আমার প্রিয় পোস্ট

নারী অধিকারের ধুম্রজাল, মর্যাদাবোধের বায়বীয় কনসেপ্ট।

১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:১৬

শেয়ারঃ
0 0 0

আপনি যেই মাত্র 'নারী অধিকার' কথাটি উচ্চারণ করলেন, অমনি আপনি স্বীকার করে নিলেন নারী পৃথক একটি সত্ত্বা, পুরুষ থেকে। আর আপনি যদি অপ্রকৃতিস্থ না হন, তবে আপনি এমনিতেই স্বীকার করবেন পুরুষ আর নারী এক জিনিস নয়। যেহেতু পৃথক, তাই তাদের বৈশিষ্টও পৃথক। এই কথার সূত্র ধরে যদি বলি, বৈশিষ্ট যেহেতু পৃথক, কাজও পৃথক, কাজের ক্ষেত্রও পৃথক, ভুল হবে?

লক্ষ্য করুন, একটি বহুমুখী উৎপাদনশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনেক বিভাগ থাকে। সেখানে যোগ্যতা অনুযায়ী শ্রমবিভাগ করে দেয়া থাকে। কেউ কারখানায়, কেউ এ্যাকাউন্সে, কেউ প্রকৌশলে আবার কেউ সেলসে। প্রতি বিভাগের মানুষগুলো যদি ঠিকমত কাজ করেন, তবেই পুরো প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক হয়। এখন সে প্রতিষ্ঠানের কেউ থাকবে অফিসের ভেতরে, কেউ থাকবে বাহিরে- এটাই তো স্বাভাবিক।

কোম্পানীর ইঞ্জিনিয়ার থাকেন ফ্যাক্টরির ভিতরে। কাস্টমাররা তাকে চেনেনা। এ্যাকাউন্ট্যান্টরা থাকেন কোম্পানির ভিতরে। অন্যদিকে কোম্পানির সেলস-ম্যানরা কিন্তু রাস্তায় রাস্তায় ঘোরেন, শো-রুমে বসেন, দোকানদারী করেন। লক্ষ্য করুন, কাস্টমাররা কোম্পানীর লোক বলতে এই সেলস ম্যানদেরকেই চেনে। আপনিই বলুন, এ কারণে কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ারের-হিসাবরক্ষকের মর্যাদা, দায়িত্ব, গুরুত্ব কি কোন অংশে কম? নাকি কোম্পানির ইঞ্জিনিয়াররা হঠাৎ দাবী তুলবে, অনশন করবে- আমাদেরকে সেলসে পাঠাতে হবে, আমদের অফিসে আবদ্ধ রাখা যাবেনা? -- কখোনেই না। পাগল না হলে কোন ইঞ্জিনিয়ার এমন কথা বলবেনা।

পরিবার নামক অত্যন্ত জটিল এবং বহুমুখি সংস্থাটিতেও মায়েদের যদি ইঞ্জিনিয়ারের পদটা দেয়া হয়, তবে কিছু লোকের অমন তারস্বরে চিৎকারের পেছনে কি যুক্তি থাকতে পারে? অফিসের ডেকরেশনকৃত এসি রুম তাদের ভাল লাগেনা! তাদের রাস্তার ধুলোবালিমাখা সেলস ম্যান না বানালে মর্যাদার হানী হয়ে গেল?

কোম্পানির একটি বিভাগ আছে আর এন্ড ডি ( রিসার্স এন্ড ডেভলপমেন্ট)। তাদের কাজ হলো সারাদিন গবেষণা করা। তাদের দৈনিক কাজের কোন জবাবদিহিতা নাই। অনেকদিন পর তারা একটা জিনিস আবিষ্কার করেন। তারা যেন ঠাণ্ডা মাথায় গবেষণা করতে পারেন, এজন্য তাদের পৃথক ল্যাব, বিশেষ গাড়ি, বিশেষ বেতন, আবাসন ইত্যাদি দেয়া হয়। তাই বলে কি তাদের দূর্বল ভাবা হলো? কেন তাদের নিয়মিত অফিসে আসা থেকে নিস্তার দেয়া হল, কেন তাদের কোন টার্গেট দেয়া নাই, কেন তাদেরকে বাসে ঝুলে ঝুলে ভীড়ের মধ্যে চ্যাপ্টা হয়ে অফিসে আসার দায়িত্ব দেয়া হলো না, এই বলে তারা আন্দোলন করবে? কখোনোই না।

নারীদেরকেও যদি তাদের কাজের ধরণ দেখে অর্থনৈতিক দায়িত্ব থেকে মুক্তি দেয়া হয়, তবে কেন কিছু লোক তারস্বরে চিৎকার করে ওঠে? বলতে শুরু করে তাদের কে দূর্বল ভাবা হচ্ছে? সমাজ সংসার কি এতই সরল কোন কারখানা? এখানে কি আর এন্ড ডি সেকশনের প্রয়োজন নাই? এখানে কি ইন্জিনিয়ারের প্রয়োজন নাই, হিসাব রক্ষকের প্রয়োজন নেই?

অবশ্যই আছে। আর আমার আপনার চেয়ে কোম্পানির মূল মালিক, কোম্পানির সিইও যিনি তার মাথায় কোম্পানির ভাল-মন্দ নিয়ে আমাদের মত টুটা ফাটা কর্মীদের চেয়ে অনেক পরিকল্পিত চিন্তা আছে। এ বিশ্বজগতের সিইও হচ্ছেন মহান রব্বুর আলামীন। কোম্পানি কিভাবে যথাযথভাবে চালাতে হবে, মালিক ও পরিচালক হিসেবে তিনি আমাদের চেয়ে তা অনেক ভালভাবে জ্ঞাত। তিনি যদি আমাদের মত এতখানি বুঝে ফেলতেন, তবে আর নারী-পুরুষ আলাদা কিছূ সৃষ্টি করতেননা। সব ক্লিব লিংগ পাঠাতেন।

কই, তিনি দৈহিক অবকাঠামো ও মনস্তত্বের যে ভিন্নতা নারী পুরুষের মধ্যে দিয়েছেন, তা-কে বৈষম্য বলে কেউ তো চিৎকার করেনা! সাহস থাকেতো সেখানে সমতা আনার চেষ্ট করুকনা। দৈহিক কাঠামোয় তিনি নারীকে গর্ভধারণের উপযোগী করে পাঠিয়েছেন। সন্তানকে দুগ্ধপানের উপযোগী শারীরিক অবকাঠামো দিয়েছেন। পুরুষকে সে সুযোগ বা দায়িত্ব দেননি। কারো ক্ষমতা আছে গর্ভধারণের এবং দুগ্ধ পানের কাজ নারীপুরুষ ভাগাভাগি করে নেয়ার কথা বলেন? সেই মহান প্রভুই তো নারী পুরুষের কাজকে আলাদা করে, তাদের দেহ ও মনস্তত্বের উপযোগী করে নির্ধারণ করেছেন। আমার আপনার চেয়ে তিনিই তো ভাল জানেন তার সৃষ্টি কিভাবে চললে এ পুরো জটিল সিস্টেমটি যথা নিয়মে চলবে। যে নিয়মটিতে তিনি আমাদেরকে হস্তক্ষেপের সুযোগ রাখেননি (শারীরিক) সেখানে আমরা নিসংকোচে তাকে মেনে চলছি, আর যেখানেই তিনি আমাদের ইচ্ছা শক্তি খাটানোর সুযোগ দিয়েছেন সেখানেই কেন আমরা দ্ব্যার্থহীনভাবে তাকে উপেক্ষা করার দুসাহস দেখাচ্ছি?

বলছিলাম নারী অধিকার নিয়ে, মর্যাদা নিয়ে। সারকথা হচ্ছে- এ জগত সংসারে নারী-পুরুষ যেমন পৃথক বৈশিষ্ট নিয়ে সৃষ্টি, তাদের কাজের ক্ষেত্রও পৃথক। ধরণও পৃথক। অর্থনৈতিক দায়িত্ব পুরুষকে দেয়া হয়েছে। নারীকে গৃহ ব্যাবস্থাপনা ও সন্তানকে যোগ্য করে তুলবার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দায়ীত্বের নিরিখেই তো মর্যাদা। পরিবারের মূল নেতৃত্ব যেহেতু পুরুষের ওপর ন্যাস্ত, আইনগত মর্যাদাও তারই। আর একটি সংগঠনের প্রধান একজনই থাকেন।

তাহলে নারীরা কি অর্থনৈতিক কাজ করতে পারবেনা? অবশ্যই পারবে, তার সুযোগ, যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু তার মূল দায়িত্ব পর্দার অন্তরালে।

তাহলে পুরুষরা কি ঘরে কোন দায়িত্ব পালন করবে না? অবশ্যই করবে। তার সুযোগ ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী। তবে অন্যতম মূল দায়িত্ব পরিবারের নেতৃত্ব প্রদান, অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান।

প্রকৌশল, হিসাব রক্ষন, ব্যাবস্থাপনা, সেলস - সব বিভাগের যথাযথ কাজই প্রতিষ্ঠানের সফলতার মূল মন্ত্র।

হযরত আদম ও হাওয়া আ. কে পৃথিবীতে পাঠানোর পূর্বে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন- "যখনই আমার পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট কোন হিদায়াত পৌছবে, তখন যারা আমার পথনির্দেশনা মেনে চলবে, তাদের জন্য ভয় চিন্তার কোন কারণ থাকবেনা।" - বাকারা ৩৮।

সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রেও একই কথা।

আল্লাহ আমাদেরকে তার বিধান মেনে চলার তাওফিক দিন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নারী ;
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:১৯
ভালো-মানুষ বলেছেন:

প্রথম দিকে লিখেছেন ভাল। কিন্তু শেষে এসে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। আপনার বক্তব্য পরিষ্কার হলো না।

আপনি কি বলতে চাচ্ছেন মেয়েদেরকে উত্তরাধীকারের ক্ষেত্রে ছেলেদের অর্ধেক দেয়া হোক (আল-কোরান মতে)?

১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনি একটু ক্লিয়ার করে দিন।

হ্যা, আল-কুরআনের বিধান মানুষের জন্য চুড়ান্ত ভাবে কল্যাণকর। মহাবিশ্বের জটিল সিস্টেমসমূহ যেমন শৃঙ্খলার সাথে চলছে আল্লাহর নিয়ম মেনে, আল্লাহর নিয়ম মেনে চললে পৃথিবীর মানুষগুলোও তাদের জীবনে কল্যাণ পাবে।

উত্তরাধিকার আর বাদ থাকবে কেন।

৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
ভালো-মানুষ বলেছেন:

আপনার যুক্তি কি? কেন মেয়েদেরকে ছেলেদের চেয়ে কম সম্পত্তি দেয়া হবে?
৪. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আপনি বলছেন: তাহলে নারীরা কি অর্থনৈতিক কাজ করতে পারবেনা? অবশ্যই পারবে, তার সুযোগ, যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু তার মূল দায়িত্ব পর্দার অন্তরালে।


এই লেখা পড়বার পর আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, ভাবতে লজ্জা লাগছে। কারন আমিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। শিবিরের রেফার করা ১৫০ টি বই পড়া শেষ হবার আগেই, আপনি নিজের ব্যক্তিসত্তা হারিয়েছেন। আপনার জন্য সমবেদনা রইল।
১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: সমবেদনা গ্রহণ করলাম। আপনার কি বক্তব্য? আর ঢাবিতে পড়তে হলে কি কি শর্ত পুরণ করতে হয়, জানাবেন।

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে যখন কেউ পৃথিবীর একমাত্র কাজ, চূড়ান্ত কাজ বলে মনে করে, অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও অর্জনকে যখন জীবনের চূড়ান্ত সফলতা ও দায়িত্ব হিসেবে কেউ গ্রহণ করেন, তখন, এ থেখে দূরে রাখাকে তাদের নিকট মর্যাদাহানী ও মানবাধিকার লংঘন বিবেচনা করবেন, সন্দেহ নেই। কিন্তু ইসলাম অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে জগত সংসারের কেবল একটি অংশ হিসেবেই বিবেচনা করে। ইসলামের দৃষ্টিতে এখানে প্রকৌশলীর যেমন প্রয়োজন রয়েছে, গবেষকের প্রয়োজন রয়েছে, আবার সেলস ম্যানেরও প্রয়োজন রয়েছে।

৫. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
ইয়র্কার বলেছেন: ৭ রিয়াল পাইলা, লগে মাইনাস ফাউ
৬. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
এস.এ.শোভন বলেছেন: দিক্কার দিলাম, মাইনাচ
১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: দন্যবাদ।

৯. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
মামড়া- দ্যা এভার লিভিং বলেছেন: জনাব আপনে কি ইসলামিক বানিয্য পড়চেন না বাজার অর্থনীতির বানিয্য পড়ছেন ঢাকা ইউনি
১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: এই দুইটা সাবজেক্ট আগে খোলেন, এরপর দেখি ডক্টরেটটা করা যায় কিনা।

১১. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
ভালো-মানুষ বলেছেন: আপনার যুক্তি কি?

কেন মেয়েদেরকে ছেলেদের চেয়ে কম সম্পত্তি দেয়া হবে?

আপনার বোন কোন যুক্তিতে আপনার চেয়ে কম সম্পত্তি পাবেন?
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: ১. সংসারে একটা ফুটা পয়সা খরচ করার দায়িত্ব তার না। স্বেচ্ছায় করলে ভিন্ন কথা। কিন্তু সব অর্থ যোগান দেয়া স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক। সুযোগ বুঝে সে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু টাকা তার নিজের।

২. বাবা-মা ছোট ভাই-বোনদের অর্থনৈতিক দায়িত্ব তার না।

৩. সে মোহরানা হিসেবে টাকা পাবে, যার খরচ তার নিজ এখতিয়ারাধীন

৪. বাবা মারা গেলে সংসারের অর্থনৈতিক দায়িত্ব আমার, তার কোন দায়িত্ব নেই।

সে আরো এমন কিছু ক্ষেত্র থেকে উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে যেটা একটি ছেলে পাবেনা।

যার যতটুকু দায়িত্ব, তার জন্য সে অনুযায়ী সম্পদ।

সর্বশেষ, আল্লাহ এ বিধানকে আমার আপনার জন্য ফরজ করেছেন। আর তিনি হচ্ছেন, আহকামুল হাকীমিন। তিনি হচ্ছেন রহমানুর রহীম।

নারীদের জন্য আপনার আমার চেয়ে তিনি বেশি দয়াবান ও শ্রেষ্ঠ বিচারক।

১৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২০
ভালো-মানুষ বলেছেন:
ভাইরে গোড়ায় গলদ - বিচারক একইসাথে দয়াবান আর ভাল বিচারক হতে পারে না।

যাই হোক, মূল প্রসঙ্গে আসি।

১. সংসারে একটা ফুটা পয়সা খরচ করার দায়িত্ব তার না।

- এই তত্বের কোন আগা মাথা আছে? কোথায় পেলেন এমন কথা?

২. বাবা-মা ছোট ভাই-বোনদের অর্থনৈতিক দায়িত্ব তার না।

- আবারও একই কথা, কেন এই দায়ীত্ব তার না?

৩. সে মোহরানা হিসেবে টাকা পাবে, যার খরচ তার নিজ এখতিয়ারাধীন

- যদি নিজের খুশীমত খরচ করতে পারে তাহলে এর সাথে সম্পত্তির উত্তরাধীকারের কোন সম্পর্ক থাকে না।

৪. বাবা মারা গেলে সংসারের অর্থনৈতিক দায়িত্ব আমার, তার কোন দায়িত্ব নেই।

- আপনি এই ঝাল থেকে আগে বেরিয়ে আসুন যে তার কোন দায়ীত্ব নেই। সবারই দায়ীত্ব আছে।

বোনের যদি কোন দায়ীত্বই না থাকে তাহলে তাকে অর্ধেকই বা দিচ্ছেন কেন? কোন দায়ীত্ব নেই সো বোন কিছুই পাবে না, এমন না কেন?


এই দায়ীত্বের ধুয়া তুলেই মেয়েদেরকে মানসিকভেব এক ধাক্কায় নীচে নামিয়ে দিচ্ছেন। আমার দায়ীত্ব আছে আমি বড়, তোমার দায়ীত্ব নেই তুমি অফ যাও - এই টাইপের একটা মানসিকতা তৈরীতে ভূমিকা রাখছে স্বয়ং ধর্মের বিধান!
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: সমস্যা তো এখানেই। অর্থনৈতিক দায়িত্বকেই আপনি জগত সংসারের একমাত্র। দায়িত্ব হিসেবে গ্রহন করলেন।

কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব অস্বীকার করলেন, হিসাব রক্ষকের দায়িত্ব অস্বীকার করলেন, আর এন্ড ডি বিভাগের দায়িত্ব আপনার চোখে পড়লনা, সেলসম্যানই আপনার কাছে মনে হল একমাত্র দায়িত্ব, মর্যাদার দায়িত্ব।

সংসারে শ্রমবিভাগ করা হয়েছে, অর্থনৈতিক বিভাগটি পুরুষের দায়িত্বে।

পয়েন্ট ভিত্তিক চুলচেরা বিশ্লেষণ করবো ইনশাআল্লাহ। ঘুমানোর সময় হলো।

১৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২২
ভালো-মানুষ বলেছেন:
স্বামীও তো স্ত্রীর সম্পত্তির ভাগ পাবে, যেমন পাবে স্ত্রী স্বামীর। তাহলে ভাই-বোনের (যারা পরে কারো স্বামী এবং স্ত্রী হবে) সমান অংশ পেতে সমস্যা কোথায়?

১৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: পোস্টে মাইনাস।

"শিবিরের রেফার করা ১৫০ টি বই পড়া শেষ হবার আগেই, আপনি নিজের ব্যক্তিসত্তা হারিয়েছেন। " বিবর্তনবাদীর সাথে একমত।
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোন বইগুলো পড়ে আপনার ব্যাক্তিসত্ত্বা গঠন করেছেন? রেফারেণ্স দিয়েন।

১৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ২:১০
মানুষ বলেছেন: আমার শিবির অপছন্দ করার অন্যতম কারণ উপরের পোষ্টে লেখন ব্যক্ত করেছেন।
১৮. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
রামন বলেছেন: লেখক বলেছেন:নারীকে গৃহ ব্যাবস্থাপনা ও সন্তানকে যোগ্য করে তুলবার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দায়ীত্বের নিরিখেই তো মর্যাদা। পরিবারের মূল নেতৃত্ব যেহেতু পুরুষের ওপর ন্যাস্ত, আইনগত মর্যাদাও তারই। আর একটি সংগঠনের প্রধান একজনই থাকেন।
-----------------------------------------------------------
রামন বলেছেন :

অভিজ্ঞতার অভাব লেখাটি । আমি দেখেছি পিতা তার সন্তানকে মাতৃ স্নেহে লালন করতে । আমি দেখেছি গৃহকর্তাকে গৃহিনীর ভূমিকা পালনকরতে । সংসারের সকল কাজ সমান অংশে ভাগ করে দুজনেই পালন করে সেটিওদেখেছি।একতরফা দায়িত্ব জোর পূর্বক চাপানো হয় না ।তবে বাংলাদেশে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক সমাজব্যবস্হা ও সমাজটি পুরুষ শাসিত তাই এদেশে উদাহরণটি পাওয়া যাবে না ।
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: গৃহের মূল দায়িত্ব নারীর, পুরুষ সময়-সুযোগ ও সামর্থ অনুযায়ী সহযোগিতা করবেন। পুরুষের মূল দায়িত্ব পরিবারের নেতৃত্ব প্রদান ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধান।

১৯. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
ফজল বলেছেন: পর্দা মেইনটেন করে পুরুষের পাশাপাশি সব ধরনের চাকুরী, ব্যবসা, শিক্ষকতা, চিকিৎসা সেবা ইত্যাদি সুষ্ঠুভাবে চালিয়ে যাওয়ার নজীর বর্তমান পৃথিবীতে বহু আছে। অতএব, যারা এর বিপক্ষে বলতে চাইছে, তাদের উদ্দেশ্য যে খারাপ তাতে সন্দেহ নেই।
১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: ফজলকে ধন্যবাদ। আপনাকে. . ?

১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য শুভকামনা।

২২. ১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩১
আহমদ বলেছেন: এসরকার সর্বশেষ চাচ্ছে এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলে অস্বস্থিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা । আমাদের এদেশকে এ ধরণের ইসলাম বিরোধী আইন রচনা থেকে রক্ষা করুণ । পোষ্টের জন্য + + + + + +
২৩. ১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩২
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
আহমদ ভাই এইটা কিভাবে ইসলাম বিরোধী আইন?
২৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১০
আর খান বলেছেন: ভালো পোস্ট, ধন্যবাদ।
২৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
টংকেশ্বরী বলেছেন: ফালতু যুক্তি। মাইনাস।
২৬. ৩১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৪৪
হনলুলু বলেছেন: কিরে রাজাকার,,,,, কেমন আছচ????

তুই বরং এইত্তা কডিন কডিন লেকা না লেইকা গোপালভাড়ের জোকস লেক।

দিলি তো শ্যাষে বেড়াছেড়া কইরা।
৩১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: দুখিত, আমি রাজাকার নই।

আর নারী বিষয়ক আমার যুক্তিগুলো দেখতে কষ্ট করে একটু বায়ে তাকান। দেখুন বোঘদাদী হেকিমের লেখা- ইসলামও নারী। সেখানে আমার যুক্তিগুলো একের পর এক উপস্থাপন করেছি। আশা করি আপনার কাজে লাগবে।

২৭. ৩১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
জাহান৮২ বলেছেন: ভাই,আপনি ভাল লিখেছেন।তবে একটা ছোট্ট পরামর্শ রাখছি।ইসলামে নারীর অধিকার সম্পর্কে আমরা বুক ফুলিয়ে অনেক কথাই বলতে পারি,কারন ইসলাম সে যোগ্যতা রাখে।কিন্ত আমরা যারা এই গর্বটা করি,তারা অনেকেই ব্যক্তিগত জীবনে তা প্র্যাক্টিস করি না।আর সেজন্যই হয়ত ইসলাম এত দিন আমাদের দেশে থাকার পরও,আপনার আমার মত ইসলাম প্রিয় মানুষ থাকা স্বত্তেও মুসলিম মেয়েরাও নারী অধিকার নিয়ে চিন্তিত হয়,আওয়াজ তোলে।
আগে সচেতন হতে হবে মুসলিম পুরুষদের যে তারা আসলে কথা ও কাজে এক থাকছেন কিনা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৬১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আয় হতাশার আবর্জনায়
সবাই মিলে আগুন জ্বালি
শুন্য বনের শুন্য শাখায়
নতুন করে ফাগুন ঢালি

ব্যর্থতা সব যাক ভেসে যাক
এই বেলাতে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ