somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অসাধারনত্ব হারাইয়া সাধারন ব্লগার হইলাম ! (হোসেইনের ডিমোশন )


একটু আগেও আমি বিশ্বাসী ব্লগার আছিলাম । এখন আর নাই । কর্তৃপক্ষ আমার উপ্রে থাইকা বিশ্বাস হারাইছেন । আমি এখন এলেবেলে টাইপের ব্লগার , অতি সাধারন ।

কর্তৃপক্ষরে আমার ছালাম । উনাদের সিদ্ধান্তের উপরে আমার পূর্ব ঘোষিত সমর্থন ।

তয় , গত ২৪ ঘন্টায় কাউরে গালি দেই নাই , কোন অশ্লীল ছবি পোস্ট করি নাই , কাউরে ডিস্টার্ব করি নাই , মোদ্দা কথা নীতিমালার কোন অংশ ভাঙছি বইলা বুঝতে পারিতেছি না । নিজের মনে খালি রম্য লেখালেখি করতেছি , সবই কাল্পনিক লেখা । <img src=" style="border:0;" />

নিজের ব্লগের নোটিশ বোর্ডেও কিছু পাইতেছি না যাতে কইরা কারনটা জানতে পারি ।

সুতরাং সাধারন ব্লগার হিসাবে আমার ডিমোশনে কিঞ্চিত মর্মাহত হইলাম । তয় , সাধারন পাবলিক সাধারন ব্লগার হিসেবেই বেশি আরাম পামু বইলা মনে হয় । অসাধারন হইবার কাম নাই ।


( এই পোস্টের পরে আমারে যদি আরো এক কি দুই ধাপ নামাইয়া এক্কের খতম কইরা দেন , তাইলে কী আর করা । আপ্নাগোরে অগ্রিম ঈদ মুবারক ।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28853644 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28853644 2008-10-12 01:58:18
ঈদের আনন্দ পাঠ ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) জানালার পাশে শিষ দেয় একটা দোয়েল
এই শহরটা বড় বেশি ফাকা ফাকা লাগে ,
রাস্তার ধারের রিক্সাওয়ালা আর টং দোকানের হাফিজ ভাই ;
দুজনেই হেসে হেসে কথা বলে পরষ্পর ,
ঐ দূরে কারা যেন খুব জোরে গান বাঁজায় ,
বুঝি , ঈদের ছুটি শুরু হলো আজ ।


বহুদিনের না পড়া বইগুলোর সতীত্ব হানি করা যাবে এই অবসরে ,
বেশি কিছু ডিভিডি জমেছে , দেখে ফেলব সেগুলোও ,
সবগুলো ঈদসংখ্যা থেকে কুড়ি পৃষ্ঠার উপন্যাসের বাচ্চাগুলোও পড়া যাবে অবসরে ,
বেশ একটা আনন্দ আনন্দ লাগে ।

চাইলেই আজ অফিস যেতে পারব না আমি ,
অফিসটা তালা মারা ; এটা ভাবতেই সুখ লাগে ভীষন ।
সারারাত ব্লগবাজি করে ভোররাতে ঘুমোতে বাধা নেই
খুব সকালে অফিসের গাড়ি এসে তাড়া লাগাবে না ।
ব্যাংক থেকে টাকা তোলা যাবে না ইচ্ছে হলেই ,
ঐ সাহেব আর এই ম্যাডামের ফোনে বয়ে ঝাড়ি আসবে না;
অফিস আর শপিং সেন্টার বন্ধ ঘোষনা হয়ে আমাকে বন্দী করেছে ঘরে ।

এবার তাই ঘুমোৎসব হবে , পাঠোৎসব হবে , দেখা হবে বিটিভির বস্তাপঁচা নাটক ।
এবার তাহলে ক্লান্তি মুছে যাবে , এবার ক্লান্তি মুছতে হবে ।
এ ভেবেই আনন্দিত হই আমি ।

হায় অভাগা মধ্যবিত্ত, আনন্দের সন্ধান পায়নি কানাগুলো ,
তারা তাই বিশ্রামকেই আনন্দ ভেবে সুখী হয়ে ওঠে ,
মানুষ নামের রোবটেরা এখন ঘুমানোর সুযোগকেই
উৎসব ভেবে হাসে ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28850181 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28850181 2008-10-01 21:57:33
আমি মরে গেলে কী হবে এই ব্লগবাড়ি ? ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) রাস্তায় সিলিন্ডার , অথবা সিনেপ্লেক্সে ফুটে যেতে পারে বোমা ;
ক্ষতবিক্ষত হৃদয়টা ফেল করে ফেলতে পারে যেকোন সময় ,
অথবা আশুলিয়া জলের মাঝে বিদ্যুৎ এসে পুড়িয়ে দিতে পারে গোটা নৌকা ।

আমি মরে গেলে কী হবে এই ব্লগ বাড়ি ,
এই বাড়ি বিক্রী করে কোন টাকা পয়সা পাবে না উত্তরসূরীরা ,
তাই আইন আদালতের খাতায় এর নাম আসবে না কখনো ;
কেউ খেয়াল করে দেখবে না , আমি একজন বহুদিন করি না লগইন
ছাগুরা কাঠালপাতা চিবুতে চিবুতে ভাববে , ব্যাটা বোধহয় ব্যান খেয়েছে,
ছাগুঠাপানির কালে বন্ধুরা মনে মনে খুঁজবে আর ভাববে ,
বিয়ে করে বনবাসে গেল অবশেষে ।

তারপরও রাতে পরে রাত এইখানে বহু খেলা হবে ,
হিজড়রা নারী নিকে ন্যাকা ন্যাক পদ্য ফলাবে ,
সুবোধ বালকটার পেছনে হঠাৎ লেজ দেখে কেউ একজন বলবে
কেপি টেস্ট পজেটিভ ,
কেউ কেউ বিদায়ের নাটক করবে ,
কেউ আবার বোকার মতো তহবিল তুলবে ,
কেউ কৌশলে বুনবে নষ্ট রাজনীতির বিষ ।

চারিদিকে হল্লা হবে এই ব্লগবাড়িতে ,
সবাই ভুলে যাবে কোনদিন এখানেও রাতের পর রাত
ঘুমহীন চোখে আমারও চিহ্ন ছিল একদিন
একদিন আমিও এখানে কফিমগে চুমুক দিয়ে কবিতা লিখতে বসতাম ।

একের পরে এক পোস্ট আর কমেন্ট চলবেই
কেউ তার শত পোস্টের ঘোষনা দিবে ,
কেউ সত্যি সত্যি রাগ করে চলে যাবে ;
আর নতুনেরা কোনদিন জানতেও পারবে না
একদিন আমিও তাদের ভালোবাসতাম ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28849104 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28849104 2008-09-29 00:29:28
ঢাকা শহরের অপুষ্ট প্রেমগুলি ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) এইখানে ভাদ্রের গরমেও মনগুলো দ্রবীভূত হয়,
তারপর খালি ফুনাফুনি , তার চাইতে বেশি কিছু হয় না ।

এইখানে ছেলেদের হলে মেয়েদের
কিংবা মেয়েদের হলে ছেলেদের যাইতে মানা ,
এইখানে এমনকি পুলিশ ব্যারাকেও নারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আছে ,
এই খানে সংসদ ভবনের সামনে সাইনবোর্ড আছে - দুইজন একত্রে বসলে একফুট দূরত্ব বজায় রাখবেন ,
এইখানে জিয়ার মাজারের পাটাতনে চিত কইরা রাতে বহু কিছু করা যায়
কিন্তু দিনের বেলা একটু অসুবিধা ,
এইখানে রাত্রে ঘরে ফিরতে হয় নাইলে মা আর বাপে চিল্লাইয়া রাখে না ;

এই শহরে তাই রাস্তাঘাটে , স্ন্যাকবারে , বিপনীবিতানে
অথবা রিক্সার হুড গুলোর আড়ালে খুব বেশি কিছু হয় না ।

এই শহরে তাই প্রেমগুলো বেহুদাই বড় হওয়ার নামে দীর্ঘ হয়
দীর্ঘ হতে হতে সেগুলো লতার মতো নেতিয়ে পড়ে
কিন্তু সময় , সুযোগ আর স্থানের অভাবে সেই প্রেমগুলো পুষ্ট হয় না । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28842229 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28842229 2008-09-12 19:27:19
শাহী মির্জাকে নিয়ে একটি কাল্পনিক প্রেসনোট ( ফানপোস্ট) মিরপুরের এক অন্ধকার বাসা থেকে গ্রেফতারে সক্ষম হয় ।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার কাছে থাকা অসংখ্য ভাইরাস এবং সফটওয়্যারের কথা স্বীকার করে ।
৭ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রেবের কর্মকর্তারা তাকে নিয়ে এইসব ভাইরাস এবং সফটওয়্যার উদ্ধার করতে মিরপুর মাজারের পাশের কবরস্থানে যাওয়ার পর আগে থেকে লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা রেবের দিকে হার্ডওয়্যার ছুড়ে মারে ,এবং ভাইরাস আক্রমন চালায় ।

এ সময় রেবও তাদের দিকে পাল্টা সফটওয়্যার আক্রমন করে ।
এই সময় পালাতে গিয়ে শাহী মির্জা ভাইরাসের আক্রমনে হ্যাং হয়ে যান ।

ঘটনাস্থল থেকে দুইটি পাইরেটেড সফটওয়্যার এবং তিনটি ট্রোজান হর্স সমৃদ্ধ ভাইরাস উদ্ধার করা হয়েছে ।

ঘটনার জোর তদন্ত অব্যাহত আছে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28840014 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28840014 2008-09-07 18:05:33
আমরাই ছোট ছোট চোর যুবরাজ হোসেইনের কবিতাঞ্জাল এই পায়রাগুলো উড়তে উড়তে পরিপক্ক হয়ে শকুন হবে একদিন ,
তারপর ঝাপটে ধরবে মানচিত্র আবার ।

যুবরাজের মুক্তির আদেশে আমরা সবাই হতাশ হব ;
স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতি মুচকি হাসব ,
সরকারকে গালি দিব ধুমসে ,
দুদকের উপর আমাদের বিরক্তি প্রকাশ করব ,
তারপর সিগারেট ছুড়ে ফেলে ভুরু কুচকে বলব-
ধূর ছাই ! কিছুই হবে না এই দেশটার । সাইত্রিশ বছর কেটে গেল ।


আমরা ভুলে যাই , অফিসে আমরাও ফাইল ঠেকিয়ে ঘুষ খাই ;
পাসপোর্টের দরকার হলে লাইনে না দাড়িয়ে দুশ টাকায় কাজ সারি;
আজকাল পয়সা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স মিলে না শুনে হতাশ হই নিজের প্রয়োজনে ,
এয়ারপোর্টে এক্সট্রা লাগেজ নেয়ার জন্য এয়ারলাইনের ক্লার্কের হাতে গুজে দেই নোট ;
একে ওকে ফাসানোর মতলবে থানার দারোগার সাথে খাতির জমিয়ে চলি ,
আরো কতো সব হাবিজাবি করে যাই দিনমান ।


আমরা সকলেই চোর , সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকা ধূর্ত সাধু;
আমরা সকলেই ছোট ছোট চোর যুবরাজ ,
বেহুদাই তাই যুবরাজের মুক্তিতে বিরক্তি প্রকাশ ।
অন্ধকার ঘরে ব্যালটে ঠিকই আমরাও যুবরাজকেই ভোট দিয়ে আসব ।
চোরের দেশে সেরা চোরেরই নেতা হওয়ার প্রয়োজন বটে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28838686 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28838686 2008-09-04 15:40:06
মাবুদে এলাহী ও নারী এই মাসে একবিন্দুতে মিলেন ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) তাই সারাদিন আমি ক্ষুধা ও তৃষ্ঞা নিয়ে ঘুরে বেড়াই ।

মাবুদে এলাহীকে ভালোবাসি , এর প্রমান দেয়ার জন্য
আমাকে ভোররাতে উঠে একগাদা ভাত গিলতে হয়
তাড়াহুড়ো করে দাতব্রাশ , তার আগে সিগারেটে দুইটা সুখটান ।
অবশেষে ভোরে ওঠে , ভিড় ঠেলে অফিসে গিয়ে ঝিমানো ,
বিকেল হওয়ার আগে অপ্রয়োজনীয় ভিড় ঠেলে বাড়ি ফেরা ,
মুড়ির ঠোঙায় জাবর কাটা , দুইটা লেবুর শরবত ।

সবকিছু কেমন যেন এই মাসটাতে বদলে যায় ,
আমাদের সকলের পকেটে ছিদ্র হয় , টাকাগুলো অগোচরে পড়ে যায়
ক্লান্তি আমাদের চুষে নেয় , ভিড়ের মাঝে থুথুর হামলা থেকে বাঁচতে হয় সতর্কতায় ;


এই সব কিছুই করতে হয় , এই মাসে ।
কারন মাবুদে এলাহীকে আমরা ভালোবাসি ,
তিনি সেটা পরীক্ষা করে দেখতে চান ।

নারী আর মাবুদে এলাহী , দুজনেই এই মাসে এক বিন্দুতে মিলেন ;
দুজনের কেউই আমার অন্তরের খবর নেন না ,
দুজনেই ভালোবাসার লাগি খালি প্রমানেই বিশ্বাস করেন ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28837888 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28837888 2008-09-02 17:43:47
আমরা মহল্লায় আছি , লাগলে মিসকল দিয়েন ( এ-টিমের জন্মদিন, হোসেইনের শুভেচ্ছা ) বিবাহ করিয়া বেকায়দায় আছি । দিনে অফিস কইরা রাইতে বাড়ি ফিরিয়া আর ব্লগে বসা হয় না । সব কিছু লাটে উঠিয়াছে । মাঝে মধ্যে উকিঁঝুঁকি মারিয়া দেখিয়া যাই । ইত্যবসরে ব্লগে দেখিলাম -এটিমের জন্মদিন পালন হইয়া গেছে । দেখতে দেখতে একবছর চলিয়া গেল , কতো ছাগুযে ম্যাৎকার করিয়া পালাইয়া গেল , কতো আকুকাকু বুকে বুক মিলাইয়া ভ্যানিশ হইয়া গেল , কতো চানমিয়া স্বাধীনতার নয়া ইতিহাস লিখতে গিয়া নিজেই ইতিহাস হইয়া গেল , কতো আলিতা-ললিতা , বুবস কান্দিয়া কাটিয়া নাটক জমাইতে গিয়াও পারিল না ।সময় বড়ো জলদি যায় গিয়া।

একবছর পূর্তির এই দিনে এ-টিম নিয়া এক্টা লেখা দিতে মন চায় । নতুন ব্লগারদের কৌতুহল মিটাইবার জন্য এই লেখা কামে দিব ।

এ-টিম কী ? :
এ-টিম হইলো একটা ভার্চুয়াল সংগঠন যা ঠিক একবছর আগে তৈরী হইয়াছিল সামহোয়্যার ব্লগের অব্যাহত রাজাকার তোষনের প্রতিবাদে ।

তখন ব্লগে ছিল আইয়েমে জাহেলিয়াতের যুগ , পুরা অন্ধকার । তখন কিছু উগ্র জামাতি দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়া নিয়মিত রঙ্গ রসিকতা করত । প্রায়ই ব্লগে পাকিস্তানী পতাকা উড়ানো হইতো , মুক্তিযুদ্ধে তিরিশ লক্ষ নয় তিন হাজার শহীদ হইছিল , মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের হত্যাকান্ডে আমরা দূ:খিত নই , গোলাম আযম মহান নেতা , এই সব রাজাকারী কনটেন্ট তখন প্রতিদিন ব্লগ খুললেই পাওয়া যাইত । সুস্থ ব্লগারদের অনেকেই এটা নিয়া তর্ক করতেন , প্রতিবাদ করতেন , সামহোয়্যারকে এইসব পাকিস্তানপ্রেমী ব্লগারদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বলতেন । কিন্তু এতে কইরা কাজের কাজ কিছুই হইতো না ।

এই পরিস্থিতিতে , " সামহোয়্যার রাখিব রাজাকার মুক্ত " এই শপথ নিয়া কিছু দুষ্ট ছেলের দল একটা নতুন সংগঠন দাড় করায় - তার নাম এ-টিম ।
এ-টিমের লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য একটাই - যেখানে ছাগু সেখানেই গদাম লাথি । নেটে জামাতি রাজাকারদের দৌড়ের উপ্রে রাখা হইবে ।

এ-টিম সিদ্ধান্ত নেয় যেহেতু এই রাজাকারগুলোরে বুঝাইয়া বা যুক্তি দিয়া লাভ নাই আর যেহেতু এক চউক্ষা মডারেটররা এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না , তাই এইগুলারে লাথি দিয়া কন্ট্রোল করতে হইবে ।

এ-টিমের সাফল্য : একবছর পূর্তির প্রাক্কালে :

একবছর পূর্তির এই সময়ে পিছন ফিইরা দেখলে দেখা যাবে এ-টিম তার লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য অনেকটাই সফলভাবে পালন করতে পারছে ।
খতিয়ানে দেখা যায় ,

১. একটা নীতিমালা তৈরী হইছে । যেই নীতিমালায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী লেখার জন্য কোন ব্লগারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিবার বিধান আছে । যদিও এই নীতিমালা নিয়া অনেক বিতর্ক আছে ,তবু একটা মন্দের ভালো নীতিমালা হিসেবে এইটা মাঝে মাঝে ভালোই কাজে লাগছে ।

২. জামাতি কাটপেস্ট কমছে । আগে জামাতি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীরা দৈনিক সংগ্রাম আর নয়াদিগন্ত থাইকা সরাসরি কাটপেস্ট কইরা লাদি ছড়াইত , এইটা এখন কমছে ।

৩. উগ্রতা কমছে । প্রখ্যাত এক নারী ব্লগারের কাপড় খুইলা ফেলানোর প্রকাশ্য ঘোষনা দিয়াও ছাগুরাম একসময় বীরদর্পে এইখানে ব্লগিং করত, কিন্তু এখন সেইটা সম্ভব হবে না ।

৪. সবচাইতে বড়ো অর্জন হইলো সাধারন ব্লগারদের মাঝে সচেতনতা বাড়ছে । তারা এখন জামাতিদেরকে মোটামুটি একঘরে কইরা ফালাইছে ।

এটা কি এ-টিমের একক সাফল্য :
অবশ্যই না , অবশ্যই না , অবশ্যই না। এটা আসলে রাজাকারদের বিরোধিতা করা সকল ব্লগারের সম্মিলিত সাফল্য । এ-টিম সেই ব্লগারদের একটা অংশ ।
এ-টিমরে ভালোবাসেন , সমর্থন করেন

এ-টিম কিভাবে কাজ করে ?
অনেকের মাঝেই কৌতুহল আছে যে এ-টিম কিভাবে কাজ করে । আমি তো কই এ-টিম যেভাবে কাজ করে এইটা যদি সবাইরে পুরা জানানি যাইত , তাইলে রাজনৈতিক দলগুলা এই সংস্কার কাজে লাগাইত ।

পুরা বিষয়টায় মজা আছে ।
সংক্ষেপে কিছু কই । এ-টিমের সকল সদস্যের পরষ্পরের সাথে যোগাযোগের জন্য চ্যাটের ব্যবস্থা আছে । যেকোন ইস্যুতে সকলের মতামত দেবার সমান ক্ষমতা , সকলের ভেটো পাওয়ার । তারপরেও অনেকের অনেক দায়িত্ব নির্দিষ্ঠ । যেমন কয়েকজন আছেন হ্যান্ড রাইটিং এক্সপার্ট । এই দায়িত্বে যারা আছে তাগো ক্ষমতার আসলেই তুলনা নাই । এর যেকোন পুরানপাপীর নতুন নিক খুইজা বাইরা কইরা ফালাইতে পারে । ( থেরাপিস্টের তিনটা কমেন্ট পড়ার পরেই এদের একজন আমারে কইল যে এইটা সারোয়ার চৌধুরীর নিক । আমি প্রথম বিশ্বাস করি নাই । কিন্তু এরা বাক্যের গঠন , আরো কী কী জানি দেখাইয়া আমারে আবার একই কথা কইল । কিন্তু আমি মনে কর্লাম , সারোয়ার চৌধুরীর মতো একজন কাব্যানুরাগী এইটা করবে না । পরে যখন থেরাপিস্টের ম্যালফাংশ হইল , তখন দেখি ঘটনা সত্য । ) এর কখনো কারো নয়া নিক খুইজা বাইর করতে গিয়া আজতারি ভুল করছে বইলা আমি দেখি নাই ।

তারপর কেউ আছে আর্কাইভের দায়িত্বে , তারা অনেক মজার মজার কমেন্ট আর পোস্টের স্ক্রিনশট জমাইয়া রাখে ।
কেউ কেউ টেকনিক্যাল বিষয়গুলা দেখে । এ-টিমের কেউ যদি আইপি শুদ্ধা ব্যান খায় তাহলে সেই শহীদকে তারা নতুন নিক নিতে সাহায্য করে । তাছাড়া কম সময়ে করা যায় এরকম অনেক টেকনিক্যাল বিষয় এদের জানা আছে । এদের উপরে সামহোয়্যারের ডেভেলপররা গোস্বা থাকে সবসময় ।
কেউ কেউ যুক্তি আর প‌্যারোডিতে একনাম্বার । তারা মাঝে মাঝে প‌্যারোডি আর রম্য রচনা লিইখা ছাগুদের ডলা দেয় ।

এইভাবে মিলেমিশে কাজ করার কারনে এ-টিম রাজাকারদের চাইতে অনেক ধাপ আগাইয়া থাকে সবসময় ।

এ-টিম নিয়া বিতর্ক :
বিভিন্ন সময় এ-টিম বিতর্কিতও হইছে । বিতর্কটা হইছে কিছু ব্যক্তি আক্রমনের ঘটনায় ।
তয় সবচাইতে বড়ো সমস্যা হইছে , এখন সাধারন ব্লগারদের মাঝেই অনেকে মজার মজার নিক নিয়া ছাগু োন্দায় । তাদের অনেকের অনেক কথার দায়দায়িত্বই এ-টিমের ঘাড়ে পড়ে ।

তাছাড়া এ-টিমের মূল নীতির একটা হইল , রাজাকার প্রতিরোধ ছাড়া অন্য এজেন্ডায় এ-টিমের সদস্যরা যার যার মতো মতামত দিতে পারে । আহমেদ শারফুদ্দীন যখন কাউরে লোলপুরুষ কয় , এ-টিমের কেউ যদি মনে করে সেও ঐটাতে একমত সেইটা সে তার মতো কইতে পারে । এইটা এ-টিমে এজেন্ডা না ।

অনেক প্রো৭১ ব্লগার যারা রাজাকার দেখতে পারেন না কিন্তু এ-টিমের কর্মপন্থার সাথে একমত না তারা অনেকবারই এ-টিমে কার্যক্রমের সমালোচনা করছেন । আমি কই -যতো মত , ততো পথ । রাজাকার দমনে আপনারা আপনাদের অবস্থান থেকে কাজ করেন , আমরা আমাদের তরিকায় কাজ করি । লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য ঠিক থাকলেই হইল,, আপনাদের মতামতরে শ্রদ্ধা করি , আমাদের কর্মপন্থারেও আপনারা শ্রদ্ধা করবেন বইলা আশা করি ।


এ-টিমের বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা :
সত্য কথা কইতে গেলে , এটা স্বীকার করতে হইবে যে বর্তমানে সামহোয়্যারে রাজাকারদের প্রকোপ অনেক কমছে । যা দুই একটা আছে , এরা মুখ বাইর করলেই ব্লগাররা দৌড়ানি দেয় । এ-টিমরে তৎপর হইতে হয় না ।
বর্তমানে তাই এ-টিম রিলাক্স অবস্থায় আছে । মজলিশে শূরায় নতুন সদস্য ভুক্তি এখন স্থগিত আছে । এ-টিমের পুরানা সদস্যদের অনেকেই নিজের মতো করে লেখালেখি করতেছেন । অনেকেই নতুন বউ নিয়া ঘরসংসার করতেছেন , কেউ কেউ নিজের ক্যারিয়ারে সময় দিতেছেন ।

এ-টিমের সংঘবদ্ধতা কাজে লাগাইয়া আরো কিছু কাজ করারও ইচ্ছা আছে আমাদের । হাসিব একটা ই-বুক করছেন , ভবিষ্যতে আম্রা আরো ই-বুক করতে পারি। হয়তো এজন্য আমরা গেস্ট এডিটরও নিতে পারি । টেকনিক্যাল সাপোর্ট এ-টিম করে দিবে । বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতায় ব্লগের উদ্যোগগুলোতে আমরা পেছন থেকে কাজ করেছি , এখন মাঝে মাঝে প্রকাশ্যে করা যেতে পারে দরকার হইলে ।

তয় , এ-টিম তার মূল উদ্দেশ্য হইতে কখনোই সরে যাবে না। যদি কখনো দেখা যায় যে ব্লগে রাজাকারী বাইড়া গেছে তাইলে সাথে সাথে , একসেকেন্ড বিলম্ব না কইরাই এ-টিম পুরা একটিভ হইয়া একশনে নামবে । আমরা জনপ্রিয়তার ধার ধারি না , আম্রা সুশীল না হইলে কে দূ:খ পাইব , কে ভার্চুয়াল গুন্ডা কইব , এইসব আমরা আগেও কোনদিন কেয়ার করি নাই , এখনও করি না । সুতরাং এ-টিম জনপ্রিয়তা হারাইব কইয়া কাউরো টেনশন করনের দরকার নাই। রাজাকার োন্দানো আমাদের কাছে জনপ্রিয়তার উৎস না , রাজাকার পোন্দানী আমাদের কাছে এর চাইতে অনেক বড়ো বিষয় ।[/sb

প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনে আমরা শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় কৃতজ্ঞতা জানাই এ-টিমের সকল শুভানুধ্যায়ীদের । যারা বিভিন্ন সময়ে আমাদের বিভিন্ন অপারেশনে অংশগ্রহন করেছেন , যারা ব্লগেও ও মেইলে আমাদেরকে উপদেশ দিছেন , তথ্য দিয়া সাহায্য করছেন , পক্ষে বিপক্ষে মতামত দিছেন , আপনারদের কাছে নতজানু ধন্যবাদ । যারা দূর থেকে মনে মনে সমর্থন করছেন , যারা বিরক্ত হইছেন , যারা প্রশ্রয় দিছেন , তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ।
একবছর আগের সামহোয়্যার আর একবছর পরের সামহোয়্যারের মাঝে যদি কোন গুনগত পার্থক্য চোখে পড়ে , সেই অর্জনগুলো আপনাদের । আর আমরাতো আপনাদের সেই বাউন্ডুলে দুষ্ট ভাই , যারা মহল্লার সামনে রকবাজী করে ,কিন্তু মহল্লায় কারো বিপদ আপদে বেগার খাটতে সবার আগে দৌড়াইয়া যায় ।

হ্যাপি ব্লগিং ।
হ্যাপি বার্থডে এ-টিম ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28799918 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28799918 2008-05-19 17:56:45
বাঁশ কিন্তু ওয়াজ শুনে না । ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) আমাকে দেখিও না সভ্যতা আর শুভ্রতার সাদা নিশান ,
আমি এসবে মুত্র ত্যাগও করি না

আমার বুকের মাঝে খাঁ খাঁ দুপুর ,
ধানের ক্ষেতে বেয়নেটে খুচিঁয়ে হত্যা করা পিতার লাশ
বন্দীশিবিরে বীরাঙ্গনা মায়ের আর্তনাদ,
বোন হারানো বেদনা , পোড়ো ভিটে ,
উঠোনে পড়ে থাকা ছোট ভাইয়ের লাশ
এসব দুচোখে রেখে আমি দাড়িয়ে আছি
এই মাটিতে শক্ত দুই পায়ে '
আমাকে আইন শিখিও না ,
হাইকোর্ট দেখার বাঙাল আমি আর নই ।

আমাকে শুধু অক্টোবর দেখিয়ে মরাকান্না জুড়ে লাভ নেই
আমার শার্টে এখনও শহীদ রিমুর রক্তের দাগ
শিবিরের কিরিচের আঘাতে শহীদ মুনির তপন জুয়েল এখনও মাঝরাতে আমার ঘুম ভাঙিয়ে দেয় ,
চিটাগাং ভার্সিটিতে রগ কাটে পঙ্গু হওয়া আজিজুল ,
মামুন , ইফতেখার আর দিনার
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের চিরপঙ্গু হওয়া বাবর,
এই সব ভুলিয়ে দুই একটা অক্টোবর দেখিয়ে
আমাকে ভুলাতে এসো না নোংরা বরাহের দল ।

আমাকে বাকস্বাধীনতা আর সমঅধিকার শেখানোর
বুদ্ধিবৃত্তিক বেশ্যাবৃত্তির ছেনালিপনা দেখিও না
জটাধারী কবি আর উলঙ্গ শিক্ষক
এই সবে আমি মুত্র ত্যাগও করি না ।
আমার মুখ বাধা ৭১ কে ভুলিয়ে দিতে
শুকরপুত্রের সাথে এক পেয়ালায় পান করতে
আহ্বান জানিও না নানা রঙঢং করে ,
ওসব ছেনালিপনা দেখিয়ে বুদ্ধিজীবি হতে পারো
তবু আমাকে ওসব দেখিও না কূয়োর ব্যঙ ।

আমি জানি এদেশের কতোশতো ক্যাম্পাসে
মেয়েদেরকে ইসলাম শেখাতে বেইজ্জতি করে তোমাদের বন্ধুর পাল
কতো শতো ক্যাম্পাসে প্রেমিককে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়
ইসলামী জোশ
কতো গ্রামে পূর্ণিমা রঞ্জনারা ধর্মের নামে বলাৎকার হয়
ওদের জন্য তোমাদের বাকস্বাধীনতা আর ব্যক্তিস্বাধীনতাগুলোকে জমা রেখে দাও ।


তোমাদের মরাকান্না কাদোঁ , সোয়ামি গোয়ামিদের জন্য
আর তাদের কানে কানে বলে দিও ,

মূর্খ ,নাদান , অশিক্ষিত , চাষাড়ে গোয়ার এই আমাকে তোমরা কিছুই শেখাতে পারো নি ,
তাই প্রেসক্লাবে , হাটবাজারে , মাঠেঘাঠে , রাস্তায় নদীতে
তারা যেন মুখ ঢেকে হাটে আর দৌড় দেয়ার জন্য রেডি থাকে প্রতিটি সময় ।

দিন বদলাচ্ছে ,
আমি হাতে বাশঁ নিচ্ছি
সেই বাঁশ বড়ো আছোলা ,
তার চেয়ে বেশ দূরে দূরে থেকে যেন
তারা এই সব বাকস্বাধীনতা আর ভব্যতার ওয়াজ ফরমায় ।
বাঁশ ওয়াজ শুনে না , বাঁশ হাতে আমিও নসিহত মানি না ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28780709 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28780709 2008-03-20 03:51:39
আমারেও ভাগ দিস বন্ধু , আমারেও ভাগ দিস...( ব্লগের বুদ্ধিজীবিদের জন্য হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) তোরা এই ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে হানা দিবি,
তখন চোখ বেঁধে যাদের নিয়ে যাবি , আমি যেন তাদের সাথে না থাকি ,
এইটা খিয়াল রাখিস ।

এই নে টিপসই , আগেই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করে রাখলাম সাদা পাতায়
তোর যা ইচ্ছা লিখে নিস উপরে ,

দিন ফিরলে বিটিভিতে একটা কবিতার অনুষ্ঠানে উপস্থাপক বানাইস
দেখিস আমি কেম্নে কাব্যসভারে উৎরায়া দেই ঠিকঠাক ;
পারলে শিল্পকলা নাইলে বাংলাএকাডেমীতে একটা পরিচালক বানায়া দিস ,
নিদেন পক্ষে দুই চাইরটা পুরষ্কারের নগদ নারায়ন ,
ইরান সফরের দলনেতা বানাইতে পারিস ,
তয় দুবাই হইলে আরো ভালো , ঐখানে নাকি মদের দাম স্বস্তা পড়ে,
রাবেতা আল ইসলামী নাকি আলমাহমুদরে হজ্ব করায়া আনছে
আমারেও নিস তাইলে বুড়া কালে ,

এতো কিছু করবি না ক্যান বল ,
তোর বাপের লাগি তুই মাত্র একপাতা লিখে
লাথি খাইলি ,

এই দেখ আমি দুইপাতা লিখছি লাগাইয়া দুইদিন ।
না হয় হইলাম না কামরুর জৈবিক পুত্র , তবু কি দায়িত্ব পালনে পিছপা হইছি ?
কথাটা মরে রাখিস দোস্ত , দিন বদলানির কালে হইছ না হৃদয়হীন ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28779899 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28779899 2008-03-17 15:09:15
চলেন , আমরা দুইজন মিলে প্রেসক্লাবে যাই ( কামরুপুত্রকে হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) কতো ধূলিময় ফুটপাতে কতোবার বসেছি ,
কতোবার ফুচকা খেয়ে একটা ঢেকুর দিলাম ,
কতোবার শিশুপার্কের লাইনে দাড়ালাম,
কতোবার গার্লসস্কুলের সামনে দিয়েছি শিষ ,
কতোবার সাকুরায় গিললাম অমৃতের বিষ ,

ইশ , কতোশতো জায়গায় কতোবার গিয়েছি ,
শুধু যাওয়া হয় নি প্রেসক্লাবে ,
আমার আত্মীয়ের আত্মীয় কিংবা বন্ধুতুতো বন্ধুও সাংবাদিক ছিল না ,
আমার নিজের কিংবা আমার বসের কোন কনফারেন্স ছিল না '
প্রেসক্লাব ক্যান্টিনে প্রেম করার মতো কোন প্রেমিকা ছিল না ,


তাই এই ঢাকা শহরে , শত শত জায়গার ভীড়ে ,
আমি শুধু প্রেসক্লাবেই যাই নি কোনদিন ।

চলুন তবে , আমি আর আপনি মিলে আজ বিকেলে প্রেসক্লাবে যাই ,
সাথে দুটি বড়ো দেখে বাশঁ নিতে ভুলবেন না যেন ,
একটা আপনি নিন , আরেকটা আমি ধরব শক্ত করে ,
সেখানে গেলেই দেখবেন একটা নপুংসককে কিভাবে দৌড়াচ্ছে অজস্ত্র মানুষ ,

তখন হয়তো আপনারও ভুল ভাঙবে ,
আপনিও হয়তো তার পাছায় ঢোকাতে চাইবেন বংশদন্ড ,


আপনিও হয়তো জানতে পারবেন , কাকে দেশ জানে অধম নেড়িকুকুর ,
শুধু আপনিই তাকে ভুল করে এতোদিন ডেকেছিলেন আব্বাহুজুর !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28779290 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28779290 2008-03-15 10:43:27
লোকনাথ-সোলেমানী পঞ্জিকার খোঁজে ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) সোলেমানী পঞ্জিকা আর লোকনাথের
সেই লাল মলাটে নিউজপ্রিন্ট ছাপা ,
ছোট ছোট অক্ষরে কতোশতো তিথি লেখা সেইসব
ধূসর পৃষ্ঠায় ।

আমার দিন কাটে অফসেটে ছাপা ঝকঝকে ক্যালেন্ডারে,
হাসিমুখে দেয়াল থেকে চোখ মারে ভিনদেশী তরুণী,
শরীরে বাকঁ তার আমন্ত্রন জানায় ;
সেই আমন্ত্রনে নয় , ক্যালেন্ডার বড্ড প্রয়োজন হয়
মাসের হিসাবটা জানার জন্য ।
মাস গেলেই কড়কড়ে কতোগুলো নোট ,
তার থেকে বেশ খানিকটা বাসাভাড়ায়
তারপর ছেলের স্কুলের বেতন ,
মাসের বাজার , পত্রিকার বিল , আর ক্লিনসেভ থাকার জন্য
কতোগুলে রেজর ,
ক্যালেন্ডার প্রয়োজন তাই বিলাসে নয় ,
বেচেঁ থাকার উপাদান হয়ে।

একদা স্বপ্ন ছিল , খুব করে ঘষে ঘষে বদলাবো পৃথিবী
পৃথিবী বদলায় নি , আমি শুধু পুরাতন পৃথিবীতে নিজেকেই বদলেছি ;
বদলেছি স্বপ্নগুলো , যতোটুকু না বদলালেই নয় ;
ছেলেটা যদি মানুষ হয় , বুড়ো বয়েসে গ্রামে যদি
একটা বাড়ি করি , মাথায় নতুন টিনের চাল,
তাহলে সীম আর লাউয়ের চাষে কাটাবো অলস অবসর ।

এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার ছিল না ,
ভাবিনি কোন দিন এই সব স্বপ্নগুলোকেও আবার বদলাতে হবে
ছেলেটা মানুষ হবে না , মানুষ হতে আজকাল বড্ড বেশী খরচ
আর গ্রামের ভিটেটুকু বেচেঁ দিয়ে গতবছর
আরেকটা স্বপ্নকে কবরে রেখেছি ।


আজ শুধু স্বপ্ন আছে আরো কিছুদিন বাচাঁর ,
রাজার আদেশ আছে ,কম খেয়ে বেচেঁ থাকতে আরো কিছু দিন ;
যদিও বেচেঁ আছি মৃত দুটি চোখ নিয়ে ,
যে চোখ শুধুই দেখে বাজারের আগুন আর খাঁ খাঁ খালি একটা চটের থলে ,
আরো কিছু স্বপ্নও দেখে , এক দুপুরে গরম মাছের ঝোলে একথালা ধোঁয়া ওঠা ভাত খাবার ;

আর তাই আজকাল ক্যালেন্ডারের পাতাটা বড়ো বেশি টিটকিরি দেয়;
আমি খুজেঁ বেড়াই সেই লোকনাথ-সোলেমানী পঞ্জিকা ।

হে বন্ধু প্রিয়জন , যদি করো দয়া কেউ ,
যদি কেউ ভালোবেসে বলে যাও , তোমার পঞ্জিকা দেখি;

বোরো ধান উঠবার আর কতো বাকি ?
বোরো ধান উঠবার আর কতো বাকি ?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28778833 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28778833 2008-03-13 18:00:52
এর চাইতে বেশি কিছু না ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল )
ঘর থেকে বেরুতেই চৌকাঠে যদি পা লেগে যায় ,
উফ করে একটা শব্দ কেবল , খানিক বসে যাওয়া কুসংস্কারে
তাই বলে চৌকাঠ আটকাতে পারে না যাত্রার পথ ।

মাঝরাতে একপ্যাকেট সিগারেট হাতে গভীর তৃষ্ঞায়
যখন দেখা যায় , দেশলাই বাক্সটা পুরোটাই খালি,
বোকার মতো দাড়িয়ে থাকা কেবল ,
তাই বলে নিকোটিনকে তালাক দেয় না কেউ পরদিন ভোরে ।

মাঝপথে শত্রুরা উড়িয়ে দিলে বাধাই কালভার্ট,
গেরিলারা ঐটুকু পথ সাতঁরেই পার হয় ,
দেরী হয় আধঘন্টা কেবল ,
তাই বলে থেমে থাকে না শুকর হননের উৎসব ।

এই সব ব্যান ফ্যান , হ্যান ত্যান , ওসব সময় দেয়
খানিক বিশ্রামের , শুধু নিরাপদ থাকতে চায় একহালি নপুংসক।
মাইক্রোফোনের তার ছিড়ে গেলে , সেটাকেই জুড়ে দিয়ে
ঠিকঠাক কথা বলে যায় আসরের সত্য বলা বাগ্মী ঘোষক ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28776299 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28776299 2008-03-04 11:49:41
১লা মার্চ ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) (উৎসর্গ : কোন এক তোমাকে , যে কোনদিনই জানবে না তুমি চলে যাওয়ার পর আমিও কবি হয়েছিলাম ।)

উৎসর্গ লিখে রেখেছি , তার চেয়ে বেশি কিছু নয়;
ছেড়ে যেতে যেতে সকলেই গেছে ,
দুপয়সার কবিতার জঞ্জাল
তারাও ইদানিং আর আগের মতো আসে না ,
তারাও বুঝে গেছে এখানে উষর ভূমি , এ হৃদপিন্ডে শুধু
নিকোটিনের তামাটে লেয়ার , সোনার শেকল নেই
গলায় পরাই ।

বড্ড এলোমেলো হয়ে গেলেই বুঝি নিজেকে গোছানো বলে ,
বনসাই না হয়ে বটবৃক্ষ হলে দুচারটা ঘুঘু পাখি ঠিকই বসতো এই গাছে ,
টবে টবে জীবন কাটানো গাছ , নিয়নের আলোতে শুধু শোপিসই হলাম ,
কোন এক ঝড়ের রাতে বাকাঁনো গাছ হওয়া হলো না এ জীবনে ।

ইদানিং পুনর্জন্মে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় খুব ,
নাহ , পুরোনো ভুলগুলো শুধরে দিতে নয়
ওসব প্রতিবারই করে যাবো জন্মান্তরে ,
তবু মনে হয় আরেকবার টাইম মেশিন চড়ে ফিরে যাই,
অথবা আরেকবার জন্মাই সেই কানাগলিতে
আরেকবার ফিরে পাই সেই পহেলা মার্চ
ঐ যে সেদিন তুমি শাড়ি পরে আইসিক্রম খাচ্ছিলে ,
আর একফোটা আইসক্রিম ঝুলে ছিল ঠোঁটের পাশটিতে ;

ঐ টুকু মুছে ফেলার সাহসটা এবার যদি পাই ,
তাহলেও তোমাকে ছোঁয়া যেত একটিবার ,
আহা , সেই সাদা ফোটা মুছার জন্য
আমি যদি আরেকবার জন্মাই ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28775506 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28775506 2008-03-01 21:51:42
ব্লগার হোসেইনের উত্থান পতন ( একটি ব্লগীয় স্মৃতিকথা -২ ) আসুন তবে , অন্য হোসেইনরে বাদ দিয়া আবার ব্লগার হোসেইনের কাছে ফিরত যাই ।

চাকরি বিস্তারিত বর্ণনা এই খানে না দেয়াটাই তাহলে উত্তম । প্রথম কয়েকমাস আমাকে প্রচন্ড খাটুনি দিতে হয়েছে , সেলস টিমের একটি প্যারালাল নতুন টিম করা হইছিলো , আমি সেই টিমকে লিড দেই , মূল বিষয় হইলো আমাদের চেয়ারম্যান চাইছিলেন যে উনার প্রডাক্ট বিক্রীতে একটা ডায়নামিক চেঞ্জ নিয়ে আসতে । যেহেতু এই স্মৃতিকথায় বারবার এই জিনিষগুলো আসবে , আমি তাই সেই প্রডাক্ট এবং সেই কোম্পানির নাম এখানে উল্লেখ করতে চাই না। আমি আমার চেয়ারম্যানের ডায়নামিক বিষয়গুলোকে খুব মূল্য দেই , যতোদূর জানি উনি কলেজে কিছুদিন পড়ছেন , কিন্তু এইচ.এস.সি পাশ করতে পারেন নি ( অথবা পরীক্ষা দেন নাই ) কিন্তু আজ এ কথা বলতে বাধা নেই যে , আমি উনার কাছ থেকে এমন বহু জিনিষ শিখেছি যেগুলো দেশে বিদেশে অন্যান্য চাকরি এবং ক্যাম্পাসে আমি শিখতে পারি নাই ।

সেই সময় আমি যে পরিবর্তনগুলো করতে বাধ্য হই , তার মাঝে গুরুত্বপূর্ণ একটা ছিল সারাদেশে ডিলারদের পরিবর্তন করা । আমি ৭০ জন ডিলারের মাঝে ৫৬ জন বদলাইয়া ফেলাইছিলাম , এবং এটা ছিল একটা মারাত্মক বিষয় । এই পরিবর্তনের সময় আমি প্রতিদিন সন্ধ্যায় একেক এলাকার ডিলারদের সাথে বসতাম , তাদের সাথে কথাবার্তা হতো রাত পর্যন্ত , তারপর তাদের সাথে ডিনার করতাম অফিসেই। এই বিষয়টি উল্লেখ করলাম , কারন এই মিটিংয়ের জন্য অপেক্ষাতেই ব্লগার হোসেইনের আবির্ভাব হয় ।

সে গল্পেই ফিরে যাই এইবার । গত পর্বেই বলেছিলাম যে আমার এক সিনিয়ার বড়ো ভাইকে আমি সেই অফিসে পেয়েছিলাম । উনি অন্য সেকশনে ছিলেন । একদিন দুপুরে তার টেবিলের সামনে আড্ডা মারছিলাম , তখন দেখি উনার মনিটরে একটি পাতা খোলা । সেখানে বাংলা লেখা । কথা প্রসঙ্গে আমি তখন সামহোয়্যারের কথা উনার কাছে শুনলাম । আরো জানলাম যে সামহোয়্যারে নিয়মিত লেখেন আমাদের অফিসের চাইরজন ।

আমি বিষয়টি বুঝার জন্য আমার টেবিলে এসে সামহোয়্যার ওপেন করলাম । এভাবে কয়েকদিন গেল। সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে হয় , তখন পাতাটি আমার খুব একটা ভালো লাগে নাই । তবু পড়তাম , মাঝে মাঝে কয়েকজন ভালো লেখকের লেখা পড়লেও , বেশির ভাগই ছিল ফালতু বকোয়াজ । রাজাকার তাড়ানো তখনও একটা কাজ ছিল , বিশেষ করে অমি রহমান পিয়াল , হাসান মোরশেদ ,রাসেল এবং আরো কয়েকজনের এ সংক্রান্ত পোস্ট মনোযোগ দিয়ে পড়তাম ।

তেমনি এক বিকেলে আমি যখন অফিসের কাজ শেষ করে বসে আছি , তখন কার একটা পোস্ট পড়ে যেন আমার কমেন্ট করতে ইচ্ছা হলো । কার পোস্ট ছিল সেইটা এখন আর মনে নাই , তবে সেখানে কমেন্ট করার জন্যই আমার একটা নিক নেয়ার দরকার হয়ে পড়লো ।

এখানে আমি একটা তথ্য যোগ করতে চাই যে , নাম ছাড়াও যে নিক নেয়া যায় , বিষয়টি আমার মাথায় তখন আসে নি ।
আমি নিজের নামেই নিক নিতে চাইছিলাম তাই সেই নামটি এভেইলেভল ছিল না ।
‘হোসেইন’ হচ্ছে আমার নামের মিডিল অংশ । অর্থাৎ আমার নামের গঠন ছিল ( ফার্স্ট নেম + হোসেইন + লাস্ট নেম )
আমি তাই হোসেইন নামটি রেজিষ্ট্রেশন করলাম । যে ইমেইলের মাধ্যমে সেই রেজিষ্ট্রেশন করা হইছিল , সেট্ওা ছিল কোম্পানির ইমেইল এড্রেস ।

সত্যি কথা বলতে কি , তখন দিনগুলো অন্যরকম ছিল । সাধারন দুই একটা কমেন্ট করাটাই ছিল আমার উদ্দেশ্য । কোন এক সময় যে ব্লগার হিসেবে আমি হাজির হবো , সেইটা পরিকল্পনায় থাকলে আমি হয়তো অন্য কোন নিক নিতাম ।

আরেকটা মজার কথা এখানে জানাই । আমিই যে হোসেইন , সেইটা আমার অফিসের চাইরজন ব্লগারের মাঝে দুইজন এখন পর্যন্তই বোধ হয় জানেন না । শুধু একজন জানতেন , শুধু তিনিই জানতেন যিনি আমাকে ব্লগ সম্মন্ধে বলেছিলেন ।


নিজেকে হাইড করার কারন এবং কিভাবে হোসেইন এক সময় চোর , কৌশিক ,পিয়াল , জামাল ভাষ্কর ,জেবতিক এবং আরো দুই একটি নিকের মাঝে লুকিয়ে পড়তো ,সেই কথাগুলো আমি আগামী কিস্তিতে বলবো ।

পুনশ্চ : ( লেখার শিরোনামটা ধার করছি আহমদ ছফার ‘ আলী কেনানের উত্থানপতন ’ নাম থাইকা )



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28762930 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28762930 2008-01-21 16:27:33
দালালেরা কিছু পায় না ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) আড়মোড়া ভেঙ্গে শীতার্ত শিশুর পাল উঠোনে লাফিয়ে নামে গোল্লাছুটের ডাকে ,
বরাহ শিকারীরা আপাত : ক্লান্তি মুছে নিদ্রাহীন চোখ কচলে এককাপ আদা চা খায় ,
হাসিমুখে কৃষক গিন্নী তার আচারের বোয়ামগুলো মেলে দেয় আঙিনার সোনা ঝরা রোদে ।

শুধু আমি ঝিমুই এই রোদেলা দুপুরেও ,
কারন আকাশের মেঘ কাটে নি এখনও ,
এখনও পরিপূর্ণ একটা রোদময় দিনের বহু বাকি
এখনও আরো শত রাত , বরাহ তাড়াতে হবে জেনে নিই
কারন আইনের কথা ভুলিয়ে দিয়ে ছেলেভুলানো যে গল্প
এসেছে ,
তাতে করে এই রোদ থাকবে না একটু পরেই ।

তবু এই খানিক রোদে আড়মোড়া ভেঙ্গে
একটু জিরিয়ে নাও সকলে ,
আবার প্রস্তুত হও ।
আমাদের পাওয়ার বাকি আরো অনেক ,
তার সব কিছুই আমাদের পেতে হবে
তার সবগুলোই আমরা পেয়ে যাবো ঘামের বিনিময়ে ,

খালি দালালেরা কিছুই পাবে না ,
তাদের কেউ কেউ শুধু স্টিকি হবে ।
দালালেরা স্টিকি থাকে , এর চেয়ে বেশি কিছু পায় না ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28761449 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28761449 2008-01-16 19:26:59
ফাসির আগে আদালতে হোসেইনের জবানবন্দী ( কবিতাঞ্জাল ) আমাকে ফাসিতে ঝুলিয়ে দিলে বেশ হয় ,
ফাসিতে ঝুলিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হয় বটে ,
যেমন ক্ষুদিরাম , অথবা কর্ণেল তাহের ,
ফাসিতে ঝুলিয়ে দিলে সব কিছু বেশ সামলে সুমলে নেয়া যায় ।

ফাসিতে ঝুলাতে হলে বেশ কিছু আয়োজন লাগে ,
কিছু ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে হয় ,
তকমা লাগিয়ে জানাতে হয় , এই লোকটা বড়ো খারাপ ,
সেই আয়োজন চলছে বেশ জোরেশোরে ।

আমি দেখছি আর হাসছি ,
শেষ বারের মতো চর্ব-চোষ্য-পেয় তে
গর্দানটা বেশ মোটাসোটা করে নিচ্ছি এই অবসরে ,
যাতে করে ফাসির দড়িটা ঠিকমতো এটে বসে ,
আর আপনাদের কষ্ট করতে না হয় খুব একটা ।

আমি জানি গোয়েন্দা লাগিয়ে বেশ তন্ন তন্ন করে খোজঁ নেয়া হচ্ছে ,
আমার অতীত আর বর্তমানের সবগুলো ঘরবাড়িতে ইদানিং বড়ো বেশি
অস্বাভাবিক হিট চোখে পড়ে ,
আমাকে খুজেঁ বের করতে ফাকফোকরে ,
অনেকেই বেশ পোস্ট আর ইমেইল দিয়ে ঘাটাঘাটি করছেন
পরষ্পরের কানে কানে ফিসফিস চলছে বেশ ,
তা চলুক , আগেই তো বলেছি
ফাসি দিলে বেশ হয় ,সেটা আমার অথবা আমাদের ।

অবশেষে খুজেঁ পাওয়া গেল একটা তকমা
আমাকে গালিবাজ নামে একটা বোল্ড-আন্ডারলাইন লেবেল লাগিয়ে,
বিচার সভায় হাজির করা হলো , দুই জন বিচারকের সামনে ।
ধর্মে অবশ্য মেয়েদের বুদ্ধিসুদ্ধিতে আস্থা রাখে কম,
আর তাই দুইজন মেয়ের বিবেচনাকে একজন পুরুষের সমান ধরা হয়,
আমি নিষ্ঠাবান ধার্মিক ,
বিচারকের দফতরে বসা দুইজন মেয়েকে তাই একজন পুরুষের সমান
গননা করি, অপর পাশে আমিও একজন পুরুষ বটে ,
তাই বুদ্ধিশুদ্ধিতে কাটাকাটি হয়ে যেতে পারে ,
যদিও এতেকরে পূর্বলিখিত রায় পালটাবে মনে হয় না ।

আদালতে সমবেত সূধীজন ,
এই শীতের বিকেলে আপনারা স্বাক্ষী থাকুন ,
গালিবাজি আমি কখনোই করিনি ।

গালি নয় ,আমি শুধু সত্য বলেছিলাম ,
আমি শুধু বরাহকে শুকর বলেছিলাম,
সারমেয়কে কুকুর বলেছিলাম ,
হৃষ্টপুষ্ট ছাগলদেরকে মানুষ মানতে অস্বীকার করেছিলাম,

এই অপরাধে , একদল পাকিস্তানী দুম্বা ,
না না ধরনের তকমা লাগিয়ে একজন মানুষকে ফাসি দিতে যাচ্ছে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28758800 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28758800 2008-01-08 14:13:45
আদালতে হোসেইনের জবানবন্দী ( কবিতাঞ্জাল ) ( উৎসর্গ : ব্লগাধিপতি আরিলকে , শুকর আর সুন্দরের সহাবস্থানের অসম্ভব বিষয়টিতে যিনি বিশ্বাস করেন ।)




জ্বি জনাব ,
আমাকে ফাসিতে ঝুলিয়ে দিলে বেশ হয় ,
ফাসিতে ঝুলিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হয় বটে ,
যেমন ক্ষুদিরাম , অথবা কর্ণেল তাহের ,
ফাসিতে ঝুলিয়ে দিলে সব কিছু বেশ সামলে সুমলে নেয়া যায় ।

ফাসিতে ঝুলাতে হলে বেশ কিছু আয়োজন লাগে ,
কিছু ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে হয় ,
তকমা লাগিয়ে জানাতে হয় , এই লোকটা বড়ো খারাপ ,
সেই আয়োজন চলছে বেশ জোরেশোরে ।

আমি দেখছি আর হাসছি ,
শেষ বারের মতো চর্ব-চোষ্য-পেয় তে
গর্দানটা বেশ মোটাসোটা করে নিচ্ছি এই অবসরে ,
যাতে করে ফাসির দড়িটা ঠিকমতো এটে বসে ,
আর আপনাদের কষ্ট করতে না হয় খুব একটা ।

আমি জানি গোয়েন্দা লাগিয়ে বেশ তন্ন তন্ন করে খোজঁ নেয়া হচ্ছে ,
আমার অতীত আর বর্তমানের সবগুলো ঘরবাড়িতে ইদানিং বড়ো বেশি
অস্বাভাবিক হিট চোখে পড়ে ,
আমাকে খুজেঁ বের করতে ফাকফোকরে ,
অনেকেই বেশ পোস্ট আর ইমেইল দিয়ে ঘাটাঘাটি করছেন
পরষ্পরের কানে কানে ফিসফিস চলছে বেশ ,
তা চলুক , আগেই তো বলেছি
ফাসি দিলে বেশ হয় ,সেটা আমার অথবা আমাদের ।

অবশেষে খুজেঁ পাওয়া গেল একটা তকমা
আমাকে গালিবাজ নামে একটা বোল্ড-আন্ডারলাইন লেবেল লাগিয়ে,
বিচার সভায় হাজির করা হলো , দুই জন বিচারকের সামনে ।
ধর্মে অবশ্য মেয়েদের বুদ্ধিসুদ্ধিতে আস্থা রাখে কম,
আর তাই দুইজন মেয়ের বিবেচনাকে একজন পুরুষের সমান ধরা হয়,
আমি নিষ্ঠাবান ধার্মিক ,
বিচারকের দফতরে বসা দুইজন মেয়েকে তাই একজন পুরুষের সমান
গননা করি, অপর পাশে আমিও একজন পুরুষ বটে ,
তাই বুদ্ধিশুদ্ধিতে কাটাকাটি হয়ে যেতে পারে ,
যদিও এতেকরে পূর্বলিখিত রায় পালটাবে মনে হয় না ।

আদালতে সমবেত সূধীজন ,
এই শীতের বিকেলে আপনারা স্বাক্ষী থাকুন ,
গালিবাজি আমি কখনোই করিনি ।

গালি নয় ,আমি শুধু সত্য বলেছিলাম ,
আমি শুধু বরাহকে শুকর বলেছিলাম,
সারমেয়কে কুকুর বলেছিলাম ,
হৃষ্টপুষ্ট ছাগলদেরকে মানুষ মানতে অস্বীকার করেছিলাম,

এই অপরাধে , একদল পাকিস্তানী দুম্বা ,
না না ধরনের তকমা লাগিয়ে একজন মানুষকে ফাসি দিতে যাচ্ছে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28757604 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28757604 2008-01-07 15:45:17
একদিন আমিও নাগরিক হয়ে উঠবো (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল । উৎসর্গ :কৌশিক আহমেদ ) কাধে হাত রাখা এই পাশের লোকটাই আমার পেছনে তাকিয়ে
মুখ বেকিয়ে পাশ্ববর্তী বন্ধুটাকে বলবে , ‌যাক বাবা ,চামারটা গেল অবশেষে ।
( অথচ এখন দেখো , লোকটা কেমন হেসে হেসে কথা বলছে ।)

আমি জানি ,যখন সবার সাথে নেশার পাত্র ভরে দিতে দিতে
আমিও মৌতাত নিয়ে দুয়েক চুমুক শেষে ,
দুয়েকটা গালিব অথবা তিহরালী খানের শের বলে উঠবো,
অনেকেরই ভেতরে ভেতরে নেশা কেটে যাবে ,
পরদিন অনুপস্থিতিতে বলবে
-হারামজাদা মাতাল ,পরের পয়সায় মাল গিলে কেমন দেখো
কবিতা ফলিয়েছে কাল রাতে ।

আমি জানি , সমগ্র বাংলাদেশ পাচঁ টন হয়ে আমি যাদের ভার বয়ে নেই
তারা আমাকে পছন্দ করে না ভেতরে ভেতরে ,
যাদের সাথে হাসি ,তারা আমার হাসিকে দাতকেলানো বলে ,
যাদেরকে দেখে উল্লাসে চিৎকার করি , তারা সেটাকে বলে ষাড়ামো ।

আমি জানি ,এই সব আমাকে সহ্য করতে হবেই
কারন এখনও ভালোবাসা না দিয়ে ভান দিতে শিখিনি .
এখনও নাগরিক হওয়ার ইচ্ছায় আছি , হতে পারি নি;
তাই আমাকে চামার ,মাতাল আর বাচালের তকমা নিয়েই
আরো কিছুদিন পার করতে হবে ;
তারপর একদিন ঠিকঠিক মুখোশটা এটে বসবে মুখের উপর
তখন আমিও দাত কেলানো ছেড়ে সত্যিকার হাসি দিতে শিখবো;
আমিও মাতাল না হয়ে বোদ্ধা হয়ে উঠবো
আমার ষাড়ামোও তখন প্রানবন্ত লেবেল পাবে ।

একদিন এই ভানের নগরে , আমিও নাগরিক হয়ে উঠবো ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28750397 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28750397 2007-12-09 13:12:20
মাঝরাতের ঢাকা শহরে ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) এই শহরে একটা গোলাপ কেনার জন্য
আমি এপাশ থেকে ওপাশ করতে থাকি ।

রাস্তায় ব্যস্ত কিছু কালো পোশাকধারীর গাড়ি ,
কয়েকটি শীতে কুকড়ানো নেড়ি কুত্তা ,
আর ততোধিক কুকড়ানো মনুষ্য শিশু;
সাইরেন বাজিয়ে ছুটে চলা একটা এম্বুলেন্স,
বেপরোয়া ট্রাক আর লরির বেদম ছুটে চলা ,
আর মিটমিট বাতি জ্বালিয়ে কয়েকটা ওষুধের দোকান ;
এছাড়া কিছু নেই আর ।

মাঝরাতে এই শহরের পানশালা গুলো খোলা থাকে ,
কারন এই শহরে এখন মাতালের ছড়াছড়ি ।
মাঝরাতে এই শহরে ওষুধের দোকান খোলা থাকে,
কারন এই শহরে এখন রোগাক্রান্ত মানুষের ছড়াছড়ি ।
মাঝরাতে এই শহরে বেশ্যালয় খোলা থাকে ,
কারন এই শহরে এখন বিভৎস শরীরের ছড়াছড়ি ।

শুধু ,মাঝরাতে খোলা থাকে না ফুল -কার্ড-চকলেটের দোকান;
তুমি চলে যাওয়ার পরে ,এই শহরে একটুও বুঝি প্রেম নেই আর ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28749332 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28749332 2007-12-04 15:04:57
আফটার দ্য ফিফথ পেগ -১ (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল সিরিজ ) তোমার ঠোটের স্পর্শ পেতে প্রবল বেগে পুড়ে পুড়ে নামি,
কিভাবে ছুইঁ বলো, আমিই তো গোড়াতে লাগিয়েছিলাম ফিল্টার ।

২.গ্লাস :
এখন জল ঢেলো না,সরাসরি খুলে দাও বোতলের মুখ ।
কতো আর ধারক হবো, একবার আমাকেও পানীয়ের সংস্পর্শ পেতে দাও।
একবার না হয় আমিও তৃষ্ঞা জুড়াই ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28745401 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28745401 2007-11-14 13:51:51
যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) আমি যাবো ধানক্ষেতের আল দিয়ে হেটে,
সবুজ ঘাসের চাদর পায়ে মাড়িয়ে,
রোদ পোহানো শীতে,
ঝমঝম বৃষ্টির বর্ষায় ।

আমি যাবো অসংখ্য গলা মৃত পিতৃপুরুষের উত্তরাধিকার বয়ে নিয়ে,
৩৬ বছরের পুরোনো এক অন্ধকার রাতের ক্যম্পে,
আমার বোনের নগ্ন উলঙ্গ শরীরের একেকটি দূ:স্বপ্নকে বুকের মাঝে পরম মমতায় লালন করে,
আমার ছোটভাইয়ের বেয়োনেট খুচাঁনো লাশের স্মৃতি কাধে নিয়ে,
আমি যাবো এই বাংলার পথ প্রান্তরে ।

আমি কাদঁবো না,
আমি হাসবো না,
আমি শুধু সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব
সেই সব পশুদের কথা,
যারা তাদের নখরে,ধারালো দাতে
ছিন্নভিন্ন করেছিল,
আমার ,তোমার,তার আর আরো অগনিত মানুষের স্বজনকে ।

আমি চিৎকার করে বলবো,
ওরা মানুষ খুন করেছে,আসো আমরা পশু হত্যা করি ।
আসো আমরা আজ এই মাটিতে পুতে ফেলি

এই সব হায়েনার যতো সব নোংরা রাজনীতি,
এই সব বরাহের উদ্বাহু নৃত্য,
এই সব সারমেয়ের অশুভ চিৎকার ।

আসো,বর্জন করো,বর্জন করো
আসো,প্রতিরোধ করো,প্রতিরোধ করো।


আমি জানি এই নি:সঙ্গ পথচলায়,
আমার পায়ের সাথে মিশবে নতুন পা,
আমার হাতে হাত রাখবে অগনিত নতুন হাত
আমার কাধ ছুঁয়ে যাবে,অগনিত নতুন কাধ ।

সেই সব মানুষকে নিয়ে পথ পেরুতে
আমি এক কাকভোরে ঘর ছেড়ে বেরুচ্ছি ,
আমি বেরুচ্ছি তোমাদের আঙিনার খোঁজে,
আমি বয়ে নিচ্ছি পিতৃপুরুষের উত্তরাধিকার,
বোনের নগ্ন উলঙ্গ শরীরের দূ:স্বপ্ন
ছোটভাইয়ের বেয়োনেট খুচাঁনো লাশের স্মৃতি ...


তুমি যদি যাও তবে,এই নাও ইশতেহার,
পথের খরচা হিসেবে বুকপকেটে নাও কিছু দূ:খ,
এর বেশি কিছু নয়,
নয় আলাপনে সময় ক্ষেপন,
তার চেয়ে এই ভালো,
চলো,পথিক,চলো ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28741916 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28741916 2007-11-02 00:29:27
হারিয়ে যাওয়া ডাকপিওন অরুন কুমার দত্ত ..(হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) বেচেঁ আছেন তো,নাকি গত শীতে হাপানির টান সহ্য করতে না পেরে বোচকা পেটরা বেধেঁ এখন স্বর্গের চিঠি বয়ে বেড়ান?

অরুন দা,আপনাকে বহুদিন দেখি না,
বহুদিন আপনার অপেক্ষায় মোড়ের দোকানে দাড়িয়ে সিগারেট ফুকি না,
বহুদিন আপানাকে দেখে হাসিতে আমার মুখ ভেসে যায় না,
বহুদিন আপনি হেসে বলেন না,‘চা না খাওয়াইলে চিঠি হারায়া ফেলামু’।

এখন আমার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে আপনাকে আর প্রয়োজন পড়ে না আমার,
এখন আমি চাইলেই বেজে উঠি এখানে ওখানে,
এখন মানুষ মানেই আমার কাছে একেকটি নাম্বার।

এখন মানুষের ঠিকানা মানে আর দরজা জানালা আর গলির নাম নয়,
ঠিকানা মানেই ই-মেইল ঠিকানা,কিছু আবোল তাবোল শব্দের পরে একটা ‘ এ্যাট’ চিহ্ন,
এখন মানুষ মানেই নাম্বার,দিনে রাতে প্যাকেজের ফাক গলিয়ে মনের ভাব প্রকাশ;
এখন কী দরকার আর ঝোলা কাধে নিয়ে আপনার এই কাটফাটা গরমে হেটে যাওয়া,
মোড়ের কোনে জীর্ণ ডাকবাক্স,
ডাকটিকিটের পেছনে চুমু খেয়ে খামের মলাট?

এখন আমি কথা বলতে চাইলেই যে কোন সময় যে কারো ঘরে,
ব্যস্ত রাস্তা পেরুনোর ফাকে ,কিংবা বাসের দরজায় ঝুলতে ঝুলতে
প্রেমিকাকে চুমু খাওয়ার সময়,কান্নার সময়,
বিষন্নতার সময়,আনন্দের সময়,
ক্রিং ক্রিং করে মুঠোফোনে বেজে উঠি।

এখন আমি আর বুকে চেপে হলুদ খামের গন্ধ শুকি না,
চকিত চেয়ে,আয়েশ করে ছাদে বসে নির্জনে খুলি না মনোরম খাম,
এখন কথা মানেই কথা,খামের ভেতরে শুকিয়ে যাওয়া গোলাপ কুড়ি নয়,
এখন কথা মানেই কথা,ভুল বানান কাটাকুটির আল্পনা নয়,
এখন কথা মানেই কথা,ভুল ছন্দের কবিতা লেখার অপ্রয়াস নয়।

এখন আমার কথার ভীড়ে কথা হারিয়ে যায়,
এখন চ্যাট আর ই-মেইল বক্সে জমা না রাখলে কথা মুছে যায়;

হায়,এখন আর অরুন দত্তের বয়ে আনা কথার খামের মতো
কোন কথা আর বহুদিন ধরে বুকে জমে থাকে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28719420 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28719420 2007-07-05 13:45:10
তেসরা জুলাই,গুলশান মোড়ে দুপুর দুইটায় (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) অযুত নিযুত মানুষের ভীড়ে,
তোর সাথেই ঘুরে ফিরে দেখা হয়ে যায়।

কতোবার না দেখে চলে গেছিস,
কতোবার দেখেও না দেখার ভান,
কতোবার চোখে চোখ রেখে মেলে দিয়েছি
পুরোনো সেই জমাট অভিমান।

কতোবার বিরক্তিতে আকড়ে ধরেছিস হ্যান্ডব্যাগ,
কপালের সামনে থেকে কতোবার আলগোছে চুল সরিয়ে
তাকিয়েছিস জটে ভার রাস্তার দিকে,
কতোবার নাক কুচকে ভেবেছিস ,’আজো পিছু ছাড়লো না’
না জানি কতোদিন গালি দিস অজান্তে,
কতোজনকে বলে বেড়াস বেহায়া ছেলেটার গল্প।

আমি শুধু বুকের ভেতরে খাঁ খাঁ শূন্যতা পুষে
এই দগদগে রোদে পুড়ে প্রতিদিন রাস্তা পেরোই
দুপুরের খাবারের কথা বলে প্রতিদিন অফিস ফাকি দিয়ে
প্রতিদিন এ রাস্তায় আনমনে দাড়িয়ে থাকি,
যেন কতো ব্যস্ত পথিক, অভিনয়ে হেটে যাই।

আমার ভেতরের প্রতিরোধ প্রতিদিন একটু একটু করে
বাড়তে বাড়তে মাঝরাতে আকাশ ছুয়েঁ যায়;
আর সকালে কী এক ইস্পাত কসম খেয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি
কিন্তু দুপুরের আগে আগেই আবার কী এক অদ্ভুত টান,
আমাকে বের করে নিয়ে আসে,
আবার আমি দুপুরের ক্ষুধার অজুহাতে চক্ষু ক্ষুধা মেটাই।

আবার প্রতি বিকেলে নিজে নিজে ভাবি;
এই শহরে বড়ো অকারন
তোর সাথেই কিভাবে যেন ঘুরে ফিরে দেখা হয়ে যায়।


(ছবি ও কবিতার স্বত্তাধিকার :জনাব গালিবাজ হোসেইন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28719136 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28719136 2007-07-03 17:50:57
হোসেইনের আত্মপোলব্দি জনিত ছড়া না পড়া বই জমছে এখন থরে থরে,
করলি শুরু লিখবি রে তুই উপন্যাস,
ধরিসনি তুই সেই খাতাটা কয়টি মাস?

আড্ডা দিসনা রোজ বিকেলে দিপুর ছাদে,
আড্ডারুরা ভুলবে তোকে ক’দিন বাদে
যাসনি তুই অনেকগুলো আয়োজনে,
প্রতিক্ষাতে থাকবে কি তোর বন্ধুজনে?

গীটার দেখে আজকে কেন কষ্ট হয়?
অবহেলায় এমনিই প্রেম নষ্ট হয়।
ছুসঁনি বলে ভীষন রকম অভিমানে
বাজঁছে গীটার ভুল সুরে আর ভুলের গানে।


মুভি দেখার পুরোনো তোর নেশা দামী,
খোজঁ রেখেছিস কে পেল শেষ ‘একাদেমী?’
মঞ্চে নতুন কি এলো তার খবর রাখিস?
ইদানিং তুই কোন নেশাতে বিভোর থাকিস?


ছয় মাসের এই ভীষন নেশার রাত্রিদিন,
কী দিয়েছে ভালোবাসার সামহোয়্যারইন ?


ভাবিস হোসেইন আজকে রাতে চক্ষুমুদে,
কী পেলি তুই প্রতিদিন এই ছাগল ুদে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28718875 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28718875 2007-07-02 12:58:13
কাজি গলির মেসবাড়ি (হোসেইনকে দেয়া হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) কতো অলস দুপুর এই খানে চাটাই বিছিয়ে আমরা
তিনতাসের জুয়া খেলেছি দুইটাকা দানে,
এই খানে বাসি ডাল দিয়ে পেটপুরে গরম ভাত খেয়ে
কতোশতো রাত গল্পে কাটিয়েছি।
কার যেন দেখা হয়নি কোনদিন রেললাইন,
তাই সবাই মিলে হেটে হেটে মাঝরাতে তাকে নিয়ে
রেললাইন দিয়ে চলে যাওয়া;
কতো ধার দেনা একে অপরের,
কতো শতো সিগারেট বিনিময়,
কতোবার মাস শেষে ভুনা মুরগির ফিস্ট,
বুয়ার ঝগড়া,বাজারের লিস্টি নিয়ে কতো তুলকালাম।
কতো শতো মাস বছর জড়াজড়ি করে বেচেঁ থাকা ।


আজ শুনেছি বন্ধুর প্রমোশন হয়েছে।
ছিমছাম আবাসিক এলাকায় পেয়েছে দুইতলা দখিনা বাড়ি।
বেছে বেছে বন্ধুদের নিমন্ত্রন সেখানে,
সেখানে হুইস্কির বোতল খুলে ভুলে যাওয়া পুরনো নেভি সিগারেট যুগ,
ডিভিডিতে একটা বিদেশী মুভি দেখে আয়েশী ভঙ্গিতে গদিআটা চেয়ারে হেলান।
সেখানে নিওন জলে,চলে বিকল্প শক্তি,
অসহ্য গরমের রাতে
সেখানে তালপাখার প্রবল ঝাকুনির প্রয়োজন ফুরিয়েছে।

ওখানে খটখটিয়ে লাভ নেই হোসেইন।
ওখানে দরজা জুড়ে দাড়িয়েছে তাগড়া দারোয়ান।
নিমন্ত্রনহীন লোকদের সেখানে প্রবেশ নিষেধ।

তার থেকে এই ভালো পড়ে থাকো কাজির গলির মেসে।
পড়ে থাকো আবর্জনাময় খোয়াড়ে তোমার।
তালি দেয়া প‌্যান্ট পরে ঐ আবাসিক এলাকায় ঘুরে বেড়িও না আর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28718296 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28718296 2007-06-28 16:37:43
হোসেইনের ছাগলের গেটআপ কেমন লাগছে?(মডু'র নির্যাতনের বিরুদ্ধে রি পোস্ট) এখুন শিরুনাম বদলাইয়া পোস্ট দিলাম।এই বার যুদি সরানো হয় তাইলে মডুর লগে দুইখান কতা আচে।সরাইবার আগে জবার দিবেন:

১. কেন সরাইবেন? (ছবির জন্য সরাইলে কইতে হবে,ছাগলের ছবি দেয়া নিষিদ্ধ কি না?যুদি তাই হয়,তাইলে অন্য কুনু প্রানী বাদে খালি ছাগলের ছবি নিষিদ্ধ কেনে?ছাগলের সাথে আপনাদের
সম্পর্ক কী?)

২. নিজের ছাগল,নিজের জিনিষপত্র লইয়া পুস্ট দিলে সেইডা কেন ওয়েবলগ হইব না?আর ওয়েবলগ হইলে,সেইটা কেন ব্লগে থাকতে পারব না?

আপনাগো অন্য কোন কারন তাকলে সেইটাও কইবেন,জবাব দিব।কিন্তু লুকাছাপা কাম কইরেন না।ডরাইবার কিছু নাই।

পাঠকগো লাগি রিপোস্ট করলাম নিচে।আসল খান পাইবেন
এখানে।

-------------------------------------
আমার ব্যক্তিগত ছাগলটাকে একটু সাইজ করার চেষ্টায় আছি। বেশ কিছু ফ্রি সার্কাস শিকাইবার পরিকল্পনা।

আপাতত আমার পুরানা গান্ধা টি-শার্টটি দিয়া মুটর সাইকেল মুছামুছি বাদ দিয়া হেইডা ছাগলরে পিন্দাইচি।

বেশ কিছু ডিজাইন দেয়ার পরিকল্পনা আছে। আপাতত বলছি না.. তবে কি কি থাকলে ভাল হয়?

যেমন-
- স্টেনলেস স্টিলের পাছা কাভার।
- চুরাই ল্যাপটপ।
- একহাজার নতুন নাম।
- চান মিয়ার চবি দেয়া লকেট।

... এরকম করে ফিশন রিকোয়েষ্ট রেখে যেতে পারেন। সবগুলোই রাখার চেষ্টা করবো.. যদি সম্ভব হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28717829 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28717829 2007-06-26 14:42:10
শেষ বিচারের দিনে এ-টিম আর তৃনভোজ যেদিন মুখোমুখি
তাকাইয়া দেখি নূরা পাগলা নাই।সে গেছে এই গোলমালে সুমন চৌধুরীরে বিচরাইতে।তার মামলা অনেকগুলা,গুরুতর মামলা হইলো সে সুমন চৌধুরীর পরিচয় নকল করছে।অভিযোগ দাতা এক সূফী সাহেব,এক্ষন সুমন চৌধুরীরে খুইজা না পাইলে প্রমান করা যাইব না যে নূরা পাগলা আর সুমন চৌধুরী দুই জন আলাদা আলাদা,কেইস যাইব নূরার বিরুদ্ধে।জান বাচাইতে সে এই হট্টগুলের মইধ্যে সুমন চৌধুরীরে খুইজা বেড়ায়।সুমন চৌধুরী তার জার্মান রুমমেটগো লগে কই বইসা গাঞ্জা খায় কে জানে।ব্ল্যাকে শরাবন তহুরা বিক্রী হইতাসে,সেইডা দুই এক ঢুক গিইলা ফালাইলে সুমন চৌধুরীরে আর খুইজা পাওন মুশকিল।

শমশের সানগ্লাসের আড়ালে অনেকগুলা মাইয়ার দিকে তাকায়া আচে।কোর্টের দিকে মনোযোগ নাই।বেহায়ার বেহায়া।

হোসেইন ঝিম মাইরা আছে।কেস আরেকটা আচে।সেইডা দিচে রুবেল হালায়।মানসিক রুগিরে লইয়া ফাইজলামির কেইস।পশু ক্লেশ নিবারনীর ধারা লাগাইছে,বাচন সহজ হইব না।

যে গুলান কেইস দিসে তাগো উকিল হইল আকন্দা চাচু,এই গরমে সুট পইরা,মোচে চিরুনি দিয়া বইয়া আছে।শুধ তুলব আইজকা।এ-টিমের উকিল নাই,বিপদের কতা।

একমাত্র হারাধন আর তার গাধা আচে নিশ্চিন্ত।হারাধনের মামলা আর বাকি নাই।৪/৫টা ছিল,বেকসুর খালাস পাইছে।যেইটাই কয়,সে কয় আসামি আমি না।কুনুটাতে আসামির নাম হারাধন,কুনুটাতে হুনমানজি,কুনুটাতে আশরাফ আশরাফ,আবার কুনুটাতে আঈজুদ্দিন..কেইস পরমান করা যায় না।আকন্দা মুখ কালা কইরা বইয়া পড়ে,আসামী বেকসুর খালাস।

এই মামলা শেষ হইলে ডা.আঈজুদ্দিন স্বর্গে গিয়া লীলাখেলা শুরু করব,২ ক্রোশ হাইটা হাইটা স্তন মর্দন করব,বাকিগো টাইম কখন আইব বুঝা যায় না।

কেস শুরু হইল।
ঈশ্বর এমনইতেই টায়ার্ড।
নিজেই অভিযোগ নামা পড়লেন।

"তুমরা,এ-টিমের লুকজন বড়োই খারাপ।তুমরা দিনের পর দিন তৃনভোজরে ছাগল ডাকছ।বেচারার বেজায় অপমান হইসে।এ বিষয়ে তুমরা কিছু কইবা না দুষ স্বীকার করবা?"

হোসেইন আর কি কইব।কথা সত্য,অস্বীকার করনের উপায় নাই।শমশের মাথা চুলকায়।
আঈজুদ্দিন ভাই কইল,"হুজুরে আলা,একখান কতা আচে।তৃনভোজের তো মগজ নাই,আপনে দিতে ভুইলা গেচেন।এখন সে দুনিয়ায় গিয়া উল্টাপাল্টা কাইজ কাম করছে,তারে ডাকছি ছাগল।আপনেই বিচার করেন,তার কি মান অপমান তাকনের কতা?সে বিচার দেয় কুন মুখে?"


ঈশ্বরের চউখ মুখ লাল হয়া গেল গোস্বায়।
রাগে গজরাইতে থাকলেন।তার মুখ দিয়া থুথু বাইরাইতে লাগল।
হুন্কার দিয়া কইলেন,'চুপ থাক বেয়াদব।না বুইঝা কতা কস কেন?আমি কি তৃণভোজের কতা কইতাচি?আমি কইতাচি তুমরা দিনের পর দিন তৃনভুজরে ছাগল ডাইকা,অবলা ছাগলের অপমান করসস কেন?']]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28717751 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28717751 2007-06-26 01:55:55
তেলাপুকা বিষয়ে এ-টীমের মজলিশে শূরার গোপন কতাবার্তার ক্যাসেট
"টিম-আবাল ফিরিয়া আসিয়াছে। আমাকে হামলা করার সাহস দেখানো যাইতে পারে, তবে বিষয়টা আমার আর রাগ ইমনের। তাই, হামলা করার আগে-
১। কেনো হামলা করবি?
২। রাগ ইমন তোদের কে হয়, মা?
৩। কোন আদর্শে মান হন? সকলের মা'ই কি রাগ ইমনের মত?"

কইচে অবশ্য টিম আবাল।কতা অতিশয় সত্য,ইদানিং আমরা ইলেক্ট্রিক রেজর দিয়া কামাইয়া রাখি,যারা মুখে ভরে তারা সেখানে এমুন কিচু পায় না যা দিয়া সবাল কওন যায়।

যাউক,ব্লগের টেনশনের মাজে একখান ছুডু হাসির গপ কই।

এক জঙ্গলে এক অতিকায় হাতি চক্কর দেয়।এক মশার শখ হইলো হাতির পিঠে চড়ব।হাতিরে রিকুয়েস্ট করল।হাতি কইল তুই যখন ইচ্ছা আমার পিঠে চইড়া যাইস,আমি কিছু কমু না।

একদিন হাতি ঘুমায় নারিকেল গাছে হেলান দিয়া।মশা গিয়া বইল হাতির পিঠে।এমুন সময় ঝুনা নারিকেলের কয়েকটা গাছ থাইকা দুম দুম কইরা পড়ছে হাতির মাথায়। হাতি ব্যথা পাইয়া কয়,"উহ"।
মশা উইড়া গিয়া সবাইরে কইয়া বেড়ায়,হালার হাতি,আমি পিঠে বইতেই ব্যথা পাইয়া কয় "উহ"!

গপ এখাইনে শেষ।গপের মরাল হইল"পাগলের সুখ মনে মনে"।

তেলাপুকারে পাইড়া ফালাইতে চাইলে এ-টীমের লাগব বেশির বেশি দুই ঘন্টা।এইখানে দুই দিন ধইরা কথাবার্তা হইতাচে,কে কি কইসে তার শানে নজুল কি,তর্জমা কি এই গুলান লইয়া পোস্ট পড়তাচে তো পড়তাচেই।এ-টীম এখনও তেমন কিচু কয় নাই,যা কইচে দুই একজন বিচ্ছিন্ন ভাবে কইচে, তাও ভালা মুখে কইচে।এইখানে শখ কইরা এ-টীমরে টাননের কিচু নাই।হাতির পিঠে কে ডিগবাজি দিল না দিল সেইটা মশার জন্য গৌরবের হইতে পারে,হাতির জন্য কিচু না।

তেলাপুকার লগে লাগালাগিতে গেলাম না।কেন গেলাম না,সেই গপ কইয়া অফিসের কামকাইজে যাই।গপ হইলো:

এ-টীমের মজলিশে শুরার বৈঠক চলতাচে।এ-টীমের মইধ্যে কিছু সাথী-সমর্থক নেয়া হইচে এরা একনও রুকন হয় নাই।তাগো টেরনিং চলতাচে।

এক ছুডু সমর্থক কইলো,লিডার তেলাপুকা তো বড় লাফান দিতাচে,তৃণভোজ আবার তার মাইয়াগো নিক নিয়া সেইটারে সাপুট দিতাচে।আমার তো মাঝ ঠ্যাঙে কুট কুট করে।কিচু করুম নি?

লিডার কয়, না বাদ দেও।
ছুডু সমর্থকগো মন বেজার ।ক্যা,বাদ দিব ক্যা?লিডার বুঝাইয়া দেন।

লিডার বিরক্ত হইয়া কয়,আরে আবালের দল,তোরা বুঝস না কিচু?ছাগলের পাছায় লাগতে পারস,কারন ছাগলের ছিদ্র দিয়া তোগো এইডা যায়।মাগার তেলাপোকার পাছা দিয়া তোগো এইডা যাইব?তেলাপুকার ছিদ্রপথের কুনু সাইজ আচে নি?মাইক্রোস্কোপ দিয়া দেখতে হইব।

এখুন হ্যার পাছায় লাগার পারমিশন দেই,আর ঢুকাইতে যাইয়া তুরা পুলাটারে গুতাইয়া চ্যাপ্টা কইরা ফালাবি? তুরা এমুন পাষান হইলি কবে থিক্যা?















]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28717625 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28717625 2007-06-25 10:39:13
বসে আছি বরাহ ভীড়ে (একটি দক্ষিনাধুনিক ব্লগীয় কবিতাঞ্জাল)
আমরা যখন সূর্যস্নানে যাচ্ছিলাম,
তখন একপাল শুওর আমাদের ঘিরে ধরে।

তারা তাদের কাদাঘাটা নোংরা শরীর,
তাদের মলমুত্র আর চেটেচেটে তৈরী করা
মুখ ভর্তি ফেনা নিয়ে
আমাদের সুন্দর বাহনটিতে উঠে পড়ে।

তারা শুধু চিতকার করে,আর চিতকার করে।

আমাদের মাঝে যারা মানুষ ছিল,
তারা এই শুওর পালকে ছাগল মনে করে বিভ্রান্ত হয়।

আমি শুধু লড়তে লড়তে প্রতিদিন ক্লান্ত হয়ে যাই,
আর শুওরের পাল সেই লড়াইকে অনায্য ঘোষনার জন্য
চিতকার করে ,চিতকার করে।

তারা জানে ,আমাকে চুপ করাতে পারলেই
তাদের সিদ্ধি লাভ হবে।
তারা তখন নীরবে সেরে ফেলবে
মানুষকে শুওর বানানোর যাবতীয় স্বপ্ন।

আর আমার সহযাত্রীরা তাদের ছাগল ভেবে নিয়ে
শুধু ঠাট্টা করে যায় অবলীলায়।

হায়,তারা জানে না,
শুওরের পাল ইতিহাসে প্রতিবারই এসেছিল
নিরীহ ছাগলের বেশেই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28708007 http://www.somewhereinblog.net/blog/hossainblog/28708007 2007-04-26 13:46:55