্ন হলো : " এই বৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করছে কে ? মানুষ না বিজ্ঞান ?"
সব সময় কি বৃষ্টি হয়, বর্ষাকাল সারা বছর থাকে... কোথাও শীত, গ্রীষ্ম, বসন্ত... কত ঋতু !
এই সুষম বন্টন কাদের জন্য ? মানুষ তথা সমগ্র জীব জগতের জন্য ! কেন ?
কেননা--- "আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদাতের জন্য"
বিজ্ঞান কি পেরেছে সূর্যের মতো কৃত্রিম কোনো নক্ষত্র তৈরী করতে ?
বিজ্ঞান সৌরজগতের আংশিক জানতে পেরেছে মাত্র !
চেয়ে দেখুন ! আরেকটা সৌরজগত আবিষ্কৃত হয়েছে !
রাগিব বলেছেন:
@হিমালয় রূদ্র--
গ্রন্থটি পড়িনি, কাজেই এটা জোক্স কি না তা মোটেও বলবো না। আপনি যে অংশটি পোস্ট করেছেন, তার প্রথম দিকের উদ্ধৃত লাইনগুলো পড়লাম, এবং ব্যাপক মজা পেলাম "ডক্টর অফ ফিলসফি"কে দর্শনের ডিগ্রি বলে লেখকের দৃঢ় বিশ্বাস দেখে।
--
"আপনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে / সব ধর্মের পক্ষে লিখা বৈজ্ঞানিক মতবাদ অনুসারে একটি গ্রন্থকে "জোকস" বলে যে হীনমন্যতা ও বোকামির পরিচয় দিলেন তাতে আমার নিজেরই হাসি পেল আপনার ওপর !""
বই যেহেতু পড়িনি, কাজেই সেটাকে জোক্স বলার প্রশ্নই আসে না। উদ্ধৃত অংশটুকু কৌতুক-সদৃশ। লেখকের বিদ্যার দৌড় এই লাইনে ধরা পড়ে গেছে।
----
""পরীক্ষার খাতায় কি আপনি অর্ধেক উত্তর করে দিয়ে এসে বোর্ডে ছেলে-মেয়ে সবার মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন ?""
দুঃখজনক হলেও সত্যি, দুর্ঘটনাবশত সেবছর তাই হয়েছিলো। এটাই ধরে নিন।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লেখক দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে শুধু "দর্শনের ডিগ্রি" বলেন নি !
তিনি বলেছেন এটাতে "দর্শনের তকমা" অবশ্যই আছে !
আমি লিখতে ভুল বলেছিলাম। আপনার পাঠে ঝামেলা সৃষ্টির জন্য দুঃখিত।
হা: হা: আমি কিন্তু ঐ ব্যাপার জানি ! আমি পরীক্ষা না দিয়েই বোর্ড স্ট্যান্ড করেছিলেন।
কৌশিক বলেছেন:
সিদ্দিক সাব দেখি আমাগো ত্রিভুজের মত জ্ঞানঅর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। মাশাল্লাহ। তবে আমি এই পোস্টের পরে ইমান আনতে বাধ্য হয়েছি হিমু রুদ্র ভাই। জ্বীন দেখতে চাই। আপনি ব্যবস্থা করেন। আল্লাহ আমাদের জ্বীন দেখার তৌফিক দান করুন।
জলদি করেন ভ্রাতঃ জলদি।
লেখক বলেছেন: জ্বিন চাইলে সত্যিই দেখতে পাবেন। গ্যারান্টি !
সূরা আল-জ্বিন - আমল করতে হবে। একজন অভিজ্ঞ হুজুরের কাছ থেকে আমার নিয়মগুলো জানতে হবে।
তবে আপনি তো ফান হিসেবে নিচ্ছেন... তাই দেখতে পাবেন না মনে হয়
রাগিব বলেছেন:
* ""ডক্টর অফ ফিলসফি"কে দর্শনের ডিগ্রি বলে "এখানে পড়ুন ""ডক্টর অফ ফিলসফি"কে কেবল দর্শনের ডিগ্রি, এবং পদার্থবিদ্যার ডিগ্রি না ধরার ব্যাপারে"
লেখক বলেছেন: দেখুন এই গ্রন্থ আট বছর আগে লিখা।
স্টিফেন হকিং এর মতো ক্ষুরধার পদার্থবিদ-এর ভ্রান্ত কিছু মতবাদ নিয়ে মুহাম্মাদ সিদ্দিক যে ধারালো বক্তব্য দিয়েছেন তার পুরোটাই আমি পোস্ট করবো। আপনাকে করজোড়ে অনুরোধ করছি রাগিব হাসান।
আপনি মন্তব্য করেছেন "জোক" টি পোস্ট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ"
আমি তো শুধু ঐ অংশটুকু পোস্ট করিনি। কিছু লজিকও আছে প্রথম অংশে !
আপনার কথার মানে সবাই এটাই বুঝবে- পুরো পোস্টটাকে অপমান করে "জোক্স" বলা হয়েছে !
সবচে' বড় কথা আমার লিখতে ভুল হয়েছে। সরি। টাইপিং মিসটেক !
"আর একটি কথা। পদার্থ বিজ্ঞানী হকিং মনে করেন যে, বর্তমানে বিজ্ঞান বেশি টেকনিক্যাল ও গাণিতিক হবার ফলে দার্শনিকগণ বিজ্ঞানে আর নাক গলাবার মওকা পাচ্ছেন না। জ্ঞান-বিজ্ঞানের একটি শ্রেষ্ঠ শাখা দর্শনকে এভাবে ব্যঙ্গ করা তার মতো বিজ্ঞানীর উচিতহয়নি। দর্শন যদি পরিত্যাজ্যই হবে, তবে কেন তিনি পিএইচডি ডিগ্রির জন্য লালায়িত ছিলেন। পিএইচডি হলো ডক্টরেট অব ফিলোসফি। পদার্থবিদ্যার ছাত্র হয়েও তাকে নিতে হয়েছে দর্শনের "তকমা"....
--------------------------স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম পৃষ্ঠা :১১
এখানে "তকমা" শব্দটি বলা হয়েছে। এক্যুরেট অর্থ বলা হয়নি।ভুলটি ধরিয়ে দিতে সাহায্য করবার জন্য ধন্যবাদ। আমি দুঃখিত।
মেন্টাল বলেছেন:
রুদ্র ভাইয়া, গত ছয় মাসে ব্লগে এইরকম ফাসকেলাস বিনোদন আর পাই নাই। যে যাই বলুক আপনি চালায়া যান।+ দিছি।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আমি তো বলেছিই যে আমি নাদান।তবে পড়াশুনা যে একেবারে করিনাই তাও কিন্তু না।
খুশি হবো এই কমেন্টের উত্তর না দিলে।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আরে আমার এই কমেন্টটা মুছলেন ক্যান? আমি তো অনেকের চেয়ে ভদ্র কইরা কমেন্ট করছি!আপনাদের হৃদয় তালাবদ্ধ। তার চাবি হাজার খুঁজলেও পাওয়া যাবে না... চেষ্টাই নাই আপনাদের !!
সমস্যাটা যে আপনার, এইটা বুঝলে তো দ্রুত আরোগ্য লাভ করতেন।
লেখক বলেছেন: ব্যাটা তুমি যতই আগুনে ঘি ঢালো না কেন লাভ নাই...
তোমার দুই নাম্বার কমেন্ট দেখলে মেজাজ খারাপ হচ্ছে...
কৌশিক তো মুখ খারাপ করে কমেন্ট-টমেন্ট লিখছে আমি কি ডিলিট করছি ?
ইয়র্কার বলেছেন:
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞান জ্বিন আছে কি নাই এ বিষয়ে কোনো গবেষণা করেছে কি-না আমার জানা নেই। আমার নিজেরই করে দেখতে হবে !------
দারুণ! ভাই তাড়াতাড়ি এই গবেষণাটা করেন।
লেখক বলেছেন: সম্প্রতি এ-রকম অলৌকিক একটি ঘটনা আমি স্বচক্ষে দেখেছি !
আমি নিজে কিন্তু প্রচন্ড যুক্তিবাদী মানুষ... দূর্বল মস্তিষ্কেরও মানুষ না...
অনেক পরহেজগার মানুষ জ্বিনকে বশে আনতে পারেন।
আপনি ব্যাপারটা ফান হিসেবে না দেখে সিরিয়াসলি নিন।
আর আপনার আব্বু-আম্মুর কাছ থেকে পরামর্শ নিন : নাস্তিকদের শাস্তি কি ?- এইটা নিয়ে ডিসকাস করেন।
ইয়র্কার বলেছেন:
সিরিয়াসলি নিচ্ছি। আপনি শিঘ্রই জ্বিন আবিষ্কার করে ফেলেন। এটা হবে বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটা যুগান্তকারী ঘটনা।বাই দ্য ওয়ে, তাহলে আপাতত বিজ্ঞানে জ্বিন নেই। অতএব, জ্বিন সম্পর্কিত কুরানের কথাগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে অসত্য।
লেখক বলেছেন: জ্বিন আল্লাহ অনেক আগেই আবিষ্কার করেছেন। আমি আবার কোন বালের আবিষ্কারক ?
বিজ্ঞানে কি ধর্ম বলে কিছু আছে ?
তুই কি বিজ্ঞান দিয়ে কুরআন জাজ করতাছোস রামছাগল ?
হা: হা: হা:
মাইনুল বলেছেন:
@সাহশী, ইয়র্কার ও অন্যান্য- সাইন্সের কথা বলছেন। সাইন্সের চোখে কি কোন কিছু ধ্রুব সত্য আছে। সাইন্সে আজকে যা বলে কালকে তা পালটে ফেলে।
সাইন্স কি এই জগতের সামান্য একটু অংশ ও এখনো উদ্ধার করতে পেরেছে। এই পৃথীবি হচ্ছে মহাজগতের লক্ষ লক্ষ গ্রহ মহাগ্রহের মধ্যে ছোট একটি গ্রহ। ফরগেট এবাউট আদার প্লানেট, এই আর্থ এর ই তো অনেক কিছুই সাইন্স এখনো জানেই না।
তাই সাইন্স দিয়ে বিচার না করে যে স্রস্টা আপনাদেরকে এই সুন্দর দুনিয়াতে পাঠিয়েছে তার প্রতি কৃ্তজ্ঞতা প্রকাশ করুন।
@ রাগিব, সব জ্ঞানের উপরে ফিলোসফি, এই জন্যই পিএইচডি কে ডক্টর অফ ফিলসফি বলা হয়। যে সাবজেক্টেই পিএইচডি করুন না কেন ফিলোসফির টাচ আছে। তাছাড়া হিমু রুদ্র বিষয়টি ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। আসলে বইয়ের লেখক বলেন নি যে ফিলোসফিতে ডক্টরেট নিয়েছেন। তিনি বলেছেন ফিলোসফির তকমা এটেছেন। আশা করি আপনার বিষয় টি ক্লিয়ার হয়েছে।
ইয়র্কার বলেছেন:
মাইনুল বলেছেন: @সাহশী, ইয়র্কার ও অন্যান্য- সাইন্সের কথা বলছেন। সাইন্সের চোখে কি কোন কিছু ধ্রুব সত্য আছে। সাইন্সে আজকে যা বলে কালকে তা পালটে ফেলে।
সাইন্স কি এই জগতের সামান্য একটু অংশ ও এখনো উদ্ধার করতে পেরেছে। এই পৃথীবি হচ্ছে মহাজগতের লক্ষ লক্ষ গ্রহ মহাগ্রহের মধ্যে ছোট একটি গ্রহ। ফরগেট এবাউট আদার প্লানেট, এই আর্থ এর ই তো অনেক কিছুই সাইন্স এখনো জানেই না।
তাই সাইন্স দিয়ে বিচার না করে যে স্রস্টা আপনাদেরকে এই সুন্দর দুনিয়াতে পাঠিয়েছে তার প্রতি কৃ্তজ্ঞতা প্রকাশ করুন।
----
মাইনুল ঠিক কইছো। সাইন্স কোনো কামের না। এইজন্যই আমি কইছি, কুরানের বৈজ্ঞানিক প্রমান নিয়া মরিস বুকাইলির মত ছাগল যে গবেষনা করেছে, ওইটার দরকার নাই।
কুরানের সাইন্সের জিনিস না, বিশ্বাসের জিনিস। যে বিশ্বাস করে, সে করে, যে করে না, সে করে না।
লেখক বলেছেন: তাহলে তোমাদের মতো "যুক্তিহীন" পাঁঠা-বলদদের কি দিয়ে বুঝাবো ? মুখে লেবেনচুস চুসনি দিয়ে ?
ব্যাটা তোমাদের সাইন্স এর সীমাবদ্ধতা আঙুল তুইলা দেখাইলাম... ফ্যাচফ্যাচানি পাইড়াই যাইতাছো !
ঐ তুমি কি ইন্টারমিডিয়েট পাশ করছো ? না-কি ক্লাস এইট পাশ ?
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
থেরাপিস্ট ছাড়া এরকম রম্য কেউ লিখতারেনাই ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
কুরানের সাইন্সের জিনিস না, বিশ্বাসের জিনিস। যে বিশ্বাস করে, সে করে, যে করে না, সে করে না।ইয়র্কারের শেষ পেরেকটা...
কৌশিক বলেছেন:
হুজুর আপনার ভক্তরা আপনার জন্য জ্বীনদ্রষ্টা হিমুরুদ্র আস্তিক ফ্যান ক্লাব
গঠন করেছে। পদধূলি দিয়ে আমাদের কৃতার্থ করবেন।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
মাইনুল বলেছেন:
হিমু ভাই, আসুন আমরা দোয়া করি ওদের সঠিক পথ দেখানোর জন্য। আর পোস্টের মাধ্যমে সঠিক তথ্য দেবার চেস্টা করি। এছাড়া আর কি করার ই বা আছে।
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
এইডা ণুড়া না হয়ে যাই ই না। এটা নিশ্চিত নুরা।আরিফ জেবতিক বলেছেন: পোস্ট ঠিক আছে ।
কিন্তু আমার একটা কথা আছে ।
আমি প্রায়ই দেখি অমুক খ্রীষ্টান বিজ্ঞানী কী বলেছেন , অমুক ইহুদি সমাজবিদ কী বলেছেন এসব বলে এক শ্রেনীর মুসলিম নিজেদের ধর্মকে জাস্টিফায়েড করেন ।
সেদিন দেখলাম এক লোক খুব উৎফুল্ল যে কোন ইহুদিরা নাকি বলেছে , মুহম্মদ ( সা )
সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব ।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই যে ভিনধর্মীদের চোখে নিজেদেরকে হালাল করার চেষ্টা , এটা কি দুর্বল ঈমানের লক্ষন নয় ?
রাসুল ( সা. ) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ , এটা এক ইহুদি মানলেই কী , আর না মানলেই কী ?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
কেন মাইনু,তুমি হুমকি ধামকি দিতে পারো কালকে তোমার পেয়ারের হিমু ভাই যেটা করেছেন, তারপর বাপ মা তুলে অশ্লীল ইঙ্গিত করতে পারো!!
কালকের আমার পোস্টে তো বেশ লম্বা একটা লিস্টি আছে!
লেখক বলেছেন: তোমার সুন্দর সুন্দর গালি-গালাজ ভরা কমেন্টও আমার পোস্টে আছে !
ব্যাটা! মাইনুকে কনভিন্স করার বৃথা চেষ্টা কইরো না।

হুজুর আপনি লিখে যান....এদের উপহাসে কান দেবেন না
....এদের হৃদয় মোহর করা...চোখ থাকতে এরা অন্ধ, বোধ থাকতে এরা নির্বোধ
আল্লাহ এদের হেদায়েত করুন।
জ্বিন সাধনাতে আমি সর্বদা আপনার সাথে আছি
লেখক বলেছেন: আমি কোনো হুজুর না।
হুজুর হলে আরো সুন্দরভাবে যুক্তি দেখাতে পারতাম।
"জ্বিন সাধনা" আমি করি না। তোমার আব্বুকে জিজ্ঞাসা করো - আব্বু এইটা কি ?
তোমার নাম তো সামী মিয়াদাদ... মুসলমান...
তোমার বাবা-মা কি তোমার মতো ? নিশ্চয়ই না। তারা ইন্টারনেটে বসে টাইমও লস করেনা... ধর্ম নিয়ে কটাক্ষও করে না...
সূর্য বলেছেন:
"অনেক অগা-মগা-বাঘা বৈজ্ঞানিক কুরআনের সব যুক্তি মেনে নিয়েছে।"---এই অগা-মগারা যখন মেনে নিয়েছে তখন আমরা ফগারা কেন ইসলামকে বৈজ্ঞানিক বলে মেনে নিচ্ছি না, আশ্চর্য!
আসুন আমরা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিষয়গুলো উঠিয়ে দিয়ে পবিত্র গ্রন্থ গবেষণায় নিয়োজিত হই।
লেখক বলেছেন: ঐ আমি বলছি বিজ্ঞান বিষয় উঠাইতে ?
তাহলে অপদার্থগুলা তো আরো বেশি লাই পাবে !
বিজ্ঞান দিয়ে ইসলাম ধর্মকে বিচার করা বোকামি... কুরআন দিয়ে বিজ্ঞানকে জাজ করতে হবে...
পবিত্র গ্রন্থকে এভাবে অবমাননা করার জন্য একটু লজ্জা হওয়া উচিত।
পারলে আমার মতো একটা পোস্ট দাও দেখি ! তারপর কথা বলো
মেন্টাল বলেছেন:
হিমু ভাইয়া, সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে এমন একটা জ্যোতিষ্কের নাম জানতে চাই।
লেখক বলেছেন: 20 Massalia, 54 Alexandra, 482 Petrina, 483 Seppina.....
মামু বলেছেন:
মন্তব্য পইরা বুজলাম কার কার পুন্দে আগুন লাগচে.....
আগুন লাগা পুন্দ গুলারে চিন্হত করা দরকার...
লাল পিপড়া বলেছেন:
বিজ্ঞান দিয়ে ইসলাম ধর্মকে বিচার করা বোকামি... কুরআন দিয়ে বিজ্ঞানকে জাজ করতে হবে...
রামছাগল এ কয় কি
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
চালাইয়া জান.....
এজাজ. বলেছেন:
গরম বেশি পরছে রে

আমি তো আপনারে নিয়া কটাক্ষ করতেছি
আপনারে নিয়া কটাক্ষ করা আর ধর্ম নিয়া কটাক্ষ করা কি এক হইলো?
আপনে কোন সোলায়ামান যে আপনারে নিয়া কটাক্ষ করা যাবে না?
নাম নিয়া যেটা বললেন। হ, আমি সামী মিয়াদাদ। মুসলমান নাম। কিন্তু শোনেন, মহানবীর সময় যে নামগুলো ছিলো একটু খেয়াল করে দেখুন তো সেদিকে? আবুবকর, ওমর, খাদিজা, জায়েদ, আবু তালিব, আব্দুল মুত্তালিব, ওগুলো কিন্তু আরবী নাম ছিলো এবং ইসলাম ধর্মে দিক্ষীত হবার আগেও কিন্তু তাদের নাম তাই ছিলো। রাসূল যখন ইসলাম প্রচার শুরু করলেন এরাই ধর্মান্তরিত হলেন। তখন কি তারা তাদের নাম বদলেছিলেন? রাসূল ও তো তাদেরকে নাম বদলাতে বলেন নি।
নামে কি এসে যায়? ইরাকে, লেবাননে অনেক খ্রীষ্টানেরও আরবী নাম। নাম ধর্মের অংশ নয়, সংস্কৃতির অংশ।
আর ব্লগে যদি আর কোন দিন আমার বাবা নিয়া কোন কমেন্ট করো তুমার পুরুষান্গ কাইটা আমি তোমারে খাওয়াইয়া দিমু অন্ডকোষ শুদ্ধা। আমার সাথে তর্কে কোনদিন আমার বাপরে টাইনা আনবানা।

জাষ্ট সাবধান কইরা দিলাম
লেখক বলেছেন: আমার পুরুষাঙ্গের প্রতি এত রাগ কেন হে বৎস !
নিজেরটা নিয়ে চিন্তা করো ( যদি থাকে) !
ছি: ছি: কারো পুরুষাঙ্গ হাত দিয়ে ধরতে নেই...
তোমার বাবাকে আমি কি গালি দিয়েছি ? খারাপ কিছু বলেছি ?
আমি বলেছি- আমার লেখা কোন বিষয়ে কনপিউশান থাকলে তার কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারো !
এতে রাগ করার কি আছে ?
তোমার কমেন্ট পড়ে মনে হয়েছে -খোঁচা দেবার চেষ্টায় আছো তাই আমি লিখেছি !
ব্লগে তো কেউ সাবধান হয় না ! আরিফুর রহমান.. কৌশিক... ভাস্কর জামাল...
তুমি নিজে সাবধান হও।
েক আিম বলেছেন:
সামী তোরে তো এত রাগতে দেখি নাই আগে। আর ধর্ম ব্যাপারটা আসলে বিশ্বাস আর প্রাকটিসের বিষয়।
বুক অব গোসপেল বা কুরানের যে কোন ভাষাগত অনুবাদই কনফিশন তৈরী করতে পারে। তবে যদি সত্যি যুক্তির মন নিয়ে পড়া যায় সত্য তখন সামনে এসে পড়ে।
সবার বিশ্বাসের প্রতি বিনীত সম্মার রেখে বলছি:
যারা নাস্তিক: আপনাদের যুক্তিগুলো এভাবে দেখার না যে ধর্মীয় বিশ্বাস মানব সভ্যতার কি অপকারটা করছে: সেটা ইসলাম হউক, খ্রিষ্টানিজম বা ইহুদিজম হউক। কেন নাস্তিক সাজতে গিয়ে অন্যের অনুভূতিতে আঘাত করেন।
যারা আস্তিক: ধর্মকে আঘাত করলে ধর্ম ছোট হয়ে যায় না। দুনিয়াতে অনেক লোক আছে হেদায়েত করার জন্য। এই নাস্তিকদের নিয়ে এত হইচই না করলে হয় না। আল্লাহ তো কোরনে স্পষ্ট করে মোহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে বলে দিয়েছেন: তোমার কাজ মানুষকে ধর্মের পথে ডাকা, কাউকে ধর্ম বিশ্বাসে বাধ্য করা না। তার জন্য সৃষ্টি বিধাতা রয়ে গেছেন।
আর এই ব্লগে নাম নিয়ে একটা কেচাল আছে। মুসলমান নাম আর আরবী নাম নিয়ে।
আমি একটু ক্লিয়ার করি: আরবি নাম হলেই সেটা ইসলামী নাম নয়: আবু জাহেল মানে জাহেরিয়াতের বাবা। বা সামী মিয়াদাদ এই নামের কোন ইসলামী মানে নাই, যেমণ নাই আমার নামের: মনিরুল কায়েস।
কিন্তু কিছু নাম আছে যা সরাসরি ইসলামের সাথে জড়িত: গোলাম মোর্তাজা বা মুর্তজা: অরর্থাৎ আল্লার গোলাম বা শহীদুল ইসলাম: ইসলামের জন্য শহীদ।
সো আশা করি যারা এই ধর্মের ব্যাপারে এলার্জিতে ভোগেন তাদের নাম যদি সরাসরি ইসলামী নাম হয় বদলে ফেলবেন। আর কিছু কিছু বলদ আস্তিক আরবী নাম শুনলেই ইসলামী নাম বলে চেচামিচি বন্ধ করবেন।
েক আিম বলেছেন:
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: অফটপিক:রুদ্র মশাইয়ের ব্লগে আমি ব্লক, তাই এইখানে কমেন্ট করছি।
আমি ওতো রাগিনাই.....সে আমার মা-বাপরে না টানলেও পারতো। আমি কখনোই এইসব টলারেট করিনা। ব্লগে আমি আছি, আমার সাথে তর্ক করতে গিয়া আমার মা-বাবারে জড়ানোর যৌক্তিকতা কি?
নাম নিয়া এইসব আবজাব করা হইলো তাদের একটা পুরান টেকনিক। সবাই এই টেকনিকে আগায়। কিন্তু পরে আর যুক্তিতে পারেনা।
আর আমি কখনোই ধর্মকে আঘাত করিনাই। আমার কোন কমেন্ট বা লেখা নাই যা ইসলামকে আঘাত করে। আমি অনেক সময় মুসলমানদের কান্ডকীর্তি নিয়া হয়তো কমেন্ট করছি। বাট ইন টোটাল সেইটা ইসলামের দিকে যায়না।
আমি হয়তো রুদ্ররে নিয়া কটাক্ষ করছি। ঐটাই আমার দোষ। সে সেটা মেনে নিতে না পাইরা আমার মা-বাপ নিয়া টান মারলো।
আমি তো তারে ঐটাই কইতে গেলাম আরবী নাম মানেই তো সেটা মুসলমানের না।
এখন সে আমার কমেন্ট মুইছা, আমারে ব্লক কইরা লম্বা ফাল দিতাছে....দিক...হু কেয়ারস??
তা মনিরুল কায়েস টা কেডা????.....নিক নেইম কি???
আপনার জবাবটি লিখুন
০৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪
comment by: েক আিম বলেছেন: অফটপিক: বন্ধু আমার ব্লগে আসছ দেইখাই শান্তি পাইলাম। তোমার সাথে সহমত বইলাই কিছু কিছু আস্তিকরে বলদ কইলাম।নাস্তিক গুলার ব্যাপারেও আমার আপত্তি আছে। তোমার এনসার টা পোষ্ট করতেছি। জানিনা আমিও ব্যান খামু কিনা। ব্যাক্তিগত আক্রমন না করলে আমি কাউকে কখনোই ব্যান করব না: সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে।
আমি নিরন্তর চেষ্টা করি কিছূ লেখার: মাঝে মাঝে আইস: আমান লেখা গুলা পইড়ো, সত্য কমেন্ট দিও। ভাল লাগবে। আমার সংক্ষিপ্ত এড্রেস এই ব্লগের:
http://ke-ami.tk/
দাওয়াত করলাম।
লেখক বলেছেন: কে আমি... জেনে রাখুন সামী মিয়াদাদ ছেলেটার মুখের ভাষা জঘন্য !
কোন ক্লাসে পড়ে এইটা বুঝতে পারতেছি না।
ওকে অনেক আগেই ব্লক করা উচিত ছিল।
জানেন তো, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল !
ফিউজিটিভ বলেছেন:
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ভালনা। ফলাফল হয় মারাত্মক।।-----------------------------------------------------------
কয়েকজনের মুখের ভাষা সত্যিই অবাক করার মত।
তাদের অনেক পোষ্ট দেখেছি যেখানে তাদের খুবই শিক্ষিত, মার্জিত মনে হয়।
কিন্তু সময়মত তারা নিজেদের আসল চরিত্র প্রকাশ করে ফেলে।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@মাইনুল এবং রুদ্র
আমার এই পোস্টটি( Click This Link) একটু কষ্ট করে পড়বেন।
সেখান থেকে অংশবিশেষ তুলে দিচ্ছিঃ
:আর বিজ্ঞান নিয়ে কি বলবেন? বিগ ব্যাঙ থিওরি কতদিন আগের আবিস্কার, কিন্তু সেই কোন আমলে আমদের ধর্মগ্রন্থে সে আলোচনা করে গেছেন আমাদের ঈশ্বর! আজকের বিজ্ঞান বলে জীব সৃষ্টির শুরুর দিকে সাগরের বুকে অ্যামিবা নামক প্রাণীর উদ্ভব, এই বিজ্ঞানও কিন্তু বেশি আগের না। অথচ, সে কোন আমলে হাজার বছর আগে আমাদের ধর্মগ্রন্থে এটিও পাবেন।
:আপনি যে মিলের কথা বলছেন, তাতে একটা বড় গলদ থেকে যাচ্ছে। আপনি বিগ ব্যাঙ থিওরি পড়েন ও আপনি আপনার ধর্মগ্রন্থের এক/দু লাইনের ঐ সংক্রান্ত আলোচনা পড়েন, পাশাপাশি পড়েন- পার্থক্য বুঝতে পারবেন। এক জায়গায় ডিটেইলসে পাবেন যুক্তি-প্রমাণ নির্ভর ও গাণিতিক ব্যাখ্যা সহকারে আলোচনা, আর অন্যদিকে পাবেন খুবই সাদাসিধে এক-দুটি বাক্য- যার সাথে কোনভাবেই বিজ্ঞানের আলোচনার কোন মিল পাওয়া যাবে না। 'আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে?' 'ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিবস এবং সূর্য ও চন্দ্র; প্রত্যেকেই বিচরণ করে আপন আপন কক্ষপথে' এই লাইনসমূহকে বিগ ব্যাঙ থিওরির সমার্থক মনে কি হয়? আকাশমন্ডলী বলতে আজকের বিজ্ঞানে আমরা কি বুঝি? 'প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি থেকে'- আপনাদের ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত এই লাইনটির মাধ্যমেও আপনারা আপনি দাবি করছেন, বর্তমান বিজ্ঞানের জীবসৃষ্টি সংক্রান্ত আলোচনা আপনাদের ধর্মগ্রন্থেই কত আগেই করা হয়েছে! অথচ, বিবর্তন সংক্রান্ত বিজ্ঞানের বাকি আলোচনা কি আপনাদের ধর্মগ্রন্থ সমর্থন করে? সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ে অ্যামিবা সমুদ্রে তথা পানিতে অবস্থান ছিল, কিন্তু অ্যামিবার গঠন উপাদান কি শুধুই পানি? অ্যামিবার আরো আগের পর্যায়ের যে জীব অণু, যে নিউক্লিয়িক এসিড- তার গঠন উপাদান কি? এভাবে বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের কোন কথাকে মিলিয়ে দেয়াও এক ধরণের অন্ধতা।
এ প্রসঙ্গে, আরেকটি কথা বলতে চাই, নিউটনের ১ম গতিসূত্র আবিস্কারের ২ সহস্রাধিক বছর আগে(খৃষ্টের জন্মেরও ৩০০/ ৩৫০ বছর পূর্বে) এরিস্টোটল বলেছেন, বায়ুশূণ্য অবস্থায় বস্তু একই অবস্থানে থাকবে নতুবা সমগতিতে চিরকাল চলতে থাকবে। এরিস্টোটল তার সিদ্ধান্তের পেছনে কোন প্রমাণ তো হাজির করতে পারেনই নি, বরং পরক্ষণেই তার সেই আবিস্কারকে অস্বীকার করেছেন এই ধারণা থেকে যে, বায়ুশূণ্য স্থান থাকতে পারে না, ফলে ইহা অসম্ভব। কোপারনিকাসেরও সহস্র বছর পূর্বে আর্যভট্ট (৪৭৬ খৃস্টাব্দ) বলেছেন, পৃথিবী গোলাকার, এটি নিজ অক্ষের চারদিকে ঘুরে এবং সাথে সাথে এটি সূর্যকেও প্রদক্ষিণ করে। ভাস্করাচার্য (২), নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র প্রদানেরও ৫ শতাধিক বছর পূর্বে বলেছেন, পৃথবীতে বস্তুসমূহ পতিত হয় পৃথিবীর টানেই, এবং পৃথিবী, গ্রহসমূহ, জ্যোতিস্কসমূহ, চাঁদ ও সূর্য নিজ নিজ কক্ষে এই আকর্ষণের কারণেই অবস্থান করে। এমন আরো উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। এটা এ কারণে প্রয়োজন যে, মানুষের জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্রমবিকাশটি বুঝা খুবই দরকার। ওনারা (এরিস্টোটল, আর্যভট্ট, ভাস্করাচার্য) জ্ঞান সৃষ্টিতে নিরলস সাধনা করেছেন, পৃথিবীর মানুষকে করেছেন ঋদ্ধ। আর সমসাময়িক ধর্মগুলো কিন্তু তাদের সময়কার প্রতিষ্ঠিত জ্ঞানকে অগ্রাহ্য করতে পারেনি, ফলে তাদের ধর্মগ্রন্থেও স্থান পেয়েছে সেসব জ্ঞান। তেমনি উদাহরণ আপনার ধর্মগ্রন্থের বিজ্ঞান সম্পর্কিত আলোচনাসমূহ।
লেখক বলেছেন: আমি এই জবাব দেব।
আপাতত বলতে চাই : ধর্ম জিনিসটা পরে এসেছে।
তার আগে এরিস্টটল এসেছেন।
কিন্তু কুরআন কোনো মানুষের রচিত গ্রন্থ না!
আর বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ মানুষ আবিষ্কার করেছে !
মাইনাস এইটিন_পন্ডিত বলেছেন:
I just have few questions to be answered. We all want to be believer, but when our belief contradicts our conscience, when we cant find answers and when someone like you (claimed to be a believer) in stead of answering the questions- helping us to understand our misconceptions (that's what you think) attack us personally and proclaim us as blind and deaf, then we non-believers/weak-believers just think --"Oh! That's like an eemander- rude, unjust, not open to dabate etc etc." Ei rokom eemander howar agroho amar nai.(Sorry that I have to post this comment in english.)
===========================
Now, shall I get the answer?
Samples of Quranic Contradictions, Inconsistencies and Errors.
“And no question do they bring to you but We reveal to you the truth and the best explanation” (Quran 25:33).
1- Numerical Contradictions:
2- Creation of the Heaven and Earth
3- Sun-set and Sun-rise
4- A Resting Place For Sun!?
5- Why Allah Created Stars!
6- Is Sky/Heaven A ROOF or Canopy Over the Earth?
7- Does Sun Rotate Around the Earth?
8- Does Earth Spread Out Like Carpet (flat)
9- Is Man Created From Clotted Blood?
10- Is Religion Compulsive or is it not?
Prepared by: Syed Kamran Mirza
Special Note: Quranic ayats are taken mostly from translated Quran by Maulana A. Yousuf Ali and Maulana Muhiuddin Khan.
Numerical contradictions
There are many numerical contradictions in the Quran. Can God make so much error in doing simple calculations?
How many days did it take to create Heavens and Earth ?
Quran 7: 54 Your gurdian-Lord is Allah who created the heavens and earth in Six Days
Quran 10: 3 Verily your Lord is Allah, who created the heavens and earth in Six Days
Quran 11:7 He it is Who created the heavens and earth in Six Days
Quran-25:29: He Who created the heavens and earth and all that is between, in Six Days
The above verses clearly state that God created the heaven and Allah created the heaven and the Earth in 6 days. But the verses below stated-
Quran 41: 9 Is it that ye deny Him who created the earth in Two Days ?
Quran 41: 10 He set on the (earth) Mountains standing firm high above it, and bestowed blessing on the earth, and measured therein all things to give them nourishment in due proportion, in FOUR DAYS…
Quran 41: 12 So He completed them (heavens) as seven firmaments in Two days and …
Now do the math: 2(for earth) + 4(for nourishment) + 2 (for heavens) = 8 days; and not 6 days
Similar mistakes you can see in the verse: Quran 4: 11 - 12, and Quran 4: 176 in inheritance law. In these verses one can see the total property after adding all distributed parties adds up more than the available property, i.e., totals become more than 1 which are: 1.125 and 1.25. How come ? A gross mathematical errors, is not it ?
Allah’s Days Equal to 1000 Years or 50,000 Years?
Quran 22: 47 A day in the sight of the Lord is like a thousand years of your reckoning. Quran-32:5: To Him, on a Day, the space whereof will be a thousands years of your rekoning
Quran 70: 4 The angels and the spirit ascend unto him in a day the measure whereof is Fifty thousands years.
So, which one is it? Is the day of Allah equal to 1,000 earth years or 50,000 earth years?
Creation of the Heaven and Earth
Which one was created first? As you will see in the verses below, Allah at one time says that Earth was created first and another time he says that the Heaven was created first.
Quran 2: 29 It is He who hath created for you all things that are on Earth; THEN He turned to the Heaven and made them into seven firmaments (Skies)….
Quran 79: 27 - 30 Are you the harder to create, or is the heaven that He built? He raised the height thereof and ordered it; and He has made dark the night thereof, and He brought forth the morning thereof. And after that, He spread (flattened) the earth
Now, does it match modern science? Do you believe that, Earth was created first, after that, God created Heaven? Modern science tells us that? Or How come SEVEN firmaments (layers)? Modern science tells us that, actually there is no such thing Sky is no “roof” over us. It is only a space with no known boundary at all. These verses simply reinforce the ancient idea of ROOF over us which is called SKY, is it not so? How funny!
Sun-set and Sun-rise
Koran teaches us that the Sun sets in a muddy spring:
Quran 18: 86 Till, when he (the traveller Zul-qarnain) reached the setting-place of the Sun, he found it going down into a muddy spring…
Quran 18: 90 Till, when he reached the rising-place of the Sun, he found it rising on a people for whom We had appointed no shelter from it.
Serious scientific errors here! Firstly, it is scientifically accepted fact that, the Sun never go down in a muddy spring. Secondly, this seems to presuppose a FLAT Earth, otherwise how can there be an extreme point in the West or in the East? A sunrise there would be basically just the same as at any other place on this earth, at land or sea. It would still look as if it is setting “far away”. It does say, that he reached THE PLACE where the Sun sets and in his second Journey the place where it rises.
A resting place for Sun!?
Quran 36: 38 And the sun runneth on unto a resting place for him. That is the measuring of the Mighty, the Wise.
Quran 36: 39 And for the moon We have appointed mansions till she return like an old shrivelled palm leaf.
Quran 36: 40 It is not for Sun to overtake the moon, nor doth the night outstrip the day. They float each in an orbit.
Allah is indeed a big scientist. Where is sun and where is moon situated? Can anybody tell me how they could collide/meet/overtake each other? Are the sun and the moon neighbors to each other? I have the answer for this error: Ancient Allah saw (bare eye observations) sun and moon traveling from east to west seemingly in the same Sky area or same path, without colliding, causing day and night etc. Allah hardly could imagine that all these phenomena are simply due to Earth’s rotation and NOT by Sun’s rotation. Sun is stationary for Earth, because earth is stuck in the sun’s Gravity, like we are stuck in earth’s gravity. Allah never says any where in the whole Quran that, EARTH ROTATES. Perhaps Allah could not feel earth’s rotation.
A resting place for sun WAS CONFIRMED BY HADITHS?
Sahih Bukhari Volume 4, Book 54, Number 421
Sahih Bukhari Hadiths: Abzur Ghifari (ra) narrated: one day Prophet Mohammad (pbuh) asked me, “Abzar do you know after setting where does Sun go?” I replied, I do not know, only Allah’s apostle can say better. Then Prophet (SA) replied, “After setting, the sun remains prostrated under Allah’s Aro’sh and waits for Allah’s command for rising again in the East. Day will come when sun will not get permission to rise again and Qeyamot will fall upon Earth”.
Can anybody tell me what is it? It was the superstitious belief of ancient people reflected in the Quran and Hadiths by Allah. A 10-year-old boy would not tell such fairy tale story today.
Why Allah Created Stars!
Quran gives us further scientific knowledge by telling us that the stars were created by Allah as missiles to throw at the devils:
Quran 67: 5 And We have (from of old) adorned the lowest heaven (sky) with lamps, and We have made such (Lamps as) missiles to drive away Satans…
Quran 37: 6-8 We have indeed decorated the lower heaven (sky) with beauty (in) the stars, (for beauty) and for guard against all obstinate rebellious Satans. So they should not strain their ears in the direction of the Exalted Assembly but be cast away from every side.
Thus, the stars are nothing but missiles to throw at devils so that they may not eavesdrop on the heavenly council. Once again we find how Allah was high on his superstitious weirdness.
Is Sky/Heaven A ROOF or Canopy Over the Earth?
Quran 21: 32 And We have made the sky a roof withheld (from them). Yet they turn away from its portents.
Quran 31: 10 He hath created the heavens (Skies) without supports (pillars) that ye can see, and hath cast into the earth firm Mountains/Hills, so that it quake not with you; and He hath dispersed…
Quran 2: 22: Who has made the earth your couch, And the heavens (Sky) your canopy
Modern science tells us- whole thing around the earth is space and there is no boundary even if we go Billions of light years away in all directions. Questions are: When there is no sky above us then how in the world, it needs pillars for support? Do we really have a roof above us? Is there a canopy above the Earth? Is there anything called above or beneath us? Are mountains there to prevent Earth from shaking? Give me a break!
Once again Allah considered sky as roof over the Earth, which will broke/shattered during dooms day
Quran 78: 19 And the heavens (sky) Shall be broken (opened) as if there were doors opens…
Quran 82: 1 When the Sky is cleft asunder
Quran 69: 16 And the sky will be Rent asunder, for it will That day be flimsy (soft)
Quran 81: 2 When the stars fall, losing their luster.
Yousuf Ali comments in his Tafsir: beautiful blue-sky overhead (which we take for granted in sunshine) will be shattered to pieces. Modern science tells us that there is no such thing as roof/sky or any canopy over the Earth; rather all around Earth is a limitless space. Only Allah knows what will break/shatter or will get soft/flimsy or how doors will open , there is no walls, where from doors will come? In some Ayats Allah threatened kafirs by saying: “I (Allah) will throw broken pieces of sky over your head.”
Does Sun Rotate Around the Earth?
Quran 31: 29 Seest thou not that Allah merges Night into Day and He merges Day into Night; That He has subjected the sun and moon (to His law), each running its course for a term (time) appointed.
Quran 21: 33 It is He who created The Night and Day, And the Sun and Moon; each of them Swim (float) along in its own course.
Ayats mentioned above could be found over and over again and again almost in every pages of Quran. Because, Allah standing in the open Arab desert saw very well that, every morning SUN is rising from the East and gradually (appointed time or fixed time) setting to the West, and as a result, day and night follows. Allah truly mentioned this wrong knowledge (sun moving) of pre-historic people. Every time Allah mentioned Sun & Moon, He mentioned day & night, as if it is due to sun’s movement day and night follows. But surprisingly, all the hypocrite Mullahs giving false credit to Allah by saying: look Quran told about sun’s movement 1400 years ago which modern science only found out now. In real world, sun takes 225 millions of years to make just one complete circle through the solar Universe. And obviously this movement of sun has nothing to do with DAY & NIGHT of the earth. Actually, Sun is stationary in relation to the Earth, because the Earth is stuck to the giant gravitation force of the Sun, and the Earth also moves along with the Sun wherever it goes, just the way we are stuck to the Earth’s gravitation force and do not feel its movement at all.
Why then, Allah was telling the Sun’s movement again and again. I have already mentioned above, why Allah was hysteric about the Sun’s movements. Now dishonest Mullahs are claiming science here. I wonder, why Allah has to mentioned about the Sun’s 225 millions year journey (which is even unimaginable to mankind) to tell about day and night? What relation Sun’s movement has with the day and night?
Does Earth Spread Out Like Carpet (flat)?
Quran 15: 19 And the earth We have spread out (like a carpet); set thereon Mountains firm and immovable;
Quran 78: 6-7 Have We not made the earth as a wide expanse, And the mountains as pegs (anchor)?
Allah was sure that earth is flat like a carpet and mountains are there to anchor the earth so that earth does not shake with us. Allah is really merciful scientist.
Is Man Created From Clotted Blood?
Quran-23:14: Then fashioned We the drop (semen) a CLOT OF CONGEALED BLOOD then fashioned We the Clot a little lump (foetus), fashioned We the little lump into bones, then clothed the bones with flesh, and then produced it another creation. So blessed be Allah, the Best of Creators. ( Bengali translated Quran said: “Zamaa’t Raokto theeke Manoosh banieesi” And this Ayat has been repeated again and again throughout the Quran ) Quran-75:38: Then he becomes a CLOT; then (Allah) shaped and fashioned…
Quran 96: 2 Created man, out of a mere clot of congealed blood
There are serious scientific problems here:
Blood clot cannot grow into anything. This idea also came from the Greek. Aristotle erroneously believed that, humans are originated from the action of male semen upon female menstrual blood, which is absolutely an incorrect assumption. Quran’s assertion on Clot (alaqa) is completely wrong about human development, since there is absolutely no stage during which the embryo consists of a clot. The only situation in which an embryo might appear like a clot is during a miscarriage, in which case the clotted blood that is seen to emerge (much of which comes from mother) is solidified and by definition no longer alive. Therefore, if ever an embryo appeared to look like a clot it would never develop any further into a human; it would be a dead mass of bloody miscarrying flesh. Since Prophet Muhammad (pbuh) had some thirteen wives it is entirely possible that he would be very familiar with miscarriages.
Modern science tells us that, the formation of human embryo is a seamless continuation from conception to birth; hence there are no hard- and- fast boundaries of stages as Quran describes. Quran describes 4 stages, which matches exactly with Galenic description of development of human embryo (which was proved wrong by modern science).
Creation of bones and clothing of bones with flesh: According to modern embryologists including Prof. Moore, the tissue from which bone originates, known as mesoderm, is the same tissue as that from which muscle (flesh) develops. Thus bone and muscles begin to develop simultaneously, rather than sequentially (as the Quran is telling us). Moreover, most of the muscle tissue that we humans have is laid down before birth, but bones continue to develop and calcify (strengthen with calcium) right into one’s teenage years. So it would be more accurate if the Quran had said that muscles started to develop at the same time as bones, but completed their development earlier. The idea that bones are clothed with flesh is not only scientifically completely wrong/false, but was directly copied from the ancient Greek doctor Galen’s hypothesis.
Also, the idea of saying: “made into bones and clothed the bones with muscle” came from the technique of making animal statue out of rod and cement or mud. People usually make the skeleton (out of rod or stick) first and, then cover it up with cement or mud. This is scarcely a scientific description of embryonic development. It is rather a description of an unlettered man.
Is Religion Compulsive Or Is It Not?
Quran 02: 256 There is no Compulsion in religion….
OR
Quran 9: 29 Fight those who do not profess the true faith(Islam) till they pay the polltax (jiziya) with the hand of humility.
Quran 9: 5 Then, when the sacred months have passed, slay the idolators wherever ye find them and take them captive, and besiege them and prepare for them each ambush….
Quran 47: 4 When you meet the unbelievers in the Jihad strike off their heads….
Quran 2: 191 And slay (kill) them wherever ye catch them, and turn them out from where they have turned you out such is the reward of those who suppress faith.
Quran 8: 65 O Apostle ! rouse the believers to the fight of….unbelievers.
Very often apologetics claim that, Islam is a religion of peace and there is no compulsion. Yet punishment of an apostate in Islam is, of course, death penalty.
In very many Ayats Allah claimed that, He has given this Quran in the easy and clear language so that, it will not be difficult to understand by the ordinary Arabs.
Quran 44: 58 Verily, We have made This Quran easy in the tongue, in order that they may give heed.
No matter which translated Quran we read, the Quranic materials remain the same to us and every sentence is self explanatory and it does not take a rocket scientist to comprehend what is the message Allah wanted to transmit for Arabs. Yet, bigot Mullahs will always blame translators for Quranic contradictions/errors/inconsistencies etc. and will try to find lame excuses to cover up Allah’s ignorance.
Comments:
The Holy Qur’an is full of inaccuracies, contradictions, inconsistencies, redundancies, no chronology or chapters, grammatical errors, etc. One can find hundreds of contradictions/errors/inconsistencies in the Holy Quran. The above-mentioned Ayats are just selected samples from the Quran. But still it is a miracle to those who are blindfolded bigots.
=================================
This page is taken from this link: Click This Link
লেখক বলেছেন: ইংরেজিতে প্রশ্ন করলেও সমস্যা নাই...
কিন্তু প্রশ্নগুলা আপনার না... অন্য একজন নাস্তিকের !
অন্যেরটা এভাবে চালানো উচিত না...
আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন।
তবে আপনাদের কুরআন সম্পর্কে এত নিম্ন জ্ঞান যে আপনারা কুরআনের আয়াত সংখ্যা লিখতে কষ্ট পান!
অন্য ওয়েবসাইটের লেখা কপি/পেস্ট করেই ফুট !
মাইনাস এইটিন_পন্ডিত বলেছেন:
Few other links:Erroneous Science and Contradictions in the Quran. Click This Link
Contradictions in the Qur'an. http://www.answering-islam.org/Quran/Contra/
Criticism of the Qur'an in wikipedia. Click This Link
সোনার বাংলা বলেছেন:
মামু বলেছেন:
একন এক দল লুক আইস্যা তুমারে রাজাকার কইয়া ভাষন দিব... লুকগুলার নেতা হইব এছকিমু... আর নীতি নির্ধারক হইব অমি-শিয়াল...
নীল-লোহিত বলেছেন:
আরেকটা ছাগল
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
রামছাগল।
নিকো৮১২৩ বলেছেন:
আপনি তো সবাইকেই গালাগালি করে চলছেন। আর আপনি যুক্তি তো করছেন না। যে যাই যুক্তি দিক আপনি তাকে ছাগল/মুর্খ বলে চলছেন। আপনার মতের সাথে না মিললে এরকম কমেন্ট করবেন? কোরআন সব কিছুর উপরে এই বিশ্বাস টা একটা বিশ্বাসই। এর পিছনে আপনি কোন যুক্তি দেন নাই। আপনার মানে মুসলমানদের আল্লাহ সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ এটাও মুসলমানদের বিশ্বাস। এটারও কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা নাই। না থাকুক এটা তো বিশ্বাসই। কিন্তু আপনার বিশ্বাস কোন যু্ক্তি না। বিবর্তনবাদকে তো আপনি মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেন নাই। এবং কোন ধর্মই তো বিবর্তনবাদকে সমর্থন করে না।
এস. এম. মেহেদী আকরাম বলেছেন:
ভাল লেগেছে।
স্বপ্লচূড়া বলেছেন:
আপনি তো দেখি মহাজ্ঞানী !!!
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন:
কারে প্লাস দিমু বুঝতাছি নাহ!লেখক ভাইজ়ান, নাই 'মাইনাস এইটিন_পন্ডিত' রে??
দুই জনেই ভাগা-ভাগি কইরা লইয়েন...
কলুর বলদ বলেছেন:
জোকস !!!
কলুর বলদ বলেছেন:
জোকস !!!
নির্বাসন বলেছেন:
কইতাছি...
তরু বলেছেন:
আস্তিক নাস্তিক ভাইসাবেরা, আপনাদের কারো মন্তব্য পড়েই ইসলাম কিংবা অন-ইসলামের দিকে আগ্রহ পাচ্ছি না। ধর্ম- অধর্ম দুটাই কি একই ভাবে মানুষের রুচির অধপতন ঘটায়???
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আমি সাংঘাতিক রকমের আস্তিক। কিন্তু, আপনাকে মাইনাস দিলাম।এতগুলো কমেন্ট পড়ার ধৈর্য নাই। জানিনা আগে কে কী বলছে।
হকিং এর বইটা পড়েন। দেখেন কী লেখা আশে। ও নিজ়ে নাস্তিক, এটা ঠিক। কিন্তু, কখনই সৃষ্টিকর্তার বিপক্ষে যুক্তি দেয় নি।
বরং সব সময় একটা ৫০-৫০ চান্স তৈরি করে দিয়েছে।যার যেটা ইচ্ছা, সে সেটা বিশ্বাস করবে। নেগেটিভ মাইন্ডের ব্যাক্তিরা ব্যাপারটাকে সেভাবেই নিয়েছে।
দুঃখবিলাস বলেছেন:
"সাম ইন - এ নাস্তিকদের যে সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী রয়েছে তাদের মতের বিরুদ্ধে আমি আজ থেকে প্রতিদিন আপনাদের একটি মূল্যবান বইয়ের পুরো অংশ তুলে ধরতে চেষ্টা করবো ধীরে ধীরে।"কোন মন্তব্যেই লেখক সঠিকভাবে উত্তর দেন নি। নিজে কপি পেস্ট করলেও, অন্যের কপি পেস্টে ঠিকই রিয়েক্ট করেছে। এবং অনেককেই ব্যক্তিগত আক্রমন করেছে।
নিজের কিছু প্রশ্ন ছিলো। আগ্রহ হারালাম।
দুর্বলতার অমিত বলেছেন:
আমিও মাইনাস দিলাম। কারন আপনি অন্যের ভালো কিছু প্রশ্নের কোন উত্তর দিচ্ছেন না। বরং তাদেরকে আজে বাজে গালাগালি দিচ্ছেন।
আপনার মতো আস্তিককে দেখেতো আমার ভয় হচ্ছে।
আপনার কাছে কোনো যুক্তি নাই।
বিশ্বাসটা আপনার কাছেই রাখেন এইখানে টেনে এনে ধর্মকে আরো অপমান করছেন।
শওকত বলেছেন:
নাস্তিকদের বলছি আল কুরআন বুঝে পড়ুন,,,,
শওকত বলেছেন:
মিঃ কৌশিক ব্লগ শিশুদের জন্য নয়। যান আপনি ফিডার খান গিয়ে।
শওকত বলেছেন:
রাগীব হাসান আপনি বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র বললেও ভুল হবে... তার চেয়ে বেশি কিছু !আপনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে / সব ধর্মের পক্ষে লিখা বৈজ্ঞানিক মতবাদ অনুসারে একটি গ্রন্থকে "জোকস" বলে যে হীনমন্যতা ও বোকামির পরিচয় দিলেন তাতে আমার নিজেরই হাসি পেল আপনার ওপর !
হা: হা :
আমি ভীষণ কষ্ট পেলাম রাগিব হাসান !
একজন সুখীমানুষ বলেছেন:
আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কি? আর হকিন্সের লেখায় ভুল ধরছে ঐ ছাগুর ই বা শিক্ষাগত যোগ্যতা কি?মাইনাস মূর্খামির জন্য।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আসলে হকিং ও কার্ল সাগা বিজ্ঞান চর্চা করতে গিয়ে বিজ্ঞানের বাইরের বিষয়গুলি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সব তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। ঈশ্বর আছেন কি না, তা কি পদার্থ বিজ্ঞানীর গবেষণার ওপর নির্ভরশীল ? শুধু পদার্থ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কি ঈশ্বরকে দেখতে হবে ? মানুষের আর সব জ্ঞানকে কি তবে সমুদ্রে বিসর্জন দিতে হবে ? হকিং তার বইয়ের শেষ দিকে উপসংহার অংশে দার্শনিকদের ব্যঙ্গ করেছেন। আসলে যে যে লাইনের পণ্ডিত তারটা ছাড়া অন্যেরটা তার তেমন পছন্দের হয় না। তারা মনে করেন যে, সব কিছু তাদের বিষয়ের আলোকে ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে বা তাদের বিষয়েই নির্ভরশীল। কিন্তু ব্যাপারটি এত সহজ কি ?দারুন জুক মারছেন দাদা!
কোন ভোম্বলে কি বাংলা লেখছে সেইটা নিয়া বইসা গেছেন আলোচনা করটে। নিজের পরালেখা এমুনই নীচে যে দর্শন দিয়া পদার্ঠ চপকাইতে আইছেন। আপনের লেখা পড়লে মনে হয় আপনে নিজে হকিং এর বই পড়েন নাই বা পইড়াও বুঝেন নাই। হকিং নাস্তিক না তবে উনি নিজেকে এসকেপিস্ট ভাবতে ভালো বাসেন। কারন অনেক প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেও জানেন না। যেহেতু জানেন না সেহেতু এই বিষয়ে কথা বলতে উনি কখনো স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না। উনি এখন গ=রান্ড ইউনিফাইড থিওরী নিয়ে ভাবছিলেন। সেটার মানে উনি এভাবে ইন্টারপ্রেট করেছিলেন উনি ঈশ্বরের মন বুঝার চেস্টা করছেন!
আমার মনে হয় উনি যে দর্শন ধারন করেন আপনেগো মতো মাদ্রাসা পাশ লুক রাস্তায় চিল্লাইলেও এগো কিছউ যায় আসে না, বরংচ নিজেরা লাঠির বাড়ী আর কালো ধোয়া খাইবেন আর নিজের মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য আফসুস মারবেন!
ছাগল!
রাকিবুল হক ইবন বলেছেন:
ধন্যবাদ, ধর্মের প্রতি অনেক ভুল ভাঙাতে সহযোগিতা করছে আপনার পোস্টটি। তবে অনুরোধ রইলো, রাগ কমিয়ে দিন প্লিজ ব্রাদার। আর মর্খ লোকদের কথা-বার্তায় কান দিয়েন-না, এমন-কী ওদেরকে যে আপনি উত্তর দিচ্ছেন, তার যোগ্যতা আপনার উত্তর পাওয়া লোকদের রয়েছে কি-না বা তাদের বাজে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বরং আপনার সময় ও মুড সময় নষ্ট হচ্ছে কিনা ভেবে দেখুন। ভালো থাকবেন
কালের কুতুব বলেছেন:
"পদার্থ বিজ্ঞানী হকিং মনে করেন যে, বর্তমানে বিজ্ঞান বেশী টেকনিক্যাল ও গাণিতিক হবার ফলে দাশনিকগণ বিজ্ঞানে আর নাক গলাবার মওকা পাচ্ছেন না। জ্ঞান-বিজ্ঞানের একটি শ্রেষ্ঠ শাখা দর্শনকে এভাবে ব্যঙ্গ করা তার মত জ্ঞানীর ঠিক হয়নি। দর্শন যদি পরিত্যাজ্যই হবে, তবে কেন তিনি পিএইচডি ডিগ্রীর জন্য লালায়িত ছিলেন। পিএইচডি হল ডক্টরেট অব ফিলোসফি ! পদার্থবিদ্যার ছাত্র হয়েও তাঁকে নিতে হপদার্থবিজ্ঞানে জ্ঞানী হতে পারেন। তবে কি তিনি এনাটিয়েছে দর্শনের তকমা।"
মজা পেলাম। লেখক বাংলাদেশের বলে ডিপার্টমেন্টের ফ্রেন্ডকে বলতে পারলাম না জোকটা। কেননা এর সাথে দেশের মান সন্মান জড়িত।
চিরসবুজ মানব বলেছেন:
কৌশিকদা ... বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনার ব্যপার, কিন্ত একটা অনুরোধ ব্লগে- অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করবেন না, জয়ী হতে চান। ছাড় দেন। মমতা আর যুক্তি দিয়ে কথা বলুন, ভালবাসুন ব্লগবাসীকে...' আপনি সবার প্রিয় হয়ে যান। দেখবেন সবাই আপনার হয়ে যাবে।"নিশ্চয়ই আল্লাহ সবরকারীদের সাথে রয়েছেন"...
রাগিব ভাইকে ও ধন্যবাদ ...। তবে কিছু কথা বাকী আছে...।।
সবাইকে ধন্যবাদ..................।
জীবন মায়া বলেছেন:
লেখক বলেছেন: জ্বিন চাইলে সত্যিই দেখতে পাবেন। গ্যারান্টি !
সূরা আল-জ্বিন - আমল করতে হবে। একজন অভিজ্ঞ হুজুরের কাছ থেকে আমার নিয়মগুলো জানতে হবে।আমি জ্বীন দেখতে না পেলেও জ্বীনের একটা পোষ্ট দেখতে পাচ্ছি। লেখক, আপনার বাড়ি কি কোহেকাফ নগরীতে?
পাগলা সুমন বলেছেন:
ভাইজান বিজ্ঞানের আবিস্কারের জয়যাত্রা কি শেষ?আপনার কথায় মনে হচ্ছে বিজ্ঞান আর নতুন আবিস্কারে যাবে না।
২০০ বছর আগে যে জন্মগ্রহন করেছিল সে কি জানত- বিগব্যা্ং, ব্ল্যাক হোল,গ্যালাক্সি , মহাজগতের সম্প্রসারন কাকে বলে?
উত্তর দিবেন জানত না এবং এটাই সাভাবিক।কিন্তু কুরান এই বিষয়গুলো ১৪০০ বছর আগে বলেছে। মাত্র কএকদিন আগে এই ধরেন ১৯২৩-১৯২৯ সালের মধ্যে আমরা এই আবিস্কার গুলোর কথা জানতে পেরেছি যখন হ্যবল দুরবিন আবিস্কার হয় ১৯২১ সালে।
মাত্র ১০০ বছরের ব্যাবধানে বিজ্ঞান যদি এত বিশাল বিশাল আবিস্কার করে থাকে তাহলে আরো ১০০ বছর অপেক্ষা করেন দেখতে পাবেন আপনার বিজ্ঞানই শুধু জ্বিন কেন জ্বিনের ১৪ গুস্টির খবর আবিস্কার করে ফেলেছে।
আরেকটু অপেক্ষা করুন বিজ্ঞানই আপনার সব উত্তর দিয়ে দিবে।
আর বিজ্ঞান যে জ্বিন নিয়ে গবেষনা শুরু করেছে এই তথ্য জানার জন্য
ইয়াজিদ সিকান্দার ভাইএর পোস্টটা একবার ঘুরে আসুন।
click here
পাগলা সুমন বলেছেন:
ভাইজান বিজ্ঞানের আবিস্কারের জয়যাত্রা কি শেষ?আপনার কথায় মনে হচ্ছে বিজ্ঞান আর নতুন আবিস্কারে যাবে না।
২০০ বছর আগে যে জন্মগ্রহন করেছিল সে কি জানত- বিগব্যা্ং, ব্ল্যাক হোল,গ্যালাক্সি , মহাজগতের সম্প্রসারন কাকে বলে?
উত্তর দিবেন জানত না এবং এটাই সাভাবিক।কিন্তু কুরান এই বিষয়গুলো ১৪০০ বছর আগে বলেছে। মাত্র কএকদিন আগে এই ধরেন ১৯২৩-১৯২৯ সালের মধ্যে আমরা এই আবিস্কার গুলোর কথা জানতে পেরেছি যখন হ্যবল দুরবিন আবিস্কার হয় ১৯২১ সালে।
মাত্র ১০০ বছরের ব্যাবধানে বিজ্ঞান যদি এত বিশাল বিশাল আবিস্কার করে থাকে তাহলে আরো ১০০ বছর অপেক্ষা করেন দেখতে পাবেন আপনার বিজ্ঞানই শুধু জ্বিন কেন জ্বিনের ১৪ গুস্টির খবর আবিস্কার করে ফেলেছে।
আরেকটু অপেক্ষা করুন বিজ্ঞানই আপনার সব উত্তর দিয়ে দিবে।
আর বিজ্ঞান যে জ্বিন নিয়ে গবেষনা শুরু করেছে এই তথ্য জানার জন্য
ইয়াজিদ সিকান্দার ভাইএর পোস্টটা একবার ঘুরে আসুন।
click here
পাগলা সুমন বলেছেন:
ভাইজান বিজ্ঞানের আবিস্কারের জয়যাত্রা কি শেষ?আপনার কথায় মনে হচ্ছে বিজ্ঞান আর নতুন আবিস্কারে যাবে না।
২০০ বছর আগে যে জন্মগ্রহন করেছিল সে কি জানত- বিগব্যা্ং, ব্ল্যাক হোল,গ্যালাক্সি , মহাজগতের সম্প্রসারন কাকে বলে?
উত্তর দিবেন জানত না এবং এটাই সাভাবিক।কিন্তু কুরান এই বিষয়গুলো ১৪০০ বছর আগে বলেছে। মাত্র কএকদিন আগে এই ধরেন ১৯২৩-১৯২৯ সালের মধ্যে আমরা এই আবিস্কার গুলোর কথা জানতে পেরেছি যখন হ্যবল দুরবিন আবিস্কার হয় ১৯২১ সালে।
মাত্র ১০০ বছরের ব্যাবধানে বিজ্ঞান যদি এত বিশাল বিশাল আবিস্কার করে থাকে তাহলে আরো ১০০ বছর অপেক্ষা করেন দেখতে পাবেন আপনার বিজ্ঞানই শুধু জ্বিন কেন জ্বিনের ১৪ গুস্টির খবর আবিস্কার করে ফেলেছে।
আরেকটু অপেক্ষা করুন বিজ্ঞানই আপনার সব উত্তর দিয়ে দিবে।
আর বিজ্ঞান যে জ্বিন নিয়ে গবেষনা শুরু করেছে এই তথ্য জানার জন্য
ইয়াজিদ সিকান্দার ভাইএর পোস্টটা একবার ঘুরে আসুন।
click here
এস. আই. হিরন বলেছেন:
.লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ, চমৎকার একটি লেখার জন্য।
"নাস্তিক ব্লগারদের জন্য "সিডর" তৈরী করতে থাকুন !"
আমিও আছি আপনাদের সাথে।
ধন্যবাদ।
হোসেন মনসুর বলেছেন:
লেখককে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য ।আর নাস্তিক ভাইদেরকে এস.এম জাকির হুসাইনের ''সৃস্টিকর্তা সত্যি আছেন এবং অন্ধকারের বস্ত্রহরণ" বই দুটো পড়ার আহ্বান রইল। পড়ে দেখেত পারেন অন্ধকারটা কাটলেও কাটতে পারে। উপদেশ দেওয়ার জন্য দু:খিত।
সবুজ তাপস বলেছেন:
স্টিফেন ডব্লিউ হকিং কি বললো আর মরিস বুকাইলি কি বললো- এসব কথা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে সুন্দরভাবে বা ন্যায়নীতি বজায় রেখে জীবন যাপন করলেই তো হয়। সকল বিজ্ঞানী এক কথা বলেন না। স্রষ্টা এবং সৃষ্টি নিয়ে একেক বিজ্ঞানী একেক কথা বলেন। মরিস বুকাইলির উদারণ টেনে স্টিফেন ডব্লিউ হকিংকে খাটো করার কী আছে। দৃষ্টান্তবাদীরাই (Drishtantoists ) ঠিক, তারা আল্লাহ-ঈশ্বরকে টেনে এনে জগৎ ব্যাখ্যা করেন না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















তাও আবার হকিং এর?
গুড গুড। নয়ামিথ ভালই হইছে।