হুজুর সাদাবাদীর ডিমপড়া জোক- যারা জীবনে কুন জোক শুনেন নাই আর শুনবেনও না তাগো লাইগ্গা। কার কখন ম্যাচুরিটি আসছে বুইঝা.. ১৮ +/- আরো ১০ বৎসর?!
ঘটনা হইলো মি: মিসেস সেলিম বাটে পড়ছেন। এতো চেস্টা কর্তেছেন তবু বাচ্চা-কাচ্চা হয় না! ডাকতর-কোবরেজ সব দেখানো সারা। কোন ফল হয় না! শেষে একজন বুদ্দি দিলেন. ." হুজুর সাদাবাদী!! বিসিষ্ট কামিল আদমী। ফল হবে- আশা রাখতে পারেন"।
তো মি: আর মিসেস সেলিম বাচ্চার জন্য ডেসপারেটেড ছিলেন। চিন্তা ভাবনা কইরা হাজির হইলেন হুজুর সাদাবাদীর দরবারে। এপয়েন্টমেন্ট পাইলেন ঘন্টা চারেক পর। উনারা বসে বসে দেখলেন হুজুর সাদাবাদীর দরবারের শান-সওকতই আলাদা! গম্ভীর ভাব, ষাড়ের মতন পাহাড়াদার লোক-জনের আনাগোনা! এক একজন দোয়া-প্রার্থী হুজুরের সাথে দেখা কর্তে ভিতরে যান আর আধা ঘন্টা পর বের হয়ে আসে!
যাই হোক উনাদের পালা আসলো। ভিতরে গেলেন। হুজুর সব দেখে-শুনে বললেন '' কেস কঠিন! কিন্তু সম্ভব। মাগার আপনাদের না অগ্রসর হওয়াই উচিৎ। বাচ্চা হলে আপনাদের বড় রকমের ক্ষতিই হবে?!"
মিসেস সেলিম এতো সহজে ছাড়ার পাত্রী নন। উনি বললেন " বাচ্চা না হওয়াতে এমনিই কঠিন বাটে আছি হুজুর! সংসার টিকে কিনা সন্দেহ?! কি আর বেশি ক্ষতি হবে? হুজুর, আপনি দোয়া-দাওয়া সব দেন''
হুজুর বললেন ''আপনাদের খুশী! তয় বাচ্চা হইলে পরিণতি খারাপ হবে। বাচ্চা হওয়ার পর মুখে যখন কথা ফুটবে তখন প্রথম যে দুইজনের নাম নিবে তারা দুইজনই মারা যাবে। জা্যগায় দাড়ায়ে পড়বে আর মরবে।কোন দেরী নাই। বাচ্চা ডাক দিবে আর সাথে সাথে মরন। আপনারা ভাইব্বা দেখেন!!''
উনারা দুজনই বাচ্চার পাগল। উনারা নিজেদের মধ্যে কথা বললেন এবং হুজুরকে জানালেন ' যে কোন মুল্যে বাচ্চা চাই'
হুজুর উনাদের নির্দিষ্ট একটা দিন গুনে আসতে বললেন। সাথে দিলেন কিছু নিয়ম-কানুন।
১. রোজা রাখতে হবে তিন দিন
২. নির্দিষ্ট কিছু খাওয়ার লিস্টি . .
তারপর সকালে দরবারে আসতে হবে। একা একটা বিশেষ রুমে থাকতে হবে ঘন্টা খানেক। তখন হুজুর বিশেষ দোয়া-দাওয়া দেবেন। তার পর একটা ডিম পড়া দেবেন যাওয়ার সময়। বাচ্চা কনফার্ম!!
যাই হোক উনারা হুজুরের সব শর্ত পালন করলেন এবং এক বছরের মাথায় পিচ্চি হলো। হেব্বি খুশী উনাদের পুরা খানদান! প্ররথমে একটু টেনশন ছিলো অভিশপের ব্যাপারটা নিয়া মাগার ৬ মাস পর গেদুটা যখন হামা দেয়া শুরু কর্লো আনন্দে মি: মিসেস সেলিম সব ভুলে গেলেন।
হটাৎ বাচ্চাটা ডেকে উঠলো "মা!!" সাথে সাথে মিসেস সেলিম পড়লেন আর মরলেন! স্পট ডেড!!
সেলিম সাহেব! মাথা খারাপ হয়ে গেলো। বউ গেছে তারচে বেশী চিন্তা বাচ্চা আবার "বাপ" না কইয়া ডাক পারে! নিজের জীবন বাচানোর জন্য পিচ্চিডারে শিখানো শুরু কর্লেন 'চাচা..',"নানী. . . ", 'নানা. . ." ইভেন "দাদা. . ." প্রতিদিন শিখান পাখি পড়ার মত মাগার বাচ্চা তো আর কথা কয়না!
হটাৎ বাচ্চা ডাক দিলো 'বাবা"। সেলিম সাব ভাবছেন তিনি এখনি মারা যাবেন। কিন্তু হটাৎ শুনলেন কান্নার আওয়াজ। খবর পেলেন পাশের বাসার রাজ্জাক সাহেব মারা গেসেন!! হঠাৎ করেই! পড়লেন আর মরলেন!
কুন রোগ ছেলো না ! পড়লেন আর মরলেন
অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


