

রিপোর্টটি যদি সত্যি হয় প্রত্যেক বিবেকবান মানুষের উচিৎ হবে চ্যানেল আইয়ের এই ধর্ষক তোষণ নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানো। এবং এই ব্লগ-ই হতে পারে সেই রুখে দাড়ানোর প্লাটফর্ম। আসুন আমরা ফিসবুক, ব্লগ, টুইটার, গুগল প্লাসে এই অপকর্মের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলি এবং জনমত সংগঠিত করি। আমরা এই কর্পোরেট লুটেরা লুচ্চা মিডিয়াগুলোর হাতে জিম্মি না হয়ে মিশর-তিউনিশিয়ার মত সামাজিক যোগাযোগ সাইট এবং অন্যান্য মুক্ত মাধ্যমের সাহায্যে সক্রিয় হই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায়।
নিচে সংবাদটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরা হলো।
পাক্ষিক আনন্দধারা থেকে নৈতিক কারণে চাকরিচ্যুতির কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অরুণ চৌধুরীকে পুনর্বাসিত করলো চ্যানেল আই। সম্প্রতি তিনি চ্যানেলটিতে যোগ দিয়েছেন। তার এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তাকে নিয়োগ দিয়ে খোদ চ্যানেল আইয়ের ইমেজ প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে।
গত মাসে একটি ভিডিও ক্লিপ বাজারে ছড়িয়ে পড়ার অব্যবহিত পরেই আনন্দধারা থেকে অরুণ চৌধুরকে সরিয়ে দেয়া হয়। তার এই অপসারণের খবর প্রথম বার্তা২৪ ডটনেটই প্রকাশ করে। প্রতিবেদন প্রকাশের একদিনের মাথায় দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার তার অব্যাহতির খবর গুরুত্বসহ প্রকাশ করে। ওই দুই পত্রিকার খবরে বলা হয়, অরুণ চৌধুরীকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এবং কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তা নিজ দায়িত্বে করার কথা বলা হয়।
চাকরিচ্যুতির পর সার্বিক দিক থেকে একঘরে হয়ে যান অরুণ চৌধুরী। সবদিক থেকে বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে তার জীবন। অনেক কষ্টে তিনি নিজের সংসার ও সন্তানদের সন্তুষ্ট করতে পারলেও তার ইমেজ পুনরুদ্ধার করতে পারেননি। অনেক চ্যানেল এখন তার নাটক প্রচারে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এর আগে অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভার ক্ষেত্রেও ঠিক একই ঘটনা ঘটে। তার ভিডিও ক্লিপকে কেন্দ্র করে যে জটিলতা তৈরি হয়, তার খেসারত দিতে হচ্ছে প্রভাকে এখনো। তার সংসার ভেঙেছে, কোনো চ্যানেলের নাটকেও তাকে আর দেখা যাচ্ছে না। সার্বিক দিক থেকে শেষ হয়ে গেছে তার ক্যারিয়ার।
এদিক থেকে অরুণ চৌধুরী ভাগ্যবান। আপত্তিকর ভিডিও ক্লিপিং বেরুলেও তিনি নির্বিকার। চাকরিচ্যুতির পর একটি দৈনিককে সাক্ষাৎকার দিলেও ভিডিও ক্লিপ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে, নিজের হারানো ইমেজ রক্ষায় দ্রুত মাঠে নামেন অরুণ চৌধুরী। সে সময় তার জন্য শাপেবর হয়ে আসে মাছরাঙা টেলিভিশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তার চাকরিচ্যুতির পর এ অনুষ্ঠানেই তাকে প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে দেখা যায়। নিজে যেচে পড়েই তিনি ক্যামেরার সামনে চলে আসেন। সরাসরি অনুষ্ঠান বলে উপস্থাপকেরও করার কিছু ছিল না। তিনি তার মতো করে বক্তব্য দিয়ে চলে যান। বিষয়টি নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে যায় নতুন এ চ্যানেলটি। সবাই বলতে থাকেন, মাছরাঙা তাকে পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করছে।
এরপর নতুন চাকরির সন্ধানে মাঠে নামেন অরুণ চৌধুরী। তিনি নিজে নাট্যকার ও নির্মাতা। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের জন্য নাটক রচনা ও নির্মাণ করেন। সাহিত্য রচনার সঙ্গেও জড়িত। একুশের বইমেলায় বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে তার বই প্রকাশিত হয়। নির্দিষ্ট কোনো প্লাটফর্ম না থাকলে কাজ পাওয়া যায় না- এটা তিনি ভালো করেই জানেন। এতদিন এ কাজে তিনি আনন্দধারাকে ব্যবহার করেছেন।
গতকাল মধ্যরাতের পোস্টটিই আবার দিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



