আমার প্রিয় পোস্ট
- আমাদের ছোট্ট জনি এবং বর্তমান অবস্থা - ফয়সল নোই
- একটি ফুলকে বাঁচাতে যুদ্ধ: অভিনন্দন সামহ্য়্যারইনব্লগ!!!!! - মানবী
- দেখে এলাম জনিকে....! একরাশ অভিজ্ঞতা, কষ্ট ও দুঃখ নিয়ে ফেরা। আসুন রুবী হত্যাকান্ডের সুবিচার ও জনির জন্য কিছূ করি......./শেখ রহিম - শেখ রহিম
- আল্লাহর দোহাই এই বাচ্চাটাকে আমাদের বাঁচাতে হবে - লাল দরজা
- ডিসপোজেবল মানবীদের কথা- আরেকটি ছবি, আরেকবার ভুলে যাবার পালা!!! - মানবী
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- সব ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন বিষয়ক একটি জরিপ - মিলটন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ই-সংকলন : লেখা খুঁজে দিন, লেখা প্রকাশের অনুমতি দিন - টিম সেভেনটিন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১০৮ ব্লগারের তথ্য - ভবঘুরে

অভিনন্দন ভাস্কর দা ( ব্লগার ভাস্কর চৌধূরী ) 
- মানব মানিক
- আপনারা পড়ছেন একজন ইমোশনাল মানুষের গল্প - মুহিব
- প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ / চিটি - চিটি (হামিদা আখতার)
- রাহেলার খুনিদের শাস্তির দাবিতে মানব বন্ধন ও স্মারকলীপি প্রদান কর্মসূচি পালন করলো প্রথম আলো বন্ধুসভা - ফয়সল নোই
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- আমার শব্দরা আমায় ডাকে - সুলতানা শিরীন সাজি
- আজ ব্লগার ভাস্কর চৌধুরী'র জন্মদিনঃ তুমি এলে এবং জয় করলে... - আমার আমি
- হে ভালবাসা, তোমার জন্য বড় অসমান এই পৃথিবী (চতুরভূজ) - চতুরভূজ
জয় হোক পরিবেশের................../ভাস্কর চৌধুরী
০৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
বিশ্বেও বিভিন্ন দেশের মতো আমরাও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করলাম বিশ্ব পরিবেশ দিবস দিনটি। আর পরিবেশের সংঘাতো আমরা শিখেছিলাম সেই প্রাইমারী শিক্ষাতেই। আমাদের চার পাশে যা কিছু আছে তা নিয়েই পরিবেশ।
এই পরিবেশই আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। আমাদের এই ভূখন্ডটিও টিকে আছে পরিবেশের উপর ভর করেই। বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। তাইতো পরিবেশ রক্ষার দায় আমাদেরই। কিন্তু আমাদের চালকের আসনে বসা কর্মকর্তারাই যখন পরিবেশ ধ্বংশের ছারপত্র দেন তখন সভাবতই মনে প্রশ্ন জাগে তা হলে আর পরিবেশ দিবস পালনের প্রয়োজনটাই বা কি? গত জানুয়ারী মাসে বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের ছারপত্র পেয়ে দেশের দশটি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এক বৈশিষ্ট্যময় মিশ্র চির হরিত বর্ষারন্য লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে তেল গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ভূতাত্ত্বিক জরিপ কাজ শুরু করে ছিল মার্কিন তেল গ্যাস কোম্পানি শেভরন। সম্প্রতি তাদের এই জরিপ কাজ শেষ হয়েছে গত ডিসেম্বরে যখন ঘোষনা দিয়েছিল তারা জানুয়ারী থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে জরিপ কাজ শুরু করবে তখন থেকেই দেশের বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এর বিরোধীতা করে আসছিল। জরিপ পরিচালনায় পরিবেশ- প্রতিবেশ সহ উদ্যানের বন্য প্রানীর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে এই আশঙ্কায় স্থানীয় বন নির্ভর আদিবাসী ও সেখানকার বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে একাধীক বার মানব বন্ধন পালনের খবর ও আমরা পত্রিকায় পড়েছি।
এমনিতেই দেশের ৮০ শতাংশ বন, বন দস্যু ও বন রক্ষা নামের কিছু বন বকক্ষ কর্মকর্তাদের যোগ সাজশে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বনাঞ্চলের গাছপালা তো আমাদের পরিবেশের আভিচ্ছেদ্য এশটি অংশ। বনের সবুজ নির্মল পরিবেশের গুরুত্বও অপরিসীম। গাছপালা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পানি, খাদ্য, ও অক্সিজেনের যোগান দাতা। আর লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানতো শুধু একটি সংবেদনশীল বনই নয়, এটি বিশ্বের দুর্লব আর বিলুপ্ত প্রায় অনেক উদি্ভদ ও প্রানীর আবস স্থল। দেশের বিলুপ্ত প্রায় উল্লুক তাদের শেষ আশ্রয় স্থল হিসাবে বেঁচে নিয়েছিল এই বনাঞ্চলকেই। সম্প্রতি মার্কিন বন্যপ্রানী গবেষক ড·এলিয়ট হাইমফ লাউয়াছড়ার উপর একটি তথ্য চিত্র নির্মান করে গেছেন।
এখানে আমার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তার নিকট সবিনয়ে জানতে ইচ্ছে করছে, আমাদের পরিবেশ বাঁচলে আমরা বাঁচবো। বাঁচবে আমাদের এই ভূখন্ডটি। তবেই তো উন্নয়ন। আমরা যদি আগেই উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গাত ঘটিয়ে পরিবেশ ধ্বংশ করে দেই তাহলে কিসের উপর ভর করে বাঁচবো আমরা, বাঁচবে এই ভূখন্ডটি। তখন এই উন্নয়ন কি প্রয়োজনে আসবে আমাদের। নাকি ধনী দেশগুলোর বিলাসী জীবনের তেল ও গ্যাসের চাহিদা পূরণের জন্য আমরা আমাদের পরিবেশ প্রতিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্যকে শেষ করে দিচ্ছি।
লাউয়াছড়ারই একটি অংশ মাগুরছড়া ও ছাতকের টেংরা টিলার কথা এখনও ভুলে যাই নি আমরা। ১৯৯৭ সালে মাগুরছড়ায় ব্লু আউটের ফলে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে নষ্ট হওয়া পরিবেশ প্রতিবেশ এখনও ফিরে আসেনি। ১৯৯৭ সালের পরিবেশ সরণবিধিমালা ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ১৯২৭ সালের বন আইনকে উপেক্ষা করে আমরা যদি উন্নয়নের দোয়াই দিয়ে আমাদের পরিবেশকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেই তাহলে পরিবেশ প্রতিবেশ রার নামে কেন এত আইন এত নীতিমালা। আমাদের পরিবেশকে আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। তাই আজ এই হোক প্রার্থনা উন্নয়ন ও পরিবেশের সংঘাতে জয় হোক পরিবেশের।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ প্রচেত্য।
কেমন আছেন?
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভাল পোস্ট ভাস্করদা... ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
অনেকদিন পর আমার আঙ্গিনায় আপনার দেখা।
কেমন আছেন ত্রিভুজ ভাই?
অনাহত শুভেচ্ছা আপনাকে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ রািতফ ভাই।
শুভেচ্ছা নিন।
মানব মানিক বলেছেন:
তথ্যবহুল ভাস্কর দা । কাল আপনি সিগারেট খাননি তো ? সত্যি করে বলেন ।
হা হা হা ......
লেখক বলেছেন:
লেখাটি আরও বড়। সংক্ষিপ্ত দিলাম।
কেন ভাইজান? সিগারেট দিবেন নাকি?
ধন্যবাদ মানিক দা।
ভালো থাকুন।
সিক্স স্ট্রিং বলেছেন:
ভাস্কর ভাইয়া আপনার সাথে একমত "আমাদের পরিবেশকে আমাদেরই রক্ষা করতে হবে"ভাল লিখেছেন +
লেখক বলেছেন: আমাদের পরিবেশ বাঁচলে আমরা বাঁচবো। বাঁচবে আমাদের এই ভূখন্ডটি।
ধন্যবাদ সিক্স স্ট্রিং ভাইজান।
আপনার জন্য শুভকামনা।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আশবাফ ভাই।
আপনাকে শুভেচ্ছা
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতার জন্য দুইটা জিনিস এখন বড় প্রয়োজন। একটা অবশ্যই জনসচেতনতা আরেকটা হচ্ছে সরকার, সরকারী প্রতিষ্ঠান আর গণমানুষের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে সমন্বয়। ধন্যবাদ আপনার চমৎকার পোস্টের জন্য।
লেখক বলেছেন: গত ২১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ-যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকীসহ প্রায় সাতশতাধিক সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের প্রধান ফটকের সামনে ১৫ মিনিটের একটি প্রতীকি মানববন্ধন পালন করে গেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। পরিবেশবাদী ও পরিবেশপ্রেমীদের প্রতিবাদের মুখেই শেভরন তাদের জরিপ কাজ শেষ করেছে।
আপনাকে ধন্যবাদ সর্বদাবেলায়েত ভাই
উত্তরাধিকার বলেছেন:
জীবন কিংবা প্রকৃতি... আপনি যাই নিয়েই লেখেন না কেন -
আপনার সাবলীল লেখনীতে সব কিছুই পেয়ে যায় এক আশ্চর্য আকুতি!
পরিবেশ রক্ষায় সবাই এগিয়ে আসব এই কামনা করি।
কেননা মনে রাখতে হবে যে আগামী প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে যাবার দায়িত্ব আমরা কোন মতেই এড়াতে পারব না...।
আপনাকে অনেক সাধুবাদ জানাই ভাস্কর দা।
লেখক বলেছেন:
আপনার অসাধারণ মন্তব্য মন ছুঁয়ে গেলো।
লাউয়াছড়া বনাঞ্চলে জরিপের এসব প্রতিক্রিয়া সর্ম্পকে অভিমত জানতে চাইলে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছিলেন, বন ও বন্যপ্রাণীর ক্ষতির বিষয়টি মোটেই অস্বাভাবিক নয়। আমরা যে একেবারে বুঝি না তা নয়। কিন্তু আমাদেরতো তেল গ্যাস অনুসন্ধান করাও দরকার। এটা হচ্ছে উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের সঙ্গাত। এই সঙ্গাতে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর কোথাও পরিবেশ বিজয়ী হতে পারেনি। তবে আমাদের চেষ্টা আছে পরিবেশকে যথটা সম্ভব সংরক্ষণ করে উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো।
এই হচ্ছে আমাদের দেশের বড় কর্তাদের কথা। তাহলে আমাদের পরিবেশের কি হবে?
উত্তরাধিকার ভাই কেমন আছেন?
ভালো থাকুন
ভালোবাসা নিয়ে।
আপনার জন্য অনাহত শুভেচ্ছা।
মীতু বলেছেন:
"আমাদের পরিবেশকে আমাদেরই রক্ষা করতে হবে" জ্বি দুলাভাই ভালই লিখেছেন। কিন্তু এই " আমাদের " শব্দটি লিখেছেন । আপনি পরিবেশ রক্ষা করবেন কি করে? পারবেন অবশ্যই যদি আপনি সিগারেট খাওয়া বাদ দিতে পারেন। পারবেন কি তা করতে? যদি নাই পারেন তাহলে এক দিক দিয়ে পরিবেশ রক্ষা করছেন আর এক দিক দিয়ে যাদের জন্য পরিবেশ রক্ষা করছেন সেই সব মানুষ কে ঠেলে দিচ্ছেন মৃত্যুর মুখে।খুব ভাল লিখেছিসরে ।
কেমন আছিস?
ভাল থাকিস।
লেখক বলেছেন:
আর কিছু খুঁজে পেলিনা।
সিগারেট নিয়ে এত মাথা ব্যাথা কেন?
যাই হউক তর মন্তব্যটা দারুন হয়েছে।
তর বোনকে নিয়ে কি আর ভালো থাকা যায়?
তারপরও ভালো আছি।
তর খবর কি? কেমন চলছে?
মীতু বলেছেন:
আমার ভাল যাচ্ছে না রে। পড়াশোনা একদম হচ্ছে না। দোয়া করিস।
লেখক বলেছেন:
ভালো যাবে কি করে। এই বয়সেই প্রেম। বড়দের মুখে শুনেছি প্রেম ট্রেম করলে পড়াশোনা একদম হয়না।
আচ্ছা যা, তর জন্য দোয়া করলাম।
মীতু বলেছেন:
এই তোকে কে বলল আমি প্রেম করি? তুই আমাকে দেখেছিস প্রেম করতে? প্রেম করার সময় পাবো কোথায়?
লেখক বলেছেন:
চোরের মায়ের বড় গলা।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভালো লেখা ভাস্কর.......।আগামী প্রজন্মর জন্য এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে যেতে হবে..........
সবার সচেতনতায় তা সম্ভব হবে এই বিশ্বাস।
শুভেচ্ছা নাও।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ সাজি আপু।
তোমাকে অনাহত শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দাদা। জয়তু প্রণব দা.......!
কবে আমরা এমন করে ভালোবাসতে শিখবো ? ধ্বংসের পাঠ শেষ হয়ে যাবে ততদিনে
লেখক বলেছেন:
সেদিন, যেদিন আমরা প্রকৃতির খুব কাচাকাছি যেতে পারবো। প্রকৃতির প্রতি ভালবাসাটুকু উজার করে দিয়ে নিজেকে সমর্পণ করতে পারবো। হে প্রকৃতি তুমি তোমার ধ্বংসের দিকচিহৃগুলো চিনে রাখো! তোমার জন্য তোমাকে বাঁচতে হবে।
ধন্যবাদ!
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
সময়োপযোগি অসাধারণ লেখা...............।আমরা আরো সচেতন হলে এই পৃথিবীকে ভয়াবহের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবো।
ভালো লাগলো
ভালো থাকুন
শুভেচ্ছা থাকলো ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। আমার মতে এ লেখার প্রতি সহমত আছে এরকম মানুষ খুব কম আছে বলে মনে হয়। আপনার উদাত্ত্ব সহমত আমার লেখার অনেকটা উর্দ্ধে !
ধন্যবাদ আবারো!
""শ্রাবণী"" বলেছেন:
লেখাটা ভাল লাগলো। আপানর সাথে একমত।সত্যিই পৃথিবী টাকে আমরা ধ্বংস করে ফেললাম...এখন আমাদেরই দায়িত্ব বাঁচানোর, বাচাঁতে হবে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ধ্বংস্তুপ থেকে পৃথিবীকে তার প্রকৃতিকে বাচাঁনোর তাগিদ আমরা দেখাতে পারি! কিন্তু রক্ষাকবচ কতটা তীব্র হতে পারে সেটাই ভাবাই বিষয়।
আপনার মত সকলেই ভাবনা এই হোক! এটাই কামনা করি।
ধন্যবাদ মিস শ্রাবণী। অসংখ্য ধন্যবাদ।
সুরিজত স্বপন বলেছেন:
পরিবেশ ধ্বংসের সব অপতৎপরতা সম্পর্কেই সচেতন হওয়া উচিত। যেমন ইদানিং বলা হচ্ছে-বাড়িতে বাড়িতে পাম গাছ লাগান। কিন্তু এই গাছটি কি আদৌ আমাদের মাটি আর পরিবেশের উপযোগী? যেমন বলা হয় -এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না। এটি হলে ভারসাম্য থাকবে কিভাবে?তাছাড়া রাসায়নিক সার,বন ও আবাদি জমি নস্ট করে শিল্পায়ন, নদী হত্যা-এসবই বাজাচ্ছে ধ্বংসের গান।
লেখক বলেছেন:
তথ্যের উপাত্তের প্রশংসা করতে হয়! তারপরও বলবো পরিবেশ আমাদের ! এটাকে বাচাঁতে হবে , আমাদের বাচাঁনোর জন্য!
ধন্যবাদ!
প্রণব আচার্য বলেছেন:
কেমন আছেন দাদা?
লেখক বলেছেন:
যেমন রাখছেন দাদা! ধন্যবাদ................!
বিবেক সত্যি বলেছেন:
দারুন গোছানো লেখা....
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ বিবেক সত্যি ভাই।
কেমন আছেন?



















চমতকার লেখা