আমার প্রিয় পোস্ট

১৫ই আগস্ট: ব্যস্ততায় কেটে গেল সারাদিন।

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৬

শেয়ারঃ
0 0 0

লেখাটি একান্তই ব্যাক্তিগত দিনযাপনের কাহিনী। কেউ রিল্যাক্স মুডে থাকলেই কেবল ঢুকতে পারেন।

রাতেই থানা সভাপতি ফোন দিলেন, কাল সকালে অমুক ওয়ার্ডে ইসলামী শিক্ষা দিবসের আলোচনা সভা। থানার সব সদস্য ব্যাস্ত থাকবেন কোরআন স্টাডি ক্লাসে, সুতরাং আপনাকেই সে প্রোগ্রামে মেহমান হিসেবে যেতে হবে। আমি আমতা আমতা করে বললাম, মেহমান হিসেবে আমি গেলে দূর্বল হয়ে যায়না? . . . অবশেষে নির্দেশনা মেনে নিলাম।

সকালে উঠেই পড়তে বসলাম। কিন্তু কিছুক্ষণ পরপর চিন্তা জাগছে- প্রোগ্রামে কি বলবো। এক পর্যায়ে কয়েকটি পয়েন্ট নোট করে নিলাম। এবার স্বস্তি পেলাম। সকাল ৯ টা বাজতেই নাস্তা পানি সেরে প্রোগ্রামের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়লাম।

অনুষ্ঠানস্থলে এসে দেখি ২৫/৩০ জন হাজির। মেহমান নেই, তাই কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার বক্তৃতা। স্টেজে আমরা তিনজনই ঢাবির ছাত্র। একজন আইনের, একজন পিচ এন্ড কনফ্লিক্ট এবং আমি। বক্তৃতার শুরুতেই শ্রোতাদের একটি সংক্ষিপ্ত ডাটা নিয়ে নিলাম। প্রত্যেকের গ্রামের বাড়ি, ইসলামী শিক্ষা দিবস ও শহীদ আব্দুল মালেক সম্পর্কে কার কতটুকু ধারণা, ইত্যাদি। দর্শক শ্রোতারাও এর মাধ্যমে মনোযোগি হয়ে উঠলো। আমি খেয়াল করেছি, শুরুতেই একটু অফ টপিক কথা বললে শ্রোতারা মনোযোগী হয়ে ওঠে।

কথা শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রোগ্রাম পরিচালকের স্লিপ এলো, ভাই, নাস্তা আসছে, ২০ পচিশ মিনিট লাগবে, আপনাকে চালিয়ে যেতে হবে। আমি মনে মনে হাসলাম, দেখি চেষ্টা করে। কথার গতি স্লো করে দিলাম। শুরুতেই শহীদ আব্দুল মালেকের জীবন থেকে কয়েকটি আকর্ষণীয় ঘটনা বললাম। অতপর, আব্দুল মালেক ভাইয়ের লেখা থেকে একটি অংশ শুনিয়ে দিলাম। এরপর বললাম সেই ঘটনা, যে ঘটনায় তিনি শাহাদাৎ বরণ করেছেন। তার সে বক্তৃতা আমি রেকর্ডে শুনেছি। একটি অংশ মনে পড়ে, তিনি বলেছিলেন, যদি -এডুকেশন ইজ দ্যা হারমোনিয়াস ডেভলপমেন্ট অফ বডি মাইন্ড এন্ড সোল- হয় তবে এই সুসামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নতির জন্য ইসলামই হচ্ছে সর্ব শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা। . . .।
এরপর ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা কি ও এর প্রয়োজন কি সে সম্পর্কে বললাম। ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা কি ধরণের মানুষ উপহার দেবে সমাজে। সর্বশেষ, ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আমাদের করণীয় বললাম। দেখতে দেখতে সময় পার। পুরো সময় শ্রোতাদের চোখের দিকে নজর রেখেছিলাম। মনে হল তারা মোটামোটি উপভোগ করেছে। তবে প্রতিটি পয়েন্টে উপলব্ধি করলাম আমার কি পরিমাণ জ্ঞানের ঘাটতি রয়েছে। শ্রোতারা হয়তো বুঝতে পারেনি, কিন্তু আমি তো নিজের কাছে পরিষ্কার, কোন কোন পয়েন্টে আমি তাদের ফাকি দিয়েছি। প্রয়োজন ছিল আরো ডিপ নলেজের, প্রচুর তথ্য ও যুক্তির। আসলে প্রচুর পড়ালেখা করা দরকার, যার সামান্যই আমরা করি।

০২.

বাসায় ফিরতে ফিরতে দুপুর। জুমার আগেই ছোট চাচাকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম এক আত্মীয়ের বাসার দাওয়াত রক্ষা করতে। সেই বাড়ির চাচি বড় জাদরেল মহিলা। কেউ না গেলে মাইন্ড করবেন। তাই ঘরের প্রতিনিধি হিসেবে বাধ্য হয়ে গেলাম। সাড়ে তিনটায় ইসলামী শিক্ষা দিবসের আরেকটি প্রোগ্রামে এ্যাটেন্ড করতে হবে। সুতরাং তাড়া রয়েছে।

দুপুরে পোলাও গোশত কোল্ড ড্রিংকস সাবার করে চুপচাপ বসে আছি। হঠাৎ সে ঘরের চাচি এসে হাক ডাক শুরু করলেন। আমার সাথে আসা চাচাকে অর্ডার দিলেন, ভেতরে আস, মেহমানদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই, ভাতিজা বউকে তো চেননা। পিছনে বসা ছিলাম। আমাকে বললেন, ওঠ, ভিতরে আস, ভাইয়ের বউর সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। আমি গা করছিনা দেখে তিনি ঘুরে দাড়ালেন, মুখোমুখি হয়ে বললেন, বড় ভাইয়ের বউ, ছোট ভাইয়ের বউ না, ওঠ!
জাদরেল মহিলা, হাক ডাকে আতকে উঠলাম। এ বিষয়ে আমার কথা বলার মত পরিবেশ এ ঘরে নেই। তবে তার ফতোয়ায় বেশ মজা পেলাম। বউ যদি বড় ভাইয়ের হয়, দেখা করা যাবে, ছোট ভাইয়ের হলে নাজায়েজ! মানুষ কত কি যে নিয়ম নিজেরা তৈরী করে।

ফেরার পথে রিক্সায় চাচাকে বললাম, ফতোয়া শুনলেন তো?
কি ফতোয়া?
ওই যে চাচি বললো, বড় ভাইয়ের বউ, ছোট ভাইয়ের বউ না।
চাচা হাসলেন, বললেন, কেন গ্রামে গঞ্জে তো কথাই আছে ভাসুরের সাথে দেখা দেওয়া যাবেনা, দেবরের সাথে দেখা করা যাবে।

রিক্সায় চলতে চলতে দুলতে দুলতে বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করলাম। পথিমধ্যে নেমে পড়লাম। শহীদ আব্দুল মালেক ভাইয়ের উপর আরেকটি প্রোগ্রামে যোগ দিতে হবে। অন্য থানার প্রোগ্রাম, কিন্তু থানা সভাপতি দুদিন আগেই আমাকে কনফার্ম করে রেখেছেন তাই না যেয়ে উপায় নেই। না, ব্ক্তৃতা দেওয়ার জন্য নয়।

০৩.

পোগ্রাম স্থলে এসে দেখি আয়োজকগণ চিন্তায় পড়ে গেছেন। একটি স্কুলে প্রোগ্রাম। লোকজন যে হারে আসছে তাতে জায়গার সংকট পড়বে। অবশেষে বাড়তি লোকের জন্য ব্যবস্থা করা হলো। মালেক ভাইয়ের উপর আলোচনা, কেন্দ্রীয় মেহমান আসবেন, শুনেই অনেকে বিনে দাওয়াতে হাজির। আমাদের ওয়ার্ডের কয়েকজন উপশাখা সভাপতি আমার মুখে শুনে উপশাখার প্রোগ্রাম বাতিল করে দলবল নিয়ে হাজির।

বিশেষ মেহমান ছিলেন শহীদ মালেক ভাইয়ের যিনি বায়তুলমাল সেক্রেটারী হিসেবে কাজ করেছেন, অধ্যাপক হারুনুর রশীদ। মালেক ভাইকে তিনি যেমন দেখেছেন, হৃদয়গ্রাহী ভাবে উপস্থাপন করেছেন। শ্রোতারা মন দিয়ে শুনল। সত্যিই মালেক ভাই ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জন্য এক প্রেরণার বাতিঘর। যেমনি মেধাবী তেমনি বিনয়ী, বহুগুণে গুনান্বিত। একবার একটি তিনদিনের শিক্ষা শিবিরে তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা, অবশেষে পাওয়া গেল, নর্দমার পানিতে কোমড় সমান নেমে শিক্ষাশিবিরের জন্য তৈরী কাচা টয়লেট সংস্কার করছেন। পজিশনে তিনি নেতা ছিলেন, কিন্তু ময়দানে ছিলেন এক নিরব কর্মী। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছিল যার একমাত্র কামনা। কর্মীদের নিকট তিনি ছিলেন এক বটগাছ। তার পরিধেয় বস্ত্রের মধ্যে ছিল কেবলই একটি পাঞ্জাবী ও পাজামা। রাতে ধুয়ে দিতেন, সকালে উঠে ওটাই পড়ে বেড়িয়ে পড়তেন। স্টাইপেন্ডের টাকা দিয়ে কিনতেন বিভিন্ন বিষয়ের উপর বই। ছিলেন জ্ঞানের পিয়াসী। ওই বয়সেই এমন গভীর লেখালেখি করতেন, যা সত্যিই বিস্মায়কর ছিল। তার একটি বক্তৃতাই ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির শিবিরে কাপন তুলেছিল।

কেন্দ্র থেকে প্রধান মেহমান এলেন। বক্তব্য রাখলেন। আর আমি একে একে মালেক ভাইয়ের উপর চারটি গান পরিবেশন করলোম। এজন্যই আমাকে আসতে বলা।

০৪.

মাগরীবের পর বাসায় ফিরে দেখি বাড়ি থেকে দাদীর হাতের পিঠা হাজির। বসে পড়লাম পিঠা খেতে। অন্যরকম অনুভূতি।

এশার পর আমাদের মসজিদে সাপ্তাহিক দারসুল কুরআন প্রোগ্রাম। নিয়মিত ও ধারাবাহিক আলোচনা। আমিও একজন নিয়মিত শ্রোতা। সূরা আনআমের দুইটি আয়াতের উপর আজ আলোচনা হল। ভাল লাগলো খুব। সূরা আনআম পুরোটাতেই আল্লাহর তাওহিদের কথা রয়েছে। কাল জানলাম, ইলাহ শব্দকে একর্থে প্রতিস্থাপন করা যায় 'সার্বভৌম শক্তি' হিসেবে। সার্বভৌম শক্তি হিসেবে মানতে হবে একমাত্র আল্লাহ রব্বুল আলামীনকেই। পৃথিবীর আর কোন শক্তিকে সার্বভৌম শক্তি হিসেবে দাঁড় করানো যাবেনা। আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এটি শক্ত নির্দেশনা।

ঘরে ফিরতে ফিরতে রাত দশটা। আরমোড় ভেঙ্গে ব্লগের সামনে বসলাম। ভাবলাম ব্লগারদের সাথে ব্যাক্তিগত হালচাল শেয়ার করি। পুরো দিনটি ব্যস্ততায় কেটে গেল। একপ্রকার মন্দ যায়নি। তবে আলস্যের ঘুমটা দেয়া সম্ভব হয়নি। যা হোক, সোমবার মিডটার্ম পরীক্ষা। আর নয়, পাঠ্য বই নিয়ে বসতে হবে কোমড়ে গামছা বেধে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫৭
বিবেক সত্যি বলেছেন: রিল্যাক্স মুডেই পড়লাম আপনার দিনলিপি । আপনি গান জানেন । বেশ তো ! আচ্ছা, পর্দার ব্যাপারটা নিয়ে একটা জিজ্ঞাসা, আপনার চাচী তো এক আত্মীয়াকে চিনে নেয়ার জন্যই দেখা করতে বলেছিলেন । সেখানে অন্যরাও উপস্থিত ছিলো । এমন অবস্থায়ও দেখা করার সুযোগ নেই ?
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আসলে বিষয়টা তেমন জরুরী ছিলনা। পিতার ফূফাতো ভাইয়ের ছেলের বউ। দুঃসম্পর্কের আত্মীয়ই বলা যায়।

আমার মূল পয়েন্ট ছিল, দেবর বনাম ভাসুর। দেবরের সাথে পর্দা নাই, দেওয়া যায়, ভাসুরের সাথে পর্দা- এই বিষয়টি। আমাদের রিমোট সোসাইটিতে এটি যে বেশ প্রচলিত, চাচীর কথায় তাই ফুটে উঠেছে। আমাদের সমাজে তো বড় ভাবীকে কেউ কেউ মায়ের মত বলতে চায়। অথচ দেবর সম্পর্কে রাসূল সা. বলেছেন- দেবর হচ্ছে 'মৃত্যু'র মত।

তবে আপনার কথা সঠিক, নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ পরিবেশে চেনা জানার প্রয়োজন ও সুযোগ তো রয়েছেই।

২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০২
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মেয়েদের সাথে বেশী মাখামাখি না থাকাই ভাল। আমি আমার ছেলেকে বেশী এলাউ করি না।

এমনিতে পারিবারিক মন্ডলে শালীনতা বজায় রেখে সবার সাথেই দেখা করা যায়।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: আমার জবাব তো আপনিই দিয়ে দিলেন!! ধন্যবাদ।


আপনার সন্তান কি পর্দার বয়সে পৌছেছে?

৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আমার ছেলে পর্দার বয়সে পৌছেছে কিনা?

প্র্যাকটিস চলছে। সে অবশ্য হিফজ করছে। তাদের অনেক বেশী কঠোর অনুশাসন মানতে হয়। আমি সেটাতে হেল্প করি। তবে পশ্চিমে থাকি তো। তাই সব কিছু আমার পছন্দ মত হয় না।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: হাফেজরা কিন্তু দুনিয়ার দুষ্ট হয়!! শয়তান ওদের পিছনে লাগে কিনা।

জাস্ট আমার অবজার্ভেশন বললাম!!!

৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৫
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: না, আপনার অবজার্ভেশনে ভুল নেই। তাই বলে তো আর হিফজ থেকে ছাড়িয়ে নেয়া যায় না।

সে অবশ্য শান্ত। তবু ভবিষ্যৎ তো মানুষের অজানা।
৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
বিবেক সত্যি বলেছেন: কাল সারাদিন ব্লগজুড়ে একটা বড় আলোচনার ব্যাপার ছিলো ইসলামী শিক্ষা দিবসের কথা এতদিন কেন শোনা যায় নি ? এটা কি ১৫ আগষ্টের জাতীয় শোকদিবসকে কটাক্ষ করার জন্য করা হচ্ছে ?

সারাদিন জুড়ে আপনার যেমন ব্যাস্ততার কথা বললেন, এরকম প্রোগ্রাম কবে থেকে হয় ? এটা কি সত্যি সত্যি শোকদিবসকে চ্যালেন্জ করে করা- শুধুমাত্র কোন রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্যের একটা দিবস ?
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: আসলে মালেক ভাইতো নিহত হলেন, শেখ মুজিবের মৃত্যুর অনেক আগে। তার মৃত্যুর পর গোটা পাকিস্তান জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছিল। প্রায় প্রতিটি পত্রিকা এ বিষয়ে সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। বুদ্ধিজীবিরা নিন্দা জানিয়েছে।

এরপর থেকে ইসলামী শিক্ষা দিবস পালিত হয়ে আসছে। বস্তুত, ইসলামী আন্দোলনের সে সময়ের অবস্থান তো বর্তমান সময়ের মত এতটা সম্প্রসারিত ছিলনা। তদূপরি মাত্র এক বছর পর দেশে মুক্তিযুদ্ধের ডামাডোল চললো। এরপর ইসলামী আন্দোলনকে বেশ কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়েছে বেশ ক'বছর। এ সময়গুলোতেও সব সময়ই ইসলামী শিক্ষা দিবস পালিত হয়েছে। কিন্তু মিডিয়াতো কখোনোই আমাদের ফেভারে ছিলনা। ফলে প্রোগ্রামগুলো কভারেজ পায়নি। আজও দেখবেন, ১৫ জন নিয়ে ছাত্র মৈত্রীর মিছিল পত্রিকা ও চ্যানেলগুলোতে যেভাবে প্রচারিত হয়, ইসলামী সংগঠনের শত শত ছাত্রের প্রোগ্রাম তার সামান্যই কভারেজ পায়। তো, সে সময়ে মূলত মিডিয়ার বৈরীতার কারণেই ইসলামী শিক্ষা দিবস সম্পর্কে মানুষ এতটা ব্যাপকভাবে জানতে পারেনি।

৬. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
হলদে ডানা বলেছেন: পশ্চিমে সন্তানদেরকে হিফজ করানোর বিষয়টি একটি সাহসী সিদ্ধান্ত বটে। সেখানে মায়েদের এমন প্রবণতা বা চিন্তার রেশিও কেমন?? আর ওদের সাথে কি সব বাঙ্গালী। ওদের টিচার কোন দেশের??
৭. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ওর টিচার পাকিস্তানের। আর ওদের সাথে অনেক বাংলাদেশী আছে। অন্য দেশেরও আছে। টেস্টে পাশ করে তারপর হিফজে ঢুকতে হয়। সীট খুব সীমিত। ফলে অনেকেই বাদ পড়ে যায়।

অনেকেই তাদের সন্তানদের হাফিজ করাতে চান।

আমার ছেলেকে আমি খুব একটা হেল্প করতে পারিনি বলে সে হিফজে তেমন এগিয়ে নেই। আমি নিজেই কোরান খুব অল্প জানি। ফলে এরকম হয়েছে।
৮. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
চোরকাঁটা বলেছেন: ইতিহাসের একটা শিক্ষা হচ্ছে, যতো যা কিছু চাপিয়ে দেয়া হোক না কেন, একসময় যেটা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ, সেটাই টিকে থাকবে!!
লেখক যেহেতু তার ব্যাক্তিগত স্মৃতি চারণ করছেন, আমার মনে হয়, আমি রাজনৈতিক প্রসঙ্গ তুলবো না! কিন্তু এটা বলতে পারি, সত্যকে দেখার চেস্টা করাটাও ইসলামের অংশ! কাউকে খাটো করে অন্য কাউকে বড় করার চেস্টা সবসময়ই চলতে থাকবে। কিন্তু সত্যটাই টিকবে। একসময় স্বীকার করতে বাধ্য হবে সবাই!!
আপনার দিনলিপি গুছানো, সুচিন্তিত; কিন্তু যেদিন রাষ্ট্রীয় ভাবে শোক দিবস ঘোষণা দেয়া হয়েছে, ঐ উল্লেখ টুকু বা ভাবনা টুকু হয়তো আসতেও পারতো! এখানেই আপনার চিন্তার দৈন্যতা কিম্বা সীমাবদ্ধতাটা প্রকট ভাবে চোখে লাগে! ধন্যবাদ।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আসলে ব্লগে আমার একটি রাজনৈতিক পরিচয় আছে। ফলে সবাই এখানে আসে এই মানসিকতা নিয়েই যে সে নিজের দল সম্পর্কে কি ভাবে।

উপরন্তু, পোস্টের পরিসর বড় হয়ে গেলে পাঠকগণ আপত্তি জানান। আমার এ পোস্টটি ইতোমধ্যে বড় হয়ে গিয়েছে খানিকটা। শেখ মুজিবের শোক দিবস নিয়ে আমার কোন ভাবনা বা চিন্তা হয়নি তা নয়, তবে স্থান সংকটের কারণেই দেয়া হয়নি। তদুপরি, সংক্ষেপে দিলে ভুল ধারণার অবকাশ রয়েছে।

আমি বিভিন্ন জায়গায় মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে আমার ধারণা ব্যক্ত করেছি। গতকালের 'বর্ণে'র দেয়া পোস্টটিও আমার চিন্তাধারার কাছাকাছি। সুযোগ হলে সামনে এ নিয়ে লিখব।

পয়েন্টটি উল্লেখ করায় ধন্যবাদ।

৯. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
দস্যু বনহুর বলেছেন: এইখানে তো দেখা যায় ব্যাপকস আলুছানা হৈতাছে... ওরেরেরে কে আছিস আমারে ধর....
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনি লগি নিয়ে কার মাথায় মারতে চলছেন???

১০. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ১৫ ই আগস্টের বন্ধে একটা রাজনৈতিক দলের নিজস্ব প্রোগ্রাম থাকতেই পারে।

তবু আশা করব একদিন বাংলাদেশে এরকম অনুষ্ঠানে রাষ্ট্র প্রধানের মৃত্যুর শোক পালন করা হবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: আমরাও আশা করছি।

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এটা কিন্তু সত্যি গল্প।

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: আপনার দিনলিপি ভালো লাগল +
১৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০২
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: যাহোক এটি আপনার ব্যক্তিগত দিনলিপি, রাজনৈতিক আলাপ করছিনা (যদিও করা যাবেনা এমনটি মানিনা, করা যেতেই পারে), করে লাভও নেই; শুধু দুটি কথা-

১. "তদূপরি মাত্র এক বছর পর দেশে মুক্তিযুদ্ধের ডামাডোল চললো"- আপনার একথাটি ভালো লাগেনি; মুক্তিযুদ্ধকে "গন্ডগোল" বা "ডামাডোল" বলে আখ্যা দেয়া একটি মহান দলের পুরনো বৈশিষ্ট্য।

২. আপনার গানের গলা ভালো। হা হা হা!

৩. আপনি কবিতাও লেখেন নাকি?

ধন্যবাদ।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: ১. আসলে মুক্তিযুদ্ধ সময়কালীন দেশে যে একটি জরুরী পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, স্বাভাবিক কিছু করার মত পরিবেশ ছিলনা- এ বিষয়টিই আমি বুঝাতে চেয়েছি। এজন্যই শব্দটির ব্যবহার। এবং আপনি তা বুঝতেও পেরেছেন। তথাপি শব্দটি পরিহার করলে ভাল হত।

৩. না, কবিতা লেখার অভ্যাস নেই। অবশ্য কলেজ জীবনে যখন সবারই কবিতা লেখার ভাব আসে, তখন আমিও দুএকটা লেখার চেষ্টা করেছিলাম এই যা।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৬
দস্যু বনহুর বলেছেন: গ্যানগর্ভ আলুচনায় অংশ নেয়ার জন্য সর্মাণিত আলুচকবৃন্দ্রকে করে আন্তরিক ঝাঝাবাদ, উনারা শত ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করে এমন একখানি বিদগ্ধ আলুচনা উপহার দিয়েছেন তাতে ব্লগবাসী কৃতজ্ঞ।

এই আলুচনা থেকে আমরা কি শিখলামঃ

১. মুক্তিযুদ্ধ একটি ডামাডোল
২. দেবর হচ্ছে 'মৃত্যু'র মত
৩. মেয়েদের সাথে বেশী মাখামাখি না থাকাই ভাল
৪. হাফেজরা দুনিয়ার দুষ্ট
৫. সামহোয়ারে ব্যাপক স্থান সংকট ( যে কারণে শোকদিবস স্থান পায় নাই। সুপারিশ: এর জন্য ২০০০ জিবি স্পেস বরাদ্দ করা হউক)
৬. উম্মু আবদুল্লাহ কোরান খুব অল্প জানেন
৭. শহীদ আব্দুল মালেকের জীবনের আকর্ষণীয় দিক ইত্যাদি ।


১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:২৯

লেখক বলেছেন: ১. ডামাডোল বিষয়ক প্রশ্নের জবাব দেয়া হয়েছে।

২. দেবর বিষয়ক কথাটি আল্লাহর রসূলের হাদিস। তাই অতিদ্রুত একে রসিকতায় রূপান্তর না করাটাই উচিত হবে। কথাটির ব্যখ্যা আছে। একটি নারী ও পুরুষ যখন যখন দিনের পর দিন, বন্ধনহীনভাবে কাছাকাছি অবস্থান করে, স্বাভাবিকভাবেই তাদের মধ্যে আকর্ষণ তৈরীর সুযোগ আসে। আর দেবর ভাবির বসবাস একই পরিমণ্ডলে হয়ে থাকে। ফলে মেলামেশার সুযোগ থাকে অনেক বেশি, অনেক নিকট থেকে। আর বিপদ তখন সহসাই চলে আসতে পারে। আপনার বিস্তৃত আত্মীয় পরিমণ্ডলের দিকে তাকান, দু-একটি উদাহরণ অবশ্যই পাবেন। আমি যে দুএকটি ঘটনার কথা জানি, সংসারকে ছাড়খার করে দিয়েছে এ জাতীয় অবৈধ ঘটনা। এমন সম্পর্কের কারণে খুনের সংবাদও বিরল নয়। আল্লাহর রসূল সা. এজন্যই "মৃত্যু" শব্দটি উচ্চারণ করে বিপদের ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন যেন সকলেই সতর্ক থাকে। তখনই বিপদের পরিমাণ হ্রাস পাবার সুযোগ থাকে।

৩. মেয়েদের সাথে মাখামাখিতে আপনার সম্ভবত বেশ আগ্রহ আছে।

৪. হাফেজরা দুনিয়ার দুষ্ট- আমার ঘরোয়া হালকা আলাপকে আপনি রেফারেন্স হিসেবে তুলে আনলেন!! দুষ্ট বলতে ছোট সময় তাদের অধিকাংশ বেশ চঞ্চল হয়, এটি আমার পর্যবেক্ষণ। আর পূর্ণ হাফেজরাও আমার দেখামতে বেশ চটপটে হয়ে থাকেন। বিষয়টি নেগেটিভ না হয়ে পজিটিভ হওয়ার সুযোগই বেশি।

৫. স্থান সংকট বিষয়ে আপনার মতামত সুস্পষ্টভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একটি পোস্টের স্থানের কথা আমি বলেছি। একটি পোস্ট বড় হয়ে গেলে পাঠকরা প্রায়শই আপত্তি তোলেন। আমি তেমন আকর্ষনীয় লেখক নই যে পাঠকরা যে কোন সাইজের লেখাই পড়বেন।

৬. উম্মু আব্দুল্লাহর বিনয়কে বোঝার মত স্থীর চিত্ত আপনার নেই, হবে কিনা জানিনা।

যা হোক, কষ্ট করে পয়েন্ট করেছেন, এজন্য তো একটা ধন্যবাদ দেয়াই যেতে পারে!!!

১৬. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৯
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: দস্যু বনহুরের মন্তব্যটি প্রবাদতুল্য।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩১

লেখক বলেছেন: লোকটার নামটাই তো মনে হয় "প্রবাদ পুরুষ"।

১৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৫
রাসেল ( ........) বলেছেন: লেখার সেরা অংশ উনার মাত্র একটা পাঞ্জাবী আর একটা পায়জামা ছিলো, রাতে ধুয়ে দিতেন, সকালে উঠে পড়ে বের হতেন।
সারা রাত উলঙ্গ থাকতে কষ্ট হতো, ইজ্জত আব্রু ঢাকার জন্য কি ব্যবস্থা নিতেন মালেক ভাই জানতে ইচ্ছা করে।

হাফিজমাতাকে একটা প্রশ্ন করছিলম অনেক আগে- আবারও করি, হাফেজের নাম কি আবদুল্লাহ?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: তার ইজ্জত বিষয়ক আপনার টেনশনে আমরাও টেনশিত!

লুঙ্গি কি উল্লেখ করার মত পোষাক?

১৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪২
রাসেল ( ........) বলেছেন: তার পরিধেয় বস্ত্রের মধ্যে ছিল কেবলই একটি পাঞ্জাবী ও পাজামা। রাতে ধুয়ে দিতেন, সকালে উঠে ওটাই পড়ে বেড়িয়ে পড়তেন।




ওই বয়সেই এমন গভীর লেখালেখি করতেন, যা সত্যিই বিস্মায়কর ছিল। তার বাসার আসে পাশে বিশাল বিশাল খালের জন্ম হয়। তিনি জানা যায় কল্যানপুর এলাকায় এসে গভীর লেখালেখি করেছিলেন, সেখানে তাই অনেকগুলো খাল তৈরী হয়েছিলো, এই খালগুলোই ছিলো ঢাকা শহরের পানি নিস্কাশনের রাস্তা।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের বৌকে এর একটা খাল ইজারা দেওয়া হয়েছিলো, এভাবেই মালেকের কৃতিত্বগুলো আড়াল হয়ে যায়, তার গভীর লেখাগুলো আবর্জনা জমে জমে ভরাট হয়ে যায়।

আমাদের এই ইচ্ছাকৃত অবহেলায় যেনো আর কোনো মালেকের গভীরতা ক্ষুন্ন না হয়। আমীন।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনার কৌতুক ভাল হইছে।

১৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৬
এস্কিমো বলেছেন: তার পরিধেয় বস্ত্রের মধ্যে ছিল কেবলই একটি পাঞ্জাবী ও পাজামা -

কি আজব, উনি আন্ডার ওয়্যার পড়তেন না?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি কি আশা করেন সেটি আমার পোস্টের মধ্যে উল্লেখ করব? লেখার ও কথা বলার স্বাভাবিক গোপনীয়তা সম্পর্কে আপনার লাগাম যথেষ্ট আলগা হতে পারে, তাই বলে সবার নিকট তো একই আচরণ আশা করা উচিত নয়।

২০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৯
প্রতারিত পুরুষ বলেছেন: মালেক ভাই ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জন্য এক প্রেরণার বাতিঘর। যেমনি মেধাবী তেমনি বিনয়ী, বহুগুণে গুনান্বিত। একবার একটি তিনদিনের শিক্ষা শিবিরে তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা, অবশেষে পাওয়া গেল, নর্দমার পানিতে কোমড় সমান নেমে শিক্ষাশিবিরের জন্য তৈরী কাচা টয়লেট সংস্কার করছেন।





উনি তাহলে একজন বিশিষ্ট কাচা টয়লেট সংস্কারকও ছিলেন? উনার একই অঙ্গে এত রূপ সত্যিই ইর্ষা জাগায়।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: "কাচা টয়লেট সংস্কারক" নতুন উপাধি। মন্দ নয়।

প্রাণ রসায়ন বিভাগের সেরা ছাত্রের জন্য কাচা টয়লেট সংস্কারক উপাধি কিন্তু একেবারে ফেলনা নয়- তার জন্য, উপলব্ধি করার গভীর মনটি যার এখনও অক্ষত আছে।

২১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:০৬
কাঙাল বলেছেন: হু

পশ্চিমে থেকে হিফজ পড়াচ্ছেন ছেলেকে উম্মু আবদুল্লাহ, বাহ, ক্যারিয়ার প্লান টা কি জানতে পারি ?

Click This Link
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: হাফিজ হয়ে যে কোনদিকেই ক্যারিয়ার গড়ায় তো কোন সমস্যা নেই ! !

২২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১৫
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: হলদে ডানা, এর আগের পোস্টে আমি আপনাকে বিনির্মান আর প্যাচালীতে পোস্ট গুলো দেবার অনুরোধ করেছিলাম। কয়েকটা ফোরামে লেখা দিলে আপনার তো কোন অসুবিধা নেই। বরং আরো বেশী লোক পড়বে। আমার এখানে এসব কাদা ছোড়াছুড়ি বড় বিরক্তিকর লাগে।
অন্য কোন ফোরাম এতটা কলুষিত নয়।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: প্যাচালির এখন যা অবস্থা চলছে তাতে আপনি নিজে কতদিন ওখানে থাকেন তা দেখার বিষয়। আর বিনির্মানে লগ ইন করতে গিয়ে দেখি কত যে ঝামেলা, বাংলা লেখার সরাসরি সুযোগ নেই ইত্যাদি। তদুপরি আসলে আমি তো নিয়মিত ব্লগার না। কিছুদিন লিখে দেখা যাবে এক এক মাস আর কোন খবর নেই। উপরন্তু পুরো রমজান মাস জুড়ে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা। ফলে আপনার প্রত্যাশা কতটুকু পুরণ হবে তা প্রশ্ন সাপেক্ষ।

২৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
আরিফ জেবতিক বলেছেন: "তবে প্রতিটি পয়েন্টে উপলব্ধি করলাম আমার কি পরিমাণ জ্ঞানের ঘাটতি রয়েছে। শ্রোতারা হয়তো বুঝতে পারেনি, কিন্তু আমি তো নিজের কাছে পরিষ্কার, কোন কোন পয়েন্টে আমি তাদের ফাকি দিয়েছি। প্রয়োজন ছিল আরো ডিপ নলেজের, প্রচুর তথ্য ও যুক্তির। আসলে প্রচুর পড়ালেখা করা দরকার, যার সামান্যই আমরা করি। "


আপনার এই আত্মোলব্ধি ভালো লাগল । :)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: আত্মোপলব্ধি যদি আত্মপ্রত্যয়ে পরিণত হয় তবেই স্বার্থকতা।

ব্স্তুত, " জাহেলিয়াতের সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের যোগ্যতা সম্পন্ন কর্মী হিসেবে গড়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করা"- কথাগুলো যতো শ্রুতিমধুর, বাস্তবে করাটা এত সহজ না, নিরলস শ্রম ও কমিটমেন্ট দরকার।

ইচ্ছা আছে, আল্লাহর কাছে সার্বক্ষণিক দোয়া আছে। বাস্তব পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

২৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: তখন তো ছাত্রশিবির ছিল না ।
আচ্ছা , আব্দুল মালেক সাহেব কোন সংগঠন করতেন ?
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: আমার অনুমান ভুল না হলে, আপনার প্রশ্নটি পরবর্তী প্রশ্নের গ্রাউন্ড ওয়ার্ক। এবং প্রশ্নের উত্তরও আপনার অজানা নয়।

বল আপনার কোর্টে ছুড়ে দিলাম, দেখি কি রেসপন্স আসে।

২৫. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৩
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: আপনার মন্তব্য এখানে আশা করছি।
Click This Link
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টটি পড়লাম। যেহেতু ইসলামী শিক্ষা দিবসের আলোচনা আমি উত্থাপন করেছি- তাই আমার দায়িত্ব এতে অংশ নিয়ে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করা। তবে

এক্ষেত্রে সাধারণভাবে, যেমনটি আমার প্রোগ্রামে বক্তব্য দিয়েছি, উপস্থাপন করাটা ঠিক হবেনা, বরং একটু বিষয়ের উপর পড়ে এলে অংশগ্রহণ ফলপ্রসু হবে। এবং আমার বিশ্বাস, আপনার প্রশ্নগুলো শুধুই অন্যকে আটকে দেবার জন্য নয়, বরং কিছু ফলাফল বের করে আনার জন্য। ধন্যবাদ।

২৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:০৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: কাঙাল, অন্যের ব্লগে আর আলোচনা করতে ইচ্ছুক নই। ধন্যবাদ, আমার ব্যপারে আগ্রহ দেখানোর জন্য।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: মিড টার্ম সামাল দেবার জন্য রাতে হলে ছিলাম। স্যার যতটা গভীরে পড়িয়েছেন, বাস্তবে প্রশ্ন করেছেন অনেক সহজ, ফলে পরীক্ষার হলে গিয়ে আতঙ্ক প্রশস্তিতে রুপান্তরিত হয়েছে।

২৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
দিনলিপি ভালো হয়েছে । এক্টা প্রশ্ন, আপ্নি দিনলিপি লেখার জন্য শোকদিবস কেই বেছে নিলেন? এটা কোন কাকতাল না কি নোংরা জামাতি ব্লগপলিটিক্সের অংশ?
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: আপনি দিনলিপি ভালভাবে পড়লে দেখবেন, সেখানে ১৫ই আগস্টের সাথে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উঠে এসেছে। সুতরাং একে অপ্রাসঙ্গিক বা কাকতালীয় বলার সুযোগ নেই।

শোক দিবস সম্পর্কে সবার মতামত একই নয়। বস্তুত শোক দিবস সরকার কর্তৃক জাতির উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু মর্মান্তিক, সন্দেহ নেই। কিন্তু তার মৃত্যু তার নিজের হাতের কামাই- এটিও জনগণের একটি বিরাট অংশ মনে করে। উপরন্তু তার মৃত্যুর দিনে অন্য কোন ঘটনা ঘটে থাকলে সেটি কি সংশ্লিষ্ট পক্ষ সেই দিনে উপেক্ষা করে যাবে??

"জামাতি নোংরা পলিটিক্স" শব্দের ব্যবহার আমাকে আহত করেছে। আপনি কবি মানুষ শব্দের কারিগর, আপনার নিকট থেকে আরো দায়িত্বশীল শব্দ চয়ন আশা করেছিলাম।

২৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪
সরপ বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, আপনাকে মনে হয় নতুন দেখছি?

৩০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৪৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: হলদে ডানা, আমি আপনাকে ব্লগিং এ সময় দেবার কথা বলিনি। কোন সাইটের সাফাইও গাই না। বলেছিলাম, সামহোয়ারে পোস্ট গুলো দেবার পাশাপাশি অন্য সাইটে দেবার কথা। যেটা ব্লগ ব্যাক আপ রাখায় সহায়ক। আর কিছু বেশী মানুষ পড়ল আপনার লেখা। ক্ষতি তো নেই।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। চেষ্টা থাকবে।

৩১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: হাফেজরা কিন্তু দুনিয়ার দুষ্ট হয়!! শয়তান ওদের পিছনে লাগে কিনা।

জাস্ট আমার অবজার্ভেশন বললাম!!!

আমার একটা অবজার্ভেশ বলি। আমাদের বাড়ির কাছে একটি হেফজখানা আছে। গরম কাল। রাতের বেলা। বারটারও পর হবে। তো হাটতে হাটতে পুকুরে ঘাটের দিকে যাই। দেখি সে হেফজখানার সব হাফেজরা পানিতে। গোসল করছে। গরম কমাবার জন্য। পাছে তাদের ওস্তাদের কাছে না জানি ধরা খায়। সে জন্য সবাই ন্যাংটা হয়ে নেমেছে। আমি একসাথে এ জীবনে এতো ন্যাংটা হাফেজ আর দেখিনি..
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: আমার একটা অফটপিক কথাকে আপনি রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করছেন এটা দুখজনক।


আর হ্যা, আপনার উদাহরণের জবাব না দেয়াটাকেই ভদ্রতা মনে করছি।

৩২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৯
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: আপনার 'ভদ্রতা'র অনুভূতির প্রতি আমি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। এটি কিন্তু রেফারেন্স নয়। আপনার অভিজ্ঞতার সাথে আমার অভিজ্ঞতার শেয়ার। সেটি যদি আপনি ভাল চোখে না দেখেন সে অধিকার আপনার আছে। আর যদি হয় আপনি আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন, আর আমি না তা হলে আপত্তি থাকবার কথা..................................
আমার ধারণা হেফজখানা সম্পর্কে আপনার আরও ভয়াবহ অভিজ্ঞতা আছে.............যেমন আমারও....

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আয় হতাশার আবর্জনায়
সবাই মিলে আগুন জ্বালি
শুন্য বনের শুন্য শাখায়
নতুন করে ফাগুন ঢালি

ব্যর্থতা সব যাক ভেসে যাক
এই বেলাতে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ